সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আপনি তাদেরকে হুঁশিয়ার করে দিন পরিতাপের দিন সম্পর্কে .......। (সূরাহ মারইয়াম ১৯/৩৯)

সহিহ বুখারী ৪৭৩০

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا أبو صالح عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤتى بالموت كهيئة كبش أملح فينادي مناد يا أهل الجنة فيشرئبون وينظرون فيقول هل تعرفون هذا فيقولون نعم هذا الموت وكلهم قد رآه ثم ينادي يا أهل النار فيشرئبون وينظرون فيقول هل تعرفون هذا فيقولون نعم هذا الموت وكلهم قد رآه فيذبح ثم يقول يا أهل الجنة خلود فلا موت ويا أهل النار خلود فلا موت ثم قرأ {وأنذرهم يوم الحسرة إذ قضي الأمر وهم في غفلة} وهؤلاء في غفلة أهل الدنيا {وهم لا يؤمنون}.

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ক্বিয়ামাত দিবসে মৃত্যুকে একটি ধূসর রঙের মেষের আকারে আনা হবে। তখন একজন সম্বোধনকারী ডাক দিয়ে বলবেন, হে জান্নাতবাসী! তখন তাঁরা ঘাড়-মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে। সম্বোধনকারী বলবে, তোমরা কি একে চিন? তারা বলবেন হ্যাঁ, এ হল মৃত্যু। কেননা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর সম্বোধনকারী আবার ডেকে বলবেন, হে জাহান্নামবাসী! জাহান্নামীরা মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে, তখন সম্বোধনকারী বলবে তোমরা কি একে চিন? তারা বলবে, হ্যাঁ, এ তো মৃত্যু। কেননা তারা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর (সেটিকে) যবহ করা হবে। আর ঘোষক বলবেন, হে জান্নাতবাসী! স্থায়ীভাবে (এখানে) থাক। তোমাদের আর কোন মৃত্যু নেই। আর হে জাহান্নামবাসী! চিরদিন (এখানে) থাক। তোমাদের আর মৃত্যু নেই। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠ করলেন “তাদের সতর্ক করে দাও পরিতাপের দিবস সম্বন্ধে, যখন সকল ফয়সালা হয়ে যাবে অথচ এখন তারা গাফিল, তারা অসতর্ক দুনিয়াবাসী-অবিশ্বাসী।” [মুসলিম ৫১/১৩, হাঃ ২৮৪৯, আহমাদ ১১০৬৬] (আ.প্র. ৪৩৬৯, ই.ফা. ৪৩৭১)

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ক্বিয়ামাত দিবসে মৃত্যুকে একটি ধূসর রঙের মেষের আকারে আনা হবে। তখন একজন সম্বোধনকারী ডাক দিয়ে বলবেন, হে জান্নাতবাসী! তখন তাঁরা ঘাড়-মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে। সম্বোধনকারী বলবে, তোমরা কি একে চিন? তারা বলবেন হ্যাঁ, এ হল মৃত্যু। কেননা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর সম্বোধনকারী আবার ডেকে বলবেন, হে জাহান্নামবাসী! জাহান্নামীরা মাথা উঁচু করে দেখতে থাকবে, তখন সম্বোধনকারী বলবে তোমরা কি একে চিন? তারা বলবে, হ্যাঁ, এ তো মৃত্যু। কেননা তারা সকলেই তাকে দেখেছে। তারপর (সেটিকে) যবহ করা হবে। আর ঘোষক বলবেন, হে জান্নাতবাসী! স্থায়ীভাবে (এখানে) থাক। তোমাদের আর কোন মৃত্যু নেই। আর হে জাহান্নামবাসী! চিরদিন (এখানে) থাক। তোমাদের আর মৃত্যু নেই। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) পাঠ করলেন “তাদের সতর্ক করে দাও পরিতাপের দিবস সম্বন্ধে, যখন সকল ফয়সালা হয়ে যাবে অথচ এখন তারা গাফিল, তারা অসতর্ক দুনিয়াবাসী-অবিশ্বাসী।” [মুসলিম ৫১/১৩, হাঃ ২৮৪৯, আহমাদ ১১০৬৬] (আ.প্র. ৪৩৬৯, ই.ফা. ৪৩৭১)

