সহিহ বুখারী > ‘‘আর মানুষের মধ্যে কেউ কেউ দ্বিধা-দ্বনেদ্বর সঙ্গে আল্লাহর ‘ইবাদাত করে। যদি তার কোন পার্থিব স্বার্থ লাভ হয় তবে সে তাতে প্রশান্তি লাভ করে; কিন্তু যদি তার উপর কোন বিপর্যয় ঘটে তবে সে পূর্বাবস্থায় ফিরে যায়। এতে সে দুনিয়া ও আখিরাত উভয়টাই হারিয়ে বসে। এটাই প্রকাশ্য ক্ষতি। সে আল্লাহ্কে ছেড়ে এমন সব কিছুর উপাসনা করে, যা তার কোন ক্ষতিও করতে পারে না এবং উপকারও করতে পারে না। এটাই চরম গোমরাহী।’’ (সূরা হাজ্জ ২২/১১-১২)

সহিহ বুখারী ৪৭৪২

إبراهيم بن الحارث حدثنا يحيى بن أبي بكير حدثنا إسرائيل عن أبي حصين عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال {ومن الناس من يعبد الله على حرف} قال كان الرجل يقدم المدينة فإن ولدت امرأته غلاما ونتجت خيله قال هذا دين صالح وإن لم تلد امرأته ولم تنتج خيله قال هذا دين سوء.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি النَّاسِ مَنْ يَعْبُدُ اللهَ عَلَى حَرْفٍ সম্পর্কে বলেন, কোন ব্যক্তি মদিনায় আগমন করতঃ যদি তার স্ত্রী পুত্র-সন্তান প্রসব করত এবং তার ঘোড়ায় বাচ্চা দিত, তখন বলত এ দ্বীন ভাল। আর যদি তার স্ত্রীর গর্ভে পুত্র সন্তান না জন্মাত এবং তার ঘোড়াও বাচ্চা না দিত, তখন বলত, এটা মন্দ দ্বীন। (আ.প্র. ৪৩৮১, ই.ফা. ৪৩৮৩)

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি النَّاسِ مَنْ يَعْبُدُ اللهَ عَلَى حَرْفٍ সম্পর্কে বলেন, কোন ব্যক্তি মদিনায় আগমন করতঃ যদি তার স্ত্রী পুত্র-সন্তান প্রসব করত এবং তার ঘোড়ায় বাচ্চা দিত, তখন বলত এ দ্বীন ভাল। আর যদি তার স্ত্রীর গর্ভে পুত্র সন্তান না জন্মাত এবং তার ঘোড়াও বাচ্চা না দিত, তখন বলত, এটা মন্দ দ্বীন। (আ.প্র. ৪৩৮১, ই.ফা. ৪৩৮৩)

إبراهيم بن الحارث حدثنا يحيى بن أبي بكير حدثنا إسرائيل عن أبي حصين عن سعيد بن جبير عن ابن عباس رضي الله عنهما قال {ومن الناس من يعبد الله على حرف} قال كان الرجل يقدم المدينة فإن ولدت امرأته غلاما ونتجت خيله قال هذا دين صالح وإن لم تلد امرأته ولم تنتج خيله قال هذا دين سوء.


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ এরা দু’টি কলহরত পক্ষ, তারা তাদের প্রতিপালকের ব্যাপারে বিতর্ক করছে। (সূরাহ হাজ্জ ২২/১৯)

সহিহ বুখারী ৪৭৪৩

حجاج بن منهال حدثنا هشيم أخبرنا أبو هاشم عن أبي مجلز عن قيس بن عباد عن أبي ذر رضي الله عنه أنه كان يقسم قسما إن هذه الآية {هٰذان خصمان اختصموا في ربهم}نزلت في حمزة وصاحبيه وعتبة وصاحبيه يوم برزوا في يوم بدر رواه سفيان عن أبي هاشم وقال عثمان عن جرير عن منصور عن أبي هاشم عن أبي مجلز قوله.

