সুনানে আবু দাউদ > অনুমতি নিতে কতবার সালাম দিবে?

সুনানে আবু দাউদ ৫১৮২

حدثنا يحيى بن حبيب، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى، استأذن على عمر بهذه القصة ‏.‏ قال فيه فانطلق بأبي سعيد فشهد له فقال أخفي على هذا من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم ألهاني السفق بالأسواق ولكن سلم ما شئت ولا تستأذن ‏.‏

উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ) –এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন......অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ কিস্‌সা। তবে বর্ণনাকারী আরো বলেনঃ তিনি আবূ সাঈদ (রাঃ)–কে নিয়ে এলেন এবং তিনি তার পক্ষে সাক্ষী দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত এ হাদীস আমার অজানা রয়ে গেলো! বাজারের বেচাকেনাই আমাকে এ ব্যাপারে অনবহিত রেখেছে। এখন আপনার ইচ্ছেমত আমাকে সালাম দিন এবং অনুমতির দরকার নেই। সহীহ। তবে এ কথাটি বাদেঃ “এখন আপনি ইচ্ছেমত আমাকে ......”।

উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ মূসা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ) –এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলেন......অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ কিস্‌সা। তবে বর্ণনাকারী আরো বলেনঃ তিনি আবূ সাঈদ (রাঃ)–কে নিয়ে এলেন এবং তিনি তার পক্ষে সাক্ষী দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত এ হাদীস আমার অজানা রয়ে গেলো! বাজারের বেচাকেনাই আমাকে এ ব্যাপারে অনবহিত রেখেছে। এখন আপনার ইচ্ছেমত আমাকে সালাম দিন এবং অনুমতির দরকার নেই। সহীহ। তবে এ কথাটি বাদেঃ “এখন আপনি ইচ্ছেমত আমাকে ......”।

حدثنا يحيى بن حبيب، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، قال أخبرني عطاء، عن عبيد بن عمير، أن أبا موسى، استأذن على عمر بهذه القصة ‏.‏ قال فيه فانطلق بأبي سعيد فشهد له فقال أخفي على هذا من أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم ألهاني السفق بالأسواق ولكن سلم ما شئت ولا تستأذن ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৫১৮০

حدثنا أحمد بن عبدة، أخبرنا سفيان، عن يزيد بن خصيفة، عن بسر بن سعيد، عن أبي سعيد الخدري، قال كنت جالسا في مجلس من مجالس الأنصار فجاء أبو موسى فزعا فقلنا له ما أفزعك قال أمرني عمر أن آتيه فأتيته فاستأذنت ثلاثا فلم يؤذن لي فرجعت فقال ما منعك أن تأتيني قلت قد جئت فاستأذنت ثلاثا فلم يؤذن لي وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع ‏"‏ ‏.‏ قال لتأتيني على هذا بالبينة قال فقال أبو سعيد لا يقوم معك إلا أصغر القوم ‏.‏ قال فقام أبو سعيد معه فشهد له ‏.

