সুনানে আবু দাউদ > পুনরুত্থান ও শিঙ্গায় ফুৎকারের বর্ণনা

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪২

حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا أسلم، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ الصور قرن ينفخ فيه ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সূর একটি শিং-এর ন্যায়, তাতে ফুঁ দেয়া হবে।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সূর একটি শিং-এর ন্যায়, তাতে ফুঁ দেয়া হবে।

حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا أسلم، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ الصور قرن ينفخ فيه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৩

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ كل ابن آدم تأكل الأرض إلا عجب الذنب، منه خلق وفيه يركب ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানকে মাটি খেয়ে ফেলবে, শুধু মেরুদণ্ডের নীচের হাঁড়টুকু বাকী থাকবে। এ হতেই তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এ হতেই তাকে পুনর্গঠন করা হবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানকে মাটি খেয়ে ফেলবে, শুধু মেরুদণ্ডের নীচের হাঁড়টুকু বাকী থাকবে। এ হতেই তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এ হতেই তাকে পুনর্গঠন করা হবে।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ كل ابن آدم تأكل الأرض إلا عجب الذنب، منه خلق وفيه يركب ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ > জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > হাওযে কাওসার সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৫

حدثنا سليمان بن حرب، ومسدد، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ إن أمامكم حوضا ما بين ناحيتيه كما بين جرباء وأذرح ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তোমাদের সামনে যে হাওয্‌ রয়েছে তার বিস্তৃতি জারবাহ ও আয্‌রুহ-এর মধ্যবর্তী স্থানের দূরত্বের সমান।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তোমাদের সামনে যে হাওয্‌ রয়েছে তার বিস্তৃতি জারবাহ ও আয্‌রুহ-এর মধ্যবর্তী স্থানের দূরত্বের সমান।

حدثنا سليمان بن حرب، ومسدد، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ إن أمامكم حوضا ما بين ناحيتيه كما بين جرباء وأذرح ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৬

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي حمزة، عن زيد بن أرقم، قال ‏:‏ كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلنا منزلا فقال ‏:‏ ‏ "‏ ما أنتم جزء من مائة ألف جزء ممن يرد على الحوض ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ‏:‏ كم كنتم يومئذ قال ‏:‏ سبعمائة أو ثمانمائة ‏.‏

যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সফরকালে এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করলে তিনি বলেনঃ হাওযে কাওসারে যেসব লোক আমার নিকট উপস্থিত হবে, তাদের তুলনায় তোমরা তাদের এক লাখ ভাগের এক ভাগ মাত্র। তিনি (বর্ণনাকারী আবূ হামযাহ) বললেন, আমি (যায়িদ ইবনু আরক্বামকে) বললাম, আপনারা সেখানে তখন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, সাতশো অথবা আটশো।

যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সফরকালে এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করলে তিনি বলেনঃ হাওযে কাওসারে যেসব লোক আমার নিকট উপস্থিত হবে, তাদের তুলনায় তোমরা তাদের এক লাখ ভাগের এক ভাগ মাত্র। তিনি (বর্ণনাকারী আবূ হামযাহ) বললেন, আমি (যায়িদ ইবনু আরক্বামকে) বললাম, আপনারা সেখানে তখন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, সাতশো অথবা আটশো।

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي حمزة، عن زيد بن أرقم، قال ‏:‏ كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلنا منزلا فقال ‏:‏ ‏ "‏ ما أنتم جزء من مائة ألف جزء ممن يرد على الحوض ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ‏:‏ كم كنتم يومئذ قال ‏:‏ سبعمائة أو ثمانمائة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৮

حدثنا عاصم بن النضر، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، قال ‏:‏ لما عرج بنبي الله صلى الله عليه وسلم في الجنة - أو كما قال - عرض له نهر حافتاه الياقوت المجيب أو قال المجوف، فضرب الملك الذي معه يده فاستخرج مسكا فقال محمد صلى الله عليه وسلم للملك الذي معه ‏:‏ ‏ "‏ ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ هذا الكوثر الذي أعطاك الله عز وجل ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মি’রাজের রাতে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জান্নাতে পরিভ্রমণ করানো হয়। এ সময় তাঁর সামনে একটি নহর উপস্থিত করা হয় যার উভয় তীর খাঁটি নীলকান্ত মণি দ্বারা সুশোভিত ছিল। যে ফেরেশতা তাঁর সাথে ছিলেন, তার হাতে আঘাত করলে কস্তুরী বেরিয়ে আসে। অতঃপর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সফরসঙ্গী ফেরেশতাকে প্রশ্ন করলেন, এটা কি? তিনি বললেন, এ হলো সেই কাওসার যা মহামহিমান্বিত আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মি’রাজের রাতে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জান্নাতে পরিভ্রমণ করানো হয়। এ সময় তাঁর সামনে একটি নহর উপস্থিত করা হয় যার উভয় তীর খাঁটি নীলকান্ত মণি দ্বারা সুশোভিত ছিল। যে ফেরেশতা তাঁর সাথে ছিলেন, তার হাতে আঘাত করলে কস্তুরী বেরিয়ে আসে। অতঃপর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সফরসঙ্গী ফেরেশতাকে প্রশ্ন করলেন, এটা কি? তিনি বললেন, এ হলো সেই কাওসার যা মহামহিমান্বিত আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন।

