সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তারা চীৎকার করে বলবে, হে মালিক! তোমার প্রতিপালক যেন আমাদের নিঃশেষ করে দেন। (সূরাহ যুখরুফ ৪৩/৭৭)
সহিহ বুখারী ৪৮১৯
حجاج بن منهال حدثنا سفيان بن عيينة عن عمرو عن عطاء عن صفوان بن يعلى عن أبيه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ على المنبر {ونادوا يا مالك ليقض علينا ربك} وقال قتادة {مثلا للاٰخرين} عظة لمن بعدهم وقال غيره {مقرنين} ضابطين يقال فلان مقرن لفلان ضابط له. والأكواب الأباريق التي لا خراطيم لها. وقال قتادة {في أم الكتاب} جملة الكتاب أصل الكتاب. {أولالعابدين} أي ما كان فأنا أول الآنفين وهما لغتان رجل عابد وعبد وقرأ عبد الله وقال الرسول يا رب ويقال أول العابدين الجاحدين من عبد يعبد
ইয়া‘লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মিম্বরে পড়তে শুনেছি وَنَادَوْا يَا مَالِكُ لِيَقْضِ عَلَيْنَا رَبُّكَ (তারা চীৎকার করে বলবে, হে মালিক! তোমার প্রতিপালক যেন আমাদের নিঃশেষ করে দেন।) ক্বাতাদাহ বলেন, مَثَلاً لِلْآخِرِينَ এর অর্থ পরবর্তী লোকদের জন্য নাসীহাত। ক্বাতাদাহ (রহ.) ব্যতীত অন্যান্য মুফাস্সির বলেছেন, مُقْرِنِينَ নিয়ন্ত্রণকারী। বলা হয় فُلاَنٌ مُقْرِنٌ لِفُلاَنٍ অর্থাৎ তার নিয়ন্তা। َالأَكْوَابُ অর্থ হাতল বিহীন পানপাত্র। ক্বাতাদাহ (রহ.) أُمِّ الْكِتَابِ সম্পর্কে বলেন, তা হচ্ছে মূল কিতাব ও সারাংশ। أَوَّلُ الْعَابِدِينَ অর্থ হচ্ছে, আল্লাহ্র কোন সন্তান নেই- এ কথা প্রত্যাখ্যানকারী সর্বপ্রথম আমি নিজেই। رَجُلٌ عَابِدٌ وَعَبِدٌ দু’ ধরনের ব্যবহার রয়েছে। ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস‘উদ (রাঃ) وَقَالَ الرَّسُولُ يَا رَبِّ পাঠ করতেন। কোন কোন মুফাস্সির বলেন, أَوَّلُ الْعَابِدِينَ -এ বর্ণিত الْعَابِدِينَ শব্দটি عَبِدَ يَعْبَد এর ওজনে এসেছে; যার অর্থ অস্বীকারকারী। [৩২৩০] (আ.প্র. ৪৪৫৫, ই.ফা. ৪৪৫৭)
ইয়া‘লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে মিম্বরে পড়তে শুনেছি وَنَادَوْا يَا مَالِكُ لِيَقْضِ عَلَيْنَا رَبُّكَ (তারা চীৎকার করে বলবে, হে মালিক! তোমার প্রতিপালক যেন আমাদের নিঃশেষ করে দেন।) ক্বাতাদাহ বলেন, مَثَلاً لِلْآخِرِينَ এর অর্থ পরবর্তী লোকদের জন্য নাসীহাত। ক্বাতাদাহ (রহ.) ব্যতীত অন্যান্য মুফাস্সির বলেছেন, مُقْرِنِينَ নিয়ন্ত্রণকারী। বলা হয় فُلاَنٌ مُقْرِنٌ لِفُلاَنٍ অর্থাৎ তার নিয়ন্তা। َالأَكْوَابُ অর্থ হাতল বিহীন পানপাত্র। ক্বাতাদাহ (রহ.) أُمِّ الْكِتَابِ সম্পর্কে বলেন, তা হচ্ছে মূল কিতাব ও সারাংশ। أَوَّلُ الْعَابِدِينَ অর্থ হচ্ছে, আল্লাহ্র কোন সন্তান নেই- এ কথা প্রত্যাখ্যানকারী সর্বপ্রথম আমি নিজেই। رَجُلٌ عَابِدٌ وَعَبِدٌ দু’ ধরনের ব্যবহার রয়েছে। ‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস‘উদ (রাঃ) وَقَالَ الرَّسُولُ يَا رَبِّ পাঠ করতেন। কোন কোন মুফাস্সির বলেন, أَوَّلُ الْعَابِدِينَ -এ বর্ণিত الْعَابِدِينَ শব্দটি عَبِدَ يَعْبَد এর ওজনে এসেছে; যার অর্থ অস্বীকারকারী। [৩২৩০] (আ.প্র. ৪৪৫৫, ই.ফা. ৪৪৫৭)
