সুনানে আবু দাউদ > রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের ফাযীলাত
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৭
حدثنا عمرو بن عون، قال أنبأنا ح، وحدثنا مسدد، قال حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . والله أعلم أذكر الثالث أم لا " ثم يظهر قوم يشهدون ولا يستشهدون وينذرون ولا يوفون ويخونون ولا يؤتمنون ويفشو فيهم السمن " .
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তারা যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর যারা তাদের সঙ্গে সংলগ্ন, আল্লাহই ভালো জানেন যে, তিনি তৃতীয় স্তরটি উল্লেখ করেছেন কিনা। তারপর এমন সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা সাক্ষী হিসেবে তাদেরকে না ডাকা হলেও সাক্ষ্য দিবে। তার মান্নাত করে তা পূর্ণ করবে না, তারা আত্মসাৎ করবে এবং আমানতদার হবে না। আর তাদের মধ্যে মেদ-ভূঁড়ি প্রকাশ পাবে।
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তারা যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর যারা তাদের সঙ্গে সংলগ্ন, আল্লাহই ভালো জানেন যে, তিনি তৃতীয় স্তরটি উল্লেখ করেছেন কিনা। তারপর এমন সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা সাক্ষী হিসেবে তাদেরকে না ডাকা হলেও সাক্ষ্য দিবে। তার মান্নাত করে তা পূর্ণ করবে না, তারা আত্মসাৎ করবে এবং আমানতদার হবে না। আর তাদের মধ্যে মেদ-ভূঁড়ি প্রকাশ পাবে।
حدثنا عمرو بن عون، قال أنبأنا ح، وحدثنا مسدد، قال حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . والله أعلم أذكر الثالث أم لا " ثم يظهر قوم يشهدون ولا يستشهدون وينذرون ولا يوفون ويخونون ولا يؤتمنون ويفشو فيهم السمن " .
সুনানে আবু দাউদ > রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সাহাবীদের গালি দেয়া নিষেধ
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৮
حدثنا مسدد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تسبوا أصحابي فوالذي نفسي بيده لو أنفق أحدكم مثل أحد ذهبا ما بلغ مد أحدهم ولا نصيفه " .
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার সাহাবীদেরকে গালি দিও না। যে মহান সত্তার হাতে আমার জীবন তাঁর কসম! তোমাদের মধ্যে কেউ যদি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ (দান) ব্যয় করে তবে তা তাদের কোন একজনের এক মুদ্দ বা অর্ধ মুদ্দ ব্যয়ের সমানও হবে না।
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আমার সাহাবীদেরকে গালি দিও না। যে মহান সত্তার হাতে আমার জীবন তাঁর কসম! তোমাদের মধ্যে কেউ যদি উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ (দান) ব্যয় করে তবে তা তাদের কোন একজনের এক মুদ্দ বা অর্ধ মুদ্দ ব্যয়ের সমানও হবে না।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تسبوا أصحابي فوالذي نفسي بيده لو أنفق أحدكم مثل أحد ذهبا ما بلغ مد أحدهم ولا نصيفه " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৯
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زائدة بن قدامة الثقفي، حدثنا عمر بن قيس الماصر، عن عمرو بن أبي قرة، قال كان حذيفة بالمدائن فكان يذكر أشياء قالها رسول الله صلى الله عليه وسلم لأناس من أصحابه في الغضب فينطلق ناس ممن سمع ذلك من حذيفة فيأتون سلمان فيذكرون له قول حذيفة فيقول سلمان حذيفة أعلم بما يقول فيرجعون إلى حذيفة فيقولون له قد ذكرنا قولك لسلمان فما صدقك ولا كذبك . فأتى حذيفة سلمان وهو في مبقلة فقال يا سلمان ما يمنعك أن تصدقني بما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سلمان إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يغضب فيقول في الغضب لناس من أصحابه ويرضى فيقول في الرضا لناس من أصحابه أما تنتهي حتى تورث رجالا حب رجال ورجالا بغض رجال وحتى توقع اختلافا وفرقة ولقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب فقال " أيما رجل من أمتي سببته سبة أو لعنته لعنة في غضبي - فإنما أنا من ولد آدم أغضب كما يغضبون وإنما بعثني رحمة للعالمين - فاجعلها عليهم صلاة يوم القيامة " . والله لتنتهين أو لأكتبن إلى عمر .
