সহিহ বুখারী > ‘‘এবং আত্মীয়ের বন্ধন ছিন্ন করবে।’’ (সূরাহ মুহাম্মাদ ৪৭/২২)

সহিহ বুখারী ৪৮৩২

بشر بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معاوية بن أبي المزرد بهذا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم واقرءوا إن شئتم {فهل عسيتم}. آسن متغير.

মু‘আবিয়াহ ইব্‌নু মুর্যারাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আবূ হুরাইরাহ বলেন) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইচ্ছে হলে তোমরা পড়, (ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে)। অর্থাৎ آسِنٍঅর্থ পরিবর্তনশীল বা ময়লাযুক্ত। [৪৮৩০] (আ.প্র. ৪৪৬৭, ই.ফা. ৪৪৬৯)

মু‘আবিয়াহ ইব্‌নু মুর্যারাদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আবূ হুরাইরাহ বলেন) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইচ্ছে হলে তোমরা পড়, (ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করবে)। অর্থাৎ آسِنٍঅর্থ পরিবর্তনশীল বা ময়লাযুক্ত। [৪৮৩০] (আ.প্র. ৪৪৬৭, ই.ফা. ৪৪৬৯)

بشر بن محمد أخبرنا عبد الله أخبرنا معاوية بن أبي المزرد بهذا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم واقرءوا إن شئتم {فهل عسيتم}. آسن متغير.


সহিহ বুখারী ৪৮৩১

إبراهيم بن حمزة حدثنا حاتم عن معاوية قال حدثني عمي أبو الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة بهذا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا إن شئتم {فهل عسيتم}.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(এরপর তিনি বলেন) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইচ্ছে হলে তোমরা পড় (ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বাঁধন ছিন্ন করবে।) [৪৮৩০] (আ.প্র. ৪৪৬৬, ই.ফা. ৪৪৬৮)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(এরপর তিনি বলেন) রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইচ্ছে হলে তোমরা পড় (ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বাঁধন ছিন্ন করবে।) [৪৮৩০] (আ.প্র. ৪৪৬৬, ই.ফা. ৪৪৬৮)

إبراهيم بن حمزة حدثنا حاتم عن معاوية قال حدثني عمي أبو الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة بهذا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم اقرءوا إن شئتم {فهل عسيتم}.


সহিহ বুখারী ৪৮৩০

خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني معاوية بن أبي مزرد عن سعيد بن يسار عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال خلق الله الخلق فلما فرغ منه قامت الرحم فأخذت بحقو الرحمن فقال له مه قالت هذا مقام العائذ بك من القطيعة قال ألا ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك قالت بلى يا رب قال فذاك قال أبو هريرة اقرءوا إن شئتم {فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم}.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেন। এ থেকে তিনি নিস্ক্রান্ত হলে ‘রাহিম’ (রক্ত সম্পর্কে) দাঁড়িয়ে পরম করুণাময়ের আঁচল টেনে ধরল। তিনি তাকে বললেন, থামো। সে বলল, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী লোক থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্যই আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আল্লাহ্ বললেন, যে তোমাকে সম্পর্কযুক্ত রাখে, আমিও তাকে সম্পর্কযুক্ত রাখব; আর যে তোমার হতে থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে, আমিও তার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করব এতে কি তুমি খুশী নও? সে বলল, নিশ্চয়ই, হে আমার প্রভু। তিনি বললেন, যাও তোমার জন্য তাই করা হল। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ইচ্ছে হলে তোমরা পড়, “ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বাঁধন ছিন্ন করবে।” [৪৮৩১, ৪৮৩২, ৫৯৮৭, ৭৫০২; মুসলিম ৪৫/৬, হাঃ ২৫৫৪] (আ.প্র. ৪৪৬৫, ই.ফা. ৪৪৬৭)