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনসারগণের এক সমাবেশে বসা ছিলাম। এ সময় আবূ মূসা (রাঃ) ভীত অবস্থায় উপস্থিত হলেন। আমরা তাকে বললাম, আপনার ভীত হওয়ার কারণ কি? তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। আমি তার নিকট এসে তিনবার অনুমতি চেয়েও অনুমতি না পেয়ে ফিরে গেলাম। তিনি (‘উমার) আমাকে প্রশ্ন করলেন, (ভেতরে প্রবেশ করতে) তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছে? আমি বললাম, আমি এসে তিনবার অনুমতি চেয়েছি কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ যদি তিনবার অনুমতি চেয়েও অনুমতি না পায় তবে সে ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাকে অবশ্যই আমাকে এর সাক্ষী পেশ করতে হবে। বর্ণনাকারী বললেন, অতঃপর আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, আপনার সঙ্গে সাক্ষী দেয়ার জন্যে দলের সর্বকনিষ্ঠ লোকটিই উঠবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতপঃর আবূ সাঈদ (রাঃ) তার সঙ্গে গিয়ে তার পক্ষে সাক্ষী দিলেন।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনসারগণের এক সমাবেশে বসা ছিলাম। এ সময় আবূ মূসা (রাঃ) ভীত অবস্থায় উপস্থিত হলেন। আমরা তাকে বললাম, আপনার ভীত হওয়ার কারণ কি? তিনি বললেন, ‘উমার (রাঃ) আমাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। আমি তার নিকট এসে তিনবার অনুমতি চেয়েও অনুমতি না পেয়ে ফিরে গেলাম। তিনি (‘উমার) আমাকে প্রশ্ন করলেন, (ভেতরে প্রবেশ করতে) তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছে? আমি বললাম, আমি এসে তিনবার অনুমতি চেয়েছি কিন্তু আমাকে অনুমতি দেয়া হয়নি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ যদি তিনবার অনুমতি চেয়েও অনুমতি না পায় তবে সে ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাকে অবশ্যই আমাকে এর সাক্ষী পেশ করতে হবে। বর্ণনাকারী বললেন, অতঃপর আবূ সাঈদ (রাঃ) বললেন, আপনার সঙ্গে সাক্ষী দেয়ার জন্যে দলের সর্বকনিষ্ঠ লোকটিই উঠবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতপঃর আবূ সাঈদ (রাঃ) তার সঙ্গে গিয়ে তার পক্ষে সাক্ষী দিলেন।

حدثنا أحمد بن عبدة، أخبرنا سفيان، عن يزيد بن خصيفة، عن بسر بن سعيد، عن أبي سعيد الخدري، قال كنت جالسا في مجلس من مجالس الأنصار فجاء أبو موسى فزعا فقلنا له ما أفزعك قال أمرني عمر أن آتيه فأتيته فاستأذنت ثلاثا فلم يؤذن لي فرجعت فقال ما منعك أن تأتيني قلت قد جئت فاستأذنت ثلاثا فلم يؤذن لي وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم ثلاثا فلم يؤذن له فليرجع ‏"‏ ‏.‏ قال لتأتيني على هذا بالبينة قال فقال أبو سعيد لا يقوم معك إلا أصغر القوم ‏.‏ قال فقام أبو سعيد معه فشهد له ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৫১৮১

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن طلحة بن يحيى، عن أبي بردة، عن أبي موسى، أنه أتى عمر فاستأذن ثلاثا فقال يستأذن أبو موسى يستأذن الأشعري يستأذن عبد الله بن قيس فلم يؤذن له فرجع فبعث إليه عمر ما ردك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يستأذن أحدكم ثلاثا فإن أذن له وإلا فليرجع ‏"‏ ‏.‏ قال ائتني ببينة على هذا ‏.‏ فذهب ثم رجع فقال هذا أبى فقال أبى يا عمر لا تكن عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال عمر لا أكون عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উমার (রাঃ) এর নিকট এসে তিনবার এভাবে অনুমতি চাইলেনঃ আবূ মূসা অনুমতি চাচ্ছে; আল-আশ’আরী অনুমতি চাচ্ছে এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু ক্বাইস অনুমতি চাচ্ছে। কিন্তু তিনি তাকে অনুমতি না দেয়ায় আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে যেতে লাগলেন। ‘উমার (রাঃ) তাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করলেন, কিসে আপনাকে ফিরে যেতে বাধ্য করলো? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ অনুমতি চাইবে তিনবার। যদি তাকে অনুমতি দেয়া হয় তো ভালো, অন্যথায় ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন এর স্বপক্ষে আমাকে প্রমাণ দিন। অতএব তিনি গিয়ে সাক্ষী নিয়ে এসে বললেন, এই উবাই। উবাই (রাঃ) বললেন, হে ‘উমার! রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে শাস্তিদাতা হবেন না। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি কখনো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণকে শাস্তি দিবো না।