আমর ইবনু আবূ কুর্রা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) মাদায়েনে অবস্থানকালে এমন কিছু কথা উল্লেখ করেন, যে কথাগুলো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট অবস্থায় কতিপয় সাহাবীকে বলেছিলেন। হুযাইফাহ (রাঃ) -এর কথাগুলো যারা শুনেছিলেন, তাদের কতক এসে সালমান (রাঃ) -এর নিকট হুযাইফাহর (রাঃ) বক্তব্যের বর্ণনা দিলে সালমান (রাঃ) বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) যা বলেছেন, তা তিনিই ভালো জানেন। অতঃপর তারা হুযাইফাহ্র (রাঃ) নিকট ফিরে এসে বললেন, আমরা সালমান (রাঃ) -এর নিকট আপনার কথাগুলো বলেছি কিন্তু তিনি আপনার কথার সমর্থন বা অসমর্থন কোনটাই দেননি। অতঃপর হুযাইফাহ (রাঃ) সালমান (রাঃ) -এর সঙ্গে সবজি বাগানে সাক্ষাত করে বলেন, হে সালমান! যে কথা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি তার সমর্থন দিতে তোমাকে কিসে বিরত রেখেছে? সালমান (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলে তাঁর কিছু সাহাবীকে কিছু কথা বলতেন এবং তাঁর সাহাবীদের মধ্যে কারো উপর সন্তুষ্ট হয়ে সন্তোষসূচক কিছু কথা বলতেন। যদি তুমি এ বিষয়গুলোর উল্লেখ হতে বিরত না থাকো, তাহলে তুমি অনেক লোককে পরস্পর ভালোবাসা ও বন্ধুত্বে আবদ্ধ করবে আর এক দলকে পরস্পর মনমালিন্য ও অসন্তোষে ফেলবে, এতে দলাদলির সৃষ্টি হবে। তুমি জানো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ভাষণে বলেছেন, আমার উম্মাতের কাউকে আমি অসন্তুষ্ট অবস্থায় মন্দ বলি বা অভিশাপ দেই কেননা আদম সন্তান হিসাবে আমিও তাদের মতো অসন্তুষ্ট হয়ে থাকি। তিনি আমাকে সৃষ্টিকুলের জন্য করুণার আঁধার করে পাঠিয়েছেন। হে আল্লাহ! আমার গালি ও অভিশাপকে ক্বিয়ামাতের দিন তাদের জন্য রহমতে পরিণত করো। এরপর সালমান (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহর কসম! যদি তুমি বিরত না থাকো তাহলে আমি অবশ্যই ‘উমার (রাঃ) -কে লিখে পাঠাবো। অতঃপর কিছু সংখ্যক লোকের দ্বারা তার উপর চাপ সৃষ্টি করা হলে তিনি তার কসম ভঙ্গের কাফ্ফারাহ দিলেন, ‘উমার (রাঃ) -কে চিঠি লিখেননি এবং কসম ভঙ্গের আগেই কাফ্ফারাহ দিলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, কসম ভঙ্গের (কাফ্ফারাহ) আগে বা পরে দেয়া উভয়ই জায়িয।
আমর ইবনু আবূ কুর্রা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) মাদায়েনে অবস্থানকালে এমন কিছু কথা উল্লেখ করেন, যে কথাগুলো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট অবস্থায় কতিপয় সাহাবীকে বলেছিলেন। হুযাইফাহ (রাঃ) -এর কথাগুলো যারা শুনেছিলেন, তাদের কতক এসে সালমান (রাঃ) -এর নিকট হুযাইফাহর (রাঃ) বক্তব্যের বর্ণনা দিলে সালমান (রাঃ) বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) যা বলেছেন, তা তিনিই ভালো জানেন। অতঃপর তারা হুযাইফাহ্র (রাঃ) নিকট ফিরে এসে