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা সৃষ্টিকুলকে সৃষ্টি করেন। এ থেকে তিনি নিস্ক্রান্ত হলে ‘রাহিম’ (রক্ত সম্পর্কে) দাঁড়িয়ে পরম করুণাময়ের আঁচল টেনে ধরল। তিনি তাকে বললেন, থামো। সে বলল, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্নকারী লোক থেকে আশ্রয় চাওয়ার জন্যই আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আল্লাহ্ বললেন, যে তোমাকে সম্পর্কযুক্ত রাখে, আমিও তাকে সম্পর্কযুক্ত রাখব; আর যে তোমার হতে থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে, আমিও তার থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করব এতে কি তুমি খুশী নও? সে বলল, নিশ্চয়ই, হে আমার প্রভু। তিনি বললেন, যাও তোমার জন্য তাই করা হল। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, ইচ্ছে হলে তোমরা পড়, “ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে সম্ভবত তোমরা পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টি করবে এবং আত্মীয়তার বাঁধন ছিন্ন করবে।” [৪৮৩১, ৪৮৩২, ৫৯৮৭, ৭৫০২; মুসলিম ৪৫/৬, হাঃ ২৫৫৪] (আ.প্র. ৪৪৬৫, ই.ফা. ৪৪৬৭)

خالد بن مخلد حدثنا سليمان قال حدثني معاوية بن أبي مزرد عن سعيد بن يسار عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال خلق الله الخلق فلما فرغ منه قامت الرحم فأخذت بحقو الرحمن فقال له مه قالت هذا مقام العائذ بك من القطيعة قال ألا ترضين أن أصل من وصلك وأقطع من قطعك قالت بلى يا رب قال فذاك قال أبو هريرة اقرءوا إن شئتم {فهل عسيتم إن توليتم أن تفسدوا في الأرض وتقطعوا أرحامكم}.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয় আমি আপনাকে এক প্রকাশ্য বিজয় দান করেছি (সূরাহ আল-ফাত্হ ৪৮/১)

সহিহ বুখারী ৪৮৩৫

مسلم بن إبراهيم حدثنا شعبة حدثنا معاوية بن قرة عن عبد الله بن مغفل قال قرأ النبي صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة سورة الفتح فرجع فيها قال معاوية لو شئت أن أحكي لكم قراءة النبي صلى الله عليه وسلم لفعلت.

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মুগাফ্ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন সূরাহ ফাতহ্ সমধুর কণ্ঠে পাঠ করেন। মু‘আবিয়াহ্ (রাঃ) বলেন, আমি ইচ্ছে করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কিরাআত তোমাদের নকল করে শোনাতে পারি। [৪২৮১] (আ.প্র. ৪৪৬৯, ই.ফা. ৪৪৭২)

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মুগাফ্ফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন সূরাহ ফাতহ্ সমধুর কণ্ঠে পাঠ করেন। মু‘আবিয়াহ্ (রাঃ) বলেন, আমি ইচ্ছে করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কিরাআত তোমাদের নকল করে শোনাতে পারি। [৪২৮১] (আ.প্র. ৪৪৬৯, ই.ফা. ৪৪৭২)

مسلم بن إبراهيم حدثنا شعبة حدثنا معاوية بن قرة عن عبد الله بن مغفل قال قرأ النبي صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة سورة الفتح فرجع فيها قال معاوية لو شئت أن أحكي لكم قراءة النبي صلى الله عليه وسلم لفعلت.


সহিহ বুখারী ৪৮৩৪

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة سمعت قتادة عن أنس رضي الله عنه {إنا فتحنا لك فتحا مبينا} قال الحديبية.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا “এর দ্বারা হুদাইবিয়াহ্র সন্ধি বোঝানো হয়েছে। [৪১৭২] (আ.প্র. , ই.ফা. ৪৪৭১)

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, إِنَّا فَتَحْنَا لَكَ فَتْحًا مُبِينًا “এর দ্বারা হুদাইবিয়াহ্র সন্ধি বোঝানো হয়েছে। [৪১৭২] (আ.প্র. , ই.ফা. ৪৪৭১)

محمد بن بشار حدثنا غندر حدثنا شعبة سمعت قتادة عن أنس رضي الله عنه {إنا فتحنا لك فتحا مبينا} قال الحديبية.


