সহিহ বুখারী > মক্কাবাসীদের পড়ে থাকা জিনিসের ঘোষণা কিভাবে দেয়া হবে।

সহিহ বুখারী ২৪৩৩

وقال أحمد بن سعيد حدثنا روح، حدثنا زكرياء، حدثنا عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يعضد عضاهها، ولا ينفر صيدها، ولا تحل لقطتها إلا لمنشد، ولا يختلى خلاها ‏"‏‏.‏ فقال عباس يا رسول الله إلا الإذخر‏.‏ فقال ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সেখানকার গাছ কাটা যাবে না, সে ব্যতীত অন্য কারো জন্য তুলে নেয়া হালাল হবেনা, সেখানকার ঘাস কাটা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ইযখির (এক প্রকারের ঘাস) ব্যতীত। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ ইযখির ঘাস কাটা যাবে)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সেখানকার গাছ কাটা যাবে না, সে ব্যতীত অন্য কারো জন্য তুলে নেয়া হালাল হবেনা, সেখানকার ঘাস কাটা যাবে না। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ইযখির (এক প্রকারের ঘাস) ব্যতীত। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ ইযখির ঘাস কাটা যাবে)।

وقال أحمد بن سعيد حدثنا روح، حدثنا زكرياء، حدثنا عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يعضد عضاهها، ولا ينفر صيدها، ولا تحل لقطتها إلا لمنشد، ولا يختلى خلاها ‏"‏‏.‏ فقال عباس يا رسول الله إلا الإذخر‏.‏ فقال ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী ২৪৩৪

حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى بن أبي كثير، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، قال حدثني أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال لما فتح الله على رسوله صلى الله عليه وسلم مكة قام في الناس، فحمد الله، وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ إن الله حبس عن مكة الفيل، وسلط عليها رسوله والمؤمنين، فإنها لا تحل لأحد كان قبلي، وإنها أحلت لي ساعة من نهار، وإنها لا تحل لأحد بعدي، فلا ينفر صيدها ولا يختلى شوكها، ولا تحل ساقطتها إلا لمنشد، ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين، إما أن يفدى، وإما أن يقيد ‏"‏‏.‏ فقال العباس إلا الإذخر، فإنا نجعله لقبورنا وبيوتنا‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏‏.‏ فقام أبو شاه ـ رجل من أهل اليمن ـ فقال اكتبوا لي يا رسول الله‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏‏.‏ قلت للأوزاعي ما قوله اكتبوا لي يا رسول الله قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা যখন তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে মক্কা বিজয় দান করলেন, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর হাম্‌দ ও সানা (প্রশংসা) বর্ণনা করলেন। এরপর বললেন, আল্লাহ তা‘আলা মক্কায় (আবরাহার ) হস্তি বাহিনীকে প্রবেশ করতে দেননি এবং তিনি তাঁর রাসূল ও মু’মিন বান্দাদেরকে মক্কার উপর আধিপত্য দান করেছেন। আমার আগে অন্য কারোর জন্য মক্কায় যুদ্ধ করা বৈধ ছিল না, তবে আমার পক্ষে দিনের সামান্য সময়ের জন্য বৈধ করা হয়েছিল, আর তা আমার পরেও কারোর জন্য বৈধ হবে না। কাজেই এখানকার শিকার তাড়ানো যাবে না, এখানকার গাছ কাটা ও উপড়ানো যাবে না, ঘোষণাকারী ব্যক্তি ব্যতীত এখানকার পড়ে থাকা জিনিস তুলে নেয়া যাবে না। যার কোন লোক এখানে নিহত হয় তবে দু’টির মধ্যে তার কাছে যা ভাল বলে বিবেচিত হয়, তা গ্রহন করবে। ফিদ্‌ইয়া গ্রহণ অথবা কিসাস। ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ইযখিরের অনুমতি দিন। কেননা এগুলো আমাদের কবরের উপর এবং ঘরের কাজে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ তা কাটা ও ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হল)। তখন ইয়ামানবাসী আবূ শাহ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে লিখে দিন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। (ওয়ালিদ ইবনু মুসলিম বলেন) আমি আওযায়ীকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে লিখে দিন তাঁর এ উক্তির অর্থ কী? তিনি বলেন, এ ভাষণ যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছ হতে তিনি শুনেছেন তা লিখে দিন।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা যখন তাঁর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে মক্কা বিজয় দান করলেন, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর হাম্‌দ ও সানা (প্রশংসা) বর্ণনা করলেন। এরপর বললেন, আল্লাহ তা‘আলা মক্কায় (আবরাহার ) হস্তি বাহিনীকে প্রবেশ করতে দেননি এবং তিনি তাঁর রাসূল ও মু’মিন বান্দাদেরকে মক্কার উপর আধিপত্য দান করেছেন। আমার আগে অন্য কারোর জন্য মক্কায় যুদ্ধ করা বৈধ ছিল না, তবে আমার পক্ষে দিনের সামান্য সময়ের জন্য বৈধ করা হয়েছিল, আর তা আমার পরেও কারোর জন্য বৈধ হবে না। কাজেই এখানকার শিকার তাড়ানো যাবে না, এখানকার গাছ কাটা ও উপড়ানো যাবে না, ঘোষণাকারী ব্যক্তি ব্যতীত এখানকার পড়ে থাকা জিনিস তুলে নেয়া যাবে না। যার কোন লোক এখানে নিহত হয় তবে দু’টির মধ্যে তার কাছে যা ভাল বলে বিবেচিত হয়, তা গ্রহন করবে। ফিদ্‌ইয়া গ্রহণ অথবা কিসাস। ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ইযখিরের অনুমতি দিন। কেননা এগুলো আমাদের কবরের উপর এবং ঘরের কাজে ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ তা কাটা ও ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হল)। তখন ইয়ামানবাসী আবূ শাহ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে লিখে দিন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। (ওয়ালিদ ইবনু মুসলিম বলেন) আমি আওযায়ীকে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে লিখে দিন তাঁর এ উক্তির অর্থ কী? তিনি বলেন, এ ভাষণ যা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছ হতে তিনি শুনেছেন তা লিখে দিন।

حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال حدثني يحيى بن أبي كثير، قال حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، قال حدثني أبو هريرة ـ رضى الله عنه ـ قال لما فتح الله على رسوله صلى الله عليه وسلم مكة قام في الناس، فحمد الله، وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ إن الله حبس عن مكة الفيل، وسلط عليها رسوله والمؤمنين، فإنها لا تحل لأحد كان قبلي، وإنها أحلت لي ساعة من نهار، وإنها لا تحل لأحد بعدي، فلا ينفر صيدها ولا يختلى شوكها، ولا تحل ساقطتها إلا لمنشد، ومن قتل له قتيل فهو بخير النظرين، إما أن يفدى، وإما أن يقيد ‏"‏‏.‏ فقال العباس إلا الإذخر، فإنا نجعله لقبورنا وبيوتنا‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إلا الإذخر ‏"‏‏.‏ فقام أبو شاه ـ رجل من أهل اليمن ـ فقال اكتبوا لي يا رسول الله‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏‏.‏ قلت للأوزاعي ما قوله اكتبوا لي يا رسول الله قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم‏.‏


সহিহ বুখারী > অনুমতি ছাড়া কারো পশু দোহন করবে না।

সহিহ বুখারী ২৪৩৫

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحلبن أحد ماشية امرئ بغير إذنه، أيحب أحدكم أن تؤتى مشربته فتكسر خزانته، فينتقل طعامه فإنما تخزن لهم ضروع مواشيهم أطعماتهم، فلا يحلبن أحد ماشية أحد إلا بإذنه ‏"‏‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অনুমতি ব্যতীত কারো পশু কেউ দোহন করবে না। তোমাদের কেউ এটা কি পছন্দ করবে যে, তার (তোশাখানায়) ভান্ডারে কোন ব্যক্তি এসে ভান্ডার ভেঙ্গে ফেলে এবং ভান্ডারের শস্য নিয়ে যায়? তাদের পশুগুলোর স্তন তাদের খাদ্য সংরক্ষিত রাখে। কাজেই কারো পশু তার অনুমতি ব্যতীত কেউ দোহন করবে না।

‘আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অনুমতি ব্যতীত কারো পশু কেউ দোহন করবে না। তোমাদের কেউ এটা কি পছন্দ করবে যে, তার (তোশাখানায়) ভান্ডারে কোন ব্যক্তি এসে ভান্ডার ভেঙ্গে ফেলে এবং ভান্ডারের শস্য নিয়ে যায়? তাদের পশুগুলোর স্তন তাদের খাদ্য সংরক্ষিত রাখে। কাজেই কারো পশু তার অনুমতি ব্যতীত কেউ দোহন করবে না।

حدثنا عبد الله بن يوسف، أخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر ـ رضى الله عنهما ـ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يحلبن أحد ماشية امرئ بغير إذنه، أيحب أحدكم أن تؤتى مشربته فتكسر خزانته، فينتقل طعامه فإنما تخزن لهم ضروع مواشيهم أطعماتهم، فلا يحلبن أحد ماشية أحد إلا بإذنه ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > পড়ে থাকা জিনিসের মালিক এক বছর পরে ফিরে আসলে তার জিনিস তাকে ফিরিয়ে দিবে। কারণ সেটা তার কাছে আমানত ছিল।