বললেন, আমরা সালমান (রাঃ) -এর নিকট আপনার কথাগুলো বলেছি কিন্তু তিনি আপনার কথার সমর্থন বা অসমর্থন কোনটাই দেননি। অতঃপর হুযাইফাহ (রাঃ) সালমান (রাঃ) -এর সঙ্গে সবজি বাগানে সাক্ষাত করে বলেন, হে সালমান! যে কথা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট শুনেছি তার সমর্থন দিতে তোমাকে কিসে বিরত রেখেছে? সালমান (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলে তাঁর কিছু সাহাবীকে কিছু কথা বলতেন এবং তাঁর সাহাবীদের মধ্যে কারো উপর সন্তুষ্ট হয়ে সন্তোষসূচক কিছু কথা বলতেন। যদি তুমি এ বিষয়গুলোর উল্লেখ হতে বিরত না থাকো, তাহলে তুমি অনেক লোককে পরস্পর ভালোবাসা ও বন্ধুত্বে আবদ্ধ করবে আর এক দলকে পরস্পর মনমালিন্য ও অসন্তোষে ফেলবে, এতে দলাদলির সৃষ্টি হবে। তুমি জানো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ভাষণে বলেছেন, আমার উম্মাতের কাউকে আমি অসন্তুষ্ট অবস্থায় মন্দ বলি বা অভিশাপ দেই কেননা আদম সন্তান হিসাবে আমিও তাদের মতো অসন্তুষ্ট হয়ে থাকি। তিনি আমাকে সৃষ্টিকুলের জন্য করুণার আঁধার করে পাঠিয়েছেন। হে আল্লাহ! আমার গালি ও অভিশাপকে ক্বিয়ামাতের দিন তাদের জন্য রহমতে পরিণত করো। এরপর সালমান (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহর কসম! যদি তুমি বিরত না থাকো তাহলে আমি অবশ্যই ‘উমার (রাঃ) -কে লিখে পাঠাবো। অতঃপর কিছু সংখ্যক লোকের দ্বারা তার উপর চাপ সৃষ্টি করা হলে তিনি তার কসম ভঙ্গের কাফ্ফারাহ দিলেন, ‘উমার (রাঃ) -কে চিঠি লিখেননি এবং কসম ভঙ্গের আগেই কাফ্ফারাহ দিলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, কসম ভঙ্গের (কাফ্ফারাহ) আগে বা পরে দেয়া উভয়ই জায়িয।
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زائدة بن قدامة الثقفي، حدثنا عمر بن قيس الماصر، عن عمرو بن أبي قرة، قال كان حذيفة بالمدائن فكان يذكر أشياء قالها رسول الله صلى الله عليه وسلم لأناس من أصحابه في الغضب فينطلق ناس ممن سمع ذلك من حذيفة فيأتون سلمان فيذكرون له قول حذيفة فيقول سلمان حذيفة أعلم بما يقول فيرجعون إلى حذيفة فيقولون له قد ذكرنا قولك لسلمان فما صدقك ولا كذبك . فأتى حذيفة سلمان وهو في مبقلة فقال يا سلمان ما يمنعك أن تصدقني بما سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سلمان إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يغضب فيقول في الغضب لناس من أصحابه ويرضى فيقول في الرضا لناس من أصحابه أما تنتهي حتى تورث رجالا حب رجال ورجالا بغض رجال وحتى توقع اختلافا وفرقة ولقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب فقال " أيما رجل من أمتي سببته سبة أو لعنته لعنة في غضبي - فإنما أنا من ولد آدم أغضب كما يغضبون وإنما بعثني رحمة للعالمين - فاجعلها عليهم صلاة يوم القيامة " . والله لتنتهين أو لأكتبن إلى عمر .
