সুনানে আবু দাউদ > শাফা‘আত সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৩৯

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا بسطام بن حريث، عن أشعث الحداني، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ شفاعتي لأهل الكبائر من أمتي ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমার উম্মাতের কবীরাহ গুনাহগারদের জন্য আমার শাফা‘আত।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, আমার উম্মাতের কবীরাহ গুনাহগারদের জন্য আমার শাফা‘আত।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا بسطام بن حريث، عن أشعث الحداني، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ شفاعتي لأهل الكبائر من أمتي ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪০

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن الحسن بن ذكوان، حدثنا أبو رجاء، قال حدثني عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ يخرج قوم من النار بشفاعة محمد فيدخلون الجنة ويسمون الجهنميين ‏"‏ ‏.‏

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের একটি গোত্র আমার শাফা‘আত পেয়ে জাহান্নাম হতে মুক্তি লাভ করে বেরিয়ে আসবে, অতঃপর তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর তাদেরকে জাহান্নামের অধিবাসী নামেই আখ্যায়িত করা হবে।

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার উম্মাতের একটি গোত্র আমার শাফা‘আত পেয়ে জাহান্নাম হতে মুক্তি লাভ করে বেরিয়ে আসবে, অতঃপর তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর তাদেরকে জাহান্নামের অধিবাসী নামেই আখ্যায়িত করা হবে।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن الحسن بن ذكوان، حدثنا أبو رجاء، قال حدثني عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ يخرج قوم من النار بشفاعة محمد فيدخلون الجنة ويسمون الجهنميين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪১

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ إن أهل الجنة يأكلون فيها ويشربون ‏"‏ ‏.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : জান্নাতের অধিবাসীরা সেখানে পানাহার করবে।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : জান্নাতের অধিবাসীরা সেখানে পানাহার করবে।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ إن أهل الجنة يأكلون فيها ويشربون ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ > পুনরুত্থান ও শিঙ্গায় ফুৎকারের বর্ণনা

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪২

حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا أسلم، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ الصور قرن ينفخ فيه ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সূর একটি শিং-এর ন্যায়, তাতে ফুঁ দেয়া হবে।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সূর একটি শিং-এর ন্যায়, তাতে ফুঁ দেয়া হবে।

حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا أسلم، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ الصور قرن ينفخ فيه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৩

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ كل ابن آدم تأكل الأرض إلا عجب الذنب، منه خلق وفيه يركب ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানকে মাটি খেয়ে ফেলবে, শুধু মেরুদণ্ডের নীচের হাঁড়টুকু বাকী থাকবে। এ হতেই তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এ হতেই তাকে পুনর্গঠন করা হবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানকে মাটি খেয়ে ফেলবে, শুধু মেরুদণ্ডের নীচের হাঁড়টুকু বাকী থাকবে। এ হতেই তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এ হতেই তাকে পুনর্গঠন করা হবে।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ كل ابن آدم تأكل الأرض إلا عجب الذنب، منه خلق وفيه يركب ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ > জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মহান আল্লাহ্‌ জান্নাত তৈরি করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যে-ই শুনবে সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। তারপর তিনি (আল্লাহ্‌) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব, আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (রাঃ) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ জাহান্নাম তৈরি করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। তারপর আল্লাহ্‌ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ لما خلق الله الجنة قال لجبريل ‏:‏ اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد إلا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يدخلها أحد ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فلما خلق الله النار قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لا يسمع بها أحد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال ‏:‏ يا جبريل اذهب فانظر إليها ‏.‏ فذهب فنظر إليها ثم جاء فقال ‏:‏ أى رب وعزتك لقد خشيت أن لا يبقى أحد إلا دخلها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > হাওযে কাওসার সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৫

حدثنا سليمان بن حرب، ومسدد، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ إن أمامكم حوضا ما بين ناحيتيه كما بين جرباء وأذرح ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তোমাদের সামনে যে হাওয্‌ রয়েছে তার বিস্তৃতি জারবাহ ও আয্‌রুহ-এর মধ্যবর্তী স্থানের দূরত্বের সমান।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তোমাদের সামনে যে হাওয্‌ রয়েছে তার বিস্তৃতি জারবাহ ও আয্‌রুহ-এর মধ্যবর্তী স্থানের দূরত্বের সমান।

