সুনানে আবু দাউদ > কুপ্রবৃত্তির অনুসারীদেরকে সালাম দেয়া
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، عن سمية، عن عائشة، رضى الله عنها أنه اعتل بعير لصفية بنت حيى وعند زينب فضل ظهر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لزينب " أعطيها بعيرا " . فقالت أنا أعطي تلك اليهودية فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فهجرها ذا الحجة والمحرم وبعض صفر .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই (রহঃ) -এর উট রোগাক্রান্ত হলো এবং যাইনাব (রহঃ) -এর নিকট তার অতিরিক্ত বাহন ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাইনাব (রহঃ) –কে তার বাহনটি সাফিয়্যাহ (রহঃ) -কে দিতে বললেন, যাইনাব (রহঃ) বললেন, আমি কি ঐ ইয়াহুদীনীকে দিবো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে নারাজ হলেন এবং যিলহাজ্জ, মুহাররম ও সফর মাসের কিছু দিন তার সংশ্রব পরিহার করলেন। [৪৬০১] দুর্বলঃ গায়াতুল মারাম হা/৪১০।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই (রহঃ) -এর উট রোগাক্রান্ত হলো এবং যাইনাব (রহঃ) -এর নিকট তার অতিরিক্ত বাহন ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাইনাব (রহঃ) –কে তার বাহনটি সাফিয়্যাহ (রহঃ) -কে দিতে বললেন, যাইনাব (রহঃ) বললেন, আমি কি ঐ ইয়াহুদীনীকে দিবো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাতে নারাজ হলেন এবং যিলহাজ্জ, মুহাররম ও সফর মাসের কিছু দিন তার সংশ্রব পরিহার করলেন। [৪৬০১] দুর্বলঃ গায়াতুল মারাম হা/৪১০।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، عن سمية، عن عائشة، رضى الله عنها أنه اعتل بعير لصفية بنت حيى وعند زينب فضل ظهر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لزينب " أعطيها بعيرا " . فقالت أنا أعطي تلك اليهودية فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فهجرها ذا الحجة والمحرم وبعض صفر .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০১
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عطاء الخراساني، عن يحيى بن يعمر، عن عمار بن ياسر، قال قدمت على أهلي وقد تشققت يداى فخلقوني بزعفران فغدوت على النبي صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فلم يرد على وقال " اذهب فاغسل هذا عنك " .
আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমার দুই হাত ফেটে গেলে আমি আমার পরিবার–পরিজনের নিকটে আসি। তারা আমাকে (হাতকে) জাফরান দ্বারা রাঙিয়ে দিলো। পরবর্তী দিন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে সালাম করলাম। কিন্তু তিনি আমার সালামের জবাব না দিয়ে বললেনঃ তুমি ফিরে গিয়ে তোমার হাতের রং ধুয়ে ফেলো।
আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমার দুই হাত ফেটে গেলে আমি আমার পরিবার–পরিজনের নিকটে আসি। তারা আমাকে (হাতকে) জাফরান দ্বারা রাঙিয়ে দিলো। পরবর্তী দিন আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তাঁকে সালাম করলাম। কিন্তু তিনি আমার সালামের জবাব না দিয়ে বললেনঃ তুমি ফিরে গিয়ে তোমার হাতের রং ধুয়ে ফেলো।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عطاء الخراساني، عن يحيى بن يعمر، عن عمار بن ياسر، قال قدمت على أهلي وقد تشققت يداى فخلقوني بزعفران فغدوت على النبي صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فلم يرد على وقال " اذهب فاغسل هذا عنك " .
সুনানে আবু দাউদ > কুরআন নিয়ে বিতর্ক করা নিষেধ
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৩
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يزيد، - يعني ابن هارون - أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراء في القرآن كفر " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ কুফরী।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ কুফরী।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يزيد، - يعني ابن هارون - أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراء في القرآن كفر " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৩
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يزيد، - يعني ابن هارون - أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراء في القرآن كفر " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ কুফরী।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ কুফরী।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يزيد، - يعني ابن هارون - أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراء في القرآن كفر " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৩
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يزيد، - يعني ابن هارون - أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراء في القرآن كفر " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ কুফরী।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ কুফরী।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يزيد، - يعني ابن هارون - أخبرنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراء في القرآن كفر " .