সুনানে আবু দাউদ > আবূ বাক্র (রাঃ) -এর খিলাফাত সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬১
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن أبي فديك، قال حدثني موسى بن يعقوب، عن عبد الرحمن بن إسحاق، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عبد الله بن زمعة، أخبره بهذا الخبر، قال لما سمع النبي صلى الله عليه وسلم صوت عمر قال ابن زمعة خرج النبي صلى الله عليه وسلم حتى أطلع رأسه من حجرته ثم قال " لا لا لا ليصل للناس ابن أبي قحافة " . يقول ذلك مغضبا .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ হাদীস সম্পর্কে তাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার (রাঃ)-এর কন্ঠস্বর শোনার সঙ্গে উঠে এসে তাঁর ঘর থেকে মাথা বের করে ক্রোধের সঙ্গে বললেন, না, না, না; আবূ কুহাফার পুত্র যেন লোকদের সলাতে ইমামতি করে।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এ হাদীস সম্পর্কে তাকে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমার (রাঃ)-এর কন্ঠস্বর শোনার সঙ্গে উঠে এসে তাঁর ঘর থেকে মাথা বের করে ক্রোধের সঙ্গে বললেন, না, না, না; আবূ কুহাফার পুত্র যেন লোকদের সলাতে ইমামতি করে।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن أبي فديك، قال حدثني موسى بن يعقوب، عن عبد الرحمن بن إسحاق، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، أن عبد الله بن زمعة، أخبره بهذا الخبر، قال لما سمع النبي صلى الله عليه وسلم صوت عمر قال ابن زمعة خرج النبي صلى الله عليه وسلم حتى أطلع رأسه من حجرته ثم قال " لا لا لا ليصل للناس ابن أبي قحافة " . يقول ذلك مغضبا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬০
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، قال حدثني الزهري، حدثني عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال لما استعز برسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عنده في نفر من المسلمين دعاه بلال إلى الصلاة فقال مروا من يصلي للناس . فخرج عبد الله بن زمعة فإذا عمر في الناس وكان أبو بكر غائبا فقلت يا عمر قم فصل بالناس فتقدم فكبر فلما سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته وكان عمر رجلا مجهرا قال " فأين أبو بكر يأبى الله ذلك والمسلمون يأبى الله ذلك والمسلمون " . فبعث إلى أبي بكر فجاء بعد أن صلى عمر تلك الصلاة فصلى بالناس .
আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন মারাত্মক রূপ ধারণ করলো তখন আমি মুসলিমদের একটি দলের সঙ্গে তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। বিলাল (রাঃ) তাঁকে সলাতের জন্য ডাকলে তিনি বললেন, “লোকদের সলাত পড়াতে তোমরা কাউকে নির্দেশ দাও।” অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) বেরিয়ে এসে দেখলেন লোকদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত আছেন, কিন্তু আবূ বকর (রাঃ) অনুপস্থিত। আমি বললাম, হে ‘উমার! আপনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়ান। অতএব তিনি সামনে এসে তাকবীর তাহরীমা বললেন। ‘উমার (রাঃ) উচ্চস্বরসম্পন্ন হওয়ায় যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার শব্দ শুনতে পেলেন তখন বললেন, আবূ বাকর কোথায়? আল্লাহ এবং মুসলিমগণ এটা (আবূ বাকর ছাড়া অন্য কারোর ইমামতি) অপছন্দ করেন। তিনি পুনরায় বললেন, আল্লাহ ও মুসলিমগণ এটা অপছন্দ করেন। অতএব আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠানো হলো, কিন্তু তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর ঐ ওয়াক্তের সলাত পড়ানোর পরে উপস্থিত হলেন এবং এরপর হতে তিনি লোকদের সলাতে ইমামতি করেন।
আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন মারাত্মক রূপ ধারণ করলো তখন আমি মুসলিমদের একটি দলের সঙ্গে তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। বিলাল (রাঃ) তাঁকে সলাতের জন্য ডাকলে তিনি বললেন, “লোকদের সলাত পড়াতে তোমরা কাউকে নির্দেশ দাও।” অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) বেরিয়ে এসে দেখলেন লোকদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত আছেন, কিন্তু আবূ বকর (রাঃ) অনুপস্থিত। আমি বললাম, হে ‘উমার! আপনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়ান। অতএব তিনি সামনে এসে তাকবীর তাহরীমা বললেন। ‘উমার (রাঃ) উচ্চস্বরসম্পন্ন হওয়ায় যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার শব্দ শুনতে পেলেন তখন বললেন, আবূ বাকর কোথায়? আল্লাহ এবং মুসলিমগণ এটা (আবূ বাকর ছাড়া অন্য কারোর ইমামতি) অপছন্দ করেন। তিনি পুনরায় বললেন, আল্লাহ ও মুসলিমগণ এটা অপছন্দ করেন। অতএব আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠানো হলো, কিন্তু তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর ঐ ওয়াক্তের সলাত পড়ানোর পরে উপস্থিত হলেন এবং এরপর হতে তিনি লোকদের সলাতে ইমামতি করেন।