সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ আপনার রবের প্রশংসা পবিত্রতা-মহিমা বর্ণনা করতে থাকুন সূর্যোদয়ের পূর্বে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে।(সূরাহ ক্বাফ ৫০/৩৯)

সহিহ বুখারী ৪৮৫২

آدم حدثنا ورقاء عن ابن أبي نجيح عن مجاهد قال ابن عباس أمره أن يسبح في أدبار الصلوات كلها يعني قوله {وإدبار السجود}.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রত্যেক সলাতের পর তাঁর পবিত্রতা ঘোষণার আদেশ করেছেন। আল্লাহ্‌র বাণী ঃ وَإِدْبَارَ السُّجُودِ “এর দ্বারা তিনি এ অর্থ করেছেন।” (আ.প্র. ৪৪৮৫, ই.ফা. ৪৪৮৮)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে প্রত্যেক সলাতের পর তাঁর পবিত্রতা ঘোষণার আদেশ করেছেন। আল্লাহ্‌র বাণী ঃ وَإِدْبَارَ السُّجُودِ “এর দ্বারা তিনি এ অর্থ করেছেন।” (আ.প্র. ৪৪৮৫, ই.ফা. ৪৪৮৮)

آدم حدثنا ورقاء عن ابن أبي نجيح عن مجاهد قال ابن عباس أمره أن يسبح في أدبار الصلوات كلها يعني قوله {وإدبار السجود}.


সহিহ বুখারী ৪৮৫১

إسحاق بن إبراهيم عن جرير عن إسماعيل عن قيس بن أبي حازم عن جرير بن عبد الله قال كنا جلوسا ليلة مع النبي صلى الله عليه وسلم فنظر إلى القمر ليلة أربع عشرة فقال إنكم سترون ربكم كما ترون هذا لا تضامون في رؤيته فإن استطعتم أن لا تغلبوا على صلاة قبل طلوع الشمس وقبل غروبها فافعلوا ثم قرأ {وسبح بحمد ربك قبل طلوع الشمس وقبل الغروب}.

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একরাতে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তিনি চৌদ্দ তারিখের রাতের চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমরা যেমন এ চাঁদটি দেখতে পাচ্ছ, তেমনিভাবে তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে এবং তাঁকে দেখার ব্যাপারে বাধা বিঘœ হবে না। তাই তোমাদের সামর্থ্য থাকলে সূর্যোদয়ের আগে এবং সূর্যাস্তের আগের সলাতের ব্যাপারে প্রভাবিত হবে না। তারপর তিনি পাঠ করলেন, “আপনার রবের প্রশংসা, পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের পূর্বে” (সূরাহ ক্বাফ ৫০/৩৯)। [৫৫৪] (আ.প্র. ৪৪৮৪, ই.ফা. ৪৪৮৭)

জারীর ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একরাতে আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন তিনি চৌদ্দ তারিখের রাতের চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমরা যেমন এ চাঁদটি দেখতে পাচ্ছ, তেমনিভাবে তোমরা তোমাদের রবকে দেখতে পাবে এবং তাঁকে দেখার ব্যাপারে বাধা বিঘœ হবে না। তাই তোমাদের সামর্থ্য থাকলে সূর্যোদয়ের আগে এবং সূর্যাস্তের আগের সলাতের ব্যাপারে প্রভাবিত হবে না। তারপর তিনি পাঠ করলেন, “আপনার রবের প্রশংসা, পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করুন সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের পূর্বে” (সূরাহ ক্বাফ ৫০/৩৯)। [৫৫৪] (আ.প্র. ৪৪৮৪, ই.ফা. ৪৪৮৭)

إسحاق بن إبراهيم عن جرير عن إسماعيل عن قيس بن أبي حازم عن جرير بن عبد الله قال كنا جلوسا ليلة مع النبي صلى الله عليه وسلم فنظر إلى القمر ليلة أربع عشرة فقال إنكم سترون ربكم كما ترون هذا لا تضامون في رؤيته فإن استطعتم أن لا تغلبوا على صلاة قبل طلوع الشمس وقبل غروبها فافعلوا ثم قرأ {وسبح بحمد ربك قبل طلوع الشمس وقبل الغروب}.


সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নাই।

সহিহ বুখারী ৪৮৫৩

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل عن عروة عن زينب بنت أبي سلمة عن أم سلمة قالت شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي فقال طوفي من وراء الناس وأنت راكبة فطفت ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي إلى جنب البيت يقرأ بالطور وكتاب مسطور.

