সুনানে আবু দাউদ > রাতে ঘুম থেকে সজাগ হলে যা বলতে হয়
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬০
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد، قال قال الأوزاعي حدثني عمير بن هانئ، قال حدثني جنادة بن أبي أمية، عن عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من تعار من الليل فقال حين يستيقظ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر ولا حول ولا قوة إلا بالله ثم دعا رب اغفر لي " . قال الوليد أو قال " دعا استجيب له فإن قام فتوضأ ثم صلى قبلت صلاته " .
উবাইদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে ঘুম হতে জেগে বলেঃ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরিক নেই, সার্বভৌমত্ব, প্রভুত্ব, রাজত্ব ও প্রশংসা সবই তাঁর, তিনি প্রত্যেক বস্তুর উপর একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী; সকল প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য, আল্লাহর সাহায্য ও ক্ষমতা ছাড়া কারো কোন উপায় নেই”; অতঃপর এ দু’আ করেঃ “হে আমার রব আমাকে মাফ করুন; “বর্ণনাকারী ওয়ালীদ বলেনঃ দু’আ করে। অর্থাৎ তার বর্ণনায় “রব্বিগফিরলী” উল্লেখ নেই এবং এ দু’আ কবুল করা হয়। অতঃপর সে যদি উঠে উযূ করে সলাত আদায় করে তাহলে তার সলাত কবুল করা হয়।
উবাইদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে ঘুম হতে জেগে বলেঃ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরিক নেই, সার্বভৌমত্ব, প্রভুত্ব, রাজত্ব ও প্রশংসা সবই তাঁর, তিনি প্রত্যেক বস্তুর উপর একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী; সকল প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য, আল্লাহর সাহায্য ও ক্ষমতা ছাড়া কারো কোন উপায় নেই”; অতঃপর এ দু’আ করেঃ “হে আমার রব আমাকে মাফ করুন; “বর্ণনাকারী ওয়ালীদ বলেনঃ দু’আ করে। অর্থাৎ তার বর্ণনায় “রব্বিগফিরলী” উল্লেখ নেই এবং এ দু’আ কবুল করা হয়। অতঃপর সে যদি উঠে উযূ করে সলাত আদায় করে তাহলে তার সলাত কবুল করা হয়।
حدثنا عبد الرحمن بن إبراهيم الدمشقي، حدثنا الوليد، قال قال الأوزاعي حدثني عمير بن هانئ، قال حدثني جنادة بن أبي أمية، عن عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من تعار من الليل فقال حين يستيقظ لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر ولا حول ولا قوة إلا بالله ثم دعا رب اغفر لي " . قال الوليد أو قال " دعا استجيب له فإن قام فتوضأ ثم صلى قبلت صلاته " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬১
حدثنا حامد بن يحيى، حدثنا أبو عبد الرحمن، حدثنا سعيد، - يعني ابن أبي أيوب - قال حدثني عبد الله بن الوليد، عن سعيد بن المسيب، عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا استيقظ من الليل قال " لا إله إلا أنت سبحانك اللهم أستغفرك لذنبي وأسألك رحمتك اللهم زدني علما ولا تزغ قلبي بعد إذ هديتني وهب لي من لدنك رحمة إنك أنت الوهاب " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে সজাগ হলে বলতেনঃ হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আমার গুনাহের জন্য ক্ষমা ও রহমত কামনা করছি। হে আল্লাহ! আমার ইলম বাড়িয়ে দিন এবং হিদায়াত দানের পর আমার অন্তরকে বাঁকা করবেন না এবং আমার জন্য আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহাদানকারী। [৫০৫৯] দুর্বলঃ মিশকাত হা/১২১৪।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে সজাগ হলে বলতেনঃ হে আল্লাহ! আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আপনার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট আমার গুনাহের জন্য ক্ষমা ও রহমত কামনা করছি। হে আল্লাহ! আমার ইলম বাড়িয়ে দিন এবং হিদায়াত দানের পর আমার অন্তরকে বাঁকা করবেন না এবং আমার জন্য আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি মহাদানকারী। [৫০৫৯] দুর্বলঃ মিশকাত হা/১২১৪।
حدثنا حامد بن يحيى، حدثنا أبو عبد الرحمن، حدثنا سعيد، - يعني ابن أبي أيوب - قال حدثني عبد الله بن الوليد، عن سعيد بن المسيب، عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا استيقظ من الليل قال " لا إله إلا أنت سبحانك اللهم أستغفرك لذنبي وأسألك رحمتك اللهم زدني علما ولا تزغ قلبي بعد إذ هديتني وهب لي من لدنك رحمة إنك أنت الوهاب " .
সুনানে আবু দাউদ > ঘুমানোর সময় তাসবীহ পাঠ সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬২
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، - المعنى - عن الحكم، عن ابن أبي ليلى، - قال مسدد - قال حدثنا علي، قال شكت فاطمة إلى النبي صلى الله عليه وسلم ما تلقى في يدها من الرحى فأتي بسبى فأتته تسأله فلم تره فأخبرت بذلك عائشة فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته فأتانا وقد أخذنا مضاجعنا فذهبنا لنقوم فقال " على مكانكما " . فجاء فقعد بيننا حتى وجدت برد قدميه على صدري فقال " ألا أدلكما على خير مما سألتما إذا أخذتما مضاجعكما فسبحا ثلاثا وثلاثين واحمدا ثلاثا وثلاثين وكبرا أربعا وثلاثين فهو خير لكما من خادم " .
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যাঁতা ঘুরাতে ঘুরাতে ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর হাতে ফোসকা পড়ে যাওয়ায় তিনি একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করেন। কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী থেকে ফাত্বিমাহ (রাঃ) একটি খাদেম চাওয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন, কিন্তু তাঁর দেখা না পেয়ে তিনি এ বিষয়ে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জানিয়ে চলে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসলে তিনি তাঁকে বিষয়টি জানালেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় আমাদের নিকট উপস্থিত হলেন যখন আমরা ঘুমাতে যাচ্ছিলাম। তাঁর আগমনে আমরা বিছানা থেকে উঠতে উদ্যত হলে তিনি বললেনঃ তোমরা স্বস্থানে থাকো। তিনি এসে আমাদের দু’জনের মাঝখনে বসলেন। এমনকি আমি তাঁর পায়ের শীতল পরশ আমার বুকে অনুভব করছিলাম। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের দু’জন কে এমন একটি উত্তম পথ দেখাবনা যা তোমাদের পার্থিব জিনিসের চেয়ে উত্তম হবে? তা হলো তোমরা শোয়ার সময় তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশ বার আল্হামদু লিল্লাহ ও চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার বলবে। আর এটা তোমাদের উভয়ের জন্য একটি খাদেমের চেয়ে অধিক উত্তম হবে।
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যাঁতা ঘুরাতে ঘুরাতে ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর হাতে ফোসকা পড়ে যাওয়ায় তিনি একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অভিযোগ করেন। কিছু সংখ্যক যুদ্ধবন্দী থেকে ফাত্বিমাহ (রাঃ) একটি খাদেম চাওয়ার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলেন, কিন্তু তাঁর দেখা না পেয়ে তিনি এ বিষয়ে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জানিয়ে চলে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফিরে আসলে তিনি তাঁকে বিষয়টি জানালেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন সময় আমাদের নিকট উপস্থিত হলেন যখন আমরা ঘুমাতে যাচ্ছিলাম। তাঁর আগমনে আমরা বিছানা থেকে উঠতে উদ্যত হলে তিনি বললেনঃ তোমরা স্বস্থানে থাকো। তিনি এসে আমাদের দু’জনের মাঝখনে বসলেন। এমনকি আমি তাঁর পায়ের শীতল পরশ আমার বুকে অনুভব করছিলাম। তিনি বললেনঃ আমি কি তোমাদের দু’জন কে এমন একটি উত্তম পথ দেখাবনা যা তোমাদের পার্থিব জিনিসের চেয়ে উত্তম হবে? তা হলো তোমরা শোয়ার সময় তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশ বার আল্হামদু লিল্লাহ ও চৌত্রিশবার আল্লাহু আকবার বলবে। আর এটা তোমাদের উভয়ের জন্য একটি খাদেমের চেয়ে অধিক উত্তম হবে।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، - المعنى - عن الحكم، عن ابن أبي ليلى، - قال مسدد - قال حدثنا علي، قال شكت فاطمة إلى النبي صلى الله عليه وسلم ما تلقى في يدها من الرحى فأتي بسبى فأتته تسأله فلم تره فأخبرت بذلك عائشة فلما جاء النبي صلى الله عليه وسلم أخبرته فأتانا وقد أخذنا مضاجعنا فذهبنا لنقوم فقال " على مكانكما " . فجاء فقعد بيننا حتى وجدت برد قدميه على صدري فقال " ألا أدلكما على خير مما سألتما إذا أخذتما مضاجعكما فسبحا ثلاثا وثلاثين واحمدا ثلاثا وثلاثين وكبرا أربعا وثلاثين فهو خير لكما من خادم " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬৩
حدثنا مؤمل بن هشام اليشكري، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، عن أبي الورد بن ثمامة، قال قال علي لابن أعبد ألا أحدثك عني وعن فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانت أحب أهله إليه وكانت عندي فجرت بالرحى حتى أثرت بيدها واستقت بالقربة حتى أثرت في نحرها وقمت البيت حتى اغبرت ثيابها وأوقدت القدر حتى دكنت ثيابها وأصابها من ذلك ضر فسمعنا أن رقيقا أتي بهم إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت لو أتيت أباك فسألتيه خادما يكفيك . فأتته فوجدت عنده حداثا فاستحيت فرجعت فغدا علينا ونحن في لفاعنا فجلس عند رأسها فأدخلت رأسها في اللفاع حياء من أبيها فقال " ما كان حاجتك أمس إلى آل محمد " . فسكتت مرتين فقلت أنا والله أحدثك يا رسول الله إن هذه جرت عندي بالرحى حتى أثرت في يدها واستقت بالقربة حتى أثرت في نحرها وكسحت البيت حتى اغبرت ثيابها وأوقدت القدر حتى دكنت ثيابها وبلغنا أنه قد أتاك رقيق أو خدم فقلت لها سليه خادما . فذكر معنى حديث الحكم وأتم .