সুনানে আবু দাউদ > সুন্নাতের অনুসরণ আবশ্যক
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৫
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، وعبد الله بن محمد النفيلي، قالا حدثنا سفيان، عن أبي النضر، عن عبيد الله بن أبي رافع، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا ألفين أحدكم متكئا على أريكته يأتيه الأمر من أمري مما أمرت به أو نهيت عنه فيقول لا ندري ما وجدنا في كتاب الله اتبعناه " .
উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ অচিরেই তোমাদের মধ্যকার কোন ব্যক্তি তার গদি আঁটা আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকাবস্থায় তার নিকট আমার নির্দেশিত কোন কর্তব্য বা নিষেধাজ্ঞা পৌছাবে, তখন সে বলবে, আমি অবহিত নই। আমরা যা আল্লাহ্র কিতাবে পাবো শুধু তারই অনুসরন করবো।
উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ অচিরেই তোমাদের মধ্যকার কোন ব্যক্তি তার গদি আঁটা আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকাবস্থায় তার নিকট আমার নির্দেশিত কোন কর্তব্য বা নিষেধাজ্ঞা পৌছাবে, তখন সে বলবে, আমি অবহিত নই। আমরা যা আল্লাহ্র কিতাবে পাবো শুধু তারই অনুসরন করবো।
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، وعبد الله بن محمد النفيلي، قالا حدثنا سفيان، عن أبي النضر، عن عبيد الله بن أبي رافع، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا ألفين أحدكم متكئا على أريكته يأتيه الأمر من أمري مما أمرت به أو نهيت عنه فيقول لا ندري ما وجدنا في كتاب الله اتبعناه " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৬
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا إبراهيم بن سعد، ح وحدثنا محمد بن عيسى، حدثنا عبد الله بن جعفر المخرمي، وإبراهيم بن سعد، عن سعد بن إبراهيم، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أحدث في أمرنا هذا ما ليس فيه فهو رد " . قال ابن عيسى قال النبي صلى الله عليه وسلم " من صنع أمرا على غير أمرنا فهو رد " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু প্রবর্তন করবে যা তাতে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত। ইবনু ঈসা (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি আমাদের আচার–অনুষ্ঠানের বিপরীত কিছু প্রবর্তন করলে তা বর্জনীয়।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের এই দ্বীনের মধ্যে এমন কিছু প্রবর্তন করবে যা তাতে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত। ইবনু ঈসা (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি আমাদের আচার–অনুষ্ঠানের বিপরীত কিছু প্রবর্তন করলে তা বর্জনীয়।
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا إبراهيم بن سعد، ح وحدثنا محمد بن عيسى، حدثنا عبد الله بن جعفر المخرمي، وإبراهيم بن سعد، عن سعد بن إبراهيم، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أحدث في أمرنا هذا ما ليس فيه فهو رد " . قال ابن عيسى قال النبي صلى الله عليه وسلم " من صنع أمرا على غير أمرنا فهو رد " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৮
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، قال حدثني سليمان، - يعني ابن عتيق - عن طلق بن حبيب، عن الأحنف بن قيس، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ألا هلك المتنطعون " . ثلاث مرات .
আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সাবধান! চরমপন্থীরা ধ্বংস হয়েছে, তিনি এ কথা তিনবার বললেন।
আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সাবধান! চরমপন্থীরা ধ্বংস হয়েছে, তিনি এ কথা তিনবার বললেন।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، قال حدثني سليمان، - يعني ابن عتيق - عن طلق بن حبيب، عن الأحنف بن قيس، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ألا هلك المتنطعون " . ثلاث مرات .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৪
حدثنا عبد الوهاب بن نجدة، حدثنا أبو عمرو بن كثير بن دينار، عن حريز بن عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي عوف، عن المقدام بن معديكرب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " ألا إني أوتيت الكتاب ومثله معه ألا يوشك رجل شبعان على أريكته يقول عليكم بهذا القرآن فما وجدتم فيه من حلال فأحلوه وما وجدتم فيه من حرام فحرموه ألا لا يحل لكم لحم الحمار الأهلي ولا كل ذي ناب من السبع ولا لقطة معاهد إلا أن يستغني عنها صاحبها ومن نزل بقوم فعليهم أن يقروه فإن لم يقروه فله أن يعقبهم بمثل قراه " .
