সুনানে আবু দাউদ > রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরানো
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৫
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نزع رجل لم يعمل خيرا قط غصن شوك عن الطريق إما كان في شجرة فقطعه وألقاه وإما كان موضوعا فأماطه فشكر الله له بها فأدخله الجنة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি কখনো কোন ভালো কাজ করেনি, শুধু একটি কাঁটাযুক্ত ডাল রাস্তা হতে সরিয়েছিল। হয়ত ডালটি গাছেই ছিলো, কেউ তা কেটে ফেলে রেখেছিলো অথবা রাস্তায়ই পরে ছিল। আল্লাহ তার একাজ গ্রহন করলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি কখনো কোন ভালো কাজ করেনি, শুধু একটি কাঁটাযুক্ত ডাল রাস্তা হতে সরিয়েছিল। হয়ত ডালটি গাছেই ছিলো, কেউ তা কেটে ফেলে রেখেছিলো অথবা রাস্তায়ই পরে ছিল। আল্লাহ তার একাজ গ্রহন করলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نزع رجل لم يعمل خيرا قط غصن شوك عن الطريق إما كان في شجرة فقطعه وألقاه وإما كان موضوعا فأماطه فشكر الله له بها فأدخله الجنة " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৫
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نزع رجل لم يعمل خيرا قط غصن شوك عن الطريق إما كان في شجرة فقطعه وألقاه وإما كان موضوعا فأماطه فشكر الله له بها فأدخله الجنة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি কখনো কোন ভালো কাজ করেনি, শুধু একটি কাঁটাযুক্ত ডাল রাস্তা হতে সরিয়েছিল। হয়ত ডালটি গাছেই ছিলো, কেউ তা কেটে ফেলে রেখেছিলো অথবা রাস্তায়ই পরে ছিল। আল্লাহ তার একাজ গ্রহন করলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি কখনো কোন ভালো কাজ করেনি, শুধু একটি কাঁটাযুক্ত ডাল রাস্তা হতে সরিয়েছিল। হয়ত ডালটি গাছেই ছিলো, কেউ তা কেটে ফেলে রেখেছিলো অথবা রাস্তায়ই পরে ছিল। আল্লাহ তার একাজ গ্রহন করলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نزع رجل لم يعمل خيرا قط غصن شوك عن الطريق إما كان في شجرة فقطعه وألقاه وإما كان موضوعا فأماطه فشكر الله له بها فأدخله الجنة " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৫
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نزع رجل لم يعمل خيرا قط غصن شوك عن الطريق إما كان في شجرة فقطعه وألقاه وإما كان موضوعا فأماطه فشكر الله له بها فأدخله الجنة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি কখনো কোন ভালো কাজ করেনি, শুধু একটি কাঁটাযুক্ত ডাল রাস্তা হতে সরিয়েছিল। হয়ত ডালটি গাছেই ছিলো, কেউ তা কেটে ফেলে রেখেছিলো অথবা রাস্তায়ই পরে ছিল। আল্লাহ তার একাজ গ্রহন করলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক ব্যক্তি কখনো কোন ভালো কাজ করেনি, শুধু একটি কাঁটাযুক্ত ডাল রাস্তা হতে সরিয়েছিল। হয়ত ডালটি গাছেই ছিলো, কেউ তা কেটে ফেলে রেখেছিলো অথবা রাস্তায়ই পরে ছিল। আল্লাহ তার একাজ গ্রহন করলেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করালেন।
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، عن محمد بن عجلان، عن زيد بن أسلم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " نزع رجل لم يعمل خيرا قط غصن شوك عن الطريق إما كان في شجرة فقطعه وألقاه وإما كان موضوعا فأماطه فشكر الله له بها فأدخله الجنة " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৩
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا أحمد بن منيع، عن عباد بن عباد، - وهذا لفظه وهو أتم - عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي ذر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يصبح على كل سلامى من ابن آدم صدقة تسليمه على من لقي صدقة وأمره بالمعروف صدقة ونهيه عن المنكر صدقة وإماطته الأذى عن الطريق صدقة وبضعته أهله صدقة " . قالوا يا رسول الله يأتي شهوته وتكون له صدقة قال " أرأيت لو وضعها في غير حقها أكان يأثم " . قال " ويجزئ من ذلك كله ركعتان من الضحى " . قال أبو داود لم يذكر حماد الأمر والنهى .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: প্রতিদিন সকালে আদম সন্তানের দেহের প্রতিটি জোড়ার জন্য সদাক্বাহ ধার্য হয়। তার সঙ্গে সাক্ষাতকারীকে তার সালাম দেয়া একটি সদাক্বাহ। সৎকাজের আদেশ করা একটি সদাক্বাহ এবং অসৎ কাজ হতে নিষেধ করাও একটি সদাক্বাহ। রাস্তা হতে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলা একটি সদাক্বাহ। নিজ স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করাও একটি সদাক্বাহ। সাহাবীরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সঙ্গে কামভাব উপভোগ করলে তাও কি তার জন্য সদাক্বাহ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা অবৈধ পাত্রে রাখা হলে কি সে গুনাহগার হতো না? তিনি আরো বললেনঃ দুপুরের সময় দুই রাক’আত সলাত আদায় করা এসবের জন্য যথেষ্ট। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ (রাঃ) ‘সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ’ কথাটুকু উল্লেখ করেননি।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: প্রতিদিন সকালে আদম সন্তানের দেহের প্রতিটি জোড়ার জন্য সদাক্বাহ ধার্য হয়। তার সঙ্গে সাক্ষাতকারীকে তার সালাম দেয়া একটি সদাক্বাহ। সৎকাজের আদেশ করা একটি সদাক্বাহ এবং অসৎ কাজ হতে নিষেধ করাও একটি সদাক্বাহ। রাস্তা হতে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলা একটি সদাক্বাহ। নিজ স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করাও একটি সদাক্বাহ। সাহাবীরা প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীর সঙ্গে কামভাব উপভোগ করলে তাও কি তার জন্য সদাক্বাহ? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তা অবৈধ পাত্রে রাখা হলে কি সে গুনাহগার হতো না? তিনি আরো বললেনঃ দুপুরের সময় দুই রাক’আত সলাত আদায় করা এসবের জন্য যথেষ্ট। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ (রাঃ) ‘সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ’ কথাটুকু উল্লেখ করেননি।
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، ح وحدثنا أحمد بن منيع، عن عباد بن عباد، - وهذا لفظه وهو أتم - عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي ذر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " يصبح على كل سلامى من ابن آدم صدقة تسليمه على من لقي صدقة وأمره بالمعروف صدقة ونهيه عن المنكر صدقة وإماطته الأذى عن الطريق صدقة وبضعته أهله صدقة " . قالوا يا رسول الله يأتي شهوته وتكون له صدقة قال " أرأيت لو وضعها في غير حقها أكان يأثم " . قال " ويجزئ من ذلك كله ركعتان من الضحى " . قال أبو داود لم يذكر حماد الأمر والنهى .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪২
حدثنا أحمد بن محمد المروزي، قال حدثني علي بن حسين، حدثني أبي قال، حدثني عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " في الإنسان ثلاثمائة وستون مفصلا فعليه أن يتصدق عن كل مفصل منه بصدقة " . قالوا ومن يطيق ذلك يا نبي الله قال " النخاعة في المسجد تدفنها والشىء تنحيه عن الطريق فإن لم تجد فركعتا الضحى تجزئك " .
বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেতে শুনেছি: মানুষের শরীরে তিনশো ষাটটি গ্রন্থি রয়েছে। তার প্রতিটি জোড়ার জন্য সদাক্বাহ করা উচিৎ। লোকজন বলল, কেউ কি এতো সদাক্বাহ করতে সক্ষম, হে আল্লাহর নাবী! তিনি বললেনঃ তুমি মাসজিদের শ্লেষ্মা পুতে দিবে এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলবে। তুমি যদি তা নাও পারো তাহলে চাশ্তের সময় দুই রাক’আত সলাত আদায় করবে, এতেই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।
বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেতে শুনেছি: মানুষের শরীরে তিনশো ষাটটি গ্রন্থি রয়েছে। তার প্রতিটি জোড়ার জন্য সদাক্বাহ করা উচিৎ। লোকজন বলল, কেউ কি এতো সদাক্বাহ করতে সক্ষম, হে আল্লাহর নাবী! তিনি বললেনঃ তুমি মাসজিদের শ্লেষ্মা পুতে দিবে এবং রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে ফেলবে। তুমি যদি তা নাও পারো তাহলে চাশ্তের সময় দুই রাক’আত সলাত আদায় করবে, এতেই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।
حدثنا أحمد بن محمد المروزي، قال حدثني علي بن حسين، حدثني أبي قال، حدثني عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " في الإنسان ثلاثمائة وستون مفصلا فعليه أن يتصدق عن كل مفصل منه بصدقة " . قالوا ومن يطيق ذلك يا نبي الله قال " النخاعة في المسجد تدفنها والشىء تنحيه عن الطريق فإن لم تجد فركعتا الضحى تجزئك " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৪
حدثنا وهب بن بقية، أخبرنا خالد، عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الديلي، عن أبي ذر، بهذا الحديث وذكر النبي صلى الله عليه وسلم في وسطه .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যার (রাঃ) সূত্রে এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণিত। তাতে রয়েছেঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কথাবার্তার মাঝখানে এসবের উল্লেখ করেছেন। [৫২৪২] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ যার (রাঃ) সূত্রে এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীস বর্ণিত। তাতে রয়েছেঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কথাবার্তার মাঝখানে এসবের উল্লেখ করেছেন। [৫২৪২] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
حدثنا وهب بن بقية، أخبرنا خالد، عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الديلي، عن أبي ذر، بهذا الحديث وذكر النبي صلى الله عليه وسلم في وسطه .
সুনানে আবু দাউদ > রাতে আগুন নিভিয়ে রাখা
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৬
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، رواية وقال مرة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم " لا تتركوا النار في بيوتكم حين تنامون " .
সালিম (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা ঘুমানোর সময় তোমাদের ঘরে আগুন জ্বালিয়ে রাখবে না।
সালিম (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা ঘুমানোর সময় তোমাদের ঘরে আগুন জ্বালিয়ে রাখবে না।
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، رواية وقال مرة يبلغ به النبي صلى الله عليه وسلم " لا تتركوا النار في بيوتكم حين تنامون " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৭
حدثنا سليمان بن عبد الرحمن التمار، حدثنا عمرو بن طلحة، حدثنا أسباط، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال جاءت فأرة فأخذت تجر الفتيلة فجاءت بها فألقتها بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم على الخمرة التي كان قاعدا عليها فأحرقت منها مثل موضع الدرهم فقال " إذا نمتم فأطفئوا سرجكم فإن الشيطان يدل مثل هذه على هذا فتحرقكم " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একটি ইঁদুর আসে বাতির সলতে টেনে নিয়ে যেতে যেতে তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সন্মুখে তাঁর মাদুরের উপর রাখলো। যার উপর তিনি বসা ছিলেন। এতে মাদুরের এক দিরহাম পরিমান জায়গা পুড়ে যায়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যখন তোমরা ঘুমাবে তখন বাতি নিভিয়ে দিবে। কারন শয়তান ইঁদুর ইত্যাদির অনুরূপ প্রানীকে এরুপ কাজে প্ররোচিত করে এবং তোমাদেরকে পোড়ায়।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একটি ইঁদুর আসে বাতির সলতে টেনে নিয়ে যেতে যেতে তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সন্মুখে তাঁর মাদুরের উপর রাখলো। যার উপর তিনি বসা ছিলেন। এতে মাদুরের এক দিরহাম পরিমান জায়গা পুড়ে যায়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বললেনঃ যখন তোমরা ঘুমাবে তখন বাতি নিভিয়ে দিবে। কারন শয়তান ইঁদুর ইত্যাদির অনুরূপ প্রানীকে এরুপ কাজে প্ররোচিত করে এবং তোমাদেরকে পোড়ায়।
حدثنا سليمان بن عبد الرحمن التمار، حدثنا عمرو بن طلحة، حدثنا أسباط، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال جاءت فأرة فأخذت تجر الفتيلة فجاءت بها فألقتها بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم على الخمرة التي كان قاعدا عليها فأحرقت منها مثل موضع الدرهم فقال " إذا نمتم فأطفئوا سرجكم فإن الشيطان يدل مثل هذه على هذا فتحرقكم " .
