সুনানে আবু দাউদ > সুন্নাত অনুসরণের আহবান
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৯
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن جعفر - قال أخبرني العلاء، - يعني ابن عبد الرحمن - عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান সওয়াব পাবে, অথচ অনুসরণকারীর সওয়াব কমানো হবে না। অপরদিকে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান পাপে জর্জরিত হবে, তার অনুসারীর পাপ মোটেও কমানো হবে না।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান সওয়াব পাবে, অথচ অনুসরণকারীর সওয়াব কমানো হবে না। অপরদিকে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান পাপে জর্জরিত হবে, তার অনুসারীর পাপ মোটেও কমানো হবে না।
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن جعفر - قال أخبرني العلاء، - يعني ابن عبد الرحمن - عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৩
حدثنا أحمد بن حنبل، قال حدثنا عبد الله بن يزيد، قال حدثنا سعيد، - يعني ابن أبي أيوب - قال أخبرني أبو صخر، عن نافع، قال كان لابن عمر صديق من أهل الشام يكاتبه فكتب إليه عبد الله بن عمر إنه بلغني أنك تكلمت في شىء من القدر فإياك أن تكتب إلى فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إنه سيكون في أمتي أقوام يكذبون بالقدر " .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিরিয়াতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর এক বন্ধু ছিলেন। তিনি তার সঙ্গে পত্র আদান প্রদান করতেন। একদা তিনি এই মর্মে চিঠি লিখে পাঠালেন, বিশ্বস্ত সুত্রে আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি তাক্বদীরের কোন বিষয়ে সমালোচনা করেছো। কাজেই এখন হতে তুমি আমাকে লিখবে না। আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে যারা তাক্বদীরকে অস্বীকার করবে।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিরিয়াতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর এক বন্ধু ছিলেন। তিনি তার সঙ্গে পত্র আদান প্রদান করতেন। একদা তিনি এই মর্মে চিঠি লিখে পাঠালেন, বিশ্বস্ত সুত্রে আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি তাক্বদীরের কোন বিষয়ে সমালোচনা করেছো। কাজেই এখন হতে তুমি আমাকে লিখবে না। আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে যারা তাক্বদীরকে অস্বীকার করবে।
حدثنا أحمد بن حنبل، قال حدثنا عبد الله بن يزيد، قال حدثنا سعيد، - يعني ابن أبي أيوب - قال أخبرني أبو صخر، عن نافع، قال كان لابن عمر صديق من أهل الشام يكاتبه فكتب إليه عبد الله بن عمر إنه بلغني أنك تكلمت في شىء من القدر فإياك أن تكتب إلى فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إنه سيكون في أمتي أقوام يكذبون بالقدر " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৫
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا خالد الحذاء، عن الحسن، في قوله تعالى { ولذلك خلقهم } قال خلق هؤلاء لهذه وهؤلاء لهذه .
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মহান আল্লাহ্র বানী “এবং তিনি তাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করেছেন” (সূরাহ্ হূদ : ১১৯)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি (আল্লাহ্) এদেরকে (মুমিনদের) এর (জান্নাতের) জন্য এবং এদেরকে (মুনাফিকদের) এজন্য (জাহান্নামের জন্য) সৃষ্টি করেছেন।
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মহান আল্লাহ্র বানী “এবং তিনি তাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করেছেন” (সূরাহ্ হূদ : ১১৯)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি (আল্লাহ্) এদেরকে (মুমিনদের) এর (জান্নাতের) জন্য এবং এদেরকে (মুনাফিকদের) এজন্য (জাহান্নামের জন্য) সৃষ্টি করেছেন।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا خالد الحذاء، عن الحسن، في قوله تعالى { ولذلك خلقهم } قال خلق هؤلاء لهذه وهؤلاء لهذه .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১১
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১১
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৪
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৪
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১২
حدثنا محمد بن كثير، قال حدثنا سفيان، قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر، ح وحدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، قال حدثنا أسد بن موسى، قال حدثنا حماد بن دليل، قال سمعت سفيان الثوري، يحدثنا عن النضر، ح وحدثنا هناد بن السري، عن قبيصة، قال حدثنا أبو رجاء، عن أبي الصلت، - وهذا لفظ حديث ابن كثير ومعناهم - قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر فكتب أما بعد أوصيك بتقوى الله والاقتصاد في أمره واتباع سنة نبيه صلى الله عليه وسلم وترك ما أحدث المحدثون بعد ما جرت به سنته وكفوا مؤنته فعليك بلزوم السنة فإنها لك بإذن الله عصمة ثم اعلم أنه لم يبتدع الناس بدعة إلا قد مضى قبلها ما هو دليل عليها أو عبرة فيها فإن السنة إنما سنها من قد علم ما في خلافها ولم يقل ابن كثير من قد علم . من الخطإ والزلل والحمق والتعمق فارض لنفسك ما رضي به القوم لأنفسهم فإنهم على علم وقفوا وببصر نافذ كفوا ولهم على كشف الأمور كانوا أقوى وبفضل ما كانوا فيه أولى فإن كان الهدى ما أنتم عليه لقد سبقتموهم إليه ولئن قلتم إنما حدث بعدهم . ما أحدثه إلا من اتبع غير سبيلهم ورغب بنفسه عنهم فإنهم هم السابقون فقد تكلموا فيه بما يكفي ووصفوا منه ما يشفي فما دونهم من مقصر وما فوقهم من محسر وقد قصر قوم دونهم فجفوا وطمح عنهم أقوام فغلوا وإنهم بين ذلك لعلى هدى مستقيم كتبت تسأل عن الإقرار بالقدر فعلى الخبير بإذن الله وقعت ما أعلم ما أحدث الناس من محدثة ولا ابتدعوا من بدعة هي أبين أثرا ولا أثبت أمرا من الإقرار بالقدر لقد كان ذكره في الجاهلية الجهلاء يتكلمون به في كلامهم وفي شعرهم يعزون به أنفسهم على ما فاتهم ثم لم يزده الإسلام بعد إلا شدة ولقد ذكره رسول الله صلى الله عليه وسلم في غير حديث ولا حديثين وقد سمعه منه المسلمون فتكلموا به في حياته وبعد وفاته يقينا وتسليما لربهم وتضعيفا لأنفسهم أن يكون شىء لم يحط به علمه ولم يحصه كتابه ولم يمض فيه قدره وإنه مع ذلك لفي محكم كتابه منه اقتبسوه ومنه تعلموه ولئن قلتم لم أنزل الله آية كذا ولم قال كذا . لقد قرءوا منه ما قرأتم وعلموا من تأويله ما جهلتم وقالوا بعد ذلك كله بكتاب وقدر وكتبت الشقاوة وما يقدر يكن وما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن ولا نملك لأنفسنا ضرا ولا نفعا ثم رغبوا بعد ذلك ورهبوا .
আবুস্ সালত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ)-এর নিকট তাক্বদীর সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি লিখলো। উত্তরে তিনি লিখেন, অতঃপর আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি, আল্লাহ্কে ভয় করো, ভারসাম্যপূর্ণভাবে তাঁর হুকুম মেনে চলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাতের অনুসরণ করো, তাঁর আদর্শ প্রতিষ্ঠা লাভের ও সংরক্ষিত হওয়ার পর বিদ’আতীদের বিদ’আত বর্জন করো। সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা তোমার কর্তব্য। কারণ এ সুন্নাত তোমাদের জন্য আল্লাহ্র অনুমতিক্রমে রক্ষাকবজ। জেনে রাখো! মানুষ এমন কোন বিদ’আত করেনি যার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি বা তার বিরুদ্ধে এমন কোন শিক্ষা নেই যা তার ভ্রান্তি প্রমাণ করে। কেননা সুন্নাতকে এমন এক ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন, যিনি সুন্নাতের বিপরীত সম্বন্ধে অবগত। আর ইবনু ফাসির তার বর্ণনায় “তিনি জানতেন ভুলত্রুটি, অজ্ঞতা ও গোঁড়ামি সম্পর্কে” একথাগুলো উল্লেখ করেননি। কাজেই তুমি নিজের জন্য ঐ পথ বেছে নিবে যা তোমার পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ তাদের নিজেদের জন্য অবলম্বন করেছেন। কারণ তারা যা জানতে পেরেছেন তার পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তীক্ষ্ণ দূরদর্শিতার সঙ্গে বিরত থেকেছেন এবং তারা দ্বীন সম্পর্কে পারদর্শী ছিলেন, আর যা করতে তারা নিষেধ করেছেন, তা জেনে-শুনেই নিষেধ করেছেন। তারা দ্বীনের অর্থ উপলব্ধির ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে অনেক জ্ঞানী ছিলেন। আর তোমাদের মতাদর্শ যদি সঠিক পথ হয় তাহলে তোমরা তাদেরকে ডিঙ্গিয়ে গেলে। আর যদি তোমরা বল যে, তারা দ্বীনের মধ্যে নতুন কথা উদ্ভাবন করেছেন তবে বলো, পূর্ববর্তী লোকেরাই উত্তম ছিলেন এবং তারা এদের তুলনায় অগ্রগামী ছিলেন। যতোটুকু বর্ণনা করার তা তারা বর্ণনা করেছেন, আর যতোটুকু বলার প্রয়োজন তা তারা বলেছেন। এর অতিরিক্ত বা এর কমও বলার নেই। আর এক গোত্র তাদেরকে উপেক্ষা করে কিছু কমিয়েছে, তারা সঠিক পথ হতে সরে গেছে, আর যারা বাড়িয়েছে তারা সীমা লঙ্ঘন করেছে। আর পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ ছিলেন এর মাঝামাঝি সঠিক পথের অনুসারী। পত্রে তুমি তাক্বদীরে বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে চেয়ে লিখেছো। আল্লাহ্র অনুগ্রহে তুমি এমন ব্যক্তির নিকট এ বিষয়ে জানতে চেয়েছো যিনি এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ। আমার জানা মতে, তাক্বদীরে বিশ্বাসের উপর বিদ’আতীদের নবতর মতবাদ প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এটা কোন নতুন বিষয় নয়, জাহিলিয়াতের সময়ও এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। অজ্ঞ লোকেরা তখনও তাদের আলোচনা ও কবিতায় এ বিষয়টি উল্লেখ করতো এবং তাদের ব্যর্থতার জন্য তাক্বদীরকে দায়ী করতো। ইসলাম এসে এ ধারণাকে আরো বদ্ধমূল করেছে এবং এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক হাদীস উল্লেখ করেছেন। আর মুসলিমগণ তাঁর নিকট সরাসরি শুনেছে এবং তাঁর জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরে পরস্পর আলোচনা করেছে। তারা অন্তরে বিশ্বাস রেখে, তাদের রবের অনুগত হয়ে, নিজেদেরকে অক্ষম মনে করে এ বিশ্বাস স্থাপন করেছে যে, এমন কোন বস্তু নেই যা আল্লাহ্র জ্ঞান, কিতাব ও তাক্বদীর বহির্ভূত। এছাড়া তা আল্লাহ্র আমোঘ কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। আর যদি তোমরা বলো, কেন আল্লাহ্ এ আয়াত নাযিল করেছেন এবং কেন একথা বলেছেন, তবে জেনে রাখো! তারাও কিতাবের ঐসব বিষয় পড়েছেন যা তোমরা পড়ছো; উপরন্তু তারা সেসব ব্যাখ্যা অবহিত ছিলেন যা তোমরা জানো না। এতদসত্ত্বেও তারা বলেছেন, সবকিছু আল্লাহ্র কিতাব ও তাক্বদীর অনুযায়ী সংঘটিত হয়ে থাকে। আল্লাহ্ যা নির্ধারণ করেছেন তা অবশ্যই ঘটবে, আল্লাহ্ যা চান তাই হয় এবং যা চান না তা হয় না। লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই আমরা নিজেদের জন্য করতে সক্ষম নই। অতঃপর তারা ভালো কাজের প্রতি উৎসাহী ও খারাপ কাজের ব্যাপারে সাবধান হয়েছেন।