আবুল ওয়ারদ ইবনু সুমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) ইবনু আ’বাদকে বলেন, আমি আমার স্ত্রী ও রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কন্যা ফাত্বিমাহ্র ঘটনা কি তোমাকে বর্ণনা করবো না? তিনি ছিলেন তাঁর নিকট তাঁর পরিবারের সর্বাধিক প্রিয় এবং আমি তাকে বিয়ে করেছি। যাতা ঘুরাতে ঘুরাতে তার হাতে এবং পানির মশক বহন করায় তার কাঁধে দাগ পড়ে যায়; ঘর ঝাড়ু দেয়ায় ও রান্নাঘর পরিষ্কার করায় তার কাপড়ে ময়লা লেগে যায়; এতে ফাত্বিমাহ্র খুব কষ্ট হয়। আমরা শুনতে পেলাম যে, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট যুদ্ধবন্দী এসেছে। তাই আমি তাকে বললাম, তুমি যদি তোমার পিতার নিকট গিয়ে একটি খাদেম চেয়ে আনতে তাহলে তোমার জন্য যথেষ্ট উপকার হতো। তারপর তিনি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যান, সেখানে কতক লোক তাঁর সাথে আলোচনারত থাকায় তিনি লজ্জায় না বলে ফিরে আসেন। পরের দিন ভোরে তিনি আমদের ঘরে আসলেন, এসময় আমরা লেপের ভিতরে ছিলাম। তিনি ফাত্বিমাহ্র মাথার নিকট বসলেন। ফাত্বিমাহ্ লজ্জায় মাথা লেপের ভিতরে লুকালো। তিনি প্রশ্ন করলেন : গতকাল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারে তোমার কি দরকার ছিল? এভাবে তিনি দু’বার প্রশ্ন করলেও তিনি চুপ থাকেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ কসম! আমি বলছি। সে আমার এখানে যাঁতা ঘুরানোর কারণে তার হাতে দাগ পড়েছে, পানির মশক টানতে টানতে তার কাঁধে দাগ পড়েছে, ঘর ঝাড়ু দেয়া ও রান্না করায় তার কাপড়গুলো কালো হয়ে গেছে। আমি খবর পেয়েছিলাম যে, আপনার নিকট যুদ্ধবন্দী এসেছে। আমি আপনার নিকট একজন খাদেম চাওয়ার জন্য তাকে বলেছিলাম। অতঃপর হাকাম বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। [৫০৬১]
আবুল ওয়ারদ ইবনু সুমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) ইবনু আ’বাদকে বলেন, আমি আমার স্ত্রী ও রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কন্যা ফাত্বিমাহ্র ঘটনা কি তোমাকে বর্ণনা করবো না? তিনি ছিলেন তাঁর নিকট তাঁর পরিবারের সর্বাধিক প্রিয় এবং আমি তাকে বিয়ে করেছি। যাতা ঘুরাতে ঘুরাতে তার হাতে এবং পানির মশক বহন করায় তার কাঁধে দাগ পড়ে যায়; ঘর ঝাড়ু দেয়ায় ও রান্নাঘর পরিষ্কার করায় তার কাপড়ে ময়লা লেগে যায়; এতে ফাত্বিমাহ্র খুব কষ্ট হয়। আমরা শুনতে পেলাম যে, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট যুদ্ধবন্দী এসেছে। তাই আমি তাকে বললাম, তুমি যদি তোমার পিতার নিকট গিয়ে একটি খাদেম চেয়ে আনতে তাহলে তোমার জন্য যথেষ্ট উপকার হতো। তারপর তিনি নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যান, সেখানে কতক লোক তাঁর সাথে আলোচনারত থাকায় তিনি লজ্জায় না বলে ফিরে আসেন। পরের দিন ভোরে তিনি আমদের ঘরে আসলেন, এসময় আমরা লেপের ভিতরে ছিলাম। তিনি ফাত্বিমাহ্র মাথার নিকট বসলেন। ফাত্বিমাহ্ লজ্জায় মাথা লেপের ভিতরে লুকালো। তিনি প্রশ্ন করলেন : গতকাল মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরিবারে তোমার কি দরকার ছিল? এভাবে তিনি দু’বার প্রশ্ন করলেও তিনি চুপ থাকেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহ কসম! আমি বলছি। সে আমার এখানে যাঁতা ঘুরানোর কারণে তার হাতে দাগ পড়েছে, পানির মশক টানতে টানতে তার কাঁধে দাগ পড়েছে, ঘর ঝাড়ু দেয়া ও রান্না করায় তার কাপড়গুলো কালো হয়ে গেছে। আমি খবর পেয়েছিলাম যে, আপনার নিকট যুদ্ধবন্দী এসেছে। আমি আপনার নিকট একজন খাদেম চাওয়ার জন্য তাকে বলেছিলাম। অতঃপর হাকাম বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। [৫০৬১]
حدثنا مؤمل بن هشام اليشكري، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، عن الجريري، عن أبي الورد بن ثمامة، قال قال علي لابن أعبد ألا أحدثك عني وعن فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم وكانت أحب أهله إليه وكانت عندي فجرت بالرحى حتى أثرت بيدها واستقت بالقربة حتى أثرت في نحرها وقمت البيت حتى اغبرت ثيابها وأوقدت القدر حتى دكنت ثيابها وأصابها من ذلك ضر فسمعنا أن رقيقا أتي بهم إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقلت لو أتيت أباك فسألتيه خادما يكفيك . فأتته فوجدت عنده حداثا فاستحيت فرجعت فغدا علينا ونحن في لفاعنا فجلس عند رأسها فأدخلت رأسها في اللفاع حياء من أبيها فقال " ما كان حاجتك أمس إلى آل محمد " . فسكتت مرتين فقلت أنا والله أحدثك يا رسول الله إن هذه جرت عندي بالرحى حتى أثرت في يدها واستقت بالقربة حتى أثرت في نحرها وكسحت البيت حتى اغبرت ثيابها وأوقدت القدر حتى دكنت ثيابها وبلغنا أنه قد أتاك رقيق أو خدم فقلت لها سليه خادما . فذكر معنى حديث الحكم وأتم .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬৫
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خصلتان أو خلتان لا يحافظ عليهما عبد مسلم إلا دخل الجنة هما يسير ومن يعمل بهما قليل يسبح في دبر كل صلاة عشرا ويحمد عشرا ويكبر عشرا فذلك خمسون ومائة باللسان وألف وخمسمائة في الميزان ويكبر أربعا وثلاثين إذا أخذ مضجعه ويحمد ثلاثا وثلاثين ويسبح ثلاثا وثلاثين فذلك مائة باللسان وألف في الميزان " . فلقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يعقدها بيده قالوا يا رسول الله كيف هما يسير ومن يعمل بهما قليل قال " يأتي أحدكم - يعني الشيطان - في منامه فينومه قبل أن يقوله ويأتيه في صلاته فيذكره حاجة قبل أن يقولها " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি বিষয় বা দু’টি অভ্যাসের প্রতি যে মুসলিম খেয়াল রাখবে সে নিশ্চয়ই জান্নাতে যাবে। অভ্যাস দু’টি সহজ কিন্তু তা আমলকারীর সংখ্যা কম। তা হলো (১) প্রত্যেক সলাতের পর দশবার সুবহানাল্লাহ, দশবার আল্হামদু লিল্লাহ ও দশবার আল্লাহু আকবার বলবে। মুখে (পাঁচ ওয়াক্তে) এর সংখ্যা একশ পঞ্চাশ, কিন্তু মীযানে তা একহাজার পাঁচশ। (২) যখন শয্যায় যাবে চৌত্রিশ বার আল্লাহু আকবার, তেত্রিশ বার আল্হামদু লিল্লাহ ও তেত্রিশ বার সুবহানাল্লাহ বলবে। তা মুখে একশ কিন্তু মীযানে একহাজার। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তা হাতের আঙ্গুলে গণনা করতে দেখেছি। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! অভ্যাস দু’টি সহজ হওয়া সত্ত্বেও এর আমলকারীর সংখ্যা কম কেন? তিনি বললেনঃ তোমরা বিছানায় ঘুমাতে গেলে শয়তান তোমাদের কোন লোককে তা বলার আগেই ঘুম পাড়িয়ে দেয়। আর সলাতের মধ্যে শয়তান এসে তার বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং সে ঐগুলো বলার আগেই প্রয়োজনের দিকে চলে যায়।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দু’টি বিষয় বা দু’টি অভ্যাসের প্রতি যে মুসলিম খেয়াল রাখবে সে নিশ্চয়ই জান্নাতে যাবে। অভ্যাস দু’টি সহজ কিন্তু তা আমলকারীর সংখ্যা কম। তা হলো (১) প্রত্যেক সলাতের পর দশবার সুবহানাল্লাহ, দশবার আল্হামদু লিল্লাহ ও দশবার আল্লাহু আকবার বলবে। মুখে (পাঁচ ওয়াক্তে) এর সংখ্যা একশ পঞ্চাশ, কিন্তু মীযানে তা একহাজার পাঁচশ। (২) যখন শয্যায় যাবে চৌত্রিশ বার আল্লাহু আকবার, তেত্রিশ বার আল্হামদু লিল্লাহ ও তেত্রিশ বার সুবহানাল্লাহ বলবে। তা মুখে একশ কিন্তু মীযানে একহাজার। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তা হাতের আঙ্গুলে গণনা করতে দেখেছি। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! অভ্যাস দু’টি সহজ হওয়া সত্ত্বেও এর আমলকারীর সংখ্যা কম কেন? তিনি বললেনঃ তোমরা বিছানায় ঘুমাতে গেলে শয়তান তোমাদের কোন লোককে তা বলার আগেই ঘুম পাড়িয়ে দেয়। আর সলাতের মধ্যে শয়তান এসে তার বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং সে ঐগুলো বলার আগেই প্রয়োজনের দিকে চলে যায়।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خصلتان أو خلتان لا يحافظ عليهما عبد مسلم إلا دخل الجنة هما يسير ومن يعمل بهما قليل يسبح في دبر كل صلاة عشرا ويحمد عشرا ويكبر عشرا فذلك خمسون ومائة باللسان وألف وخمسمائة في الميزان ويكبر أربعا وثلاثين إذا أخذ مضجعه ويحمد ثلاثا وثلاثين ويسبح ثلاثا وثلاثين فذلك مائة باللسان وألف في الميزان " . فلقد رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يعقدها بيده قالوا يا رسول الله كيف هما يسير ومن يعمل بهما قليل قال " يأتي أحدكم - يعني الشيطان - في منامه فينومه قبل أن يقوله ويأتيه في صلاته فيذكره حاجة قبل أن يقولها " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬৪
حدثنا عباس العنبري، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن يزيد بن الهاد، عن محمد بن كعب القرظي، عن شبث بن ربعي، عن علي، عليه السلام عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الخبر قال فيه قال علي فما تركتهن منذ سمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا ليلة صفين فإني ذكرتها من آخر الليل فقلتها .
‘আলী (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণনাকারী বলেন, ‘আলী (রাঃ) বললেন, আমি সিফফীন যুদ্ধের রাত ব্যতীত এ তাসবীহগুলোর পড়া কখনো ছাড়িনি: যখন হতে আমি তা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট শুনেছি। অবশ্য ঐ রাতের শেষ প্রহরে আমার তা স্মরণ হলে আমি তাসবীহগুলো আদায় করেছি। [৫০৬২]
‘আলী (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণনাকারী বলেন, ‘আলী (রাঃ) বললেন, আমি সিফফীন যুদ্ধের রাত ব্যতীত এ তাসবীহগুলোর পড়া কখনো ছাড়িনি: যখন হতে আমি তা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট শুনেছি। অবশ্য ঐ রাতের শেষ প্রহরে আমার তা স্মরণ হলে আমি তাসবীহগুলো আদায় করেছি। [৫০৬২]
حدثنا عباس العنبري، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن يزيد بن الهاد، عن محمد بن كعب القرظي، عن شبث بن ربعي، عن علي، عليه السلام عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الخبر قال فيه قال علي فما تركتهن منذ سمعتهن من رسول الله صلى الله عليه وسلم إلا ليلة صفين فإني ذكرتها من آخر الليل فقلتها .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬৬
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، قال حدثني عياش بن عقبة الحضرمي، عن الفضل بن حسن الضمري، أن ابن أم الحكم، أو ضباعة ابنتى الزبير حدثه عن إحداهما، أنها قالت أصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم سبيا فذهبت أنا وأختي وفاطمة بنت النبي صلى الله عليه وسلم إلى النبي صلى الله عليه وسلم فشكونا إليه ما نحن فيه وسألناه أن يأمر لنا بشىء من السبى . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سبقكن يتامى بدر " . ثم ذكر قصة التسبيح قال على أثر كل صلاة لم يذكر النوم .
উম্মুল হাকাম বা দুবা‘আহ বিনতু যূবাইর (রাঃ) উভয়ের একজন অপরজন থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু যুদ্ধবন্দী পেলেন। আমি, আমার বোন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাত্বিমাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে আমাদের সমস্যার কথা জানিয়ে আমাদেরকে বন্দি থেকে (খাদেম) দেয়ার নির্দেশ দিতে আবেদন করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের আগে বদরের যুদ্ধে শহীদদের ইয়াতীম সন্তানরা অগ্রগামী হয়ে গেছে। অতঃপর বর্ণনাকারী তাসবীহ পাঠের কথা উল্লেখ করেন। বর্ণনাকারী বলেন, প্রত্যেক সলাতের পর, কিন্তু তিনি ঘুমের কথা উল্লেখ করেননি। [৫০৬৪]
উম্মুল হাকাম বা দুবা‘আহ বিনতু যূবাইর (রাঃ) উভয়ের একজন অপরজন থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিছু যুদ্ধবন্দী পেলেন। আমি, আমার বোন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাত্বিমাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে আমাদের সমস্যার কথা জানিয়ে আমাদেরকে বন্দি থেকে (খাদেম) দেয়ার নির্দেশ দিতে আবেদন করলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের আগে বদরের যুদ্ধে শহীদদের ইয়াতীম সন্তানরা অগ্রগামী হয়ে গেছে। অতঃপর বর্ণনাকারী তাসবীহ পাঠের কথা উল্লেখ করেন। বর্ণনাকারী বলেন, প্রত্যেক সলাতের পর, কিন্তু তিনি ঘুমের কথা উল্লেখ করেননি। [৫০৬৪]
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، قال حدثني عياش بن عقبة الحضرمي، عن الفضل بن حسن الضمري، أن ابن أم الحكم، أو ضباعة ابنتى الزبير حدثه عن إحداهما، أنها قالت أصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم سبيا فذهبت أنا وأختي وفاطمة بنت النبي صلى الله عليه وسلم إلى النبي صلى الله عليه وسلم فشكونا إليه ما نحن فيه وسألناه أن يأمر لنا بشىء من السبى . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سبقكن يتامى بدر " . ثم ذكر قصة التسبيح قال على أثر كل صلاة لم يذكر النوم .