حدثنا عاصم بن النضر، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، قال ‏:‏ لما عرج بنبي الله صلى الله عليه وسلم في الجنة - أو كما قال - عرض له نهر حافتاه الياقوت المجيب أو قال المجوف، فضرب الملك الذي معه يده فاستخرج مسكا فقال محمد صلى الله عليه وسلم للملك الذي معه ‏:‏ ‏ "‏ ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ هذا الكوثر الذي أعطاك الله عز وجل ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৭

حدثنا هناد بن السري، حدثنا محمد بن فضيل، عن المختار بن فلفل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول ‏:‏ أغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم إغفاءة فرفع رأسه متبسما، فإما قال لهم وإما قالوا له ‏:‏ يا رسول الله لم ضحكت فقال ‏:‏ ‏"‏ إنه أنزلت على آنفا سورة ‏"‏ ‏.‏ فقرأ ‏‏ بسم الله الرحمن الرحيم {إنا أعطيناك الكوثر} ‏‏ حتى ختمها فلما قرأها قال ‏:‏ ‏"‏ هل تدرون ما الكوثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فإنه نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة، وعليه خير كثير عليه حوض ترد عليه أمتي يوم القيامة آنيته عدد الكواكب ‏"‏ ‏.‏

আল-মুখতার ইবনু ফুলফুল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন। অতঃপর মুচকি হেসে মাথা তুলে তিনি তাদেরকে অথবা তাঁকে তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কেন হাসলেন? তিনি বললেন, এইমাত্র আমার উপর একটি সূরাহ্‌ নাযিল হয়েছে। অতঃপর তিনি পড়লেন, পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে আল-কাওসার দান করেছি”। এভাবে তিনি সূরাটি পাঠ শেষ করে বললেন, তোমরা কি জানো কাওসার কী? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেন, তা এমন একটি পানির ঝর্ণা যা আমার রব জান্নাতে সৃষ্টি করে রেখেছেন। তাতে অসংখ্য কল্যাণ বিদ্যমান। তাতে হাওযে কাওসারও রয়েছে। আমার উম্মাতগণ ক্বিয়ামাতের দিন সেখানে উপস্থিত হবে। এর পানপাত্রের সংখ্যা হবে (আকাশের) তারকার সমপরিমাণ।

আল-মুখতার ইবনু ফুলফুল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন। অতঃপর মুচকি হেসে মাথা তুলে তিনি তাদেরকে অথবা তাঁকে তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কেন হাসলেন? তিনি বললেন, এইমাত্র আমার উপর একটি সূরাহ্‌ নাযিল হয়েছে। অতঃপর তিনি পড়লেন, পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে আল-কাওসার দান করেছি”। এভাবে তিনি সূরাটি পাঠ শেষ করে বললেন, তোমরা কি জানো কাওসার কী? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেন, তা এমন একটি পানির ঝর্ণা যা আমার রব জান্নাতে সৃষ্টি করে রেখেছেন। তাতে অসংখ্য কল্যাণ বিদ্যমান। তাতে হাওযে কাওসারও রয়েছে। আমার উম্মাতগণ ক্বিয়ামাতের দিন সেখানে উপস্থিত হবে। এর পানপাত্রের সংখ্যা হবে (আকাশের) তারকার সমপরিমাণ।

حدثنا هناد بن السري، حدثنا محمد بن فضيل، عن المختار بن فلفل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول ‏:‏ أغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم إغفاءة فرفع رأسه متبسما، فإما قال لهم وإما قالوا له ‏:‏ يا رسول الله لم ضحكت فقال ‏:‏ ‏"‏ إنه أنزلت على آنفا سورة ‏"‏ ‏.‏ فقرأ ‏‏ بسم الله الرحمن الرحيم {إنا أعطيناك الكوثر} ‏‏ حتى ختمها فلما قرأها قال ‏:‏ ‏"‏ هل تدرون ما الكوثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فإنه نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة، وعليه خير كثير عليه حوض ترد عليه أمتي يوم القيامة آنيته عدد الكواكب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৯

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا عبد السلام بن أبي حازم أبو طالوت، قال شهدت أبا برزة دخل على عبيد الله بن زياد فحدثني فلان، سماه مسلم وكان في السماط فلما رآه عبيد الله قال ‏:‏ إن محمديكم هذا الدحداح، ففهمها الشيخ فقال ما كنت أحسب أني أبقى في قوم يعيروني بصحبة محمد صلى الله عليه وسلم فقال له عبيد الله إن صحبة محمد صلى الله عليه وسلم لك زين غير شين ثم قال ‏:‏ إنما بعثت إليك لأسألك عن الحوض سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر فيه شيئا فقال أبو برزة ‏:‏ نعم لا مرة ولا ثنتين ولا ثلاثا ولا أربعا ولا خمسا، فمن كذب به فلا سقاه الله منه ثم خرج مغضبا ‏.‏