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘উমার (রাঃ) এর নিকট এসে তিনবার এভাবে অনুমতি চাইলেনঃ আবূ মূসা অনুমতি চাচ্ছে; আল-আশ’আরী অনুমতি চাচ্ছে এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু ক্বাইস অনুমতি চাচ্ছে। কিন্তু তিনি তাকে অনুমতি না দেয়ায় আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে যেতে লাগলেন। ‘উমার (রাঃ) তাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করলেন, কিসে আপনাকে ফিরে যেতে বাধ্য করলো? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ অনুমতি চাইবে তিনবার। যদি তাকে অনুমতি দেয়া হয় তো ভালো, অন্যথায় ফিরে যাবে। ‘উমার (রাঃ) বললেন এর স্বপক্ষে আমাকে প্রমাণ দিন। অতএব তিনি গিয়ে সাক্ষী নিয়ে এসে বললেন, এই উবাই। উবাই (রাঃ) বললেন, হে ‘উমার! রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীগণকে শাস্তিদাতা হবেন না। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি কখনো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীগণকে শাস্তি দিবো না।

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن طلحة بن يحيى، عن أبي بردة، عن أبي موسى، أنه أتى عمر فاستأذن ثلاثا فقال يستأذن أبو موسى يستأذن الأشعري يستأذن عبد الله بن قيس فلم يؤذن له فرجع فبعث إليه عمر ما ردك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يستأذن أحدكم ثلاثا فإن أذن له وإلا فليرجع ‏"‏ ‏.‏ قال ائتني ببينة على هذا ‏.‏ فذهب ثم رجع فقال هذا أبى فقال أبى يا عمر لا تكن عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال عمر لا أكون عذابا على أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৬

حدثنا مؤمل بن الفضل الحراني، - في آخرين - قالوا حدثنا بقية بن الوليد، حدثنا محمد بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن بسر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتى باب قوم لم يستقبل الباب من تلقاء وجهه ولكن من ركنه الأيمن أو الأيسر ويقول ‏ "‏ السلام عليكم السلام عليكم ‏"‏ ‏.‏ وذلك أن الدور لم يكن عليها يومئذ ستور ‏.

আবদুল্লাহ ইবনু বুস্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন কওমের দরবারে এলে সরাসরি দরজায় মুখ করে দাঁড়াতেন না, বরং দরজার বাম বা ডান পাশে সরে দাঁড়িয়ে বলতেনঃ ‘ আস্‌সালামু ‘আলাইকুম, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ’। কারণ সে যুগে দরজায় পর্দা টানানো থাকতো না।

আবদুল্লাহ ইবনু বুস্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন কওমের দরবারে এলে সরাসরি দরজায় মুখ করে দাঁড়াতেন না, বরং দরজার বাম বা ডান পাশে সরে দাঁড়িয়ে বলতেনঃ ‘ আস্‌সালামু ‘আলাইকুম, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ’। কারণ সে যুগে দরজায় পর্দা টানানো থাকতো না।

حدثنا مؤمل بن الفضل الحراني، - في آخرين - قالوا حدثنا بقية بن الوليد، حدثنا محمد بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن بسر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أتى باب قوم لم يستقبل الباب من تلقاء وجهه ولكن من ركنه الأيمن أو الأيسر ويقول ‏ "‏ السلام عليكم السلام عليكم ‏"‏ ‏.‏ وذلك أن الدور لم يكن عليها يومئذ ستور ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৫

