সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ যখন তারা বৃক্ষের নিচে আপনার আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করল। (সূরাহ আল-ফাত্হ ৪৮/১৮)

সহিহ বুখারী ৪৮৪০

قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن عمرو عن جابر قال كنا يوم الحديبية ألفا وأربع مائة

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহ্র (সন্ধির) দিন আমরা এক হাজার চারশ’ লোক ছিলাম। [৩৫৭৬] (আ.প্র. ৪৪৭৪, ই.ফা. ৪৪৭৭)

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহ্র (সন্ধির) দিন আমরা এক হাজার চারশ’ লোক ছিলাম। [৩৫৭৬] (আ.প্র. ৪৪৭৪, ই.ফা. ৪৪৭৭)

قتيبة بن سعيد حدثنا سفيان عن عمرو عن جابر قال كنا يوم الحديبية ألفا وأربع مائة


সহিহ বুখারী ৪৮৪২

وعن عقبة بن صهبان قال سمعت عبد الله بن مغفل المزني في البول في المغتسل

‘উক্বাহ ইব্‌নু সুহ্বান (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মুগাফ্ফাল মুযানী (রাঃ)-কে গোসলখানায় প্রস্রাব করা সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুনেছি। (আ.প্র. ৪৪৭৫, ই.ফা. ৪৪৭৮)

‘উক্বাহ ইব্‌নু সুহ্বান (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মুগাফ্ফাল মুযানী (রাঃ)-কে গোসলখানায় প্রস্রাব করা সম্পর্কে বর্ণনা করতে শুনেছি। (আ.প্র. ৪৪৭৫, ই.ফা. ৪৪৭৮)

وعن عقبة بن صهبان قال سمعت عبد الله بن مغفل المزني في البول في المغتسل


সহিহ বুখারী ৪৮৪৩

محمد بن الوليد حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن خالد عن أبي قلابة عن ثابت بن الضحاك رضي الله عنه وكان من أصحاب الشجرة.

সাবিত ইব্‌নু দাহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনিও বৃক্ষতলে বায়আতকারী সহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। [১৩৬৩] (আ.প্র. ৪৪৭৬, ই.ফা. ৪৪৭৯)

সাবিত ইব্‌নু দাহ্হাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনিও বৃক্ষতলে বায়আতকারী সহাবীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। [১৩৬৩] (আ.প্র. ৪৪৭৬, ই.ফা. ৪৪৭৯)

محمد بن الوليد حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن خالد عن أبي قلابة عن ثابت بن الضحاك رضي الله عنه وكان من أصحاب الشجرة.


সহিহ বুখারী ৪৮৪১

علي بن عبد الله حدثنا شبابة حدثنا شعبة عن قتادة قال سمعت عقبة بن صهبان عن عبد الله بن مغفل المزني إني ممن شهد الشجرة نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الخذف

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাগাফ্ফাল মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(যিনি সন্ধির সময় উপস্থিত ছিলেন) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই আঙ্গুলের মাঝে কাঁকর নিয়ে নিক্ষেপ করতে নিষেধ করেছেন। [৫৪৭৯, ৬২২০] (আ.প্র. ৪৪৭৫, ই.ফা. ৪৪৭৮)

‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু মাগাফ্ফাল মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(যিনি সন্ধির সময় উপস্থিত ছিলেন) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দুই আঙ্গুলের মাঝে কাঁকর নিয়ে নিক্ষেপ করতে নিষেধ করেছেন। [৫৪৭৯, ৬২২০] (আ.প্র. ৪৪৭৫, ই.ফা. ৪৪৭৮)

علي بن عبد الله حدثنا شبابة حدثنا شعبة عن قتادة قال سمعت عقبة بن صهبان عن عبد الله بن مغفل المزني إني ممن شهد الشجرة نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن الخذف