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، قال حدثني الزهري، حدثني عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال لما استعز برسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عنده في نفر من المسلمين دعاه بلال إلى الصلاة فقال مروا من يصلي للناس . فخرج عبد الله بن زمعة فإذا عمر في الناس وكان أبو بكر غائبا فقلت يا عمر قم فصل بالناس فتقدم فكبر فلما سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته وكان عمر رجلا مجهرا قال " فأين أبو بكر يأبى الله ذلك والمسلمون يأبى الله ذلك والمسلمون " . فبعث إلى أبي بكر فجاء بعد أن صلى عمر تلك الصلاة فصلى بالناس .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬০
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، قال حدثني الزهري، حدثني عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال لما استعز برسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عنده في نفر من المسلمين دعاه بلال إلى الصلاة فقال مروا من يصلي للناس . فخرج عبد الله بن زمعة فإذا عمر في الناس وكان أبو بكر غائبا فقلت يا عمر قم فصل بالناس فتقدم فكبر فلما سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته وكان عمر رجلا مجهرا قال " فأين أبو بكر يأبى الله ذلك والمسلمون يأبى الله ذلك والمسلمون " . فبعث إلى أبي بكر فجاء بعد أن صلى عمر تلك الصلاة فصلى بالناس .
আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন মারাত্মক রূপ ধারণ করলো তখন আমি মুসলিমদের একটি দলের সঙ্গে তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। বিলাল (রাঃ) তাঁকে সলাতের জন্য ডাকলে তিনি বললেন, “লোকদের সলাত পড়াতে তোমরা কাউকে নির্দেশ দাও।” অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) বেরিয়ে এসে দেখলেন লোকদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত আছেন, কিন্তু আবূ বকর (রাঃ) অনুপস্থিত। আমি বললাম, হে ‘উমার! আপনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়ান। অতএব তিনি সামনে এসে তাকবীর তাহরীমা বললেন। ‘উমার (রাঃ) উচ্চস্বরসম্পন্ন হওয়ায় যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার শব্দ শুনতে পেলেন তখন বললেন, আবূ বাকর কোথায়? আল্লাহ এবং মুসলিমগণ এটা (আবূ বাকর ছাড়া অন্য কারোর ইমামতি) অপছন্দ করেন। তিনি পুনরায় বললেন, আল্লাহ ও মুসলিমগণ এটা অপছন্দ করেন। অতএব আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠানো হলো, কিন্তু তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর ঐ ওয়াক্তের সলাত পড়ানোর পরে উপস্থিত হলেন এবং এরপর হতে তিনি লোকদের সলাতে ইমামতি করেন।
আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন মারাত্মক রূপ ধারণ করলো তখন আমি মুসলিমদের একটি দলের সঙ্গে তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। বিলাল (রাঃ) তাঁকে সলাতের জন্য ডাকলে তিনি বললেন, “লোকদের সলাত পড়াতে তোমরা কাউকে নির্দেশ দাও।” অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) বেরিয়ে এসে দেখলেন লোকদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত আছেন, কিন্তু আবূ বকর (রাঃ) অনুপস্থিত। আমি বললাম, হে ‘উমার! আপনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়ান। অতএব তিনি সামনে এসে তাকবীর তাহরীমা বললেন। ‘উমার (রাঃ) উচ্চস্বরসম্পন্ন হওয়ায় যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার শব্দ শুনতে পেলেন তখন বললেন, আবূ বাকর কোথায়? আল্লাহ এবং মুসলিমগণ এটা (আবূ বাকর ছাড়া অন্য কারোর ইমামতি) অপছন্দ করেন। তিনি পুনরায় বললেন, আল্লাহ ও মুসলিমগণ এটা অপছন্দ করেন। অতএব আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠানো হলো, কিন্তু তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর ঐ ওয়াক্তের সলাত পড়ানোর পরে উপস্থিত হলেন এবং এরপর হতে তিনি লোকদের সলাতে ইমামতি করেন।