সুনানে আবু দাউদ > খারিজীদের সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৮

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، وأبو بكر بن عياش ومندل عن مطرف، عن أبي جهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ من فارق الجماعة شبرا فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (মুসলিম) জামা‘আত থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে এক বিঘত পরিমাণ দূরে সরে গেলো, সে ইসলামের রজ্জু তাঁর গর্দান হতে খুলে ফেললো।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (মুসলিম) জামা‘আত থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে এক বিঘত পরিমাণ দূরে সরে গেলো, সে ইসলামের রজ্জু তাঁর গর্দান হতে খুলে ফেললো।

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، وأبو بكر بن عياش ومندل عن مطرف، عن أبي جهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ من فارق الجماعة شبرا فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৯

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا مطرف بن طريف، عن أبي الجهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ كيف أنتم وأئمة من بعدي يستأثرون بهذا الفىء ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ إذا والذي بعثك بالحق أضع سيفي على عاتقي، ثم أضرب به حتى ألقاك أو ألحقك ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أولا أدلك على خير من ذلك تصبر حتى تلقاني ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে শাসকগণ এসব ফাই নিজেদের জন্য আত্মসাৎ করলে তাদের ব্যাপারে তোমাদের করণীয় কি হবে? আমি বললাম, সেই মহান আল্লাহর কসম, যিনি আপনাকে সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন! আমি আমার তরবারি আমার কাঁধে রাখবো এবং তা দিয়ে আপনার সঙ্গে সাক্ষাত করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাবো। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি তোমাকে এর চেয়ে ভাল পথ বলে দিবো না? তা হচ্ছে, আমার সঙ্গে সাক্ষাতের পূর্ব পর্যন্ত তুমি ধৈর্য ধরবে। [৪৭৫৮] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৩৭১০।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে শাসকগণ এসব ফাই নিজেদের জন্য আত্মসাৎ করলে তাদের ব্যাপারে তোমাদের করণীয় কি হবে? আমি বললাম, সেই মহান আল্লাহর কসম, যিনি আপনাকে সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন! আমি আমার তরবারি আমার কাঁধে রাখবো এবং তা দিয়ে আপনার সঙ্গে সাক্ষাত করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাবো। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি তোমাকে এর চেয়ে ভাল পথ বলে দিবো না? তা হচ্ছে, আমার সঙ্গে সাক্ষাতের পূর্ব পর্যন্ত তুমি ধৈর্য ধরবে। [৪৭৫৮] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৩৭১০।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا مطرف بن طريف، عن أبي الجهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ كيف أنتم وأئمة من بعدي يستأثرون بهذا الفىء ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ إذا والذي بعثك بالحق أضع سيفي على عاتقي، ثم أضرب به حتى ألقاك أو ألحقك ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أولا أدلك على خير من ذلك تصبر حتى تلقاني ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬২

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، عن زياد بن علاقة، عن عرفجة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ ستكون في أمتي هنات وهنات وهنات، فمن أراد أن يفرق أمر المسلمين وهم جميع فاضربوه بالسيف كائنا من كان ‏"‏ ‏.‏

আরফাজাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে বিচিত্রমুখী দুর্নীতি ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হবে। মুসলিমগণ ঐক্যবদ্ধ থাকা অবস্থায় যে ব্যক্তি তাদের কাজে বাধা দিবে সে যে-ই হোক, তোমরা তাকে তরবারি দিয়ে হত্যা করো।

আরফাজাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে বিচিত্রমুখী দুর্নীতি ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হবে। মুসলিমগণ ঐক্যবদ্ধ থাকা অবস্থায় যে ব্যক্তি তাদের কাজে বাধা দিবে সে যে-ই হোক, তোমরা তাকে তরবারি দিয়ে হত্যা করো।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، عن زياد بن علاقة، عن عرفجة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ ستكون في أمتي هنات وهنات وهنات، فمن أراد أن يفرق أمر المسلمين وهم جميع فاضربوه بالسيف كائنا من كان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬০

حدثنا مسدد، وسليمان بن داود، - المعنى - قالا حدثنا حماد بن زيد، عن المعلى بن زياد، وهشام بن حسان، عن الحسن، عن ضبة بن محصن، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ ستكون عليكم أئمة تعرفون منهم وتنكرون فمن أنكر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود قال هشام ‏:‏ ‏"‏ بلسانه فقد برئ، ومن كره بقلبه فقد سلم ولكن من رضي وتابع ‏"‏ ‏.‏ فقيل ‏:‏ يا رسول الله أفلا نقتلهم قال ابن داود ‏:‏ ‏"‏ أفلا نقاتلهم ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ما صلوا ‏"‏ ‏.

নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই তোমাদের জন্য এমন নতুন নেতা নিযুক্ত হবে যাদের কিছু কার্যকলাপ তোমাদের পছন্দ হবে এবং কিছু কার্যকলাপ অপছন্দ হবে। তখন যে ব্যক্তি তার মুখ দিয়ে অস্বীকার করবে সে দায়িত্বমুক্ত হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে ঘৃণা করবে সে মুক্ত থাকবে। কিন্তু যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট মনে তা অনুকরণ করবে সে তার দ্বীনকে ধবংস করবে। অতঃপর বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি তাদের হত্যা করবো না? ইবনু দাঊদ বলেন, আমরা কি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবো না? তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, যতক্ষণ তারা সলাত আদায় করবে।

নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই তোমাদের জন্য এমন নতুন নেতা নিযুক্ত হবে যাদের কিছু কার্যকলাপ তোমাদের পছন্দ হবে এবং কিছু কার্যকলাপ অপছন্দ হবে। তখন যে ব্যক্তি তার মুখ দিয়ে অস্বীকার করবে সে দায়িত্বমুক্ত হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে ঘৃণা করবে সে মুক্ত থাকবে। কিন্তু যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট মনে তা অনুকরণ করবে সে তার দ্বীনকে ধবংস করবে। অতঃপর বলা হলো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমরা কি তাদের হত্যা করবো না? ইবনু দাঊদ বলেন, আমরা কি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবো না? তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, যতক্ষণ তারা সলাত আদায় করবে।