حدثنا هشام أبو مروان، ومحمد بن المثنى، - المعنى - قال محمد بن المثنى حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال سمعت يحيى بن أبي كثير، يقول حدثني محمد بن عبد الرحمن بن أسعد بن زرارة، عن قيس بن سعد، قال زارنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في منزلنا فقال ‏"‏ السلام عليكم ورحمة الله ‏"‏ ‏.‏ فرد سعد ردا خفيا ‏.‏ قال قيس فقلت ألا تأذن لرسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال ذره يكثر علينا من السلام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ السلام عليكم ورحمة الله ‏"‏ ‏.‏ فرد سعد ردا خفيا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ السلام عليكم ورحمة الله ‏"‏ ‏.‏ ثم رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم واتبعه سعد فقال يا رسول الله إني كنت أسمع تسليمك وأرد عليك ردا خفيا لتكثر علينا من السلام ‏.‏ قال فانصرف معه رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر له سعد بغسل فاغتسل ثم ناوله ملحفة مصبوغة بزعفران أو ورس فاشتمل بها ثم رفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه وهو يقول ‏"‏ اللهم اجعل صلواتك ورحمتك على آل سعد بن عبادة ‏"‏ ‏.‏ قال ثم أصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من الطعام فلما أراد الانصراف قرب له سعد حمارا قد وطأ عليه بقطيفة فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا قيس اصحب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قيس فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اركب ‏"‏ ‏.‏ فأبيت ثم قال ‏"‏ إما أن تركب وإما أن تنصرف ‏"‏ ‏.‏ قال فانصرفت ‏.‏ قال هشام أبو مروان عن محمد بن عبد الرحمن بن أسعد بن زرارة ‏.‏ قال أبو داود رواه عمر بن عبد الواحد وابن سماعة عن الأوزاعي مرسلا ولم يذكرا قيس بن سعد ‏.

ক্বাইস ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আমাদের বাড়িতে আসলেন। তিনি বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহ্‌মাতুল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, সা’দ (রাঃ) আস্তে সালামের উত্তর দিলেন। ক্বাইস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রবেশের অনুমতি দিবেন না? তিনি বললেন, থামো, তাকে বেশী বেশী আমাদেরকে সালাম দিতে দাও। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সা’দ (রাঃ) এবারেও আস্তে সালামের জবাব দিলেন। পুনরায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। অতঃপর তিনি ফিরে যেতে থাকলেন। সা’দ (রাঃ) তাঁর পিছনে পিছনে গিয়ে তঁর সাথে সাক্ষাত করে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আমি আপনার সালাম শুনতে পারছিলাম এবিং চুপে চুপে সালামের জবাব দিচ্ছিলাম, যাতে আপনি বেশী বেশী সালাম দেন। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সঙ্গে ফিরে আসলেন এবং সা’দ (রাঃ) তাঁর গোসলের জন্য পানি এনে দিতে নির্দেশ দিলেন, অতঃপর তিনি গোসল করলেন। এরপর তাঁকে জাফরান বা ওয়ার্‌স দ্বারা রঞ্জিত একটি চাদর দিলেন। তিনি তা পরিধান করলেন। অতঃপর দু’হাত তুলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আল্লাহ! তুমি সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ্‌র পরিবার-পরিজনের উপর শান্তি ও রহমত বর্ষণ করো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খাবার দেয়া হলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রওয়ানা করার জন্য প্রস্তুত হলেন, তখন সা’দ (রাঃ) পিঠে মখমলের চাদর বা গদি বিছানো একটি সুসজ্জিত গাধা এনে তার নিকটবর্তী করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে আরোহণ করলেন। সা’দ (রাঃ) বললেন, হে ক্বাইস! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যাও। ক্বাইস (রাঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ আরোহণ করো। কিন্তু আমি সম্মত হলাম না। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আরোহণ করো নতুবা ফিরে যাও। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ফিরে এলাম। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ওয়াহিদ ও ইবনু সাম’আহ (রাঃ) আল-আওয়াঈর (রহঃ) হাদীসটি মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন এবং তারা উভয়ে ক্বাইস ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর উল্লেখ করেননি। [৫১৮৩]