আল-মিক্বদাম ইবনু মা’দীকারিব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জেনে রাখো! আমাকে কিতাব এবং তার সঙ্গে অনুরূপ কিছু দেয়া হয়েছে। জেনে রাখো! এমন এক সময় আসবে যখন কোন প্রাচুর্যবান লোক তার আসনে বসে বলবে, তোমরা শুধু এ কুরআনকেই গ্রহন করো, তাতে যা হালাল পাবে তা হালাল এবং যা হারাম পাবে তা হারাম মেনে নিবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জেনে রাখো! গৃহপালিত গাধা তোমাদের জন্য হালাল নয় এবং ছেদন দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশুও নয়। অনুরুপ সন্ধিবদ্ধ অমুসলিম গোত্রের হারানো বস্তু তোমাদের জন্য হালাল নয়, অবশ্য যদি সে এর মুখাপেক্ষী না হয়। আর যখন কোন লোক কোন সম্প্রদায়ের নিকট আগন্তুক হিসাবে পৌঁছে তখন তাদের উচিত তার মেহমানদারী করা। যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদেরকে কষ্ট দিয়ে হলেও তার মেহমানদারীর পরিমান জিনিস আদায় করার অধিকার তার আছে।
আল-মিক্বদাম ইবনু মা’দীকারিব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ জেনে রাখো! আমাকে কিতাব এবং তার সঙ্গে অনুরূপ কিছু দেয়া হয়েছে। জেনে রাখো! এমন এক সময় আসবে যখন কোন প্রাচুর্যবান লোক তার আসনে বসে বলবে, তোমরা শুধু এ কুরআনকেই গ্রহন করো, তাতে যা হালাল পাবে তা হালাল এবং যা হারাম পাবে তা হারাম মেনে নিবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, জেনে রাখো! গৃহপালিত গাধা তোমাদের জন্য হালাল নয় এবং ছেদন দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশুও নয়। অনুরুপ সন্ধিবদ্ধ অমুসলিম গোত্রের হারানো বস্তু তোমাদের জন্য হালাল নয়, অবশ্য যদি সে এর মুখাপেক্ষী না হয়। আর যখন কোন লোক কোন সম্প্রদায়ের নিকট আগন্তুক হিসাবে পৌঁছে তখন তাদের উচিত তার মেহমানদারী করা। যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদেরকে কষ্ট দিয়ে হলেও তার মেহমানদারীর পরিমান জিনিস আদায় করার অধিকার তার আছে।
حدثنا عبد الوهاب بن نجدة، حدثنا أبو عمرو بن كثير بن دينار، عن حريز بن عثمان، عن عبد الرحمن بن أبي عوف، عن المقدام بن معديكرب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال " ألا إني أوتيت الكتاب ومثله معه ألا يوشك رجل شبعان على أريكته يقول عليكم بهذا القرآن فما وجدتم فيه من حلال فأحلوه وما وجدتم فيه من حرام فحرموه ألا لا يحل لكم لحم الحمار الأهلي ولا كل ذي ناب من السبع ولا لقطة معاهد إلا أن يستغني عنها صاحبها ومن نزل بقوم فعليهم أن يقروه فإن لم يقروه فله أن يعقبهم بمثل قراه " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ثور بن يزيد، قال حدثني خالد بن معدان، قال حدثني عبد الرحمن بن عمرو السلمي، وحجر بن حجر، قالا أتينا العرباض بن سارية وهو ممن نزل فيه { ولا على الذين إذا ما أتوك لتحملهم قلت لا أجد ما أحملكم عليه } فسلمنا وقلنا أتيناك زائرين وعائدين ومقتبسين . فقال العرباض صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم ثم أقبل علينا فوعظنا موعظة بليغة ذرفت منها العيون ووجلت منها القلوب فقال قائل يا رسول الله كأن هذه موعظة مودع فماذا تعهد إلينا فقال " أوصيكم بتقوى الله والسمع والطاعة وإن عبدا حبشيا فإنه من يعش منكم بعدي فسيرى اختلافا كثيرا فعليكم بسنتي وسنة الخلفاء المهديين الراشدين تمسكوا بها وعضوا عليها بالنواجذ وإياكم ومحدثات الأمور فإن كل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة " .
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আমর আস-সুলামী ও হুজর ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমরা আল-ইরবাদ ইবনু সারিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট আসলাম। যাদের সম্পর্কে এ আয়াত নাযিল হয়েছে তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত : “তাদেরও কোন অপরাধ নেই যারা তোমার নিকট বাহনের জন্য এলে তুমি বলেছিলে : আমি তোমাদের জন্য কোন বাহনের ব্যবস্থা করতে পারছি না” (সূরাহ আত-তাওবাহ : ৯২)। আমরা সালাম দিয়ে বললাম, আমরা আপনাকে দেখতে, আপনার অসুস্থতার খবর নিতে এবং আপনার কাছ থেকে কিছু অর্জন করতে এসেছি। আল-ইরবাদ (রাঃ) বললেন, একদিন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সলাত আদায় করলেন, অতঃপর আমাদের দিকে ফিরে আমাদের উদ্দেশে জ্বালাময়ী ভাষণ দিলেন, তাতে চোখগুলো অশ্রুসিক্ত হলো এবং অন্তরগুলো বিগলিত হলো। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহ্র রাসুল! এ যেন কারো বিদায়ী ভাষণ! অতএব আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন? তিনি বলেনঃ আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ভীতির, শ্রবণ ও আনুগত্যের উপদেশ দিচ্ছি, যদিও সে (আমীর) একজন হাবশী গোলাম হয়। কারণ তোমাদের মধ্যে যারা আমার পরে জীবিত থাকবে তারা অচিরেই প্রচুর মতবিরোধ দেখবে। তখন তোমরা অবশ্যই আমার সুন্নাত এবং আমার হিদায়াতপ্রাপ্ত খলীফাহ্গণের সুন্নাত অনুসরণ করবে, তা দাঁত দিয়ে কামড়ে আঁকড়ে থাকবে। সাবধান! (ধর্মে) প্রতিটি নবাবিষ্কার সম্পর্কে! কারণ প্রতিটি নবাবিষ্কার হলো বিদ’আত এবং প্রতিটি বিদ’আত হলো ভ্রষ্টতা।
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আমর আস-সুলামী ও হুজর ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আমরা আল-ইরবাদ ইবনু সারিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট আসলাম। যাদের সম্পর্কে এ আয়াত নাযিল হয়েছে তিনি তাদের অন্তর্ভুক্ত : “তাদেরও কোন অপরাধ নেই যারা তোমার নিকট বাহনের জন্য এলে তুমি বলেছিলে : আমি তোমাদের জন্য কোন বাহনের ব্যবস্থা করতে পারছি না” (সূরাহ আত-তাওবাহ : ৯২)। আমরা সালাম দিয়ে বললাম, আমরা আপনাকে দেখতে, আপনার অসুস্থতার খবর নিতে এবং আপনার কাছ থেকে কিছু অর্জন করতে এসেছি। আল-ইরবাদ (রাঃ) বললেন, একদিন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সলাত আদায় করলেন, অতঃপর আমাদের দিকে ফিরে আমাদের উদ্দেশে জ্বালাময়ী ভাষণ দিলেন, তাতে চোখগুলো অশ্রুসিক্ত হলো এবং অন্তরগুলো বিগলিত হলো। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহ্র রাসুল! এ যেন কারো বিদায়ী ভাষণ! অতএব আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন? তিনি বলেনঃ আমি তোমাদেরকে আল্লাহ্ভীতির, শ্রবণ ও আনুগত্যের উপদেশ দিচ্ছি, যদিও সে (আমীর) একজন হাবশী গোলাম হয়। কারণ তোমাদের মধ্যে যারা আমার পরে জীবিত থাকবে তারা অচিরেই প্রচুর মতবিরোধ দেখবে। তখন তোমরা অবশ্যই আমার সুন্নাত এবং আমার হিদায়াতপ্রাপ্ত খলীফাহ্গণের সুন্নাত অনুসরণ করবে, তা দাঁত দিয়ে কামড়ে আঁকড়ে থাকবে। সাবধান! (ধর্মে) প্রতিটি নবাবিষ্কার সম্পর্কে! কারণ প্রতিটি নবাবিষ্কার হলো বিদ’আত এবং প্রতিটি বিদ’আত হলো ভ্রষ্টতা।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ثور بن يزيد، قال حدثني خالد بن معدان، قال حدثني عبد الرحمن بن عمرو السلمي، وحجر بن حجر، قالا أتينا العرباض بن سارية وهو ممن نزل فيه { ولا على الذين إذا ما أتوك لتحملهم قلت لا أجد ما أحملكم عليه } فسلمنا وقلنا أتيناك زائرين وعائدين ومقتبسين . فقال العرباض صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم ثم أقبل علينا فوعظنا موعظة بليغة ذرفت منها العيون ووجلت منها القلوب فقال قائل يا رسول الله كأن هذه موعظة مودع فماذا تعهد إلينا فقال " أوصيكم بتقوى الله والسمع والطاعة وإن عبدا حبشيا فإنه من يعش منكم بعدي فسيرى اختلافا كثيرا فعليكم بسنتي وسنة الخلفاء المهديين الراشدين تمسكوا بها وعضوا عليها بالنواجذ وإياكم ومحدثات الأمور فإن كل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة " .
সুনানে আবু দাউদ > সুন্নাত অনুসরণের আহবান
সুনানে আবু দাউদ ৪৬০৯
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن جعفر - قال أخبرني العلاء، - يعني ابن عبد الرحمن - عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান সওয়াব পাবে, অথচ অনুসরণকারীর সওয়াব কমানো হবে না। অপরদিকে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান পাপে জর্জরিত হবে, তার অনুসারীর পাপ মোটেও কমানো হবে না।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান সওয়াব পাবে, অথচ অনুসরণকারীর সওয়াব কমানো হবে না। অপরদিকে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান পাপে জর্জরিত হবে, তার অনুসারীর পাপ মোটেও কমানো হবে না।
حدثنا يحيى بن أيوب، حدثنا إسماعيل، - يعني ابن جعفر - قال أخبرني العلاء، - يعني ابن عبد الرحمن - عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من دعا إلى هدى كان له من الأجر مثل أجور من تبعه لا ينقص ذلك من أجورهم شيئا ومن دعا إلى ضلالة كان عليه من الإثم مثل آثام من تبعه لا ينقص ذلك من آثامهم شيئا " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৩
حدثنا أحمد بن حنبل، قال حدثنا عبد الله بن يزيد، قال حدثنا سعيد، - يعني ابن أبي أيوب - قال أخبرني أبو صخر، عن نافع، قال كان لابن عمر صديق من أهل الشام يكاتبه فكتب إليه عبد الله بن عمر إنه بلغني أنك تكلمت في شىء من القدر فإياك أن تكتب إلى فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إنه سيكون في أمتي أقوام يكذبون بالقدر " .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিরিয়াতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর এক বন্ধু ছিলেন। তিনি তার সঙ্গে পত্র আদান প্রদান করতেন। একদা তিনি এই মর্মে চিঠি লিখে পাঠালেন, বিশ্বস্ত সুত্রে আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি তাক্বদীরের কোন বিষয়ে সমালোচনা করেছো। কাজেই এখন হতে তুমি আমাকে লিখবে না। আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে যারা তাক্বদীরকে অস্বীকার করবে।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সিরিয়াতে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর এক বন্ধু ছিলেন। তিনি তার সঙ্গে পত্র আদান প্রদান করতেন। একদা তিনি এই মর্মে চিঠি লিখে পাঠালেন, বিশ্বস্ত সুত্রে আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি তাক্বদীরের কোন বিষয়ে সমালোচনা করেছো। কাজেই এখন হতে তুমি আমাকে লিখবে না। আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে যারা তাক্বদীরকে অস্বীকার করবে।
حدثنا أحمد بن حنبل، قال حدثنا عبد الله بن يزيد، قال حدثنا سعيد، - يعني ابن أبي أيوب - قال أخبرني أبو صخر، عن نافع، قال كان لابن عمر صديق من أهل الشام يكاتبه فكتب إليه عبد الله بن عمر إنه بلغني أنك تكلمت في شىء من القدر فإياك أن تكتب إلى فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إنه سيكون في أمتي أقوام يكذبون بالقدر " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৫
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا خالد الحذاء، عن الحسن، في قوله تعالى { ولذلك خلقهم } قال خلق هؤلاء لهذه وهؤلاء لهذه .