حدثنا سليمان بن حرب، ومسدد، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ إن أمامكم حوضا ما بين ناحيتيه كما بين جرباء وأذرح ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৬

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي حمزة، عن زيد بن أرقم، قال ‏:‏ كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلنا منزلا فقال ‏:‏ ‏ "‏ ما أنتم جزء من مائة ألف جزء ممن يرد على الحوض ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ‏:‏ كم كنتم يومئذ قال ‏:‏ سبعمائة أو ثمانمائة ‏.‏

যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সফরকালে এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করলে তিনি বলেনঃ হাওযে কাওসারে যেসব লোক আমার নিকট উপস্থিত হবে, তাদের তুলনায় তোমরা তাদের এক লাখ ভাগের এক ভাগ মাত্র। তিনি (বর্ণনাকারী আবূ হামযাহ) বললেন, আমি (যায়িদ ইবনু আরক্বামকে) বললাম, আপনারা সেখানে তখন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, সাতশো অথবা আটশো।

যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সফরকালে এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করলে তিনি বলেনঃ হাওযে কাওসারে যেসব লোক আমার নিকট উপস্থিত হবে, তাদের তুলনায় তোমরা তাদের এক লাখ ভাগের এক ভাগ মাত্র। তিনি (বর্ণনাকারী আবূ হামযাহ) বললেন, আমি (যায়িদ ইবনু আরক্বামকে) বললাম, আপনারা সেখানে তখন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, সাতশো অথবা আটশো।

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي حمزة، عن زيد بن أرقم، قال ‏:‏ كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلنا منزلا فقال ‏:‏ ‏ "‏ ما أنتم جزء من مائة ألف جزء ممن يرد على الحوض ‏"‏ ‏.‏ قال قلت ‏:‏ كم كنتم يومئذ قال ‏:‏ سبعمائة أو ثمانمائة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৮

حدثنا عاصم بن النضر، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، قال ‏:‏ لما عرج بنبي الله صلى الله عليه وسلم في الجنة - أو كما قال - عرض له نهر حافتاه الياقوت المجيب أو قال المجوف، فضرب الملك الذي معه يده فاستخرج مسكا فقال محمد صلى الله عليه وسلم للملك الذي معه ‏:‏ ‏ "‏ ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ هذا الكوثر الذي أعطاك الله عز وجل ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মি’রাজের রাতে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জান্নাতে পরিভ্রমণ করানো হয়। এ সময় তাঁর সামনে একটি নহর উপস্থিত করা হয় যার উভয় তীর খাঁটি নীলকান্ত মণি দ্বারা সুশোভিত ছিল। যে ফেরেশতা তাঁর সাথে ছিলেন, তার হাতে আঘাত করলে কস্তুরী বেরিয়ে আসে। অতঃপর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সফরসঙ্গী ফেরেশতাকে প্রশ্ন করলেন, এটা কি? তিনি বললেন, এ হলো সেই কাওসার যা মহামহিমান্বিত আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মি’রাজের রাতে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জান্নাতে পরিভ্রমণ করানো হয়। এ সময় তাঁর সামনে একটি নহর উপস্থিত করা হয় যার উভয় তীর খাঁটি নীলকান্ত মণি দ্বারা সুশোভিত ছিল। যে ফেরেশতা তাঁর সাথে ছিলেন, তার হাতে আঘাত করলে কস্তুরী বেরিয়ে আসে। অতঃপর মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সফরসঙ্গী ফেরেশতাকে প্রশ্ন করলেন, এটা কি? তিনি বললেন, এ হলো সেই কাওসার যা মহামহিমান্বিত আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন।

حدثنا عاصم بن النضر، حدثنا المعتمر، قال سمعت أبي قال، حدثنا قتادة، عن أنس بن مالك، قال ‏:‏ لما عرج بنبي الله صلى الله عليه وسلم في الجنة - أو كما قال - عرض له نهر حافتاه الياقوت المجيب أو قال المجوف، فضرب الملك الذي معه يده فاستخرج مسكا فقال محمد صلى الله عليه وسلم للملك الذي معه ‏:‏ ‏ "‏ ما هذا ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ هذا الكوثر الذي أعطاك الله عز وجل ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৭