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، قال حدثني الزهري، حدثني عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال لما استعز برسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عنده في نفر من المسلمين دعاه بلال إلى الصلاة فقال مروا من يصلي للناس . فخرج عبد الله بن زمعة فإذا عمر في الناس وكان أبو بكر غائبا فقلت يا عمر قم فصل بالناس فتقدم فكبر فلما سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته وكان عمر رجلا مجهرا قال " فأين أبو بكر يأبى الله ذلك والمسلمون يأبى الله ذلك والمسلمون " . فبعث إلى أبي بكر فجاء بعد أن صلى عمر تلك الصلاة فصلى بالناس .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬০
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، قال حدثني الزهري، حدثني عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال لما استعز برسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عنده في نفر من المسلمين دعاه بلال إلى الصلاة فقال مروا من يصلي للناس . فخرج عبد الله بن زمعة فإذا عمر في الناس وكان أبو بكر غائبا فقلت يا عمر قم فصل بالناس فتقدم فكبر فلما سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته وكان عمر رجلا مجهرا قال " فأين أبو بكر يأبى الله ذلك والمسلمون يأبى الله ذلك والمسلمون " . فبعث إلى أبي بكر فجاء بعد أن صلى عمر تلك الصلاة فصلى بالناس .
আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন মারাত্মক রূপ ধারণ করলো তখন আমি মুসলিমদের একটি দলের সঙ্গে তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। বিলাল (রাঃ) তাঁকে সলাতের জন্য ডাকলে তিনি বললেন, “লোকদের সলাত পড়াতে তোমরা কাউকে নির্দেশ দাও।” অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) বেরিয়ে এসে দেখলেন লোকদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত আছেন, কিন্তু আবূ বকর (রাঃ) অনুপস্থিত। আমি বললাম, হে ‘উমার! আপনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়ান। অতএব তিনি সামনে এসে তাকবীর তাহরীমা বললেন। ‘উমার (রাঃ) উচ্চস্বরসম্পন্ন হওয়ায় যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার শব্দ শুনতে পেলেন তখন বললেন, আবূ বাকর কোথায়? আল্লাহ এবং মুসলিমগণ এটা (আবূ বাকর ছাড়া অন্য কারোর ইমামতি) অপছন্দ করেন। তিনি পুনরায় বললেন, আল্লাহ ও মুসলিমগণ এটা অপছন্দ করেন। অতএব আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠানো হলো, কিন্তু তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর ঐ ওয়াক্তের সলাত পড়ানোর পরে উপস্থিত হলেন এবং এরপর হতে তিনি লোকদের সলাতে ইমামতি করেন।
আবদুল্লাহ ইবনু যাম’আহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রোগ যখন মারাত্মক রূপ ধারণ করলো তখন আমি মুসলিমদের একটি দলের সঙ্গে তাঁর নিকট উপস্থিত ছিলাম। বিলাল (রাঃ) তাঁকে সলাতের জন্য ডাকলে তিনি বললেন, “লোকদের সলাত পড়াতে তোমরা কাউকে নির্দেশ দাও।” অতঃপর ‘আবদুল্লাহ ইবনু যাম‘আহ্ (রাঃ) বেরিয়ে এসে দেখলেন লোকদের মধ্যে ‘উমার (রাঃ) উপস্থিত আছেন, কিন্তু আবূ বকর (রাঃ) অনুপস্থিত। আমি বললাম, হে ‘উমার! আপনি দাঁড়িয়ে সলাত পড়ান। অতএব তিনি সামনে এসে তাকবীর তাহরীমা বললেন। ‘উমার (রাঃ) উচ্চস্বরসম্পন্ন হওয়ায় যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার শব্দ শুনতে পেলেন তখন বললেন, আবূ বাকর কোথায়? আল্লাহ এবং মুসলিমগণ এটা (আবূ বাকর ছাড়া অন্য কারোর ইমামতি) অপছন্দ করেন। তিনি পুনরায় বললেন, আল্লাহ ও মুসলিমগণ এটা অপছন্দ করেন। অতএব আবূ বকর (রাঃ)-এর নিকট লোক পাঠানো হলো, কিন্তু তিনি ‘উমার (রাঃ)-এর ঐ ওয়াক্তের সলাত পড়ানোর পরে উপস্থিত হলেন এবং এরপর হতে তিনি লোকদের সলাতে ইমামতি করেন।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، قال حدثني الزهري، حدثني عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، عن أبيه، عن عبد الله بن زمعة، قال لما استعز برسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عنده في نفر من المسلمين دعاه بلال إلى الصلاة فقال مروا من يصلي للناس . فخرج عبد الله بن زمعة فإذا عمر في الناس وكان أبو بكر غائبا فقلت يا عمر قم فصل بالناس فتقدم فكبر فلما سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم صوته وكان عمر رجلا مجهرا قال " فأين أبو بكر يأبى الله ذلك والمسلمون يأبى الله ذلك والمسلمون " . فبعث إلى أبي بكر فجاء بعد أن صلى عمر تلك الصلاة فصلى بالناس .