আবুস্ সালত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ)-এর নিকট তাক্বদীর সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি লিখলো। উত্তরে তিনি লিখেন, অতঃপর আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি, আল্লাহ্কে ভয় করো, ভারসাম্যপূর্ণভাবে তাঁর হুকুম মেনে চলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাতের অনুসরণ করো, তাঁর আদর্শ প্রতিষ্ঠা লাভের ও সংরক্ষিত হওয়ার পর বিদ’আতীদের বিদ’আত বর্জন করো। সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা তোমার কর্তব্য। কারণ এ সুন্নাত তোমাদের জন্য আল্লাহ্র অনুমতিক্রমে রক্ষাকবজ। জেনে রাখো! মানুষ এমন কোন বিদ’আত করেনি যার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি বা তার বিরুদ্ধে এমন কোন শিক্ষা নেই যা তার ভ্রান্তি প্রমাণ করে। কেননা সুন্নাতকে এমন এক ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন, যিনি সুন্নাতের বিপরীত সম্বন্ধে অবগত। আর ইবনু ফাসির তার বর্ণনায় “তিনি জানতেন ভুলত্রুটি, অজ্ঞতা ও গোঁড়ামি সম্পর্কে” একথাগুলো উল্লেখ করেননি। কাজেই তুমি নিজের জন্য ঐ পথ বেছে নিবে যা তোমার পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ তাদের নিজেদের জন্য অবলম্বন করেছেন। কারণ তারা যা জানতে পেরেছেন তার পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তীক্ষ্ণ দূরদর্শিতার সঙ্গে বিরত থেকেছেন এবং তারা দ্বীন সম্পর্কে পারদর্শী ছিলেন, আর যা করতে তারা নিষেধ করেছেন, তা জেনে-শুনেই নিষেধ করেছেন। তারা দ্বীনের অর্থ উপলব্ধির ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে অনেক জ্ঞানী ছিলেন। আর তোমাদের মতাদর্শ যদি সঠিক পথ হয় তাহলে তোমরা তাদেরকে ডিঙ্গিয়ে গেলে। আর যদি তোমরা বল যে, তারা দ্বীনের মধ্যে নতুন কথা উদ্ভাবন করেছেন তবে বলো, পূর্ববর্তী লোকেরাই উত্তম ছিলেন এবং তারা এদের তুলনায় অগ্রগামী ছিলেন। যতোটুকু বর্ণনা করার তা তারা বর্ণনা করেছেন, আর যতোটুকু বলার প্রয়োজন তা তারা বলেছেন। এর অতিরিক্ত বা এর কমও বলার নেই। আর এক গোত্র তাদেরকে উপেক্ষা করে কিছু কমিয়েছে, তারা সঠিক পথ হতে সরে গেছে, আর যারা বাড়িয়েছে তারা সীমা লঙ্ঘন করেছে। আর পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ ছিলেন এর মাঝামাঝি সঠিক পথের অনুসারী। পত্রে তুমি তাক্বদীরে বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে চেয়ে লিখেছো। আল্লাহ্র অনুগ্রহে তুমি এমন ব্যক্তির নিকট এ বিষয়ে জানতে চেয়েছো যিনি এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ। আমার জানা মতে, তাক্বদীরে বিশ্বাসের উপর বিদ’আতীদের নবতর মতবাদ প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এটা কোন নতুন বিষয় নয়, জাহিলিয়াতের সময়ও এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। অজ্ঞ লোকেরা তখনও তাদের আলোচনা ও কবিতায় এ বিষয়টি উল্লেখ করতো এবং তাদের ব্যর্থতার জন্য তাক্বদীরকে দায়ী করতো। ইসলাম এসে এ ধারণাকে আরো বদ্ধমূল করেছে এবং এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক হাদীস উল্লেখ করেছেন। আর মুসলিমগণ তাঁর নিকট সরাসরি শুনেছে এবং তাঁর জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরে পরস্পর আলোচনা করেছে। তারা অন্তরে বিশ্বাস রেখে, তাদের রবের অনুগত হয়ে, নিজেদেরকে অক্ষম মনে করে এ বিশ্বাস স্থাপন করেছে যে, এমন কোন বস্তু নেই যা আল্লাহ্র জ্ঞান, কিতাব ও তাক্বদীর বহির্ভূত। এছাড়া তা আল্লাহ্র আমোঘ কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। আর যদি তোমরা বলো, কেন আল্লাহ্ এ আয়াত নাযিল করেছেন এবং কেন একথা বলেছেন, তবে জেনে রাখো! তারাও কিতাবের ঐসব বিষয় পড়েছেন যা তোমরা পড়ছো; উপরন্তু তারা সেসব ব্যাখ্যা অবহিত ছিলেন যা তোমরা জানো না। এতদসত্ত্বেও তারা বলেছেন, সবকিছু আল্লাহ্র কিতাব ও তাক্বদীর অনুযায়ী সংঘটিত হয়ে থাকে। আল্লাহ্ যা নির্ধারণ করেছেন তা অবশ্যই ঘটবে, আল্লাহ্ যা চান তাই হয় এবং যা চান না তা হয় না। লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই আমরা নিজেদের জন্য করতে সক্ষম নই। অতঃপর তারা ভালো কাজের প্রতি উৎসাহী ও খারাপ কাজের ব্যাপারে সাবধান হয়েছেন।
حدثنا محمد بن كثير، قال حدثنا سفيان، قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر، ح وحدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، قال حدثنا أسد بن موسى، قال حدثنا حماد بن دليل، قال سمعت سفيان الثوري، يحدثنا عن النضر، ح وحدثنا هناد بن السري، عن قبيصة، قال حدثنا أبو رجاء، عن أبي الصلت، - وهذا لفظ حديث ابن كثير ومعناهم - قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر فكتب أما بعد أوصيك بتقوى الله والاقتصاد في أمره واتباع سنة نبيه صلى الله عليه وسلم وترك ما أحدث المحدثون بعد ما جرت به سنته وكفوا مؤنته فعليك بلزوم السنة فإنها لك بإذن الله عصمة ثم اعلم أنه لم يبتدع الناس بدعة إلا قد مضى قبلها ما هو دليل عليها أو عبرة فيها فإن السنة إنما سنها من قد علم ما في خلافها ولم يقل ابن كثير من قد علم . من الخطإ والزلل والحمق والتعمق فارض لنفسك ما رضي به القوم لأنفسهم فإنهم على علم وقفوا وببصر نافذ كفوا ولهم على كشف الأمور كانوا أقوى وبفضل ما كانوا فيه أولى فإن كان الهدى ما أنتم عليه لقد سبقتموهم إليه ولئن قلتم إنما حدث بعدهم . ما أحدثه إلا من اتبع غير سبيلهم ورغب بنفسه عنهم فإنهم هم السابقون فقد تكلموا فيه بما يكفي ووصفوا منه ما يشفي فما دونهم من مقصر وما فوقهم من محسر وقد قصر قوم دونهم فجفوا وطمح عنهم أقوام فغلوا وإنهم بين ذلك لعلى هدى مستقيم كتبت تسأل عن الإقرار بالقدر فعلى الخبير بإذن الله وقعت ما أعلم ما أحدث الناس من محدثة ولا ابتدعوا من بدعة هي أبين أثرا ولا أثبت أمرا من الإقرار بالقدر لقد كان ذكره في الجاهلية الجهلاء يتكلمون به في كلامهم وفي شعرهم يعزون به أنفسهم على ما فاتهم ثم لم يزده الإسلام بعد إلا شدة ولقد ذكره رسول الله صلى الله عليه وسلم في غير حديث ولا حديثين وقد سمعه منه المسلمون فتكلموا به في حياته وبعد وفاته يقينا وتسليما لربهم وتضعيفا لأنفسهم أن يكون شىء لم يحط به علمه ولم يحصه كتابه ولم يمض فيه قدره وإنه مع ذلك لفي محكم كتابه منه اقتبسوه ومنه تعلموه ولئن قلتم لم أنزل الله آية كذا ولم قال كذا . لقد قرءوا منه ما قرأتم وعلموا من تأويله ما جهلتم وقالوا بعد ذلك كله بكتاب وقدر وكتبت الشقاوة وما يقدر يكن وما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن ولا نملك لأنفسنا ضرا ولا نفعا ثم رغبوا بعد ذلك ورهبوا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৬
حدثنا أبو كامل، حدثنا إسماعيل، حدثنا خالد الحذاء، قال قلت للحسن { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إلا من أوجب الله تعالى عليه أنه يصلى الجحيم .
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে “তোমরা কেউই কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শুধু তাদেরকেই শয়তান পথভ্রষ্ট করতে পারবে যাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাকে আল্লাহ্ অবধারিত করেছেন।
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে “তোমরা কেউই কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শুধু তাদেরকেই শয়তান পথভ্রষ্ট করতে পারবে যাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাকে আল্লাহ্ অবধারিত করেছেন।
حدثنا أبو كامل، حدثنا إسماعيل، حدثنا خالد الحذاء، قال قلت للحسن { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إلا من أوجب الله تعالى عليه أنه يصلى الجحيم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৯
حدثنا ابن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن حميد الطويل، عن الحسن، { كذلك نسلكه في قلوب المجرمين } قال الشرك .
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর বাণী, “এভাবে আমি পাপীদের অন্তরে তা সঞ্চার করি” (সূরাহ আল-হিজরঃ ১২)। এর অর্থ হচ্ছে, শিরক।
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর বাণী, “এভাবে আমি পাপীদের অন্তরে তা সঞ্চার করি” (সূরাহ আল-হিজরঃ ১২)। এর অর্থ হচ্ছে, শিরক।
حدثنا ابن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن حميد الطويل، عن الحسن، { كذلك نسلكه في قلوب المجرمين } قال الشرك .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৫
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، قال قال لي الحسن ما أنا بعائد، إلى شىء منه أبدا .
আইয়ূব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) আমাকে বলেছেন, আমি আর কখনো এ ধরণের কথা বলবো না।
আইয়ূব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) আমাকে বলেছেন, আমি আর কখনো এ ধরণের কথা বলবো না।
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، قال قال لي الحسن ما أنا بعائد، إلى شىء منه أبدا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৪
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا مؤمل بن إسماعيل، حدثنا حماد بن زيد، عن ابن عون، قال لو علمنا أن كلمة، الحسن تبلغ ما بلغت لكتبنا برجوعه كتابا وأشهدنا عليه شهودا ولكنا قلنا كلمة خرجت لا تحمل .
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি আমরা জানতাম, হাসান বাসরীর (রহঃ) উক্তি এতোটা প্রসিদ্ধি লাভ করবে তাহলে অবশ্যই আমরা তার নিকট গিয়ে একটি কিতাব লিখতাম এবং লোকদেরকে সাক্ষী বানাতাম। কিন্তু আমরা একটি কথা বলেছি, এখন কে তা প্রসিদ্ধ করবে।
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি আমরা জানতাম, হাসান বাসরীর (রহঃ) উক্তি এতোটা প্রসিদ্ধি লাভ করবে তাহলে অবশ্যই আমরা তার নিকট গিয়ে একটি কিতাব লিখতাম এবং লোকদেরকে সাক্ষী বানাতাম। কিন্তু আমরা একটি কথা বলেছি, এখন কে তা প্রসিদ্ধ করবে।
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا مؤمل بن إسماعيل، حدثنا حماد بن زيد، عن ابن عون، قال لو علمنا أن كلمة، الحسن تبلغ ما بلغت لكتبنا برجوعه كتابا وأشهدنا عليه شهودا ولكنا قلنا كلمة خرجت لا تحمل .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২১
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا سليم، عن ابن عون، قال كنت أسير بالشام فناداني رجل من خلفي فالتفت فإذا رجاء بن حيوة فقال يا أبا عون ما هذا الذي يذكرون عن الحسن قال قلت إنهم يكذبون على الحسن كثيرا .
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় সফর করছিলাম। তখন এক ব্যক্তি আমার পিছন হতে আমাকে ডাকলো। আমি তাকিয়ে দেখি, তিনি রাজা ‘ইবনু হাইওয়াহ। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ ‘আওন! তারা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এসব কি বলছে! ইবনু ‘আওন বলেন। আমি বললাম, তারা হাসান বাসরীর (রহঃ) উপর অনেক মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় সফর করছিলাম। তখন এক ব্যক্তি আমার পিছন হতে আমাকে ডাকলো। আমি তাকিয়ে দেখি, তিনি রাজা ‘ইবনু হাইওয়াহ। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ ‘আওন! তারা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এসব কি বলছে! ইবনু ‘আওন বলেন। আমি বললাম, তারা হাসান বাসরীর (রহঃ) উপর অনেক মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا سليم، عن ابن عون، قال كنت أسير بالشام فناداني رجل من خلفي فالتفت فإذا رجاء بن حيوة فقال يا أبا عون ما هذا الذي يذكرون عن الحسن قال قلت إنهم يكذبون على الحسن كثيرا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৬
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا عثمان بن عثمان، عن عثمان البتي، قال ما فسر الحسن آية قط إلا على الإثبات .
উসমান আল্-বাত্তী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) যখন কোন আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন, তখন তাকদীরকে প্রমাণ করতেন।
উসমান আল্-বাত্তী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) যখন কোন আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন, তখন তাকদীরকে প্রমাণ করতেন।
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا عثمان بن عثمان، عن عثمان البتي، قال ما فسر الحسن آية قط إلا على الإثبات .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১০
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أعظم المسلمين في المسلمين جرما من سأل عن أمر لم يحرم فحرم على الناس من أجل مسألته " .
‘আমির ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে তার পিতার সুত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বস্তু হারাম না হওয়া সত্ত্বেও কোন মুসলিম ব্যক্তির প্রশ্ন করার কারণে হারাম হয়েছে, সে মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধী।
‘আমির ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে তার পিতার সুত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বস্তু হারাম না হওয়া সত্ত্বেও কোন মুসলিম ব্যক্তির প্রশ্ন করার কারণে হারাম হয়েছে, সে মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধী।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أعظم المسلمين في المسلمين جرما من سأل عن أمر لم يحرم فحرم على الناس من أجل مسألته " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৭
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا حماد، قال أخبرني حميد، قال كان الحسن يقول لأن يسقط من السماء إلى الأرض أحب إليه من أن يقول الأمر بيدي .
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বলতেন, তার আকাশ (জান্নাত) হতে যমীনে পতিত হওয়া এ কথা বলা তার নিকট এটা কথা বলার চেয়ে উত্তম যে, ‘বিষয়টি আমারই কর্তৃত্বে।’
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বলতেন, তার আকাশ (জান্নাত) হতে যমীনে পতিত হওয়া এ কথা বলা তার নিকট এটা কথা বলার চেয়ে উত্তম যে, ‘বিষয়টি আমারই কর্তৃত্বে।’
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا حماد، قال أخبرني حميد، قال كان الحسن يقول لأن يسقط من السماء إلى الأرض أحب إليه من أن يقول الأمر بيدي .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২০
حدثنا محمد بن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن رجل، قد سماه غير ابن كثير عن سفيان، عن عبيد الصيد، عن الحسن، في قول الله عز وجل { وحيل بينهم وبين ما يشتهون } قال بينهم وبين الإيمان .