حدثنا هناد بن السري، حدثنا محمد بن فضيل، عن المختار بن فلفل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول ‏:‏ أغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم إغفاءة فرفع رأسه متبسما، فإما قال لهم وإما قالوا له ‏:‏ يا رسول الله لم ضحكت فقال ‏:‏ ‏"‏ إنه أنزلت على آنفا سورة ‏"‏ ‏.‏ فقرأ ‏‏ بسم الله الرحمن الرحيم {إنا أعطيناك الكوثر} ‏‏ حتى ختمها فلما قرأها قال ‏:‏ ‏"‏ هل تدرون ما الكوثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فإنه نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة، وعليه خير كثير عليه حوض ترد عليه أمتي يوم القيامة آنيته عدد الكواكب ‏"‏ ‏.‏

আল-মুখতার ইবনু ফুলফুল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন। অতঃপর মুচকি হেসে মাথা তুলে তিনি তাদেরকে অথবা তাঁকে তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কেন হাসলেন? তিনি বললেন, এইমাত্র আমার উপর একটি সূরাহ্‌ নাযিল হয়েছে। অতঃপর তিনি পড়লেন, পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে আল-কাওসার দান করেছি”। এভাবে তিনি সূরাটি পাঠ শেষ করে বললেন, তোমরা কি জানো কাওসার কী? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেন, তা এমন একটি পানির ঝর্ণা যা আমার রব জান্নাতে সৃষ্টি করে রেখেছেন। তাতে অসংখ্য কল্যাণ বিদ্যমান। তাতে হাওযে কাওসারও রয়েছে। আমার উম্মাতগণ ক্বিয়ামাতের দিন সেখানে উপস্থিত হবে। এর পানপাত্রের সংখ্যা হবে (আকাশের) তারকার সমপরিমাণ।

আল-মুখতার ইবনু ফুলফুল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন। অতঃপর মুচকি হেসে মাথা তুলে তিনি তাদেরকে অথবা তাঁকে তারা বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কেন হাসলেন? তিনি বললেন, এইমাত্র আমার উপর একটি সূরাহ্‌ নাযিল হয়েছে। অতঃপর তিনি পড়লেন, পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে আল-কাওসার দান করেছি”। এভাবে তিনি সূরাটি পাঠ শেষ করে বললেন, তোমরা কি জানো কাওসার কী? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেন, তা এমন একটি পানির ঝর্ণা যা আমার রব জান্নাতে সৃষ্টি করে রেখেছেন। তাতে অসংখ্য কল্যাণ বিদ্যমান। তাতে হাওযে কাওসারও রয়েছে। আমার উম্মাতগণ ক্বিয়ামাতের দিন সেখানে উপস্থিত হবে। এর পানপাত্রের সংখ্যা হবে (আকাশের) তারকার সমপরিমাণ।

حدثنا هناد بن السري، حدثنا محمد بن فضيل، عن المختار بن فلفل، قال سمعت أنس بن مالك، يقول ‏:‏ أغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم إغفاءة فرفع رأسه متبسما، فإما قال لهم وإما قالوا له ‏:‏ يا رسول الله لم ضحكت فقال ‏:‏ ‏"‏ إنه أنزلت على آنفا سورة ‏"‏ ‏.‏ فقرأ ‏‏ بسم الله الرحمن الرحيم {إنا أعطيناك الكوثر} ‏‏ حتى ختمها فلما قرأها قال ‏:‏ ‏"‏ هل تدرون ما الكوثر ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ الله ورسوله أعلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فإنه نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة، وعليه خير كثير عليه حوض ترد عليه أمتي يوم القيامة آنيته عدد الكواكب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৭৪৯

