সুনানে আবু দাউদ > কবরের জিজ্ঞাসাবাদ এবং শাস্তি প্রসঙ্গে
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫০
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " إن المسلم إذا سئل في القبر فشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذلك قول الله عز وجل { يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت } .
আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই মুসলিম ব্যক্তিকে যখন কবরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তখন সে এ সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল। এ হচ্ছে আল্লাহ্র এ কালামের অর্থঃ “যারা শাশ্বত বাণীর উপর ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন......” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)।
আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই মুসলিম ব্যক্তিকে যখন কবরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তখন সে এ সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল। এ হচ্ছে আল্লাহ্র এ কালামের অর্থঃ “যারা শাশ্বত বাণীর উপর ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন......” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)।
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " إن المسلم إذا سئل في القبر فشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذلك قول الله عز وجل { يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت } .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫১
حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا عبد الوهاب بن عطاء الخفاف أبو نصر، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال : إن نبي الله صلى الله عليه وسلم دخل نخلا لبني النجار فسمع صوتا ففزع فقال : " من أصحاب هذه القبور " . قالوا : يا رسول الله ناس ماتوا في الجاهلية . فقال : " تعوذوا بالله من عذاب النار ومن فتنة الدجال " . قالوا : ومم ذاك يا رسول الله قال : " إن المؤمن إذا وضع في قبره أتاه ملك فيقول له : ما كنت تعبد فإن الله هداه قال : كنت أعبد الله . فيقال له : ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول : هو عبد الله ورسوله فما يسأل عن شىء غيرها فينطلق به إلى بيت كان له في النار، فيقال له : هذا بيتك كان لك في النار ولكن الله عصمك ورحمك فأبدلك به بيتا في الجنة فيقول : دعوني حتى أذهب فأبشر أهلي . فيقال له : اسكن . وإن الكافر إذا وضع في قبره أتاه ملك فينتهره فيقول له : ما كنت تعبد فيقول : لا أدري . فيقال له : لا دريت ولا تليت . فيقال له : فما كنت تقول في هذا الرجل فيقول : كنت أقول ما يقول الناس . فيضربه بمطراق من حديد بين أذنيه فيصيح صيحة يسمعها الخلق غير الثقلين " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনী নাজ্জার গোত্রের একটি খেজুর বাগানে প্রবেশ করে একটা শব্দ শুনে শঙ্কিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, এ কবরগুলো কাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরা সেসব লোক যারা জাহিলী যুগে মারা গেছে। তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আযাব হতে ও দাজ্জাল সৃষ্ট বিপর্যয় হতে আশ্রয় চাও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কেন? তিনি বললেন, যখন কোন মু’মিন ব্যক্তিকে তার কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? যদি আল্লাহ তাকে পথ দেখান তাহলে সে বলে, আমি আল্লাহর ‘ইবাদত করতাম। অতঃপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, তুমি এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে কি বলতে? সে বলে, তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল! এরপর তাকে অন্য প্রশ্ন না করে তাকে নিয়ে এমন একটি ঘরে যাওয়া হয় যা তার জন্য জাহান্নামে (তৈরি করা) ছিল। অতঃপর তাকে বলা হয়, এটা তোমার ঘর যা জাহান্নামে তোমার জন্য ছিল। কিন্তু আল্লাহ তোমাকে এ হতে রক্ষা করেছেন এবং দয়া করে এর পরিবর্তে তোমার জন্য জান্নাতে একটি ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। তখন সে বলে, আমাকে একটু ছেড়ে দিন, আমি আমার পরিবার-পরিজনকে এ সুসংবাদটি দিয়ে আসি। তাকে বলা হবে, তুমি এখানেই বসবাস করো। পক্ষান্তরে, যখন কোন কাফির ব্যক্তিকে কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? সে বলে, আমি জানি না। অতঃপর তাকে বলা হয়, তুমি জানতে চাওনি এবং অনুসরণও করোনি। অতঃপর প্রশ্ন করা হয়, এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে তুমি কি বলতে? সে বলবে, অন্যান্য লোক যা বলতো আমিও তাই বলতাম। তখন তার দুই কানের মধ্যস্থলে লোহার হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করা হয়। এতে সে এমন জোরে চিৎকার করে যে, মানুষ ও জিন জাতি ছাড়া অন্য সকল সৃষ্টিজীব তা শুনতে পায়।