সুনানে আবু দাউদ > সকালে ঘুম থেকে উঠে যা বলতে হয়
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬৭
حدثنا مسدد، حدثنا هشيم، عن يعلى بن عطاء، عن عمرو بن عاصم، عن أبي هريرة، أن أبا بكر الصديق، رضى الله عنه قال يا رسول الله مرني بكلمات أقولهن إذا أصبحت وإذا أمسيت . قال " قل اللهم فاطر السموات والأرض عالم الغيب والشهادة رب كل شىء ومليكه أشهد أن لا إله إلا أنت أعوذ بك من شر نفسي وشر الشيطان وشركه " . قال " قلها إذا أصبحت وإذا أمسيت وإذا أخذت مضجعك " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাকে এমন কিছু কালেমা শিখিয়ে দিন যা আমি সকাল-সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলবো। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ্! আপনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞাতা, প্রত্যেক বস্তুর রব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। আমার মনের কু-প্রবৃত্তি, শয়তানের খারাবী ও তার শির্কী হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাইছি।” তিনি বলেনঃ হে আবূ বাক্র! তুমি এ কথাগুলো ভোরে, সন্ধ্যায় ও শোয়ার সময় বলবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ বাক্র সিদ্দীক (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাকে এমন কিছু কালেমা শিখিয়ে দিন যা আমি সকাল-সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলবো। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ্! আপনি আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞাতা, প্রত্যেক বস্তুর রব ও মালিক! আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আপনি ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই। আমার মনের কু-প্রবৃত্তি, শয়তানের খারাবী ও তার শির্কী হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাইছি।” তিনি বলেনঃ হে আবূ বাক্র! তুমি এ কথাগুলো ভোরে, সন্ধ্যায় ও শোয়ার সময় বলবে।
حدثنا مسدد، حدثنا هشيم، عن يعلى بن عطاء، عن عمرو بن عاصم، عن أبي هريرة، أن أبا بكر الصديق، رضى الله عنه قال يا رسول الله مرني بكلمات أقولهن إذا أصبحت وإذا أمسيت . قال " قل اللهم فاطر السموات والأرض عالم الغيب والشهادة رب كل شىء ومليكه أشهد أن لا إله إلا أنت أعوذ بك من شر نفسي وشر الشيطان وشركه " . قال " قلها إذا أصبحت وإذا أمسيت وإذا أخذت مضجعك " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول إذا أصبح " اللهم بك أصبحنا وبك أمسينا وبك نحيا وبك نموت وإليك النشور " . وإذا أمسى قال " اللهم بك أمسينا وبك نحيا وبك نموت وإليك النشور " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোরে উপনীত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ্! আপনার অনুগ্রহে আমরা ভোরে উপনীত হই, সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং বাঁচি ও মরি। আর আপনার দিকেই আমাদের প্রত্যাবর্তন”। আর তিনি যখন সন্ধ্যায় উপনীত হতেন তখন বলতেনঃ “হে আল্লাহ্! আপনারই সাহায্যে আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং সকালে উপনীত হই, আপনার নামেই আমরা বাঁচি ও মরি এবং আপনারই দিকে আমাদের আমাদের প্রত্যাবর্তন”।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভোরে উপনীত হয়ে বলতেনঃ “হে আল্লাহ্! আপনার অনুগ্রহে আমরা ভোরে উপনীত হই, সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং বাঁচি ও মরি। আর আপনার দিকেই আমাদের প্রত্যাবর্তন”। আর তিনি যখন সন্ধ্যায় উপনীত হতেন তখন বলতেনঃ “হে আল্লাহ্! আপনারই সাহায্যে আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হই এবং সকালে উপনীত হই, আপনার নামেই আমরা বাঁচি ও মরি এবং আপনারই দিকে আমাদের আমাদের প্রত্যাবর্তন”।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه كان يقول إذا أصبح " اللهم بك أصبحنا وبك أمسينا وبك نحيا وبك نموت وإليك النشور " . وإذا أمسى قال " اللهم بك أمسينا وبك نحيا وبك نموت وإليك النشور " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭০
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا الوليد بن ثعلبة الطائي، عن ابن بريدة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح أو حين يمسي اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت أعوذ بك من شر ما صنعت أبوء بنعمتك وأبوء بذنبي فاغفر لي إنه لا يغفر الذنوب إلا أنت . فمات من يومه أو من ليلته دخل الجنة " .
বুরাইদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলেঃ “হে আল্লাহ্! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আমাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনারই বান্দা। আমি যথাসাধ্য আপনার সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতির উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবো। আমি আমার নিকৃষ্ট আমল থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই, আপনার যে অসংখ্য নেয়ামত ভোগ করছি এজন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আমি আমার কৃত অপরাধ স্বীকার করছি। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। বস্তুত আপনি ছাড়া অপরাধ ক্ষমা করার কেউ নেই” – এ দু’আ পড়ার পর সে যদি ঐ দিন বা রাতে মারা যায় তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
বুরাইদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলেঃ “হে আল্লাহ্! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আমাকে আপনি সৃষ্টি করেছেন, আমি আপনারই বান্দা। আমি যথাসাধ্য আপনার সঙ্গে কৃত প্রতিশ্রুতির উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবো। আমি আমার নিকৃষ্ট আমল থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই, আপনার যে অসংখ্য নেয়ামত ভোগ করছি এজন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আমি আমার কৃত অপরাধ স্বীকার করছি। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। বস্তুত আপনি ছাড়া অপরাধ ক্ষমা করার কেউ নেই” – এ দু’আ পড়ার পর সে যদি ঐ দিন বা রাতে মারা যায় তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا الوليد بن ثعلبة الطائي، عن ابن بريدة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح أو حين يمسي اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت خلقتني وأنا عبدك وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت أعوذ بك من شر ما صنعت أبوء بنعمتك وأبوء بذنبي فاغفر لي إنه لا يغفر الذنوب إلا أنت . فمات من يومه أو من ليلته دخل الجنة " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৬৯
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا محمد بن أبي فديك، قال أخبرني عبد الرحمن بن عبد المجيد، عن هشام بن الغاز بن ربيعة، عن مكحول الدمشقي، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح أو يمسي اللهم إني أصبحت أشهدك وأشهد حملة عرشك وملائكتك وجميع خلقك أنك أنت الله لا إله إلا أنت وأن محمدا عبدك ورسولك أعتق الله ربعه من النار فمن قالها مرتين أعتق الله نصفه ومن قالها ثلاثا أعتق الله ثلاثة أرباعه فإن قالها أربعا أعتقه الله من النار " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলবেঃ “হে আল্লাহ্! আমি সকালে উপনীত হয়েছি এবং সাক্ষী রাখি আপনাকে ও আপনার আরশ বহনকারীদের, আপনার ফেরেশতাদেরকে, আপনার সমস্ত সৃষ্টিকে, নিশ্চয়ই আপনি একমাত্র আল্লাহ্, আপনি ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার বান্দা ও রাসূল”-আল্লাহ তার এক-চতুর্থাংশ দেহ জাহান্নামের শাস্তি হতে মুক্তি দিবেন। আর যে ব্যক্তি তা দুইবার বলবে, আল্লাহ তার শরীরের অর্ধেক জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দিবেন। আর যে ব্যক্তি তা তিনবার বলবে আল্লাহ তার শরীরের তিন-চতুর্থাংশ এবং চারবার বললে তার সমস্ত শরীর জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দিবেন। [৫০৬৭]
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলবেঃ “হে আল্লাহ্! আমি সকালে উপনীত হয়েছি এবং সাক্ষী রাখি আপনাকে ও আপনার আরশ বহনকারীদের, আপনার ফেরেশতাদেরকে, আপনার সমস্ত সৃষ্টিকে, নিশ্চয়ই আপনি একমাত্র আল্লাহ্, আপনি ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার বান্দা ও রাসূল”-আল্লাহ তার এক-চতুর্থাংশ দেহ জাহান্নামের শাস্তি হতে মুক্তি দিবেন। আর যে ব্যক্তি তা দুইবার বলবে, আল্লাহ তার শরীরের অর্ধেক জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দিবেন। আর যে ব্যক্তি তা তিনবার বলবে আল্লাহ তার শরীরের তিন-চতুর্থাংশ এবং চারবার বললে তার সমস্ত শরীর জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি দিবেন। [৫০৬৭]
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا محمد بن أبي فديك، قال أخبرني عبد الرحمن بن عبد المجيد، عن هشام بن الغاز بن ربيعة، عن مكحول الدمشقي، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح أو يمسي اللهم إني أصبحت أشهدك وأشهد حملة عرشك وملائكتك وجميع خلقك أنك أنت الله لا إله إلا أنت وأن محمدا عبدك ورسولك أعتق الله ربعه من النار فمن قالها مرتين أعتق الله نصفه ومن قالها ثلاثا أعتق الله ثلاثة أرباعه فإن قالها أربعا أعتقه الله من النار " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৩
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا يحيى بن حسان، وإسماعيل، قالا حدثنا سليمان بن بلال، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن عبد الله بن عنبسة، عن عبد الله بن غنام البياضي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح اللهم ما أصبح بي من نعمة فمنك وحدك لا شريك لك فلك الحمد ولك الشكر . فقد أدى شكر يومه ومن قال مثل ذلك حين يمسي فقد أدى شكر ليلته " .
আবদুল্লাহ ইবনু গান্নাম আল-বায়াদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উপনীত হয়ে বলেনঃ “হে আল্লাহ্! সকালে আমার প্রতি যে নেয়ামত পৌছেছে তা একমাত্র আপনার পক্ষ থেকেই পৌছলো, আপনি একক, আপনার কোন শরীক নেই, সমস্ত প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আপনারই প্রাপ্য’-সে তার ঐ দিনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে এরূপ বললো সে তার ঐ রাতের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলো। [৫০৭১]
আবদুল্লাহ ইবনু গান্নাম আল-বায়াদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উপনীত হয়ে বলেনঃ “হে আল্লাহ্! সকালে আমার প্রতি যে নেয়ামত পৌছেছে তা একমাত্র আপনার পক্ষ থেকেই পৌছলো, আপনি একক, আপনার কোন শরীক নেই, সমস্ত প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আপনারই প্রাপ্য’-সে তার ঐ দিনের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে এরূপ বললো সে তার ঐ রাতের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করলো। [৫০৭১]
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا يحيى بن حسان، وإسماعيل، قالا حدثنا سليمان بن بلال، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن عبد الله بن عنبسة، عن عبد الله بن غنام البياضي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح اللهم ما أصبح بي من نعمة فمنك وحدك لا شريك لك فلك الحمد ولك الشكر . فقد أدى شكر يومه ومن قال مثل ذلك حين يمسي فقد أدى شكر ليلته " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৩
حدثنا محمد بن عوف، حدثنا محمد بن إسماعيل، قال حدثني أبي، - قال ابن عوف ورأيته في أصل إسماعيل - قال حدثني ضمضم، عن شريح، عن أبي مالك، قال قالوا يا رسول الله حدثنا بكلمة، نقولها إذا أصبحنا وأمسينا واضطجعنا فأمرهم أن يقولوا : اللهم فاطر السموات والأرض عالم الغيب والشهادة أنت رب كل شىء والملائكة يشهدون أنك لا إله إلا أنت فإنا نعوذ بك من شر أنفسنا ومن شر الشيطان الرجيم وشركه وأن نقترف سوءا على أنفسنا أو نجره إلى مسلم .