সহিহ বুখারী ৪৮৪৪

أحمد بن إسحاق السلمي حدثنا يعلى حدثنا عبد العزيز بن سياه عن حبيب بن أبي ثابت قال أتيت أبا وائل أسأله فقال كنا بصفين فقال رجل ألم تر إلى الذين يدعون إلى كتاب الله فقال علي نعم فقال سهل بن حنيف اتهموا أنفسكم فلقد رأيتنا يوم الحديبية يعني الصلح الذي كان بين النبي صلى الله عليه وسلم والمشركين ولو نرى قتالا لقاتلنا فجاء عمر فقال ألسنا على الحق وهم على الباطل أليس قتلانا في الجنة وقتلاهم في النار قال بلى قال ففيم نعطي الدنية في ديننا ونرجع ولما يحكم الله بيننا فقال يا ابن الخطاب إني رسول الله ولن يضيعني الله أبدا فرجع متغيظا فلم يصبر حتى جاء أبا بكر فقال يا أبا بكر ألسنا على الحق وهم على الباطل قال يا ابن الخطاب إنه رسول الله صلى الله عليه وسلم ولن يضيعه الله أبدا فنزلت سورة الفتح.

হাবীব ইব্‌নু আবূ সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়ায়িল (রাঃ)-এর কাছে কিছু জিজ্ঞেস করার জন্য এলে, তিনি বললেন, আমরা সিফ্ফীনের ময়দানে ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি বললেন, তোমরা কি সে লোকদেরকে দেখতে পাচ্ছ না, যাদের আল্লাহ্‌র কিতাবের দিকে আহ্বান করা হচ্ছে? ‘আলী (রাঃ) বললেন, হাঁ। তখন সাহ্ল ইব্‌নু হুনায়ফ (রাঃ) বললেন, প্রথমে তোমরা নিজেদের খবর নাও। হুদায়বিয়াহ্র দিন অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং মাক্কাহ্র মুশরিকদের মধ্যে যে সন্ধি হয়েছিল, আমরা সেটা দেখেছি। যদি আমরা একে যুদ্ধ মনে করতাম, তাহলে অবশ্যই আমরা যুদ্ধ করতাম। সেদিন ‘উমার (রাঃ) রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে) এসে বলেছিলেন, আমরা কি হাকের উপর নই, আর তারা কি বাতিলের উপর নয়? আমাদের নিহত ব্যক্তিরা জান্নাতে, আর তাদের নিহত ব্যক্তিরা কি জাহান্নামে যাবে না? তিনি বললেন, হাঁ। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, তাহলে কেন আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে অপমানজনক শর্তারোপ করা হবে এবং আমরা ফিরে যাব? অথচ আল্লাহ্ আমাদেরকে এ সন্ধির ব্যাপারে হুকুম করেননি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে খাত্তাবের পুত্র! আমি আল্লাহ্‌র রসূল। আল্লাহ্ কখনো আমাকে ধ্বংস করবেন না। ‘উমার রাগে মনে দুঃখ নিয়ে ফিরে গেলেন। তিনি ধৈর্য ধরতে পারলেন না। তারপর তিনি আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ)-এর কাছে গেলেন এবং বললেন, হে আবূ বাক্র! আমরা কি হাকের উপর নই এবং তারা কি বাতিলের উপর নয়? তিনি বললেন, হে খাত্তাবের পুত্র! নিশ্চয়ই তিনি আল্লাহ্‌র রসূল। আল্লাহ্ কক্ষণো তাঁকে ধ্বংস করবেন না। এ সময় সূরাহ ফাতহ্ অবতীর্ণ হয়। [৩১৮১] (আ.প্র. ৪৪৭৭, ই.ফা. ৪৪৮০)