ক্বাইস ইবনু সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সঙ্গে দেখা করতে আমাদের বাড়িতে আসলেন। তিনি বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহ্‌মাতুল্লাহ। বর্ণনাকারী বলেন, সা’দ (রাঃ) আস্তে সালামের উত্তর দিলেন। ক্বাইস (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রবেশের অনুমতি দিবেন না? তিনি বললেন, থামো, তাকে বেশী বেশী আমাদেরকে সালাম দিতে দাও। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সা’দ (রাঃ) এবারেও আস্তে সালামের জবাব দিলেন। পুনরায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। অতঃপর তিনি ফিরে যেতে থাকলেন। সা’দ (রাঃ) তাঁর পিছনে পিছনে গিয়ে তঁর সাথে সাক্ষাত করে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আমি আপনার সালাম শুনতে পারছিলাম এবিং চুপে চুপে সালামের জবাব দিচ্ছিলাম, যাতে আপনি বেশী বেশী সালাম দেন। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সঙ্গে ফিরে আসলেন এবং সা’দ (রাঃ) তাঁর গোসলের জন্য পানি এনে দিতে নির্দেশ দিলেন, অতঃপর তিনি গোসল করলেন। এরপর তাঁকে জাফরান বা ওয়ার্‌স দ্বারা রঞ্জিত একটি চাদর দিলেন। তিনি তা পরিধান করলেন। অতঃপর দু’হাত তুলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আল্লাহ! তুমি সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ্‌র পরিবার-পরিজনের উপর শান্তি ও রহমত বর্ষণ করো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খাবার দেয়া হলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রওয়ানা করার জন্য প্রস্তুত হলেন, তখন সা’দ (রাঃ) পিঠে মখমলের চাদর বা গদি বিছানো একটি সুসজ্জিত গাধা এনে তার নিকটবর্তী করলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে আরোহণ করলেন। সা’দ (রাঃ) বললেন, হে ক্বাইস! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে যাও। ক্বাইস (রাঃ) বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ আরোহণ করো। কিন্তু আমি সম্মত হলাম না। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আরোহণ করো নতুবা ফিরে যাও। বর্ণনাকারী বলেন, আমি ফিরে এলাম। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ওয়াহিদ ও ইবনু সাম’আহ (রাঃ) আল-আওয়াঈর (রহঃ) হাদীসটি মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন এবং তারা উভয়ে ক্বাইস ইবনু সা’দ (রাঃ)-এর উল্লেখ করেননি। [৫১৮৩]

حدثنا هشام أبو مروان، ومحمد بن المثنى، - المعنى - قال محمد بن المثنى حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، قال سمعت يحيى بن أبي كثير، يقول حدثني محمد بن عبد الرحمن بن أسعد بن زرارة، عن قيس بن سعد، قال زارنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في منزلنا فقال ‏"‏ السلام عليكم ورحمة الله ‏"‏ ‏.‏ فرد سعد ردا خفيا ‏.‏ قال قيس فقلت ألا تأذن لرسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال ذره يكثر علينا من السلام فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ السلام عليكم ورحمة الله ‏"‏ ‏.‏ فرد سعد ردا خفيا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ السلام عليكم ورحمة الله ‏"‏ ‏.‏ ثم رجع رسول الله صلى الله عليه وسلم واتبعه سعد فقال يا رسول الله إني كنت أسمع تسليمك وأرد عليك ردا خفيا لتكثر علينا من السلام ‏.‏ قال فانصرف معه رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر له سعد بغسل فاغتسل ثم ناوله ملحفة مصبوغة بزعفران أو ورس فاشتمل بها ثم رفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه وهو يقول ‏"‏ اللهم اجعل صلواتك ورحمتك على آل سعد بن عبادة ‏"‏ ‏.‏ قال ثم أصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من الطعام فلما أراد الانصراف قرب له سعد حمارا قد وطأ عليه بقطيفة فركب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا قيس اصحب رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قيس فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اركب ‏"‏ ‏.‏ فأبيت ثم قال ‏"‏ إما أن تركب وإما أن تنصرف ‏"‏ ‏.‏ قال فانصرفت ‏.‏ قال هشام أبو مروان عن محمد بن عبد الرحمن بن أسعد بن زرارة ‏.‏ قال أبو داود رواه عمر بن عبد الواحد وابن سماعة عن الأوزاعي مرسلا ولم يذكرا قيس بن سعد ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৩

حدثنا زيد بن أخزم، حدثنا عبد القاهر بن شعيب، حدثنا هشام، عن حميد بن هلال، عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبيه، بهذه القصة قال فقال عمر لأبي موسى إني لم أتهمك ولكن الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم شديد ‏.‏

