সহিহ বুখারী > ‘‘অতএব, তুমি অপেক্ষা কর সেদিনের, যেদিন ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ।’’ (সূরাহ আদ্ দুখান ৪৪/১০)

সহিহ বুখারী ৪৮২০

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن مسلم عن مسروق عن عبد الله قال مضى خمس الدخان والروم والقمر والبطشة واللزام.

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পাঁচটি নিদর্শনই বাস্তবায়িত হয়ে গেছে। ধোঁয়া (দুর্ভিক্ষ), রোম (পরাজয়), চন্দ্র (দ্বিখণ্ডিত হওয়া), পাকড়াও (বদর যুদ্ধে) এবং ধ্বংস। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৬, ই.ফা. ৪৪৫৮)

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, পাঁচটি নিদর্শনই বাস্তবায়িত হয়ে গেছে। ধোঁয়া (দুর্ভিক্ষ), রোম (পরাজয়), চন্দ্র (দ্বিখণ্ডিত হওয়া), পাকড়াও (বদর যুদ্ধে) এবং ধ্বংস। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৬, ই.ফা. ৪৪৫৮)

عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن مسلم عن مسروق عن عبد الله قال مضى خمس الدخان والروم والقمر والبطشة واللزام.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তা আবৃত করে ফেলবে মানব জাতিকে, এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি। (সূরাহ আদ্ দুখান ৪৪/১১)

সহিহ বুখারী ৪৮২১

يحيى حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن مسلم عن مسروق قال قال عبد الله إنما كان هذا لأن قريشا لما استعصوا على النبي صلى الله عليه وسلم دعا عليهم بسنين كسني يوسف فأصابهم قحط وجهد حتى أكلوا العظام فجعل الرجل ينظر إلى السماء فيرى ما بينه وبينها كهيئة الدخان من الجهد فأنزل الله تعالى {فارتقب يوم تأتي السمآء بدخان مبين لا - يغشى الناس ط هٰذا عذاب أليم} قال فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له يا رسول الله استسق الله لمضر فإنها قد هلكت قال لمضر إنك لجريء فاستسقى لهم فسقوا فنزلت {إنكم عائدون} فلما أصابتهم الرفاهية عادوا إلى حالهم حين أصابتهم الرفاهية فأنزل الله عز وجل {يوم نبطش البطشة الكبرٰى إنا منتقمون} قال يعني يوم بدر.

মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেছেন, এ অবস্থা এ জন্য যে, কুরাইশরা যখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাফরমানী করল, তখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে এমন দুর্ভিক্ষের দু‘আ করলেন, যেমন দুর্ভিক্ষ হয়েছিল ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়ে। তারপর তাদের উপর দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধার কষ্ট এমনভাবে আপতিত হ’ল যে, তারা হাড্ডি খেতে আরম্ভ করল। তখন মানুষ আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার তাড়নায় তারা আকাশ ও তাদের মাঝে শুধু ধোঁয়ার মত দেখতে পেত। এ সম্পর্কেই আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন, “অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেদিনের, যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ এবং তা ছেয়ে ফেলবে মানব জাতিকে। এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি।” বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট (কাফিরদের পক্ষ থেকে) এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুদার গোত্রের জন্য বৃষ্টির দু‘আ করুন। তারা তো ধ্বংস হয়ে গেল। তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] বললেন, মুদার গোত্রের জন্য দু‘আ করতে বলছ। তুমি তো খুব সাহসী। তারপর তিনি বৃষ্টির জন্য দু‘আ করলেন এবং বৃষ্টি হল। তখন অবতীর্ণ হল, তোমরা তো তোমাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। যখন তাদের সচ্ছলতা ফিরে এলো, তখন আবার নিজেদের আগের অবস্থায় ফিরে গেল। তারপর আল্লাহ্ নাযিল করলেন, “যেদিন আমি তোমাদের প্রবলভাবে পাকড়াও করব, সেদিন আমি তোমাদের প্রতিশোধ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ বদর যুদ্ধের দিন। [১০০৭; মুসলিম ৫০/৭, হাঃ ২৭৯৮, আহমাদ ৪২০৬] (আ.প্র. ৪৪৫৭, ই.ফা. ৪৪৫৯)

মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেছেন, এ অবস্থা এ জন্য যে, কুরাইশরা যখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাফরমানী করল, তখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে এমন দুর্ভিক্ষের দু‘আ করলেন, যেমন দুর্ভিক্ষ হয়েছিল ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়ে। তারপর তাদের উপর দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধার কষ্ট এমনভাবে আপতিত হ’ল যে, তারা হাড্ডি খেতে আরম্ভ করল। তখন মানুষ আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার তাড়নায় তারা আকাশ ও তাদের মাঝে শুধু ধোঁয়ার মত দেখতে পেত। এ সম্পর্কেই আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন, “অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেদিনের, যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ এবং তা ছেয়ে ফেলবে মানব জাতিকে। এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি।” বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট (কাফিরদের পক্ষ থেকে) এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুদার গোত্রের জন্য বৃষ্টির দু‘আ করুন। তারা তো ধ্বংস হয়ে গেল। তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] বললেন, মুদার গোত্রের জন্য দু‘আ করতে বলছ। তুমি তো খুব সাহসী। তারপর তিনি বৃষ্টির জন্য দু‘আ করলেন এবং বৃষ্টি হল। তখন অবতীর্ণ হল, তোমরা তো তোমাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। যখন তাদের সচ্ছলতা ফিরে এলো, তখন আবার নিজেদের আগের অবস্থায় ফিরে গেল। তারপর আল্লাহ্ নাযিল করলেন, “যেদিন আমি তোমাদের প্রবলভাবে পাকড়াও করব, সেদিন আমি তোমাদের প্রতিশোধ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ বদর যুদ্ধের দিন। [১০০৭; মুসলিম ৫০/৭, হাঃ ২৭৯৮, আহমাদ ৪২০৬] (আ.প্র. ৪৪৫৭, ই.ফা. ৪৪৫৯)

يحيى حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن مسلم عن مسروق قال قال عبد الله إنما كان هذا لأن قريشا لما استعصوا على النبي صلى الله عليه وسلم دعا عليهم بسنين كسني يوسف فأصابهم قحط وجهد حتى أكلوا العظام فجعل الرجل ينظر إلى السماء فيرى ما بينه وبينها كهيئة الدخان من الجهد فأنزل الله تعالى {فارتقب يوم تأتي السمآء بدخان مبين لا - يغشى الناس ط هٰذا عذاب أليم} قال فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له يا رسول الله استسق الله لمضر فإنها قد هلكت قال لمضر إنك لجريء فاستسقى لهم فسقوا فنزلت {إنكم عائدون} فلما أصابتهم الرفاهية عادوا إلى حالهم حين أصابتهم الرفاهية فأنزل الله عز وجل {يوم نبطش البطشة الكبرٰى إنا منتقمون} قال يعني يوم بدر.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তখন তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে এ শাস্তি থেকে মুক্তি দান কর, নিশ্চয়ই আমরা ঈমান আনব। (সূরাহ আদ্ দুখান ৪৪/১২)

সহিহ বুখারী ৪৮২২

يحيى حدثنا وكيع عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق قال دخلت على عبد الله فقال إن من العلم أن تقول لما لا تعلم الله أعلم إن الله قال لنبيه صلى الله عليه وسلم {قل ما أسألكم عليه من أجر وما أنا من المتكلفين} إن قريشا لما غلبوا النبي صلى الله عليه وسلم واستعصوا عليه قال اللهم أعني عليهم بسبع كسبع يوسف فأخذتهم سنة أكلوا فيها العظام والميتة من الجهد حتى جعل أحدهم يرى ما بينه وبين السماء كهيئة الدخان من الجوع قالوا {ربنا اكشف عنا العذاب إنا مؤمنون} فقيل له إن كشفنا عنهم عادوا فدعا ربه فكشف عنهم فعادوا فانتقم الله منهم يوم بدر فذلك قوله تعالى فارتقب {يوم تأتي السمآء بدخان مبين} إلى قوله جل ذكره {إنا منتقمون}.

মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি বললেন, যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, সে সম্পর্কে ‘আল্লাহ্ই ভাল জানেন’ একথা বলাও জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। নিশ্চয় আল্লাহ্ তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলেছেন, “বল, আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না এবং আমি বানোয়াটকারীদের অন্তর্ভুক্ত নই।” কুরাইশরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে বাড়াবাড়ি করল এবং বিরোধিতা করল, তখন তিনি দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়কার সাত বছরের দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষের দ্বারা তুমি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্য কর। তারপর দুর্ভিক্ষ তাদেরকে পাকড়াও করল। ক্ষুধার জ্বালায় তারা হাড্ডি এবং মরা খেতে আরম্ভ করল। এমনকি তাদের কোন ব্যক্তি আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার জ্বালায় তার ও আকাশের মাঝে শুধু ধোঁয়ার মতই দেখতে পেত। তখন তারা বলল, “হে আমাদের রব! আমাদের থেকে এ শাস্তি সরিয়ে নাও, নিশ্চয়ই আমরা ঈমান আনব।” তাঁকে বলা হল, যদি তাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে দেই, তাহলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। তারপর তিনি তাঁর রবের নিকট দু‘আ করলেন। আল্লাহ্ তাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে দিলেন; কিন্তু তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে এল। তাই আল্লাহ্ বদর যুদ্ধের দিন তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলেন। নিুোক্ত আয়াতসমূহে এ কথাই বর্ণনা করা হয়েছে। আয়াত إِنَّا مُنْتَقِمُونَ পর্যন্ত। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৮, ই.ফা. ৪৪৬০)

মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তখন তিনি বললেন, যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই, সে সম্পর্কে ‘আল্লাহ্ই ভাল জানেন’ একথা বলাও জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। নিশ্চয় আল্লাহ্ তার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলেছেন, “বল, আমি এর জন্য তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না এবং আমি বানোয়াটকারীদের অন্তর্ভুক্ত নই।” কুরাইশরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে বাড়াবাড়ি করল এবং বিরোধিতা করল, তখন তিনি দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ্! ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়কার সাত বছরের দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষের দ্বারা তুমি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্য কর। তারপর দুর্ভিক্ষ তাদেরকে পাকড়াও করল। ক্ষুধার জ্বালায় তারা হাড্ডি এবং মরা খেতে আরম্ভ করল। এমনকি তাদের কোন ব্যক্তি আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার জ্বালায় তার ও আকাশের মাঝে শুধু ধোঁয়ার মতই দেখতে পেত। তখন তারা বলল, “হে আমাদের রব! আমাদের থেকে এ শাস্তি সরিয়ে নাও, নিশ্চয়ই আমরা ঈমান আনব।” তাঁকে বলা হল, যদি তাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে দেই, তাহলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। তারপর তিনি তাঁর রবের নিকট দু‘আ করলেন। আল্লাহ্ তাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে দিলেন; কিন্তু তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে এল। তাই আল্লাহ্ বদর যুদ্ধের দিন তাদের থেকে প্রতিশোধ নিলেন। নিুোক্ত আয়াতসমূহে এ কথাই বর্ণনা করা হয়েছে। আয়াত إِنَّا مُنْتَقِمُونَ পর্যন্ত। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৮, ই.ফা. ৪৪৬০)

يحيى حدثنا وكيع عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق قال دخلت على عبد الله فقال إن من العلم أن تقول لما لا تعلم الله أعلم إن الله قال لنبيه صلى الله عليه وسلم {قل ما أسألكم عليه من أجر وما أنا من المتكلفين} إن قريشا لما غلبوا النبي صلى الله عليه وسلم واستعصوا عليه قال اللهم أعني عليهم بسبع كسبع يوسف فأخذتهم سنة أكلوا فيها العظام والميتة من الجهد حتى جعل أحدهم يرى ما بينه وبين السماء كهيئة الدخان من الجوع قالوا {ربنا اكشف عنا العذاب إنا مؤمنون} فقيل له إن كشفنا عنهم عادوا فدعا ربه فكشف عنهم فعادوا فانتقم الله منهم يوم بدر فذلك قوله تعالى فارتقب {يوم تأتي السمآء بدخان مبين} إلى قوله جل ذكره {إنا منتقمون}.


সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তারা কী করে নাসীহাত গ্রহণ করবে? তাদের নিকট তো এসেছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দানকারী এক রসূল। (সূরাহ আদ্ দুখান ৪৪/১৩)

সহিহ বুখারী ৪৮২৩

سليمان بن حرب حدثنا جرير بن حازم عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق قال دخلت على عبد الله ثم قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما دعا قريشا كذبوه واستعصوا عليه فقال اللهم أعني عليهم بسبع كسبع يوسف فأصابتهم سنة حصت يعني كل شيء حتى كانوا يأكلون الميتة فكان يقوم أحدهم فكان يرى بينه وبين السماء مثل الدخان من الجهد والجوع ثم قرأ {فارتقب يوم تأتي السمآء بدخان مبين لا - يغشى الناس ط هٰذا عذاب أليم} أليم حتى بلغ إنا كاشفو العذاب قليلا إنكم عائدون قال عبد الله أفيكشف عنهم العذاب يوم القيامة قال والبطشة الكبرى يوم بدر.

মাসরূক থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্র কাছে গেলাম। তারপর তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কুরাইশদের ইসলামের দাওয়াত দিলেন এবং তারা তাঁকে মিথ্যাচারী বলল ও তার নাফরমানী করল, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়কার সাত বছরের দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষের দ্বারা তুমি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্য কর। ফলে দুর্ভিক্ষ তাদের এমনভাবে গ্রাস করল যে, নির্মূল হয়ে গেল সমস্ত কিছু; অবশেষে তারা মৃতদেহ খেতে আরম্ভ করল। তাদের কেউ দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার জ্বালায় সে তার ও আকাশের মাঝে ধোঁয়ার মতই দেখতে পেত। এরপর তিনি পাঠ করলেন, “অতএব তুমি অপেক্ষা কর সে দিনের, যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ এবং তা ছেয়ে ফেলবে মানব জাতিকে। এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি। আমি তোমাদের শাস্তি কিছুকালের জন্য সরিয়ে দিচ্ছি, তোমরা তো তোমাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।” পর্যন্ত ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, ক্বিয়ামাতের দিনও কি তাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে ফেলা হবে? তিনি বলেন, وَالْبَطْشَةُ الْكُبْرَى দ্বারা বাদরের দিনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৯, ই.ফা. ৪৪৬১)

মাসরূক থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ্র কাছে গেলাম। তারপর তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন কুরাইশদের ইসলামের দাওয়াত দিলেন এবং তারা তাঁকে মিথ্যাচারী বলল ও তার নাফরমানী করল, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়কার সাত বছরের দুর্ভিক্ষের মত দুর্ভিক্ষের দ্বারা তুমি আমাকে তাদের বিরুদ্ধে সাহায্য কর। ফলে দুর্ভিক্ষ তাদের এমনভাবে গ্রাস করল যে, নির্মূল হয়ে গেল সমস্ত কিছু; অবশেষে তারা মৃতদেহ খেতে আরম্ভ করল। তাদের কেউ দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার জ্বালায় সে তার ও আকাশের মাঝে ধোঁয়ার মতই দেখতে পেত। এরপর তিনি পাঠ করলেন, “অতএব তুমি অপেক্ষা কর সে দিনের, যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ এবং তা ছেয়ে ফেলবে মানব জাতিকে। এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি। আমি তোমাদের শাস্তি কিছুকালের জন্য সরিয়ে দিচ্ছি, তোমরা তো তোমাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।” পর্যন্ত ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, ক্বিয়ামাতের দিনও কি তাদের থেকে শাস্তি সরিয়ে ফেলা হবে? তিনি বলেন, وَالْبَطْشَةُ الْكُبْرَى দ্বারা বাদরের দিনের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৯, ই.ফা. ৪৪৬১)

سليمان بن حرب حدثنا جرير بن حازم عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق قال دخلت على عبد الله ثم قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما دعا قريشا كذبوه واستعصوا عليه فقال اللهم أعني عليهم بسبع كسبع يوسف فأصابتهم سنة حصت يعني كل شيء حتى كانوا يأكلون الميتة فكان يقوم أحدهم فكان يرى بينه وبين السماء مثل الدخان من الجهد والجوع ثم قرأ {فارتقب يوم تأتي السمآء بدخان مبين لا - يغشى الناس ط هٰذا عذاب أليم} أليم حتى بلغ إنا كاشفو العذاب قليلا إنكم عائدون قال عبد الله أفيكشف عنهم العذاب يوم القيامة قال والبطشة الكبرى يوم بدر.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00