‘আবদুস সালাম ইবনু আবূ হাযিম আবূ তালূত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ বারযাহ (রাঃ) -কে দেখেছি, তিনি ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। সেখানে লোকজনের সাথে উপস্থিত মুসলিম নামীয় এক ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করে বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ তাঁকে দেখে বললো, তোমাদের এই বেঁটে ও মাংসল মুহাম্মাদী। শায়খ (আবূ বারযাহ) কথাটি বুঝতে পারলেন। তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভকারী আমার মতো ব্যক্তি এসব লোকের মাঝে অবস্থান করা উচিৎ নয় যারা আমাকে (তাঁর সাহাবী হওয়ায়) দোষারোপ করে। ‘উবাইদুল্লাহ তাকে বললো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ তো আপনার জন্য গৌরবের বিষয়, দোষের বিষয় নয়। পুনরায় সে বললো, আমি আপনার নিকট হাওয কাওসার সম্পর্কে প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছি। আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে কিছু বলতে শুনেছেন? আবূ বারযাহ (রাঃ) বলেন, হাঁ, একবার নয়, দু’বার নয়, তিনবার নয়, চারবার নয়, পাঁচবার নয় (অনেকবার শুনেছি)। যে ব্যক্তি তা মিথ্যা জানবে তাকে আল্লাহ তা হতে পান কারাবেন না। অতঃপর তিনি রাগান্বিত অবস্থায় চলে গেলেন।

‘আবদুস সালাম ইবনু আবূ হাযিম আবূ তালূত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ বারযাহ (রাঃ) -কে দেখেছি, তিনি ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। সেখানে লোকজনের সাথে উপস্থিত মুসলিম নামীয় এক ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করে বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ তাঁকে দেখে বললো, তোমাদের এই বেঁটে ও মাংসল মুহাম্মাদী। শায়খ (আবূ বারযাহ) কথাটি বুঝতে পারলেন। তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভকারী আমার মতো ব্যক্তি এসব লোকের মাঝে অবস্থান করা উচিৎ নয় যারা আমাকে (তাঁর সাহাবী হওয়ায়) দোষারোপ করে। ‘উবাইদুল্লাহ তাকে বললো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ তো আপনার জন্য গৌরবের বিষয়, দোষের বিষয় নয়। পুনরায় সে বললো, আমি আপনার নিকট হাওয কাওসার সম্পর্কে প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছি। আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে কিছু বলতে শুনেছেন? আবূ বারযাহ (রাঃ) বলেন, হাঁ, একবার নয়, দু’বার নয়, তিনবার নয়, চারবার নয়, পাঁচবার নয় (অনেকবার শুনেছি)। যে ব্যক্তি তা মিথ্যা জানবে তাকে আল্লাহ তা হতে পান কারাবেন না। অতঃপর তিনি রাগান্বিত অবস্থায় চলে গেলেন।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا عبد السلام بن أبي حازم أبو طالوت، قال شهدت أبا برزة دخل على عبيد الله بن زياد فحدثني فلان، سماه مسلم وكان في السماط فلما رآه عبيد الله قال ‏:‏ إن محمديكم هذا الدحداح، ففهمها الشيخ فقال ما كنت أحسب أني أبقى في قوم يعيروني بصحبة محمد صلى الله عليه وسلم فقال له عبيد الله إن صحبة محمد صلى الله عليه وسلم لك زين غير شين ثم قال ‏:‏ إنما بعثت إليك لأسألك عن الحوض سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر فيه شيئا فقال أبو برزة ‏:‏ نعم لا مرة ولا ثنتين ولا ثلاثا ولا أربعا ولا خمسا، فمن كذب به فلا سقاه الله منه ثم خرج مغضبا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কবরের জিজ্ঞাসাবাদ এবং শাস্তি প্রসঙ্গে

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫০

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ إن المسلم إذا سئل في القبر فشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذلك قول الله عز وجل ‏{‏ يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت ‏}‏ ‏.‏

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই মুসলিম ব্যক্তিকে যখন কবরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তখন সে এ সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল। এ হচ্ছে আল্লাহ্‌র এ কালামের অর্থঃ “যারা শাশ্বত বাণীর উপর ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন......” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)।

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই মুসলিম ব্যক্তিকে যখন কবরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তখন সে এ সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল। এ হচ্ছে আল্লাহ্‌র এ কালামের অর্থঃ “যারা শাশ্বত বাণীর উপর ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন......” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)।