حدثنا مسدد، وسليمان بن داود، - المعنى - قالا حدثنا حماد بن زيد، عن المعلى بن زياد، وهشام بن حسان، عن الحسن، عن ضبة بن محصن، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ ستكون عليكم أئمة تعرفون منهم وتنكرون فمن أنكر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود قال هشام ‏:‏ ‏"‏ بلسانه فقد برئ، ومن كره بقلبه فقد سلم ولكن من رضي وتابع ‏"‏ ‏.‏ فقيل ‏:‏ يا رسول الله أفلا نقتلهم قال ابن داود ‏:‏ ‏"‏ أفلا نقاتلهم ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ما صلوا ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬১

حدثنا ابن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا الحسن، عن ضبة بن محصن العنزي، عن أم سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال ‏:‏ ‏ "‏ فمن كره فقد برئ، ومن أنكر فقد سلم ‏"‏ ‏.‏ قال قتادة ‏:‏ يعني من أنكر بقلبه، ومن كره بقلبه ‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি তা ঘৃণা করলো সে দায়িত্বমুক্ত হলো। যে ব্যক্তি তা অপছন্দ করলো সে মুক্ত হলো। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে ঘৃণা করলো এবং যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে অপছন্দ করলো।

উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি তা ঘৃণা করলো সে দায়িত্বমুক্ত হলো। যে ব্যক্তি তা অপছন্দ করলো সে মুক্ত হলো। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে ঘৃণা করলো এবং যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে অপছন্দ করলো।

حدثنا ابن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا الحسن، عن ضبة بن محصن العنزي، عن أم سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال ‏:‏ ‏ "‏ فمن كره فقد برئ، ومن أنكر فقد سلم ‏"‏ ‏.‏ قال قتادة ‏:‏ يعني من أنكر بقلبه، ومن كره بقلبه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > খারিজীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬৩

حدثنا محمد بن عبيد، ومحمد بن عيسى، - المعنى - قالا حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، عن عبيدة، ‏:‏ أن عليا، ذكر أهل النهروان فقال ‏:‏ فيهم رجل مودن اليد أو مخدج اليد، أو مثدون اليد لولا أن تبطروا لنبأتكم ما وعد الله الذين يقتلونهم على لسان محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قلت ‏:‏ أنت سمعت هذا منه قال ‏:‏ إي ورب الكعبة ‏.‏

উবাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা ‘আলী (রাঃ) নাহরাওয়ানের অধিবাসীদের সম্পর্কে বলেন, তাদের মধ্যে ত্রুটিপূর্ণ বা খাটো হাতবিশিষ্ট এক ব্যক্তি রয়েছে, যদি তোমরা আনন্দে আত্মহারা না হও তাহলে আমি তোমাদেরকে মহান আল্লাহর সেই অঙ্গীকার সম্বন্ধে জানাবো যা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখ নিঃসৃত ভাষায় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ‘উবাইদাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি একথা তাঁর কাছে শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, কা‘বার রবের কসম!

উবাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা ‘আলী (রাঃ) নাহরাওয়ানের অধিবাসীদের সম্পর্কে বলেন, তাদের মধ্যে ত্রুটিপূর্ণ বা খাটো হাতবিশিষ্ট এক ব্যক্তি রয়েছে, যদি তোমরা আনন্দে আত্মহারা না হও তাহলে আমি তোমাদেরকে মহান আল্লাহর সেই অঙ্গীকার সম্বন্ধে জানাবো যা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুখ নিঃসৃত ভাষায় তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধকারীদের জন্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ‘উবাইদাহ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনি কি একথা তাঁর কাছে শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, কা‘বার রবের কসম!

حدثنا محمد بن عبيد، ومحمد بن عيسى، - المعنى - قالا حدثنا حماد، عن أيوب، عن محمد، عن عبيدة، ‏:‏ أن عليا، ذكر أهل النهروان فقال ‏:‏ فيهم رجل مودن اليد أو مخدج اليد، أو مثدون اليد لولا أن تبطروا لنبأتكم ما وعد الله الذين يقتلونهم على لسان محمد صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قلت ‏:‏ أنت سمعت هذا منه قال ‏:‏ إي ورب الكعبة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬৯

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن جميل بن مرة، قال حدثنا أبو الوضيء، قال قال علي عليه السلام ‏:‏ اطلبوا المخدج ‏.‏ فذكر الحديث فاستخرجوه من تحت القتلى في طين، قال أبو الوضيء ‏:‏ فكأني أنظر إليه حبشي عليه قريطق له إحدى يدين مثل ثدى المرأة عليها شعيرات مثل شعيرات التي تكون على ذنب اليربوع ‏.‏

আবুল ওয়াদী’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা মুখদাজকে (ছোট হাতবিশিস্ট ব্যক্তিকে) খুঁজে বের করো। অতঃপর পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। এরপর তারা তাকে ভূলুন্ঠিত লাশগুলোর নীঁচ হতে খুজে বের করলো। আবুল ওয়াদী’ আরো বলেন, তাকে দেখে আমার মনে হলো সে যেন হাবসী লোক, তার পরিধানে জুব্বা ছিলো। আর এক হাতের উপর মেয়েলোকের স্তনের বোঁটার মত একটি বোঁটা ছিল এবং তাতে ইয়ারবু’র লেজের লোমের ন্যায় লোম ছিলো।