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিবেদন করলাম যে, আমি অসুস্থ। তিনি বললেন, তুমি সওয়ার হয়ে লোকদের পেছনে তাওয়াফ করে নাও। তখন আমি তাওয়াফ করলাম। এ সময় রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কা‘বার এক পার্শ্বে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করছিলেন এবং وَاطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ তিলাওয়াত করছিলেন। [৪৬৪] (আ.প্র. ৪৪৮৬, ই.ফা. ৪৪৮৯)

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে নিবেদন করলাম যে, আমি অসুস্থ। তিনি বললেন, তুমি সওয়ার হয়ে লোকদের পেছনে তাওয়াফ করে নাও। তখন আমি তাওয়াফ করলাম। এ সময় রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কা‘বার এক পার্শ্বে দাঁড়িয়ে সলাত আদায় করছিলেন এবং وَاطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ তিলাওয়াত করছিলেন। [৪৬৪] (আ.প্র. ৪৪৮৬, ই.ফা. ৪৪৮৯)

عبد الله بن يوسف أخبرنا مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل عن عروة عن زينب بنت أبي سلمة عن أم سلمة قالت شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي فقال طوفي من وراء الناس وأنت راكبة فطفت ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي إلى جنب البيت يقرأ بالطور وكتاب مسطور.


সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নাই।

সহিহ বুখারী ৪৮৫৪

الحميدي حدثنا سفيان قال حدثوني عن الزهري عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه رضي الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور فلما بلغ هذه الآية {أم خلقوا من غير شيء أم هم الخٰلقون ط (35) أم خلقوا السمٰوٰت والأرض ج بل لا يوقنون ط (36) أم عندهم خزآئن ربك أم هم المصيطرون ط (37)} قال كاد قلبي أن يطير قال سفيان فأما أنا فإنما سمعت الزهري يحدث عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور ولم أسمعه زاد الذي قالوا

যুবায়র ইব্‌নু মুত‘ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। যখন তিনি এ আয়াত পর্যন্ত পৌঁছেন তারা কি স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি হয়েছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? আসমান-যমীন কি তারাই সৃষ্টি করেছে? আসলে তারা অবিশ্বাসী। আমার প্রতিপালকের ধনভাণ্ডার কি তাদের কাছে রয়েছে, না তারাই এ সমূদয়ের নিয়ন্তা তখন আমার অন্তর প্রায় উড়ে যাবার অবস্থা হয়েছিল। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, আমি যুহরীকে মুহাম্মদ ইব্‌নু জুবায়ির ইব্‌নু মুত‘ইমকে তার পিতার বর্ণনা করতে শুনেছি তার পিতা যুবায়র বলেছেন যে, যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। কিন্তু এর অতিরিক্ত আমি শুনিনি যা তাঁরা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। [৭৬৫] (আ.প্র. ৪৪৮৭, ই.ফা. ৪৪৯০)

যুবায়র ইব্‌নু মুত‘ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। যখন তিনি এ আয়াত পর্যন্ত পৌঁছেন তারা কি স্রষ্টা ছাড়া সৃষ্টি হয়েছে, না তারা নিজেরাই স্রষ্টা? আসমান-যমীন কি তারাই সৃষ্টি করেছে? আসলে তারা অবিশ্বাসী। আমার প্রতিপালকের ধনভাণ্ডার কি তাদের কাছে রয়েছে, না তারাই এ সমূদয়ের নিয়ন্তা তখন আমার অন্তর প্রায় উড়ে যাবার অবস্থা হয়েছিল। সুফ্ইয়ান (রহ.) বলেন, আমি যুহরীকে মুহাম্মদ ইব্‌নু জুবায়ির ইব্‌নু মুত‘ইমকে তার পিতার বর্ণনা করতে শুনেছি তার পিতা যুবায়র বলেছেন যে, যা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মাগরিবে সূরাহ তূর পাঠ করতে শুনেছি। কিন্তু এর অতিরিক্ত আমি শুনিনি যা তাঁরা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। [৭৬৫] (আ.প্র. ৪৪৮৭, ই.ফা. ৪৪৯০)

الحميدي حدثنا سفيان قال حدثوني عن الزهري عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه رضي الله عنه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور فلما بلغ هذه الآية {أم خلقوا من غير شيء أم هم الخٰلقون ط (35) أم خلقوا السمٰوٰت والأرض ج بل لا يوقنون ط (36) أم عندهم خزآئن ربك أم هم المصيطرون ط (37)} قال كاد قلبي أن يطير قال سفيان فأما أنا فإنما سمعت الزهري يحدث عن محمد بن جبير بن مطعم عن أبيه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ في المغرب بالطور ولم أسمعه زاد الذي قالوا