আবূ মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদেরকে এমন কিছু বলুন যা আমরা সকাল-সন্ধ্যায় ও শোয়ার সময় পড়বো। তিনি তাদেরকে আদেশ দিলেন তারা যেন বলেঃ “হে আল্লাহ্, আকাশ-যমীনের সৃষ্টিকারী, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞাতা! আপনি প্রত্যেক বস্তুর রব। ফেরেশতারা সাক্ষ্য দিচ্ছে, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। অতএব আমরা আমাদের কু-প্রবৃত্তির অনিষ্ট হতে এবং অভিশপ্ত শয়তানের অনিষ্ট ও শির্ক হতে আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি এবং আমাদের অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়া বা কোন মুসলিমকে অপরাধের দিকে ধাবিত করা হতে আশ্রয় চাইছি”।[৫০৮১] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/৫৬০৬।
আবূ মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদেরকে এমন কিছু বলুন যা আমরা সকাল-সন্ধ্যায় ও শোয়ার সময় পড়বো। তিনি তাদেরকে আদেশ দিলেন তারা যেন বলেঃ “হে আল্লাহ্, আকাশ-যমীনের সৃষ্টিকারী, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞাতা! আপনি প্রত্যেক বস্তুর রব। ফেরেশতারা সাক্ষ্য দিচ্ছে, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। অতএব আমরা আমাদের কু-প্রবৃত্তির অনিষ্ট হতে এবং অভিশপ্ত শয়তানের অনিষ্ট ও শির্ক হতে আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি এবং আমাদের অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়া বা কোন মুসলিমকে অপরাধের দিকে ধাবিত করা হতে আশ্রয় চাইছি”।[৫০৮১] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/৫৬০৬।
حدثنا محمد بن عوف، حدثنا محمد بن إسماعيل، قال حدثني أبي، - قال ابن عوف ورأيته في أصل إسماعيل - قال حدثني ضمضم، عن شريح، عن أبي مالك، قال قالوا يا رسول الله حدثنا بكلمة، نقولها إذا أصبحنا وأمسينا واضطجعنا فأمرهم أن يقولوا : اللهم فاطر السموات والأرض عالم الغيب والشهادة أنت رب كل شىء والملائكة يشهدون أنك لا إله إلا أنت فإنا نعوذ بك من شر أنفسنا ومن شر الشيطان الرجيم وشركه وأن نقترف سوءا على أنفسنا أو نجره إلى مسلم .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৬
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني سليمان بن بلال، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان في سفر فأسحر يقول " سمع سامع بحمد الله ونعمته وحسن بلائه علينا اللهم صاحبنا فأفضل علينا " . عائذا بالله من النار .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফর করতেন তখন ভোর রাতে উপনীত হয়ে বলতেনঃ শ্রবণকারী শ্রবণ করুন, আল্লাহ্র প্রশংসা করছি আমাদের প্রতি তাঁর নেয়ামতসমূহ ও আশির্বাদসহ। হে আল্লাহ্! তুমি আমাদের সাথী হও এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করো। আর আমরা আল্লাহ্র নিকট জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি চাই।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফর করতেন তখন ভোর রাতে উপনীত হয়ে বলতেনঃ শ্রবণকারী শ্রবণ করুন, আল্লাহ্র প্রশংসা করছি আমাদের প্রতি তাঁর নেয়ামতসমূহ ও আশির্বাদসহ। হে আল্লাহ্! তুমি আমাদের সাথী হও এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করো। আর আমরা আল্লাহ্র নিকট জাহান্নামের আগুন হতে মুক্তি চাই।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني سليمان بن بلال، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا كان في سفر فأسحر يقول " سمع سامع بحمد الله ونعمته وحسن بلائه علينا اللهم صاحبنا فأفضل علينا " . عائذا بالله من النار .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭১
حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، ح وحدثنا محمد بن قدامة بن أعين، حدثنا جرير، عن الحسن بن عبيد الله، عن إبراهيم بن سويد، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول إذا أمسى " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له " . زاد في حديث جرير وأما زبيد كان يقول كان إبراهيم بن سويد يقول " لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير رب أسألك خير ما في هذه الليلة وخير ما بعدها وأعوذ بك من شر ما في هذه الليلة وشر ما بعدها رب أعوذ بك من الكسل ومن سوء الكبر أو الكفر رب أعوذ بك من عذاب في النار وعذاب في القبر " . وإذا أصبح قال ذلك أيضا " أصبحنا وأصبح الملك لله " . قال أبو داود رواه شعبة عن سلمة بن كهيل عن إبراهيم بن سويد قال " من سوء الكبر " . ولم يذكر سوء الكفر .
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলতেনঃ অর্থ “আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং রাজ্য আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে সন্ধ্যায় প্রবেশ করেছে, সকল প্রশংসা আল্লাহ্র, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই”। জারীর (রাঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে : “আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, তাঁরই জন্য সাম্রাজ্য, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাবান। হে আমার রব! আমি আপনার নিকট এ রাতের কল্যাণ চাইছি এবং রাতের পরবর্তী কল্যাণও কামনা করছি। আর এ রাতের সকল প্রকার অমঙ্গল হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং তারপরে যা আছে তার অমঙ্গল হতেও মুক্তি চাচ্ছি। হে আমার রব! আমি আপনার নিকট অলসতা, গর্ব-অহংকারের অনিষ্ট ও কুফরীর অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাইছি। হে রব! আমি আপনার নিকট জাহান্নামের শাস্তি ও কবরের শাস্তি হতে আশ্রয় চাইছি”। আর তিনি ভোরে উপনীত হয়েও এরুপ বলতেনঃ আমরা ভোরে উপনীত হলাম এবং আল্লাহ্র বাদশাহী সকাল বেলাও আছে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, শু’বাহ হাদীসটি সালামাহ ইবনু কুহাইল হতে ইবরাহীম ইবনু সুয়াইদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বার্ধক্যের অনিষ্ট হতে’ এবং তিনি ‘কুফরীর অনিষ্ট হতে’ উল্লেখ করেননি।
আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলতেনঃ অর্থ “আমরা সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি এবং রাজ্য আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে সন্ধ্যায় প্রবেশ করেছে, সকল প্রশংসা আল্লাহ্র, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই”। জারীর (রাঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে : “আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, তাঁরই জন্য সাম্রাজ্য, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাবান। হে আমার রব! আমি আপনার নিকট এ রাতের কল্যাণ চাইছি এবং রাতের পরবর্তী কল্যাণও কামনা করছি। আর এ রাতের সকল প্রকার অমঙ্গল হতে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি এবং তারপরে যা আছে তার অমঙ্গল হতেও মুক্তি চাচ্ছি। হে আমার রব! আমি আপনার নিকট অলসতা, গর্ব-অহংকারের অনিষ্ট ও কুফরীর অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাইছি। হে রব! আমি আপনার নিকট জাহান্নামের শাস্তি ও কবরের শাস্তি হতে আশ্রয় চাইছি”। আর তিনি ভোরে উপনীত হয়েও এরুপ বলতেনঃ আমরা ভোরে উপনীত হলাম এবং আল্লাহ্র বাদশাহী সকাল বেলাও আছে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, শু’বাহ হাদীসটি সালামাহ ইবনু কুহাইল হতে ইবরাহীম ইবনু সুয়াইদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বার্ধক্যের অনিষ্ট হতে’ এবং তিনি ‘কুফরীর অনিষ্ট হতে’ উল্লেখ করেননি।
حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، ح وحدثنا محمد بن قدامة بن أعين، حدثنا جرير، عن الحسن بن عبيد الله، عن إبراهيم بن سويد، عن عبد الرحمن بن يزيد، عن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقول إذا أمسى " أمسينا وأمسى الملك لله والحمد لله لا إله إلا الله وحده لا شريك له " . زاد في حديث جرير وأما زبيد كان يقول كان إبراهيم بن سويد يقول " لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير رب أسألك خير ما في هذه الليلة وخير ما بعدها وأعوذ بك من شر ما في هذه الليلة وشر ما بعدها رب أعوذ بك من الكسل ومن سوء الكبر أو الكفر رب أعوذ بك من عذاب في النار وعذاب في القبر " . وإذا أصبح قال ذلك أيضا " أصبحنا وأصبح الملك لله " . قال أبو داود رواه شعبة عن سلمة بن كهيل عن إبراهيم بن سويد قال " من سوء الكبر " . ولم يذكر سوء الكفر .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭২
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي عقيل، عن سابق بن ناجية، عن أبي سلام، أنه كان في مسجد حمص فمر به رجل فقالوا هذا خدم النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه فقال حدثني بحديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يتداوله بينك وبينه الرجال قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قال إذا أصبح وإذا أمسى رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد رسولا إلا كان حقا على الله أن يرضيه " .
আবূ সাল্লাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি হিমসের মাসজিদে ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি সেখান দিয়ে অতিক্রম করলে লোকেরা বললো, ইনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খেদমত করেছিলেন। অতএব আবূ সাল্লাম (রহঃ) তার নিকট গিয়ে বললেন, আপনি আমাকে একটি হাদীস বলুন যা আপনি অন্য কারো মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুখে শুনেছেন। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলেঃ ‘আমি আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাসূল হিসেবে সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে নিয়েছি’, এর বিনিময়ে আল্লাহ্ তাকে খুশি করবেন। [৫০৭০]
আবূ সাল্লাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি হিমসের মাসজিদে ছিলেন। তখন এক ব্যক্তি সেখান দিয়ে অতিক্রম করলে লোকেরা বললো, ইনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর খেদমত করেছিলেন। অতএব আবূ সাল্লাম (রহঃ) তার নিকট গিয়ে বললেন, আপনি আমাকে একটি হাদীস বলুন যা আপনি অন্য কারো মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুখে শুনেছেন। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে বলেঃ ‘আমি আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাসূল হিসেবে সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে নিয়েছি’, এর বিনিময়ে আল্লাহ্ তাকে খুশি করবেন। [৫০৭০]
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي عقيل، عن سابق بن ناجية، عن أبي سلام، أنه كان في مسجد حمص فمر به رجل فقالوا هذا خدم النبي صلى الله عليه وسلم فقام إليه فقال حدثني بحديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يتداوله بينك وبينه الرجال قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قال إذا أصبح وإذا أمسى رضينا بالله ربا وبالإسلام دينا وبمحمد رسولا إلا كان حقا على الله أن يرضيه " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৮
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا أبو مودود، عمن سمع أبان بن عثمان، يقول سمعت عثمان، - يعني ابن عفان - يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قال بسم الله الذي لا يضر مع اسمه شىء في الأرض ولا في السماء وهو السميع العليم ثلاث مرات لم تصبه فجأة بلاء حتى يصبح ومن قالها حين يصبح ثلاث مرات لم تصبه فجأة بلاء حتى يمسي " . قال فأصاب أبان بن عثمان الفالج فجعل الرجل الذي سمع منه الحديث ينظر إليه فقال له ما لك تنظر إلى فوالله ما كذبت على عثمان ولا كذب عثمان على النبي صلى الله عليه وسلم ولكن اليوم الذي أصابني فيه ما أصابني غضبت فنسيت أن أقولها .
আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি এবং তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় তিনবার বলবে: “আল্লাহর নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান ও যমীনের কোন বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।” সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোন হঠাৎ বিপদ আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার বলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার উপর কোন হঠাৎ বিপদ আসবে না। আবান (রাঃ) পক্ষাঘাতগ্রস্থ হলে যে লোকটি তার থেকে হাদীস শুনেছিল, তার দিকে তাকাচ্ছিল। তখন আবান তাকে বললেন, তোমার কি হয়েছে! তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছে কেনো? বিশ্বাস করো, আল্লাহর কসম! আমি ‘উসমান (রাঃ)-এর প্রতি মিথ্যা আরোপ করিনি আর ‘উসমান (রাঃ)-ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি মিথ্যা আরোপ করেননি। তবে যেদিন আমি পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়েছি সেদিন আমি রাগের বশে তা বলতে ভুলে গিয়েছি।
আবান ইবনু ‘উসমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি এবং তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় তিনবার বলবে: “আল্লাহর নামে যাঁর নামের বরকতে আসমান ও যমীনের কোন বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী।” সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোন হঠাৎ বিপদ আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার বলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার উপর কোন হঠাৎ বিপদ আসবে না। আবান (রাঃ) পক্ষাঘাতগ্রস্থ হলে যে লোকটি তার থেকে হাদীস শুনেছিল, তার দিকে তাকাচ্ছিল। তখন আবান তাকে বললেন, তোমার কি হয়েছে! তুমি আমার দিকে তাকাচ্ছে কেনো? বিশ্বাস করো, আল্লাহর কসম! আমি ‘উসমান (রাঃ)-এর প্রতি মিথ্যা আরোপ করিনি আর ‘উসমান (রাঃ)-ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রতি মিথ্যা আরোপ করেননি। তবে যেদিন আমি পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়েছি সেদিন আমি রাগের বশে তা বলতে ভুলে গিয়েছি।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا أبو مودود، عمن سمع أبان بن عثمان، يقول سمعت عثمان، - يعني ابن عفان - يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من قال بسم الله الذي لا يضر مع اسمه شىء في الأرض ولا في السماء وهو السميع العليم ثلاث مرات لم تصبه فجأة بلاء حتى يصبح ومن قالها حين يصبح ثلاث مرات لم تصبه فجأة بلاء حتى يمسي " . قال فأصاب أبان بن عثمان الفالج فجعل الرجل الذي سمع منه الحديث ينظر إليه فقال له ما لك تنظر إلى فوالله ما كذبت على عثمان ولا كذب عثمان على النبي صلى الله عليه وسلم ولكن اليوم الذي أصابني فيه ما أصابني غضبت فنسيت أن أقولها .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৯১
حدثنا محمد بن المنهال، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح بن القاسم، عن سهيل، عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال حين يصبح سبحان الله العظيم وبحمده مائة مرة وإذا أمسى كذلك لم يواف أحد من الخلائق بمثل ما وافى " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি সকালে জেগে উঠে একশো বার বলবেঃ “সুবাহানাল্লাহিল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহি” এবং সন্ধ্যায় উপনীত হয়েও অনুরূপ বলে, তাহলে সৃষ্টিকুলের কেউই তার মত মর্যাদা ও সওয়াব অর্জনে সক্ষম হবে না।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যক্তি সকালে জেগে উঠে একশো বার বলবেঃ “সুবাহানাল্লাহিল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহি” এবং সন্ধ্যায় উপনীত হয়েও অনুরূপ বলে, তাহলে সৃষ্টিকুলের কেউই তার মত মর্যাদা ও সওয়াব অর্জনে সক্ষম হবে না।
حدثنا محمد بن المنهال، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا روح بن القاسم، عن سهيل، عن سمى، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال حين يصبح سبحان الله العظيم وبحمده مائة مرة وإذا أمسى كذلك لم يواف أحد من الخلائق بمثل ما وافى " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৬
حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، قال أخبرنا ح، وحدثنا الربيع بن سليمان، قال حدثنا ابن وهب، قال أخبرني الليث، عن سعيد بن بشير النجاري، عن محمد بن عبد الرحمن البيلماني، - قال الربيع ابن البيلماني - عن أبيه، عن ابن عباس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " من قال حين يصبح { فسبحان الله حين تمسون وحين تصبحون * وله الحمد في السموات والأرض وعشيا وحين تظهرون } إلى { وكذلك تخرجون } أدرك ما فاته في يومه ذلك ومن قالهن حين يمسي أدرك ما فاته في ليلته " . قال الربيع عن الليث .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উঠে (এই আয়াত) বলবেঃ “সুতরাং তোমরা আল্লাহ্র পবিত্রতা ঘোষণা করো যখন সন্ধ্যায় উপনীত হও এবং যখন সকালে উপনীত হও, আর আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তাঁরই... তোমাদেরকে উত্থিত করা হবে” (সূরাহ রূমঃ ১৭-১৯) পর্যন্ত। তার ঐ দিনে যেসব (কল্যাণ) ছুটে গেলে, সে তা লাভ করবে। আর যে তা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে পড়বে সে লাভ করবে ঐ রাতে যেসব (কল্যাণ) তার হাতছাড়া হয়েছে। [৫০৭৪] খুবই দুর্বল : মিশকাত হা / ২৩৯৪।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উঠে (এই আয়াত) বলবেঃ “সুতরাং তোমরা আল্লাহ্র পবিত্রতা ঘোষণা করো যখন সন্ধ্যায় উপনীত হও এবং যখন সকালে উপনীত হও, আর আকাশসমূহ ও পৃথিবীতে সকল প্রশংসা তাঁরই... তোমাদেরকে উত্থিত করা হবে” (সূরাহ রূমঃ ১৭-১৯) পর্যন্ত। তার ঐ দিনে যেসব (কল্যাণ) ছুটে গেলে, সে তা লাভ করবে। আর যে তা সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে পড়বে সে লাভ করবে ঐ রাতে যেসব (কল্যাণ) তার হাতছাড়া হয়েছে। [৫০৭৪] খুবই দুর্বল : মিশকাত হা / ২৩৯৪।
حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، قال أخبرنا ح، وحدثنا الربيع بن سليمان، قال حدثنا ابن وهب، قال أخبرني الليث، عن سعيد بن بشير النجاري، عن محمد بن عبد الرحمن البيلماني، - قال الربيع ابن البيلماني - عن أبيه، عن ابن عباس، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " من قال حين يصبح { فسبحان الله حين تمسون وحين تصبحون * وله الحمد في السموات والأرض وعشيا وحين تظهرون } إلى { وكذلك تخرجون } أدرك ما فاته في يومه ذلك ومن قالهن حين يمسي أدرك ما فاته في ليلته " . قال الربيع عن الليث .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৫
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني عمرو، أن سالما الفراء، حدثه أن عبد الحميد مولى بني هاشم حدثه أن أمه حدثته وكانت، تخدم بعض بنات النبي صلى الله عليه وسلم أن بنت النبي، صلى الله عليه وسلم حدثتها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يعلمها فيقول " قولي حين تصبحين سبحان الله وبحمده لا قوة إلا بالله ما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن أعلم أن الله على كل شىء قدير وأن الله قد أحاط بكل شىء علما فإنه من قالهن حين يصبح حفظ حتى يمسي ومن قالهن حين يمسي حفظ حتى يصبح " .