সুনানে আবু দাউদ > সাপ মারা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৮
حدثنا إسحاق بن إسماعيل، حدثنا سفيان، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما سالمناهن منذ حاربناهن ومن ترك شيئا منهن خيفة فليس منا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যেদিন থেকে সাপের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে ঐগুলোর সঙ্গে আমরা শান্তিচুক্তি করিনি। অতএব যে ব্যক্তি ভয়ে সেগুলোকে (হত্যা না করে) ছেড়ে দিবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যেদিন থেকে সাপের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে ঐগুলোর সঙ্গে আমরা শান্তিচুক্তি করিনি। অতএব যে ব্যক্তি ভয়ে সেগুলোকে (হত্যা না করে) ছেড়ে দিবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
حدثنا إسحاق بن إسماعيل، حدثنا سفيان، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما سالمناهن منذ حاربناهن ومن ترك شيئا منهن خيفة فليس منا " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৮
حدثنا إسحاق بن إسماعيل، حدثنا سفيان، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما سالمناهن منذ حاربناهن ومن ترك شيئا منهن خيفة فليس منا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যেদিন থেকে সাপের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে ঐগুলোর সঙ্গে আমরা শান্তিচুক্তি করিনি। অতএব যে ব্যক্তি ভয়ে সেগুলোকে (হত্যা না করে) ছেড়ে দিবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যেদিন থেকে সাপের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে ঐগুলোর সঙ্গে আমরা শান্তিচুক্তি করিনি। অতএব যে ব্যক্তি ভয়ে সেগুলোকে (হত্যা না করে) ছেড়ে দিবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
حدثنا إسحاق بن إسماعيل، حدثنا سفيان، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما سالمناهن منذ حاربناهن ومن ترك شيئا منهن خيفة فليس منا " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৮
حدثنا إسحاق بن إسماعيل، حدثنا سفيان، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما سالمناهن منذ حاربناهن ومن ترك شيئا منهن خيفة فليس منا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যেদিন থেকে সাপের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে ঐগুলোর সঙ্গে আমরা শান্তিচুক্তি করিনি। অতএব যে ব্যক্তি ভয়ে সেগুলোকে (হত্যা না করে) ছেড়ে দিবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ যেদিন থেকে সাপের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেদিন থেকে ঐগুলোর সঙ্গে আমরা শান্তিচুক্তি করিনি। অতএব যে ব্যক্তি ভয়ে সেগুলোকে (হত্যা না করে) ছেড়ে দিবে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
حدثنا إسحاق بن إسماعيل، حدثنا سفيان، عن ابن عجلان، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما سالمناهن منذ حاربناهن ومن ترك شيئا منهن خيفة فليس منا " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫০
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا موسى بن مسلم، قال سمعت عكرمة، يرفع الحديث فيما أرى إلى ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من ترك الحيات مخافة طلبهن فليس منا ما سالمناهن منذ حاربناهن " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাদের প্রতিশোধের ভয়ে সাপ (না মেরে) ছেড়ে দিবে, সে আমার দলভুক্ত নয়। যখন হতে এগুলোর সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে তখন থেকে আমরা এগুলোকে নিরাপদে ছেড়ে দেইনি।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তাদের প্রতিশোধের ভয়ে সাপ (না মেরে) ছেড়ে দিবে, সে আমার দলভুক্ত নয়। যখন হতে এগুলোর সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ শুরু হয়েছে তখন থেকে আমরা এগুলোকে নিরাপদে ছেড়ে দেইনি।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا موسى بن مسلم، قال سمعت عكرمة، يرفع الحديث فيما أرى إلى ابن عباس قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من ترك الحيات مخافة طلبهن فليس منا ما سالمناهن منذ حاربناهن " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৪৯
حدثنا عبد الحميد بن بيان السكري، عن إسحاق بن يوسف، عن شريك، عن أبي إسحاق، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقتلوا الحيات كلهن فمن خاف ثأرهن فليس مني " .
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাপ মারবে। যে ব্যক্তি তাদের প্রতিশোধের ভয় করবে সে আমার দলভুক্ত নয়।
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা সাপ মারবে। যে ব্যক্তি তাদের প্রতিশোধের ভয় করবে সে আমার দলভুক্ত নয়।
حدثنا عبد الحميد بن بيان السكري، عن إسحاق بن يوسف، عن شريك، عن أبي إسحاق، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اقتلوا الحيات كلهن فمن خاف ثأرهن فليس مني " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৩
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن أبي لبابة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن قتل الجنان التي تكون في البيوت إلا أن يكون ذا الطفيتين والأبتر فإنهما يخطفان البصر ويطرحان ما في بطون النساء .
আবূ লুবাবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরে বসবাসকারী সাপ মারতে বারণ করেছেন, তবে ডোরাবিশিষ্ট এবং লেজকাটাগুলো নয়। কারন এগুলো দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে এবং নারীদের গর্ভপাত ঘটায়।
আবূ লুবাবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরে বসবাসকারী সাপ মারতে বারণ করেছেন, তবে ডোরাবিশিষ্ট এবং লেজকাটাগুলো নয়। কারন এগুলো দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে এবং নারীদের গর্ভপাত ঘটায়।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن أبي لبابة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن قتل الجنان التي تكون في البيوت إلا أن يكون ذا الطفيتين والأبتر فإنهما يخطفان البصر ويطرحان ما في بطون النساء .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫১
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا مروان بن معاوية، عن موسى الطحان، قال حدثنا عبد الرحمن بن سابط، عن العباس بن عبد المطلب، أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إنا نريد أن نكنس زمزم وإن فيها من هذه الجنان - يعني الحيات الصغار - فأمر النبي صلى الله عليه وسلم بقتلهن .
আল-‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন, আমরা যমযম কূপকে পরিষ্কার করতে চাই। কিন্তু তাতে জিন অর্থাৎ ছোট ছোট অনেক সাপ রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐগুলো মেরে ফেলার আদেশ দিলেন। সহীহ। যদি ইবনু সাবিত হাদীসটি “আব্বাস হতে শুনে থাকেন”।
আল-‘আব্বাস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন, আমরা যমযম কূপকে পরিষ্কার করতে চাই। কিন্তু তাতে জিন অর্থাৎ ছোট ছোট অনেক সাপ রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐগুলো মেরে ফেলার আদেশ দিলেন। সহীহ। যদি ইবনু সাবিত হাদীসটি “আব্বাস হতে শুনে থাকেন”।
حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا مروان بن معاوية، عن موسى الطحان، قال حدثنا عبد الرحمن بن سابط، عن العباس بن عبد المطلب، أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إنا نريد أن نكنس زمزم وإن فيها من هذه الجنان - يعني الحيات الصغار - فأمر النبي صلى الله عليه وسلم بقتلهن .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৪
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن نافع، أن ابن عمر، وجد بعد ذلك - يعني بعد ما حدثه أبو لبابة - حية في داره فأمر بها فأخرجت يعني إلى البقيع .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ লুবাবাহ (রাঃ) ইবনু ‘উমর (রাঃ)- এর নিকট উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করার পর তিনি তার ঘরে একটি সাপ দেখতে পান। তার আদেশে ঘর হতে সাপটি বের করে বাকী’র দিকে তাড়িয়ে দেয়া হয়।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ লুবাবাহ (রাঃ) ইবনু ‘উমর (রাঃ)- এর নিকট উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করার পর তিনি তার ঘরে একটি সাপ দেখতে পান। তার আদেশে ঘর হতে সাপটি বের করে বাকী’র দিকে তাড়িয়ে দেয়া হয়।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن نافع، أن ابن عمر، وجد بعد ذلك - يعني بعد ما حدثه أبو لبابة - حية في داره فأمر بها فأخرجت يعني إلى البقيع .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৫
حدثنا ابن السرح، وأحمد بن سعيد الهمداني، قالا أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني أسامة، عن نافع، في هذا الحديث قال نافع ثم رأيتها بعد في بيته .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, পরে আমি ঐ সাপটিকে আবার তার ঘরে দেখেতে পেয়েছি।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, পরে আমি ঐ সাপটিকে আবার তার ঘরে দেখেতে পেয়েছি।
حدثنا ابن السرح، وأحمد بن سعيد الهمداني، قالا أخبرنا ابن وهب، قال أخبرني أسامة، عن نافع، في هذا الحديث قال نافع ثم رأيتها بعد في بيته .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৬
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن محمد بن أبي يحيى، قال حدثني أبي أنه، انطلق هو وصاحب له إلى أبي سعيد يعودانه فخرجنا من عنده فلقينا صاحبا لنا وهو يريد أن يدخل عليه فأقبلنا نحن فجلسنا في المسجد فجاء فأخبرنا أنه سمع أبا سعيد الخدري يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الهوام من الجن فمن رأى في بيته شيئا فليحرج عليه ثلاث مرات فإن عاد فليقتله فإنه شيطان " .