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ إن المسلم إذا سئل في القبر فشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذلك قول الله عز وجل ‏{‏ يثبت الله الذين آمنوا بالقول الثابت ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫১

حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا عبد الوهاب بن عطاء الخفاف أبو نصر، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال ‏:‏ إن نبي الله صلى الله عليه وسلم دخل نخلا لبني النجار فسمع صوتا ففزع فقال ‏:‏ ‏"‏ من أصحاب هذه القبور ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ يا رسول الله ناس ماتوا في الجاهلية ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ تعوذوا بالله من عذاب النار ومن فتنة الدجال ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ ومم ذاك يا رسول الله قال ‏:‏ ‏"‏ إن المؤمن إذا وضع في قبره أتاه ملك فيقول له ‏:‏ ما كنت تعبد فإن الله هداه قال ‏:‏ كنت أعبد الله ‏.‏ فيقال له ‏:‏ ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول ‏:‏ هو عبد الله ورسوله فما يسأل عن شىء غيرها فينطلق به إلى بيت كان له في النار، فيقال له ‏:‏ هذا بيتك كان لك في النار ولكن الله عصمك ورحمك فأبدلك به بيتا في الجنة فيقول ‏:‏ دعوني حتى أذهب فأبشر أهلي ‏.‏ فيقال له ‏:‏ اسكن ‏.‏ وإن الكافر إذا وضع في قبره أتاه ملك فينتهره فيقول له ‏:‏ ما كنت تعبد فيقول ‏:‏ لا أدري ‏.‏ فيقال له ‏:‏ لا دريت ولا تليت ‏.‏ فيقال له ‏:‏ فما كنت تقول في هذا الرجل فيقول ‏:‏ كنت أقول ما يقول الناس ‏.‏ فيضربه بمطراق من حديد بين أذنيه فيصيح صيحة يسمعها الخلق غير الثقلين ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনী নাজ্জার গোত্রের একটি খেজুর বাগানে প্রবেশ করে একটা শব্দ শুনে শঙ্কিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, এ কবরগুলো কাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরা সেসব লোক যারা জাহিলী যুগে মারা গেছে। তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আযাব হতে ও দাজ্জাল সৃষ্ট বিপর্যয় হতে আশ্রয় চাও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কেন? তিনি বললেন, যখন কোন মু’মিন ব্যক্তিকে তার কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? যদি আল্লাহ তাকে পথ দেখান তাহলে সে বলে, আমি আল্লাহর ‘ইবাদত করতাম। অতঃপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, তুমি এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে কি বলতে? সে বলে, তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল! এরপর তাকে অন্য প্রশ্ন না করে তাকে নিয়ে এমন একটি ঘরে যাওয়া হয় যা তার জন্য জাহান্নামে (তৈরি করা) ছিল। অতঃপর তাকে বলা হয়, এটা তোমার ঘর যা জাহান্নামে তোমার জন্য ছিল। কিন্তু আল্লাহ তোমাকে এ হতে রক্ষা করেছেন এবং দয়া করে এর পরিবর্তে তোমার জন্য জান্নাতে একটি ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। তখন সে বলে, আমাকে একটু ছেড়ে দিন, আমি আমার পরিবার-পরিজনকে এ সুসংবাদটি দিয়ে আসি। তাকে বলা হবে, তুমি এখানেই বসবাস করো। পক্ষান্তরে, যখন কোন কাফির ব্যক্তিকে কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? সে বলে, আমি জানি না। অতঃপর তাকে বলা হয়, তুমি জানতে চাওনি এবং অনুসরণও করোনি। অতঃপর প্রশ্ন করা হয়, এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে তুমি কি বলতে? সে বলবে, অন্যান্য লোক যা বলতো আমিও তাই বলতাম। তখন তার দুই কানের মধ্যস্থলে লোহার হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করা হয়। এতে সে এমন জোরে চিৎকার করে যে, মানুষ ও জিন জাতি ছাড়া অন্য সকল সৃষ্টিজীব তা শুনতে পায়।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনী নাজ্জার গোত্রের একটি খেজুর বাগানে প্রবেশ করে একটা শব্দ শুনে শঙ্কিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, এ কবরগুলো কাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরা সেসব লোক যারা জাহিলী যুগে মারা গেছে। তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আযাব হতে ও দাজ্জাল সৃষ্ট বিপর্যয় হতে আশ্রয় চাও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কেন? তিনি বললেন, যখন কোন মু’মিন ব্যক্তিকে তার কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? যদি আল্লাহ তাকে পথ দেখান তাহলে সে বলে, আমি আল্লাহর ‘ইবাদত করতাম। অতঃপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, তুমি এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে কি বলতে? সে বলে, তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল! এরপর তাকে অন্য প্রশ্ন না করে তাকে নিয়ে এমন একটি ঘরে যাওয়া হয় যা তার জন্য জাহান্নামে (তৈরি করা) ছিল। অতঃপর তাকে বলা হয়, এটা তোমার ঘর যা জাহান্নামে তোমার জন্য ছিল। কিন্তু আল্লাহ তোমাকে এ হতে রক্ষা করেছেন এবং দয়া করে এর পরিবর্তে তোমার জন্য জান্নাতে একটি ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। তখন সে বলে, আমাকে একটু ছেড়ে দিন, আমি আমার পরিবার-পরিজনকে এ সুসংবাদটি দিয়ে আসি। তাকে বলা হবে, তুমি এখানেই বসবাস করো। পক্ষান্তরে, যখন কোন কাফির ব্যক্তিকে কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফেরেশতা এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে বলে, তুমি কার ‘ইবাদত করতে? সে বলে, আমি জানি না। অতঃপর তাকে বলা হয়, তুমি জানতে চাওনি এবং অনুসরণও করোনি। অতঃপর প্রশ্ন করা হয়, এ ব্যক্তি ((মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) সম্বন্ধে তুমি কি বলতে? সে বলবে, অন্যান্য লোক যা বলতো আমিও তাই বলতাম। তখন তার দুই কানের মধ্যস্থলে লোহার হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করা হয়। এতে সে এমন জোরে চিৎকার করে যে, মানুষ ও জিন জাতি ছাড়া অন্য সকল সৃষ্টিজীব তা শুনতে পায়।

حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا عبد الوهاب بن عطاء الخفاف أبو نصر، عن سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال ‏:‏ إن نبي الله صلى الله عليه وسلم دخل نخلا لبني النجار فسمع صوتا ففزع فقال ‏:‏ ‏"‏ من أصحاب هذه القبور ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ يا رسول الله ناس ماتوا في الجاهلية ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ تعوذوا بالله من عذاب النار ومن فتنة الدجال ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ ومم ذاك يا رسول الله قال ‏:‏ ‏"‏ إن المؤمن إذا وضع في قبره أتاه ملك فيقول له ‏:‏ ما كنت تعبد فإن الله هداه قال ‏:‏ كنت أعبد الله ‏.‏ فيقال له ‏:‏ ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول ‏:‏ هو عبد الله ورسوله فما يسأل عن شىء غيرها فينطلق به إلى بيت كان له في النار، فيقال له ‏:‏ هذا بيتك كان لك في النار ولكن الله عصمك ورحمك فأبدلك به بيتا في الجنة فيقول ‏:‏ دعوني حتى أذهب فأبشر أهلي ‏.‏ فيقال له ‏:‏ اسكن ‏.‏ وإن الكافر إذا وضع في قبره أتاه ملك فينتهره فيقول له ‏:‏ ما كنت تعبد فيقول ‏:‏ لا أدري ‏.‏ فيقال له ‏:‏ لا دريت ولا تليت ‏.‏ فيقال له ‏:‏ فما كنت تقول في هذا الرجل فيقول ‏:‏ كنت أقول ما يقول الناس ‏.‏ فيضربه بمطراق من حديد بين أذنيه فيصيح صيحة يسمعها الخلق غير الثقلين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৩

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو معاوية، - وهذا لفظ هناد - عن الأعمش، عن المنهال، عن زاذان، عن البراء بن عازب، قال ‏:‏ خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة رجل من الأنصار، فانتهينا إلى القبر ولما يلحد، فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلسنا حوله كأنما على رءوسنا الطير، وفي يده عود ينكت به في الأرض، فرفع رأسه فقال ‏:‏ ‏"‏ استعيذوا بالله من عذاب القبر ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا - زاد في حديث جرير ها هنا - وقال ‏:‏ ‏"‏ وإنه ليسمع خفق نعالهم إذا ولوا مدبرين حين يقال له ‏:‏ يا هذا من ربك وما دينك ومن نبيك ‏"‏ ‏.‏ قال هناد قال ‏:‏ ‏"‏ ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان له ‏:‏ من ربك فيقول ‏:‏ ربي الله ‏.‏ فيقولان له ‏:‏ ما دينك فيقول ‏:‏ ديني الإسلام ‏.‏ فيقولان له ‏:‏ ما هذا الرجل الذي بعث فيكم قال فيقول ‏:‏ هو رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فيقولان ‏:‏ وما يدريك فيقول ‏:‏ قرأت كتاب الله فآمنت به وصدقت ‏"‏ ‏.‏ زاد في حديث جرير ‏:‏ ‏"‏ فذلك قول الله عز وجل ‏{‏ يثبت الله الذين آمنوا ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ الآية ‏.‏ ثم اتفقا قال ‏:‏ ‏"‏ فينادي مناد من السماء ‏:‏ أن قد صدق عبدي فأفرشوه من الجنة، وافتحوا له بابا إلى الجنة وألبسوه من الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فيأتيه من روحها وطيبها ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ ويفتح له فيها مد بصره ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ وإن الكافر ‏"‏ ‏.‏ فذكر موته قال ‏:‏ ‏"‏ وتعاد روحه في جسده ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان ‏:‏ من ربك فيقول ‏:‏ هاه هاه هاه لا أدري ‏.‏ فيقولان له ‏:‏ ما دينك فيقول ‏:‏ هاه هاه لا أدري ‏.‏ فيقولان ‏:‏ ما هذا الرجل الذي بعث فيكم فيقول ‏:‏ هاه هاه لا أدري ‏.‏ فينادي مناد من السماء ‏:‏ أن كذب فأفرشوه من النار وألبسوه من النار، وافتحوا له بابا إلى النار ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فيأتيه من حرها وسمومها ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ ويضيق عليه قبره حتى تختلف فيه أضلاعه ‏"‏ ‏.‏ زاد في حديث جرير قال ‏:‏ ‏"‏ ثم يقيض له أعمى أبكم معه مرزبة من حديد، لو ضرب بها جبل لصار ترابا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فيضربه بها ضربة يسمعها ما بين المشرق والمغرب إلا الثقلين فيصير ترابا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ ثم تعاد فيه الروح ‏"‏ ‏.‏