বনু হাশিমের আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল হামীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার মা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যাদের কারো একজনের খেদমত করতেন, মা তাকে বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা তার নিকট বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে বলতেনঃ তুমি সকালে উঠে বলবেঃ “আল্লাহ্র পবিত্রতা তাঁর প্রশংসার সঙ্গে; কারো কোন শক্তি নেই আল্লাহ্র শক্তি ব্যতিত; আল্লাহ যা চান তাই হয়, যা চান না তা হয় না। আমি জানি, আল্লাহ সমস্ত কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আর আল্লাহ্ সকল বস্তুকে জ্ঞানের আওতায় ঘিরে রেখেছেন।” অতঃপর যে ব্যক্তি সকালে উঠে তা বলবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে। আর যে সন্ধ্যায় বলবে সে ভোর উপনীত হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে। [৫০৭৩] দুর্বল : মিশকাত হা/২৩৯৩।
বনু হাশিমের আযাদকৃত গোলাম ‘আবদুল হামীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার মা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যাদের কারো একজনের খেদমত করতেন, মা তাকে বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা তার নিকট বর্ণনা করেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে বলতেনঃ তুমি সকালে উঠে বলবেঃ “আল্লাহ্র পবিত্রতা তাঁর প্রশংসার সঙ্গে; কারো কোন শক্তি নেই আল্লাহ্র শক্তি ব্যতিত; আল্লাহ যা চান তাই হয়, যা চান না তা হয় না। আমি জানি, আল্লাহ সমস্ত কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আর আল্লাহ্ সকল বস্তুকে জ্ঞানের আওতায় ঘিরে রেখেছেন।” অতঃপর যে ব্যক্তি সকালে উঠে তা বলবে সে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে। আর যে সন্ধ্যায় বলবে সে ভোর উপনীত হওয়া পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে। [৫০৭৩] দুর্বল : মিশকাত হা/২৩৯৩।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني عمرو، أن سالما الفراء، حدثه أن عبد الحميد مولى بني هاشم حدثه أن أمه حدثته وكانت، تخدم بعض بنات النبي صلى الله عليه وسلم أن بنت النبي، صلى الله عليه وسلم حدثتها أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يعلمها فيقول " قولي حين تصبحين سبحان الله وبحمده لا قوة إلا بالله ما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن أعلم أن الله على كل شىء قدير وأن الله قد أحاط بكل شىء علما فإنه من قالهن حين يصبح حفظ حتى يمسي ومن قالهن حين يمسي حفظ حتى يصبح " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮১
حدثنا يزيد بن محمد الدمشقي، حدثنا عبد الرزاق بن مسلم الدمشقي، - وكان من ثقات المسلمين من المتعبدين - قال حدثنا مدرك بن سعد - قال يزيد شيخ ثقة - عن يونس بن ميسرة بن حلبس عن أم الدرداء عن أبي الدرداء رضى الله عنه قال من قال إذا أصبح وإذا أمسى حسبي الله لا إله إلا هو عليه توكلت وهو رب العرش العظيم سبع مرات كفاه الله ما أهمه صادقا كان بها أو كاذبا .
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে সাতবার বলেঃ “আল্লাহ্ আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি তাঁর উপর ভরসা করি এবং তিনি মহান আরশের রব’- আল্লাহ্ তার জন্য যথেষ্ট হবেন যা তাকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তার বিরুদ্ধে, চাই যেন সত্যিকারভাবে অথবা কৃত্রিমভাবে বলুক না কেন। [৫০৭৯] বানোয়াট : যঈফাহ হা / ৫২৮৬।
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে সাতবার বলেঃ “আল্লাহ্ আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি তাঁর উপর ভরসা করি এবং তিনি মহান আরশের রব’- আল্লাহ্ তার জন্য যথেষ্ট হবেন যা তাকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তার বিরুদ্ধে, চাই যেন সত্যিকারভাবে অথবা কৃত্রিমভাবে বলুক না কেন। [৫০৭৯] বানোয়াট : যঈফাহ হা / ৫২৮৬।
حدثنا يزيد بن محمد الدمشقي، حدثنا عبد الرزاق بن مسلم الدمشقي، - وكان من ثقات المسلمين من المتعبدين - قال حدثنا مدرك بن سعد - قال يزيد شيخ ثقة - عن يونس بن ميسرة بن حلبس عن أم الدرداء عن أبي الدرداء رضى الله عنه قال من قال إذا أصبح وإذا أمسى حسبي الله لا إله إلا هو عليه توكلت وهو رب العرش العظيم سبع مرات كفاه الله ما أهمه صادقا كان بها أو كاذبا .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৭
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، ووهيب، نحوه عن سهيل، عن أبيه، عن ابن أبي عائش، - وقال حماد عن أبي عياش، - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال إذا أصبح لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير كان له عدل رقبة من ولد إسماعيل وكتب له عشر حسنات وحط عنه عشر سيئات ورفع له عشر درجات وكان في حرز من الشيطان حتى يمسي وإن قالها إذا أمسى كان له مثل ذلك حتى يصبح " . قال في حديث حماد فرأى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما يرى النائم فقال يا رسول الله إن أبا عياش يحدث عنك بكذا وكذا قال " صدق أبو عياش " . قال أبو داود رواه إسماعيل بن جعفر وموسى الزمعي وعبد الله بن جعفر عن سهيل عن أبيه عن ابن عائش .
আবূ আয়্যাশ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি সকালে উপনীত হয়ে বলেঃ “আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান”- এটা তার জন্য ইসমাঈল (আ) বংশীয় একটি গোলাম আযাদ করার সমান হবে, তার জন্য দশটি পুণ্য লেখা হবে ও দশটি পাপ মোচন করা হবে এবং তার দশটি মর্যাদা বুলন্দ করা হবে এবং শয়তান হতে নিরাপদ থাকবে যতোক্ষণ না সন্ধ্যা হয়। আর যদি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে তা বলে, তাহলে ভোর পর্যন্ত অনুরূপ ফাযীলাত পাবে। বর্ণনাকারী হাম্মাদের (রহঃ) বর্ণনায় রয়েছেঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্বপ্নে দেখে প্রশ্ন করলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আবূ আয়্যাশ (রাঃ) আপনার নামে এই এই বলেছে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবূ আয়্যাশ সত্যিই বলেছে। [৫০৭৫]
আবূ আয়্যাশ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি সকালে উপনীত হয়ে বলেঃ “আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান”- এটা তার জন্য ইসমাঈল (আ) বংশীয় একটি গোলাম আযাদ করার সমান হবে, তার জন্য দশটি পুণ্য লেখা হবে ও দশটি পাপ মোচন করা হবে এবং তার দশটি মর্যাদা বুলন্দ করা হবে এবং শয়তান হতে নিরাপদ থাকবে যতোক্ষণ না সন্ধ্যা হয়। আর যদি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে তা বলে, তাহলে ভোর পর্যন্ত অনুরূপ ফাযীলাত পাবে। বর্ণনাকারী হাম্মাদের (রহঃ) বর্ণনায় রয়েছেঃ এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে স্বপ্নে দেখে প্রশ্ন করলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আবূ আয়্যাশ (রাঃ) আপনার নামে এই এই বলেছে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আবূ আয়্যাশ সত্যিই বলেছে। [৫০৭৫]
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، ووهيب، نحوه عن سهيل، عن أبيه، عن ابن أبي عائش، - وقال حماد عن أبي عياش، - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال إذا أصبح لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير كان له عدل رقبة من ولد إسماعيل وكتب له عشر حسنات وحط عنه عشر سيئات ورفع له عشر درجات وكان في حرز من الشيطان حتى يمسي وإن قالها إذا أمسى كان له مثل ذلك حتى يصبح " . قال في حديث حماد فرأى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما يرى النائم فقال يا رسول الله إن أبا عياش يحدث عنك بكذا وكذا قال " صدق أبو عياش " . قال أبو داود رواه إسماعيل بن جعفر وموسى الزمعي وعبد الله بن جعفر عن سهيل عن أبيه عن ابن عائش .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৮
حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا بقية، عن مسلم، - يعني ابن زياد - قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال حين يصبح اللهم إني أصبحت أشهدك وأشهد حملة عرشك وملائكتك وجميع خلقك أنك أنت الله لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك وأن محمدا عبدك ورسولك إلا غفر له ما أصاب في يومه ذلك من ذنب وإن قالها حين يمسي غفر له ما أصاب تلك الليلة " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উপনীত হয়ে বলেঃ “হে আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আমি সকালে উপনীত হয়েছি, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখছি এবং সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীগণকে, আপনার ফেরেশতাগণকে এবং আপনার সৃষ্টিকুলকে যে, আপনি একমাত্র আল্লাহ্, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আপনি একক, আপনার কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার বান্দা ও রাসূল”- তাহলে তার ঐ দিনের কৃত সমস্ত গুনাহ ক্ষমা হবে। আর সে যদি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে ঐ বাক্যসমূহ বলে তাহলে ঐ রাতে কৃত তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা হবে। [৫০৭৬]
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে উপনীত হয়ে বলেঃ “হে আল্লাহ্! নিশ্চয়ই আমি সকালে উপনীত হয়েছি, আমি আপনাকে সাক্ষী রাখছি এবং সাক্ষী রাখছি আপনার আরশ বহনকারীগণকে, আপনার ফেরেশতাগণকে এবং আপনার সৃষ্টিকুলকে যে, আপনি একমাত্র আল্লাহ্, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আপনি একক, আপনার কোন শরীক নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনার বান্দা ও রাসূল”- তাহলে তার ঐ দিনের কৃত সমস্ত গুনাহ ক্ষমা হবে। আর সে যদি সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে ঐ বাক্যসমূহ বলে তাহলে ঐ রাতে কৃত তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা হবে। [৫০৭৬]
حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا بقية، عن مسلم، - يعني ابن زياد - قال سمعت أنس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال حين يصبح اللهم إني أصبحت أشهدك وأشهد حملة عرشك وملائكتك وجميع خلقك أنك أنت الله لا إله إلا أنت وحدك لا شريك لك وأن محمدا عبدك ورسولك إلا غفر له ما أصاب في يومه ذلك من ذنب وإن قالها حين يمسي غفر له ما أصاب تلك الليلة " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৯
حدثنا إسحاق بن إبراهيم أبو النضر الدمشقي، حدثنا محمد بن شعيب، قال أخبرني أبو سعيد الفلسطيني عبد الرحمن بن حسان، عن الحارث بن مسلم، أنه أخبره عن أبيه، مسلم بن الحارث التميمي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أسر إليه فقال " إذا انصرفت من صلاة المغرب فقل اللهم أجرني من النار . سبع مرات فإنك إذا قلت ذلك ثم مت في ليلتك كتب لك جوار منها وإذا صليت الصبح فقل كذلك فإنك إن مت في يومك كتب لك جوار منها " . أخبرني أبو سعيد عن الحارث أنه قال أسرها إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فنحن نخص بها إخواننا .
