সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ وَالرِّجْزَ فَاهْجُرْ এবং অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন- (সূরাহ আল-মুদ্দাস্সির ৭৪/৫)।

সহিহ বুখারী ৪৯২৬

عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل قال ابن شهاب سمعت أبا سلمة قال أخبرني جابر بن عبد الله أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يحدث عن فترة الوحي فبينا أنا أمشي سمعت صوتا من السماء فرفعت بصري قبل السماء فإذا الملك الذي جاءني بحراء قاعد على كرسي بين السماء والأرض فجئثت منه حتى هويت إلى الأرض فجئت أهلي فقلت زملوني زملوني فزملوني فأنزل الله تعالى {يٰأيها المدثر قم فأنذر} إلى قوله {فاهجر} قال أبو سلمة والرجز الأوثان ثم حمي الوحي وتتابع

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ওয়াহী বন্ধ হওয়া সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেছেন, একদা আমি পথ চলছিলাম, এমন সময় আকাশ থেকে একটি আওয়াজ শুনতে পেলাম। এরপর আমি আকাশের দিকে চোখ তুলে দেখলাম, যে ফেরেশতা হেরা গুহায় আমার কাছে আসত, সে আসমান-যমীনের মাঝে একটি কুরসীতে উপবিষ্ট আছে। তাকে দেখে আমি ভীষণ ভয় পেলাম। এমনকি যমীনে পড়ে গেলাম। তারপর আমি আমার স্ত্রীর কাছে গেলাম এবং বললাম, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। তারা আমাকে বস্ত্রাবৃত করল। এরপর আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন ঃ “হে বস্ত্রাবৃত!.....অপবিত্রতা হতে দূরে থাক।” আবূ সালামাহ (রহ.) বলেন, الرِّجْزَ মূর্তিসমূহ। এরপর অধিক হারে ওয়াহী অবতীর্ণ হতে লাগল এবং লাগাতার ওয়াহী আসতে থাকল। [৪] (আ.প্র. ৪৫৫৭, ই.ফা. ৪৫৬১)

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে ওয়াহী বন্ধ হওয়া সম্পর্কে আলোচনা করতে শুনেছেন। তিনি বলেছেন, একদা আমি পথ চলছিলাম, এমন সময় আকাশ থেকে একটি আওয়াজ শুনতে পেলাম। এরপর আমি আকাশের দিকে চোখ তুলে দেখলাম, যে ফেরেশতা হেরা গুহায় আমার কাছে আসত, সে আসমান-যমীনের মাঝে একটি কুরসীতে উপবিষ্ট আছে। তাকে দেখে আমি ভীষণ ভয় পেলাম। এমনকি যমীনে পড়ে গেলাম। তারপর আমি আমার স্ত্রীর কাছে গেলাম এবং বললাম, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। তারা আমাকে বস্ত্রাবৃত করল। এরপর আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন ঃ “হে বস্ত্রাবৃত!.....অপবিত্রতা হতে দূরে থাক।” আবূ সালামাহ (রহ.) বলেন, الرِّجْزَ মূর্তিসমূহ। এরপর অধিক হারে ওয়াহী অবতীর্ণ হতে লাগল এবং লাগাতার ওয়াহী আসতে থাকল। [৪] (আ.প্র. ৪৫৫৭, ই.ফা. ৪৫৬১)

عبد الله بن يوسف حدثنا الليث عن عقيل قال ابن شهاب سمعت أبا سلمة قال أخبرني جابر بن عبد الله أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يحدث عن فترة الوحي فبينا أنا أمشي سمعت صوتا من السماء فرفعت بصري قبل السماء فإذا الملك الذي جاءني بحراء قاعد على كرسي بين السماء والأرض فجئثت منه حتى هويت إلى الأرض فجئت أهلي فقلت زملوني زملوني فزملوني فأنزل الله تعالى {يٰأيها المدثر قم فأنذر} إلى قوله {فاهجر} قال أبو سلمة والرجز الأوثان ثم حمي الوحي وتتابع


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ ওয়াহী দ্রুত আয়ত্ত করার জন্য আপনি ওয়াহী অবতীর্ণ হওয়ার সময় আপনার জিহবা নাড়বে না। (সূরাহ আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৬)