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনী নাজ্জার গোত্রের একটি খেজুর বাগানে প্রবেশ করে একটা শব্দ শুনে শঙ্কিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, এ কবরগুলো কাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরা সেসব লোক যারা জাহিলী যুগে মারা গেছে। তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আযাব হতে ও দাজ্জাল সৃষ্ট বিপর্যয় হতে আশ্রয় চাও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কেন? তিনি বললেন, যখন কোন মু’মিন ব্যক্তিকে তার কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? যদি আল্লাহ তাকে পথ দেখান তাহলে সে বলে, আমি আল্লাহর ‘ইবাদত করতাম। অতঃপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, তুমি এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে কি বলতে? সে বলে, তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল! এরপর তাকে অন্য প্রশ্ন না করে তাকে নিয়ে এমন একটি ঘরে যাওয়া হয় যা তার জন্য জাহান্নামে (তৈরি করা) ছিল। অতঃপর তাকে বলা হয়, এটা তোমার ঘর যা জাহান্নামে তোমার জন্য ছিল। কিন্তু আল্লাহ তোমাকে এ হতে রক্ষা করেছেন এবং দয়া করে এর পরিবর্তে তোমার জন্য জান্নাতে একটি ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। তখন সে বলে, আমাকে একটু ছেড়ে দিন, আমি আমার পরিবার-পরিজনকে এ সুসংবাদটি দিয়ে আসি। তাকে বলা হবে, তুমি এখানেই বসবাস করো। পক্ষান্তরে, যখন কোন কাফির ব্যক্তিকে কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? সে বলে, আমি জানি না। অতঃপর তাকে বলা হয়, তুমি জানতে চাওনি এবং অনুসরণও করোনি। অতঃপর প্রশ্ন করা হয়, এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে তুমি কি বলতে? সে বলবে, অন্যান্য লোক যা বলতো আমিও তাই বলতাম। তখন তার দুই কানের মধ্যস্থলে লোহার হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করা হয়। এতে সে এমন জোরে চিৎকার করে যে, মানুষ ও জিন জাতি ছাড়া অন্য সকল সৃষ্টিজীব তা শুনতে পায়।
حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا عبد الوهاب بن عطاء الخفاف أبو نصر، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال : إن نبي الله صلى الله عليه وسلم دخل نخلا لبني النجار فسمع صوتا ففزع فقال : " من أصحاب هذه القبور " . قالوا : يا رسول الله ناس ماتوا في الجاهلية . فقال : " تعوذوا بالله من عذاب النار ومن فتنة الدجال " . قالوا : ومم ذاك يا رسول الله قال : " إن المؤمن إذا وضع في قبره أتاه ملك فيقول له : ما كنت تعبد فإن الله هداه قال : كنت أعبد الله . فيقال له : ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول : هو عبد الله ورسوله فما يسأل عن شىء غيرها فينطلق به إلى بيت كان له في النار، فيقال له : هذا بيتك كان لك في النار ولكن الله عصمك ورحمك فأبدلك به بيتا في الجنة فيقول : دعوني حتى أذهب فأبشر أهلي . فيقال له : اسكن . وإن الكافر إذا وضع في قبره أتاه ملك فينتهره فيقول له : ما كنت تعبد فيقول : لا أدري . فيقال له : لا دريت ولا تليت . فيقال له : فما كنت تقول في هذا الرجل فيقول : كنت أقول ما يقول الناس . فيضربه بمطراق من حديد بين أذنيه فيصيح صيحة يسمعها الخلق غير الثقلين " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৩
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو معاوية، - وهذا لفظ هناد - عن الأعمش، عن المنهال، عن زاذان، عن البراء بن عازب، قال : خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة رجل من الأنصار، فانتهينا إلى القبر ولما يلحد، فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلسنا حوله كأنما على رءوسنا الطير، وفي يده عود ينكت به في الأرض، فرفع رأسه فقال : " استعيذوا بالله من عذاب القبر " . مرتين أو ثلاثا - زاد في حديث جرير ها هنا - وقال : " وإنه ليسمع خفق نعالهم إذا ولوا مدبرين حين يقال له : يا هذا من ربك وما دينك ومن نبيك " . قال هناد قال : " ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان له : من ربك فيقول : ربي الله . فيقولان له : ما دينك فيقول : ديني الإسلام . فيقولان له : ما هذا الرجل الذي بعث فيكم قال فيقول : هو رسول الله صلى الله عليه وسلم . فيقولان : وما يدريك فيقول : قرأت كتاب الله فآمنت به وصدقت " . زاد في حديث جرير : " فذلك قول الله عز وجل { يثبت الله الذين آمنوا } " . الآية . ثم اتفقا قال : " فينادي مناد من السماء : أن قد صدق عبدي فأفرشوه من الجنة، وافتحوا له بابا إلى الجنة وألبسوه من الجنة " . قال : " فيأتيه من روحها وطيبها " . قال : " ويفتح له فيها مد بصره " . قال : " وإن الكافر " . فذكر موته قال : " وتعاد روحه في جسده ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان : من ربك فيقول : هاه هاه هاه لا أدري . فيقولان له : ما دينك فيقول : هاه هاه لا أدري . فيقولان : ما هذا الرجل الذي بعث فيكم فيقول : هاه هاه لا أدري . فينادي مناد من السماء : أن كذب فأفرشوه من النار وألبسوه من النار، وافتحوا له بابا إلى النار " . قال : " فيأتيه من حرها وسمومها " . قال : " ويضيق عليه قبره حتى تختلف فيه أضلاعه " . زاد في حديث جرير قال : " ثم يقيض له أعمى أبكم معه مرزبة من حديد، لو ضرب بها جبل لصار ترابا " . قال : " فيضربه بها ضربة يسمعها ما بين المشرق والمغرب إلا الثقلين فيصير ترابا " . قال : " ثم تعاد فيه الروح " .