আল-হারিস ইবনু মুসলিম আত্-তামীমী (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চুপে চুপে বলেন, যখন তুমি মাগরিবের সলাত হতে অবসর হয়ে সাতবার বলবেঃ (আল্লাহুম্মা আযিরনী মিনান্-নার) “হে আল্লাহ্! আমাকে জাহান্নাম হতে রক্ষা করো। তুমি তা বলার পর ঐ রাতে মারা গেলে তোমার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তি লেখা হবে। আর যখন তুমি ফাজ্রের সলাত শেষ করবে তখনও অনুরূপ বলবে, অতঃপর তুমি যদি ঐ দিন মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তি লেখা হবে।” মুহাম্মাদ ইবনু শু’আইব (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদ (রহঃ) আমাকে আল-হারিস (রাঃ) সূত্রে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তা চুপে চুপে বলেছেন, যাতে আমি আমার ভাইদের নিকট তা বিশেষভাবে প্রচার করি। [৫০৭৭]
আল-হারিস ইবনু মুসলিম আত্-তামীমী (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চুপে চুপে বলেন, যখন তুমি মাগরিবের সলাত হতে অবসর হয়ে সাতবার বলবেঃ (আল্লাহুম্মা আযিরনী মিনান্-নার) “হে আল্লাহ্! আমাকে জাহান্নাম হতে রক্ষা করো। তুমি তা বলার পর ঐ রাতে মারা গেলে তোমার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তি লেখা হবে। আর যখন তুমি ফাজ্রের সলাত শেষ করবে তখনও অনুরূপ বলবে, অতঃপর তুমি যদি ঐ দিন মারা যাও তাহলে তোমার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তি লেখা হবে।” মুহাম্মাদ ইবনু শু’আইব (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদ (রহঃ) আমাকে আল-হারিস (রাঃ) সূত্রে জানিয়েছেন, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তা চুপে চুপে বলেছেন, যাতে আমি আমার ভাইদের নিকট তা বিশেষভাবে প্রচার করি। [৫০৭৭]
حدثنا إسحاق بن إبراهيم أبو النضر الدمشقي، حدثنا محمد بن شعيب، قال أخبرني أبو سعيد الفلسطيني عبد الرحمن بن حسان، عن الحارث بن مسلم، أنه أخبره عن أبيه، مسلم بن الحارث التميمي عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه أسر إليه فقال " إذا انصرفت من صلاة المغرب فقل اللهم أجرني من النار . سبع مرات فإنك إذا قلت ذلك ثم مت في ليلتك كتب لك جوار منها وإذا صليت الصبح فقل كذلك فإنك إن مت في يومك كتب لك جوار منها " . أخبرني أبو سعيد عن الحارث أنه قال أسرها إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فنحن نخص بها إخواننا .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮০
حدثنا عمرو بن عثمان الحمصي، ومؤمل بن الفضل الحراني، وعلي بن سهل الرملي، ومحمد بن المصفى الحمصي، قالوا حدثنا الوليد، حدثنا عبد الرحمن بن حسان الكناني، قال حدثني مسلم بن الحارث بن مسلم التميمي، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال نحوه إلى قوله " جوار منها " . إلا أنه قال فيهما " قبل أن تكلم أحدا " . قال علي بن سهل فيه إن أباه حدثه وقال علي وابن المصفى بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فلما بلغنا المغار استحثثت فرسي فسبقت أصحابي وتلقاني الحى بالرنين فقلت لهم قولوا لا إله إلا الله تحرزوا فقالوها فلامني أصحابي وقالوا حرمتنا الغنيمة فلما قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبروه بالذي صنعت فدعاني فحسن لي ما صنعت وقال " أما إن الله قد كتب لك من كل إنسان منهم كذا وكذا " . قال عبد الرحمن فأنا نسيت الثواب ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما إني سأكتب لك بالوصاة بعدي " . قال ففعل وختم عليه فدفعه إلى وقال لي ثم ذكر معناهم وقال ابن المصفى قال سمعت الحارث بن مسلم بن الحارث التميمي يحدث عن أبيه .
মুসলিম ইবনুল হারিস ইবনু মুসলিম আত্-তামীমী (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “জাহান্নাম হতে নিরাপত্তা” পর্যন্ত পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ “কারো সঙ্গে তোমার কথা বলার পূর্বে”। এতে ‘আলী ইবনু সাহল বলেন, তার পিতা তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর ‘আলী ও ইবনুল মুসাফ্ফা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র অভিযানে প্রেরণ করলেন। আমরা আক্রমণের স্থানে পৌছলে আমি আমার ঘোড়াকে উত্তেজিত করে আমার সঙ্গীদেরকে পিছনে ফেলে সামনে অগ্রসর হই। তখন সেখানকার লোকেরা হৈ চৈ করে আমার সঙ্গে দেখা করলো। আমি বললাম, তোমরা বলোঃ লা ইলাহা ইল্লালাহু, তাহলে নিরাপত্তা লাভ করবে। অতএব তারা কালেমা পড়লো। এতে আমার সঙ্গীরা আমাকে তিরস্কার করে বললো, তুমি আমাদেরকে গনীমাত থেকে বঞ্চিত করেছো। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে আমি যা করেছি তা তাঁকে জানালো। তিনি আমাকে ডেকে নিয়ে আমার কাজের জন্য ধন্যবাদ জানালেন এবং বললেনঃ জেনে রাখো! তোমার এ কাজের জন্যই মহান আল্লাহ্ তাদের প্রত্যেক ব্যক্তির বিনিময়ে তোমার জন্য এই এই নেকী নির্ধারণ করেছেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান বলেন, এর বিনিময়ে যে সওয়াবের কথা তিনি বলেছেন তা আমি ভুলে গেছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জেনে রাখো! আমি তোমার জন্য একটি ওয়াসিতনামা লিখে দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাই করেছিলেন এবং তাতে তাঁর সীলমোহর লাগিয়ে দিয়েছিলেন এবং আমাকে হস্তান্তর করেছিলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী তাদের বর্ণিত হাদীসের অর্থের অনুরূপ হাদীস আমাকে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মুসাফ্ফা (রহঃ) বলেন, আমি আল-হারিস ইবনু মুসলিম ইবনুল হারিস আত-তামীমী (রহঃ)-কে তার পিতার সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। [৫০৭৮]
মুসলিম ইবনুল হারিস ইবনু মুসলিম আত্-তামীমী (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “জাহান্নাম হতে নিরাপত্তা” পর্যন্ত পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ “কারো সঙ্গে তোমার কথা বলার পূর্বে”। এতে ‘আলী ইবনু সাহল বলেন, তার পিতা তার নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর ‘আলী ও ইবনুল মুসাফ্ফা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে একটি ক্ষুদ্র অভিযানে প্রেরণ করলেন। আমরা আক্রমণের স্থানে পৌছলে আমি আমার ঘোড়াকে উত্তেজিত করে আমার সঙ্গীদেরকে পিছনে ফেলে সামনে অগ্রসর হই। তখন সেখানকার লোকেরা হৈ চৈ করে আমার সঙ্গে দেখা করলো। আমি বললাম, তোমরা বলোঃ লা ইলাহা ইল্লালাহু, তাহলে নিরাপত্তা লাভ করবে। অতএব তারা কালেমা পড়লো। এতে আমার সঙ্গীরা আমাকে তিরস্কার করে বললো, তুমি আমাদেরকে গনীমাত থেকে বঞ্চিত করেছো। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট ফিরে এসে আমি যা করেছি তা তাঁকে জানালো। তিনি আমাকে ডেকে নিয়ে আমার কাজের জন্য ধন্যবাদ জানালেন এবং বললেনঃ জেনে রাখো! তোমার এ কাজের জন্যই মহান আল্লাহ্ তাদের প্রত্যেক ব্যক্তির বিনিময়ে তোমার জন্য এই এই নেকী নির্ধারণ করেছেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান বলেন, এর বিনিময়ে যে সওয়াবের কথা তিনি বলেছেন তা আমি ভুলে গেছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ জেনে রাখো! আমি তোমার জন্য একটি ওয়াসিতনামা লিখে দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাই করেছিলেন এবং তাতে তাঁর সীলমোহর লাগিয়ে দিয়েছিলেন এবং আমাকে হস্তান্তর করেছিলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী তাদের বর্ণিত হাদীসের অর্থের অনুরূপ হাদীস আমাকে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মুসাফ্ফা (রহঃ) বলেন, আমি আল-হারিস ইবনু মুসলিম ইবনুল হারিস আত-তামীমী (রহঃ)-কে তার পিতার সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। [৫০৭৮]
حدثنا عمرو بن عثمان الحمصي، ومؤمل بن الفضل الحراني، وعلي بن سهل الرملي، ومحمد بن المصفى الحمصي، قالوا حدثنا الوليد، حدثنا عبد الرحمن بن حسان الكناني، قال حدثني مسلم بن الحارث بن مسلم التميمي، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال نحوه إلى قوله " جوار منها " . إلا أنه قال فيهما " قبل أن تكلم أحدا " . قال علي بن سهل فيه إن أباه حدثه وقال علي وابن المصفى بعثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في سرية فلما بلغنا المغار استحثثت فرسي فسبقت أصحابي وتلقاني الحى بالرنين فقلت لهم قولوا لا إله إلا الله تحرزوا فقالوها فلامني أصحابي وقالوا حرمتنا الغنيمة فلما قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم أخبروه بالذي صنعت فدعاني فحسن لي ما صنعت وقال " أما إن الله قد كتب لك من كل إنسان منهم كذا وكذا " . قال عبد الرحمن فأنا نسيت الثواب ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما إني سأكتب لك بالوصاة بعدي " . قال ففعل وختم عليه فدفعه إلى وقال لي ثم ذكر معناهم وقال ابن المصفى قال سمعت الحارث بن مسلم بن الحارث التميمي يحدث عن أبيه .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮২
حدثنا محمد بن المصفى، حدثنا ابن أبي فديك، قال أخبرني ابن أبي ذئب، عن أبي أسيد البراد، عن معاذ بن عبد الله بن خبيب، عن أبيه، أنه قال خرجنا في ليلة مطر وظلمة شديدة نطلب رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي لنا فأدركناه فقال " أصليتم " . فلم أقل شيئا فقال " قل " . فلم أقل شيئا ثم قال " قل " . فلم أقل شيئا ثم قال " قل " . فقلت يا رسول الله ما أقول قال " { قل هو الله أحد } والمعوذتين حين تمسي وحين تصبح ثلاث مرات تكفيك من كل شىء " .