عمر بن حفص بن غياث حدثنا أبي حدثنا الأعمش حدثنا أبو صالح عن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يؤتى بالموت كهيئة كبش أملح فينادي مناد يا أهل الجنة فيشرئبون وينظرون فيقول هل تعرفون هذا فيقولون نعم هذا الموت وكلهم قد رآه ثم ينادي يا أهل النار فيشرئبون وينظرون فيقول هل تعرفون هذا فيقولون نعم هذا الموت وكلهم قد رآه فيذبح ثم يقول يا أهل الجنة خلود فلا موت ويا أهل النار خلود فلا موت ثم قرأ {وأنذرهم يوم الحسرة إذ قضي الأمر وهم في غفلة} وهؤلاء في غفلة أهل الدنيا {وهم لا يؤمنون}.


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ {وَمَا نَتَنَزَّلُ إِلَّا بِأَمْرِ رَبِّكَ لَه” مَا بَيْنَ أَيْدِيْنَا وَمَا خَلْفَنَا وَمَا بَيْنَ ذٰلِكَ}.

সহিহ বুখারী ৪৭৩১

أبو نعيم حدثنا عمر بن ذر قال سمعت أبي عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل ما يمنعك أن تزورنا أكثر مما تزورنا فنزلت {وما نتنزل إلا بأمر ربك له ما بين أيدينا وما خلفنا}.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার জিব্রীলকে বললেন, আপনি আমার সাথে যতবার সাক্ষাৎ করেন, তার চেয়ে অধিক সাক্ষাৎ করতে আপনাকে কিসে বাধা দেয়? তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল, “আমরা আপনার প্রতিপালকের আদেশ ছাড়া অবতরণ করি না, যা আমাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে আছে সবই তাঁরই।” [৩২১৮] (আ.প্র. ৪৩৭০, ই.ফা. ৪৩৭২)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একবার জিব্রীলকে বললেন, আপনি আমার সাথে যতবার সাক্ষাৎ করেন, তার চেয়ে অধিক সাক্ষাৎ করতে আপনাকে কিসে বাধা দেয়? তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হল, “আমরা আপনার প্রতিপালকের আদেশ ছাড়া অবতরণ করি না, যা আমাদের সম্মুখে ও পশ্চাতে আছে সবই তাঁরই।” [৩২১৮] (আ.প্র. ৪৩৭০, ই.ফা. ৪৩৭২)

أبو نعيم حدثنا عمر بن ذر قال سمعت أبي عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لجبريل ما يمنعك أن تزورنا أكثر مما تزورنا فنزلت {وما نتنزل إلا بأمر ربك له ما بين أيدينا وما خلفنا}.


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ আপনি কি তাকে লক্ষ্য করেছেন, যে আমার আয়াত সমূহকে অবিশ্বাস করে এবং বলেঃ অবশ্যই আমাকে ধন-সম্পত্তি ও সন্তান-সন্ততি দেয়া হবে। (সূরাহ মারইয়াম ১৯/৭৭)

সহিহ বুখারী ৪৭৩২

الحميدي حدثنا سفيان عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق قال سمعت خبابا قال جئت العاص بن وائل السهمي أتقاضاه حقا لي عنده فقال لا أعطيك حتى تكفر بمحمد صلى الله عليه وسلم فقلت لا حتى تموت ثم تبعث قال وإني لميت ثم مبعوث قلت نعم قال إن لي هناك مالا وولدا فأقضيكه فنزلت هذه الآية {أفرأيت الذي كفر باٰيٰتنا وقال لأوتين مالا وولدا} رواه الثوري وشعبة وحفص وأبو معاوية ووكيع عن الأعمش.

মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি (খাব্বাব) বলেন, আমি আস ইব্‌নু ওয়ায়েল সাহমীর নিকট গেলাম; তার কাছে আমার কিছু পাওনা ছিল, তা আদায় করার জন্য। আস ইব্‌নু ওয়ায়িল বলল, আমি তোমার প্রাপ্য তোমাকে দিব না, যতক্ষণ তুমি মুহাম্মদের প্রতি অবিশ্বাস না কর। তখন আমি বললাম, না, এমনকি তুমি মরে গিয়ে পুনরায় জীবিত হয়ে আসলেও তা হবে না। ‘আস ইব্‌নু ওয়ায়েল বলল, আমি কি মরে যাবার পরে আবার জীবিত হব? আমি বললাম, হ্যাঁ। আস ইব্‌নু ওয়ায়েল বলল, অবশ্যই সেখানেও আমার ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততি থাকবে, তা থেকে আমি তোমার ঋণ শোধ করব। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় ঃ ‘তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে, যে আমার আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে, আমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেয়া হবেই।” এ হাদীসটি সাওরী (রহ.) ... আ’মাশ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন। [২০৯১] (আ.প্র. ৪৩৭১, ই.ফা. ৪৩৭৩)

মাসরূক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি খাব্বাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, তিনি (খাব্বাব) বলেন, আমি আস ইব্‌নু ওয়ায়েল সাহমীর নিকট গেলাম; তার কাছে আমার কিছু পাওনা ছিল, তা আদায় করার জন্য। আস ইব্‌নু ওয়ায়িল বলল, আমি তোমার প্রাপ্য তোমাকে দিব না, যতক্ষণ তুমি মুহাম্মদের প্রতি অবিশ্বাস না কর। তখন আমি বললাম, না, এমনকি তুমি মরে গিয়ে পুনরায় জীবিত হয়ে আসলেও তা হবে না। ‘আস ইব্‌নু ওয়ায়েল বলল, আমি কি মরে যাবার পরে আবার জীবিত হব? আমি বললাম, হ্যাঁ। আস ইব্‌নু ওয়ায়েল বলল, অবশ্যই সেখানেও আমার ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততি থাকবে, তা থেকে আমি তোমার ঋণ শোধ করব। তখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় ঃ ‘তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে, যে আমার আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে, আমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেয়া হবেই।” এ হাদীসটি সাওরী (রহ.) ... আ’মাশ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন। [২০৯১] (আ.প্র. ৪৩৭১, ই.ফা. ৪৩৭৩)

الحميدي حدثنا سفيان عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق قال سمعت خبابا قال جئت العاص بن وائل السهمي أتقاضاه حقا لي عنده فقال لا أعطيك حتى تكفر بمحمد صلى الله عليه وسلم فقلت لا حتى تموت ثم تبعث قال وإني لميت ثم مبعوث قلت نعم قال إن لي هناك مالا وولدا فأقضيكه فنزلت هذه الآية {أفرأيت الذي كفر باٰيٰتنا وقال لأوتين مالا وولدا} رواه الثوري وشعبة وحفص وأبو معاوية ووكيع عن الأعمش.


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ

সহিহ বুখারী ৪৭৩৩

محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق عن خباب قال كنت قينا بمكة فعملت للعاص بن وائل السهمي سيفا فجئت أتقاضاه فقال لا أعطيك حتى تكفر بمحمد قلت لا أكفر بمحمد صلى الله عليه وسلم حتى يميتك الله ثم يحييك قال إذا أماتني الله ثم بعثني ولي مال وولد فأنزل الله {أفرأيت الذي كفر باٰيٰتنا وقال لأوتين مالا وولداأطلع الغيب أم اتخذ عند الرحمٰن عهدا} قال موثقا لم يقل الأشجعي عن سفيان سيفا ولا موثقا