হাবীব ইব্‌নু আবূ সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়ায়িল (রাঃ)-এর কাছে কিছু জিজ্ঞেস করার জন্য এলে, তিনি বললেন, আমরা সিফ্ফীনের ময়দানে ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি বললেন, তোমরা কি সে লোকদেরকে দেখতে পাচ্ছ না, যাদের আল্লাহ্‌র কিতাবের দিকে আহ্বান করা হচ্ছে? ‘আলী (রাঃ) বললেন, হাঁ। তখন সাহ্ল ইব্‌নু হুনায়ফ (রাঃ) বললেন, প্রথমে তোমরা নিজেদের খবর নাও। হুদায়বিয়াহ্র দিন অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং মাক্কাহ্র মুশরিকদের মধ্যে যে সন্ধি হয়েছিল, আমরা সেটা দেখেছি। যদি আমরা একে যুদ্ধ মনে করতাম, তাহলে অবশ্যই আমরা যুদ্ধ করতাম। সেদিন ‘উমার (রাঃ) রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে) এসে বলেছিলেন, আমরা কি হাকের উপর নই, আর তারা কি বাতিলের উপর নয়? আমাদের নিহত ব্যক্তিরা জান্নাতে, আর তাদের নিহত ব্যক্তিরা কি জাহান্নামে যাবে না? তিনি বললেন, হাঁ। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, তাহলে কেন আমাদের দ্বীনের ব্যাপারে অপমানজনক শর্তারোপ করা হবে এবং আমরা ফিরে যাব? অথচ আল্লাহ্ আমাদেরকে এ সন্ধির ব্যাপারে হুকুম করেননি। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে খাত্তাবের পুত্র! আমি আল্লাহ্‌র রসূল। আল্লাহ্ কখনো আমাকে ধ্বংস করবেন না। ‘উমার রাগে মনে দুঃখ নিয়ে ফিরে গেলেন। তিনি ধৈর্য ধরতে পারলেন না। তারপর তিনি আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ)-এর কাছে গেলেন এবং বললেন, হে আবূ বাক্র! আমরা কি হাকের উপর নই এবং তারা কি বাতিলের উপর নয়? তিনি বললেন, হে খাত্তাবের পুত্র! নিশ্চয়ই তিনি আল্লাহ্‌র রসূল। আল্লাহ্ কক্ষণো তাঁকে ধ্বংস করবেন না। এ সময় সূরাহ ফাতহ্ অবতীর্ণ হয়। [৩১৮১] (আ.প্র. ৪৪৭৭, ই.ফা. ৪৪৮০)

أحمد بن إسحاق السلمي حدثنا يعلى حدثنا عبد العزيز بن سياه عن حبيب بن أبي ثابت قال أتيت أبا وائل أسأله فقال كنا بصفين فقال رجل ألم تر إلى الذين يدعون إلى كتاب الله فقال علي نعم فقال سهل بن حنيف اتهموا أنفسكم فلقد رأيتنا يوم الحديبية يعني الصلح الذي كان بين النبي صلى الله عليه وسلم والمشركين ولو نرى قتالا لقاتلنا فجاء عمر فقال ألسنا على الحق وهم على الباطل أليس قتلانا في الجنة وقتلاهم في النار قال بلى قال ففيم نعطي الدنية في ديننا ونرجع ولما يحكم الله بيننا فقال يا ابن الخطاب إني رسول الله ولن يضيعني الله أبدا فرجع متغيظا فلم يصبر حتى جاء أبا بكر فقال يا أبا بكر ألسنا على الحق وهم على الباطل قال يا ابن الخطاب إنه رسول الله صلى الله عليه وسلم ولن يضيعه الله أبدا فنزلت سورة الفتح.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা উঁচু করো না তোমাদের কণ্ঠস্বর নাবীর কণ্ঠস্বরের উপর। (সূরাহ হুজুরাত ৪৯/২)

সহিহ বুখারী ৪৮৪৫

يسرة بن صفوان بن جميل اللخمي حدثنا نافع بن عمر عن ابن أبي مليكة قال كاد الخيران أن يهلكا أبو بكر وعمر رضي الله عنهما رفعا أصواتهما عند النبي صلى الله عليه وسلم حين قدم عليه ركب بني تميم فأشار أحدهما بالأقرع بن حابس أخي بني مجاشع وأشار الآخر برجل آخر قال نافع لا أحفظ اسمه فقال أبو بكر لعمر ما أردت إلا خلافي قال ما أردت خلافك فارتفعت أصواتهما في ذلك فأنزل الله {يٰأيها الذين اٰمنوا لا ترفعوا أصواتكم} الآية قال ابن الزبير فما كان عمر يسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد هذه الآية حتى يستفهمه ولم يذكر ذلك عن أبيه يعني أبا بكر.