সুনানে আবু দাউদ > ফিত্বনাহ্ চলাকালে বাকসংযমী হওয়া
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬৩
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يزيد، أخبرنا هشام، عن محمد، قال قال حذيفة ما أحد من الناس تدركه الفتنة إلا أنا أخافها عليه إلا محمد بن مسلمة فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تضرك الفتنة " .
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) ছাড়া অন্য সবার ব্যাপারেই হাঙ্গামার শিকার হওয়ার আশঙ্কা করেছি। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, হাঙ্গামা তোমার (মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্র) কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) ছাড়া অন্য সবার ব্যাপারেই হাঙ্গামার শিকার হওয়ার আশঙ্কা করেছি। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, হাঙ্গামা তোমার (মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্র) কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يزيد، أخبرنا هشام، عن محمد، قال قال حذيفة ما أحد من الناس تدركه الفتنة إلا أنا أخافها عليه إلا محمد بن مسلمة فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تضرك الفتنة " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬২
حدثنا مسدد، ومسلم بن إبراهيم، قالا حدثنا حماد، عن علي بن زيد، عن الحسن، عن أبي بكرة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، عن محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني الأشعث، عن الحسن، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للحسن بن علي " إن ابني هذا سيد وإني أرجو أن يصلح الله به بين فئتين من أمتي " . وقال في حديث حماد " ولعل الله أن يصلح به بين فئتين من المسلمين عظيمتين " .
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) সম্পর্কে বললেন, আমার এ ছেলে (নাতি) নেতা হবে। আর আমি কামনা করি, আল্লাহ তার মাধ্যমে আমার উম্মাতের দু’টি দলের মধ্যে সমঝোতা করাবেন। হাম্মাদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি বলেন, আশা করি আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলিমদের বৃহৎ দু’টি দলের মধ্য সমঝোতা করাবেন।
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ইবনু ‘আলী (রাঃ) সম্পর্কে বললেন, আমার এ ছেলে (নাতি) নেতা হবে। আর আমি কামনা করি, আল্লাহ তার মাধ্যমে আমার উম্মাতের দু’টি দলের মধ্যে সমঝোতা করাবেন। হাম্মাদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি বলেন, আশা করি আল্লাহ তার মাধ্যমে মুসলিমদের বৃহৎ দু’টি দলের মধ্য সমঝোতা করাবেন।
حدثنا مسدد، ومسلم بن إبراهيم، قالا حدثنا حماد، عن علي بن زيد، عن الحسن، عن أبي بكرة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، عن محمد بن عبد الله الأنصاري، قال حدثني الأشعث، عن الحسن، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم للحسن بن علي " إن ابني هذا سيد وإني أرجو أن يصلح الله به بين فئتين من أمتي " . وقال في حديث حماد " ولعل الله أن يصلح به بين فئتين من المسلمين عظيمتين " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬৪
حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، عن الأشعث بن سليم، عن أبي بردة، عن ثعلبة بن ضبيعة، قال دخلنا على حذيفة فقال إني لأعرف رجلا لا تضره الفتن شيئا . قال فخرجنا فإذا فسطاط مضروب فدخلنا فإذا فيه محمد بن مسلمة فسألناه عن ذلك فقال ما أريد أن يشتمل على شىء من أمصاركم حتى تنجلي عما انجلت .