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর এ বাণী “তাদের ও এদের বাসনার মধ্যে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা হয়েছে” (সূরাহ সাবাঃ ৫৪)- সম্পর্কে বলেন, তাদের ও ঈমানের মধ্যে।
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর এ বাণী “তাদের ও এদের বাসনার মধ্যে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা হয়েছে” (সূরাহ সাবাঃ ৫৪)- সম্পর্কে বলেন, তাদের ও ঈমানের মধ্যে।
حدثنا محمد بن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن رجل، قد سماه غير ابن كثير عن سفيان، عن عبيد الصيد، عن الحسن، في قول الله عز وجل { وحيل بينهم وبين ما يشتهون } قال بينهم وبين الإيمان .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৩
حدثنا ابن المثنى، أن يحيى بن كثير العنبري، حدثهم قال كان قرة بن خالد يقول لنا يا فتيان لا تغلبوا على الحسن فإنه كان رأيه السنة والصواب .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর আল-আসবারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুররাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) আমাদেরকে বলতেন, হে যুবক সমাজ! তোমরা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এরূপ ধারণা করো না যে, তিনি তাক্বদীর বিরোধী ছিলেন। কারণ, তার অভিমত ছিল সুন্নাত মোতাবেক ও সঠিক।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর আল-আসবারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুররাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) আমাদেরকে বলতেন, হে যুবক সমাজ! তোমরা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এরূপ ধারণা করো না যে, তিনি তাক্বদীর বিরোধী ছিলেন। কারণ, তার অভিমত ছিল সুন্নাত মোতাবেক ও সঠিক।
حدثنا ابن المثنى، أن يحيى بن كثير العنبري، حدثهم قال كان قرة بن خالد يقول لنا يا فتيان لا تغلبوا على الحسن فإنه كان رأيه السنة والصواب .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، حدثنا حميد، قال قدم علينا الحسن مكة فكلمني فقهاء أهل مكة أن أكلمه في أن يجلس لهم يوما يعظهم فيه . فقال نعم . فاجتمعوا فخطبهم فما رأيت أخطب منه فقال رجل يا أبا سعيد من خلق الشيطان فقال سبحان الله هل من خالق غير الله خلق الله الشيطان وخلق الخير وخلق الشر . قال الرجل قاتلهم الله كيف يكذبون على هذا الشيخ .
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বসরাহ থেকে মাক্কাহ্য় আমাদের নিকট আগমন করলে মাক্কাহ্র ফকীহগণ আমাকে তার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দিলেন যে, তিনি তাদের উদ্দেশ্যে এক সমাবেশে যেন ভাষণ দেন। তিনি তাতে সম্মত হলে তারা একত্র হলেন এবং তিনি তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। আমি তার চেয়ে উত্তম বক্তা আর দেখিনি। এক ব্যক্তি বললো, হে আবূ সাঈদ! শয়তানকে কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ ছাড়া কি অন্য কোন সৃষ্টিকর্তা আছে? মহান আল্লাহ শয়তান, ভাল-মন্দ সবই সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বললো, আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! কি করে তারা এ শাইখের উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বসরাহ থেকে মাক্কাহ্য় আমাদের নিকট আগমন করলে মাক্কাহ্র ফকীহগণ আমাকে তার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দিলেন যে, তিনি তাদের উদ্দেশ্যে এক সমাবেশে যেন ভাষণ দেন। তিনি তাতে সম্মত হলে তারা একত্র হলেন এবং তিনি তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। আমি তার চেয়ে উত্তম বক্তা আর দেখিনি। এক ব্যক্তি বললো, হে আবূ সাঈদ! শয়তানকে কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ ছাড়া কি অন্য কোন সৃষ্টিকর্তা আছে? মহান আল্লাহ শয়তান, ভাল-মন্দ সবই সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বললো, আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! কি করে তারা এ শাইখের উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، حدثنا حميد، قال قدم علينا الحسن مكة فكلمني فقهاء أهل مكة أن أكلمه في أن يجلس لهم يوما يعظهم فيه . فقال نعم . فاجتمعوا فخطبهم فما رأيت أخطب منه فقال رجل يا أبا سعيد من خلق الشيطان فقال سبحان الله هل من خالق غير الله خلق الله الشيطان وخلق الخير وخلق الشر . قال الرجل قاتلهم الله كيف يكذبون على هذا الشيخ .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২২
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد، قال سمعت أيوب، يقول كذب على الحسن ضربان من الناس قوم القدر رأيهم وهم يريدون أن ينفقوا بذلك رأيهم وقوم له في قلوبهم شنآن وبغض يقولون أليس من قوله كذا أليس من قوله كذا
হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আইয়ূবকে বলতে শুনেছি, দু’ধরণের লোক হাসান বাসরী (রহঃ) -এর উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এক. তাক্বদীর অস্বীকারকারীরা, তাদের এরূপ মিথ্যা বলার কারণ হলো তাদের ধারণা, এরূপ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সন্দেহের মধ্যে ফেলা যাবে। দুই. যারা তার ব্যাপারে অন্তরে শত্রুতা ও হিংসা রাখে। তারা বলে থাকে, তিনি কি এই এই বলেননি?
হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আইয়ূবকে বলতে শুনেছি, দু’ধরণের লোক হাসান বাসরী (রহঃ) -এর উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এক. তাক্বদীর অস্বীকারকারীরা, তাদের এরূপ মিথ্যা বলার কারণ হলো তাদের ধারণা, এরূপ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সন্দেহের মধ্যে ফেলা যাবে। দুই. যারা তার ব্যাপারে অন্তরে শত্রুতা ও হিংসা রাখে। তারা বলে থাকে, তিনি কি এই এই বলেননি?
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد، قال سمعت أيوب، يقول كذب على الحسن ضربان من الناس قوم القدر رأيهم وهم يريدون أن ينفقوا بذلك رأيهم وقوم له في قلوبهم شنآن وبغض يقولون أليس من قوله كذا أليس من قوله كذا
সুনানে আবু দাউদ > সাহাবিগনের (র) ফযিলত সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৮
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، قال قال سالم بن عبد الله إن ابن عمر قال كنا نقول ورسول الله صلى الله عليه وسلم حى أفضل أمة النبي صلى الله عليه وسلم بعده أبو بكر ثم عمر ثم عثمان رضى الله عنهم أجمعين .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবদ্দশায় বলতাম, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে তাঁর উম্মাতের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবূ বকর (রাঃ) , অতঃপর ‘উমার (রাঃ) , অতঃপর ‘উসমান (রাঃ)।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর জীবদ্দশায় বলতাম, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে তাঁর উম্মাতের মধ্যে সর্বোত্তম হলেন আবূ বকর (রাঃ) , অতঃপর ‘উমার (রাঃ) , অতঃপর ‘উসমান (রাঃ)।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، قال قال سالم بن عبد الله إن ابن عمر قال كنا نقول ورسول الله صلى الله عليه وسلم حى أفضل أمة النبي صلى الله عليه وسلم بعده أبو بكر ثم عمر ثم عثمان رضى الله عنهم أجمعين .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৭
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا أسود بن عامر، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنا نقول في زمن النبي صلى الله عليه وسلم لا نعدل بأبي بكر أحدا ثم عمر ثم عثمان ثم نترك أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم لا تفاضل بينهم .
ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে বলতাম, আমরা আবূ বাক্র (রহঃ) -এর সমকক্ষ কাউকে গণ্য করবো না। অতঃপর ‘উমার, এরপর ‘উসমান, এরপর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সাহাবীগণের মধ্যে কোনরূপ মর্যাদার তারতম্য করবো না।
ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে বলতাম, আমরা আবূ বাক্র (রহঃ) -এর সমকক্ষ কাউকে গণ্য করবো না। অতঃপর ‘উমার, এরপর ‘উসমান, এরপর আমরা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সাহাবীগণের মধ্যে কোনরূপ মর্যাদার তারতম্য করবো না।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا أسود بن عامر، حدثنا عبد العزيز بن أبي سلمة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، قال كنا نقول في زمن النبي صلى الله عليه وسلم لا نعدل بأبي بكر أحدا ثم عمر ثم عثمان ثم نترك أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم لا تفاضل بينهم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৯
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، حدثنا جامع بن أبي راشد، حدثنا أبو يعلى، عن محمد ابن الحنفية، قال قلت لأبي أى الناس خير بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو بكر . قال قلت ثم من قال ثم عمر . قال ثم خشيت أن أقول ثم من فيقول عثمان فقلت ثم أنت يا أبة قال ما أنا إلا رجل من المسلمين .
মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আমার পিতাকে বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে কোন ব্যক্তি সর্বোত্তম? তিনি বলেন, আবূ বাক্র (রহঃ)। আমি বললাম, তারপর কে? তিনি বলেন, তারপর ‘উমার (রহঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর কে তা প্রশ্ন করতে শঙ্কিত হলাম। তিনি হয়ত বলতেন, ‘উসমান (রহঃ)। আমি বললাম, হে পিতা! তারপর আপনি? তিনি বলেন, আমি মুসলিমদেরই একজন।
মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আমার পিতাকে বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পরে কোন ব্যক্তি সর্বোত্তম? তিনি বলেন, আবূ বাক্র (রহঃ)। আমি বললাম, তারপর কে? তিনি বলেন, তারপর ‘উমার (রহঃ)। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর কে তা প্রশ্ন করতে শঙ্কিত হলাম। তিনি হয়ত বলতেন, ‘উসমান (রহঃ)। আমি বললাম, হে পিতা! তারপর আপনি? তিনি বলেন, আমি মুসলিমদেরই একজন।
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، حدثنا جامع بن أبي راشد، حدثنا أبو يعلى، عن محمد ابن الحنفية، قال قلت لأبي أى الناس خير بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أبو بكر . قال قلت ثم من قال ثم عمر . قال ثم خشيت أن أقول ثم من فيقول عثمان فقلت ثم أنت يا أبة قال ما أنا إلا رجل من المسلمين .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩১
حدثنا محمد بن فارس، حدثنا قبيصة، حدثنا عباد السماك، قال سمعت سفيان الثوري، يقول الخلفاء خمسة أبو بكر وعمر وعثمان وعلي وعمر بن عبد العزيز رضى الله عنهم .
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
খলীফাহ্গণের সংখ্যা পাঁচজনঃ আবূ বকর, ‘উমার, ‘উসমান, ‘আলী ও ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয ((রাঃ)ম)। [৪৬৩০] সানাদ যঈফ মাক্বতূ‘।
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
খলীফাহ্গণের সংখ্যা পাঁচজনঃ আবূ বকর, ‘উমার, ‘উসমান, ‘আলী ও ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয ((রাঃ)ম)। [৪৬৩০] সানাদ যঈফ মাক্বতূ‘।
حدثنا محمد بن فارس، حدثنا قبيصة، حدثنا عباد السماك، قال سمعت سفيان الثوري، يقول الخلفاء خمسة أبو بكر وعمر وعثمان وعلي وعمر بن عبد العزيز رضى الله عنهم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩০
حدثنا محمد بن مسكين، حدثنا محمد، - يعني الفريابي - قال سمعت سفيان، يقول من زعم أن عليا، عليه السلام كان أحق بالولاية منهما فقد خطأ أبا بكر وعمر والمهاجرين والأنصار وما أراه يرتفع له مع هذا عمل إلى السماء .
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ‘আলী (রাঃ) তাদের দু’জনের তুলনায় খিলাফতের অধিক হকদার ছিলেন, সে আবূ বকর (রাঃ) , ‘উমার (রাঃ) , মুহাজিরগণ ও আনসারগণের ভুল নির্দেশ করলো। আর যে ব্যক্তি এরূপ মত পোষণ করে, তার কোন আমল আকাশে উঠবে বলে আমি মনে করি না। [৪৬২৯] সানাদ সহীহ মাক্বতূ’।
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ‘আলী (রাঃ) তাদের দু’জনের তুলনায় খিলাফতের অধিক হকদার ছিলেন, সে আবূ বকর (রাঃ) , ‘উমার (রাঃ) , মুহাজিরগণ ও আনসারগণের ভুল নির্দেশ করলো। আর যে ব্যক্তি এরূপ মত পোষণ করে, তার কোন আমল আকাশে উঠবে বলে আমি মনে করি না। [৪৬২৯] সানাদ সহীহ মাক্বতূ’।
حدثنا محمد بن مسكين، حدثنا محمد، - يعني الفريابي - قال سمعت سفيان، يقول من زعم أن عليا، عليه السلام كان أحق بالولاية منهما فقد خطأ أبا بكر وعمر والمهاجرين والأنصار وما أراه يرتفع له مع هذا عمل إلى السماء .
সুনানে আবু দাউদ > খলিফাহ্গণ সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩৮
حدثنا علي بن سهل الرملي، حدثنا الوليد، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن مكحول، قال لتمخرن الروم الشام أربعين صباحا لا يمتنع منها إلا دمشق وعمان .
মাকহুল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রোমীয়রা সিরিয়ায় প্রবেশ করে চল্লিশ দিন অবস্থান করবে এবং দামিস্ক ও আম্মান ব্যতীত কোন স্থানই তাদের থেকে নিরাপদ থাকবে না।
মাকহুল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রোমীয়রা সিরিয়ায় প্রবেশ করে চল্লিশ দিন অবস্থান করবে এবং দামিস্ক ও আম্মান ব্যতীত কোন স্থানই তাদের থেকে নিরাপদ থাকবে না।
حدثنا علي بن سهل الرملي، حدثنا الوليد، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن مكحول، قال لتمخرن الروم الشام أربعين صباحا لا يمتنع منها إلا دمشق وعمان .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩৫
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن علي بن زيد، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ذات يوم " أيكم رأى رؤيا " . فذكر معناه ولم يذكر الكراهية . قال فاستاء لها رسول الله صلى الله عليه وسلم يعني فساءه ذلك فقال " خلافة نبوة ثم يؤتي الله الملك من يشاء " .