ইব্‌নু আবূ মুলায়কাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উত্তম দু’ ব্যক্তি- আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে কণ্ঠস্বর উঁচু করে ধ্বংস হওয়ার দ্বার প্রান্তে উপনীত হয়েছিলেন। যখন বানী তামীম গোত্রের একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসেছিল। তাদের একজন বানী মাজাশে গোত্রের আকরা ইব্‌নু হাবিসকে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তাব করল এবং অপরজন অন্য জনের নাম প্রস্তাব করল। নাফি বলেন, এ লোকটির নাম আমার মনে নেই। তখন আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, আপনার ইচ্ছে হলো কেবল আমার বিরোধিতা করা। তিনি বললেন, না, আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছে আমার নেই। এ ব্যাপারটি নিয়ে তাঁদের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেন, “হে মু’মিনগণ! তোমরা নাবীর গলার আওয়াজের উপর নিজেদের গলার আওয়াজ উঁচু করবে না”.....শেষ পর্যন্ত। ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) বলেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর ‘উমার (রাঃ) এ তো আস্তে কথা বলতেন যে, দ্বিতীয়বার জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা শুনতে পেতেন না। তিনি আবূ বাক্র (রাঃ) সম্পর্কে এমন কথা বর্ণনা করেননি। [৪৩৬৭] (আ.প্র. ৪৪৭৮, ই.ফা. ৪৪৮১)

ইব্‌নু আবূ মুলায়কাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উত্তম দু’ ব্যক্তি- আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে কণ্ঠস্বর উঁচু করে ধ্বংস হওয়ার দ্বার প্রান্তে উপনীত হয়েছিলেন। যখন বানী তামীম গোত্রের একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসেছিল। তাদের একজন বানী মাজাশে গোত্রের আকরা ইব্‌নু হাবিসকে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তাব করল এবং অপরজন অন্য জনের নাম প্রস্তাব করল। নাফি বলেন, এ লোকটির নাম আমার মনে নেই। তখন আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, আপনার ইচ্ছে হলো কেবল আমার বিরোধিতা করা। তিনি বললেন, না, আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছে আমার নেই। এ ব্যাপারটি নিয়ে তাঁদের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। তখন আল্লাহ্ তা‘আলা অবতীর্ণ করলেন, “হে মু’মিনগণ! তোমরা নাবীর গলার আওয়াজের উপর নিজেদের গলার আওয়াজ উঁচু করবে না”.....শেষ পর্যন্ত। ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) বলেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর ‘উমার (রাঃ) এ তো আস্তে কথা বলতেন যে, দ্বিতীয়বার জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা শুনতে পেতেন না। তিনি আবূ বাক্র (রাঃ) সম্পর্কে এমন কথা বর্ণনা করেননি। [৪৩৬৭] (আ.প্র. ৪৪৭৮, ই.ফা. ৪৪৮১)

يسرة بن صفوان بن جميل اللخمي حدثنا نافع بن عمر عن ابن أبي مليكة قال كاد الخيران أن يهلكا أبو بكر وعمر رضي الله عنهما رفعا أصواتهما عند النبي صلى الله عليه وسلم حين قدم عليه ركب بني تميم فأشار أحدهما بالأقرع بن حابس أخي بني مجاشع وأشار الآخر برجل آخر قال نافع لا أحفظ اسمه فقال أبو بكر لعمر ما أردت إلا خلافي قال ما أردت خلافك فارتفعت أصواتهما في ذلك فأنزل الله {يٰأيها الذين اٰمنوا لا ترفعوا أصواتكم} الآية قال ابن الزبير فما كان عمر يسمع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد هذه الآية حتى يستفهمه ولم يذكر ذلك عن أبيه يعني أبا بكر.