সহিহ বুখারী ২৪৩৬

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال ‏"‏ عرفها سنة، ثم اعرف وكاءها وعفاصها، ثم استنفق بها، فإن جاء ربها فأدها إليه ‏"‏‏.‏ قالوا يا رسول الله فضالة الغنم قال ‏"‏ خذها فإنما هي لك أو لأخيك أو للذئب ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله، فضالة الإبل قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه ـ أو احمر وجهه ـ ثم قال ‏"‏ ما لك ولها، معها حذاؤها وسقاؤها، حتى يلقاها ربها ‏"‏‏.‏

কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে থাক। এরপর জিনিসটির পাত্র ও তার বাঁধন স্মরণ রাখ এবং সেটা খরচ কর। যদি তার মালিক এসে যায় তবে তাকে দিয়ে দাও। সে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! হারিয়ে যাওয়া বস্তু বকরী হলে কী করতে হবে? তিনি বললেন, তা তুমি নিয়ে নাও। কেননা, সেটা তোমার কিংবা তোমার ভাইয়ের আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের। সে আবার বলল, হে আল্লাহর রসূল! হারানো বস্তু উট হলে কী করতে হবে? এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন এমনকি তাঁর উভয় গাল লাল হয়ে গেল অথবা রাবী বলেন, তার মুখমণ্ডল লাল হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, এতে তোমার কী? তার সাথে তার ক্ষুর ও মশক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তার মালিক তার সন্ধান পেয়ে যাবে।

কুতায়বা ইবনু সাঈদ (রহঃ) যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি পড়ে থাকা জিনিস সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর যাবৎ ঘোষণা দিতে থাক। এরপর জিনিসটির পাত্র ও তার বাঁধন স্মরণ রাখ এবং সেটা খরচ কর। যদি তার মালিক এসে যায় তবে তাকে দিয়ে দাও। সে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! হারিয়ে যাওয়া বস্তু বকরী হলে কী করতে হবে? তিনি বললেন, তা তুমি নিয়ে নাও। কেননা, সেটা তোমার কিংবা তোমার ভাইয়ের আর তা না হলে নেকড়ে বাঘের। সে আবার বলল, হে আল্লাহর রসূল! হারানো বস্তু উট হলে কী করতে হবে? এতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন এমনকি তাঁর উভয় গাল লাল হয়ে গেল অথবা রাবী বলেন, তার মুখমণ্ডল লাল হয়ে গেল। তারপর তিনি বললেন, এতে তোমার কী? তার সাথে তার ক্ষুর ও মশক রয়েছে। শেষ পর্যন্ত তার মালিক তার সন্ধান পেয়ে যাবে।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني ـ رضى الله عنه ـ أن رجلا سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة قال ‏"‏ عرفها سنة، ثم اعرف وكاءها وعفاصها، ثم استنفق بها، فإن جاء ربها فأدها إليه ‏"‏‏.‏ قالوا يا رسول الله فضالة الغنم قال ‏"‏ خذها فإنما هي لك أو لأخيك أو للذئب ‏"‏‏.‏ قال يا رسول الله، فضالة الإبل قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه ـ أو احمر وجهه ـ ثم قال ‏"‏ ما لك ولها، معها حذاؤها وسقاؤها، حتى يلقاها ربها ‏"‏‏.‏


সহিহ বুখারী > পড়ে থাকা জিনিস যাতে খারাপ না হয় এবং কোন অবাঞ্ছিত ব্যক্তি যাতে তুলে না নেয় সে জন্যে তা তুলে নিবে কি ?

সহিহ বুখারী ২৪৩৭

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال سمعت سويد بن غفلة، قال كنت مع سلمان بن ربيعة، وزيد بن صوحان في غزاة، فوجدت سوطا‏.‏ فقال لي ألقه‏.‏ قلت لا، ولكن إن وجدت صاحبه، وإلا استمتعت به‏.‏ فلما رجعنا حججنا فمررت بالمدينة، فسألت أبى بن كعب ـ رضى الله عنه ـ فقال وجدت صرة على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فيها مائة دينار، فأتيت بها النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ عرفها حولا ‏"‏‏.‏ فعرفتها حولا ثم أتيت، فقال ‏"‏ عرفها حولا ‏"‏‏.‏ فعرفتها حولا ثم أتيته، فقال ‏"‏ عرفها حولا ‏"‏‏.‏ فعرفتها حولا ثم أتيته الرابعة فقال ‏"‏ اعرف عدتها ووكاءها ووعاءها، فإن جاء صاحبها وإلا استمتع بها ‏"‏‏.‏

সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনু রবী‘আহ এবং যায়দ ইবনু সুহানের সঙ্গে আমি এক যুদ্ধে শরীক ছিলাম। আমি চাবুক পেলাম। তারা উভয়েই আমাকে এটা ফেলে দিতে বললেন। আমি বললাম, না, এর মালিক এলে এটা আমি তাকে দিয়ে দিব। নতুবা আমিই এটা ব্যবহার করবো। আমরা ফিরে গিয়ে হজ্জ করলাম; এরপর যখন মদীনায় গেলাম, তখন উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) -কে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যুগে আমি একটা থলে পেয়েছিলাম, এর মধ্যে একশ’ দীনার ছিল। আমি এটা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে নিয়ে গেলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত তুমি এটার ঘোষণা দিতে থাক। কাজেই আমি এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে এলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি আবার তাঁর কাছে এলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি চতুর্থবার তাঁর কাছে আসলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, থলের ভিতরে দীনারের সংখ্যা, বাঁধন এবং থলেটি চিনে রাখ। যদি মালিক ফিরে আসে তাকে দিয়ে দাও। নতুবা তুমি নিজে তা ব্যবহার কর। (আ.প্র. ২২৫৭, ই.ফা. ২২৭৪ ) --------------- সালামা (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন যে, সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) বলেন যে, আমি ‎উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) –এর সঙ্গে মক্কায় সাক্ষাৎ করলাম। তখন তিনি ( এ হাদীস সম্পর্কে ) বললেন, আমার ‎স্মরণ নেই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন বছর যাবত না এক বছর যাবত ঘোষণা দিতে বলেছেন। ‎‎(২৪২৬) (আ.প্র. ২২৫৮, ই.ফা. ২২৭৫) ‎

সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনু রবী‘আহ এবং যায়দ ইবনু সুহানের সঙ্গে আমি এক যুদ্ধে শরীক ছিলাম। আমি চাবুক পেলাম। তারা উভয়েই আমাকে এটা ফেলে দিতে বললেন। আমি বললাম, না, এর মালিক এলে এটা আমি তাকে দিয়ে দিব। নতুবা আমিই এটা ব্যবহার করবো। আমরা ফিরে গিয়ে হজ্জ করলাম; এরপর যখন মদীনায় গেলাম, তখন উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) -কে (এ বিষয়ে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর যুগে আমি একটা থলে পেয়েছিলাম, এর মধ্যে একশ’ দীনার ছিল। আমি এটা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর কাছে নিয়ে গেলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এক বছর পর্যন্ত তুমি এটার ঘোষণা দিতে থাক। কাজেই আমি এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি তাঁর কাছে এলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি আবার তাঁর কাছে এলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবার এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। আমি আরো এক বছর ঘোষণা দিলাম। এরপর আমি চতুর্থবার তাঁর কাছে আসলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, থলের ভিতরে দীনারের সংখ্যা, বাঁধন এবং থলেটি চিনে রাখ। যদি মালিক ফিরে আসে তাকে দিয়ে দাও। নতুবা তুমি নিজে তা ব্যবহার কর। (আ.প্র. ২২৫৭, ই.ফা. ২২৭৪ ) --------------- সালামা (রহঃ) হতে উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করে বলেছেন যে, সুওয়াইদ ইবনু গাফালা (রহঃ) বলেন যে, আমি ‎উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) –এর সঙ্গে মক্কায় সাক্ষাৎ করলাম। তখন তিনি ( এ হাদীস সম্পর্কে ) বললেন, আমার ‎স্মরণ নেই যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন বছর যাবত না এক বছর যাবত ঘোষণা দিতে বলেছেন। ‎‎(২৪২৬) (আ.প্র. ২২৫৮, ই.ফা. ২২৭৫) ‎

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، قال سمعت سويد بن غفلة، قال كنت مع سلمان بن ربيعة، وزيد بن صوحان في غزاة، فوجدت سوطا‏.‏ فقال لي ألقه‏.‏ قلت لا، ولكن إن وجدت صاحبه، وإلا استمتعت به‏.‏ فلما رجعنا حججنا فمررت بالمدينة، فسألت أبى بن كعب ـ رضى الله عنه ـ فقال وجدت صرة على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فيها مائة دينار، فأتيت بها النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ عرفها حولا ‏"‏‏.‏ فعرفتها حولا ثم أتيت، فقال ‏"‏ عرفها حولا ‏"‏‏.‏ فعرفتها حولا ثم أتيته، فقال ‏"‏ عرفها حولا ‏"‏‏.‏ فعرفتها حولا ثم أتيته الرابعة فقال ‏"‏ اعرف عدتها ووكاءها ووعاءها، فإن جاء صاحبها وإلا استمتع بها ‏"‏‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00