সুনানে আবু দাউদ > কাউকে আহবান করা কি তার জন্য অনুমতি ধর্তব্য ?
সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حبيب، وهشام، عن محمد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " رسول الرجل إلى الرجل إذنه " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন: কোন ব্যক্তিকে ডেকে আনার জন্য কোন লোক পাঠালে তা তার অনুমতি হিসেবে ধর্তব্য।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন: কোন ব্যক্তিকে ডেকে আনার জন্য কোন লোক পাঠালে তা তার অনুমতি হিসেবে ধর্তব্য।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حبيب، وهشام، عن محمد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " رسول الرجل إلى الرجل إذنه " .
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯০
حدثنا حسين بن معاذ، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا دعي أحدكم إلى طعام فجاء مع الرسول فإن ذلك له إذن " . قال أبو علي اللؤلؤي سمعت أبا داود يقول قتادة لم يسمع من أبي رافع شيئا .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি পানাহারের জন্য আমন্ত্রিত হয় এবং সে আমন্ত্রনকারীর প্রতিনিধির সঙ্গে আসে, তবে তার জন্য এটাই অনুমতি।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি পানাহারের জন্য আমন্ত্রিত হয় এবং সে আমন্ত্রনকারীর প্রতিনিধির সঙ্গে আসে, তবে তার জন্য এটাই অনুমতি।
حدثنا حسين بن معاذ، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا دعي أحدكم إلى طعام فجاء مع الرسول فإن ذلك له إذن " . قال أبو علي اللؤلؤي سمعت أبا داود يقول قتادة لم يسمع من أبي رافع شيئا .
সুনানে আবু দাউদ > তিন সময়ে প্রবেশানুমতি প্রার্থনা
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯১
حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على . قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به .
উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।
উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।
حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على . قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به .
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯১
حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على . قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به .
উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।
উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।
حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على . قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به .
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯২
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم } قرأ القعنبي إلى { عليم حكيم } قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد . قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا .
ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।
ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم } قرأ القعنبي إلى { عليم حكيم } قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد . قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا .
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯২
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم } قرأ القعنبي إلى { عليم حكيم } قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد . قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا .
ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।
ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل { يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم } قرأ القعنبي إلى { عليم حكيم } قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد . قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا .
সুনানে আবু দাউদ > সালামের প্রসার ঘটানো
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯৩
حدثنا أحمد بن أبي شعيب، حدثنا زهير، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لا تدخلوا الجنة حتى تؤمنوا ولا تؤمنوا حتى تحابوا أفلا أدلكم على أمر إذا فعلتموه تحاببتم أفشوا السلام بينكم " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতোক্ষণ না মু’মিন হও। আর তোমরা মু’মিন হতে পারবে না, যতোক্ষণ না পরস্পর পরস্পরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদেরকে এমন বিষয় অবহিত করবো না, যা করলে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তা হলো, তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেনঃ কসম সেই সত্তার যাঁর হাতে আমার প্রাণ! তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতোক্ষণ না মু’মিন হও। আর তোমরা মু’মিন হতে পারবে না, যতোক্ষণ না পরস্পর পরস্পরকে ভালোবাসবে। আমি কি তোমাদেরকে এমন বিষয় অবহিত করবো না, যা করলে তোমাদের পরস্পরের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হবে? তা হলো, তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালামের প্রসার ঘটাও।
حدثنا أحمد بن أبي شعيب، حدثنا زهير، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده لا تدخلوا الجنة حتى تؤمنوا ولا تؤمنوا حتى تحابوا أفلا أدلكم على أمر إذا فعلتموه تحاببتم أفشوا السلام بينكم " .
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عبد الله بن عمرو، أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الإسلام خير قال " تطعم الطعام وتقرأ السلام على من عرفت ومن لم تعرف " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলো, ইসলামের কোন দিকটি উত্তম? তিনি বললেনঃ তোমার পরিচিত ও অপরিচিতজনকে তুমি খানা খাওয়াবে এবং সালাম দিবে।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করলো, ইসলামের কোন দিকটি উত্তম? তিনি বললেনঃ তোমার পরিচিত ও অপরিচিতজনকে তুমি খানা খাওয়াবে এবং সালাম দিবে।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عبد الله بن عمرو، أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم أى الإسلام خير قال " تطعم الطعام وتقرأ السلام على من عرفت ومن لم تعرف " .
সুনানে আবু দাউদ > সালাম বিনিময়ের পদ্ধতি
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯৫
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن عوف، عن أبي رجاء، عن عمران بن حصين، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال السلام عليكم . فرد عليه السلام ثم جلس فقال النبي صلى الله عليه وسلم " عشر " . ثم جاء آخر فقال السلام عليكم ورحمة الله . فرد عليه فجلس فقال " عشرون " . ثم جاء آخر فقال السلام عليكم ورحمة الله وبركاته . فرد عليه فجلس فقال " ثلاثون " .
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, আস্সালামু ‘আলাইকুম। তিনি তার জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেনঃ দশ নেকি! এরপর আরেকজন এসে বললো, আস্সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেন, বিশ নেকি! অতঃপর আরেকজন এসে বললো, আস্সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তারও জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেনঃত্রিশ নেকি।
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, আস্সালামু ‘আলাইকুম। তিনি তার জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেনঃ দশ নেকি! এরপর আরেকজন এসে বললো, আস্সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুরূপ জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেন, বিশ নেকি! অতঃপর আরেকজন এসে বললো, আস্সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তারও জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেনঃত্রিশ নেকি।
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا جعفر بن سليمان، عن عوف، عن أبي رجاء، عن عمران بن حصين، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال السلام عليكم . فرد عليه السلام ثم جلس فقال النبي صلى الله عليه وسلم " عشر " . ثم جاء آخر فقال السلام عليكم ورحمة الله . فرد عليه فجلس فقال " عشرون " . ثم جاء آخر فقال السلام عليكم ورحمة الله وبركاته . فرد عليه فجلس فقال " ثلاثون " .
সুনানে আবু দাউদ ৫১৯৬
حدثنا إسحاق بن سويد الرملي، حدثنا ابن أبي مريم، قال أظن أني سمعت نافع بن يزيد، قال أخبرني أبو مرحوم، عن سهل بن معاذ بن أنس، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه زاد ثم أتى آخر فقال السلام عليكم ورحمة الله وبركاته ومغفرته فقال " أربعون " . قال " هكذا تكون الفضائل " .
সাহল ইবনু মু’আয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
সাহল ইবনু মু’আয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে তার পিতার মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। এতে আরো রয়েছে : এরপর আরেকজন এসে বললো, আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া মাগফিরাতুহু। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বললেনঃ চল্লিশ নেকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আরো বলেনঃ এভাবে নেকি বৃদ্ধি পেতে থাকে। [৫১৯৪]
সাহল ইবনু মু’আয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
সাহল ইবনু মু’আয ইবনু আনাস (রাঃ) হতে তার পিতার মাধ্যমে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। এতে আরো রয়েছে : এরপর আরেকজন এসে বললো, আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু ওয়া মাগফিরাতুহু। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বললেনঃ চল্লিশ নেকি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আরো বলেনঃ এভাবে নেকি বৃদ্ধি পেতে থাকে। [৫১৯৪]
حدثنا إسحاق بن سويد الرملي، حدثنا ابن أبي مريم، قال أظن أني سمعت نافع بن يزيد، قال أخبرني أبو مرحوم، عن سهل بن معاذ بن أنس، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه زاد ثم أتى آخر فقال السلام عليكم ورحمة الله وبركاته ومغفرته فقال " أربعون " . قال " هكذا تكون الفضائل " .