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাক্কাহ্য় অবস্থানকালে কর্মকারের কাজ করতাম। এ সময় আস্ ইব্‌নু ওয়ায়েলকে একখানা তলোয়ার বানিয়ে দিয়েছিলাম। তারপর একদিন আমার সেই পাওনা আদায়ের জন্য তাঁর নিকট আসলাম। সে বলল, মুহাম্মাদকে অস্বীকার না করা পর্যন্ত তোমার পাওনা দেব না। আমি বললাম, মুহাম্মাদকে অস্বীকার করব না। এমনকি আল্লাহ্ তোমাকে মৃত্যু দিবার পর তোমাকে আবার জীবিত করা পর্যন্ত। সে বলল, আল্লাহ্ যখন আমাকে মৃত্যুর পরে আবার জীবিত করবেন, তখন আমার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিও থাকবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন ঃ ‘তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে, যে আমার আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে, আমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেয়া হবেই। সে কি অদৃশ্য সম্বন্ধে অবহিত হয়েছে অথবা দয়াময়ের নিকট থেকে প্রতিশ্র“তি লাভ করেছে? বর্ণনাকারী বলেন, عهد এর অর্থ দৃঢ় প্রতিশ্র“তি। আশ্জায়ী (রহ.) সুফ্ইয়ান থেকে বর্ণনার মধ্যে سَيْفًا (তরবারি) শব্দ এবং مَوْثِقًا (প্রতিশ্র“তি) শব্দ উল্লেখ করেননি। [২০৯১] (আ.প্র. ৪৩৭২, ই.ফা. ৪৩৭৪)

খাব্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মাক্কাহ্য় অবস্থানকালে কর্মকারের কাজ করতাম। এ সময় আস্ ইব্‌নু ওয়ায়েলকে একখানা তলোয়ার বানিয়ে দিয়েছিলাম। তারপর একদিন আমার সেই পাওনা আদায়ের জন্য তাঁর নিকট আসলাম। সে বলল, মুহাম্মাদকে অস্বীকার না করা পর্যন্ত তোমার পাওনা দেব না। আমি বললাম, মুহাম্মাদকে অস্বীকার করব না। এমনকি আল্লাহ্ তোমাকে মৃত্যু দিবার পর তোমাকে আবার জীবিত করা পর্যন্ত। সে বলল, আল্লাহ্ যখন আমাকে মৃত্যুর পরে আবার জীবিত করবেন, তখন আমার ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিও থাকবে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ্ তা‘আলা অবতীর্ণ করেন ঃ ‘তুমি কি লক্ষ্য করেছ তাকে, যে আমার আয়াতসমূহ প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে, আমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দেয়া হবেই। সে কি অদৃশ্য সম্বন্ধে অবহিত হয়েছে অথবা দয়াময়ের নিকট থেকে প্রতিশ্র“তি লাভ করেছে? বর্ণনাকারী বলেন, عهد এর অর্থ দৃঢ় প্রতিশ্র“তি। আশ্জায়ী (রহ.) সুফ্ইয়ান থেকে বর্ণনার মধ্যে سَيْفًا (তরবারি) শব্দ এবং مَوْثِقًا (প্রতিশ্র“তি) শব্দ উল্লেখ করেননি। [২০৯১] (আ.প্র. ৪৩৭২, ই.ফা. ৪৩৭৪)

محمد بن كثير أخبرنا سفيان عن الأعمش عن أبي الضحى عن مسروق عن خباب قال كنت قينا بمكة فعملت للعاص بن وائل السهمي سيفا فجئت أتقاضاه فقال لا أعطيك حتى تكفر بمحمد قلت لا أكفر بمحمد صلى الله عليه وسلم حتى يميتك الله ثم يحييك قال إذا أماتني الله ثم بعثني ولي مال وولد فأنزل الله {أفرأيت الذي كفر باٰيٰتنا وقال لأوتين مالا وولداأطلع الغيب أم اتخذ عند الرحمٰن عهدا} قال موثقا لم يقل الأشجعي عن سفيان سيفا ولا موثقا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00