সহিহ বুখারী > পরিচ্ছেদ নাই।

সহিহ বুখারী ৪৮৫৫

يحيى حدثنا وكيع عن إسماعيل بن أبي خالد عن عامر عن مسروق قال قلت لعائشة رضي الله عنها يا أمتاه هل رأى محمد صلى الله عليه وسلم ربه فقالت لقد قف شعري مما قلت أين أنت من ثلاث من حدثكهن فقد كذب من حدثك أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد كذب ثم قرأت {لا تدركه الأبصار زوهو يدرك الأبصار جوهو اللطيف الخبيروما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من ورآء حجاب} ومن حدثك أنه يعلم ما في غد فقد كذب ثم قرأت {وما تدري نفس ماذا تكسب غدا} ومن حدثك أنه كتم فقد كذب ثم قرأت {يٰأيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك} الآية ولكنه رأى جبريل عليه السلام في صورته مرتين.

মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আম্মা! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তাঁর রবকে দেখেছিলেন তিনি বললেন, তোমার কথায় আমার গায়ের পশম কাঁটা দিয়ে খাড়া হয়ে গেছে। তিনটি কথা সম্পর্কে তুমি কি জান না যে তোমাকে এ তিনটি কথা বলবে সে মিথ্যা বলবে। যদি কেউ তোমাকে বলে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেছেন, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি পাঠ করলেন, তিনি দৃষ্টিশক্তির অধিগম্য নহেন কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত; এবং তিনিই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক পরিজ্ঞাত” “মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ্ তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন, ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার আড়াল ছাড়া”। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলবে যে, আগামীকাল কী হবে সে তা জানে, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন, “কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে।” এবং তোমাকে যে বলবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন কথা গোপন রেখেছেন, তাহলেও সে মিথ্যাচারী। এরপর তিনি পাঠ করলেন, “হে রসূল! তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা প্রচার কর। হ্যাঁ, তবে রসূল জিব্রীল (‘আ.)-কে তাঁর নিজস্ব আকৃতিতে দু’বার দেখেছেন। [৩২৩৪] (আ.প্র. ৪৪৮৮, ই.ফা. ৪৪৯১)

মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আম্মা! মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কি তাঁর রবকে দেখেছিলেন তিনি বললেন, তোমার কথায় আমার গায়ের পশম কাঁটা দিয়ে খাড়া হয়ে গেছে। তিনটি কথা সম্পর্কে তুমি কি জান না যে তোমাকে এ তিনটি কথা বলবে সে মিথ্যা বলবে। যদি কেউ তোমাকে বলে যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর প্রতিপালককে দেখেছেন, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি পাঠ করলেন, তিনি দৃষ্টিশক্তির অধিগম্য নহেন কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত; এবং তিনিই সূক্ষ্মদর্শী, সম্যক পরিজ্ঞাত” “মানুষের এমন মর্যাদা নেই যে, আল্লাহ্ তাঁর সঙ্গে কথা বলবেন, ওয়াহীর মাধ্যম ব্যতীত অথবা পর্দার আড়াল ছাড়া”। আর যে ব্যক্তি তোমাকে বলবে যে, আগামীকাল কী হবে সে তা জানে, তাহলে সে মিথ্যাচারী। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেন, “কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে।” এবং তোমাকে যে বলবে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোন কথা গোপন রেখেছেন, তাহলেও সে মিথ্যাচারী। এরপর তিনি পাঠ করলেন, “হে রসূল! তোমার প্রতিপালকের নিকট হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা প্রচার কর। হ্যাঁ, তবে রসূল জিব্রীল (‘আ.)-কে তাঁর নিজস্ব আকৃতিতে দু’বার দেখেছেন। [৩২৩৪] (আ.প্র. ৪৪৮৮, ই.ফা. ৪৪৯১)

يحيى حدثنا وكيع عن إسماعيل بن أبي خالد عن عامر عن مسروق قال قلت لعائشة رضي الله عنها يا أمتاه هل رأى محمد صلى الله عليه وسلم ربه فقالت لقد قف شعري مما قلت أين أنت من ثلاث من حدثكهن فقد كذب من حدثك أن محمدا صلى الله عليه وسلم رأى ربه فقد كذب ثم قرأت {لا تدركه الأبصار زوهو يدرك الأبصار جوهو اللطيف الخبيروما كان لبشر أن يكلمه الله إلا وحيا أو من ورآء حجاب} ومن حدثك أنه يعلم ما في غد فقد كذب ثم قرأت {وما تدري نفس ماذا تكسب غدا} ومن حدثك أنه كتم فقد كذب ثم قرأت {يٰأيها الرسول بلغ ما أنزل إليك من ربك} الآية ولكنه رأى جبريل عليه السلام في صورته مرتين.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00