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্রাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে স্বপ্ন দেখেছে? অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। তবে অসন্তুষ্টির কথা উল্লেখ নেই। বরং বর্ণনাকারী বলেন, একথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, তুমি যা দেখেছ তার ব্যাখ্যা হলো, নবুওয়্যাতের প্রতিনিধিত্বের পর হলো রাজতন্ত্র; আল্লাহ যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করেন।
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্রাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে স্বপ্ন দেখেছে? অতঃপর উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। তবে অসন্তুষ্টির কথা উল্লেখ নেই। বরং বর্ণনাকারী বলেন, একথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরক্তি প্রকাশ করে বললেন, তুমি যা দেখেছ তার ব্যাখ্যা হলো, নবুওয়্যাতের প্রতিনিধিত্বের পর হলো রাজতন্ত্র; আল্লাহ যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দান করেন।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن علي بن زيد، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ذات يوم " أيكم رأى رؤيا " . فذكر معناه ولم يذكر الكراهية . قال فاستاء لها رسول الله صلى الله عليه وسلم يعني فساءه ذلك فقال " خلافة نبوة ثم يؤتي الله الملك من يشاء " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩৬
حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن ابن شهاب، عن عمرو بن أبان بن عثمان، عن جابر بن عبد الله، أنه كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أري الليلة رجل صالح أن أبا بكر نيط برسول الله صلى الله عليه وسلم ونيط عمر بأبي بكر ونيط عثمان بعمر " . قال جابر فلما قمنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم قلنا أما الرجل الصالح فرسول الله صلى الله عليه وسلم وأما تنوط بعضهم ببعض فهم ولاة هذا الأمر الذي بعث الله به نبيه صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود ورواه يونس وشعيب لم يذكرا عمرا .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাকে স্বপ্নে এক পুণ্যবান ব্যক্তিকে দেখানো হয়েছে, আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সংযুক্ত রয়েছেন, ‘উমার(রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) -এর সঙ্গে এবং ‘উসমান(রাঃ) ‘উমার(রাঃ) -এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন। জাবির (রাঃ) বলেন, যখন আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে উঠে দাঁড়ালাম তখন আমরা বললাম, সেই পুণ্যবান ব্যক্তি হলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আর একে অপরের সাথে যুক্ত হলো, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যে নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ প্রেরণ করেছেন তাঁরা তারই অভিভাবক। [৪৬৩৫] দুর্বল।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমাকে স্বপ্নে এক পুণ্যবান ব্যক্তিকে দেখানো হয়েছে, আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সংযুক্ত রয়েছেন, ‘উমার(রাঃ) আবূ বকর (রাঃ) -এর সঙ্গে এবং ‘উসমান(রাঃ) ‘উমার(রাঃ) -এর সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছেন। জাবির (রাঃ) বলেন, যখন আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হতে উঠে দাঁড়ালাম তখন আমরা বললাম, সেই পুণ্যবান ব্যক্তি হলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। আর একে অপরের সাথে যুক্ত হলো, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে যে নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ প্রেরণ করেছেন তাঁরা তারই অভিভাবক। [৪৬৩৫] দুর্বল।
حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا محمد بن حرب، عن الزبيدي، عن ابن شهاب، عن عمرو بن أبان بن عثمان، عن جابر بن عبد الله، أنه كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " أري الليلة رجل صالح أن أبا بكر نيط برسول الله صلى الله عليه وسلم ونيط عمر بأبي بكر ونيط عثمان بعمر " . قال جابر فلما قمنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم قلنا أما الرجل الصالح فرسول الله صلى الله عليه وسلم وأما تنوط بعضهم ببعض فهم ولاة هذا الأمر الذي بعث الله به نبيه صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود ورواه يونس وشعيب لم يذكرا عمرا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩২
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، - قال محمد كتبته من كتابه - قال أخبرنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال كان أبو هريرة يحدث أن رجلا أتى إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني أرى الليلة ظلة ينطف منها السمن والعسل فأرى الناس يتكففون بأيديهم فالمستكثر والمستقل وأرى سببا واصلا من السماء إلى الأرض فأراك يا رسول الله أخذت به فعلوت به ثم أخذ به رجل آخر فعلا به ثم أخذ به رجل آخر فعلا به ثم أخذ به رجل آخر فانقطع ثم وصل فعلا به . قال أبو بكر بأبي وأمي لتدعني فلأعبرنها . فقال " اعبرها " . قال أما الظلة فظلة الإسلام وأما ما ينطف من السمن والعسل فهو القرآن لينه وحلاوته وأما المستكثر والمستقل فهو المستكثر من القرآن والمستقل منه وأما السبب الواصل من السماء إلى الأرض فهو الحق الذي أنت عليه تأخذ به فيعليك الله ثم يأخذ به بعدك رجل فيعلو به ثم يأخذ به رجل آخر فيعلو به ثم يأخذ به رجل آخر فينقطع ثم يوصل له فيعلو به أى رسول الله لتحدثني أصبت أم أخطأت . فقال " أصبت بعضا وأخطأت بعضا " . فقال أقسمت يا رسول الله لتحدثني ما الذي أخطأت . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تقسم " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন, একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আমি রাতে স্বপ্নে দেখেছি, এক টুকরা মেঘ হতে মাখন ও মধু ঝরে পড়ছে এবং আমি আরো দেখলাম যে, লোকজন হাতের মুঠোয় করে তা তুলে নিচ্ছে; তাতে কেউ বেশি নিচ্ছে আবার কেউ কম নিচ্ছে। আর দেখতে পেলাম একখানা রশি আকাশ হতে পৃথিবী পর্যন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। হে আল্লাহর রাসূল! আমি দেখলাম, সেটা ধরে আপনি উপরে উঠে গেলেন। অতঃপর অন্য এক ব্যক্তি তা ধরে উপরের দিকে উঠে গেলেন। এরপর আরেক ব্যক্তি তা ধরে উঠতে লাগলে তা ছিঁড়ে যায়, তারপর পুনরায় তা জোড়া দেয়া হলে সেও তা দিয়ে উপরে উঠে যায়। আবূ বাক্র (রহঃ) বললেন, আমার পিতা-মাতার কসম! আমাকে অনুমতি দিন আমিই এর ব্যাখ্যা করি। তিনি বললেন, ঠিক আছে, করুন। তিনি (আবূ বকর (রাঃ) ) বললেন, মেঘ হলো ইসলামের মেঘ, আর মেঘ হতে যে মধু ও মাখন ঝরে পড়ছে তা হলো কুরআনের মাধুর্যতা ও আস্বাদ, আর কম-বেশি গ্রহণ হলো কুরআন হতে বেশি হিদায়াত গ্রহণ ও কম গ্রহণ করা। আর আকাশ হতে পৃথিবী পর্যন্ত ঝুলন্ত রশিটি হলো সেই সত্য যার উপর আপনি রয়েছেন এবং এটা ধরেই আল্লাহ আপনাকে উর্ধ্বে উঠাবেন। অতঃপর এক ব্যক্তি তা ধরে উপরে উঠবেন [তিনি হলেন, আবূ বকর (রাঃ) ]। তারপর এক ব্যক্তি তা ধরে উপরের দিকে উঠতেই তা ছিঁড়ে যাবে। তারপর পুনরায় জুড়ে দেয়া হলে তা ধরে তিনিও উপরে উঠবেন (তিনি হলেন ‘উসমান (রাঃ) )। হে আল্লাহর রাসূল! আমি ভুল বলেছি না ঠিক বলেছি বলে দিন। তিনি বললেন, কিছুটা ঠিক হয়েছে এবং কিছুটা ভুল হয়েছে। তিনি বললেন, আমি কসম করে বলছি! আমার যা ভুল হয়েছে তা হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অবশ্যই বলে দিন। এতে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কসম করো না।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন, একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আমি রাতে স্বপ্নে দেখেছি, এক টুকরা মেঘ হতে মাখন ও মধু ঝরে পড়ছে এবং আমি আরো দেখলাম যে, লোকজন হাতের মুঠোয় করে তা তুলে নিচ্ছে; তাতে কেউ বেশি নিচ্ছে আবার কেউ কম নিচ্ছে। আর দেখতে পেলাম একখানা রশি আকাশ হতে পৃথিবী পর্যন্ত ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। হে আল্লাহর রাসূল! আমি দেখলাম, সেটা ধরে আপনি উপরে উঠে গেলেন। অতঃপর অন্য এক ব্যক্তি তা ধরে উপরের দিকে উঠে গেলেন। এরপর আরেক ব্যক্তি তা ধরে উঠতে লাগলে তা ছিঁড়ে যায়, তারপর পুনরায় তা জোড়া দেয়া হলে সেও তা দিয়ে উপরে উঠে যায়। আবূ বাক্র (রহঃ) বললেন, আমার পিতা-মাতার কসম! আমাকে অনুমতি দিন আমিই এর ব্যাখ্যা করি। তিনি বললেন, ঠিক আছে, করুন। তিনি (আবূ বকর (রাঃ) ) বললেন, মেঘ হলো ইসলামের মেঘ, আর মেঘ হতে যে মধু ও মাখন ঝরে পড়ছে তা হলো কুরআনের মাধুর্যতা ও আস্বাদ, আর কম-বেশি গ্রহণ হলো কুরআন হতে বেশি হিদায়াত গ্রহণ ও কম গ্রহণ করা। আর আকাশ হতে পৃথিবী পর্যন্ত ঝুলন্ত রশিটি হলো সেই সত্য যার উপর আপনি রয়েছেন এবং এটা ধরেই আল্লাহ আপনাকে উর্ধ্বে উঠাবেন। অতঃপর এক ব্যক্তি তা ধরে উপরে উঠবেন [তিনি হলেন, আবূ বকর (রাঃ) ]। তারপর এক ব্যক্তি তা ধরে উপরের দিকে উঠতেই তা ছিঁড়ে যাবে। তারপর পুনরায় জুড়ে দেয়া হলে তা ধরে তিনিও উপরে উঠবেন (তিনি হলেন ‘উসমান (রাঃ) )। হে আল্লাহর রাসূল! আমি ভুল বলেছি না ঠিক বলেছি বলে দিন। তিনি বললেন, কিছুটা ঠিক হয়েছে এবং কিছুটা ভুল হয়েছে। তিনি বললেন, আমি কসম করে বলছি! আমার যা ভুল হয়েছে তা হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে অবশ্যই বলে দিন। এতে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কসম করো না।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، - قال محمد كتبته من كتابه - قال أخبرنا معمر عن الزهري عن عبيد الله بن عبد الله عن ابن عباس قال كان أبو هريرة يحدث أن رجلا أتى إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إني أرى الليلة ظلة ينطف منها السمن والعسل فأرى الناس يتكففون بأيديهم فالمستكثر والمستقل وأرى سببا واصلا من السماء إلى الأرض فأراك يا رسول الله أخذت به فعلوت به ثم أخذ به رجل آخر فعلا به ثم أخذ به رجل آخر فعلا به ثم أخذ به رجل آخر فانقطع ثم وصل فعلا به . قال أبو بكر بأبي وأمي لتدعني فلأعبرنها . فقال " اعبرها " . قال أما الظلة فظلة الإسلام وأما ما ينطف من السمن والعسل فهو القرآن لينه وحلاوته وأما المستكثر والمستقل فهو المستكثر من القرآن والمستقل منه وأما السبب الواصل من السماء إلى الأرض فهو الحق الذي أنت عليه تأخذ به فيعليك الله ثم يأخذ به بعدك رجل فيعلو به ثم يأخذ به رجل آخر فيعلو به ثم يأخذ به رجل آخر فينقطع ثم يوصل له فيعلو به أى رسول الله لتحدثني أصبت أم أخطأت . فقال " أصبت بعضا وأخطأت بعضا " . فقال أقسمت يا رسول الله لتحدثني ما الذي أخطأت . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تقسم " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩৭
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثني عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، عن أشعث بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن سمرة بن جندب، أن رجلا، قال يا رسول الله إني رأيت كأن دلوا دلي من السماء فجاء أبو بكر فأخذ بعراقيها فشرب شربا ضعيفا ثم جاء عمر فأخذ بعراقيها فشرب حتى تضلع ثم جاء عثمان فأخذ بعراقيها فشرب حتى تضلع ثم جاء علي فأخذ بعراقيها فانتشطت وانتضح عليه منها شىء .
সামুরাহ ইবনু জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি স্বপ্নে দেখলাম, একটি বালতি আকাশ হতে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) এসে এর কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরে যৎসামান্য পান করলেন। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) এসে বালতির কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরলেন এবং পেটভরে পান করলেন। তারপর ‘উসমান(রাঃ) আসলেন এবং এর কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরে পেটভরে পান করলেন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) এসে তার কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরলে তা দোল খেতে থাকে এবং কিছু পানি তা হতে ছিটকে তার দেহে পড়ে যায়। [৪৬৩৬] দুর্বল।
সামুরাহ ইবনু জুন্দুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি স্বপ্নে দেখলাম, একটি বালতি আকাশ হতে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। অতঃপর আবূ বাকর (রাঃ) এসে এর কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরে যৎসামান্য পান করলেন। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) এসে বালতির কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরলেন এবং পেটভরে পান করলেন। তারপর ‘উসমান(রাঃ) আসলেন এবং এর কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরে পেটভরে পান করলেন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) এসে তার কাঠের হাতলের দুই প্রান্ত ধরলে তা দোল খেতে থাকে এবং কিছু পানি তা হতে ছিটকে তার দেহে পড়ে যায়। [৪৬৩৬] দুর্বল।
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثني عفان بن مسلم، حدثنا حماد بن سلمة، عن أشعث بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن سمرة بن جندب، أن رجلا، قال يا رسول الله إني رأيت كأن دلوا دلي من السماء فجاء أبو بكر فأخذ بعراقيها فشرب شربا ضعيفا ثم جاء عمر فأخذ بعراقيها فشرب حتى تضلع ثم جاء عثمان فأخذ بعراقيها فشرب حتى تضلع ثم جاء علي فأخذ بعراقيها فانتشطت وانتضح عليه منها شىء .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩৪
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، حدثنا الأشعث، عن الحسن، عن أبي بكرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ذات يوم " من رأى منكم رؤيا " . فقال رجل أنا رأيت كأن ميزانا نزل من السماء فوزنت أنت وأبو بكر فرجحت أنت بأبي بكر ووزن عمر وأبو بكر فرجح أبو بكر ووزن عمر وعثمان فرجح عمر ثم رفع الميزان فرأينا الكراهية في وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم .
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে স্বপ্ন দেখেছে? এক ব্যক্তি বললো, আমি দেখেছি যে, আসমান হতে যেন একটি দাড়িপাল্লা নেমে এলো। তাতে আপনাকে এবং আবূ বাক্র (রহঃ) -কে ওজন করা হলো। এতে দেখা গেল যে, আপনার ওজনই আবূ বাক্র (রহঃ) -এর চেয়ে বেশি। অতঃপর আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ) -কে ওজন করা হলে দেখা গেল, আবূ বকর (রাঃ) -এর ওজন বেশি হয়েছে। তারপর ‘উমার ও ‘উসমান (রাঃ) -কে ওজন করা হলে ‘উমার(রাঃ) -এর ওজন বেশি হলো। অতঃপর দাড়িপাল্লাটি উপরে তুলে নেয়া হলো। আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির ভাব দেখলাম।
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদিন নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কে স্বপ্ন দেখেছে? এক ব্যক্তি বললো, আমি দেখেছি যে, আসমান হতে যেন একটি দাড়িপাল্লা নেমে এলো। তাতে আপনাকে এবং আবূ বাক্র (রহঃ) -কে ওজন করা হলো। এতে দেখা গেল যে, আপনার ওজনই আবূ বাক্র (রহঃ) -এর চেয়ে বেশি। অতঃপর আবূ বাক্র ও ‘উমার (রাঃ) -কে ওজন করা হলে দেখা গেল, আবূ বকর (রাঃ) -এর ওজন বেশি হয়েছে। তারপর ‘উমার ও ‘উসমান (রাঃ) -কে ওজন করা হলে ‘উমার(রাঃ) -এর ওজন বেশি হলো। অতঃপর দাড়িপাল্লাটি উপরে তুলে নেয়া হলো। আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারায় অসন্তুষ্টির ভাব দেখলাম।
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن عبد الله الأنصاري، حدثنا الأشعث، عن الحسن، عن أبي بكرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ذات يوم " من رأى منكم رؤيا " . فقال رجل أنا رأيت كأن ميزانا نزل من السماء فوزنت أنت وأبو بكر فرجحت أنت بأبي بكر ووزن عمر وأبو بكر فرجح أبو بكر ووزن عمر وعثمان فرجح عمر ثم رفع الميزان فرأينا الكراهية في وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪২
حدثنا إسحاق بن إسماعيل الطالقاني، حدثنا جرير، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن المغيرة، عن الربيع بن خالد الضبي، قال سمعت الحجاج، يخطب فقال في خطبته رسول أحدكم في حاجته أكرم عليه أم خليفته في أهله فقلت في نفسي لله على ألا أصلي خلفك صلاة أبدا وإن وجدت قوما يجاهدونك لأجاهدنك معهم . زاد إسحاق في حديثه قال فقاتل في الجماجم حتى قتل .
ইবনু খালিদ আদ-দাব্বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে তার ভাষণে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কারো প্রয়োজনে প্রেরিত দূত তার নিকট বেশী সম্মানিত না তার পরিবারের মধ্যে তার প্রতিনিধি? একথা শুনে আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! আমার এখন কর্তব্য হলো, তোমার পিছনে কখনো সালাত না পড়া। আর আমি যদি এমন কোন দল পাই যারা তোমার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবে তবে আমিও তাদের সঙ্গী হয়ে তোমার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবো। ইসহাক্ব (রহঃ) তার হাদীসের বৃদ্ধি করেন যে, তিনি বলেন, জামাজিম যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি নিহত হন।
ইবনু খালিদ আদ-দাব্বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে তার ভাষণে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কারো প্রয়োজনে প্রেরিত দূত তার নিকট বেশী সম্মানিত না তার পরিবারের মধ্যে তার প্রতিনিধি? একথা শুনে আমি মনে মনে বললাম, আল্লাহর কসম! আমার এখন কর্তব্য হলো, তোমার পিছনে কখনো সালাত না পড়া। আর আমি যদি এমন কোন দল পাই যারা তোমার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবে তবে আমিও তাদের সঙ্গী হয়ে তোমার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করবো। ইসহাক্ব (রহঃ) তার হাদীসের বৃদ্ধি করেন যে, তিনি বলেন, জামাজিম যুদ্ধক্ষেত্রে যুদ্ধ করতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত তিনি নিহত হন।
حدثنا إسحاق بن إسماعيل الطالقاني، حدثنا جرير، ح وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن المغيرة، عن الربيع بن خالد الضبي، قال سمعت الحجاج، يخطب فقال في خطبته رسول أحدكم في حاجته أكرم عليه أم خليفته في أهله فقلت في نفسي لله على ألا أصلي خلفك صلاة أبدا وإن وجدت قوما يجاهدونك لأجاهدنك معهم . زاد إسحاق في حديثه قال فقاتل في الجماجم حتى قتل .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৩
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو بكر، عن عاصم، قال سمعت الحجاج، وهو على المنبر يقول اتقوا الله ما استطعتم ليس فيها مثنوية واسمعوا وأطيعوا ليس فيها مثنوية لأمير المؤمنين عبد الملك والله لو أمرت الناس أن يخرجوا من باب من أبواب المسجد فخرجوا من باب آخر لحلت لي دماؤهم وأموالهم والله لو أخذت ربيعة بمضر لكان ذلك لي من الله حلالا ويا عذيري من عبد هذيل يزعم أن قراءته من عند الله والله ما هي إلا رجز من رجز الأعراب ما أنزلها الله على نبيه عليه السلام وعذيري من هذه الحمراء يزعم أحدهم أنه يرمي بالحجر فيقول إلى أن يقع الحجر قد حدث أمر فوالله لأدعنهم كالأمس الدابر . قال فذكرته للأعمش فقال أنا والله سمعته منه .
আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো, এতে কোন ব্যতিক্রম নেই। আর আমিরুল মু’মিনীন ‘আবদুল মালিকের (আদেশ) শুনো এবং অনুসরণ করো, এতেও কোন ব্যতিক্রম নেই। আল্লাহর কসম! আমি লোকদেরকে যদি মাসজিদের এক দরজা দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেই এবং তারা অন্য দরজা দিয়ে বের হয়, তাহলে আমার জন্য তাদের রক্ত ও সম্পদ বৈধ। আল্লাহর কসম! যদি আমি রবী’আহ গোত্রকে মুদার গোত্রের অপরাধের জন্য শাস্তি দেই এটাও আমার জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে বৈধ। হুজাইল পুত্র মনে করে যে, সে যেভাবে কুরআন পড়ে তা আল্লাহর পক্ষ হতে। আল্লাহর কসম! তা তো বেদুঈনদের সঙ্গীতমালার মধ্যকার সঙ্গীতমাত্র। তা আল্লাহ তার নাবীর উপর নাযীল করেননি। অনারব লোকদের পক্ষ হতে কে আমার নিকট ওজনখাহি করবে। তাদের মধ্যকার কেউ পাথর নিক্ষেপ করে, অতঃপর বলে, দ্যাখো! এই পাথর কতো দূর গিয়ে পৌঁছে। সে একটি নতুন ঘটনার জন্ম দিলো। আল্লাহর কসম! আমি তাদেরকে গতকালের ন্যায় নিশ্চিহ্ন করবো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি কথাগুলো আল-আ’মাশ (রহঃ) -এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, আল্লাহ্র কসম! আমিও তাকে কথাগুলো বলতে শুনেছি। সনদ সহিহ - হাজ্জাজ পর্যন্ত।
আসিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বারের উপর দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছিঃ তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো, এতে কোন ব্যতিক্রম নেই। আর আমিরুল মু’মিনীন ‘আবদুল মালিকের (আদেশ) শুনো এবং অনুসরণ করো, এতেও কোন ব্যতিক্রম নেই। আল্লাহর কসম! আমি লোকদেরকে যদি মাসজিদের এক দরজা দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেই এবং তারা অন্য দরজা দিয়ে বের হয়, তাহলে আমার জন্য তাদের রক্ত ও সম্পদ বৈধ। আল্লাহর কসম! যদি আমি রবী’আহ গোত্রকে মুদার গোত্রের অপরাধের জন্য শাস্তি দেই এটাও আমার জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে বৈধ। হুজাইল পুত্র মনে করে যে, সে যেভাবে কুরআন পড়ে তা আল্লাহর পক্ষ হতে। আল্লাহর কসম! তা তো বেদুঈনদের সঙ্গীতমালার মধ্যকার সঙ্গীতমাত্র। তা আল্লাহ তার নাবীর উপর নাযীল করেননি। অনারব লোকদের পক্ষ হতে কে আমার নিকট ওজনখাহি করবে। তাদের মধ্যকার কেউ পাথর নিক্ষেপ করে, অতঃপর বলে, দ্যাখো! এই পাথর কতো দূর গিয়ে পৌঁছে। সে একটি নতুন ঘটনার জন্ম দিলো। আল্লাহর কসম! আমি তাদেরকে গতকালের ন্যায় নিশ্চিহ্ন করবো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি কথাগুলো আল-আ’মাশ (রহঃ) -এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, আল্লাহ্র কসম! আমিও তাকে কথাগুলো বলতে শুনেছি। সনদ সহিহ - হাজ্জাজ পর্যন্ত।
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو بكر، عن عاصم، قال سمعت الحجاج، وهو على المنبر يقول اتقوا الله ما استطعتم ليس فيها مثنوية واسمعوا وأطيعوا ليس فيها مثنوية لأمير المؤمنين عبد الملك والله لو أمرت الناس أن يخرجوا من باب من أبواب المسجد فخرجوا من باب آخر لحلت لي دماؤهم وأموالهم والله لو أخذت ربيعة بمضر لكان ذلك لي من الله حلالا ويا عذيري من عبد هذيل يزعم أن قراءته من عند الله والله ما هي إلا رجز من رجز الأعراب ما أنزلها الله على نبيه عليه السلام وعذيري من هذه الحمراء يزعم أحدهم أنه يرمي بالحجر فيقول إلى أن يقع الحجر قد حدث أمر فوالله لأدعنهم كالأمس الدابر . قال فذكرته للأعمش فقال أنا والله سمعته منه .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪১
حدثنا أبو ظفر عبد السلام، حدثنا جعفر، عن عوف، قال سمعت الحجاج، يخطب وهو يقول إن مثل عثمان عند الله كمثل عيسى ابن مريم ثم قرأ هذه الآية يقرؤها ويفسرها { إذ قال الله يا عيسى إني متوفيك ورافعك إلى ومطهرك من الذين كفروا } يشير إلينا بيده وإلى أهل الشام .
আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে ভাষণ দানকালে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই ‘উসমান(রাঃ) -এর উদাহরণ মহান আল্লাহর নিকট মরিয়মের পুত্র ঈসা (আঃ)-এর মত। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়ে ব্যাখ্যা করলেনঃ “যখন আল্লাহ বলেছিলেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে ফিরিয়ে আনবো এবং তোমাকে আমার নিকট উঠিয়ে আনবো। তোমাকে যারা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে তাদের সাহচার্য থেকে তোমাকে পবিত্র করবো (সূরাহ আল-‘ইমরানঃ ৫৫) এবং সে তার হাতের মাধ্যমে আমাদের সিরিয়াবাসীদের দিকে ইঙ্গিত করছিলো।
আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে ভাষণ দানকালে বলতে শুনেছিঃ নিশ্চয়ই ‘উসমান(রাঃ) -এর উদাহরণ মহান আল্লাহর নিকট মরিয়মের পুত্র ঈসা (আঃ)-এর মত। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়ে ব্যাখ্যা করলেনঃ “যখন আল্লাহ বলেছিলেন, হে ঈসা! আমি তোমাকে ফিরিয়ে আনবো এবং তোমাকে আমার নিকট উঠিয়ে আনবো। তোমাকে যারা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে তাদের সাহচার্য থেকে তোমাকে পবিত্র করবো (সূরাহ আল-‘ইমরানঃ ৫৫) এবং সে তার হাতের মাধ্যমে আমাদের সিরিয়াবাসীদের দিকে ইঙ্গিত করছিলো।
حدثنا أبو ظفر عبد السلام، حدثنا جعفر، عن عوف، قال سمعت الحجاج، يخطب وهو يقول إن مثل عثمان عند الله كمثل عيسى ابن مريم ثم قرأ هذه الآية يقرؤها ويفسرها { إذ قال الله يا عيسى إني متوفيك ورافعك إلى ومطهرك من الذين كفروا } يشير إلينا بيده وإلى أهل الشام .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪০
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا برد أبو العلاء، عن مكحول، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " موضع فسطاط المسلمين في الملاحم أرض يقال لها الغوطة " .
মাকহুল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমুল যুদ্ধের সময় মুসলিমদের সমাবেশ স্থলের নাম হলো গূত্বাহ।
মাকহুল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তুমুল যুদ্ধের সময় মুসলিমদের সমাবেশ স্থলের নাম হলো গূত্বাহ।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا برد أبو العلاء، عن مكحول، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " موضع فسطاط المسلمين في الملاحم أرض يقال لها الغوطة " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৪
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا ابن إدريس، عن الأعمش، قال سمعت الحجاج، يقول على المنبر هذه الحمراء هبر هبر أما والله لقد قرعت عصا بعصا لأذرنهم كالأمس الذاهب يعني الموالي .