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا عبد السلام بن أبي حازم أبو طالوت، قال شهدت أبا برزة دخل على عبيد الله بن زياد فحدثني فلان، سماه مسلم وكان في السماط فلما رآه عبيد الله قال ‏:‏ إن محمديكم هذا الدحداح، ففهمها الشيخ فقال ما كنت أحسب أني أبقى في قوم يعيروني بصحبة محمد صلى الله عليه وسلم فقال له عبيد الله إن صحبة محمد صلى الله عليه وسلم لك زين غير شين ثم قال ‏:‏ إنما بعثت إليك لأسألك عن الحوض سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر فيه شيئا فقال أبو برزة ‏:‏ نعم لا مرة ولا ثنتين ولا ثلاثا ولا أربعا ولا خمسا، فمن كذب به فلا سقاه الله منه ثم خرج مغضبا ‏.‏

‘আবদুস সালাম ইবনু আবূ হাযিম আবূ তালূত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ বারযাহ (রাঃ) -কে দেখেছি, তিনি ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। সেখানে লোকজনের সাথে উপস্থিত মুসলিম নামীয় এক ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করে বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ তাঁকে দেখে বললো, তোমাদের এই বেঁটে ও মাংসল মুহাম্মাদী। শায়খ (আবূ বারযাহ) কথাটি বুঝতে পারলেন। তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভকারী আমার মতো ব্যক্তি এসব লোকের মাঝে অবস্থান করা উচিৎ নয় যারা আমাকে (তাঁর সাহাবী হওয়ায়) দোষারোপ করে। ‘উবাইদুল্লাহ তাকে বললো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ তো আপনার জন্য গৌরবের বিষয়, দোষের বিষয় নয়। পুনরায় সে বললো, আমি আপনার নিকট হাওয কাওসার সম্পর্কে প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছি। আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে কিছু বলতে শুনেছেন? আবূ বারযাহ (রাঃ) বলেন, হাঁ, একবার নয়, দু’বার নয়, তিনবার নয়, চারবার নয়, পাঁচবার নয় (অনেকবার শুনেছি)। যে ব্যক্তি তা মিথ্যা জানবে তাকে আল্লাহ তা হতে পান কারাবেন না। অতঃপর তিনি রাগান্বিত অবস্থায় চলে গেলেন।

‘আবদুস সালাম ইবনু আবূ হাযিম আবূ তালূত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ বারযাহ (রাঃ) -কে দেখেছি, তিনি ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন। সেখানে লোকজনের সাথে উপস্থিত মুসলিম নামীয় এক ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করে বলেন, ‘উবাইদুল্লাহ তাঁকে দেখে বললো, তোমাদের এই বেঁটে ও মাংসল মুহাম্মাদী। শায়খ (আবূ বারযাহ) কথাটি বুঝতে পারলেন। তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভকারী আমার মতো ব্যক্তি এসব লোকের মাঝে অবস্থান করা উচিৎ নয় যারা আমাকে (তাঁর সাহাবী হওয়ায়) দোষারোপ করে। ‘উবাইদুল্লাহ তাকে বললো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ তো আপনার জন্য গৌরবের বিষয়, দোষের বিষয় নয়। পুনরায় সে বললো, আমি আপনার নিকট হাওয কাওসার সম্পর্কে প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছি। আপনি কি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে কিছু বলতে শুনেছেন? আবূ বারযাহ (রাঃ) বলেন, হাঁ, একবার নয়, দু’বার নয়, তিনবার নয়, চারবার নয়, পাঁচবার নয় (অনেকবার শুনেছি)। যে ব্যক্তি তা মিথ্যা জানবে তাকে আল্লাহ তা হতে পান কারাবেন না। অতঃপর তিনি রাগান্বিত অবস্থায় চলে গেলেন।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا عبد السلام بن أبي حازم أبو طالوت، قال شهدت أبا برزة دخل على عبيد الله بن زياد فحدثني فلان، سماه مسلم وكان في السماط فلما رآه عبيد الله قال ‏:‏ إن محمديكم هذا الدحداح، ففهمها الشيخ فقال ما كنت أحسب أني أبقى في قوم يعيروني بصحبة محمد صلى الله عليه وسلم فقال له عبيد الله إن صحبة محمد صلى الله عليه وسلم لك زين غير شين ثم قال ‏:‏ إنما بعثت إليك لأسألك عن الحوض سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر فيه شيئا فقال أبو برزة ‏:‏ نعم لا مرة ولا ثنتين ولا ثلاثا ولا أربعا ولا خمسا، فمن كذب به فلا سقاه الله منه ثم خرج مغضبا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00