আল-বারাআ ইবনু ‘আবিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আনসার গোত্রের এক ব্যক্তির জানাজায় শরীক হওয়ার জন্য রওয়ানা হয়ে কবরের নিকট গেলাম। কিন্তু তখনও কবর খনন শেষ হয়নি। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসলেন এবং আমরাও তাঁর চারিদিকে নীরবে তাঁকে ঘিরে বসে পড়লাম, যেন আমাদের মাথার উপর পাখি বসে আছে। তখন তাঁর হাতে ছিল একখানা লাঠি, তা দিয়ে তিনি মাটিতে আঁচড় কাটছিলেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলে দুই বা তিনবার বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব হতে আশ্রয় চাও। বর্ণনাকারী জারীর তার আরো উল্লেখ করেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে যেতে থাকে, আর তখনই তাকে বলা হয়, হে অমুক! তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কি এবং তোমার নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে? হান্নাদ (রহঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অতঃপর তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে উভয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? তখন সে বলে, আমার রব আল্লাহ। তাঁরা উভয়ে তাকে প্রশ্ন করে, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, আমার দ্বীন হলো ইসলাম। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন, তিনি কে? তিনি বলেন, সে বলে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তারপর তারা উভয়ে আবার বলে, তুমি কি করে জানতে পারলে? সে বলে, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি এবং তার প্রতি ঈমান এনেছি এবং সত্য বলে স্বীকার করেছি। জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ এটাই হলো আল্লাহর এ বাণীর অর্থঃ “যারা এ শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)। এরপর বর্ণনাকারী জারীর ও হান্নাদ উভয়ে একইরূপ বর্ণনা করেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর আকাশ হতে একজন ঘোষক ঘোষণা করেন, আমার বান্দা যথাযথ বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোষাক পরিয়ে দাও। এছাড়া তার জন্য জান্নাতের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুতরাং, তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধকর হাওয়া ও তার সুগন্ধি বইতে থাকে। তিনি আরো বলেন, ঐ দরজা তার দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করা হয়। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদের মৃত্যু প্রসঙ্গে বলেন, তার রূহকে তার শরীরে ফিরিয়ে আনা হয় এবং দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? সে উত্তর দেয়, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারপর তারা প্রশ্ন করেন, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে বলে, হায়! আমি তো জানি না। তখন আকাশের দিক হতে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন, সে মিথ্যা বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জাহান্নামের একটি বিছানা এনে বিছিয়ে দাও এবং তাকে জাহান্নামের পোষাক পরিয়ে দাও, আর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি বলেন, অতঃপর তার দিকে জাহান্নামের উত্তপ্ত বাতাস আসতে থাকে। এছাড়া তার জন্য তার কবরকে সংকীর্ণ করে দেয়া হয়, ফলে তার এক দিকের পাঁজর অপর দিকের পাঁজরের মধ্যে ঢুকে যায়। বর্ণনাকারী জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, অতঃপর তার জন্য এক অন্ধ ও বধির ফেরেশতাকে নিযুক্ত করা হয়, যার সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ী থাকবে, যদি এ দ্বারা পাহাড়কে আঘাত করা হয় তাহলে তা ধূলায় পরিণত হয়ে যাবে। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তারপর সে তাকে হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করতে থাকে, এতে সে বিকট শব্দে চিৎকার করতে থাকে যা মানুষ ও জিন ছাড়া পূর্ব হতে পশ্চিম পর্যন্ত সকল সৃষ্টি জীবই শুনতে পায়। আঘাতের ফলে সে মাটিতে মিশে যায়। তিনি বলেন, অতঃপর (শাস্তি অব্যাহত রাখার জন্য) পুনরায় তাতে রুহ ফেরত দেয়া হয়।