সহিহ বুখারী ৪৮৪৬

علي بن عبد الله حدثنا أزهر بن سعد أخبرنا ابن عون قال أنبأني موسى بن أنس عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم افتقد ثابت بن قيس فقال رجل يا رسول الله أنا أعلم لك علمه فأتاه فوجده جالسا في بيته منكسا رأسه فقال له ما شأنك فقال شر كان يرفع صوته فوق صوت النبي صلى الله عليه وسلم فقد حبط عمله وهو من أهل النار فأتى الرجل النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره أنه قال كذا وكذا فقال موسى فرجع إليه المرة الآخرة ببشارة عظيمة فقال اذهب إليه فقل له إنك لست من أهل النار ولكنك من أهل الجنة.

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাবিত ইব্‌নু কায়স (রাঃ)-কে খুঁজে পেলেন না। একজন সহাবী বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি আপনার কাছে তাঁর সংবাদ নিয়ে আসছি। তারপর লোকটি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলেন যে, তিনি তাঁর ঘরে মাথা নীচু করে বসে আছেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কী অবস্থা? তিনি বললেন, খারাপ। কারণ এই (অধম) তার আওয়াজ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আওয়াজের চেয়ে উঁচু করে কথা বলত। ফলে, তার ‘আমাল বরবাদ হয়ে গেছে এবং সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। তারপর লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে ফিরে এসে খবর দিলেন যে, তিনি এমন এমন কথা বলছেন। মূসা বলেন, এরপর লোকটি এক মহাসুসংবাদ নিয়ে তাঁর কাছে ফিরে গেলেন (এবং বললেন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেন, তুমি যাও এবং তাকে বল, তুমি জাহান্নামী নও, বরং তুমি জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত। [৩৬১৩] (আ.প্র. ৪৪৭৮, ই.ফা. ৪৪৮২)

আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাবিত ইব্‌নু কায়স (রাঃ)-কে খুঁজে পেলেন না। একজন সহাবী বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমি আপনার কাছে তাঁর সংবাদ নিয়ে আসছি। তারপর লোকটি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলেন যে, তিনি তাঁর ঘরে মাথা নীচু করে বসে আছেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কী অবস্থা? তিনি বললেন, খারাপ। কারণ এই (অধম) তার আওয়াজ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর আওয়াজের চেয়ে উঁচু করে কথা বলত। ফলে, তার ‘আমাল বরবাদ হয়ে গেছে এবং সে জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে। তারপর লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে ফিরে এসে খবর দিলেন যে, তিনি এমন এমন কথা বলছেন। মূসা বলেন, এরপর লোকটি এক মহাসুসংবাদ নিয়ে তাঁর কাছে ফিরে গেলেন (এবং বললেন) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে বলেছেন, তুমি যাও এবং তাকে বল, তুমি জাহান্নামী নও, বরং তুমি জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত। [৩৬১৩] (আ.প্র. ৪৪৭৮, ই.ফা. ৪৪৮২)

علي بن عبد الله حدثنا أزهر بن سعد أخبرنا ابن عون قال أنبأني موسى بن أنس عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم افتقد ثابت بن قيس فقال رجل يا رسول الله أنا أعلم لك علمه فأتاه فوجده جالسا في بيته منكسا رأسه فقال له ما شأنك فقال شر كان يرفع صوته فوق صوت النبي صلى الله عليه وسلم فقد حبط عمله وهو من أهل النار فأتى الرجل النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره أنه قال كذا وكذا فقال موسى فرجع إليه المرة الآخرة ببشارة عظيمة فقال اذهب إليه فقل له إنك لست من أهل النار ولكنك من أهل الجنة.