আল-বারাআ ইবনু ‘আবিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আনসার গোত্রের এক ব্যক্তির জানাজায় শরীক হওয়ার জন্য রওয়ানা হয়ে কবরের নিকট গেলাম। কিন্তু তখনও কবর খনন শেষ হয়নি। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসলেন এবং আমরাও তাঁর চারিদিকে নীরবে তাঁকে ঘিরে বসে পড়লাম, যেন আমাদের মাথার উপর পাখি বসে আছে। তখন তাঁর হাতে ছিল একখানা লাঠি, তা দিয়ে তিনি মাটিতে আঁচড় কাটছিলেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলে দুই বা তিনবার বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব হতে আশ্রয় চাও। বর্ণনাকারী জারীর তার আরো উল্লেখ করেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে যেতে থাকে, আর তখনই তাকে বলা হয়, হে অমুক! তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কি এবং তোমার নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে? হান্নাদ (রহঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অতঃপর তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে উভয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? তখন সে বলে, আমার রব আল্লাহ। তাঁরা উভয়ে তাকে প্রশ্ন করে, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, আমার দ্বীন হলো ইসলাম। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন, তিনি কে? তিনি বলেন, সে বলে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তারপর তারা উভয়ে আবার বলে, তুমি কি করে জানতে পারলে? সে বলে, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি এবং তার প্রতি ঈমান এনেছি এবং সত্য বলে স্বীকার করেছি। জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ এটাই হলো আল্লাহর এ বাণীর অর্থঃ “যারা এ শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)। এরপর বর্ণনাকারী জারীর ও হান্নাদ উভয়ে একইরূপ বর্ণনা করেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর আকাশ হতে একজন ঘোষক ঘোষণা করেন, আমার বান্দা যথাযথ বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোষাক পরিয়ে দাও। এছাড়া তার জন্য জান্নাতের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুতরাং, তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধকর হাওয়া ও তার সুগন্ধি বইতে থাকে। তিনি আরো বলেন, ঐ দরজা তার দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করা হয়। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদের মৃত্যু প্রসঙ্গে বলেন, তার রূহকে তার শরীরে ফিরিয়ে আনা হয় এবং দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? সে উত্তর দেয়, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারপর তারা প্রশ্ন করেন, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে বলে, হায়! আমি তো জানি না। তখন আকাশের দিক হতে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন, সে মিথ্যা বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জাহান্নামের একটি বিছানা এনে বিছিয়ে দাও এবং তাকে জাহান্নামের পোষাক পরিয়ে দাও, আর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি বলেন, অতঃপর তার দিকে জাহান্নামের উত্তপ্ত বাতাস আসতে থাকে। এছাড়া তার জন্য তার কবরকে সংকীর্ণ করে দেয়া হয়, ফলে তার এক দিকের পাঁজর অপর দিকের পাঁজরের মধ্যে ঢুকে যায়। বর্ণনাকারী জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, অতঃপর তার জন্য এক অন্ধ ও বধির ফেরেশতাকে নিযুক্ত করা হয়, যার সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ী থাকবে, যদি এ দ্বারা পাহাড়কে আঘাত করা হয় তাহলে তা ধূলায় পরিণত হয়ে যাবে। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তারপর সে তাকে হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করতে থাকে, এতে সে বিকট শব্দে চিৎকার করতে থাকে যা মানুষ ও জিন ছাড়া পূর্ব হতে পশ্চিম পর্যন্ত সকল সৃষ্টি জীবই শুনতে পায়। আঘাতের ফলে সে মাটিতে মিশে যায়। তিনি বলেন, অতঃপর (শাস্তি অব্যাহত রাখার জন্য) পুনরায় তাতে রুহ ফেরত দেয়া হয়।
আল-বারাআ ইবনু ‘আবিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আনসার গোত্রের এক ব্যক্তির জানাজায় শরীক হওয়ার জন্য রওয়ানা হয়ে কবরের নিকট গেলাম। কিন্তু তখনও কবর খনন শেষ হয়নি। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসলেন এবং আমরাও তাঁর চারিদিকে নীরবে তাঁকে ঘিরে বসে পড়লাম, যেন আমাদের মাথার উপর পাখি বসে আছে। তখন তাঁর হাতে ছিল একখানা লাঠি, তা দিয়ে তিনি মাটিতে আঁচড় কাটছিলেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলে দুই বা তিনবার বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব হতে আশ্রয় চাও। বর্ণনাকারী জারীর তার আরো উল্লেখ করেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে যেতে থাকে, আর তখনই তাকে বলা হয়, হে অমুক! তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কি এবং তোমার নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে? হান্নাদ (রহঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অতঃপর তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে উভয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? তখন সে বলে, আমার রব আল্লাহ। তাঁরা উভয়ে তাকে প্রশ্ন করে, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, আমার দ্বীন হলো ইসলাম। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন, তিনি কে? তিনি বলেন, সে বলে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তারপর তারা উভয়ে আবার বলে, তুমি কি করে জানতে পারলে? সে বলে, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি এবং তার প্রতি ঈমান এনেছি এবং সত্য বলে স্বীকার করেছি। জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ এটাই হলো আল্লাহর এ বাণীর অর্থঃ “যারা এ শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)। এরপর বর্ণনাকারী জারীর ও হান্নাদ উভয়ে একইরূপ বর্ণনা করেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর আকাশ হতে একজন ঘোষক ঘোষণা করেন, আমার বান্দা যথাযথ বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোষাক পরিয়ে দাও। এছাড়া তার জন্য জান্নাতের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুতরাং, তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধকর হাওয়া ও তার সুগন্ধি বইতে থাকে। তিনি আরো বলেন, ঐ দরজা তার দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করা হয়। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদের মৃত্যু প্রসঙ্গে বলেন, তার রূহকে তার শরীরে ফিরিয়ে আনা হয় এবং দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? সে উত্তর দেয়, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারপর তারা প্রশ্ন করেন, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে বলে, হায়! আমি তো জানি না। তখন আকাশের দিক হতে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন, সে মিথ্যা বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জাহান্নামের একটি বিছানা এনে বিছিয়ে দাও এবং তাকে জাহান্নামের পোষাক পরিয়ে দাও, আর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি বলেন, অতঃপর তার দিকে জাহান্নামের উত্তপ্ত বাতাস আসতে থাকে। এছাড়া তার জন্য তার কবরকে সংকীর্ণ করে দেয়া হয়, ফলে তার এক দিকের পাঁজর অপর দিকের পাঁজরের মধ্যে ঢুকে যায়। বর্ণনাকারী জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, অতঃপর তার জন্য এক অন্ধ ও বধির ফেরেশতাকে নিযুক্ত করা হয়, যার সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ী থাকবে, যদি এ দ্বারা পাহাড়কে আঘাত করা হয় তাহলে তা ধূলায় পরিণত হয়ে যাবে। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তারপর সে তাকে হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করতে থাকে, এতে সে বিকট শব্দে চিৎকার করতে থাকে যা মানুষ ও জিন ছাড়া পূর্ব হতে পশ্চিম পর্যন্ত সকল সৃষ্টি জীবই শুনতে পায়। আঘাতের ফলে সে মাটিতে মিশে যায়। তিনি বলেন, অতঃপর (শাস্তি অব্যাহত রাখার জন্য) পুনরায় তাতে রুহ ফেরত দেয়া হয়।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو معاوية، - وهذا لفظ هناد - عن الأعمش، عن المنهال، عن زاذان، عن البراء بن عازب، قال : خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة رجل من الأنصار، فانتهينا إلى القبر ولما يلحد، فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلسنا حوله كأنما على رءوسنا الطير، وفي يده عود ينكت به في الأرض، فرفع رأسه فقال : " استعيذوا بالله من عذاب القبر " . مرتين أو ثلاثا - زاد في حديث جرير ها هنا - وقال : " وإنه ليسمع خفق نعالهم إذا ولوا مدبرين حين يقال له : يا هذا من ربك وما دينك ومن نبيك " . قال هناد قال : " ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان له : من ربك فيقول : ربي الله . فيقولان له : ما دينك فيقول : ديني الإسلام . فيقولان له : ما هذا الرجل الذي بعث فيكم قال فيقول : هو رسول الله صلى الله عليه وسلم . فيقولان : وما يدريك فيقول : قرأت كتاب الله فآمنت به وصدقت " . زاد في حديث جرير : " فذلك قول الله عز وجل { يثبت الله الذين آمنوا } " . الآية . ثم اتفقا قال : " فينادي مناد من السماء : أن قد صدق عبدي فأفرشوه من الجنة، وافتحوا له بابا إلى الجنة وألبسوه من الجنة " . قال : " فيأتيه من روحها وطيبها " . قال : " ويفتح له فيها مد بصره " . قال : " وإن الكافر " . فذكر موته قال : " وتعاد روحه في جسده ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان : من ربك فيقول : هاه هاه هاه لا أدري . فيقولان له : ما دينك فيقول : هاه هاه لا أدري . فيقولان : ما هذا الرجل الذي بعث فيكم فيقول : هاه هاه لا أدري . فينادي مناد من السماء : أن كذب فأفرشوه من النار وألبسوه من النار، وافتحوا له بابا إلى النار " . قال : " فيأتيه من حرها وسمومها " . قال : " ويضيق عليه قبره حتى تختلف فيه أضلاعه " . زاد في حديث جرير قال : " ثم يقيض له أعمى أبكم معه مرزبة من حديد، لو ضرب بها جبل لصار ترابا " . قال : " فيضربه بها ضربة يسمعها ما بين المشرق والمغرب إلا الثقلين فيصير ترابا " . قال : " ثم تعاد فيه الروح " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫২
حدثنا محمد بن سليمان، حدثنا عبد الوهاب، بمثل هذا الإسناد نحوه قال : " إن العبد إذا وضع في قبره وتولى عنه أصحابه إنه ليسمع قرع نعالهم، فيأتيه ملكان فيقولان له " . فذكر قريبا من حديث الأول قال فيه : " وأما الكافر والمنافق فيقولان له " . زاد : " المنافق " . وقال : " يسمعها من يليه غير الثقلين " .