আল-বারাআ ইবনু ‘আবিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আনসার গোত্রের এক ব্যক্তির জানাজায় শরীক হওয়ার জন্য রওয়ানা হয়ে কবরের নিকট গেলাম। কিন্তু তখনও কবর খনন শেষ হয়নি। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসলেন এবং আমরাও তাঁর চারিদিকে নীরবে তাঁকে ঘিরে বসে পড়লাম, যেন আমাদের মাথার উপর পাখি বসে আছে। তখন তাঁর হাতে ছিল একখানা লাঠি, তা দিয়ে তিনি মাটিতে আঁচড় কাটছিলেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলে দুই বা তিনবার বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব হতে আশ্রয় চাও। বর্ণনাকারী জারীর তার আরো উল্লেখ করেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে যেতে থাকে, আর তখনই তাকে বলা হয়, হে অমুক! তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কি এবং তোমার নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে? হান্নাদ (রহঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অতঃপর তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে উভয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? তখন সে বলে, আমার রব আল্লাহ। তাঁরা উভয়ে তাকে প্রশ্ন করে, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, আমার দ্বীন হলো ইসলাম। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন, তিনি কে? তিনি বলেন, সে বলে, তিনি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তারপর তারা উভয়ে আবার বলে, তুমি কি করে জানতে পারলে? সে বলে, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি এবং তার প্রতি ঈমান এনেছি এবং সত্য বলে স্বীকার করেছি। জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ এটাই হলো আল্লাহর এ বাণীর অর্থঃ “যারা এ শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন” (সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)। এরপর বর্ণনাকারী জারীর ও হান্নাদ উভয়ে একইরূপ বর্ণনা করেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর আকাশ হতে একজন ঘোষক ঘোষণা করেন, আমার বান্দা যথাযথ বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোষাক পরিয়ে দাও। এছাড়া তার জন্য জান্নাতের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সুতরাং, তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধকর হাওয়া ও তার সুগন্ধি বইতে থাকে। তিনি আরো বলেন, ঐ দরজা তার দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করা হয়। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাফিরদের মৃত্যু প্রসঙ্গে বলেন, তার রূহকে তার শরীরে ফিরিয়ে আনা হয় এবং দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? সে উত্তর দেয়, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারপর তারা প্রশ্ন করেন, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে বলে, হায়! আমি তো জানি না। তখন আকাশের দিক হতে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন, সে মিথ্যা বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জাহান্নামের একটি বিছানা এনে বিছিয়ে দাও এবং তাকে জাহান্নামের পোষাক পরিয়ে দাও, আর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি বলেন, অতঃপর তার দিকে জাহান্নামের উত্তপ্ত বাতাস আসতে থাকে। এছাড়া তার জন্য তার কবরকে সংকীর্ণ করে দেয়া হয়, ফলে তার এক দিকের পাঁজর অপর দিকের পাঁজরের মধ্যে ঢুকে যায়। বর্ণনাকারী জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, অতঃপর তার জন্য এক অন্ধ ও বধির ফেরেশতাকে নিযুক্ত করা হয়, যার সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ী থাকবে, যদি এ দ্বারা পাহাড়কে আঘাত করা হয় তাহলে তা ধূলায় পরিণত হয়ে যাবে। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তারপর সে তাকে হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করতে থাকে, এতে সে বিকট শব্দে চিৎকার করতে থাকে যা মানুষ ও জিন ছাড়া পূর্ব হতে পশ্চিম পর্যন্ত সকল সৃষ্টি জীবই শুনতে পায়। আঘাতের ফলে সে মাটিতে মিশে যায়। তিনি বলেন, অতঃপর (শাস্তি অব্যাহত রাখার জন্য) পুনরায় তাতে রুহ ফেরত দেয়া হয়।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا هناد بن السري، حدثنا أبو معاوية، - وهذا لفظ هناد - عن الأعمش، عن المنهال، عن زاذان، عن البراء بن عازب، قال ‏:‏ خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة رجل من الأنصار، فانتهينا إلى القبر ولما يلحد، فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلسنا حوله كأنما على رءوسنا الطير، وفي يده عود ينكت به في الأرض، فرفع رأسه فقال ‏:‏ ‏"‏ استعيذوا بالله من عذاب القبر ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا - زاد في حديث جرير ها هنا - وقال ‏:‏ ‏"‏ وإنه ليسمع خفق نعالهم إذا ولوا مدبرين حين يقال له ‏:‏ يا هذا من ربك وما دينك ومن نبيك ‏"‏ ‏.‏ قال هناد قال ‏:‏ ‏"‏ ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان له ‏:‏ من ربك فيقول ‏:‏ ربي الله ‏.‏ فيقولان له ‏:‏ ما دينك فيقول ‏:‏ ديني الإسلام ‏.‏ فيقولان له ‏:‏ ما هذا الرجل الذي بعث فيكم قال فيقول ‏:‏ هو رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فيقولان ‏:‏ وما يدريك فيقول ‏:‏ قرأت كتاب الله فآمنت به وصدقت ‏"‏ ‏.‏ زاد في حديث جرير ‏:‏ ‏"‏ فذلك قول الله عز وجل ‏{‏ يثبت الله الذين آمنوا ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ الآية ‏.‏ ثم اتفقا قال ‏:‏ ‏"‏ فينادي مناد من السماء ‏:‏ أن قد صدق عبدي فأفرشوه من الجنة، وافتحوا له بابا إلى الجنة وألبسوه من الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فيأتيه من روحها وطيبها ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ ويفتح له فيها مد بصره ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ وإن الكافر ‏"‏ ‏.‏ فذكر موته قال ‏:‏ ‏"‏ وتعاد روحه في جسده ويأتيه ملكان فيجلسانه فيقولان ‏:‏ من ربك فيقول ‏:‏ هاه هاه هاه لا أدري ‏.‏ فيقولان له ‏:‏ ما دينك فيقول ‏:‏ هاه هاه لا أدري ‏.‏ فيقولان ‏:‏ ما هذا الرجل الذي بعث فيكم فيقول ‏:‏ هاه هاه لا أدري ‏.‏ فينادي مناد من السماء ‏:‏ أن كذب فأفرشوه من النار وألبسوه من النار، وافتحوا له بابا إلى النار ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فيأتيه من حرها وسمومها ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ ويضيق عليه قبره حتى تختلف فيه أضلاعه ‏"‏ ‏.‏ زاد في حديث جرير قال ‏:‏ ‏"‏ ثم يقيض له أعمى أبكم معه مرزبة من حديد، لو ضرب بها جبل لصار ترابا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فيضربه بها ضربة يسمعها ما بين المشرق والمغرب إلا الثقلين فيصير ترابا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ ثم تعاد فيه الروح ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫২