আবূ বুরদাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ)-কে বললেন, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে অপবাদ দিচ্ছিনা। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে হাদীস বর্ণনা করার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আবূ বুরদাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ)-কে বললেন, নিশ্চয়ই আমি আপনাকে অপবাদ দিচ্ছিনা। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে হাদীস বর্ণনা করার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

حدثنا زيد بن أخزم، حدثنا عبد القاهر بن شعيب، حدثنا هشام، عن حميد بن هلال، عن أبي بردة بن أبي موسى، عن أبيه، بهذه القصة قال فقال عمر لأبي موسى إني لم أتهمك ولكن الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم شديد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৪

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن غير، واحد، من علمائهم في هذا فقال عمر لأبي موسى أما إني لم أتهمك ولكن خشيت أن يتقول الناس على رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

রাবী’আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর (রহঃ) এবং তাদের একাধিক ‘আলিম থেকে বর্নিতঃ

‘উমার (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ)-কে বলেন, জেনে রাখুন! আমি আপনাকে অপবাদ দিচ্ছি না। কিন্তু আমি ভয় করছি যে, মানুষ হয়ত দায়িত্বহীনভাবে রাসূলুল্লাহ্‌র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীস বর্ণনা করবে। [৫১৮২]

রাবী’আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর (রহঃ) এবং তাদের একাধিক ‘আলিম থেকে বর্নিতঃ

‘উমার (রাঃ) আবূ মূসা (রাঃ)-কে বলেন, জেনে রাখুন! আমি আপনাকে অপবাদ দিচ্ছি না। কিন্তু আমি ভয় করছি যে, মানুষ হয়ত দায়িত্বহীনভাবে রাসূলুল্লাহ্‌র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীস বর্ণনা করবে। [৫১৮২]

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن غير، واحد، من علمائهم في هذا فقال عمر لأبي موسى أما إني لم أتهمك ولكن خشيت أن يتقول الناس على رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কেউ প্রবেশের অনুমতি পাওয়ার জন্য দরজা খটখট করলে

সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৭

حدثنا مسدد، حدثنا بشر، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر، أنه ذهب إلى النبي صلى الله عليه وسلم في دين أبيه فدققت الباب فقال ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ قلت أنا ‏.‏ قال ‏"‏ أنا أنا ‏"‏ ‏.‏ كأنه كرهه ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তিনি তার পিতার রেখে যাওয়া ঋণ সম্পর্কে আলোচনার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নিকট যান। আমি (জাবির) দরজা খটখট করলে তিনি বললেনঃকে? আমি বললাম, আমি। তিনি বললেনঃআমি! আমি! মনে হলো, তিনি এরূপ বলা অপছন্দ করেছেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তিনি তার পিতার রেখে যাওয়া ঋণ সম্পর্কে আলোচনার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর নিকট যান। আমি (জাবির) দরজা খটখট করলে তিনি বললেনঃকে? আমি বললাম, আমি। তিনি বললেনঃআমি! আমি! মনে হলো, তিনি এরূপ বলা অপছন্দ করেছেন।

حدثنا مسدد، حدثنا بشر، عن شعبة، عن محمد بن المنكدر، عن جابر، أنه ذهب إلى النبي صلى الله عليه وسلم في دين أبيه فدققت الباب فقال ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ قلت أنا ‏.‏ قال ‏"‏ أنا أنا ‏"‏ ‏.‏ كأنه كرهه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৮

حدثنا يحيى بن أيوب، - يعني المقابري - حدثنا إسماعيل، - يعني ابن جعفر - حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن نافع بن عبد الحارث، قال خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى دخلت حائطا فقال لي ‏"‏ أمسك الباب ‏"‏ ‏.‏ فضرب الباب فقلت ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ وساق الحديث ‏.‏ قال أبو داود يعني حديث أبي موسى الأشعري قال فيه فدق الباب ‏.‏

নাফি‘ ইবনু ‘আবদুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহর (স:) সঙ্গে বের হয়ে এক বাগানে প্রবেশ করলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ দরজা বন্ধ করে রাখো। পরে দরজায় আঘাত করা হলে আমি বললাম, কে? অতঃপর বাকি অংশ আবূ মূসা (রাঃ) বর্ণিত হাসীসের অনুরূপ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ আবূ মূসা আল-আশ‘আরীর (রাঃ) হাদীস। তাতে রয়েছেঃ সে দরজা খটখট করলো।

