সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নাই।
সহিহ বুখারী ৪৮৫৪
الحميدي حدثنا سفيان قال حدثوني عن الزهري عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه رضي الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور فلما بلغ هذه الآية {أم خلقوا من غير شيء أم هم الخٰلقون ط (35) أم خلقوا السمٰوٰت والأرض ج بل لا يوقنون ط (36) أم عندهم خزآئن ربك أم هم المصيطرون ط (37)} قال كاد قلبي أن يطير قال سفيان فأما أنا فإنما سمعت الزهري يحدث عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور ولم أسمعه زاد الذي قالوا
যুবায়র ইব্নু মুত‘ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। যখন তিনি এ আয়াত পর্যন্ত পৌঁছেন তারা কি স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি হয়েছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? আসমান-যমীন কি তারাই সৃষ্টি করেছে? আসলে তারা অবিশ্বাসী। আমার প্রতিপালকের ধনভাণ্ডার কি তাদের কাছে রয়েছে, না তারাই এ সমূদয়ের নিয়ন্তা তখন আমার অন্তর প্রায় উড়ে যাবার অবস্থা হয়েছিল। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, আমি যুহরীকে মুহাম্মদ ইব্নু জুবায়ির ইব্নু মুত‘ইমকে তার পিতার বর্ণনা করতে শুনেছি তার পিতা যুবায়র বলেছেন যে, যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। কিন্তু এর অতিরিক্ত আমি শুনিনি যা তাঁরা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। [৭৬৫] (আ.প্র. ৪৪৮৭, ই.ফা. ৪৪৯০)
যুবায়র ইব্নু মুত‘ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। যখন তিনি এ আয়াত পর্যন্ত পৌঁছেন তারা কি স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি হয়েছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? আসমান-যমীন কি তারাই সৃষ্টি করেছে? আসলে তারা অবিশ্বাসী। আমার প্রতিপালকের ধনভাণ্ডার কি তাদের কাছে রয়েছে, না তারাই এ সমূদয়ের নিয়ন্তা তখন আমার অন্তর প্রায় উড়ে যাবার অবস্থা হয়েছিল। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, আমি যুহরীকে মুহাম্মদ ইব্নু জুবায়ির ইব্নু মুত‘ইমকে তার পিতার বর্ণনা করতে শুনেছি তার পিতা যুবায়র বলেছেন যে, যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। কিন্তু এর অতিরিক্ত আমি শুনিনি যা তাঁরা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। [৭৬৫] (আ.প্র. ৪৪৮৭, ই.ফা. ৪৪৯০)
الحميدي حدثنا سفيان قال حدثوني عن الزهري عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه رضي الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور فلما بلغ هذه الآية {أم خلقوا من غير شيء أم هم الخٰلقون ط (35) أم خلقوا السمٰوٰت والأرض ج بل لا يوقنون ط (36) أم عندهم خزآئن ربك أم هم المصيطرون ط (37)} قال كاد قلبي أن يطير قال سفيان فأما أنا فإنما سمعت الزهري يحدث عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور ولم أسمعه زاد الذي قالوا
সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নাই।
সহিহ বুখারী ৪৮৫৫
يحيى حدثنا وكيع عن إسماعيل بن أبي خالد عن عامر عن مسروق قال قلت لعائشة رضي الله عنها يا أمتاه هل رأى محمد صلى الله عليه وسلم ربه فقالت لقد قف شعري مما قلت أين أنت من ثلاث من حدثكهن فقد كذب من حدثك أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد كذب ثم قرأت {لا تدركه الأبصار زوهو يدرك الأبصار جوهو اللطيف الخبيروما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من ورآء حجاب} ومن حدثك أنه يعلم ما في غد فقد كذب ثم قرأت {وما تدري نفس ماذا تكسب غدا} ومن حدثك أنه كتم فقد كذب ثم قرأت {يٰأيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك} الآية ولكنه رأى جبريل عليه السلام في صورته مرتين.
মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আম্মা! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তাঁর রবকে দেখেছিলেন তিনি বললেন, তোমার কথায় আমার গায়ের পশম কাঁটা দিয়ে খাড়া হয়ে গেছে। তিনটি কথা সম্পর্কে তুমি কি জান না যে তোমাকে এ তিনটি কথা বলবে সে মিথ্যা বলবে। যদি কেউ তোমাকে বলে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেছেন, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি পাঠ করলেন, তিনি দৃষ্টিশক্তির অধিগম্য নহেন কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত; এবং তিনিই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক পরিজ্ঞাত” “মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ্ তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন, ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার আড়াল ছাড়া”। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলবে যে, আগামীকাল কী হবে সে তা জানে, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন, “কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে।” এবং তোমাকে যে বলবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন কথা গোপন রেখেছেন, তাহলেও সে মিথ্যাচারী। এরপর তিনি পাঠ করলেন, “হে রসূল! তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা প্রচার কর। হ্যাঁ, তবে রসূল জিব্রীল (‘আ.)-কে তাঁর নিজস্ব আকৃতিতে দু’বার দেখেছেন। [৩২৩৪] (আ.প্র. ৪৪৮৮, ই.ফা. ৪৪৯১)
মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আম্মা! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তাঁর রবকে দেখেছিলেন তিনি বললেন, তোমার কথায় আমার গায়ের পশম কাঁটা দিয়ে খাড়া হয়ে গেছে। তিনটি কথা সম্পর্কে তুমি কি জান না যে তোমাকে এ তিনটি কথা বলবে সে মিথ্যা বলবে। যদি কেউ তোমাকে বলে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেছেন, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি পাঠ করলেন, তিনি দৃষ্টিশক্তির অধিগম্য নহেন কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত; এবং তিনিই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক পরিজ্ঞাত” “মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ্ তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন, ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার আড়াল ছাড়া”। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলবে যে, আগামীকাল কী হবে সে তা জানে, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন, “কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে।” এবং তোমাকে যে বলবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন কথা গোপন রেখেছেন, তাহলেও সে মিথ্যাচারী। এরপর তিনি পাঠ করলেন, “হে রসূল! তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা প্রচার কর। হ্যাঁ, তবে রসূল জিব্রীল (‘আ.)-কে তাঁর নিজস্ব আকৃতিতে দু’বার দেখেছেন। [৩২৩৪] (আ.প্র. ৪৪৮৮, ই.ফা. ৪৪৯১)
يحيى حدثنا وكيع عن إسماعيل بن أبي خالد عن عامر عن مسروق قال قلت لعائشة رضي الله عنها يا أمتاه هل رأى محمد صلى الله عليه وسلم ربه فقالت لقد قف شعري مما قلت أين أنت من ثلاث من حدثكهن فقد كذب من حدثك أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد كذب ثم قرأت {لا تدركه الأبصار زوهو يدرك الأبصار جوهو اللطيف الخبيروما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من ورآء حجاب} ومن حدثك أنه يعلم ما في غد فقد كذب ثم قرأت {وما تدري نفس ماذا تكسب غدا} ومن حدثك أنه كتم فقد كذب ثم قرأت {يٰأيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك} الآية ولكنه رأى جبريل عليه السلام في صورته مرتين.
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ অবশেষে তাদের মধ্যে দুই ধনুকের দূরত্ব রইল অথবা আরও কম। (সূরাহ আন্-নাজম ৫৩/৯)
সহিহ বুখারী ৪৮৫৬
أبو النعمان حدثنا عبد الواحد حدثنا الشيباني قال سمعت زرا عن عبد الله {فكان قاب قوسين أو أدنٰى (9) فأوحٰى إلٰى عبدهٰ مآ أوحٰى ط} قال حدثنا ابن مسعود أنه رأى جبريل له ست مائة جناح.
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى আয়াত দু’টোর ব্যাখ্যা সম্পর্কে ইব্নু মাস‘উদ (রাঃ) বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিব্রীল (‘আ.)-কে দেখেছেন। তাঁর ছয়’শ ডানা ছিল। [৩২৩২] (আ.প্র. ৪৪৮৯, ই.ফা. ৪৪৯২)
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
فَأَوْحَى إِلَى عَبْدِهِ مَا أَوْحَى আয়াত দু’টোর ব্যাখ্যা সম্পর্কে ইব্নু মাস‘উদ (রাঃ) বলেন, রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিব্রীল (‘আ.)-কে দেখেছেন। তাঁর ছয়’শ ডানা ছিল। [৩২৩২] (আ.প্র. ৪৪৮৯, ই.ফা. ৪৪৯২)
أبو النعمان حدثنا عبد الواحد حدثنا الشيباني قال سمعت زرا عن عبد الله {فكان قاب قوسين أو أدنٰى (9) فأوحٰى إلٰى عبدهٰ مآ أوحٰى ط} قال حدثنا ابن مسعود أنه رأى جبريل له ست مائة جناح.
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তখন আল্লাহ স্বীয় বান্দার প্রতি যা ওয়াহী করার ছিল, তা ওয়াহী করলেন। (সূরাহ আন্-নাজম ৫৩/১০)
সহিহ বুখারী ৪৮৫৭
طلق بن غنام حدثنا زائدة عن الشيباني قال سألت زرا عن قوله تعالى {فكان قاب قوسين أو أدنٰى ج (9) فأوحٰى إلٰى عبدهٰ مآ أوحٰى ط} قال أخبرنا عبد الله أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى جبريل له ست مائة جناح.
শাইবানী (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি র্যির (রহ.)-কে আল্লাহ্র বাণী ঃ فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى فَأَوْحَى এর ব্যাখ্যার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আমাকে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিব্রীল (‘আ.)-কে দেখেছেন। এ সময় তাঁর ডানা ছিল ছ’শ। [৩২৩২] (আ.প্র. ৪৪৯০, ই.ফা. ৪৪৯৩)
শাইবানী (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি র্যির (রহ.)-কে আল্লাহ্র বাণী ঃ فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى فَأَوْحَى এর ব্যাখ্যার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আমাকে ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিব্রীল (‘আ.)-কে দেখেছেন। এ সময় তাঁর ডানা ছিল ছ’শ। [৩২৩২] (আ.প্র. ৪৪৯০, ই.ফা. ৪৪৯৩)
طلق بن غنام حدثنا زائدة عن الشيباني قال سألت زرا عن قوله تعالى {فكان قاب قوسين أو أدنٰى ج (9) فأوحٰى إلٰى عبدهٰ مآ أوحٰى ط} قال أخبرنا عبد الله أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى جبريل له ست مائة جناح.