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ আয়াত সম্পর্কে কসম খেয়ে বলেন, এ আয়াত هَذَانِ خَصْمَانِ اخْتَصَمُوا فِي رَبِّهِمْ (এরা দু’টি বিবদমান পক্ষ। তারা তাদের প্রতিপালকের ব্যাপারে বিতর্ক করে)। হামযা এবং তাঁর দু’সঙ্গী এবং উত্বা ও তার দু’সঙ্গীর ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যেদিন তারা বাদ্রের যুদ্ধে বিপক্ষের সঙ্গে মুকাবালা করেছিল। সুফ্ইয়ান আবূ হাশিম সূত্রে এবং ‘উসমান.....এ বক্তব্যটি আবূ মিজলায এর উক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন। [৩৯৬৬] (আ.প্র. ৪৩৮২, ই.ফা. ৪৩৮৪)

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি এ আয়াত সম্পর্কে কসম খেয়ে বলেন, এ আয়াত هَذَانِ خَصْمَانِ اخْتَصَمُوا فِي رَبِّهِمْ (এরা দু’টি বিবদমান পক্ষ। তারা তাদের প্রতিপালকের ব্যাপারে বিতর্ক করে)। হামযা এবং তাঁর দু’সঙ্গী এবং উত্বা ও তার দু’সঙ্গীর ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যেদিন তারা বাদ্রের যুদ্ধে বিপক্ষের সঙ্গে মুকাবালা করেছিল। সুফ্ইয়ান আবূ হাশিম সূত্রে এবং ‘উসমান.....এ বক্তব্যটি আবূ মিজলায এর উক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন। [৩৯৬৬] (আ.প্র. ৪৩৮২, ই.ফা. ৪৩৮৪)

حجاج بن منهال حدثنا هشيم أخبرنا أبو هاشم عن أبي مجلز عن قيس بن عباد عن أبي ذر رضي الله عنه أنه كان يقسم قسما إن هذه الآية {هٰذان خصمان اختصموا في ربهم}نزلت في حمزة وصاحبيه وعتبة وصاحبيه يوم برزوا في يوم بدر رواه سفيان عن أبي هاشم وقال عثمان عن جرير عن منصور عن أبي هاشم عن أبي مجلز قوله.


সহিহ বুখারী ৪৭৪৪

حجاج بن منهال حدثنا معتمر بن سليمان قال سمعت أبي قال حدثنا أبو مجلز عن قيس بن عباد عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال أنا أول من يجثو بين يدي الرحمن للخصومة يوم القيامة قال قيس وفيهم نزلت {هٰذان خصمان اختصموا في ربهم} قال هم الذين بارزوا يوم بدر علي وحمزة وعبيدة وشيبة بن ربيعة وعتبة بن ربيعة والوليد بن عتبة.

‘আলী ইব্‌নু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমিই সর্বপ্রথম ক্বিয়ামাত দিবসে আল্লাহ্‌র সমীপে নতজানু হয়ে নালিশ জানাব। কায়েস বলেন, এ ব্যাপারেই هَذَانِ خَصْمَانِ اخْتَصَمُوا فِي رَبِّهِمْ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, এরাই বাদ্রের যুদ্ধে সর্বপ্রথম বিপক্ষের সাথে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছিল। অর্থাৎ ‘আলী, হামযা ও ‘উবাইদাহ, শাইবাহ ইব্‌নু রাবী‘য়াহ, ‘উত্বাহ ইব্‌নু রাবী‘য়াহ এবং ওয়ালীদ ইব্‌নু ‘উত্বাহ। [৩৯৬৫] (আ.প্র. ৪৩৮৩, ই.ফা. ৪৩৮৫)

‘আলী ইব্‌নু আবূ ত্বলিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমিই সর্বপ্রথম ক্বিয়ামাত দিবসে আল্লাহ্‌র সমীপে নতজানু হয়ে নালিশ জানাব। কায়েস বলেন, এ ব্যাপারেই هَذَانِ خَصْمَانِ اخْتَصَمُوا فِي رَبِّهِمْ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, এরাই বাদ্রের যুদ্ধে সর্বপ্রথম বিপক্ষের সাথে সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ হয়েছিল। অর্থাৎ ‘আলী, হামযা ও ‘উবাইদাহ, শাইবাহ ইব্‌নু রাবী‘য়াহ, ‘উত্বাহ ইব্‌নু রাবী‘য়াহ এবং ওয়ালীদ ইব্‌নু ‘উত্বাহ। [৩৯৬৫] (আ.প্র. ৪৩৮৩, ই.ফা. ৪৩৮৫)

حجاج بن منهال حدثنا معتمر بن سليمان قال سمعت أبي قال حدثنا أبو مجلز عن قيس بن عباد عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه قال أنا أول من يجثو بين يدي الرحمن للخصومة يوم القيامة قال قيس وفيهم نزلت {هٰذان خصمان اختصموا في ربهم} قال هم الذين بارزوا يوم بدر علي وحمزة وعبيدة وشيبة بن ربيعة وعتبة بن ربيعة والوليد بن عتبة.