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মহান আল্লাহ্র বানী “এবং তিনি তাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করেছেন” (সূরাহ্ হূদ : ১১৯)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি (আল্লাহ্) এদেরকে (মুমিনদের) এর (জান্নাতের) জন্য এবং এদেরকে (মুনাফিকদের) এজন্য (জাহান্নামের জন্য) সৃষ্টি করেছেন।
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মহান আল্লাহ্র বানী “এবং তিনি তাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করেছেন” (সূরাহ্ হূদ : ১১৯)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি (আল্লাহ্) এদেরকে (মুমিনদের) এর (জান্নাতের) জন্য এবং এদেরকে (মুনাফিকদের) এজন্য (জাহান্নামের জন্য) সৃষ্টি করেছেন।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا خالد الحذاء، عن الحسن، في قوله تعالى { ولذلك خلقهم } قال خلق هؤلاء لهذه وهؤلاء لهذه .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১১
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১১
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ইদরীস আল-খাওলানী ‘আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু ‘আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন মু’আয (রাঃ) কোন ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ্ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিত্বনাহ্ সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মুমিন, মুনাফিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বুড়ো, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, “লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি”। অতএব তোমরা তার এ বিদ’আত হতে বেঁচে থাকবে। কারণ দ্বীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পণ্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু’আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ্ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হাঁ, জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়ত জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) যুহ্রী (রহঃ) সুত্রে বলেন, মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন।
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، أن أبا إدريس الخولاني، عائذ الله أخبره أن يزيد بن عميرة وكان من أصحاب معاذ بن جبل أخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس إلا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما إن من ورائكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القرآن حتى يأخذه المؤمن والمنافق والرجل والمرأة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قائل أن يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرأت القرآن ما هم بمتبعي حتى أبتدع لهم غيره فإياكم وما ابتدع فإن ما ابتدع ضلالة وأحذركم زيغة الحكيم فإن الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله أن الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وأن المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فإنه لعله أن يراجع وتلق الحق إذا سمعته فإن على الحق نورا . قال أبو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينئينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن إسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما أراد بهذه الكلمة .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৪
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৪
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরও বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোন উপায় ছিল না। আমি বললাম, আল্লাহ্র বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুন : “তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” (সূরাহ্ আস-সাফ্ফাত : ১৬২-১৬৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ্ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا أبا سعيد أخبرني عن آدم، للسماء خلق أم للأرض قال لا بل للأرض . قلت أرأيت لو اعتصم فلم يأكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت أخبرني عن قوله تعالى { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إن الشياطين لا يفتنون بضلالتهم إلا من أوجب الله عليه الجحيم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১২