নাফি‘ ইবনু ‘আবদুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহর (স:) সঙ্গে বের হয়ে এক বাগানে প্রবেশ করলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ দরজা বন্ধ করে রাখো। পরে দরজায় আঘাত করা হলে আমি বললাম, কে? অতঃপর বাকি অংশ আবূ মূসা (রাঃ) বর্ণিত হাসীসের অনুরূপ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ আবূ মূসা আল-আশ‘আরীর (রাঃ) হাদীস। তাতে রয়েছেঃ সে দরজা খটখট করলো।

حدثنا يحيى بن أيوب، - يعني المقابري - حدثنا إسماعيل، - يعني ابن جعفر - حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن نافع بن عبد الحارث، قال خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى دخلت حائطا فقال لي ‏"‏ أمسك الباب ‏"‏ ‏.‏ فضرب الباب فقلت ‏"‏ من هذا ‏"‏ ‏.‏ وساق الحديث ‏.‏ قال أبو داود يعني حديث أبي موسى الأشعري قال فيه فدق الباب ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কাউকে আহবান করা কি তার জন্য অনুমতি ধর্তব্য ?

সুনানে আবু দাউদ ৫১৮৯

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حبيب، وهشام، عن محمد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رسول الرجل إلى الرجل إذنه ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন: কোন ব্যক্তিকে ডেকে আনার জন্য কোন লোক পাঠালে তা তার অনুমতি হিসেবে ধর্তব্য।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন: কোন ব্যক্তিকে ডেকে আনার জন্য কোন লোক পাঠালে তা তার অনুমতি হিসেবে ধর্তব্য।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حبيب، وهشام، عن محمد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رسول الرجل إلى الرجل إذنه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৫১৯০

حدثنا حسين بن معاذ، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا دعي أحدكم إلى طعام فجاء مع الرسول فإن ذلك له إذن ‏"‏ ‏.‏ قال أبو علي اللؤلؤي سمعت أبا داود يقول قتادة لم يسمع من أبي رافع شيئا ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি পানাহারের জন্য আমন্ত্রিত হয় এবং সে আমন্ত্রনকারীর প্রতিনিধির সঙ্গে আসে, তবে তার জন্য এটাই অনুমতি।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যখন তোমাদের কোন ব্যক্তি পানাহারের জন্য আমন্ত্রিত হয় এবং সে আমন্ত্রনকারীর প্রতিনিধির সঙ্গে আসে, তবে তার জন্য এটাই অনুমতি।

حدثنا حسين بن معاذ، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أبي رافع، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا دعي أحدكم إلى طعام فجاء مع الرسول فإن ذلك له إذن ‏"‏ ‏.‏ قال أبو علي اللؤلؤي سمعت أبا داود يقول قتادة لم يسمع من أبي رافع شيئا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > তিন সময়ে প্রবেশানুমতি প্রার্থনা

সুনানে আবু দাউদ ৫১৯১

حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على ‏.‏ قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به ‏.

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।

حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على ‏.‏ قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৫১৯১

حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على ‏.‏ قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به ‏.

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।

উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, অধিকাংশ লোকই অনুমতি গ্রহন সম্পর্কিত আয়াতের উপর আমল করে না। আমি তো আমার এই দাসীকে আমার নিকট আসতে অনুমতি নেয়ার আদেশ দিয়েছি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আত্বা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এমনটিই বর্ণনা করেছেন, তিনি অনুমতি নেয়ার আদেশ দিতেন।

حدثنا ابن السرح، قال حدثنا ح، وحدثنا ابن الصباح بن سفيان، وابن، عبدة - وهذا حديثه - قالا أخبرنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، سمع ابن عباس، يقول لم يؤمر بها أكثر الناس آية الإذن وإني لآمر جاريتي هذه تستأذن على ‏.‏ قال أبو داود وكذلك رواه عطاء عن ابن عباس يأمر به ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৫১৯২