সহিহ বুখারী > আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ

সহিহ বুখারী ৪৭৪৫

إسحاق حدثنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي قال حدثني الزهري عن سهل بن سعد أن عويمرا أتى عاصم بن عدي وكان سيد بني عجلان فقال كيف تقولون في رجل وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يصنع سل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأتى عاصم النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل فسأله عويمر فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كره المسائل وعابها قال عويمر والله لا أنتهي حتى أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فجاء عويمر فقال يا رسول الله رجل وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يصنع فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل الله القرآن فيك وفي صاحبتك فأمرهما رسول الله صلى الله عليه وسلم بالملاعنة بما سمى الله في كتابه فلاعنها ثم قال يا رسول الله إن حبستها فقد ظلمتها فطلقها فكانت سنة لمن كان بعدهما في المتلاعنين ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم انظروا فإن جاءت به أسحم أدعج العينين عظيم الأليتين خدلج الساقين فلا أحسب عويمرا إلا قد صدق عليها وإن جاءت به أحيمر كأنه وحرة فلا أحسب عويمرا إلا قد كذب عليها فجاءت به على النعت الذي نعت به رسول الله صلى الله عليه وسلم من تصديق عويمر فكان بعد ينسب إلى أمه.

সাহল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উয়াইমির (রাঃ) ‘আসিম ইব্‌নু আদির নিকট আসলেন। তিনি আজ্লান গোত্রের সর্দার। ‘উয়াইমির তাঁকে বললেন, তোমরা ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে কী বল, যে তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষ দেখতে পায়। সে কি তাকে হত্যা করবে? এরপর তো তোমরা তাকেই হত্যা করবে অথবা সে কী করবে? তুমি আমার পক্ষ হতে এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস কর। তারপর আসিম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল .....। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ধরনের প্রশ্ন অপছন্দ করলেন। তারপর ‘উয়াইমির (রাঃ) তাঁকে প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ধরনের প্রশ্ন না-পছন্দ করেছেন ও দূষণীয় মনে করেছেন। তখন উয়াইমির বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি এ বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হব না। তারপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য একটি পুরুষকে দেখতে পেলে সে কি তাকে হত্যা করবে? তখন তো আপনারা তাকে (কিসাস স্বরূপ) হত্যা করে ফেলবেন অথবা, সে কী করবে? তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার ও তোমার স্ত্রী সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বামী-স্ত্রী দু-জনকে ‘লিয়ান’ করার নির্দেশ দিলেন; যেভাবে আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন। তারপর ‘উয়াইমির তার স্ত্রীর সঙ্গে লিয়ান করলেন। এরপরে বললেন, (এরপরও) যদি আমি তাকে রাখি, তবে তার প্রতি আমি যালিম হবো। তারপর তিনি তাকে ত্বলাক দিয়ে দিলেন। অতএব, তাদের পরবর্তী লোকদের জন্য, যারা পরস্পর ‘লিয়ান’ করে এটি সুন্নাতে পরিণত হল। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, লক্ষ্য কর! যদি মহিলাটি একটি কালো ডাগর চক্ষু, বড় পাছা ও বড় পাওয়ালা বাচ্চা জন্ম দেয়, তবে আমি মনে করব, ‘উয়াইমিরই তার সম্পর্কে সত্য বলেছে এবং যদি সে লাল গিরগিটির মত একটি লাল বর্ণের সন্তান প্রসব করে তবে আমি মনে করব, ‘উয়াইমির তার সম্পর্কে মিথ্যা বলেছে। এরপর সে এমন একটি সন্তান প্রসব করল, যার গুণাবলী রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘উয়াইমির সত্যবাদী হওয়ার পক্ষে বলেছিলেন। তারপর সন্তানটিকে মায়ের দিকে সম্পর্কযুক্ত করে পরিচয় দেয়া হত। [৪২৩] (আ.প্র. ৪৩৮৪, ই.ফা. ৪৩৮৬)