সহিহ বুখারী ৪৮৩৩

عبد الله بن مسلمة عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسير في بعض أسفاره وعمر بن الخطاب يسير معه ليلا فسأله عمر بن الخطاب عن شيء فلم يجبه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم سأله فلم يجبه ثم سأله فلم يجبه فقال عمر بن الخطاب ثكلت أم عمر نزرت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات كل ذلك لا يجيبك قال عمر فحركت بعيري ثم تقدمت أمام الناس وخشيت أن ينزل في قرآن فما نشبت أن سمعت صارخا يصرخ بي فقلت لقد خشيت أن يكون نزل في قرآن فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فقال لقد أنزلت علي الليلة سورة لهي أحب إلي مما طلعت عليه الشمس ثم قرأ {إنا فتحنا لك فتحا مبينا}.

আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতের বেলা কোন এক সফরে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ)-ও চলছিলেন। ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) তাঁকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলেন, কিন্তু রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে কোন উত্তর দিলেন না। তিনি আবার তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তারপর তিনি আবার তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, এবারও তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তখন ‘উমার (রাঃ) (নিজেকে) বললেন, উমরের মা হারিয়ে যাক। তুমি তিনবার রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলে, কিন্তু একবারও তিনি তোমার জবাব দিলেন না। ‘উমার (রাঃ) বলেন, তারপর আমি আমার উটটি দ্রুতবেগে চালিয়ে লোকদের আগে চলে গেলাম এবং আমার ব্যাপারে কুরআন নাযিলের আশংকা করলাম। অধিকক্ষণ হয়নি, তখন শুনলাম এক আহ্বানকারী আমাকে ডাকছে। আমি (মনে মনে) বললাম, আমি তো আশংকা করছিলাম যে, আমার ব্যাপারে কোন আয়াত অবতীর্ণ হতে পারে। তারপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, আজ রাতে আমার উপর এমন একটি সূরাহ নাযিল হয়েছে, যা আমার কাছে, এই পৃথিবী, যার ওপর সূর্য উদিত হয়,তা থেকেও অধিক প্রিয়। তারপর তিনি পাঠ করলেন, নিশ্চয়ই আমি তোমাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়। [৪১৭৭] (আ.প্র. ৪৪৬৮, ই.ফা. ৪৪৭০)

আসলাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতের বেলা কোন এক সফরে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ)-ও চলছিলেন। ‘উমার ইব্‌নু খাত্তাব (রাঃ) তাঁকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করলেন, কিন্তু রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে কোন উত্তর দিলেন না। তিনি আবার তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তারপর তিনি আবার তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, এবারও তিনি কোন উত্তর দিলেন না। তখন ‘উমার (রাঃ) (নিজেকে) বললেন, উমরের মা হারিয়ে যাক। তুমি তিনবার রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলে, কিন্তু একবারও তিনি তোমার জবাব দিলেন না। ‘উমার (রাঃ) বলেন, তারপর আমি আমার উটটি দ্রুতবেগে চালিয়ে লোকদের আগে চলে গেলাম এবং আমার ব্যাপারে কুরআন নাযিলের আশংকা করলাম। অধিকক্ষণ হয়নি, তখন শুনলাম এক আহ্বানকারী আমাকে ডাকছে। আমি (মনে মনে) বললাম, আমি তো আশংকা করছিলাম যে, আমার ব্যাপারে কোন আয়াত অবতীর্ণ হতে পারে। তারপর আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে তাঁকে সালাম করলাম। তিনি বললেন, আজ রাতে আমার উপর এমন একটি সূরাহ নাযিল হয়েছে, যা আমার কাছে, এই পৃথিবী, যার ওপর সূর্য উদিত হয়,তা থেকেও অধিক প্রিয়। তারপর তিনি পাঠ করলেন, নিশ্চয়ই আমি তোমাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়। [৪১৭৭] (আ.প্র. ৪৪৬৮, ই.ফা. ৪৪৭০)

عبد الله بن مسلمة عن مالك عن زيد بن أسلم عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يسير في بعض أسفاره وعمر بن الخطاب يسير معه ليلا فسأله عمر بن الخطاب عن شيء فلم يجبه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم سأله فلم يجبه ثم سأله فلم يجبه فقال عمر بن الخطاب ثكلت أم عمر نزرت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث مرات كل ذلك لا يجيبك قال عمر فحركت بعيري ثم تقدمت أمام الناس وخشيت أن ينزل في قرآن فما نشبت أن سمعت صارخا يصرخ بي فقلت لقد خشيت أن يكون نزل في قرآن فجئت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فقال لقد أنزلت علي الليلة سورة لهي أحب إلي مما طلعت عليه الشمس ثم قرأ {إنا فتحنا لك فتحا مبينا}.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ

সহিহ বুখারী ৪৮৩৬

صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا زياد هو ابن علاقة أنه سمع المغيرة يقول قام النبي صلى الله عليه وسلم حتى تورمت قدماه فقيل له غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر قال أفلا أكون عبدا شكورا.

মুগীরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এত অধিক সলাত আদায় করতেন যে, তাঁর পদযুগল ফুলে যেতো। তাঁকে বলা হলো, আল্লাহ্ তো আপনার অতীত ও ভবিষ্যতের ত্র“টিসমূহ মার্জনা করে দিয়েছেন। তিনি বললেন, আমি কি কৃতজ্ঞ বান্দা হবো না? [১১৩০] (আ.প্র. ৪৪৭০, ই.ফা. ৪৪৭৩)

মুগীরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এত অধিক সলাত আদায় করতেন যে, তাঁর পদযুগল ফুলে যেতো। তাঁকে বলা হলো, আল্লাহ্ তো আপনার অতীত ও ভবিষ্যতের ত্র“টিসমূহ মার্জনা করে দিয়েছেন। তিনি বললেন, আমি কি কৃতজ্ঞ বান্দা হবো না? [১১৩০] (আ.প্র. ৪৪৭০, ই.ফা. ৪৪৭৩)

صدقة بن الفضل أخبرنا ابن عيينة حدثنا زياد هو ابن علاقة أنه سمع المغيرة يقول قام النبي صلى الله عليه وسلم حتى تورمت قدماه فقيل له غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر قال أفلا أكون عبدا شكورا.


সহিহ বুখারী ৪৮৩৭

الحسن بن عبد العزيز حدثنا عبد الله بن يحيى أخبرنا حيوة عن أبي الأسود سمع عروة عن عائشة رضي الله عنها أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقوم من الليل حتى تتفطر قدماه فقالت عائشة لم تصنع هذا يا رسول الله وقد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر قال أفلا أحب أن أكون عبدا شكورا فلما كثر لحمه صلى جالسا فإذا أراد أن يركع قام فقرأ ثم ركع.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে এত অধিক সলাত আদায় করতেন যে, তাঁর পদযুগল ফেটে যেতো। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্ তো আপনার আগের ও পরের ত্র“টিসমূহ ক্ষমা করে দিয়েছেন? তবু আপনি কেন তা করছেন? তিনি বললেন, আমি কি আল্লাহ্‌র কৃতজ্ঞ বান্দা হওয়া পছন্দ করব না? তাঁর মেদ বর্ধিত হলে তিনি বসে সলাত আদায় করতেন। যখন রুকু করার ইচ্ছে করতেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে কিরাআত পড়তেন, তারপর রুকূ‘ করতেন। [১১১৮] (আ.প্র. ৪৪৭১, ই.ফা. ৪৪৭৪)

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাতে এত অধিক সলাত আদায় করতেন যে, তাঁর পদযুগল ফেটে যেতো। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আল্লাহ্ তো আপনার আগের ও পরের ত্র“টিসমূহ ক্ষমা করে দিয়েছেন? তবু আপনি কেন তা করছেন? তিনি বললেন, আমি কি আল্লাহ্‌র কৃতজ্ঞ বান্দা হওয়া পছন্দ করব না? তাঁর মেদ বর্ধিত হলে তিনি বসে সলাত আদায় করতেন। যখন রুকু করার ইচ্ছে করতেন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে কিরাআত পড়তেন, তারপর রুকূ‘ করতেন। [১১১৮] (আ.প্র. ৪৪৭১, ই.ফা. ৪৪৭৪)

الحسن بن عبد العزيز حدثنا عبد الله بن يحيى أخبرنا حيوة عن أبي الأسود سمع عروة عن عائشة رضي الله عنها أن نبي الله صلى الله عليه وسلم كان يقوم من الليل حتى تتفطر قدماه فقالت عائشة لم تصنع هذا يا رسول الله وقد غفر الله لك ما تقدم من ذنبك وما تأخر قال أفلا أحب أن أكون عبدا شكورا فلما كثر لحمه صلى جالسا فإذا أراد أن يركع قام فقرأ ثم ركع.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ আমি তো আপনাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষ্য প্রদানকারী, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে। (সূরাহ আল-ফাত্হ ৪৮/৮)