حدثنا محمد بن سليمان، حدثنا عبد الوهاب، بمثل هذا الإسناد نحوه قال ‏:‏ ‏"‏ إن العبد إذا وضع في قبره وتولى عنه أصحابه إنه ليسمع قرع نعالهم، فيأتيه ملكان فيقولان له ‏"‏ ‏.‏ فذكر قريبا من حديث الأول قال فيه ‏:‏ ‏"‏ وأما الكافر والمنافق فيقولان له ‏"‏ ‏.‏ زاد ‏:‏ ‏"‏ المنافق ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏:‏ ‏"‏ يسمعها من يليه غير الثقلين ‏"‏ ‏.‏

আবদুল ওয়াহ্হাব (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন কোন লোককে কবরে রেখে তার সঙ্গীরা এতটুকু দূরে চলে যায় যেখান হতে সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় তখন তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে বলে... অতঃপর প্রথমোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে কাফিরের সঙ্গে মুনাফিকের কথাও রয়েছে এবং বলা হয়েছেঃ আর কাফির ও মুনাফিককে প্রশ্ন করা হবে। তিনি বলেন, মানুষ ও জিন ছাড়া যারা কবরের নিকট থাকে সকলেই চিৎকার শুনতে পায়।

আবদুল ওয়াহ্হাব (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন কোন লোককে কবরে রেখে তার সঙ্গীরা এতটুকু দূরে চলে যায় যেখান হতে সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় তখন তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে বলে... অতঃপর প্রথমোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে কাফিরের সঙ্গে মুনাফিকের কথাও রয়েছে এবং বলা হয়েছেঃ আর কাফির ও মুনাফিককে প্রশ্ন করা হবে। তিনি বলেন, মানুষ ও জিন ছাড়া যারা কবরের নিকট থাকে সকলেই চিৎকার শুনতে পায়।

حدثنا محمد بن سليمان، حدثنا عبد الوهاب، بمثل هذا الإسناد نحوه قال ‏:‏ ‏"‏ إن العبد إذا وضع في قبره وتولى عنه أصحابه إنه ليسمع قرع نعالهم، فيأتيه ملكان فيقولان له ‏"‏ ‏.‏ فذكر قريبا من حديث الأول قال فيه ‏:‏ ‏"‏ وأما الكافر والمنافق فيقولان له ‏"‏ ‏.‏ زاد ‏:‏ ‏"‏ المنافق ‏"‏ ‏.‏ وقال ‏:‏ ‏"‏ يسمعها من يليه غير الثقلين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৫৪

حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا الأعمش، حدثنا المنهال، عن أبي عمر، ‏:‏ زاذان قال سمعت البراء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فذكر نحوه ‏.‏

আল-বারাআ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরপ বর্ণিত। [৪৭৫৩] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।

আল-বারাআ (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরপ বর্ণিত। [৪৭৫৩] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।

حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا الأعمش، حدثنا المنهال، عن أبي عمر، ‏:‏ زاذان قال سمعت البراء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فذكر نحوه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00