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ও তার এক সাথী অসুস্থ আবূ সাঈদ (রাঃ)-কে দেখতে যান। তিনি বলেন, আমরা তার নিকট হতে বেরিয়ে আসার পর আরেক সঙ্গীর সঙ্গে আমাদের দেখা হলো। তিনিও তাকে দেখতে এসেছেন। আমরা কিছুটা এগিয়ে গিয়ে মাসজিদে বসলাম। তিনি ফিরে এসে আমাদের জানালেন, তিনি আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ কতক সাপ জিনদের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই কেউ তার ঘরে এগুলোর কোনোটিকে দেখতে পেলে সে যেন তিনবার একে সতর্ক করে। তারপরও ফিরে আসলে সে যেন একে মেরে ফেলে। কারন তা শয়তান। [৫২৫৪] দুর্বলঃ যঈফাহ, হা/৩১৬৩.
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহ্ইয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ও তার এক সাথী অসুস্থ আবূ সাঈদ (রাঃ)-কে দেখতে যান। তিনি বলেন, আমরা তার নিকট হতে বেরিয়ে আসার পর আরেক সঙ্গীর সঙ্গে আমাদের দেখা হলো। তিনিও তাকে দেখতে এসেছেন। আমরা কিছুটা এগিয়ে গিয়ে মাসজিদে বসলাম। তিনি ফিরে এসে আমাদের জানালেন, তিনি আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেনঃ কতক সাপ জিনদের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই কেউ তার ঘরে এগুলোর কোনোটিকে দেখতে পেলে সে যেন তিনবার একে সতর্ক করে। তারপরও ফিরে আসলে সে যেন একে মেরে ফেলে। কারন তা শয়তান। [৫২৫৪] দুর্বলঃ যঈফাহ, হা/৩১৬৩.
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن محمد بن أبي يحيى، قال حدثني أبي أنه، انطلق هو وصاحب له إلى أبي سعيد يعودانه فخرجنا من عنده فلقينا صاحبا لنا وهو يريد أن يدخل عليه فأقبلنا نحن فجلسنا في المسجد فجاء فأخبرنا أنه سمع أبا سعيد الخدري يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن الهوام من الجن فمن رأى في بيته شيئا فليحرج عليه ثلاث مرات فإن عاد فليقتله فإنه شيطان " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৯
حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرنا مالك، عن صيفي، مولى ابن أفلح قال أخبرني أبو السائب، مولى هشام بن زهرة أنه دخل على أبي سعيد الخدري فذكر نحوه وأتم منه قال " فآذنوه ثلاثة أيام فإن بدا لكم بعد ذلك فاقتلوه فإنما هو شيطان " .
হিশাম ইবনু যাহবার আযাদকৃত গোলাম আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট গেলেন। অতঃপর অনুরূপ বরং এর চেয়ে পূর্ণাঙ্গ হাদীস বর্ণনা করেন। তাতে রয়েছেঃ তিনদিন পর্যন্ত একে সতর্ক করো। তারপরও যদি তোমরা দেখতে পাও, তাহলে সেটিকে হত্যা করো। কারণ সেটি হচ্ছে একটি শয়তান।
হিশাম ইবনু যাহবার আযাদকৃত গোলাম আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট গেলেন। অতঃপর অনুরূপ বরং এর চেয়ে পূর্ণাঙ্গ হাদীস বর্ণনা করেন। তাতে রয়েছেঃ তিনদিন পর্যন্ত একে সতর্ক করো। তারপরও যদি তোমরা দেখতে পাও, তাহলে সেটিকে হত্যা করো। কারণ সেটি হচ্ছে একটি শয়তান।
حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، أخبرنا ابن وهب، قال أخبرنا مالك، عن صيفي، مولى ابن أفلح قال أخبرني أبو السائب، مولى هشام بن زهرة أنه دخل على أبي سعيد الخدري فذكر نحوه وأتم منه قال " فآذنوه ثلاثة أيام فإن بدا لكم بعد ذلك فاقتلوه فإنما هو شيطان " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৬১
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن ابن مسعود، أنه قال اقتلوا الحيات كلها إلا الجان الأبيض الذي كأنه قضيب فضة . قال أبو داود فقال لي إنسان الجان لا ينعرج في مشيته فإذا كان هذا صحيحا كانت علامة فيه إن شاء الله .
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, তোমরা সব সাপকেই হত্যা করবে, কেবল সাদা জিন ব্যতীত যা দেখতে রৌপ্য দন্ডের মত। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেছেন, সাদা সাপ আঁকাবাঁকা হয়ে চলাচল করে না। এটা যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে আল্লাহর ইচ্ছায় তা এই সাপের একটি নিদর্শন।
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, তোমরা সব সাপকেই হত্যা করবে, কেবল সাদা জিন ব্যতীত যা দেখতে রৌপ্য দন্ডের মত। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেছেন, সাদা সাপ আঁকাবাঁকা হয়ে চলাচল করে না। এটা যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে আল্লাহর ইচ্ছায় তা এই সাপের একটি নিদর্শন।
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن ابن مسعود، أنه قال اقتلوا الحيات كلها إلا الجان الأبيض الذي كأنه قضيب فضة . قال أبو داود فقال لي إنسان الجان لا ينعرج في مشيته فإذا كان هذا صحيحا كانت علامة فيه إن شاء الله .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৬১
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن ابن مسعود، أنه قال اقتلوا الحيات كلها إلا الجان الأبيض الذي كأنه قضيب فضة . قال أبو داود فقال لي إنسان الجان لا ينعرج في مشيته فإذا كان هذا صحيحا كانت علامة فيه إن شاء الله .
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, তোমরা সব সাপকেই হত্যা করবে, কেবল সাদা জিন ব্যতীত যা দেখতে রৌপ্য দন্ডের মত। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেছেন, সাদা সাপ আঁকাবাঁকা হয়ে চলাচল করে না। এটা যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে আল্লাহর ইচ্ছায় তা এই সাপের একটি নিদর্শন।
ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, তোমরা সব সাপকেই হত্যা করবে, কেবল সাদা জিন ব্যতীত যা দেখতে রৌপ্য দন্ডের মত। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেছেন, সাদা সাপ আঁকাবাঁকা হয়ে চলাচল করে না। এটা যদি সঠিক হয়ে থাকে তবে আল্লাহর ইচ্ছায় তা এই সাপের একটি নিদর্শন।
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو عوانة، عن مغيرة، عن إبراهيم، عن ابن مسعود، أنه قال اقتلوا الحيات كلها إلا الجان الأبيض الذي كأنه قضيب فضة . قال أبو داود فقال لي إنسان الجان لا ينعرج في مشيته فإذا كان هذا صحيحا كانت علامة فيه إن شاء الله .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৭
حدثنا يزيد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن صيفي أبي سعيد، مولى الأنصار عن أبي السائب، قال أتيت أبا سعيد الخدري فبينا أنا جالس، عنده سمعت تحت، سريره تحريك شىء فنظرت فإذا حية فقمت فقال أبو سعيد ما لك فقلت حية ها هنا . قال فتريد ماذا قلت أقتلها . فأشار إلى بيت في داره تلقاء بيته فقال إن ابن عم لي كان في هذا البيت فلما كان يوم الأحزاب استأذن إلى أهله وكان حديث عهد بعرس فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يذهب بسلاحه فأتى داره فوجد امرأته قائمة على باب البيت فأشار إليها بالرمح فقالت لا تعجل حتى تنظر ما أخرجني . فدخل البيت فإذا حية منكرة فطعنها بالرمح ثم خرج بها في الرمح ترتكض قال فلا أدري أيهما كان أسرع موتا الرجل أو الحية فأتى قومه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ادع الله أن يرد صاحبنا . فقال " استغفروا لصاحبكم " . ثم قال " إن نفرا من الجن أسلموا بالمدينة فإذا رأيتم أحدا منهم فحذروه ثلاث مرات ثم إن بدا لكم بعد أن تقتلوه فاقتلوه بعد الثلاث " .
আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট আসলাম। আমি তার নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় আমি তার খাটের নিচে নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। চেয়ে দেখি একটি সাপ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, তোমার কি হলো? আমি বললাম, ওখানে সাপ। তিনি বললেন তা তুমি কি করতে চাও? আমি বললাম, আমি এটিকে হত্যা করবো। তিনি তার ঘরের নিজ কক্ষ বরাবর অপর একটি কক্ষের দিকে ইশারা করে বললেন, আমার এক চাচাত ভাই এই কক্ষে বাস করতো। আহযাবের যুদ্ধের দিন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চাইল, সে ছিল সদ্য বিবাহিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন এবং সঙ্গে তার অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাবার নির্দেশ দিলেন। সে বাড়ি ফিরে এসে দেখলো, তার স্ত্রী ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে। সে বর্শা দ্বারা তার স্ত্রীকে ইশারা করলো আর স্ত্রী বললো, তুমি তাড়াহুড়া করো না, আগে দেখো কিসে আমাকে বের হতে বাধ্য করেছে। সে ঘরে প্রবেশ করে দেখলো এক বীভৎস সাপ। সে সেটিকে বর্শাবিদ্ধ করলো। সাপটি তখনো তড়পাচ্ছিল। তিনি বললেন, আমার জানা নেই কার মৃত্যু আগে হয়েছে, লোকটির না সাপটির! তার গোত্রের লোকজন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যাতে তিনি আমাদের সঙ্গীকে ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের সাথীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর বললেনঃ মাদীনাহ্র একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। তাদের কাউকে যদি তোমরা দেখতে পাও তাহলে তিনবার তাকে সতর্ক করবে। তারপরও যদি তোমাদের সামনে তা আত্মপ্রকাশ না করে তাহলে তোমরা তাকে মারতে চাইলে তিনবার বলার পর মারতে পারো।
আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট আসলাম। আমি তার নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় আমি তার খাটের নিচে নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। চেয়ে দেখি একটি সাপ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, তোমার কি হলো? আমি বললাম, ওখানে সাপ। তিনি বললেন তা তুমি কি করতে চাও? আমি বললাম, আমি এটিকে হত্যা করবো। তিনি তার ঘরের নিজ কক্ষ বরাবর অপর একটি কক্ষের দিকে ইশারা করে বললেন, আমার এক চাচাত ভাই এই কক্ষে বাস করতো। আহযাবের যুদ্ধের দিন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চাইল, সে ছিল সদ্য বিবাহিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন এবং সঙ্গে তার অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাবার নির্দেশ দিলেন। সে বাড়ি ফিরে এসে দেখলো, তার স্ত্রী ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে। সে বর্শা দ্বারা তার স্ত্রীকে ইশারা করলো আর স্ত্রী বললো, তুমি তাড়াহুড়া করো না, আগে দেখো কিসে আমাকে বের হতে বাধ্য করেছে। সে ঘরে প্রবেশ করে দেখলো এক বীভৎস সাপ। সে সেটিকে বর্শাবিদ্ধ করলো। সাপটি তখনো তড়পাচ্ছিল। তিনি বললেন, আমার জানা নেই কার মৃত্যু আগে হয়েছে, লোকটির না সাপটির! তার গোত্রের লোকজন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যাতে তিনি আমাদের সঙ্গীকে ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের সাথীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর বললেনঃ মাদীনাহ্র একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। তাদের কাউকে যদি তোমরা দেখতে পাও তাহলে তিনবার তাকে সতর্ক করবে। তারপরও যদি তোমাদের সামনে তা আত্মপ্রকাশ না করে তাহলে তোমরা তাকে মারতে চাইলে তিনবার বলার পর মারতে পারো।
حدثنا يزيد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن صيفي أبي سعيد، مولى الأنصار عن أبي السائب، قال أتيت أبا سعيد الخدري فبينا أنا جالس، عنده سمعت تحت، سريره تحريك شىء فنظرت فإذا حية فقمت فقال أبو سعيد ما لك فقلت حية ها هنا . قال فتريد ماذا قلت أقتلها . فأشار إلى بيت في داره تلقاء بيته فقال إن ابن عم لي كان في هذا البيت فلما كان يوم الأحزاب استأذن إلى أهله وكان حديث عهد بعرس فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يذهب بسلاحه فأتى داره فوجد امرأته قائمة على باب البيت فأشار إليها بالرمح فقالت لا تعجل حتى تنظر ما أخرجني . فدخل البيت فإذا حية منكرة فطعنها بالرمح ثم خرج بها في الرمح ترتكض قال فلا أدري أيهما كان أسرع موتا الرجل أو الحية فأتى قومه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ادع الله أن يرد صاحبنا . فقال " استغفروا لصاحبكم " . ثم قال " إن نفرا من الجن أسلموا بالمدينة فإذا رأيتم أحدا منهم فحذروه ثلاث مرات ثم إن بدا لكم بعد أن تقتلوه فاقتلوه بعد الثلاث " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৭
حدثنا يزيد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن صيفي أبي سعيد، مولى الأنصار عن أبي السائب، قال أتيت أبا سعيد الخدري فبينا أنا جالس، عنده سمعت تحت، سريره تحريك شىء فنظرت فإذا حية فقمت فقال أبو سعيد ما لك فقلت حية ها هنا . قال فتريد ماذا قلت أقتلها . فأشار إلى بيت في داره تلقاء بيته فقال إن ابن عم لي كان في هذا البيت فلما كان يوم الأحزاب استأذن إلى أهله وكان حديث عهد بعرس فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يذهب بسلاحه فأتى داره فوجد امرأته قائمة على باب البيت فأشار إليها بالرمح فقالت لا تعجل حتى تنظر ما أخرجني . فدخل البيت فإذا حية منكرة فطعنها بالرمح ثم خرج بها في الرمح ترتكض قال فلا أدري أيهما كان أسرع موتا الرجل أو الحية فأتى قومه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ادع الله أن يرد صاحبنا . فقال " استغفروا لصاحبكم " . ثم قال " إن نفرا من الجن أسلموا بالمدينة فإذا رأيتم أحدا منهم فحذروه ثلاث مرات ثم إن بدا لكم بعد أن تقتلوه فاقتلوه بعد الثلاث " .
আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট আসলাম। আমি তার নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় আমি তার খাটের নিচে নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। চেয়ে দেখি একটি সাপ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, তোমার কি হলো? আমি বললাম, ওখানে সাপ। তিনি বললেন তা তুমি কি করতে চাও? আমি বললাম, আমি এটিকে হত্যা করবো। তিনি তার ঘরের নিজ কক্ষ বরাবর অপর একটি কক্ষের দিকে ইশারা করে বললেন, আমার এক চাচাত ভাই এই কক্ষে বাস করতো। আহযাবের যুদ্ধের দিন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চাইল, সে ছিল সদ্য বিবাহিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন এবং সঙ্গে তার অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাবার নির্দেশ দিলেন। সে বাড়ি ফিরে এসে দেখলো, তার স্ত্রী ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে। সে বর্শা দ্বারা তার স্ত্রীকে ইশারা করলো আর স্ত্রী বললো, তুমি তাড়াহুড়া করো না, আগে দেখো কিসে আমাকে বের হতে বাধ্য করেছে। সে ঘরে প্রবেশ করে দেখলো এক বীভৎস সাপ। সে সেটিকে বর্শাবিদ্ধ করলো। সাপটি তখনো তড়পাচ্ছিল। তিনি বললেন, আমার জানা নেই কার মৃত্যু আগে হয়েছে, লোকটির না সাপটির! তার গোত্রের লোকজন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যাতে তিনি আমাদের সঙ্গীকে ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের সাথীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর বললেনঃ মাদীনাহ্র একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। তাদের কাউকে যদি তোমরা দেখতে পাও তাহলে তিনবার তাকে সতর্ক করবে। তারপরও যদি তোমাদের সামনে তা আত্মপ্রকাশ না করে তাহলে তোমরা তাকে মারতে চাইলে তিনবার বলার পর মারতে পারো।
আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট আসলাম। আমি তার নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় আমি তার খাটের নিচে নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। চেয়ে দেখি একটি সাপ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, তোমার কি হলো? আমি বললাম, ওখানে সাপ। তিনি বললেন তা তুমি কি করতে চাও? আমি বললাম, আমি এটিকে হত্যা করবো। তিনি তার ঘরের নিজ কক্ষ বরাবর অপর একটি কক্ষের দিকে ইশারা করে বললেন, আমার এক চাচাত ভাই এই কক্ষে বাস করতো। আহযাবের যুদ্ধের দিন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চাইল, সে ছিল সদ্য বিবাহিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন এবং সঙ্গে তার অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাবার নির্দেশ দিলেন। সে বাড়ি ফিরে এসে দেখলো, তার স্ত্রী ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে। সে বর্শা দ্বারা তার স্ত্রীকে ইশারা করলো আর স্ত্রী বললো, তুমি তাড়াহুড়া করো না, আগে দেখো কিসে আমাকে বের হতে বাধ্য করেছে। সে ঘরে প্রবেশ করে দেখলো এক বীভৎস সাপ। সে সেটিকে বর্শাবিদ্ধ করলো। সাপটি তখনো তড়পাচ্ছিল। তিনি বললেন, আমার জানা নেই কার মৃত্যু আগে হয়েছে, লোকটির না সাপটির! তার গোত্রের লোকজন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যাতে তিনি আমাদের সঙ্গীকে ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের সাথীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর বললেনঃ মাদীনাহ্র একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। তাদের কাউকে যদি তোমরা দেখতে পাও তাহলে তিনবার তাকে সতর্ক করবে। তারপরও যদি তোমাদের সামনে তা আত্মপ্রকাশ না করে তাহলে তোমরা তাকে মারতে চাইলে তিনবার বলার পর মারতে পারো।
حدثنا يزيد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن صيفي أبي سعيد، مولى الأنصار عن أبي السائب، قال أتيت أبا سعيد الخدري فبينا أنا جالس، عنده سمعت تحت، سريره تحريك شىء فنظرت فإذا حية فقمت فقال أبو سعيد ما لك فقلت حية ها هنا . قال فتريد ماذا قلت أقتلها . فأشار إلى بيت في داره تلقاء بيته فقال إن ابن عم لي كان في هذا البيت فلما كان يوم الأحزاب استأذن إلى أهله وكان حديث عهد بعرس فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يذهب بسلاحه فأتى داره فوجد امرأته قائمة على باب البيت فأشار إليها بالرمح فقالت لا تعجل حتى تنظر ما أخرجني . فدخل البيت فإذا حية منكرة فطعنها بالرمح ثم خرج بها في الرمح ترتكض قال فلا أدري أيهما كان أسرع موتا الرجل أو الحية فأتى قومه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ادع الله أن يرد صاحبنا . فقال " استغفروا لصاحبكم " . ثم قال " إن نفرا من الجن أسلموا بالمدينة فإذا رأيتم أحدا منهم فحذروه ثلاث مرات ثم إن بدا لكم بعد أن تقتلوه فاقتلوه بعد الثلاث " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৭
حدثنا يزيد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن صيفي أبي سعيد، مولى الأنصار عن أبي السائب، قال أتيت أبا سعيد الخدري فبينا أنا جالس، عنده سمعت تحت، سريره تحريك شىء فنظرت فإذا حية فقمت فقال أبو سعيد ما لك فقلت حية ها هنا . قال فتريد ماذا قلت أقتلها . فأشار إلى بيت في داره تلقاء بيته فقال إن ابن عم لي كان في هذا البيت فلما كان يوم الأحزاب استأذن إلى أهله وكان حديث عهد بعرس فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يذهب بسلاحه فأتى داره فوجد امرأته قائمة على باب البيت فأشار إليها بالرمح فقالت لا تعجل حتى تنظر ما أخرجني . فدخل البيت فإذا حية منكرة فطعنها بالرمح ثم خرج بها في الرمح ترتكض قال فلا أدري أيهما كان أسرع موتا الرجل أو الحية فأتى قومه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ادع الله أن يرد صاحبنا . فقال " استغفروا لصاحبكم " . ثم قال " إن نفرا من الجن أسلموا بالمدينة فإذا رأيتم أحدا منهم فحذروه ثلاث مرات ثم إن بدا لكم بعد أن تقتلوه فاقتلوه بعد الثلاث " .
আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট আসলাম। আমি তার নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় আমি তার খাটের নিচে নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। চেয়ে দেখি একটি সাপ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, তোমার কি হলো? আমি বললাম, ওখানে সাপ। তিনি বললেন তা তুমি কি করতে চাও? আমি বললাম, আমি এটিকে হত্যা করবো। তিনি তার ঘরের নিজ কক্ষ বরাবর অপর একটি কক্ষের দিকে ইশারা করে বললেন, আমার এক চাচাত ভাই এই কক্ষে বাস করতো। আহযাবের যুদ্ধের দিন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চাইল, সে ছিল সদ্য বিবাহিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন এবং সঙ্গে তার অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাবার নির্দেশ দিলেন। সে বাড়ি ফিরে এসে দেখলো, তার স্ত্রী ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে। সে বর্শা দ্বারা তার স্ত্রীকে ইশারা করলো আর স্ত্রী বললো, তুমি তাড়াহুড়া করো না, আগে দেখো কিসে আমাকে বের হতে বাধ্য করেছে। সে ঘরে প্রবেশ করে দেখলো এক বীভৎস সাপ। সে সেটিকে বর্শাবিদ্ধ করলো। সাপটি তখনো তড়পাচ্ছিল। তিনি বললেন, আমার জানা নেই কার মৃত্যু আগে হয়েছে, লোকটির না সাপটির! তার গোত্রের লোকজন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যাতে তিনি আমাদের সঙ্গীকে ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের সাথীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর বললেনঃ মাদীনাহ্র একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। তাদের কাউকে যদি তোমরা দেখতে পাও তাহলে তিনবার তাকে সতর্ক করবে। তারপরও যদি তোমাদের সামনে তা আত্মপ্রকাশ না করে তাহলে তোমরা তাকে মারতে চাইলে তিনবার বলার পর মারতে পারো।
আবুস সায়িব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আবূ সাঈদ আল-খুদরীর (রাঃ) নিকট আসলাম। আমি তার নিকট বসা ছিলাম। এমন সময় আমি তার খাটের নিচে নড়াচড়ার শব্দ শুনতে পেলাম। চেয়ে দেখি একটি সাপ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, তোমার কি হলো? আমি বললাম, ওখানে সাপ। তিনি বললেন তা তুমি কি করতে চাও? আমি বললাম, আমি এটিকে হত্যা করবো। তিনি তার ঘরের নিজ কক্ষ বরাবর অপর একটি কক্ষের দিকে ইশারা করে বললেন, আমার এক চাচাত ভাই এই কক্ষে বাস করতো। আহযাবের যুদ্ধের দিন সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বাড়ি যাওয়ার অনুমতি চাইল, সে ছিল সদ্য বিবাহিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে অনুমতি দিলেন এবং সঙ্গে তার অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যাবার নির্দেশ দিলেন। সে বাড়ি ফিরে এসে দেখলো, তার স্ত্রী ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে। সে বর্শা দ্বারা তার স্ত্রীকে ইশারা করলো আর স্ত্রী বললো, তুমি তাড়াহুড়া করো না, আগে দেখো কিসে আমাকে বের হতে বাধ্য করেছে। সে ঘরে প্রবেশ করে দেখলো এক বীভৎস সাপ। সে সেটিকে বর্শাবিদ্ধ করলো। সাপটি তখনো তড়পাচ্ছিল। তিনি বললেন, আমার জানা নেই কার মৃত্যু আগে হয়েছে, লোকটির না সাপটির! তার গোত্রের লোকজন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, আপনি আল্লাহর নিকট দু’আ করুন যাতে তিনি আমাদের সঙ্গীকে ফিরিয়ে দেন। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের সাথীর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো। তারপর বললেনঃ মাদীনাহ্র একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করেছে। তাদের কাউকে যদি তোমরা দেখতে পাও তাহলে তিনবার তাকে সতর্ক করবে। তারপরও যদি তোমাদের সামনে তা আত্মপ্রকাশ না করে তাহলে তোমরা তাকে মারতে চাইলে তিনবার বলার পর মারতে পারো।
حدثنا يزيد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن صيفي أبي سعيد، مولى الأنصار عن أبي السائب، قال أتيت أبا سعيد الخدري فبينا أنا جالس، عنده سمعت تحت، سريره تحريك شىء فنظرت فإذا حية فقمت فقال أبو سعيد ما لك فقلت حية ها هنا . قال فتريد ماذا قلت أقتلها . فأشار إلى بيت في داره تلقاء بيته فقال إن ابن عم لي كان في هذا البيت فلما كان يوم الأحزاب استأذن إلى أهله وكان حديث عهد بعرس فأذن له رسول الله صلى الله عليه وسلم وأمره أن يذهب بسلاحه فأتى داره فوجد امرأته قائمة على باب البيت فأشار إليها بالرمح فقالت لا تعجل حتى تنظر ما أخرجني . فدخل البيت فإذا حية منكرة فطعنها بالرمح ثم خرج بها في الرمح ترتكض قال فلا أدري أيهما كان أسرع موتا الرجل أو الحية فأتى قومه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا ادع الله أن يرد صاحبنا . فقال " استغفروا لصاحبكم " . ثم قال " إن نفرا من الجن أسلموا بالمدينة فإذا رأيتم أحدا منهم فحذروه ثلاث مرات ثم إن بدا لكم بعد أن تقتلوه فاقتلوه بعد الثلاث " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৮
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن عجلان، بهذا الحديث مختصرا قال " فليؤذنه ثلاثا فإن بدا له بعد فليقتله فإنه شيطان " .
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) হতে এ হাদীস সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে রয়েছেঃ সে এটিকে তিনবার সতর্ক করবে। তারপরও যদি দেখতে পাও, তবে তাকে মারবে। কারণ তা একটি শয়তান। [৫২৫৬]
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) হতে এ হাদীস সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে রয়েছেঃ সে এটিকে তিনবার সতর্ক করবে। তারপরও যদি দেখতে পাও, তবে তাকে মারবে। কারণ তা একটি শয়তান। [৫২৫৬]
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن عجلان، بهذا الحديث مختصرا قال " فليؤذنه ثلاثا فإن بدا له بعد فليقتله فإنه شيطان " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৮
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن عجلان، بهذا الحديث مختصرا قال " فليؤذنه ثلاثا فإن بدا له بعد فليقتله فإنه شيطان " .
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) হতে এ হাদীস সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে রয়েছেঃ সে এটিকে তিনবার সতর্ক করবে। তারপরও যদি দেখতে পাও, তবে তাকে মারবে। কারণ তা একটি শয়তান। [৫২৫৬]
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) হতে এ হাদীস সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে রয়েছেঃ সে এটিকে তিনবার সতর্ক করবে। তারপরও যদি দেখতে পাও, তবে তাকে মারবে। কারণ তা একটি শয়তান। [৫২৫৬]
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن عجلان، بهذا الحديث مختصرا قال " فليؤذنه ثلاثا فإن بدا له بعد فليقتله فإنه شيطان " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫৮
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن عجلان، بهذا الحديث مختصرا قال " فليؤذنه ثلاثا فإن بدا له بعد فليقتله فإنه شيطان " .