মু’আয ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু খুবাইব (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বর্ষণমুখর খুবই অন্ধকার কালো রাতে আমাদের সলাত পড়াবার জন্য আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খুঁজছিলাম। আমরা তাঁকে পেয়ে গেলাম। তিনি বললেনঃ বলো। আমি কিছুই বললাম না। পুনরায় তিনি বললেন, বলো। আমি কিছই বললাম না। তিনি আবার বললেনঃ বলো। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! কি বলবো? তিনি বললেনঃ তুমি সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে তিনবার সূরাহ কুল হুয়াল্লাহু (সূরা ইখলাস), সূরাহ নাস ও ফালাক্ব পড়বে; এতে তুমি যাবতীয় অনিষ্ট হতে রক্ষা পাবে।[৫০৮০]
মু’আয ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু খুবাইব (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বর্ষণমুখর খুবই অন্ধকার কালো রাতে আমাদের সলাত পড়াবার জন্য আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খুঁজছিলাম। আমরা তাঁকে পেয়ে গেলাম। তিনি বললেনঃ বলো। আমি কিছুই বললাম না। পুনরায় তিনি বললেন, বলো। আমি কিছই বললাম না। তিনি আবার বললেনঃ বলো। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! কি বলবো? তিনি বললেনঃ তুমি সন্ধ্যায় ও সকালে উপনীত হয়ে তিনবার সূরাহ কুল হুয়াল্লাহু (সূরা ইখলাস), সূরাহ নাস ও ফালাক্ব পড়বে; এতে তুমি যাবতীয় অনিষ্ট হতে রক্ষা পাবে।[৫০৮০]
حدثنا محمد بن المصفى، حدثنا ابن أبي فديك، قال أخبرني ابن أبي ذئب، عن أبي أسيد البراد، عن معاذ بن عبد الله بن خبيب، عن أبيه، أنه قال خرجنا في ليلة مطر وظلمة شديدة نطلب رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي لنا فأدركناه فقال " أصليتم " . فلم أقل شيئا فقال " قل " . فلم أقل شيئا ثم قال " قل " . فلم أقل شيئا ثم قال " قل " . فقلت يا رسول الله ما أقول قال " { قل هو الله أحد } والمعوذتين حين تمسي وحين تصبح ثلاث مرات تكفيك من كل شىء " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৪
قال أبو داود وبهذا الإسناد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أصبح أحدكم فليقل أصبحنا وأصبح الملك لله رب العالمين اللهم إني أسألك خير هذا اليوم فتحه ونصره ونوره وبركته وهداه وأعوذ بك من شر ما فيه وشر ما بعده ثم إذا أمسى فليقل مثل ذلك " .
ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সনদে আরো বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ ভোরে উপনীত হলে যেন বলেঃ “আমরা ভোরে উপনীত হলাম এবং জগতসমূহের রব আল্লাহ্র রাজ্যও ভোরে উপনীত হলো। হে আল্লাহ্! আমি আজকের দিনের কল্যাণ, বিজয়, সাহায্য, আলো, বরকত ও হিদায়াত কামনা করছি। আর আজকের দিনের অমঙ্গল ও তার পরের অমঙ্গল হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাইছি”। যখন সন্ধ্যায় উপনীত হবে তখনও তাই বলবে।[৫০৮২] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/৫৬০৬।
ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ সনদে আরো বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ ভোরে উপনীত হলে যেন বলেঃ “আমরা ভোরে উপনীত হলাম এবং জগতসমূহের রব আল্লাহ্র রাজ্যও ভোরে উপনীত হলো। হে আল্লাহ্! আমি আজকের দিনের কল্যাণ, বিজয়, সাহায্য, আলো, বরকত ও হিদায়াত কামনা করছি। আর আজকের দিনের অমঙ্গল ও তার পরের অমঙ্গল হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাইছি”। যখন সন্ধ্যায় উপনীত হবে তখনও তাই বলবে।[৫০৮২] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/৫৬০৬।
قال أبو داود وبهذا الإسناد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إذا أصبح أحدكم فليقل أصبحنا وأصبح الملك لله رب العالمين اللهم إني أسألك خير هذا اليوم فتحه ونصره ونوره وبركته وهداه وأعوذ بك من شر ما فيه وشر ما بعده ثم إذا أمسى فليقل مثل ذلك " .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৫
حدثنا كثير بن عبيد، حدثنا بقية بن الوليد، عن عمر بن جعثم، قال حدثني الأزهر بن عبد الله الحرازي، قال حدثني شريق الهوزني، قال دخلت على عائشة رضى الله عنها فسألتها بم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح إذا هب من الليل فقالت لقد سألتني عن شىء ما سألني عنه أحد قبلك كان إذا هب من الليل كبر عشرا وحمد عشرا وقال " سبحان الله وبحمده " . عشرا وقال " سبحان الملك القدوس " . عشرا واستغفر عشرا وهلل عشرا ثم قال " اللهم إني أعوذ بك من ضيق الدنيا وضيق يوم القيامة " . عشرا ثم يفتتح الصلاة .
শারীক আল-হাওযানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমি ‘আয়িশাহ্র (রাঃ) নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে জেগে সর্বপ্রথম কোন দু’আ পড়ার মাধ্যমে শুরু করতেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছো, তোমার পূর্বে কেউই এ ব্যাপারে আমার নিকট জানতে চায়নি। তিনি যখন রাতে জাগতেন তখন দশবার আল্লাহ্ আকবার ও দশবার আল্হামদুলিল্লাহ বলতেন। আর সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি দশবার ও সুবহানাল মালিকুল কুদ্দুস দশবার এবং আস্তাগফিরুল্লাহ ও লা ইলাহা ইল্লালাহ দশবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি। এরপর তিনি সলাত শুরু করতেন।[৫০৮৩]
শারীক আল-হাওযানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমি ‘আয়িশাহ্র (রাঃ) নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে জেগে সর্বপ্রথম কোন দু’আ পড়ার মাধ্যমে শুরু করতেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছো, তোমার পূর্বে কেউই এ ব্যাপারে আমার নিকট জানতে চায়নি। তিনি যখন রাতে জাগতেন তখন দশবার আল্লাহ্ আকবার ও দশবার আল্হামদুলিল্লাহ বলতেন। আর সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি দশবার ও সুবহানাল মালিকুল কুদ্দুস দশবার এবং আস্তাগফিরুল্লাহ ও লা ইলাহা ইল্লালাহ দশবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি। এরপর তিনি সলাত শুরু করতেন।[৫০৮৩]
حدثنا كثير بن عبيد، حدثنا بقية بن الوليد، عن عمر بن جعثم، قال حدثني الأزهر بن عبد الله الحرازي، قال حدثني شريق الهوزني، قال دخلت على عائشة رضى الله عنها فسألتها بم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح إذا هب من الليل فقالت لقد سألتني عن شىء ما سألني عنه أحد قبلك كان إذا هب من الليل كبر عشرا وحمد عشرا وقال " سبحان الله وبحمده " . عشرا وقال " سبحان الملك القدوس " . عشرا واستغفر عشرا وهلل عشرا ثم قال " اللهم إني أعوذ بك من ضيق الدنيا وضيق يوم القيامة " . عشرا ثم يفتتح الصلاة .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৫
حدثنا كثير بن عبيد، حدثنا بقية بن الوليد، عن عمر بن جعثم، قال حدثني الأزهر بن عبد الله الحرازي، قال حدثني شريق الهوزني، قال دخلت على عائشة رضى الله عنها فسألتها بم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح إذا هب من الليل فقالت لقد سألتني عن شىء ما سألني عنه أحد قبلك كان إذا هب من الليل كبر عشرا وحمد عشرا وقال " سبحان الله وبحمده " . عشرا وقال " سبحان الملك القدوس " . عشرا واستغفر عشرا وهلل عشرا ثم قال " اللهم إني أعوذ بك من ضيق الدنيا وضيق يوم القيامة " . عشرا ثم يفتتح الصلاة .
শারীক আল-হাওযানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমি ‘আয়িশাহ্র (রাঃ) নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে জেগে সর্বপ্রথম কোন দু’আ পড়ার মাধ্যমে শুরু করতেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছো, তোমার পূর্বে কেউই এ ব্যাপারে আমার নিকট জানতে চায়নি। তিনি যখন রাতে জাগতেন তখন দশবার আল্লাহ্ আকবার ও দশবার আল্হামদুলিল্লাহ বলতেন। আর সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি দশবার ও সুবহানাল মালিকুল কুদ্দুস দশবার এবং আস্তাগফিরুল্লাহ ও লা ইলাহা ইল্লালাহ দশবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি। এরপর তিনি সলাত শুরু করতেন।[৫০৮৩]
শারীক আল-হাওযানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমি ‘আয়িশাহ্র (রাঃ) নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে জেগে সর্বপ্রথম কোন দু’আ পড়ার মাধ্যমে শুরু করতেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছো, তোমার পূর্বে কেউই এ ব্যাপারে আমার নিকট জানতে চায়নি। তিনি যখন রাতে জাগতেন তখন দশবার আল্লাহ্ আকবার ও দশবার আল্হামদুলিল্লাহ বলতেন। আর সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি দশবার ও সুবহানাল মালিকুল কুদ্দুস দশবার এবং আস্তাগফিরুল্লাহ ও লা ইলাহা ইল্লালাহ দশবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি। এরপর তিনি সলাত শুরু করতেন।[৫০৮৩]
حدثنا كثير بن عبيد، حدثنا بقية بن الوليد، عن عمر بن جعثم، قال حدثني الأزهر بن عبد الله الحرازي، قال حدثني شريق الهوزني، قال دخلت على عائشة رضى الله عنها فسألتها بم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح إذا هب من الليل فقالت لقد سألتني عن شىء ما سألني عنه أحد قبلك كان إذا هب من الليل كبر عشرا وحمد عشرا وقال " سبحان الله وبحمده " . عشرا وقال " سبحان الملك القدوس " . عشرا واستغفر عشرا وهلل عشرا ثم قال " اللهم إني أعوذ بك من ضيق الدنيا وضيق يوم القيامة " . عشرا ثم يفتتح الصلاة .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৫
حدثنا كثير بن عبيد، حدثنا بقية بن الوليد، عن عمر بن جعثم، قال حدثني الأزهر بن عبد الله الحرازي، قال حدثني شريق الهوزني، قال دخلت على عائشة رضى الله عنها فسألتها بم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح إذا هب من الليل فقالت لقد سألتني عن شىء ما سألني عنه أحد قبلك كان إذا هب من الليل كبر عشرا وحمد عشرا وقال " سبحان الله وبحمده " . عشرا وقال " سبحان الملك القدوس " . عشرا واستغفر عشرا وهلل عشرا ثم قال " اللهم إني أعوذ بك من ضيق الدنيا وضيق يوم القيامة " . عشرا ثم يفتتح الصلاة .
শারীক আল-হাওযানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমি ‘আয়িশাহ্র (রাঃ) নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে জেগে সর্বপ্রথম কোন দু’আ পড়ার মাধ্যমে শুরু করতেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছো, তোমার পূর্বে কেউই এ ব্যাপারে আমার নিকট জানতে চায়নি। তিনি যখন রাতে জাগতেন তখন দশবার আল্লাহ্ আকবার ও দশবার আল্হামদুলিল্লাহ বলতেন। আর সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি দশবার ও সুবহানাল মালিকুল কুদ্দুস দশবার এবং আস্তাগফিরুল্লাহ ও লা ইলাহা ইল্লালাহ দশবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি। এরপর তিনি সলাত শুরু করতেন।[৫০৮৩]
শারীক আল-হাওযানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমি ‘আয়িশাহ্র (রাঃ) নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে জেগে সর্বপ্রথম কোন দু’আ পড়ার মাধ্যমে শুরু করতেন? তিনি বললেন, তুমি আমাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছো, তোমার পূর্বে কেউই এ ব্যাপারে আমার নিকট জানতে চায়নি। তিনি যখন রাতে জাগতেন তখন দশবার আল্লাহ্ আকবার ও দশবার আল্হামদুলিল্লাহ বলতেন। আর সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি দশবার ও সুবহানাল মালিকুল কুদ্দুস দশবার এবং আস্তাগফিরুল্লাহ ও লা ইলাহা ইল্লালাহ দশবার বলতেন। অতঃপর তিনি বলতেনঃ হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় অভাব, সংকীর্ণতা ও বিপদগ্রস্ততা হতে আশ্রয় চাইছি। এরপর তিনি সলাত শুরু করতেন।[৫০৮৩]
حدثنا كثير بن عبيد، حدثنا بقية بن الوليد، عن عمر بن جعثم، قال حدثني الأزهر بن عبد الله الحرازي، قال حدثني شريق الهوزني، قال دخلت على عائشة رضى الله عنها فسألتها بم كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يفتتح إذا هب من الليل فقالت لقد سألتني عن شىء ما سألني عنه أحد قبلك كان إذا هب من الليل كبر عشرا وحمد عشرا وقال " سبحان الله وبحمده " . عشرا وقال " سبحان الملك القدوس " . عشرا واستغفر عشرا وهلل عشرا ثم قال " اللهم إني أعوذ بك من ضيق الدنيا وضيق يوم القيامة " . عشرا ثم يفتتح الصلاة .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৭
حدثنا ابن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا المسعودي، حدثنا القاسم، قال كان أبو ذر يقول من قال حين يصبح اللهم ما حلفت من حلف أو قلت من قول أو نذرت من نذر فمشيئتك بين يدى ذلك كله ما شئت كان وما لم تشأ لم يكن اللهم اغفر لي وتجاوز لي عنه اللهم فمن صليت عليه فعليه صلاتي ومن لعنت فعليه لعنتي كان في استثناء يومه ذلك أو قال ذلك اليوم .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি সকালে ঘুম থেকে উঠে বলবে: “হে আল্লাহ! আমি যে কসমই করি, যে কথাই বলি, আর যে মান্নতই মানি, এসব কার্যকর হওয়ার জন্য রয়েছে তোমার ইচ্ছা। তুমি যা চাও তাই হয়, তুমি যা চাও না তা হয় না। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার এগুলো আগ্রাহ্য করো। হে আল্লাহ! যার প্রতি তুমি দয়া করো তার প্রতি আমারও দু‘আ। তুমি যাকে অভিশাপ দাও তার প্রতি আমারও অভিশাপ”-এসব অকল্যাণ হতে ঐ দিনের জন্য তাকে মুক্তি দেয়া হয়।[৫০৮৫] তাহক্বিক আলবানীঃ সনদ যঈফ মাওকুফ।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি সকালে ঘুম থেকে উঠে বলবে: “হে আল্লাহ! আমি যে কসমই করি, যে কথাই বলি, আর যে মান্নতই মানি, এসব কার্যকর হওয়ার জন্য রয়েছে তোমার ইচ্ছা। তুমি যা চাও তাই হয়, তুমি যা চাও না তা হয় না। হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার এগুলো আগ্রাহ্য করো। হে আল্লাহ! যার প্রতি তুমি দয়া করো তার প্রতি আমারও দু‘আ। তুমি যাকে অভিশাপ দাও তার প্রতি আমারও অভিশাপ”-এসব অকল্যাণ হতে ঐ দিনের জন্য তাকে মুক্তি দেয়া হয়।[৫০৮৫] তাহক্বিক আলবানীঃ সনদ যঈফ মাওকুফ।
حدثنا ابن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا المسعودي، حدثنا القاسم، قال كان أبو ذر يقول من قال حين يصبح اللهم ما حلفت من حلف أو قلت من قول أو نذرت من نذر فمشيئتك بين يدى ذلك كله ما شئت كان وما لم تشأ لم يكن اللهم اغفر لي وتجاوز لي عنه اللهم فمن صليت عليه فعليه صلاتي ومن لعنت فعليه لعنتي كان في استثناء يومه ذلك أو قال ذلك اليوم .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৮৯
حدثنا نصر بن عاصم الأنطاكي، حدثنا أنس بن عياض، قال حدثني أبو مودود، عن محمد بن كعب، عن أبان بن عثمان، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه لم يذكر قصة الفالج .
‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে। বর্ণনাকারী এতে পক্ষাঘাতের ঘটনা উল্লেখ করেননি। [৫০৮৭]
‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরুপ বর্ণিত হয়েছে। বর্ণনাকারী এতে পক্ষাঘাতের ঘটনা উল্লেখ করেননি। [৫০৮৭]
حدثنا نصر بن عاصم الأنطاكي، حدثنا أنس بن عياض، قال حدثني أبو مودود، عن محمد بن كعب، عن أبان بن عثمان، عن عثمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه لم يذكر قصة الفالج .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৯০
حدثنا العباس بن عبد العظيم، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الملك بن عمرو، عن عبد الجليل بن عطية، عن جعفر بن ميمون، قال حدثني عبد الرحمن بن أبي بكرة، أنه قال لأبيه يا أبة إني أسمعك تدعو كل غداة اللهم عافني في بدني اللهم عافني في سمعي اللهم عافني في بصري لا إله إلا أنت تعيدها ثلاثا حين تصبح وثلاثا حين تمسي . فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بهن فأنا أحب أن أستن بسنته . قال عباس فيه وتقول اللهم إني أعوذ بك من الكفر والفقر اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر لا إله إلا أنت تعيدها ثلاثا حين تصبح وثلاثا حين تمسي فتدعو بهن فأحب أن أستن بسنته قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " دعوات المكروب اللهم رحمتك أرجو فلا تكلني إلى نفسي طرفة عين وأصلح لي شأني كله لا إله إلا أنت " . وبعضهم يزيد على صاحبه .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমার পিতাকে বললাম, হে আব্বাজান! আমি আপনাকে প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় তিনবার বলতে শুনি: “হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই।” তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বাক্যগুলো দ্বারা দু‘আ করতে শুনেছি। সেজন্য আমিও তার নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। ‘আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে তিনি বললেনঃ “হে আল্লাহ! আপনার নিকট কুফরী ও দরিদ্রতা হতে আশ্রয় চাইছি। হে আল্লাহ! আমি কবরের আযাব হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাইছি, আপনি ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই।” তিনি এ দু‘আ সকালে তিনবার ও সন্ধ্যায় তিনবার করে বলতেন। তাই আমিও তাঁর নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: বিপদগ্রস্থ ব্যক্তির দু‘আ হলো : “হে আল্লাহ! আমি আপনার রহমত প্রার্থী। কাজেই আমাকে এক পলকের জন্যও আমার নিজের নিকট সোপর্দ করবেন না এবং আমার সবকিছু সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করে দিন। আর আপনিই একমাত্র ইলাহ।” [৫০৮৮]
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমার পিতাকে বললাম, হে আব্বাজান! আমি আপনাকে প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় তিনবার বলতে শুনি: “হে আল্লাহ! আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ! আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই।” তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বাক্যগুলো দ্বারা দু‘আ করতে শুনেছি। সেজন্য আমিও তার নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। ‘আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে তিনি বললেনঃ “হে আল্লাহ! আপনার নিকট কুফরী ও দরিদ্রতা হতে আশ্রয় চাইছি। হে আল্লাহ! আমি কবরের আযাব হতে আপনার নিকট আশ্রয় চাইছি, আপনি ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই।” তিনি এ দু‘আ সকালে তিনবার ও সন্ধ্যায় তিনবার করে বলতেন। তাই আমিও তাঁর নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: বিপদগ্রস্থ ব্যক্তির দু‘আ হলো : “হে আল্লাহ! আমি আপনার রহমত প্রার্থী। কাজেই আমাকে এক পলকের জন্যও আমার নিজের নিকট সোপর্দ করবেন না এবং আমার সবকিছু সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করে দিন। আর আপনিই একমাত্র ইলাহ।” [৫০৮৮]
حدثنا العباس بن عبد العظيم، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا عبد الملك بن عمرو، عن عبد الجليل بن عطية، عن جعفر بن ميمون، قال حدثني عبد الرحمن بن أبي بكرة، أنه قال لأبيه يا أبة إني أسمعك تدعو كل غداة اللهم عافني في بدني اللهم عافني في سمعي اللهم عافني في بصري لا إله إلا أنت تعيدها ثلاثا حين تصبح وثلاثا حين تمسي . فقال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو بهن فأنا أحب أن أستن بسنته . قال عباس فيه وتقول اللهم إني أعوذ بك من الكفر والفقر اللهم إني أعوذ بك من عذاب القبر لا إله إلا أنت تعيدها ثلاثا حين تصبح وثلاثا حين تمسي فتدعو بهن فأحب أن أستن بسنته قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " دعوات المكروب اللهم رحمتك أرجو فلا تكلني إلى نفسي طرفة عين وأصلح لي شأني كله لا إله إلا أنت " . وبعضهم يزيد على صاحبه .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৪
حدثنا يحيى بن موسى البلخي، حدثنا وكيع، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، - المعنى - حدثنا ابن نمير، قالا حدثنا عبادة بن مسلم الفزاري، عن جبير بن أبي سليمان بن جبير بن مطعم، قال سمعت ابن عمر، يقول لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يدع هؤلاء الدعوات حين يمسي وحين يصبح " اللهم إني أسألك العافية في الدنيا والآخرة اللهم إني أسألك العفو والعافية في ديني ودنياى وأهلي ومالي اللهم استر عورتي " . وقال عثمان " عوراتي وآمن روعاتي اللهم احفظني من بين يدى ومن خلفي وعن يميني وعن شمالي ومن فوقي وأعوذ بعظمتك أن أغتال من تحتي " . قال أبو داود قال وكيع يعني الخسف .
জুবাইর ইবনু আবূ সুলাইমান, ইবনু জুবাইর ইবনু মুত্ব’ইম (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সকাল ও সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে এ দু’আগুলো পড়া ছেড়ে দিতেন নাঃ “হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট ক্ষমা এবং আমার দীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ্! আপনি আমার দোষত্রুটিগুলো ঢেকে রাখুন এবং ভীতিপ্রদ বিষয়সমূহ হতে আমাকে নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ্! আপনি আমাকে হিফাযাত করুন আমার সম্মুখ হতে, আমার পিছন দিক হতে, আমার ডান দিক হতে, আমার বাম দিক হতে এবং আমার উপর দিক হতে। হে আল্লাহ্! আমি আপনার মর্যাদার ওয়াসিলায় মাটিতে ধ্বসে যাওয়া হতে আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি।” [৫০৭২]
জুবাইর ইবনু আবূ সুলাইমান, ইবনু জুবাইর ইবনু মুত্ব’ইম (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সকাল ও সন্ধ্যায় উপনীত হয়ে এ দু’আগুলো পড়া ছেড়ে দিতেন নাঃ “হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখিরাতের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট ক্ষমা এবং আমার দীন, দুনিয়া, পরিবার ও সম্পদের নিরাপত্তা চাই। হে আল্লাহ্! আপনি আমার দোষত্রুটিগুলো ঢেকে রাখুন এবং ভীতিপ্রদ বিষয়সমূহ হতে আমাকে নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ্! আপনি আমাকে হিফাযাত করুন আমার সম্মুখ হতে, আমার পিছন দিক হতে, আমার ডান দিক হতে, আমার বাম দিক হতে এবং আমার উপর দিক হতে। হে আল্লাহ্! আমি আপনার মর্যাদার ওয়াসিলায় মাটিতে ধ্বসে যাওয়া হতে আপনার কাছে আশ্রয় চাইছি।” [৫০৭২]
حدثنا يحيى بن موسى البلخي، حدثنا وكيع، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، - المعنى - حدثنا ابن نمير، قالا حدثنا عبادة بن مسلم الفزاري، عن جبير بن أبي سليمان بن جبير بن مطعم، قال سمعت ابن عمر، يقول لم يكن رسول الله صلى الله عليه وسلم يدع هؤلاء الدعوات حين يمسي وحين يصبح " اللهم إني أسألك العافية في الدنيا والآخرة اللهم إني أسألك العفو والعافية في ديني ودنياى وأهلي ومالي اللهم استر عورتي " . وقال عثمان " عوراتي وآمن روعاتي اللهم احفظني من بين يدى ومن خلفي وعن يميني وعن شمالي ومن فوقي وأعوذ بعظمتك أن أغتال من تحتي " . قال أبو داود قال وكيع يعني الخسف .
সুনানে আবু দাউদ > নতুন চাঁদ দেখে যে দু‘আ পড়তে হয়
সুনানে আবু দাউদ ৫০৯৩
حدثنا محمد بن العلاء، أن زيد بن حباب، أخبرهم عن أبي هلال، عن قتادة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا رأى الهلال صرف وجهه عنه . قال أبو داود ليس عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذا الباب حديث مسند صحيح .
ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-নতুন চাঁদ দেখে তাঁর মুখমন্ডল (চাঁদ) হতে অন্যত্র ঘুরাতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, চাঁদের উদয় সংক্রান্ত অনুচ্ছেদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন বিশুদ্ধ হাদীস নেই।
ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-নতুন চাঁদ দেখে তাঁর মুখমন্ডল (চাঁদ) হতে অন্যত্র ঘুরাতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, চাঁদের উদয় সংক্রান্ত অনুচ্ছেদে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কোন বিশুদ্ধ হাদীস নেই।
حدثنا محمد بن العلاء، أن زيد بن حباب، أخبرهم عن أبي هلال، عن قتادة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا رأى الهلال صرف وجهه عنه . قال أبو داود ليس عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذا الباب حديث مسند صحيح .
সুনানে আবু দাউদ ৫০৯২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، أنه بلغه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رأى الهلال قال " هلال خير ورشد هلال خير ورشد هلال خير ورشد آمنت بالذي خلقك " . ثلاث مرات . ثم يقول " الحمد لله الذي ذهب بشهر كذا وجاء بشهر كذا " .
ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-নতুন চাঁদ দেখে বলতেনঃ “কল্যান ও হেদায়াতের চাঁদ, কল্যান ও হেদায়াতের চাঁদ, কল্যান ও হেদায়াতের চাঁদ। যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন আমি তাঁর উপর ঈমান আনলাম”-একথা তিনবার বলতেন, অতঃপর বলতেনঃ আল্লাহর প্রশংসা যিনি অমুক মাস শেষ করলেন এবং এ মাস এনে দিলেন।[৫০৯০]
ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-নতুন চাঁদ দেখে বলতেনঃ “কল্যান ও হেদায়াতের চাঁদ, কল্যান ও হেদায়াতের চাঁদ, কল্যান ও হেদায়াতের চাঁদ। যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন আমি তাঁর উপর ঈমান আনলাম”-একথা তিনবার বলতেন, অতঃপর বলতেনঃ আল্লাহর প্রশংসা যিনি অমুক মাস শেষ করলেন এবং এ মাস এনে দিলেন।[৫০৯০]
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، أنه بلغه أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رأى الهلال قال " هلال خير ورشد هلال خير ورشد هلال خير ورشد آمنت بالذي خلقك " . ثلاث مرات . ثم يقول " الحمد لله الذي ذهب بشهر كذا وجاء بشهر كذا " .