আবদুল ওয়াহ্হাব (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন কোন লোককে কবরে রেখে তার সঙ্গীরা এতটুকু দূরে চলে যায় যেখান হতে সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় তখন তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে বলে... অতঃপর প্রথমোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে কাফিরের সঙ্গে মুনাফিকের কথাও রয়েছে এবং বলা হয়েছেঃ আর কাফির ও মুনাফিককে প্রশ্ন করা হবে। তিনি বলেন, মানুষ ও জিন ছাড়া যারা কবরের নিকট থাকে সকলেই চিৎকার শুনতে পায়।
আবদুল ওয়াহ্হাব (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন কোন লোককে কবরে রেখে তার সঙ্গীরা এতটুকু দূরে চলে যায় যেখান হতে সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় তখন তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে বলে... অতঃপর প্রথমোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে কাফিরের সঙ্গে মুনাফিকের কথাও রয়েছে এবং বলা হয়েছেঃ আর কাফির ও মুনাফিককে প্রশ্ন করা হবে। তিনি বলেন, মানুষ ও জিন ছাড়া যারা কবরের নিকট থাকে সকলেই চিৎকার শুনতে পায়।
حدثنا محمد بن سليمان، حدثنا عبد الوهاب، بمثل هذا الإسناد نحوه قال : " إن العبد إذا وضع في قبره وتولى عنه أصحابه إنه ليسمع قرع نعالهم، فيأتيه ملكان فيقولان له " . فذكر قريبا من حديث الأول قال فيه : " وأما الكافر والمنافق فيقولان له " . زاد : " المنافق " . وقال : " يسمعها من يليه غير الثقلين " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৪
حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا الأعمش، حدثنا المنهال، عن أبي عمر، : زاذان قال سمعت البراء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فذكر نحوه .
আল-বারাআ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরপ বর্ণিত। [৪৭৫৩] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
আল-বারাআ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরপ বর্ণিত। [৪৭৫৩] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا الأعمش، حدثنا المنهال، عن أبي عمر، : زاذان قال سمعت البراء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فذكر نحوه .
সুনানে আবু দাউদ > মীযান প্রসঙ্গ
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৫
حدثنا يعقوب بن إبراهيم، وحميد بن مسعدة، أن إسماعيل بن إبراهيم، حدثهم قال أخبرنا يونس، عن الحسن، عن عائشة، : أنها ذكرت النار فبكت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " ما يبكيك " . قالت : ذكرت النار فبكيت، فهل تذكرون أهليكم يوم القيامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " أما في ثلاثة مواطن فلا يذكر أحد أحدا : عند الميزان حتى يعلم أيخف ميزانه أو يثقل، وعند الكتاب حين يقال { هاؤم اقرءوا كتابيه } حتى يعلم أين يقع كتابه أفي يمينه أم في شماله أم من وراء ظهره، وعند الصراط إذا وضع بين ظهرى جهنم " . قال يعقوب : عن يونس وهذا لفظ حديثه .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি জাহান্নামের কথা স্মরণ করে কাঁদলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কাঁদছো কেন? তিনি বললেন, জাহান্নামের কথা স্মরণ হওয়ায় কাঁদছি। আপনি কি ক্বিয়ামাতের দিন আপনার পরিবারের কথা মনে রাখবেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অবশ্য তিনটি স্থান যেখানে কেউ কারো কথা স্মরণ রাখবে না। মীযানের নিকট, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে জানতে পারবে তার আমলের পরিমান কম হবে নাকি বেশী; আমলনামা প্রাপ্তির স্থান, যখন বলা হবে, “তোমার আমলনামা পাঠ করো” (সূরাহ আল-হাক্কাহঃ ১৯); কেননা তখন সবাই পেরেশান থাকবে যে, তার আমলনামা ডান হাতে পাচ্ছে নাকি বাম হাতে পাচ্ছে নাকি পিছন দিক হতে পাচ্ছে; আর পুলসিরাতের নিকট, যখন তা জাহান্নামের উপর প্রতিষ্ঠিত করা হবে। [৪৭৫৪] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৫৫৬০।