সহিহ বুখারী ৪৮৩৮

عبد الله بن مسلمة حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة عن هلال بن أبي هلال عن عطاء بن يسار عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما أن هذه الآية التي في القرآن {يٰأيها النبيإنآ أرسلنٰك شاهدا ومبشرا ونذيرا لا} قال في التوراة يا أيها النبي إنا أرسلناك شاهدا ومبشرا وحرزا للأميين أنت عبدي ورسولي سميتك المتوكل ليس بفظ ولا غليظ ولا سخاب بالأسواق ولا يدفع السيئة بالسيئة ولكن يعفو ويصفح ولن يقبضه الله حتى يقيم به الملة العوجاء بأن يقولوا لا إله إلا الله فيفتح بها أعينا عميا وآذانا صما وقلوبا غلفا

‘আম্‌র ইব্‌নু আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কুরআনের এ আয়াত, “আমি তোমাকে পাঠিয়েছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে” তাওরাতে আল্লাহ্ এভাবে বলেছেন, হে নাবী, আমি তোমাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও উম্মী লোকদের মুক্তি দাতারূপে। তুমি আমার বান্দা ও রসূল। আমি তোমার নাম রেখেছি নির্ভরকারী যে রূঢ় ও কঠোরচিত্ত নয়, বাজারে শোরগোলকারী নয় এবং মন্দ মন্দ দ্বারা প্রতিহতকারীও নয়; বরং তিনি ক্ষমা করবেন এবং উপেক্ষা করবেন। বক্র জাতিকে সোজা না করা পর্যন্ত আল্লাহ্ তাঁর জান কবয করবেন না। তা এভাবে যে, তারা বলবে, আল্লাহ্ ব্যতীত ইলাহ নেই। ফলে খুলে যাবে অন্ধ চোখ, বধির কান এবং পর্দায় ঢাকা অন্তরসমূহ। [২১২৫] (আ.প্র. ৪৪৭২, ই.ফা. ৪৪৭৫)

‘আম্‌র ইব্‌নু আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

কুরআনের এ আয়াত, “আমি তোমাকে পাঠিয়েছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে” তাওরাতে আল্লাহ্ এভাবে বলেছেন, হে নাবী, আমি তোমাকে প্রেরণ করেছি সাক্ষীরূপে, সুসংবাদদাতা ও উম্মী লোকদের মুক্তি দাতারূপে। তুমি আমার বান্দা ও রসূল। আমি তোমার নাম রেখেছি নির্ভরকারী যে রূঢ় ও কঠোরচিত্ত নয়, বাজারে শোরগোলকারী নয় এবং মন্দ মন্দ দ্বারা প্রতিহতকারীও নয়; বরং তিনি ক্ষমা করবেন এবং উপেক্ষা করবেন। বক্র জাতিকে সোজা না করা পর্যন্ত আল্লাহ্ তাঁর জান কবয করবেন না। তা এভাবে যে, তারা বলবে, আল্লাহ্ ব্যতীত ইলাহ নেই। ফলে খুলে যাবে অন্ধ চোখ, বধির কান এবং পর্দায় ঢাকা অন্তরসমূহ। [২১২৫] (আ.প্র. ৪৪৭২, ই.ফা. ৪৪৭৫)

عبد الله بن مسلمة حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة عن هلال بن أبي هلال عن عطاء بن يسار عن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما أن هذه الآية التي في القرآن {يٰأيها النبيإنآ أرسلنٰك شاهدا ومبشرا ونذيرا لا} قال في التوراة يا أيها النبي إنا أرسلناك شاهدا ومبشرا وحرزا للأميين أنت عبدي ورسولي سميتك المتوكل ليس بفظ ولا غليظ ولا سخاب بالأسواق ولا يدفع السيئة بالسيئة ولكن يعفو ويصفح ولن يقبضه الله حتى يقيم به الملة العوجاء بأن يقولوا لا إله إلا الله فيفتح بها أعينا عميا وآذانا صما وقلوبا غلفا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00