সাহল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘উয়াইমির (রাঃ) ‘আসিম ইব্‌নু আদির নিকট আসলেন। তিনি আজ্লান গোত্রের সর্দার। ‘উয়াইমির তাঁকে বললেন, তোমরা ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে কী বল, যে তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য পুরুষ দেখতে পায়। সে কি তাকে হত্যা করবে? এরপর তো তোমরা তাকেই হত্যা করবে অথবা সে কী করবে? তুমি আমার পক্ষ হতে এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস কর। তারপর আসিম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল .....। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ধরনের প্রশ্ন অপছন্দ করলেন। তারপর ‘উয়াইমির (রাঃ) তাঁকে প্রশ্ন করলেন। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এ ধরনের প্রশ্ন না-পছন্দ করেছেন ও দূষণীয় মনে করেছেন। তখন উয়াইমির বললেন, আল্লাহ্‌র শপথ! আমি এ বিষয়টি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হব না। তারপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রসূল! কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য একটি পুরুষকে দেখতে পেলে সে কি তাকে হত্যা করবে? তখন তো আপনারা তাকে (কিসাস স্বরূপ) হত্যা করে ফেলবেন অথবা, সে কী করবে? তখন রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার ও তোমার স্ত্রী সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বামী-স্ত্রী দু-জনকে ‘লিয়ান’ করার নির্দেশ দিলেন; যেভাবে আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর কিতাবে উল্লেখ করেছেন। তারপর ‘উয়াইমির তার স্ত্রীর সঙ্গে লিয়ান করলেন। এরপরে বললেন, (এরপরও) যদি আমি তাকে রাখি, তবে তার প্রতি আমি যালিম হবো। তারপর তিনি তাকে ত্বলাক দিয়ে দিলেন। অতএব, তাদের পরবর্তী লোকদের জন্য, যারা পরস্পর ‘লিয়ান’ করে এটি সুন্নাতে পরিণত হল। এরপর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, লক্ষ্য কর! যদি মহিলাটি একটি কালো ডাগর চক্ষু, বড় পাছা ও বড় পাওয়ালা বাচ্চা জন্ম দেয়, তবে আমি মনে করব, ‘উয়াইমিরই তার সম্পর্কে সত্য বলেছে এবং যদি সে লাল গিরগিটির মত একটি লাল বর্ণের সন্তান প্রসব করে তবে আমি মনে করব, ‘উয়াইমির তার সম্পর্কে মিথ্যা বলেছে। এরপর সে এমন একটি সন্তান প্রসব করল, যার গুণাবলী রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘উয়াইমির সত্যবাদী হওয়ার পক্ষে বলেছিলেন। তারপর সন্তানটিকে মায়ের দিকে সম্পর্কযুক্ত করে পরিচয় দেয়া হত। [৪২৩] (আ.প্র. ৪৩৮৪, ই.ফা. ৪৩৮৬)

إسحاق حدثنا محمد بن يوسف حدثنا الأوزاعي قال حدثني الزهري عن سهل بن سعد أن عويمرا أتى عاصم بن عدي وكان سيد بني عجلان فقال كيف تقولون في رجل وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يصنع سل لي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأتى عاصم النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسائل فسأله عويمر فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كره المسائل وعابها قال عويمر والله لا أنتهي حتى أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فجاء عويمر فقال يا رسول الله رجل وجد مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يصنع فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم قد أنزل الله القرآن فيك وفي صاحبتك فأمرهما رسول الله صلى الله عليه وسلم بالملاعنة بما سمى الله في كتابه فلاعنها ثم قال يا رسول الله إن حبستها فقد ظلمتها فطلقها فكانت سنة لمن كان بعدهما في المتلاعنين ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم انظروا فإن جاءت به أسحم أدعج العينين عظيم الأليتين خدلج الساقين فلا أحسب عويمرا إلا قد صدق عليها وإن جاءت به أحيمر كأنه وحرة فلا أحسب عويمرا إلا قد كذب عليها فجاءت به على النعت الذي نعت به رسول الله صلى الله عليه وسلم من تصديق عويمر فكان بعد ينسب إلى أمه.