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তিনি জাহান্নামের কথা স্মরণ করে কাঁদলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কাঁদছো কেন? তিনি বললেন, জাহান্নামের কথা স্মরণ হওয়ায় কাঁদছি। আপনি কি ক্বিয়ামাতের দিন আপনার পরিবারের কথা মনে রাখবেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ অবশ্য তিনটি স্থান যেখানে কেউ কারো কথা স্মরণ রাখবে না। মীযানের নিকট, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে জানতে পারবে তার আমলের পরিমান কম হবে নাকি বেশী; আমলনামা প্রাপ্তির স্থান, যখন বলা হবে, “তোমার আমলনামা পাঠ করো” (সূরাহ আল-হাক্কাহঃ ১৯); কেননা তখন সবাই পেরেশান থাকবে যে, তার আমলনামা ডান হাতে পাচ্ছে নাকি বাম হাতে পাচ্ছে নাকি পিছন দিক হতে পাচ্ছে; আর পুলসিরাতের নিকট, যখন তা জাহান্নামের উপর প্রতিষ্ঠিত করা হবে। [৪৭৫৪] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৫৫৬০।
حدثنا يعقوب بن إبراهيم، وحميد بن مسعدة، أن إسماعيل بن إبراهيم، حدثهم قال أخبرنا يونس، عن الحسن، عن عائشة، : أنها ذكرت النار فبكت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " ما يبكيك " . قالت : ذكرت النار فبكيت، فهل تذكرون أهليكم يوم القيامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " أما في ثلاثة مواطن فلا يذكر أحد أحدا : عند الميزان حتى يعلم أيخف ميزانه أو يثقل، وعند الكتاب حين يقال { هاؤم اقرءوا كتابيه } حتى يعلم أين يقع كتابه أفي يمينه أم في شماله أم من وراء ظهره، وعند الصراط إذا وضع بين ظهرى جهنم " . قال يعقوب : عن يونس وهذا لفظ حديثه .
সুনানে আবু দাউদ > দাজ্জালের বর্ণনা
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৬
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن خالد الحذاء، عن عبد الله بن شقيق، عن عبد الله بن سراقة، عن أبي عبيدة بن الجراح، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول : " إنه لم يكن نبي بعد نوح إلا وقد أنذر الدجال قومه، وإني أنذركموه " . فوصفه لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال : " لعله سيدركه من قد رآني وسمع كلامي " . قالوا : يا رسول الله كيف قلوبنا يومئذ أمثلها اليوم قال : " أو خير " .
আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, নূহ (আঃ)-এর পর যারাই নবী হিসেবে এসেছেন তাদের প্রত্যেকেই তাঁর কওমকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। আর আমিও তোমাদেরকে তার ব্যাপারে সাবধান করছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বর্ণনা দিয়ে বললেন, যে ব্যক্তি আমাকে দেখেছে এবং আমার কথা শুনেছে হয়তো সেও তার সাক্ষাত পেতে পারে। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! বর্তমানে আমাদের যেরকম মানসিকতা আছে তখনও কি এরকম থাকবে? তিনি বললেন, হয়ত আরো ভাল থাকবে। [৪৭৫৫] দুর্বল।
আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, নূহ (আঃ)-এর পর যারাই নবী হিসেবে এসেছেন তাদের প্রত্যেকেই তাঁর কওমকে দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। আর আমিও তোমাদেরকে তার ব্যাপারে সাবধান করছি। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বর্ণনা দিয়ে বললেন, যে ব্যক্তি আমাকে দেখেছে এবং আমার কথা শুনেছে হয়তো সেও তার সাক্ষাত পেতে পারে। সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! বর্তমানে আমাদের যেরকম মানসিকতা আছে তখনও কি এরকম থাকবে? তিনি বললেন, হয়ত আরো ভাল থাকবে। [৪৭৫৫] দুর্বল।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن خالد الحذاء، عن عبد الله بن شقيق، عن عبد الله بن سراقة، عن أبي عبيدة بن الجراح، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول : " إنه لم يكن نبي بعد نوح إلا وقد أنذر الدجال قومه، وإني أنذركموه " . فوصفه لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال : " لعله سيدركه من قد رآني وسمع كلامي " . قالوا : يا رسول الله كيف قلوبنا يومئذ أمثلها اليوم قال : " أو خير " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৭
حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال : قام النبي صلى الله عليه وسلم في الناس فأثنى على الله بما هو أهله، فذكر الدجال فقال : " إني لأنذركموه، وما من نبي إلا قد أنذره قومه، لقد أنذره نوح قومه، ولكني سأقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه : إنه أعور وإن الله ليس بأعور " .