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم ‏}‏ قرأ القعنبي إلى ‏{‏ عليم حكيم ‏}‏ قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد ‏.‏ قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا ‏.‏

ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।

ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم ‏}‏ قرأ القعنبي إلى ‏{‏ عليم حكيم ‏}‏ قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد ‏.‏ قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৫১৯২

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم ‏}‏ قرأ القعنبي إلى ‏{‏ عليم حكيم ‏}‏ قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد ‏.‏ قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا ‏.‏

ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।

ইকরিমাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি কলেন, ইরাকের অধিবাসী একদল লোক ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) নিকট প্রশ্ন করলো, হে ইবনু ‘আব্বাস! এ আয়াত সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তাতে আমাদেরকে যা নির্দেশ দেয়ার দেয়া হয়েছে, কিন্তু কেউই সে মোতাবেক আমল করে না। মহান আল্লাহ বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীরা এবং তোমাদের মধ্যে যারা বয়োপ্রাপ্ত হয়নি তারা যেন তোমাদের ঘরে প্র্রবেশ করতে তিন সময়ে অনুমতি নেয়, ফাজর সালাতের পূর্বে, দুপুরে যখন তোমরা তোমাদের পোশাক খুলে রাখো এবং ‘ইশার সালাতের পর- এ তিন সময় তোমাদের গোপনীয়তা অবলম্বনের সময়। এ তিন সময় ছাড়া অন্য সময়ে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে তোমাদের জন্য এবং তাদের জন্য কোন দোষ নেই। তোমাদের একজনকে অপরজনের নিকট যাতায়াত করতে হয়। এভাবে আল্লাহ তোমাদের নিকট তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়। তোমাদের সন্তান-সন্তুতি বয়োপ্রাপ্ত হলে তারাও যেন তোমাদের বয়োজ্যেষ্ঠাদের মতো অনুমতি গ্রহন করে। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নির্দেশ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়” (সূরাহ নূর: ৫৮-৫৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহ মু’মিনদের প্রতি সহনশীল, পরম দয়ালু। তিনি গোপনীয়তা ভালোবাসেন। লোকজনের ঘরে কোনোরূপ পর্দার ব্যবস্থা ছিল না। ফলে কখনো ঘরে স্বামী-স্ত্রী অবস্থানকালে তার খাদেম বা বালক-বালিকারা ঢুকে পড়তো। এজন্যই আল্লাহ গোপনীয়তা অবলম্বনে এ সময়গুলোতে অনুমতি চাওয়ার নির্দেশ দেন। অতএব আল্লাহ তাদের জন্যে গোপনীয়তা অবলম্বন ও কল্যাণকর ব্যবস্থা দিয়েছেন। অথচ আমি কাউকে তদনুসারে আমল করতে দেখি না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ ও ‘আত্বা (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীস। এ হাদীসকে দুর্বল করে।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، أن نفرا، من أهل العراق قالوا يا ابن عباس كيف ترى في هذه الآية التي أمرنا فيها بما أمرنا ولا يعمل بها أحد قول الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الذين آمنوا ليستأذنكم الذين ملكت أيمانكم والذين لم يبلغوا الحلم منكم ثلاث مرات من قبل صلاة الفجر وحين تضعون ثيابكم من الظهيرة ومن بعد صلاة العشاء ثلاث عورات لكم ليس عليكم ولا عليهم جناح بعدهن طوافون عليكم ‏}‏ قرأ القعنبي إلى ‏{‏ عليم حكيم ‏}‏ قال ابن عباس إن الله حليم رحيم بالمؤمنين يحب الستر وكان الناس ليس لبيوتهم ستور ولا حجال فربما دخل الخادم أو الولد أو يتيمة الرجل والرجل على أهله فأمرهم الله بالاستئذان في تلك العورات فجاءهم الله بالستور والخير فلم أر أحدا يعمل بذلك بعد ‏.‏ قال أبو داود حديث عبيد الله وعطاء يفسد هذا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00