আবুল ওয়াদী’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আলী (রাঃ) বললেন, তোমরা মুখদাজকে (ছোট হাতবিশিস্ট ব্যক্তিকে) খুঁজে বের করো। অতঃপর পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। এরপর তারা তাকে ভূলুন্ঠিত লাশগুলোর নীঁচ হতে খুজে বের করলো। আবুল ওয়াদী’ আরো বলেন, তাকে দেখে আমার মনে হলো সে যেন হাবসী লোক, তার পরিধানে জুব্বা ছিলো। আর এক হাতের উপর মেয়েলোকের স্তনের বোঁটার মত একটি বোঁটা ছিল এবং তাতে ইয়ারবু’র লেজের লোমের ন্যায় লোম ছিলো।

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن جميل بن مرة، قال حدثنا أبو الوضيء، قال قال علي عليه السلام ‏:‏ اطلبوا المخدج ‏.‏ فذكر الحديث فاستخرجوه من تحت القتلى في طين، قال أبو الوضيء ‏:‏ فكأني أنظر إليه حبشي عليه قريطق له إحدى يدين مثل ثدى المرأة عليها شعيرات مثل شعيرات التي تكون على ذنب اليربوع ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬৭

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، حدثنا الأعمش، عن خيثمة، عن سويد بن غفلة، قال قال علي ‏:‏ إذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا فلأن أخر من السماء أحب إلى من أن أكذب عليه وإذا حدثتكم فيما بيني وبينكم فإنما الحرب خدعة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ يأتي في آخر الزمان قوم حدثاء الأسنان سفهاء الأحلام، يقولون من قول خير البرية يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية، لا يجاوز إيمانهم حناجرهم، فأينما لقيتموهم فاقتلوهم، فإن قتلهم أجر لمن قتلهم يوم القيامة ‏"‏ ‏.

সুওয়াইদ ইবনু গাফালা্হ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, 'আলী (রাঃ) বলেন, যখন আমি তোমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করি, তখন তাঁর উপর মিথ্যা আরোপ করার চেয়ে আমার আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া অধিক পছন্দনীয়। আর যখন আমি আমার ও তোমাদের মধ্যকার বিষয়ে আলাপ করি তখন “যুদ্ধ হলো কৌশল”। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলেতে শুনেছিঃ শেষ যুগে এমন লোকদের আত্নপ্রকাশ ঘটবে যারা হবে বয়সে নবীন এবং প্রতিজ্ঞাহীন বোকা। তারা সমগ্র সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বোত্তম কথা বলবে, তীর যেভাবে ধনুক হতে বেরিয়ে যায় তারাও সেভাবে দ্বীন হতে বেরিয়ে যাবে। তাদের ঈমান কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তোমরা যেখানেই এই ধরনের লোকের দেখা পাবে সেখানেই তাদেরকে হত্যা করবে। কারন, যারা এদেরকে হত্যা করবে ক্বিয়ামতের দিন তারা সওয়াব লাভ করবে।

সুওয়াইদ ইবনু গাফালা্হ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, 'আলী (রাঃ) বলেন, যখন আমি তোমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করি, তখন তাঁর উপর মিথ্যা আরোপ করার চেয়ে আমার আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া অধিক পছন্দনীয়। আর যখন আমি আমার ও তোমাদের মধ্যকার বিষয়ে আলাপ করি তখন “যুদ্ধ হলো কৌশল”। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-কে বলেতে শুনেছিঃ শেষ যুগে এমন লোকদের আত্নপ্রকাশ ঘটবে যারা হবে বয়সে নবীন এবং প্রতিজ্ঞাহীন বোকা। তারা সমগ্র সৃষ্টিকুলের মধ্যে সর্বোত্তম কথা বলবে, তীর যেভাবে ধনুক হতে বেরিয়ে যায় তারাও সেভাবে দ্বীন হতে বেরিয়ে যাবে। তাদের ঈমান কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তোমরা যেখানেই এই ধরনের লোকের দেখা পাবে সেখানেই তাদেরকে হত্যা করবে। কারন, যারা এদেরকে হত্যা করবে ক্বিয়ামতের দিন তারা সওয়াব লাভ করবে।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، حدثنا الأعمش، عن خيثمة، عن سويد بن غفلة، قال قال علي ‏:‏ إذا حدثتكم عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا فلأن أخر من السماء أحب إلى من أن أكذب عليه وإذا حدثتكم فيما بيني وبينكم فإنما الحرب خدعة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ يأتي في آخر الزمان قوم حدثاء الأسنان سفهاء الأحلام، يقولون من قول خير البرية يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية، لا يجاوز إيمانهم حناجرهم، فأينما لقيتموهم فاقتلوهم، فإن قتلهم أجر لمن قتلهم يوم القيامة ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬৪

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبيه، عن ابن أبي نعم، عن أبي سعيد الخدري، قال ‏:‏ بعث علي عليه السلام إلى النبي صلى الله عليه وسلم بذهيبة في تربتها، فقسمها بين أربعة بين ‏:‏ الأقرع بن حابس الحنظلي ثم المجاشعي، وبين عيينة بن بدر الفزاري وبين زيد الخيل الطائي ثم أحد بني نبهان وبين علقمة بن علاثة العامري ثم أحد بني كلاب قال فغضبت قريش والأنصار وقالت ‏:‏ يعطي صناديد أهل نجد ويدعنا ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ إنما أتألفهم ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ فأقبل رجل غائر العينين مشرف الوجنتين ناتئ الجبين كث اللحية محلوق قال ‏:‏ اتق الله يا محمد ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ من يطع الله إذا عصيته أيأمنني الله على أهل الأرض ولا تأمنوني ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ فسأل رجل قتله أحسبه خالد بن الوليد - قال - فمنعه ‏.‏ قال ‏:‏ فلما ولى قال ‏:‏ ‏"‏ إن من ضئضئ هذا أو في عقب هذا قوما يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم يمرقون من الإسلام مروق السهم من الرمية، يقتلون أهل الإسلام ويدعون أهل الأوثان لئن أنا أدركتهم قتلتهم قتل عاد ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ পাঠালে তিনি তার চারজন ব্যক্তি, যথা আকরা ‘ইবনু হাবিস আল-হানযলী আল-মুজাশিঈ, ‘উয়াইনাহ ইবনু বাদর আল-ফাযারী, যায়িদ আল-খাইল আত-তাঈ, অতঃপর নাবহান গোত্রের এক ব্যক্তি, এছাড়া ‘আলক্বামাহ ইবনু উলাসাহ আল-‘আমিরী এবং বনী কিলাবের এক ব্যক্তির মধ্যে ভাগ করে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এতে কুরাইশ ও আনসারগণ অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, নাজদের অধিবাসীদের নেতৃস্থানীয় লোকদেরকে দেয়া হয়েছে এবং আমাদেরকে দেয়া হলো না। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তাদেরকে (ইসলামের) অনুরাগী করার জন্য দিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর কোটরাগত চোখ, উদ্যত চিবুক, ঘন দাড়ি ও নেড়া মাথাবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বললো, হে মুহাম্মাদ! আল্লাহ্‌কে ভয় করো। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমিই যদি অবাধ্য হই তাহলে কে আর আল্লাহর আনুগত্য করবে? আল্লাহ আমাকে পৃথিবীবাসীর জন্য বিশ্বস্ত লোক হিসেবে নিয়োগ করেছেন; আর তোমরা আমাকে বিশ্বাস করছো না! আবূ সাঈস আল-খুদরী (রাঃ) বলেন, অতঃপর এক ব্যক্তি তাকে হত্যা করার অনুমতি চাইলেন, আমার মতে, তিনি খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ)। তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বারণ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার বংশধর হতে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যে গতিতে শিকারের দিকে ছুটে যায় তারাও ঠিক সেইভাবে ইসলাম হতে বেরিয়ে যাবে, তারা ইসলামের অনুসারীদেরকে হত্যা করবে এবং পৌত্তলিকদেরকে নিরাপদ রাখবে। যদি আমি তাদের সময় পর্যন্ত জীবিত থাকি তাহলে তাদেরকে হত্যা করবো যেভাবে হত্যা করা হয়েছে ‘আদ জাতিকে।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কিছু অপরিশোধিত স্বর্ণ পাঠালে তিনি তার চারজন ব্যক্তি, যথা আকরা ‘ইবনু হাবিস আল-হানযলী আল-মুজাশিঈ, ‘উয়াইনাহ ইবনু বাদর আল-ফাযারী, যায়িদ আল-খাইল আত-তাঈ, অতঃপর নাবহান গোত্রের এক ব্যক্তি, এছাড়া ‘আলক্বামাহ ইবনু উলাসাহ আল-‘আমিরী এবং বনী কিলাবের এক ব্যক্তির মধ্যে ভাগ করে দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এতে কুরাইশ ও আনসারগণ অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, নাজদের অধিবাসীদের নেতৃস্থানীয় লোকদেরকে দেয়া হয়েছে এবং আমাদেরকে দেয়া হলো না। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি তাদেরকে (ইসলামের) অনুরাগী করার জন্য দিয়েছি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর কোটরাগত চোখ, উদ্যত চিবুক, ঘন দাড়ি ও নেড়া মাথাবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে বললো, হে মুহাম্মাদ! আল্লাহ্‌কে ভয় করো। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমিই যদি অবাধ্য হই তাহলে কে আর আল্লাহর আনুগত্য করবে? আল্লাহ আমাকে পৃথিবীবাসীর জন্য বিশ্বস্ত লোক হিসেবে নিয়োগ করেছেন; আর তোমরা আমাকে বিশ্বাস করছো না! আবূ সাঈস আল-খুদরী (রাঃ) বলেন, অতঃপর এক ব্যক্তি তাকে হত্যা করার অনুমতি চাইলেন, আমার মতে, তিনি খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ)। তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বারণ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি চলে গেলে তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তার বংশধর হতে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যে গতিতে শিকারের দিকে ছুটে যায় তারাও ঠিক সেইভাবে ইসলাম হতে বেরিয়ে যাবে, তারা ইসলামের অনুসারীদেরকে হত্যা করবে এবং পৌত্তলিকদেরকে নিরাপদ রাখবে। যদি আমি তাদের সময় পর্যন্ত জীবিত থাকি তাহলে তাদেরকে হত্যা করবো যেভাবে হত্যা করা হয়েছে ‘আদ জাতিকে।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبيه، عن ابن أبي نعم، عن أبي سعيد الخدري، قال ‏:‏ بعث علي عليه السلام إلى النبي صلى الله عليه وسلم بذهيبة في تربتها، فقسمها بين أربعة بين ‏:‏ الأقرع بن حابس الحنظلي ثم المجاشعي، وبين عيينة بن بدر الفزاري وبين زيد الخيل الطائي ثم أحد بني نبهان وبين علقمة بن علاثة العامري ثم أحد بني كلاب قال فغضبت قريش والأنصار وقالت ‏:‏ يعطي صناديد أهل نجد ويدعنا ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ إنما أتألفهم ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ فأقبل رجل غائر العينين مشرف الوجنتين ناتئ الجبين كث اللحية محلوق قال ‏:‏ اتق الله يا محمد ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ من يطع الله إذا عصيته أيأمنني الله على أهل الأرض ولا تأمنوني ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ فسأل رجل قتله أحسبه خالد بن الوليد - قال - فمنعه ‏.‏ قال ‏:‏ فلما ولى قال ‏:‏ ‏"‏ إن من ضئضئ هذا أو في عقب هذا قوما يقرءون القرآن لا يجاوز حناجرهم يمرقون من الإسلام مروق السهم من الرمية، يقتلون أهل الإسلام ويدعون أهل الأوثان لئن أنا أدركتهم قتلتهم قتل عاد ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬৫

حدثنا نصر بن عاصم الأنطاكي، حدثنا الوليد، ومبشر، - يعني ابن إسماعيل الحلبي عن أبي عمرو، قال - يعني الوليد - حدثنا أبو عمرو، قال حدثني قتادة، عن أبي سعيد الخدري، وأنس بن مالك، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ سيكون في أمتي اختلاف وفرقة، قوم يحسنون القيل ويسيئون الفعل ويقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم، يمرقون من الدين مروق السهم من الرمية لا يرجعون حتى يرتد على فوقه هم شر الخلق والخليقة طوبى لمن قتلهم وقتلوه، يدعون إلى كتاب الله وليسوا منه في شىء، من قاتلهم كان أولى بالله منهم ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ يا رسول الله ما سيماهم قال ‏:‏ ‏"‏ التحليق ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হবে। তারা উত্তম কথা বলবে, আর নিকৃষ্ট কাজ করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের গলার হাড় অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন হতে এমনভাবে খারিজ হবে যেমন তীর ধনুক হতে ছুটে যায়, তারা আর ফিরে আসবে না। তারা সৃষ্টি জগতে নিকৃষ্টতম। ঐ ব্যক্তি ভাগ্যবান যে তাদেরকে হত্যা করলো এবং তারা তাকে হত্যা করলো। তারা আল্লাহর কিতাবের দিকে ডাকে কিন্তু নিজেরা তার অনুসরণ করে না। যে ব্যক্তি তাদেরকে হত্যা করবে সে-ই হবে আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের আলামত কি? তিনি বললেন, নেড়া মাথা ওয়ালা গোষ্ঠী।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে মতভেদ সৃষ্টি হবে। তারা উত্তম কথা বলবে, আর নিকৃষ্ট কাজ করবে। তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের গলার হাড় অতিক্রম করবে না। তারা দ্বীন হতে এমনভাবে খারিজ হবে যেমন তীর ধনুক হতে ছুটে যায়, তারা আর ফিরে আসবে না। তারা সৃষ্টি জগতে নিকৃষ্টতম। ঐ ব্যক্তি ভাগ্যবান যে তাদেরকে হত্যা করলো এবং তারা তাকে হত্যা করলো। তারা আল্লাহর কিতাবের দিকে ডাকে কিন্তু নিজেরা তার অনুসরণ করে না। যে ব্যক্তি তাদেরকে হত্যা করবে সে-ই হবে আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের আলামত কি? তিনি বললেন, নেড়া মাথা ওয়ালা গোষ্ঠী।

حدثنا نصر بن عاصم الأنطاكي، حدثنا الوليد، ومبشر، - يعني ابن إسماعيل الحلبي عن أبي عمرو، قال - يعني الوليد - حدثنا أبو عمرو، قال حدثني قتادة، عن أبي سعيد الخدري، وأنس بن مالك، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ سيكون في أمتي اختلاف وفرقة، قوم يحسنون القيل ويسيئون الفعل ويقرءون القرآن لا يجاوز تراقيهم، يمرقون من الدين مروق السهم من الرمية لا يرجعون حتى يرتد على فوقه هم شر الخلق والخليقة طوبى لمن قتلهم وقتلوه، يدعون إلى كتاب الله وليسوا منه في شىء، من قاتلهم كان أولى بالله منهم ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ يا رسول الله ما سيماهم قال ‏:‏ ‏"‏ التحليق ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬৮

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن سلمة بن كهيل، قال أخبرني زيد بن وهب الجهني، ‏:‏ أنه كان في الجيش الذين كانوا مع علي عليه السلام الذين ساروا إلى الخوارج فقال علي عليه السلام ‏:‏ أيها الناس إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ يخرج قوم من أمتي يقرءون القرآن ليست قراءتكم إلى قراءتهم شيئا ولا صلاتكم إلى صلاتهم شيئا ولا صيامكم إلى صيامهم شيئا، يقرءون القرآن يحسبون أنه لهم وهو عليهم، لا تجاوز صلاتهم تراقيهم يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية، لو يعلم الجيش الذين يصيبونهم ما قضي لهم على لسان نبيهم صلى الله عليه وسلم لنكلوا على العمل، وآية ذلك أن فيهم رجلا له عضد وليست له ذراع، على عضده مثل حلمة الثدى عليه شعرات بيض ‏"‏ ‏.‏ أفتذهبون إلى معاوية وأهل الشام وتتركون هؤلاء يخلفونكم في ذراريكم وأموالكم والله إني لأرجو أن يكونوا هؤلاء القوم، فإنهم قد سفكوا الدم الحرام، وأغاروا في سرح الناس فسيروا على اسم الله ‏.‏ قال ‏:‏ سلمة بن كهيل ‏:‏ فنزلني زيد بن وهب منزلا منزلا حتى مر بنا على قنطرة قال فلما التقينا وعلى الخوارج عبد الله بن وهب الراسبي فقال لهم ‏:‏ ألقوا الرماح وسلوا السيوف من جفونها، فإني أخاف أن يناشدوكم كما ناشدوكم يوم حروراء قال ‏:‏ فوحشوا برماحهم واستلوا السيوف وشجرهم الناس برماحهم - قال - وقتلوا بعضهم على بعضهم ‏.‏ قال ‏:‏ وما أصيب من الناس يومئذ إلا رجلان فقال علي عليه السلام ‏:‏ التمسوا فيهم المخدج فلم يجدوا قال ‏:‏ فقام علي رضى الله عنه بنفسه حتى أتى ناسا قد قتل بعضهم على بعض فقال ‏:‏ أخرجوهم فوجدوه مما يلي الأرض فكبر وقال ‏:‏ صدق الله وبلغ رسوله ‏.‏ فقام إليه عبيدة السلماني فقال ‏:‏ يا أمير المؤمنين والله الذي لا إله إلا هو لقد سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ إي والله الذي لا إله إلا هو حتى استحلفه ثلاثا وهو يحلف ‏.

সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়িদ ইবনু ওয়াহ্‌ব আল্‌-জুহানী (রহঃ) জানিয়েছেন যে, তিনি ‘আলী (রাঃ) -এর সঙ্গে সেই সৈন্যদলের সঙ্গে ছিলেন যারা খারিজীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। 'আলী (রাঃ) বলেন, হে জনতা! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার উম্মাতের মধ্য হতে এমন একটি গোত্রের আত্নপ্রকাশ ঘটবে যাদের কুরআন পাঠের সামনে তোমাদের তিলওয়াত কিছুই নয়, তোমাদের সলাত তাদের সলাতের তুলনায় কিছুই নয় এবং তোমাদের সিয়াম তাদের সিয়ামের তুলনায় কিছুই নয়। তারা কুরআন পড়বে নেকী লাভের আশায়, কিন্তু পরিণতি হবে তার বিপরীত। তাদের সলাত তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যেভাবে ধনুক হতে বেরিয়ে যায়, তারাও ঠিক সেভাবে ইসলাম হতে দূরে সরে যাবে। যেসব সৈন্য তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে তারা যদি সেই সওয়াবের কথা জানতে পারে যা তাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ মুখে তাদের জন্য বলেছেন, তাহলে তারা অন্যান্য আমল করা ছেড়ে দিবে এবং এরই উপর নির্ভর করে বসে থাকবে। এই দলের নিদর্শন হলো, তাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি থাকবে যার বাহু থাকেব কিন্তু হাত থাকবে না এবং তার বাহুর উপর স্তনের বোঁটার ন্যায় একটি বোঁটা থাকবে এবং তার উপর সাদা লোম থাকবে। তোমরা কি তোমাদের ছেলেমেয়ে ও ধন-সম্পদ এদের আয়ত্তে রেখে মু’আরিযাহ ও সিরিয়াবাসীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যেতে চাও? আল্লাহর কসম! আমার ধারনা যে, এরাই সেই গোত্রের। কেননা, এরা হারামভাবে রক্ত প্রবাহিত করছে এবং চারনভূমি হতে মানুষের পশু লুট করছে। অতএব, তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে বের হও। সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) বলেন, আমার কাছে যায়িদ ইবনু ওয়াহ্‌ব খারিজীদের নিকট গমনের ঘটনা পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করে বলেন, অবশেষে আমরা একটি পুল অতিক্রম করে যখন দুই দল মুখোমুখি হলাম, আর খারিজীদের সেনাপ্রধান ছিলো ‘আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহ্‌ব আর-রাসিবী। সে তাদেরকে বললো, তোমরা বল্লম ছুঁড়ো এবং খাপ থেকে তরবারি বের করো। এমন যেনো না হয় যে, তারা তোমাদেরকে ওয়াদা দিয়ে বলবে যেমন হারুরার দিবসে তারা ওয়াদা দিয়েছিলো। তিনি বলেন, অতঃপর তারা বল্লম নিক্ষেপ করতে লাগলো ও খাপ থেকে তরবারি বের করলো এবং মুসলিমরা বল্লম ছুঁড়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করলো এবং একের পর এক তারা নিহত হতে থাকলো। তিনি বলেন, ঐদিন ‘আলী (রাঃ)-এর পক্ষের দুই ব্যক্তি শহীদ হলো। ‘আলী (রাঃ) বলেন, তোমরা নিহতদের মধ্যে ছোট হাতবিশিস্ট ব্যক্তিকে খোজঁ করো ; কিন্তু তারা তাকে পেলো না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর 'আলী (রাঃ) নিজে উঠে পরস্পরের উপর পরে থাকা লাশের নিকট এসে বললেন, এদেরকে বের করো। তারা তাকে ভুলুন্ঠিত অবস্হায় পেয়ে গেলে তিনি আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করে বললেন, আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং তাঁর রাসুলও। এরপর ‘উবাইদাহ আস্‌-সালমানী তার নিকট দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! সেই আল্লাহর কসম যিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই! আপনি কি একথা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, সেই আল্লাহর কসম! যিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই। ‘উবাইদাহ তিনবার কসম করে তার নিকট প্রশ্ন করলে তিনিও তিনবার কসম করে একই জবাব দেন।

সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যায়িদ ইবনু ওয়াহ্‌ব আল্‌-জুহানী (রহঃ) জানিয়েছেন যে, তিনি ‘আলী (রাঃ) -এর সঙ্গে সেই সৈন্যদলের সঙ্গে ছিলেন যারা খারিজীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়েছিলেন। 'আলী (রাঃ) বলেন, হে জনতা! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমার উম্মাতের মধ্য হতে এমন একটি গোত্রের আত্নপ্রকাশ ঘটবে যাদের কুরআন পাঠের সামনে তোমাদের তিলওয়াত কিছুই নয়, তোমাদের সলাত তাদের সলাতের তুলনায় কিছুই নয় এবং তোমাদের সিয়াম তাদের সিয়ামের তুলনায় কিছুই নয়। তারা কুরআন পড়বে নেকী লাভের আশায়, কিন্তু পরিণতি হবে তার বিপরীত। তাদের সলাত তাদের কন্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তীর যেভাবে ধনুক হতে বেরিয়ে যায়, তারাও ঠিক সেভাবে ইসলাম হতে দূরে সরে যাবে। যেসব সৈন্য তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে তারা যদি সেই সওয়াবের কথা জানতে পারে যা তাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ মুখে তাদের জন্য বলেছেন, তাহলে তারা অন্যান্য আমল করা ছেড়ে দিবে এবং এরই উপর নির্ভর করে বসে থাকবে। এই দলের নিদর্শন হলো, তাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি থাকবে যার বাহু থাকেব কিন্তু হাত থাকবে না এবং তার বাহুর উপর স্তনের বোঁটার ন্যায় একটি বোঁটা থাকবে এবং তার উপর সাদা লোম থাকবে। তোমরা কি তোমাদের ছেলেমেয়ে ও ধন-সম্পদ এদের আয়ত্তে রেখে মু’আরিযাহ ও সিরিয়াবাসীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যেতে চাও? আল্লাহর কসম! আমার ধারনা যে, এরাই সেই গোত্রের। কেননা, এরা হারামভাবে রক্ত প্রবাহিত করছে এবং চারনভূমি হতে মানুষের পশু লুট করছে। অতএব, তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে বের হও। সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) বলেন, আমার কাছে যায়িদ ইবনু ওয়াহ্‌ব খারিজীদের নিকট গমনের ঘটনা পর্যায়ক্রমে বর্ণনা করে বলেন, অবশেষে আমরা একটি পুল অতিক্রম করে যখন দুই দল মুখোমুখি হলাম, আর খারিজীদের সেনাপ্রধান ছিলো ‘আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহ্‌ব আর-রাসিবী। সে তাদেরকে বললো, তোমরা বল্লম ছুঁড়ো এবং খাপ থেকে তরবারি বের করো। এমন যেনো না হয় যে, তারা তোমাদেরকে ওয়াদা দিয়ে বলবে যেমন হারুরার দিবসে তারা ওয়াদা দিয়েছিলো। তিনি বলেন, অতঃপর তারা বল্লম নিক্ষেপ করতে লাগলো ও খাপ থেকে তরবারি বের করলো এবং মুসলিমরা বল্লম ছুঁড়ে তাদেরকে প্রতিরোধ করলো এবং একের পর এক তারা নিহত হতে থাকলো। তিনি বলেন, ঐদিন ‘আলী (রাঃ)-এর পক্ষের দুই ব্যক্তি শহীদ হলো। ‘আলী (রাঃ) বলেন, তোমরা নিহতদের মধ্যে ছোট হাতবিশিস্ট ব্যক্তিকে খোজঁ করো ; কিন্তু তারা তাকে পেলো না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর 'আলী (রাঃ) নিজে উঠে পরস্পরের উপর পরে থাকা লাশের নিকট এসে বললেন, এদেরকে বের করো। তারা তাকে ভুলুন্ঠিত অবস্হায় পেয়ে গেলে তিনি আল্লাহু আকবার উচ্চারণ করে বললেন, আল্লাহ সত্য বলেছেন এবং তাঁর রাসুলও। এরপর ‘উবাইদাহ আস্‌-সালমানী তার নিকট দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! সেই আল্লাহর কসম যিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই! আপনি কি একথা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছেন? তিনি বললেন, হাঁ, সেই আল্লাহর কসম! যিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই। ‘উবাইদাহ তিনবার কসম করে তার নিকট প্রশ্ন করলে তিনিও তিনবার কসম করে একই জবাব দেন।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، عن عبد الملك بن أبي سليمان، عن سلمة بن كهيل، قال أخبرني زيد بن وهب الجهني، ‏:‏ أنه كان في الجيش الذين كانوا مع علي عليه السلام الذين ساروا إلى الخوارج فقال علي عليه السلام ‏:‏ أيها الناس إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ يخرج قوم من أمتي يقرءون القرآن ليست قراءتكم إلى قراءتهم شيئا ولا صلاتكم إلى صلاتهم شيئا ولا صيامكم إلى صيامهم شيئا، يقرءون القرآن يحسبون أنه لهم وهو عليهم، لا تجاوز صلاتهم تراقيهم يمرقون من الإسلام كما يمرق السهم من الرمية، لو يعلم الجيش الذين يصيبونهم ما قضي لهم على لسان نبيهم صلى الله عليه وسلم لنكلوا على العمل، وآية ذلك أن فيهم رجلا له عضد وليست له ذراع، على عضده مثل حلمة الثدى عليه شعرات بيض ‏"‏ ‏.‏ أفتذهبون إلى معاوية وأهل الشام وتتركون هؤلاء يخلفونكم في ذراريكم وأموالكم والله إني لأرجو أن يكونوا هؤلاء القوم، فإنهم قد سفكوا الدم الحرام، وأغاروا في سرح الناس فسيروا على اسم الله ‏.‏ قال ‏:‏ سلمة بن كهيل ‏:‏ فنزلني زيد بن وهب منزلا منزلا حتى مر بنا على قنطرة قال فلما التقينا وعلى الخوارج عبد الله بن وهب الراسبي فقال لهم ‏:‏ ألقوا الرماح وسلوا السيوف من جفونها، فإني أخاف أن يناشدوكم كما ناشدوكم يوم حروراء قال ‏:‏ فوحشوا برماحهم واستلوا السيوف وشجرهم الناس برماحهم - قال - وقتلوا بعضهم على بعضهم ‏.‏ قال ‏:‏ وما أصيب من الناس يومئذ إلا رجلان فقال علي عليه السلام ‏:‏ التمسوا فيهم المخدج فلم يجدوا قال ‏:‏ فقام علي رضى الله عنه بنفسه حتى أتى ناسا قد قتل بعضهم على بعض فقال ‏:‏ أخرجوهم فوجدوه مما يلي الأرض فكبر وقال ‏:‏ صدق الله وبلغ رسوله ‏.‏ فقام إليه عبيدة السلماني فقال ‏:‏ يا أمير المؤمنين والله الذي لا إله إلا هو لقد سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ إي والله الذي لا إله إلا هو حتى استحلفه ثلاثا وهو يحلف ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৭০