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি, এসব অনারব আযাদকৃত গোলামদের বংশধর হত্যা ও টুকরা টুকরা করে দেয়ার যোগ্য। আল্লাহর কসম! আমি যদি চরম আঘাত হানি তাহলে তাদেরকে গতকালের মত নিশ্চিহ্ন করে দিবো।
আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজকে মিম্বারে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি, এসব অনারব আযাদকৃত গোলামদের বংশধর হত্যা ও টুকরা টুকরা করে দেয়ার যোগ্য। আল্লাহর কসম! আমি যদি চরম আঘাত হানি তাহলে তাদেরকে গতকালের মত নিশ্চিহ্ন করে দিবো।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا ابن إدريس، عن الأعمش، قال سمعت الحجاج، يقول على المنبر هذه الحمراء هبر هبر أما والله لقد قرعت عصا بعصا لأذرنهم كالأمس الذاهب يعني الموالي .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৫
حدثنا قطن بن نسير، حدثنا جعفر يعني ابن سليمان، ح حدثنا سليمان بن داود، عن شريك، عن سليمان الأعمش، قال جمعت مع الحجاج فخطب فذكر حديث أبي بكر بن عياش قال فيها فاسمعوا وأطيعوا لخليفة الله وصفيه عبد الملك بن مروان . وساق الحديث قال ولو أخذت ربيعة بمضر ولم يذكر قصة الحمراء .
সুলাইমান আল্-আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজের সঙ্গে জুমু’আহ্র সলাত আদায় করলাম। তিনি ভাষণ দিলেন... অতঃপর বর্ণনাকারী আবূ বাক্র ইবনু আইয়াশের হাদীস উল্লেখ করেন। তিনি ভাষণে বলেন, তোমরা আল্লাহর প্রতিনিধি ও বন্ধু ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের কথা শুনবে ও মেনে চলবে। অতঃপর হাদীসের বাকি অংশ উল্লেখ করেন। তিনি বললেন, আমি যদি রবী’আহ গোত্রকে মুদার গোত্রের অপরাধে পাকড়াও করি। কিন্তু বর্ণনাকারী এখানে অনারবদের ঘটনাটি উল্লেখ করেননি। সনদ সহিহ - হাজ্জাজ পর্যন্ত।
সুলাইমান আল্-আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাজ্জাজের সঙ্গে জুমু’আহ্র সলাত আদায় করলাম। তিনি ভাষণ দিলেন... অতঃপর বর্ণনাকারী আবূ বাক্র ইবনু আইয়াশের হাদীস উল্লেখ করেন। তিনি ভাষণে বলেন, তোমরা আল্লাহর প্রতিনিধি ও বন্ধু ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের কথা শুনবে ও মেনে চলবে। অতঃপর হাদীসের বাকি অংশ উল্লেখ করেন। তিনি বললেন, আমি যদি রবী’আহ গোত্রকে মুদার গোত্রের অপরাধে পাকড়াও করি। কিন্তু বর্ণনাকারী এখানে অনারবদের ঘটনাটি উল্লেখ করেননি। সনদ সহিহ - হাজ্জাজ পর্যন্ত।
حدثنا قطن بن نسير، حدثنا جعفر يعني ابن سليمان، ح حدثنا سليمان بن داود، عن شريك، عن سليمان الأعمش، قال جمعت مع الحجاج فخطب فذكر حديث أبي بكر بن عياش قال فيها فاسمعوا وأطيعوا لخليفة الله وصفيه عبد الملك بن مروان . وساق الحديث قال ولو أخذت ربيعة بمضر ولم يذكر قصة الحمراء .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৬
حدثنا سوار بن عبد الله، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك - أو ملكه - من يشاء " . قال سعيد قال لي سفينة أمسك عليك أبا بكر سنتين وعمر عشرا وعثمان اثنتى عشرة وعلي كذا . قال سعيد قلت لسفينة إن هؤلاء يزعمون أن عليا عليه السلام لم يكن بخليفة . قال كذبت أستاه بني الزرقاء يعني بني مروان .
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী(রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী(রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।
حدثنا سوار بن عبد الله، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك - أو ملكه - من يشاء " . قال سعيد قال لي سفينة أمسك عليك أبا بكر سنتين وعمر عشرا وعثمان اثنتى عشرة وعلي كذا . قال سعيد قلت لسفينة إن هؤلاء يزعمون أن عليا عليه السلام لم يكن بخليفة . قال كذبت أستاه بني الزرقاء يعني بني مروان .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৬
حدثنا سوار بن عبد الله، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك - أو ملكه - من يشاء " . قال سعيد قال لي سفينة أمسك عليك أبا بكر سنتين وعمر عشرا وعثمان اثنتى عشرة وعلي كذا . قال سعيد قلت لسفينة إن هؤلاء يزعمون أن عليا عليه السلام لم يكن بخليفة . قال كذبت أستاه بني الزرقاء يعني بني مروان .
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী(রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী(রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।
حدثنا سوار بن عبد الله، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك - أو ملكه - من يشاء " . قال سعيد قال لي سفينة أمسك عليك أبا بكر سنتين وعمر عشرا وعثمان اثنتى عشرة وعلي كذا . قال سعيد قلت لسفينة إن هؤلاء يزعمون أن عليا عليه السلام لم يكن بخليفة . قال كذبت أستاه بني الزرقاء يعني بني مروان .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৬
حدثنا سوار بن عبد الله، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك - أو ملكه - من يشاء " . قال سعيد قال لي سفينة أمسك عليك أبا بكر سنتين وعمر عشرا وعثمان اثنتى عشرة وعلي كذا . قال سعيد قلت لسفينة إن هؤلاء يزعمون أن عليا عليه السلام لم يكن بخليفة . قال كذبت أستاه بني الزرقاء يعني بني مروان .
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী(রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতের ভিত্তিতে পরিচালিত খিলাফত ত্রিশ বছর অব্যাহত থাকবে। অতঃপর আল্লাহর যাকে ইচ্ছা রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমাকে সাফীনাহ (রাঃ) বলেছেন, হিসেব করো, আবূ বকর (রাঃ) দুই বছর, ‘উমার (রাঃ) দশ বছর, ‘উসমান (রাঃ) বারো বছর ও আলী (রাঃ) এতো বছর খিলাফতের দায়িত্ব পালন করেছেন। সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমি সাফীনাহ (রাঃ) -কে বললাম, এরা ধারণা করে যে, ‘আলী(রাঃ) খলীফাহ ছিলেন না। তিনি বলেন, বনী যারকা অর্থাৎ মাওয়ানের বংশধরগণ মিথ্যা বলেছে।
حدثنا سوار بن عبد الله، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك - أو ملكه - من يشاء " . قال سعيد قال لي سفينة أمسك عليك أبا بكر سنتين وعمر عشرا وعثمان اثنتى عشرة وعلي كذا . قال سعيد قلت لسفينة إن هؤلاء يزعمون أن عليا عليه السلام لم يكن بخليفة . قال كذبت أستاه بني الزرقاء يعني بني مروان .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৭
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا هشيم، عن العوام بن حوشب، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك من يشاء - أو ملكه من يشاء - " .
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন।
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন।
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا هشيم، عن العوام بن حوشب، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك من يشاء - أو ملكه من يشاء - " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৭
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا هشيم، عن العوام بن حوشب، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك من يشاء - أو ملكه من يشاء - " .
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন।
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন।
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا هشيم، عن العوام بن حوشب، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك من يشاء - أو ملكه من يشاء - " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৭
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا هشيم، عن العوام بن حوشب، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك من يشاء - أو ملكه من يشاء - " .
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন।
সাফীনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নবুওয়্যাতী পন্থায় খিলাফত ত্রিশ বছর পরিচালিত হবে। অতঃপর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ রাজত্ব বা তাঁর রাজত্ব দান করবেন।
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا هشيم، عن العوام بن حوشب، عن سعيد بن جمهان، عن سفينة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خلافة النبوة ثلاثون سنة ثم يؤتي الله الملك من يشاء - أو ملكه من يشاء - " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৮
حدثنا محمد بن العلاء، عن ابن إدريس، أخبرنا حصين، عن هلال بن يساف، عن عبد الله بن ظالم، وسفيان، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن عبد الله بن ظالم المازني، قال ذكر سفيان رجلا فيما بينه وبين عبد الله بن ظالم المازني قال سمعت سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل قال لما قدم فلان الكوفة أقام فلان خطيبا فأخذ بيدي سعيد بن زيد فقال ألا ترى إلى هذا الظالم فأشهد على التسعة إنهم في الجنة ولو شهدت على العاشر لم إيثم - قال ابن إدريس والعرب تقول آثم - قلت ومن التسعة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على حراء " اثبت حراء إنه ليس عليك إلا نبي أو صديق أو شهيد " . قلت ومن التسعة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر وعثمان وعلي وطلحة والزبير وسعد بن أبي وقاص وعبد الرحمن بن عوف . قلت ومن العاشر فتلكأ هنية ثم قال أنا . قال أبو داود رواه الأشجعي عن سفيان عن منصور عن هلال بن يساف عن ابن حيان عن عبد الله بن ظالم بإسناده .
আবদুল্লাহ ইবনু যালিম আল্-মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাঈদ ইবনু যায়িদ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফাইল (রাঃ) বলেছেন এবং আমি শুনেছি, অমুক লোক (মু’আবিয়াহ) যখন কুফায় এলেন তখন অমুকে (মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ) ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন [ভাষণে ‘আলী (রাঃ) -এর মর্যাদার পরিপন্থী কথা থাকায়] সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, এ যালিম তার ভাষণে কি বলছে তুমি কি লক্ষ্য করছো না? তারপর তিনি নয় ব্যক্তির জান্নাতবাসী হওয়া সম্বন্ধে সাক্ষ্য দিলেন এবং আরো বললেন, আমি যদি দশম ব্যক্তির নামও উল্লেখ করি তাতে আমি গুনাহগার হবো না। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যালিম (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, এই নয়জন কে কে? তিনি (সাঈদ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেরা পাহাড়ে দাঁড়িয়ে পাহাড়টিকে কাঁপতে দেখে বললেন, ওহে হেরা! স্থির হও। কেননা তোমার উপর একজন নাবী, একজন সিদ্দীক এবং একজন শহীদ অবস্থান করছেন। আমি পুনরায় বললাম, সেই নয়জন কে কে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আবূ বাক্র, ‘উমার, ‘উসমান, ‘আলী, ত্বালহা, যুবাইর, সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, ও আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)। আমি বললাম, দশম ব্যক্তি কে? তখন তিনি খানিক চুপ থেকে বললেন, আমি।
আবদুল্লাহ ইবনু যালিম আল্-মাযিনী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাঈদ ইবনু যায়িদ ইবনু ‘আমর ইবনু নুফাইল (রাঃ) বলেছেন এবং আমি শুনেছি, অমুক লোক (মু’আবিয়াহ) যখন কুফায় এলেন তখন অমুকে (মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ) ভাষণ দিতে দাঁড়ালেন [ভাষণে ‘আলী (রাঃ) -এর মর্যাদার পরিপন্থী কথা থাকায়] সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, এ যালিম তার ভাষণে কি বলছে তুমি কি লক্ষ্য করছো না? তারপর তিনি নয় ব্যক্তির জান্নাতবাসী হওয়া সম্বন্ধে সাক্ষ্য দিলেন এবং আরো বললেন, আমি যদি দশম ব্যক্তির নামও উল্লেখ করি তাতে আমি গুনাহগার হবো না। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যালিম (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, এই নয়জন কে কে? তিনি (সাঈদ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হেরা পাহাড়ে দাঁড়িয়ে পাহাড়টিকে কাঁপতে দেখে বললেন, ওহে হেরা! স্থির হও। কেননা তোমার উপর একজন নাবী, একজন সিদ্দীক এবং একজন শহীদ অবস্থান করছেন। আমি পুনরায় বললাম, সেই নয়জন কে কে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আবূ বাক্র, ‘উমার, ‘উসমান, ‘আলী, ত্বালহা, যুবাইর, সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস, ও আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)। আমি বললাম, দশম ব্যক্তি কে? তখন তিনি খানিক চুপ থেকে বললেন, আমি।
حدثنا محمد بن العلاء، عن ابن إدريس، أخبرنا حصين، عن هلال بن يساف، عن عبد الله بن ظالم، وسفيان، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن عبد الله بن ظالم المازني، قال ذكر سفيان رجلا فيما بينه وبين عبد الله بن ظالم المازني قال سمعت سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل قال لما قدم فلان الكوفة أقام فلان خطيبا فأخذ بيدي سعيد بن زيد فقال ألا ترى إلى هذا الظالم فأشهد على التسعة إنهم في الجنة ولو شهدت على العاشر لم إيثم - قال ابن إدريس والعرب تقول آثم - قلت ومن التسعة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على حراء " اثبت حراء إنه ليس عليك إلا نبي أو صديق أو شهيد " . قلت ومن التسعة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبو بكر وعمر وعثمان وعلي وطلحة والزبير وسعد بن أبي وقاص وعبد الرحمن بن عوف . قلت ومن العاشر فتلكأ هنية ثم قال أنا . قال أبو داود رواه الأشجعي عن سفيان عن منصور عن هلال بن يساف عن ابن حيان عن عبد الله بن ظالم بإسناده .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৪৯
حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن الحر بن الصياح، عن عبد الرحمن بن الأخنس، أنه كان في المسجد فذكر رجل عليا عليه السلام فقام سعيد بن زيد فقال أشهد على رسول الله صلى الله عليه وسلم أني سمعته وهو يقول " عشرة في الجنة النبي في الجنة وأبو بكر في الجنة وعمر في الجنة وعثمان في الجنة وعلي في الجنة وطلحة في الجنة والزبير بن العوام في الجنة وسعد بن مالك في الجنة وعبد الرحمن بن عوف في الجنة " . ولو شئت لسميت العاشر . قال فقالوا من هو فسكت قال فقالوا من هو فقال هو سعيد بن زيد .