সহিহ বুখারী ৪৯২৭

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا موسى بن أبي عائشة وكان ثقة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا نزل عليه الوحي حرك به لسانه ووصف سفيان يريد أن يحفظه فأنزل الله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ}.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করা হত, তখন তিনি দ্রুত তাঁর জিহ্বা নাড়তেন। রাবী সুফ্ইয়ান বলেন, এভাবে করার পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ওয়াহী মুখস্থ করা। তারপর আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন ঃ তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা সঞ্চালন করবে না। [৫] (আ.প্র. ৪৫৫৮, ই.ফা. ৪৫৬২)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করা হত, তখন তিনি দ্রুত তাঁর জিহ্বা নাড়তেন। রাবী সুফ্ইয়ান বলেন, এভাবে করার পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল ওয়াহী মুখস্থ করা। তারপর আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন ঃ তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা সঞ্চালন করবে না। [৫] (আ.প্র. ৪৫৫৮, ই.ফা. ৪৫৬২)

الحميدي حدثنا سفيان حدثنا موسى بن أبي عائشة وكان ثقة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا نزل عليه الوحي حرك به لسانه ووصف سفيان يريد أن يحفظه فأنزل الله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ}.


সহিহ বুখারী > ‘‘নিশ্চয় এর একত্রীকরণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার।’’ (সূর আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৭)

সহিহ বুখারী ৪৯২৮

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن موسى بن أبي عائشة أنه سأل سعيد بن جبير عن قوله تعالى {لا تحرك بهٰ لسانك} قال وقال ابن عباس كان يحرك شفتيه إذا أنزل عليه فقيل له {لا تحرك بهٰ لسانك} يخشى أن ينفلت منه {إن علينا جمعه” وقراٰنه} أن نجمعه في صدرك وقرآنه أن تقرأه {فإذا قرأناه} يقول أنزل عليه {فاتبع قراٰنه” ج -ثم إن علينا بيانه”} أن نبينه على لسانك.

মূসা ইব্‌নু আবূ ‘আয়িশাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ আল্লাহ্‌র এই বাণী সম্পর্কে সা‘ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করা হত, তখন তিনি তাঁর ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। তখন তাঁকে বলা হল, তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা নাড়বে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াহী ভুলে যাবার আশংকায় এমন করতেন। নিশ্চয়ই এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ আমি নিজেই তাকে তোমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করব। তাই আমি যখন তা পাঠ করব অর্থাৎ যখন তোমার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হতে থাকবে, তখন তুমি তার অনুসরণ করবে। এরপর তা বর্ণনা করার দাযিত্ব আমারই অর্থাৎ এ কুরআনকে তোমার মুখ দিয়ে বর্ণনা করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার। [৫] (আ.প্র. ৪৫৫৯, ই.ফা. ৪৫৬৩)

মূসা ইব্‌নু আবূ ‘আয়িশাহ (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ আল্লাহ্‌র এই বাণী সম্পর্কে সা‘ঈদ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করা হত, তখন তিনি তাঁর ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। তখন তাঁকে বলা হল, তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তুমি তোমার জিহ্বা নাড়বে না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ওয়াহী ভুলে যাবার আশংকায় এমন করতেন। নিশ্চয়ই এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ আমি নিজেই তাকে তোমার স্মৃতিতে সংরক্ষণ করব। তাই আমি যখন তা পাঠ করব অর্থাৎ যখন তোমার প্রতি ওয়াহী অবতীর্ণ হতে থাকবে, তখন তুমি তার অনুসরণ করবে। এরপর তা বর্ণনা করার দাযিত্ব আমারই অর্থাৎ এ কুরআনকে তোমার মুখ দিয়ে বর্ণনা করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমার। [৫] (আ.প্র. ৪৫৫৯, ই.ফা. ৪৫৬৩)

عبيد الله بن موسى عن إسرائيل عن موسى بن أبي عائشة أنه سأل سعيد بن جبير عن قوله تعالى {لا تحرك بهٰ لسانك} قال وقال ابن عباس كان يحرك شفتيه إذا أنزل عليه فقيل له {لا تحرك بهٰ لسانك} يخشى أن ينفلت منه {إن علينا جمعه” وقراٰنه} أن نجمعه في صدرك وقرآنه أن تقرأه {فإذا قرأناه} يقول أنزل عليه {فاتبع قراٰنه” ج -ثم إن علينا بيانه”} أن نبينه على لسانك.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তখন আপনি সেই পাঠের অনুসরণ করুন। (সূরাহ আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/১৮)

সহিহ বুখারী ৪৯২৯

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ} قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نزل جبريل بالوحي وكان مما يحرك به لسانه وشفتيه فيشتد عليه وكان يعرف منه فأنزل الله الآية التي في {لآ أقسم بيوم القيٰمة لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰط- إن علينا جمعه” وقراٰنه} قال علينا أن نجمعه في صدرك وقرآنه {فإذا قرأناه فاتبع قرآنه} فإذا أنزلناه فاستمع {) ثم إن علينا بيانه”} علينا أن نبينه بلسانك قال فكان إذا أتاه جبريل أطرق فإذا ذهب قرأه كما وعده الله عز وجل {أولٰى لك فأولٰى} توعد