حدثنا بشر بن خالد، حدثنا شبابة بن سوار، عن نعيم بن حكيم، عن أبي مريم، قال ‏:‏ إن كان ذلك المخدج لمعنا يومئذ في المسجد نجالسه بالليل والنهار، وكان فقيرا ورأيته مع المساكين يشهد طعام علي عليه السلام مع الناس وقد كسوته برنسا لي ‏.‏ قال أبو مريم ‏:‏ وكان المخدج يسمى نافعا ذا الثدية، وكان في يده مثل ثدى المرأة على رأسه حلمة مثل حلمة الثدى عليه شعيرات مثل سبالة السنور ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ وهو عند الناس اسمه حرقوس ‏.‏

আবু মারইয়াম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঐ (মুখদাজ) খোড়াঁ হাতবিশিষ্ট সে সময় আমাদের সঙ্গে মাসজিদে দিনরাত উঠা-বসা করতো। এবং সে ছিলো ফকির। আমি তাকে লোকদের সঙ্গে 'আলী (রাঃ) -এর আহারে অংশগ্রহন করতে দেখেছি। আমি তাকে আমার একটি আলখাল্লা দান করেছিলাম। আবূ মারইয়াম (রহঃ) বলেন, মুখদাজকে নাফি’ বোঁটাধারী নামে ডাকা হতো। আর তার হাতে নারীর স্তনের বোঁটার মত একটি বোঁটা ছিল এবং বিড়ালের লোমের ন্যায় লোম ছিলো। [৪৭৬৯] সানাদ দূর্বল।

আবু মারইয়াম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ঐ (মুখদাজ) খোড়াঁ হাতবিশিষ্ট সে সময় আমাদের সঙ্গে মাসজিদে দিনরাত উঠা-বসা করতো। এবং সে ছিলো ফকির। আমি তাকে লোকদের সঙ্গে 'আলী (রাঃ) -এর আহারে অংশগ্রহন করতে দেখেছি। আমি তাকে আমার একটি আলখাল্লা দান করেছিলাম। আবূ মারইয়াম (রহঃ) বলেন, মুখদাজকে নাফি’ বোঁটাধারী নামে ডাকা হতো। আর তার হাতে নারীর স্তনের বোঁটার মত একটি বোঁটা ছিল এবং বিড়ালের লোমের ন্যায় লোম ছিলো। [৪৭৬৯] সানাদ দূর্বল।

حدثنا بشر بن خالد، حدثنا شبابة بن سوار، عن نعيم بن حكيم، عن أبي مريم، قال ‏:‏ إن كان ذلك المخدج لمعنا يومئذ في المسجد نجالسه بالليل والنهار، وكان فقيرا ورأيته مع المساكين يشهد طعام علي عليه السلام مع الناس وقد كسوته برنسا لي ‏.‏ قال أبو مريم ‏:‏ وكان المخدج يسمى نافعا ذا الثدية، وكان في يده مثل ثدى المرأة على رأسه حلمة مثل حلمة الثدى عليه شعيرات مثل سبالة السنور ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ وهو عند الناس اسمه حرقوس ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬৬

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحوه قال ‏:‏ ‏ "‏ سيماهم التحليق والتسبيد، فإذا رأيتموهم فأنيموهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ التسبيد استئصال الشعر ‏.‏

আনাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, তাদের আলামত হচ্ছে, তারা মাথা মুড়ানো ও টাকপড়া হবে। অতঃপর তোমরা তাদেরকে দেখলে হত্যা করবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আত-তাসবীদ অর্থ হলো চুল উপড়ে ফেলা।

আনাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, তাদের আলামত হচ্ছে, তারা মাথা মুড়ানো ও টাকপড়া হবে। অতঃপর তোমরা তাদেরকে দেখলে হত্যা করবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আত-তাসবীদ অর্থ হলো চুল উপড়ে ফেলা।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نحوه قال ‏:‏ ‏ "‏ سيماهم التحليق والتسبيد، فإذا رأيتموهم فأنيموهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ التسبيد استئصال الشعر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > চোরের মোকাবিলা করা

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৭১

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني عبد الله بن حسن، قال حدثني عمي، إبراهيم بن محمد بن طلحة عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من أريد ماله بغير حق فقاتل فقتل فهو شهيد ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কারো সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উপক্রম হলে এবং সে তা প্রতিরোধ করতে গিয়ে হত্যা হলে সে শহীদ বলে গন্য হবে।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কারো সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করার উপক্রম হলে এবং সে তা প্রতিরোধ করতে গিয়ে হত্যা হলে সে শহীদ বলে গন্য হবে।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني عبد الله بن حسن، قال حدثني عمي، إبراهيم بن محمد بن طلحة عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من أريد ماله بغير حق فقاتل فقتل فهو شهيد ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৭২

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا أبو داود الطيالسي، وسليمان بن داود، - يعني أبا أيوب الهاشمي - عن إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن أبي عبيدة بن محمد بن عمار بن ياسر، عن طلحة بن عبد الله بن عوف، عن سعيد بن زيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من قتل دون ماله فهو شهيد، ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد ‏"‏ ‏.

সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হলে সে শহীদ। একইভাবে কেউ তার পরিবার-পরিজন ও জীবন অথবা ধর্ম রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হলে সেও শহীদ।

সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার সম্পদ রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হলে সে শহীদ। একইভাবে কেউ তার পরিবার-পরিজন ও জীবন অথবা ধর্ম রক্ষা করতে গিয়ে নিহত হলে সেও শহীদ।

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا أبو داود الطيالسي، وسليمان بن داود، - يعني أبا أيوب الهاشمي - عن إبراهيم بن سعد، عن أبيه، عن أبي عبيدة بن محمد بن عمار بن ياسر، عن طلحة بن عبد الله بن عوف، عن سعيد بن زيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من قتل دون ماله فهو شهيد، ومن قتل دون أهله أو دون دمه أو دون دينه فهو شهيد ‏"‏ ‏.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00