সহিহ বুখারী > ‘‘যারা ঘরের পেছন থেকে আপনাকে চিৎকার করে ডাকে, তাদের অধিকাংশই অবুঝ।’’ (সূরাহ আল-হুজুরাত ৪৯/৪)

সহিহ বুখারী ৪৮৪৭

الحسن بن محمد حدثنا حجاج عن ابن جريج قال أخبرني ابن أبي مليكة أن عبد الله بن الزبير أخبرهم أنه قدم ركب من بني تميم على النبي صلى الله عليه وسلم فقال أبو بكر أمر القعقاع بن معبد وقال عمر بل أمر الأقرع بن حابس فقال أبو بكر ما أردت إلى أو إلا خلافي فقال عمر ما أردت خلافك فتماريا حتى ارتفعت أصواتهما فنزل في ذلك {يٰأيها الذين اٰمنوا لا تقدموا بين يدي الله ورسولهٰ}حتى انقضت الآية.

ইব্‌নু আবূ মুলাইকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) তাদেরকে জানিয়েছেন যে, একবার বানী তামীম গোত্রের একদল লোক সাওয়ার হয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন। আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, কা’কা ইব্‌নু মাবাদ (রাঃ)-কে ‘আমীর বানানো হোক এবং ‘উমার (রাঃ) বললেন, আকরা ইব্‌নু হাবিস (রাঃ)-কে আমীর নিয়োগ করা হোক। তখন আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আপনার ইচ্ছে হলো কেবল আমার বিরোধিতা করা। উত্তরে ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছে করিনি। এ নিয়ে তাঁরা পরস্পর তর্ক-বিতর্ক করতে লাগলেন, এক পর্যায়ে তাদের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। এ উপলক্ষে আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন, “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সমক্ষে তোমরা কোন বিষয়ে অগ্রণী হয়ো না.....আয়াত শেষ। [৪৩৬৭] (আ.প্র. ৪৪৮০, ই.ফা. ৪৪৮৩)

ইব্‌নু আবূ মুলাইকাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু যুবায়র (রাঃ) তাদেরকে জানিয়েছেন যে, একবার বানী তামীম গোত্রের একদল লোক সাওয়ার হয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে আসলেন। আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, কা’কা ইব্‌নু মাবাদ (রাঃ)-কে ‘আমীর বানানো হোক এবং ‘উমার (রাঃ) বললেন, আকরা ইব্‌নু হাবিস (রাঃ)-কে আমীর নিয়োগ করা হোক। তখন আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, আপনার ইচ্ছে হলো কেবল আমার বিরোধিতা করা। উত্তরে ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি আপনার বিরোধিতা করার ইচ্ছে করিনি। এ নিয়ে তাঁরা পরস্পর তর্ক-বিতর্ক করতে লাগলেন, এক পর্যায়ে তাদের আওয়াজ উঁচু হয়ে গেল। এ উপলক্ষে আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন, “হে মু’মিনগণ! আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সমক্ষে তোমরা কোন বিষয়ে অগ্রণী হয়ো না.....আয়াত শেষ। [৪৩৬৭] (আ.প্র. ৪৪৮০, ই.ফা. ৪৪৮৩)

الحسن بن محمد حدثنا حجاج عن ابن جريج قال أخبرني ابن أبي مليكة أن عبد الله بن الزبير أخبرهم أنه قدم ركب من بني تميم على النبي صلى الله عليه وسلم فقال أبو بكر أمر القعقاع بن معبد وقال عمر بل أمر الأقرع بن حابس فقال أبو بكر ما أردت إلى أو إلا خلافي فقال عمر ما أردت خلافك فتماريا حتى ارتفعت أصواتهما فنزل في ذلك {يٰأيها الذين اٰمنوا لا تقدموا بين يدي الله ورسولهٰ}حتى انقضت الآية.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ যদি তারা ধৈর্যধারণ করত তাদের কাছে আপনার বের হয়ে আসা পর্যন্ত, তবে তা হত তাদের জন্যে উত্তম। আর আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরাহ আল-হুজুরাত ৪৯/৫)

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00