সহিহ বুখারী > ‘‘এবং পঞ্চমবারে বলবে, সে মিথ্যাচারী হলে তার ওপর নেমে আসবে আল্লাহর লা’নাত।’’ (সূরাহ নূর ২৪/৭)

সহিহ বুখারী ৪৭৪৬

سليمان بن داود أبو الربيع حدثنا فليح عن الزهري عن سهل بن سعد أن رجلا أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت رجلا رأى مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل فأنزل الله فيهما ما ذكر في القرآن من التلاعن فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قضي فيك وفي امرأتك قال فتلاعنا وأنا شاهد عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ففارقها فكانت سنة أن يفرق بين المتلاعنين وكانت حاملا فأنكر حملها وكان ابنها يدعى إليها ثم جرت السنة في الميراث أن يرثها وترث منه ما فرض الله لها

সাহল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আপনি আমাকে বলুন তো, এক লোক তার স্ত্রীর সঙ্গে এক লোককে দেখতে পেল। সে কী তাকে হত্যা করবে? যার ফলে আপনারা তাকে হত্যা করবেন অথবা সে আর কী করতে পারে! তারপর আল্লাহ্ তা‘আলা এ দু’জন সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ করেন, যা কুরআনে পারস্পরিক লা‘নত করা সম্পর্কে বর্ণিত। তখন তাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার ও তোমার স্ত্রী সম্পর্কে ফয়সালা হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তারা উভয়ে পরস্পর ‘লিয়ান’ করল। তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তারপর সে তার স্ত্রীকে পৃথক করে দিল। এরপর নিয়ম হয়ে গেল যে,, লিয়ানকারী উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। মহিলাটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল, তার স্বামী তার গর্ভ অস্বীকার করল। সুতরাং সন্তানটিকে তার মায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করে ডাকা হত। তারপর উত্তরাধিকার স্বত্বে এ নিয়ম চালু হল যে, সন্তান মায়ের ‘মিরাস’ পাবে। আর মাতাও সন্তানের ‘মিরাস’ পাবে, যা আল্লাহ্ তা‘আলা তার ব্যাপারে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। [৪২৩] (আ.প্র. ৪৩৮৫, ই.ফা. ৪৩৮৭)

সাহল ইব্‌নু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে উপস্থিত হয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! আপনি আমাকে বলুন তো, এক লোক তার স্ত্রীর সঙ্গে এক লোককে দেখতে পেল। সে কী তাকে হত্যা করবে? যার ফলে আপনারা তাকে হত্যা করবেন অথবা সে আর কী করতে পারে! তারপর আল্লাহ্ তা‘আলা এ দু’জন সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ করেন, যা কুরআনে পারস্পরিক লা‘নত করা সম্পর্কে বর্ণিত। তখন তাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমার ও তোমার স্ত্রী সম্পর্কে ফয়সালা হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তারা উভয়ে পরস্পর ‘লিয়ান’ করল। তখন আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তারপর সে তার স্ত্রীকে পৃথক করে দিল। এরপর নিয়ম হয়ে গেল যে,, লিয়ানকারী উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। মহিলাটি অন্তঃসত্ত্বা ছিল, তার স্বামী তার গর্ভ অস্বীকার করল। সুতরাং সন্তানটিকে তার মায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত করে ডাকা হত। তারপর উত্তরাধিকার স্বত্বে এ নিয়ম চালু হল যে, সন্তান মায়ের ‘মিরাস’ পাবে। আর মাতাও সন্তানের ‘মিরাস’ পাবে, যা আল্লাহ্ তা‘আলা তার ব্যাপারে নির্ধারণ করে দিয়েছেন। [৪২৩] (আ.প্র. ৪৩৮৫, ই.ফা. ৪৩৮৭)

سليمان بن داود أبو الربيع حدثنا فليح عن الزهري عن سهل بن سعد أن رجلا أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله أرأيت رجلا رأى مع امرأته رجلا أيقتله فتقتلونه أم كيف يفعل فأنزل الله فيهما ما ذكر في القرآن من التلاعن فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم قد قضي فيك وفي امرأتك قال فتلاعنا وأنا شاهد عند رسول الله صلى الله عليه وسلم ففارقها فكانت سنة أن يفرق بين المتلاعنين وكانت حاملا فأنكر حملها وكان ابنها يدعى إليها ثم جرت السنة في الميراث أن يرثها وترث منه ما فرض الله لها


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00