সা‘লাবাহ ইবনু দুবাই‘আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা হুযাইফাহ্র (রাঃ) নিকট গেলে তিনি বললেন, আমি এমন একজনকে চিনি, সংঘাত যার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর আমরা রওয়ানা হয়ে একটি তাঁবু খাটানো দেখতে পেয়ে তাতে ঢুকে মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্র সাক্ষাত পেলাম। আমরা তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি চাই না যে, দাঙ্গা-হাঙ্গামার আবসান না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের কোন এক শহর আমাকে ঘিরে ধরুক (আমি বসবাস করি)।
সা‘লাবাহ ইবনু দুবাই‘আহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা হুযাইফাহ্র (রাঃ) নিকট গেলে তিনি বললেন, আমি এমন একজনকে চিনি, সংঘাত যার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর আমরা রওয়ানা হয়ে একটি তাঁবু খাটানো দেখতে পেয়ে তাতে ঢুকে মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ্র সাক্ষাত পেলাম। আমরা তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি চাই না যে, দাঙ্গা-হাঙ্গামার আবসান না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের কোন এক শহর আমাকে ঘিরে ধরুক (আমি বসবাস করি)।
حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، عن الأشعث بن سليم، عن أبي بردة، عن ثعلبة بن ضبيعة، قال دخلنا على حذيفة فقال إني لأعرف رجلا لا تضره الفتن شيئا . قال فخرجنا فإذا فسطاط مضروب فدخلنا فإذا فيه محمد بن مسلمة فسألناه عن ذلك فقال ما أريد أن يشتمل على شىء من أمصاركم حتى تنجلي عما انجلت .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬৬
حدثنا إسماعيل بن إبراهيم الهذلي، حدثنا ابن علية، عن يونس، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال قلت لعلي رضى الله عنه أخبرنا عن مسيرك هذا أعهد عهده إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم أم رأى رأيته فقال ما عهد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بشىء ولكنه رأى رأيته .
ক্বাইস ইবনু ‘উবাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ) -কে বললাম, আপনার এ সফলতা কি আপনার প্রতি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মোতাবেক, নাকি আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার প্রতি এরকম কোন নির্দেশ দেননি, বরং এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
ক্বাইস ইবনু ‘উবাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ) -কে বললাম, আপনার এ সফলতা কি আপনার প্রতি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মোতাবেক, নাকি আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার প্রতি এরকম কোন নির্দেশ দেননি, বরং এটা আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
حدثنا إسماعيل بن إبراهيم الهذلي، حدثنا ابن علية، عن يونس، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال قلت لعلي رضى الله عنه أخبرنا عن مسيرك هذا أعهد عهده إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم أم رأى رأيته فقال ما عهد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بشىء ولكنه رأى رأيته .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬৭
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا القاسم بن الفضل، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تمرق مارقة عند فرقة من المسلمين يقتلها أولى الطائفتين بالحق " .
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিমদের মধ্যে গোলযোগ চলাকালে একটি দল আত্মপ্রকাশ করবে। যারা সত্যের নিকটবর্তী তারা ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।
আবূ সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিমদের মধ্যে গোলযোগ চলাকালে একটি দল আত্মপ্রকাশ করবে। যারা সত্যের নিকটবর্তী তারা ওদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا القاسم بن الفضل، عن أبي نضرة، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تمرق مارقة عند فرقة من المسلمين يقتلها أولى الطائفتين بالحق " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৬৫
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن أشعث بن سليم، عن أبي بردة، عن ضبيعة بن حصين الثعلبي، بمعناه .
দুবাই‘আহ ইবনু হুসাইন আস-সা‘লাবী (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত। [৪৬৬৪] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
দুবাই‘আহ ইবনু হুসাইন আস-সা‘লাবী (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণিত। [৪৬৬৪] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن أشعث بن سليم، عن أبي بردة، عن ضبيعة بن حصين الثعلبي، بمعناه .