حجاج بن منهال حدثنا سفيان بن عيينة عن عمرو عن عطاء عن صفوان بن يعلى عن أبيه قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقرأ على المنبر {ونادوا يا مالك ليقض علينا ربك} وقال قتادة {مثلا للاٰخرين} عظة لمن بعدهم وقال غيره {مقرنين} ضابطين يقال فلان مقرن لفلان ضابط له. والأكواب الأباريق التي لا خراطيم لها. وقال قتادة {في أم الكتاب} جملة الكتاب أصل الكتاب. {أولالعابدين} أي ما كان فأنا أول الآنفين وهما لغتان رجل عابد وعبد وقرأ عبد الله وقال الرسول يا رب ويقال أول العابدين الجاحدين من عبد يعبد
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ আমি কি তোমাদের থেকে নাসীহাতপূর্ণ কুরআন এজন্য প্রত্যাহার করে নেব যে, তোমরা সীমালঙ্ঘনকারী লোক? (সূরাহ যুখরুফ ৪৩/৫)
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
সহিহ বুখারী > ‘‘অতএব, তুমি অপেক্ষা কর সেদিনের, যেদিন ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ।’’ (সূরাহ আদ্ দুখান ৪৪/১০)
সহিহ বুখারী ৪৮২০
عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن مسلم عن مسروق عن عبد الله قال مضى خمس الدخان والروم والقمر والبطشة واللزام.
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পাঁচটি নিদর্শনই বাস্তবায়িত হয়ে গেছে। ধোঁয়া (দুর্ভিক্ষ), রোম (পরাজয়), চন্দ্র (দ্বিখণ্ডিত হওয়া), পাকড়াও (বদর যুদ্ধে) এবং ধ্বংস। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৬, ই.ফা. ৪৪৫৮)
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, পাঁচটি নিদর্শনই বাস্তবায়িত হয়ে গেছে। ধোঁয়া (দুর্ভিক্ষ), রোম (পরাজয়), চন্দ্র (দ্বিখণ্ডিত হওয়া), পাকড়াও (বদর যুদ্ধে) এবং ধ্বংস। [১০০৭] (আ.প্র. ৪৪৫৬, ই.ফা. ৪৪৫৮)
عبدان عن أبي حمزة عن الأعمش عن مسلم عن مسروق عن عبد الله قال مضى خمس الدخان والروم والقمر والبطشة واللزام.
সহিহ বুখারী > আল্লাহর বাণীঃ তা আবৃত করে ফেলবে মানব জাতিকে, এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি। (সূরাহ আদ্ দুখান ৪৪/১১)
সহিহ বুখারী ৪৮২১
يحيى حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن مسلم عن مسروق قال قال عبد الله إنما كان هذا لأن قريشا لما استعصوا على النبي صلى الله عليه وسلم دعا عليهم بسنين كسني يوسف فأصابهم قحط وجهد حتى أكلوا العظام فجعل الرجل ينظر إلى السماء فيرى ما بينه وبينها كهيئة الدخان من الجهد فأنزل الله تعالى {فارتقب يوم تأتي السمآء بدخان مبين لا - يغشى الناس ط هٰذا عذاب أليم} قال فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له يا رسول الله استسق الله لمضر فإنها قد هلكت قال لمضر إنك لجريء فاستسقى لهم فسقوا فنزلت {إنكم عائدون} فلما أصابتهم الرفاهية عادوا إلى حالهم حين أصابتهم الرفاهية فأنزل الله عز وجل {يوم نبطش البطشة الكبرٰى إنا منتقمون} قال يعني يوم بدر.
মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেছেন, এ অবস্থা এ জন্য যে, কুরাইশরা যখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাফরমানী করল, তখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে এমন দুর্ভিক্ষের দু‘আ করলেন, যেমন দুর্ভিক্ষ হয়েছিল ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়ে। তারপর তাদের উপর দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধার কষ্ট এমনভাবে আপতিত হ’ল যে, তারা হাড্ডি খেতে আরম্ভ করল। তখন মানুষ আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার তাড়নায় তারা আকাশ ও তাদের মাঝে শুধু ধোঁয়ার মত দেখতে পেত। এ সম্পর্কেই আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন, “অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেদিনের, যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ এবং তা ছেয়ে ফেলবে মানব জাতিকে। এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি।” বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট (কাফিরদের পক্ষ থেকে) এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! মুদার গোত্রের জন্য বৃষ্টির দু‘আ করুন। তারা তো ধ্বংস হয়ে গেল। তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] বললেন, মুদার গোত্রের জন্য দু‘আ করতে বলছ। তুমি তো খুব সাহসী। তারপর তিনি বৃষ্টির জন্য দু‘আ করলেন এবং বৃষ্টি হল। তখন অবতীর্ণ হল, তোমরা তো তোমাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। যখন তাদের সচ্ছলতা ফিরে এলো, তখন আবার নিজেদের আগের অবস্থায় ফিরে গেল। তারপর আল্লাহ্ নাযিল করলেন, “যেদিন আমি তোমাদের প্রবলভাবে পাকড়াও করব, সেদিন আমি তোমাদের প্রতিশোধ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ বদর যুদ্ধের দিন। [১০০৭; মুসলিম ৫০/৭, হাঃ ২৭৯৮, আহমাদ ৪২০৬] (আ.প্র. ৪৪৫৭, ই.ফা. ৪৪৫৯)
মাসরূক (রহ.) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেছেন, এ অবস্থা এ জন্য যে, কুরাইশরা যখন রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নাফরমানী করল, তখন তিনি তাদের বিরুদ্ধে এমন দুর্ভিক্ষের দু‘আ করলেন, যেমন দুর্ভিক্ষ হয়েছিল ইউসুফ (‘আ.)-এর সময়ে। তারপর তাদের উপর দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধার কষ্ট এমনভাবে আপতিত হ’ল যে, তারা হাড্ডি খেতে আরম্ভ করল। তখন মানুষ আকাশের দিকে তাকালে ক্ষুধার তাড়নায় তারা আকাশ ও তাদের মাঝে শুধু ধোঁয়ার মত দেখতে পেত। এ সম্পর্কেই আল্লাহ্ অবতীর্ণ করলেন, “অতএব তুমি অপেক্ষা কর সেদিনের, যেদিন স্পষ্ট ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ এবং তা ছেয়ে ফেলবে মানব জাতিকে। এ হবে মর্মন্তুদ শাস্তি।” বর্ণনাকারী বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট (কাফিরদের পক্ষ থেকে) এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহ্র রসূল! মুদার গোত্রের জন্য বৃষ্টির দু‘আ করুন। তারা তো ধ্বংস হয়ে গেল। তিনি [রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)] বললেন, মুদার গোত্রের জন্য দু‘আ করতে বলছ। তুমি তো খুব সাহসী। তারপর তিনি বৃষ্টির জন্য দু‘আ করলেন এবং বৃষ্টি হল। তখন অবতীর্ণ হল, তোমরা তো তোমাদের আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। যখন তাদের সচ্ছলতা ফিরে এলো, তখন আবার নিজেদের আগের অবস্থায় ফিরে গেল। তারপর আল্লাহ্ নাযিল করলেন, “যেদিন আমি তোমাদের প্রবলভাবে পাকড়াও করব, সেদিন আমি তোমাদের প্রতিশোধ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, অর্থাৎ বদর যুদ্ধের দিন। [১০০৭; মুসলিম ৫০/৭, হাঃ ২৭৯৮, আহমাদ ৪২০৬] (আ.প্র. ৪৪৫৭, ই.ফা. ৪৪৫৯)
يحيى حدثنا أبو معاوية عن الأعمش عن مسلم عن مسروق قال قال عبد الله إنما كان هذا لأن قريشا لما استعصوا على النبي صلى الله عليه وسلم دعا عليهم بسنين كسني يوسف فأصابهم قحط وجهد حتى أكلوا العظام فجعل الرجل ينظر إلى السماء فيرى ما بينه وبينها كهيئة الدخان من الجهد فأنزل الله تعالى {فارتقب يوم تأتي السمآء بدخان مبين لا - يغشى الناس ط هٰذا عذاب أليم} قال فأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له يا رسول الله استسق الله لمضر فإنها قد هلكت قال لمضر إنك لجريء فاستسقى لهم فسقوا فنزلت {إنكم عائدون} فلما أصابتهم الرفاهية عادوا إلى حالهم حين أصابتهم الرفاهية فأنزل الله عز وجل {يوم نبطش البطشة الكبرٰى إنا منتقمون} قال يعني يوم بدر.