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র বাণী ঃ لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন যে, জিবরীল (‘আ.) যখন ওয়াহী নিয়ে আসতেন তখন রসূল তাঁর জিহ্বা ও ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। এটা তাঁর জন্য কষ্টসাধ্য হত এবং তাঁর চেহারা দেখেই বোঝা যেত। তাই আল্লাহ্ তা‘আলা ঃ “তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তোমার জিহ্বা সঞ্চালন করবে না; এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই” অবতীর্ণ করলেন। এতে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন ঃ এ কুরআনকে আপনার বক্ষে সংরক্ষিত করা ও পড়িয়ে দেয়ার ভার আমার উপর। সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর, অর্থাৎ আমি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করি তখন তুমি মনোযোগ দিয়ে শুন। তারপর এর বিস্তারিত ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ তোমার মুখে তা বর্ণনা করার দায়িত্ব আমারই। রাবী বলেন, এরপর জিব্রীল (‘আ.) চলে গেলে আল্লাহ্‌র ওয়াদা ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُ মুতাবিক তিনি তা পাঠ করতেন। أَوْلَى لَكَ فَأَوْلَى দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ! تَوَعُّدٌ এ আয়াতে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। [৫; মুসলিম ৪/৩২, হাঃ ৪৪৮, আহমাদ ৩১৯১] (আ.প্র. ৪৫৬০, ই.ফা. ৪৫৬৪)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আল্লাহ্‌র বাণী ঃ لاَ تُحَرِّكْ بِهِ لِسَانَكَ لِتَعْجَلَ بِهِ এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন যে, জিবরীল (‘আ.) যখন ওয়াহী নিয়ে আসতেন তখন রসূল তাঁর জিহ্বা ও ঠোঁট দু’টো দ্রুত নাড়তেন। এটা তাঁর জন্য কষ্টসাধ্য হত এবং তাঁর চেহারা দেখেই বোঝা যেত। তাই আল্লাহ্ তা‘আলা ঃ “তাড়াতাড়ি ওয়াহী আয়ত্ত করার জন্য তোমার জিহ্বা সঞ্চালন করবে না; এ কুরআন সংরক্ষণ ও পাঠ করিয়ে দেয়ার দায়িত্ব আমারই” অবতীর্ণ করলেন। এতে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন ঃ এ কুরআনকে আপনার বক্ষে সংরক্ষিত করা ও পড়িয়ে দেয়ার ভার আমার উপর। সুতরাং আমি যখন তা পাঠ করি, তুমি সে পাঠের অনুসরণ কর, অর্থাৎ আমি যখন ওয়াহী অবতীর্ণ করি তখন তুমি মনোযোগ দিয়ে শুন। তারপর এর বিস্তারিত ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই। অর্থাৎ তোমার মুখে তা বর্ণনা করার দায়িত্ব আমারই। রাবী বলেন, এরপর জিব্রীল (‘আ.) চলে গেলে আল্লাহ্‌র ওয়াদা ثُمَّ إِنَّ عَلَيْنَا بَيَانَهُ মুতাবিক তিনি তা পাঠ করতেন। أَوْلَى لَكَ فَأَوْلَى দুর্ভোগ তোমার জন্য, দুর্ভোগ! تَوَعُّدٌ এ আয়াতে ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে। [৫; মুসলিম ৪/৩২, হাঃ ৪৪৮, আহমাদ ৩১৯১] (আ.প্র. ৪৫৬০, ই.ফা. ৪৫৬৪)

قتيبة بن سعيد حدثنا جرير عن موسى بن أبي عائشة عن سعيد بن جبير عن ابن عباس في قوله {لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰ} قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا نزل جبريل بالوحي وكان مما يحرك به لسانه وشفتيه فيشتد عليه وكان يعرف منه فأنزل الله الآية التي في {لآ أقسم بيوم القيٰمة لا تحرك بهٰ لسانك لتعجل بهٰط- إن علينا جمعه” وقراٰنه} قال علينا أن نجمعه في صدرك وقرآنه {فإذا قرأناه فاتبع قرآنه} فإذا أنزلناه فاستمع {) ثم إن علينا بيانه”} علينا أن نبينه بلسانك قال فكان إذا أتاه جبريل أطرق فإذا ذهب قرأه كما وعده الله عز وجل {أولٰى لك فأولٰى} توعد


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00