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) হতে এ হাদীস সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে রয়েছেঃ সে এটিকে তিনবার সতর্ক করবে। তারপরও যদি দেখতে পাও, তবে তাকে মারবে। কারণ তা একটি শয়তান। [৫২৫৬]
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘আজলান (রহঃ) হতে এ হাদীস সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে রয়েছেঃ সে এটিকে তিনবার সতর্ক করবে। তারপরও যদি দেখতে পাও, তবে তাকে মারবে। কারণ তা একটি শয়তান। [৫২৫৬]
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن عجلان، بهذا الحديث مختصرا قال " فليؤذنه ثلاثا فإن بدا له بعد فليقتله فإنه شيطان " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৫২
حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اقتلوا الحيات وذا الطفيتين والأبتر فإنهما يلتمسان البصر ويسقطان الحبل " . قال وكان عبد الله يقتل كل حية وجدها فأبصره أبو لبابة أو زيد بن الخطاب وهو يطارد حية فقال إنه قد نهي عن ذوات البيوت .
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা সাপ মেরে ফেলবে, বিশেষ করে ডোরাকাটা ও লেজকাটা সাপ। কেননা এ দু’টি সাপ দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে এবং গর্ভপাত ঘটায়। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সাপ পেলেই মেরে ফেলেতেন। আবূ লুবাবাহ অথবা যায়িদ ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একটি সাপের পিছু ধাওয়া করতে দেখে বললেন, ঘরে বসবাসকারী সাপ মারতে নিষেধ করা হয়েছে।
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা সাপ মেরে ফেলবে, বিশেষ করে ডোরাকাটা ও লেজকাটা সাপ। কেননা এ দু’টি সাপ দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে এবং গর্ভপাত ঘটায়। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সাপ পেলেই মেরে ফেলেতেন। আবূ লুবাবাহ অথবা যায়িদ ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) একটি সাপের পিছু ধাওয়া করতে দেখে বললেন, ঘরে বসবাসকারী সাপ মারতে নিষেধ করা হয়েছে।
حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اقتلوا الحيات وذا الطفيتين والأبتر فإنهما يلتمسان البصر ويسقطان الحبل " . قال وكان عبد الله يقتل كل حية وجدها فأبصره أبو لبابة أو زيد بن الخطاب وهو يطارد حية فقال إنه قد نهي عن ذوات البيوت .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৬০
حدثنا سعيد بن سليمان، عن علي بن هاشم، حدثنا ابن أبي ليلى، عن ثابت البناني، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن حيات البيوت فقال " إذا رأيتم منهن شيئا في مساكنكم فقولوا أنشدكن العهد الذي أخذ عليكن نوح أنشدكن العهد الذي أخذ عليكن سليمان أن لا تؤذونا فإن عدن فاقتلوهن " .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ঘরে বসবাসকারী সাপ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা তোমাদের বসবাসের ঘরে এগুলোকে দেখতে পেলে বলবেঃ ‘আমি তোমাদেরকে সেই ওয়াদার কসম দিয়ে বলছি যা নূহ (আ) তোমাদের থেকে গ্রহণ করেছিলেন। অথবা আমি তোমাদেরকে সেই ওয়াদার কসম দিয়ে বলছি যা সুলায়মান (আ) তোমাদের কাছ থেকে নিয়েছিলেন যে, তোমরা আমাদের ক্ষতি করবে না’। এরপরও তারা ফিরে এলে তোমরা তাদের মেরে ফেলো। [৫২৫৮]
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ঘরে বসবাসকারী সাপ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা তোমাদের বসবাসের ঘরে এগুলোকে দেখতে পেলে বলবেঃ ‘আমি তোমাদেরকে সেই ওয়াদার কসম দিয়ে বলছি যা নূহ (আ) তোমাদের থেকে গ্রহণ করেছিলেন। অথবা আমি তোমাদেরকে সেই ওয়াদার কসম দিয়ে বলছি যা সুলায়মান (আ) তোমাদের কাছ থেকে নিয়েছিলেন যে, তোমরা আমাদের ক্ষতি করবে না’। এরপরও তারা ফিরে এলে তোমরা তাদের মেরে ফেলো। [৫২৫৮]
حدثنا سعيد بن سليمان، عن علي بن هاشم، حدثنا ابن أبي ليلى، عن ثابت البناني، عن عبد الرحمن بن أبي ليلى، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن حيات البيوت فقال " إذا رأيتم منهن شيئا في مساكنكم فقولوا أنشدكن العهد الذي أخذ عليكن نوح أنشدكن العهد الذي أخذ عليكن سليمان أن لا تؤذونا فإن عدن فاقتلوهن " .
সুনানে আবু দাউদ > টিকটিকি হত্যা করা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৫২৬২
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقتل الوزغ وسماه فويسقا .
আমির ইবনু সা’দ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গিরগিটি (টিকটিকি) মারার হুকুম করেছেন। তিনি তার নাম দিয়েছেন অনিষ্টকারী।
আমির ইবনু সা’দ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গিরগিটি (টিকটিকি) মারার হুকুম করেছেন। তিনি তার নাম দিয়েছেন অনিষ্টকারী।
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقتل الوزغ وسماه فويسقا .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৬৩
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا إسماعيل بن زكريا، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قتل وزغة في أول ضربة فله كذا وكذا حسنة ومن قتلها في الضربة الثانية فله كذا وكذا حسنة أدنى من الأول ومن قتلها في الضربة الثالثة فله كذا وكذا حسنة أدنى من الثانية " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রথম আঘাতে একটি গিরগিটি (টিকটিকি) হত্যা করবে, তার জন্য এরূপ সওয়াব রয়েছে। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় আঘাতে এটি হত্যা করবে, তার জন্য এরূপ এরূপ সওয়াব রয়েছে, যা প্রথম আঘাতে মারার তুলনায় কম। আর যে ব্যক্তি তৃতীয় আঘাতে তা হত্যা করবে, তার জন্য এরূপ এরূপ সওয়াব রয়েছে, যা দ্বিতীয় আঘাতে হত্যার চেয়ে কম।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রথম আঘাতে একটি গিরগিটি (টিকটিকি) হত্যা করবে, তার জন্য এরূপ সওয়াব রয়েছে। যে ব্যক্তি দ্বিতীয় আঘাতে এটি হত্যা করবে, তার জন্য এরূপ এরূপ সওয়াব রয়েছে, যা প্রথম আঘাতে মারার তুলনায় কম। আর যে ব্যক্তি তৃতীয় আঘাতে তা হত্যা করবে, তার জন্য এরূপ এরূপ সওয়াব রয়েছে, যা দ্বিতীয় আঘাতে হত্যার চেয়ে কম।
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا إسماعيل بن زكريا، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قتل وزغة في أول ضربة فله كذا وكذا حسنة ومن قتلها في الضربة الثانية فله كذا وكذا حسنة أدنى من الأول ومن قتلها في الضربة الثالثة فله كذا وكذا حسنة أدنى من الثانية " .
সুনানে আবু দাউদ ৫২৬৪
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا إسماعيل بن زكريا، عن سهيل، قال حدثني أخي، أو أختي عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال " في أول ضربة سبعين حسنة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথম আঘাতে মারতে পারলে তার জন্য সত্তর নেকী রয়েছে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রথম আঘাতে মারতে পারলে তার জন্য সত্তর নেকী রয়েছে।
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا إسماعيل بن زكريا، عن سهيل، قال حدثني أخي، أو أختي عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال " في أول ضربة سبعين حسنة " .