সালিম (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনসম্মুখে মহান আল্লাহর যথাযথ প্রশংসার পরে দাজ্জালের বর্ননা প্রসঙ্গে বলেনঃ প্রত্যেক নাবীই স্বীয় সম্প্রদায়কে দাজ্জাল সম্বন্ধে সতর্ক করেছেন। নূহ (আঃ)-ও তাঁর কওমকে এ সম্পর্কে সাবধান করেছেন। কিন্তু আমি দাজ্জাল সম্পর্কে তোমাদেরকে এমন কথা বলবো যা অন্য কোন নবী তাঁর কওমকে বলেননি। তা হলো, সে হবে কানা; আর নিশ্চয়ই আল্লাহ কানা নন।
সালিম (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জনসম্মুখে মহান আল্লাহর যথাযথ প্রশংসার পরে দাজ্জালের বর্ননা প্রসঙ্গে বলেনঃ প্রত্যেক নাবীই স্বীয় সম্প্রদায়কে দাজ্জাল সম্বন্ধে সতর্ক করেছেন। নূহ (আঃ)-ও তাঁর কওমকে এ সম্পর্কে সাবধান করেছেন। কিন্তু আমি দাজ্জাল সম্পর্কে তোমাদেরকে এমন কথা বলবো যা অন্য কোন নবী তাঁর কওমকে বলেননি। তা হলো, সে হবে কানা; আর নিশ্চয়ই আল্লাহ কানা নন।
حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، قال : قام النبي صلى الله عليه وسلم في الناس فأثنى على الله بما هو أهله، فذكر الدجال فقال : " إني لأنذركموه، وما من نبي إلا قد أنذره قومه، لقد أنذره نوح قومه، ولكني سأقول لكم فيه قولا لم يقله نبي لقومه : إنه أعور وإن الله ليس بأعور " .
সুনানে আবু দাউদ > খারিজীদের সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৮
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، وأبو بكر بن عياش ومندل عن مطرف، عن أبي جهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " من فارق الجماعة شبرا فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه " .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (মুসলিম) জামা‘আত থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে এক বিঘত পরিমাণ দূরে সরে গেলো, সে ইসলামের রজ্জু তাঁর গর্দান হতে খুলে ফেললো।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (মুসলিম) জামা‘আত থেকে বিচ্ছন্ন হয়ে এক বিঘত পরিমাণ দূরে সরে গেলো, সে ইসলামের রজ্জু তাঁর গর্দান হতে খুলে ফেললো।
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، وأبو بكر بن عياش ومندل عن مطرف، عن أبي جهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " من فارق الجماعة شبرا فقد خلع ربقة الإسلام من عنقه " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৯
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا مطرف بن طريف، عن أبي الجهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " كيف أنتم وأئمة من بعدي يستأثرون بهذا الفىء " . قلت : إذا والذي بعثك بالحق أضع سيفي على عاتقي، ثم أضرب به حتى ألقاك أو ألحقك . قال : " أولا أدلك على خير من ذلك تصبر حتى تلقاني " .
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে শাসকগণ এসব ফাই নিজেদের জন্য আত্মসাৎ করলে তাদের ব্যাপারে তোমাদের করণীয় কি হবে? আমি বললাম, সেই মহান আল্লাহর কসম, যিনি আপনাকে সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন! আমি আমার তরবারি আমার কাঁধে রাখবো এবং তা দিয়ে আপনার সঙ্গে সাক্ষাত করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাবো। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি তোমাকে এর চেয়ে ভাল পথ বলে দিবো না? তা হচ্ছে, আমার সঙ্গে সাক্ষাতের পূর্ব পর্যন্ত তুমি ধৈর্য ধরবে। [৪৭৫৮] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৩৭১০।
আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার পরে শাসকগণ এসব ফাই নিজেদের জন্য আত্মসাৎ করলে তাদের ব্যাপারে তোমাদের করণীয় কি হবে? আমি বললাম, সেই মহান আল্লাহর কসম, যিনি আপনাকে সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন! আমি আমার তরবারি আমার কাঁধে রাখবো এবং তা দিয়ে আপনার সঙ্গে সাক্ষাত করার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যাবো। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি তোমাকে এর চেয়ে ভাল পথ বলে দিবো না? তা হচ্ছে, আমার সঙ্গে সাক্ষাতের পূর্ব পর্যন্ত তুমি ধৈর্য ধরবে। [৪৭৫৮] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৩৭১০।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا مطرف بن طريف، عن أبي الجهم، عن خالد بن وهبان، عن أبي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " كيف أنتم وأئمة من بعدي يستأثرون بهذا الفىء " . قلت : إذا والذي بعثك بالحق أضع سيفي على عاتقي، ثم أضرب به حتى ألقاك أو ألحقك . قال : " أولا أدلك على خير من ذلك تصبر حتى تلقاني " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬২
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، عن زياد بن علاقة، عن عرفجة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول : " ستكون في أمتي هنات وهنات وهنات، فمن أراد أن يفرق أمر المسلمين وهم جميع فاضربوه بالسيف كائنا من كان " .
আরফাজাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে বিচিত্রমুখী দুর্নীতি ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হবে। মুসলিমগণ ঐক্যবদ্ধ থাকা অবস্থায় যে ব্যক্তি তাদের কাজে বাধা দিবে সে যে-ই হোক, তোমরা তাকে তরবারি দিয়ে হত্যা করো।
আরফাজাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে বিচিত্রমুখী দুর্নীতি ব্যাপকভাবে পরিলক্ষিত হবে। মুসলিমগণ ঐক্যবদ্ধ থাকা অবস্থায় যে ব্যক্তি তাদের কাজে বাধা দিবে সে যে-ই হোক, তোমরা তাকে তরবারি দিয়ে হত্যা করো।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، عن زياد بن علاقة، عن عرفجة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول : " ستكون في أمتي هنات وهنات وهنات، فمن أراد أن يفرق أمر المسلمين وهم جميع فاضربوه بالسيف كائنا من كان " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬০
حدثنا مسدد، وسليمان بن داود، - المعنى - قالا حدثنا حماد بن زيد، عن المعلى بن زياد، وهشام بن حسان، عن الحسن، عن ضبة بن محصن، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " ستكون عليكم أئمة تعرفون منهم وتنكرون فمن أنكر " . قال أبو داود قال هشام : " بلسانه فقد برئ، ومن كره بقلبه فقد سلم ولكن من رضي وتابع " . فقيل : يا رسول الله أفلا نقتلهم قال ابن داود : " أفلا نقاتلهم " . قال : " لا ما صلوا " .
নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই তোমাদের জন্য এমন নতুন নেতা নিযুক্ত হবে যাদের কিছু কার্যকলাপ তোমাদের পছন্দ হবে এবং কিছু কার্যকলাপ অপছন্দ হবে। তখন যে ব্যক্তি তার মুখ দিয়ে অস্বীকার করবে সে দায়িত্বমুক্ত হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে ঘৃণা করবে সে মুক্ত থাকবে। কিন্তু যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট মনে তা অনুকরণ করবে সে তার দ্বীনকে ধবংস করবে। অতঃপর বলা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা কি তাদের হত্যা করবো না? ইবনু দাঊদ বলেন, আমরা কি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবো না? তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, যতক্ষণ তারা সলাত আদায় করবে।
নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই তোমাদের জন্য এমন নতুন নেতা নিযুক্ত হবে যাদের কিছু কার্যকলাপ তোমাদের পছন্দ হবে এবং কিছু কার্যকলাপ অপছন্দ হবে। তখন যে ব্যক্তি তার মুখ দিয়ে অস্বীকার করবে সে দায়িত্বমুক্ত হয়ে যাবে। আর যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে ঘৃণা করবে সে মুক্ত থাকবে। কিন্তু যে ব্যক্তি সন্তুষ্ট মনে তা অনুকরণ করবে সে তার দ্বীনকে ধবংস করবে। অতঃপর বলা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা কি তাদের হত্যা করবো না? ইবনু দাঊদ বলেন, আমরা কি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করবো না? তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না, যতক্ষণ তারা সলাত আদায় করবে।
حدثنا مسدد، وسليمان بن داود، - المعنى - قالا حدثنا حماد بن زيد، عن المعلى بن زياد، وهشام بن حسان، عن الحسن، عن ضبة بن محصن، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " ستكون عليكم أئمة تعرفون منهم وتنكرون فمن أنكر " . قال أبو داود قال هشام : " بلسانه فقد برئ، ومن كره بقلبه فقد سلم ولكن من رضي وتابع " . فقيل : يا رسول الله أفلا نقتلهم قال ابن داود : " أفلا نقاتلهم " . قال : " لا ما صلوا " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৭৬১
حدثنا ابن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا الحسن، عن ضبة بن محصن العنزي، عن أم سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال : " فمن كره فقد برئ، ومن أنكر فقد سلم " . قال قتادة : يعني من أنكر بقلبه، ومن كره بقلبه .
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি তা ঘৃণা করলো সে দায়িত্বমুক্ত হলো। যে ব্যক্তি তা অপছন্দ করলো সে মুক্ত হলো। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে ঘৃণা করলো এবং যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে অপছন্দ করলো।
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত। তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি তা ঘৃণা করলো সে দায়িত্বমুক্ত হলো। যে ব্যক্তি তা অপছন্দ করলো সে মুক্ত হলো। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ যে ব্যক্তি আন্তরিকভাবে ঘৃণা করলো এবং যে ব্যক্তি তার অন্তর দিয়ে অপছন্দ করলো।
حدثنا ابن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني أبي، عن قتادة، قال حدثنا الحسن، عن ضبة بن محصن العنزي، عن أم سلمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال : " فمن كره فقد برئ، ومن أنكر فقد سلم " . قال قتادة : يعني من أنكر بقلبه، ومن كره بقلبه .