আবদুর রহমান ইবনুল আখনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মাসজিদে থাকাবস্থায় এক ব্যক্তি ‘আলী (রাঃ) এর সমালোচনা করলে সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দশ ব্যক্তি জান্নাতীঃ নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জান্নাতী, আবূ বকর (রাঃ) জান্নাতী, ‘উমার (রাঃ) জান্নাতী, ‘উসমান (রাঃ) জান্নাতী, ‘আলী (রাঃ) জান্নাতী, ত্বালহা (রাঃ) জান্নাতী, যুবাইর ইবনুল ‘আওয়াম জান্নাতী, সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) জান্নাতী, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ জান্নাতী। আমি (সাঈদ ইবনু যায়িদ) ইচ্ছা করলে দশম ব্যক্তির নামও বলতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তারা বললেন, তিনি কে? তখন তিনি চুপ থাকলেন। বর্ণনাকারী বলেন, পুনরায় তারা বললেন, তিনি কে? বর্ণনাকারী বলেন, (আমি) সাঈদ ইবনু যায়িদ।
আবদুর রহমান ইবনুল আখনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মাসজিদে থাকাবস্থায় এক ব্যক্তি ‘আলী (রাঃ) এর সমালোচনা করলে সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ দশ ব্যক্তি জান্নাতীঃ নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জান্নাতী, আবূ বকর (রাঃ) জান্নাতী, ‘উমার (রাঃ) জান্নাতী, ‘উসমান (রাঃ) জান্নাতী, ‘আলী (রাঃ) জান্নাতী, ত্বালহা (রাঃ) জান্নাতী, যুবাইর ইবনুল ‘আওয়াম জান্নাতী, সা’দ ইবনু মালিক (রাঃ) জান্নাতী, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ জান্নাতী। আমি (সাঈদ ইবনু যায়িদ) ইচ্ছা করলে দশম ব্যক্তির নামও বলতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন তারা বললেন, তিনি কে? তখন তিনি চুপ থাকলেন। বর্ণনাকারী বলেন, পুনরায় তারা বললেন, তিনি কে? বর্ণনাকারী বলেন, (আমি) সাঈদ ইবনু যায়িদ।
حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن الحر بن الصياح، عن عبد الرحمن بن الأخنس، أنه كان في المسجد فذكر رجل عليا عليه السلام فقام سعيد بن زيد فقال أشهد على رسول الله صلى الله عليه وسلم أني سمعته وهو يقول " عشرة في الجنة النبي في الجنة وأبو بكر في الجنة وعمر في الجنة وعثمان في الجنة وعلي في الجنة وطلحة في الجنة والزبير بن العوام في الجنة وسعد بن مالك في الجنة وعبد الرحمن بن عوف في الجنة " . ولو شئت لسميت العاشر . قال فقالوا من هو فسكت قال فقالوا من هو فقال هو سعيد بن زيد .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫০
حدثنا أبو كامل، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا صدقة بن المثنى النخعي، حدثني جدي، رياح بن الحارث قال كنت قاعدا عند فلان في مسجد الكوفة وعنده أهل الكوفة فجاء سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل فرحب به وحياه وأقعده عند رجله على السرير فجاء رجل من أهل الكوفة يقال له قيس بن علقمة فاستقبله فسب وسب فقال سعيد من يسب هذا الرجل قال يسب عليا . قال ألا أرى أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يسبون عندك ثم لا تنكر ولا تغير أنا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وإني لغني أن أقول عليه ما لم يقل فيسألني عنه غدا إذا لقيته " أبو بكر في الجنة وعمر في الجنة " . وساق معناه ثم قال لمشهد رجل منهم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يغبر فيه وجهه خير من عمل أحدكم عمره ولو عمر عمر نوح .
রিয়াহ ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি অমুক লোকের (মুগীরাহ ইবনু শু’বার) নিকট কুফার মাসজিদে বসা ছিলাম এবং তার নিকট কুফার লোকজনও উপস্থিত ছিল। এ সময় সাঈদ ইবনু যায়িদ ‘আমর ইবনু নুফাইল (রাঃ) এলে তিনি তাকে সাদর সম্ভাষণ ও সালাম জানিয়ে খাটের উপর নিজের পায়ের কাছে বসালেন। অতঃপর ক্বাইস ইবনু ‘আলক্বামাহ নামক জনৈক কুফাবাসী এলে তাকেও অভ্যর্থনা জানালেন। তারপর সে গালাগালি করতে লাগলো। সাঈদ (রাঃ) বললেন, এ ব্যক্তি কাকে গালি দিচ্ছে? তিনি বললেন, সে ‘আলী (রাঃ) -কে গালি দিচ্ছে। তিনি বললেন, আমি দেখতে পাচ্ছি, সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীকে আপনার সম্মুখে গালি দিচ্ছে অথচ আপনি তাকে নিষেধ করছেন না আর থামাচ্ছেনও না! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি তাঁর সম্পর্কে এমন উক্তি করা হতে মুক্ত যা তিনি বলেননি। অতঃপর ক্বিয়ামাতের দিন যখন তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে তখন এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। আবূ বকর (রাঃ) জান্নাতী, ‘উমার (রাঃ) জান্নাতী। বর্ণনাকারী অতঃপর অনুরূপ অর্থের বর্ণনা করলেন এবং তিনি বললেন, তাদের কোন একজনের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ, যে সাহচর্যে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না তাও তোমাদের কোন ব্যক্তির সারা জীবনের আমলের চেয়ে উত্তম, যদিও সে নূহ (আঃ)-এর মতো দীর্ঘ আয়ু পায়।
রিয়াহ ইবনুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি অমুক লোকের (মুগীরাহ ইবনু শু’বার) নিকট কুফার মাসজিদে বসা ছিলাম এবং তার নিকট কুফার লোকজনও উপস্থিত ছিল। এ সময় সাঈদ ইবনু যায়িদ ‘আমর ইবনু নুফাইল (রাঃ) এলে তিনি তাকে সাদর সম্ভাষণ ও সালাম জানিয়ে খাটের উপর নিজের পায়ের কাছে বসালেন। অতঃপর ক্বাইস ইবনু ‘আলক্বামাহ নামক জনৈক কুফাবাসী এলে তাকেও অভ্যর্থনা জানালেন। তারপর সে গালাগালি করতে লাগলো। সাঈদ (রাঃ) বললেন, এ ব্যক্তি কাকে গালি দিচ্ছে? তিনি বললেন, সে ‘আলী (রাঃ) -কে গালি দিচ্ছে। তিনি বললেন, আমি দেখতে পাচ্ছি, সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীকে আপনার সম্মুখে গালি দিচ্ছে অথচ আপনি তাকে নিষেধ করছেন না আর থামাচ্ছেনও না! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আমি তাঁর সম্পর্কে এমন উক্তি করা হতে মুক্ত যা তিনি বলেননি। অতঃপর ক্বিয়ামাতের দিন যখন তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে তখন এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। আবূ বকর (রাঃ) জান্নাতী, ‘উমার (রাঃ) জান্নাতী। বর্ণনাকারী অতঃপর অনুরূপ অর্থের বর্ণনা করলেন এবং তিনি বললেন, তাদের কোন একজনের রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহচর্য লাভ, যে সাহচর্যে তিনি সন্তুষ্ট ছিলেন না তাও তোমাদের কোন ব্যক্তির সারা জীবনের আমলের চেয়ে উত্তম, যদিও সে নূহ (আঃ)-এর মতো দীর্ঘ আয়ু পায়।
حدثنا أبو كامل، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا صدقة بن المثنى النخعي، حدثني جدي، رياح بن الحارث قال كنت قاعدا عند فلان في مسجد الكوفة وعنده أهل الكوفة فجاء سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل فرحب به وحياه وأقعده عند رجله على السرير فجاء رجل من أهل الكوفة يقال له قيس بن علقمة فاستقبله فسب وسب فقال سعيد من يسب هذا الرجل قال يسب عليا . قال ألا أرى أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يسبون عندك ثم لا تنكر ولا تغير أنا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول وإني لغني أن أقول عليه ما لم يقل فيسألني عنه غدا إذا لقيته " أبو بكر في الجنة وعمر في الجنة " . وساق معناه ثم قال لمشهد رجل منهم مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يغبر فيه وجهه خير من عمل أحدكم عمره ولو عمر عمر نوح .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫১
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، ح وحدثنا مسدد، حدثنا يحيى، - المعنى - قالا حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، أن أنس بن مالك، حدثهم أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صعد أحدا فتبعه أبو بكر وعمر وعثمان فرجف بهم فضربه نبي الله صلى الله عليه وسلم برجله وقال " اثبت أحد نبي وصديق وشهيدان " .
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) তাদের নিকট বর্ণনা করেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদ পাহাড়ে উঠলেন। অতঃপর আবূ বাক্র, ‘উমার ও ‘উসমান (রাঃ) তাঁর অনুসরণ করলেন। পাহাড় কাঁপতে থাকলে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একে পদাঘাত করে বললেন, “উহুদ স্থির হও! তোমার উপর একজন নাবী, একজন সিদ্দীক ও দু’জন শহীদ (‘উমার ও ‘উসমান) রয়েছেন।
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) তাদের নিকট বর্ণনা করেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উহুদ পাহাড়ে উঠলেন। অতঃপর আবূ বাক্র, ‘উমার ও ‘উসমান (রাঃ) তাঁর অনুসরণ করলেন। পাহাড় কাঁপতে থাকলে আল্লাহর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একে পদাঘাত করে বললেন, “উহুদ স্থির হও! তোমার উপর একজন নাবী, একজন সিদ্দীক ও দু’জন শহীদ (‘উমার ও ‘উসমান) রয়েছেন।
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، ح وحدثنا مسدد، حدثنا يحيى، - المعنى - قالا حدثنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، أن أنس بن مالك، حدثهم أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صعد أحدا فتبعه أبو بكر وعمر وعثمان فرجف بهم فضربه نبي الله صلى الله عليه وسلم برجله وقال " اثبت أحد نبي وصديق وشهيدان " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫২
حدثنا هناد بن السري، عن عبد الرحمن بن محمد المحاربي، عن عبد السلام بن حرب، عن أبي خالد الدالاني، عن أبي خالد، مولى آل جعدة عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتاني جبريل فأخذ بيدي فأراني باب الجنة الذي تدخل منه أمتي " . فقال أبو بكر يا رسول الله وددت أني كنت معك حتى أنظر إليه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما إنك يا أبا بكر أول من يدخل الجنة من أمتي " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যারা গাছের নিচে বাই’আত করেছে তাদের কেউ জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যারা গাছের নিচে বাই’আত করেছে তাদের কেউ জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।
حدثنا هناد بن السري، عن عبد الرحمن بن محمد المحاربي، عن عبد السلام بن حرب، عن أبي خالد الدالاني، عن أبي خالد، مولى آل جعدة عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أتاني جبريل فأخذ بيدي فأراني باب الجنة الذي تدخل منه أمتي " . فقال أبو بكر يا رسول الله وددت أني كنت معك حتى أنظر إليه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما إنك يا أبا بكر أول من يدخل الجنة من أمتي " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد الرملي، أن الليث، حدثهم عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لا يدخل النار أحد ممن بايع تحت الشجرة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বর্ণনাকারী মূসার বর্ণনায় রয়েছেঃ “আশা করা যায়, মহান আল্লাহ” এবং বর্ণনাকারী ইবনু সিনান (রহঃ)-এর বর্ণনা রয়েছেঃ “আল্লাহ্ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরকে অবহিত করে বলেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমল করো, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বর্ণনাকারী মূসার বর্ণনায় রয়েছেঃ “আশা করা যায়, মহান আল্লাহ” এবং বর্ণনাকারী ইবনু সিনান (রহঃ)-এর বর্ণনা রয়েছেঃ “আল্লাহ্ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরকে অবহিত করে বলেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমল করো, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।
حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد الرملي، أن الليث، حدثهم عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لا يدخل النار أحد ممن بايع تحت الشجرة " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد الرملي، أن الليث، حدثهم عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لا يدخل النار أحد ممن بايع تحت الشجرة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বর্ণনাকারী মূসার বর্ণনায় রয়েছেঃ “আশা করা যায়, মহান আল্লাহ” এবং বর্ণনাকারী ইবনু সিনান (রহঃ)-এর বর্ণনা রয়েছেঃ “আল্লাহ্ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরকে অবহিত করে বলেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমল করো, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বর্ণনাকারী মূসার বর্ণনায় রয়েছেঃ “আশা করা যায়, মহান আল্লাহ” এবং বর্ণনাকারী ইবনু সিনান (রহঃ)-এর বর্ণনা রয়েছেঃ “আল্লাহ্ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরকে অবহিত করে বলেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমল করো, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।
حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد الرملي، أن الليث، حدثهم عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لا يدخل النار أحد ممن بايع تحت الشجرة " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد الرملي، أن الليث، حدثهم عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لا يدخل النار أحد ممن بايع تحت الشجرة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বর্ণনাকারী মূসার বর্ণনায় রয়েছেঃ “আশা করা যায়, মহান আল্লাহ” এবং বর্ণনাকারী ইবনু সিনান (রহঃ)-এর বর্ণনা রয়েছেঃ “আল্লাহ্ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরকে অবহিত করে বলেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমল করো, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বর্ণনাকারী মূসার বর্ণনায় রয়েছেঃ “আশা করা যায়, মহান আল্লাহ” এবং বর্ণনাকারী ইবনু সিনান (রহঃ)-এর বর্ণনা রয়েছেঃ “আল্লাহ্ বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরকে অবহিত করে বলেন, তোমরা যা ইচ্ছা আমল করো, অবশ্যই আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি।
حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد الرملي، أن الليث، حدثهم عن أبي الزبير، عن جابر، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " لا يدخل النار أحد ممن بايع تحت الشجرة " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৪
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد بن سلمة، ح وحدثنا أحمد بن سنان، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال موسى " فلعل الله " . وقال ابن سنان " اطلع الله على أهل بدر فقال اعملوا ما شئتم فقد غفرت لكم " .
আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার সময় রওয়ানা হলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তখন ‘উরওয়াহ ইবনু মাস’ঊদ এসে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আলাপ করতে লাগলো এবং সে বরাবর তাঁর দাড়ি মুবারকে হাত লাগালো। তখন মুগারাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং তার হাতে তরবারি ও মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। তিনি তার হাতে তরবারির হাতল দিয়ে আঘাত করে বললেন, তোমার হাত তাঁর দাড়ি থেকে সরাও। ‘উরওয়াহ মাথা তুলে বললো, ইনি কে? তারা বললেন, ইনি হলেন মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ)।
আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুদায়বিয়ার সময় রওয়ানা হলেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসটি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তখন ‘উরওয়াহ ইবনু মাস’ঊদ এসে নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে আলাপ করতে লাগলো এবং সে বরাবর তাঁর দাড়ি মুবারকে হাত লাগালো। তখন মুগারাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং তার হাতে তরবারি ও মাথায় শিরস্ত্রাণ ছিল। তিনি তার হাতে তরবারির হাতল দিয়ে আঘাত করে বললেন, তোমার হাত তাঁর দাড়ি থেকে সরাও। ‘উরওয়াহ মাথা তুলে বললো, ইনি কে? তারা বললেন, ইনি হলেন মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ)।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد بن سلمة، ح وحدثنا أحمد بن سنان، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قال موسى " فلعل الله " . وقال ابن سنان " اطلع الله على أهل بدر فقال اعملوا ما شئتم فقد غفرت لكم " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৫
حدثنا محمد بن عبيد، أن محمد بن ثور، حدثهم عن معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن المسور بن مخرمة، قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية فذكر الحديث . قال فأتاه - يعني عروة بن مسعود - فجعل يكلم النبي صلى الله عليه وسلم فكلما كلمه أخذ بلحيته والمغيرة بن شعبة قائم على رأس النبي صلى الله عليه وسلم ومعه السيف وعليه المغفر فضرب يده بنعل السيف وقال أخر يدك عن لحيته . فرفع عروة رأسه فقال من هذا قالوا المغيرة بن شعبة .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জিবরাঈল (আঃ) এসে আমার হাত ধরে আমার উম্মাত জান্নাতের যে দরজা দিয়ে তাতে প্রবেশ করবে তা দেখালেন। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একান্ত বাসনা যে, আমি তা দেখা পর্যন্ত আপনার সঙ্গে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ বাক্র! আমার উম্মাতের মধ্যে যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করতে সে তুমিই। [৪৬৫৪] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৬০২৪।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জিবরাঈল (আঃ) এসে আমার হাত ধরে আমার উম্মাত জান্নাতের যে দরজা দিয়ে তাতে প্রবেশ করবে তা দেখালেন। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একান্ত বাসনা যে, আমি তা দেখা পর্যন্ত আপনার সঙ্গে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ বাক্র! আমার উম্মাতের মধ্যে যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করতে সে তুমিই। [৪৬৫৪] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৬০২৪।
حدثنا محمد بن عبيد، أن محمد بن ثور، حدثهم عن معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن المسور بن مخرمة، قال خرج النبي صلى الله عليه وسلم زمن الحديبية فذكر الحديث . قال فأتاه - يعني عروة بن مسعود - فجعل يكلم النبي صلى الله عليه وسلم فكلما كلمه أخذ بلحيته والمغيرة بن شعبة قائم على رأس النبي صلى الله عليه وسلم ومعه السيف وعليه المغفر فضرب يده بنعل السيف وقال أخر يدك عن لحيته . فرفع عروة رأسه فقال من هذا قالوا المغيرة بن شعبة .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৬
حدثنا حفص بن عمر أبو عمر الضرير، حدثنا حماد بن سلمة، أن سعيد بن إياس الجريري، أخبرهم عن عبد الله بن شقيق العقيلي، عن الأقرع، مؤذن عمر بن الخطاب قال بعثني عمر إلى الأسقف فدعوته فقال له عمر وهل تجدني في الكتاب قال نعم . قال كيف تجدني قال أجدك قرنا . فرفع عليه الدرة فقال قرن مه فقال قرن حديد أمين شديد . قال كيف تجد الذي يجيء من بعدي فقال أجده خليفة صالحا غير أنه يؤثر قرابته . قال عمر يرحم الله عثمان ثلاثا فقال كيف تجد الذي بعده قال أجده صدأ حديد فوضع عمر يده على رأسه فقال يا دفراه يا دفراه . فقال يا أمير المؤمنين إنه خليفة صالح ولكنه يستخلف حين يستخلف والسيف مسلول والدم مهراق . قال أبو داود الدفر النتن .
উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর মুয়াজ্জিন আকরা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) আমাকে উশকুফ (খৃস্টানদের ধর্মগুরু)-এর নিকট প্রেরণ করলেন। আমি তাকে ডেকে আনলে ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি আমার সম্পর্কে কোন কিছু কিতাবে দেখতে পাও কি? তিনি বললেন, হাঁ। তিনি বললেন, আমাকে কিভাবে পাও। তিনি বললেন, আমি আপনাকে দুর্গ হিসেবে পাই। বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) তার উপর চাবুক তুলে বললেন, দুর্গ মানে? সে বললো, একটি লৌহ দুর্গ ও কঠোর আস্থাভাজন ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমার পরে যিনি আসবেন তাকে তুমি কেমন পাচ্ছো? তিনি বললেন, আমি তাকে পুন্যবান খলীফাহ হিসেবে পাচ্ছি, তবে তিনি আত্মীয়দের দ্বারা প্রভাবিত হবেন। ‘উমার (রাঃ) তিনবার বললেন, আল্লাহ্ ‘উসমানের উপর দয়া করুন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তারপর যিনি আসবেন তাকে কেমন পাচ্ছো? উশকুফ বলেন, তাঁকে লোহার মরিচা হিসেবে পাচ্ছি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর ‘উমার (রাঃ) তার হাত তার মাথায় রেখে বলেন, হে দুর্গন্ধ, হে দুর্গন্ধ! ধর্মগুরু বললো, হে আমীরুল মু’মিনীন! তিনি একজন সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ খলীফাহ, কিন্তু যখন তাকে নির্বাচন করা হবে তখন তরবারি কোষমুক্ত অবস্থায় থাকবে এবং হানাহানি চলবে। [৪৬৫৫] সানাদ দুর্বল।
উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর মুয়াজ্জিন আকরা’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উমার (রাঃ) আমাকে উশকুফ (খৃস্টানদের ধর্মগুরু)-এর নিকট প্রেরণ করলেন। আমি তাকে ডেকে আনলে ‘উমার (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি আমার সম্পর্কে কোন কিছু কিতাবে দেখতে পাও কি? তিনি বললেন, হাঁ। তিনি বললেন, আমাকে কিভাবে পাও। তিনি বললেন, আমি আপনাকে দুর্গ হিসেবে পাই। বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) তার উপর চাবুক তুলে বললেন, দুর্গ মানে? সে বললো, একটি লৌহ দুর্গ ও কঠোর আস্থাভাজন ব্যক্তি। তিনি বলেন, আমার পরে যিনি আসবেন তাকে তুমি কেমন পাচ্ছো? তিনি বললেন, আমি তাকে পুন্যবান খলীফাহ হিসেবে পাচ্ছি, তবে তিনি আত্মীয়দের দ্বারা প্রভাবিত হবেন। ‘উমার (রাঃ) তিনবার বললেন, আল্লাহ্ ‘উসমানের উপর দয়া করুন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তারপর যিনি আসবেন তাকে কেমন পাচ্ছো? উশকুফ বলেন, তাঁকে লোহার মরিচা হিসেবে পাচ্ছি। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর ‘উমার (রাঃ) তার হাত তার মাথায় রেখে বলেন, হে দুর্গন্ধ, হে দুর্গন্ধ! ধর্মগুরু বললো, হে আমীরুল মু’মিনীন! তিনি একজন সৎ ও ন্যায়নিষ্ঠ খলীফাহ, কিন্তু যখন তাকে নির্বাচন করা হবে তখন তরবারি কোষমুক্ত অবস্থায় থাকবে এবং হানাহানি চলবে। [৪৬৫৫] সানাদ দুর্বল।
حدثنا حفص بن عمر أبو عمر الضرير، حدثنا حماد بن سلمة، أن سعيد بن إياس الجريري، أخبرهم عن عبد الله بن شقيق العقيلي، عن الأقرع، مؤذن عمر بن الخطاب قال بعثني عمر إلى الأسقف فدعوته فقال له عمر وهل تجدني في الكتاب قال نعم . قال كيف تجدني قال أجدك قرنا . فرفع عليه الدرة فقال قرن مه فقال قرن حديد أمين شديد . قال كيف تجد الذي يجيء من بعدي فقال أجده خليفة صالحا غير أنه يؤثر قرابته . قال عمر يرحم الله عثمان ثلاثا فقال كيف تجد الذي بعده قال أجده صدأ حديد فوضع عمر يده على رأسه فقال يا دفراه يا دفراه . فقال يا أمير المؤمنين إنه خليفة صالح ولكنه يستخلف حين يستخلف والسيف مسلول والدم مهراق . قال أبو داود الدفر النتن .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩৯
حدثنا موسى بن عامر المري، حدثنا الوليد، حدثنا عبد الله بن العلاء، أنه سمع أبا الأعيس عبد الرحمن بن سلمان، يقول سيأتي ملك من ملوك العجم يظهر على المدائن كلها إلا دمشق .
আবদুল ‘আযীয ইবনুল ‘আলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবুল আ’য়াস ‘আবদুর রহমান ইবনু সালমান (রহঃ) -কে বলতে শুনেছেন, অচিরেই একজন বিদেশী বাদশাহ দামিস্ক ছাড়া অন্যান্য সকল শহরের উপর বিজয়ী হবে।
আবদুল ‘আযীয ইবনুল ‘আলা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবুল আ’য়াস ‘আবদুর রহমান ইবনু সালমান (রহঃ) -কে বলতে শুনেছেন, অচিরেই একজন বিদেশী বাদশাহ দামিস্ক ছাড়া অন্যান্য সকল শহরের উপর বিজয়ী হবে।
حدثنا موسى بن عامر المري، حدثنا الوليد، حدثنا عبد الله بن العلاء، أنه سمع أبا الأعيس عبد الرحمن بن سلمان، يقول سيأتي ملك من ملوك العجم يظهر على المدائن كلها إلا دمشق .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৩৩
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال فأبى أن يخبره .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ ঘটনাটি বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি তাকে ভুল-ত্রুটি অবহিত করতে অসম্মতি জানান।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ ঘটনাটি বর্ণিত। তিনি বলেন, তিনি তাকে ভুল-ত্রুটি অবহিত করতে অসম্মতি জানান।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سليمان بن كثير، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال فأبى أن يخبره .
সুনানে আবু দাউদ > রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবীগণের ফাযীলাত
সুনানে আবু দাউদ ৪৬৫৭
حدثنا عمرو بن عون، قال أنبأنا ح، وحدثنا مسدد، قال حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . والله أعلم أذكر الثالث أم لا " ثم يظهر قوم يشهدون ولا يستشهدون وينذرون ولا يوفون ويخونون ولا يؤتمنون ويفشو فيهم السمن " .
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তারা যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর যারা তাদের সঙ্গে সংলগ্ন, আল্লাহই ভালো জানেন যে, তিনি তৃতীয় স্তরটি উল্লেখ করেছেন কিনা। তারপর এমন সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা সাক্ষী হিসেবে তাদেরকে না ডাকা হলেও সাক্ষ্য দিবে। তার মান্নাত করে তা পূর্ণ করবে না, তারা আত্মসাৎ করবে এবং আমানতদার হবে না। আর তাদের মধ্যে মেদ-ভূঁড়ি প্রকাশ পাবে।
ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে সর্বোত্তম হলো তারা যাদের মধ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। অতঃপর যারা তাদের সঙ্গে সংলগ্ন, আল্লাহই ভালো জানেন যে, তিনি তৃতীয় স্তরটি উল্লেখ করেছেন কিনা। তারপর এমন সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা সাক্ষী হিসেবে তাদেরকে না ডাকা হলেও সাক্ষ্য দিবে। তার মান্নাত করে তা পূর্ণ করবে না, তারা আত্মসাৎ করবে এবং আমানতদার হবে না। আর তাদের মধ্যে মেদ-ভূঁড়ি প্রকাশ পাবে।
حدثنا عمرو بن عون، قال أنبأنا ح، وحدثنا مسدد، قال حدثنا أبو عوانة، عن قتادة، عن زرارة بن أوفى، عن عمران بن حصين، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خير أمتي القرن الذين بعثت فيهم ثم الذين يلونهم ثم الذين يلونهم " . والله أعلم أذكر الثالث أم لا " ثم يظهر قوم يشهدون ولا يستشهدون وينذرون ولا يوفون ويخونون ولا يؤتمنون ويفشو فيهم السمن " .