حدثنا محمد بن كثير، قال حدثنا سفيان، قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر، ح وحدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، قال حدثنا أسد بن موسى، قال حدثنا حماد بن دليل، قال سمعت سفيان الثوري، يحدثنا عن النضر، ح وحدثنا هناد بن السري، عن قبيصة، قال حدثنا أبو رجاء، عن أبي الصلت، - وهذا لفظ حديث ابن كثير ومعناهم - قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر فكتب أما بعد أوصيك بتقوى الله والاقتصاد في أمره واتباع سنة نبيه صلى الله عليه وسلم وترك ما أحدث المحدثون بعد ما جرت به سنته وكفوا مؤنته فعليك بلزوم السنة فإنها لك بإذن الله عصمة ثم اعلم أنه لم يبتدع الناس بدعة إلا قد مضى قبلها ما هو دليل عليها أو عبرة فيها فإن السنة إنما سنها من قد علم ما في خلافها ولم يقل ابن كثير من قد علم . من الخطإ والزلل والحمق والتعمق فارض لنفسك ما رضي به القوم لأنفسهم فإنهم على علم وقفوا وببصر نافذ كفوا ولهم على كشف الأمور كانوا أقوى وبفضل ما كانوا فيه أولى فإن كان الهدى ما أنتم عليه لقد سبقتموهم إليه ولئن قلتم إنما حدث بعدهم . ما أحدثه إلا من اتبع غير سبيلهم ورغب بنفسه عنهم فإنهم هم السابقون فقد تكلموا فيه بما يكفي ووصفوا منه ما يشفي فما دونهم من مقصر وما فوقهم من محسر وقد قصر قوم دونهم فجفوا وطمح عنهم أقوام فغلوا وإنهم بين ذلك لعلى هدى مستقيم كتبت تسأل عن الإقرار بالقدر فعلى الخبير بإذن الله وقعت ما أعلم ما أحدث الناس من محدثة ولا ابتدعوا من بدعة هي أبين أثرا ولا أثبت أمرا من الإقرار بالقدر لقد كان ذكره في الجاهلية الجهلاء يتكلمون به في كلامهم وفي شعرهم يعزون به أنفسهم على ما فاتهم ثم لم يزده الإسلام بعد إلا شدة ولقد ذكره رسول الله صلى الله عليه وسلم في غير حديث ولا حديثين وقد سمعه منه المسلمون فتكلموا به في حياته وبعد وفاته يقينا وتسليما لربهم وتضعيفا لأنفسهم أن يكون شىء لم يحط به علمه ولم يحصه كتابه ولم يمض فيه قدره وإنه مع ذلك لفي محكم كتابه منه اقتبسوه ومنه تعلموه ولئن قلتم لم أنزل الله آية كذا ولم قال كذا . لقد قرءوا منه ما قرأتم وعلموا من تأويله ما جهلتم وقالوا بعد ذلك كله بكتاب وقدر وكتبت الشقاوة وما يقدر يكن وما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن ولا نملك لأنفسنا ضرا ولا نفعا ثم رغبوا بعد ذلك ورهبوا .
আবুস্ সালত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ)-এর নিকট তাক্বদীর সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি লিখলো। উত্তরে তিনি লিখেন, অতঃপর আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি, আল্লাহ্কে ভয় করো, ভারসাম্যপূর্ণভাবে তাঁর হুকুম মেনে চলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাতের অনুসরণ করো, তাঁর আদর্শ প্রতিষ্ঠা লাভের ও সংরক্ষিত হওয়ার পর বিদ’আতীদের বিদ’আত বর্জন করো। সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা তোমার কর্তব্য। কারণ এ সুন্নাত তোমাদের জন্য আল্লাহ্র অনুমতিক্রমে রক্ষাকবজ। জেনে রাখো! মানুষ এমন কোন বিদ’আত করেনি যার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি বা তার বিরুদ্ধে এমন কোন শিক্ষা নেই যা তার ভ্রান্তি প্রমাণ করে। কেননা সুন্নাতকে এমন এক ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন, যিনি সুন্নাতের বিপরীত সম্বন্ধে অবগত। আর ইবনু ফাসির তার বর্ণনায় “তিনি জানতেন ভুলত্রুটি, অজ্ঞতা ও গোঁড়ামি সম্পর্কে” একথাগুলো উল্লেখ করেননি। কাজেই তুমি নিজের জন্য ঐ পথ বেছে নিবে যা তোমার পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ তাদের নিজেদের জন্য অবলম্বন করেছেন। কারণ তারা যা জানতে পেরেছেন তার পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তীক্ষ্ণ দূরদর্শিতার সঙ্গে বিরত থেকেছেন এবং তারা দ্বীন সম্পর্কে পারদর্শী ছিলেন, আর যা করতে তারা নিষেধ করেছেন, তা জেনে-শুনেই নিষেধ করেছেন। তারা দ্বীনের অর্থ উপলব্ধির ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে অনেক জ্ঞানী ছিলেন। আর তোমাদের মতাদর্শ যদি সঠিক পথ হয় তাহলে তোমরা তাদেরকে ডিঙ্গিয়ে গেলে। আর যদি তোমরা বল যে, তারা দ্বীনের মধ্যে নতুন কথা উদ্ভাবন করেছেন তবে বলো, পূর্ববর্তী লোকেরাই উত্তম ছিলেন এবং তারা এদের তুলনায় অগ্রগামী ছিলেন। যতোটুকু বর্ণনা করার তা তারা বর্ণনা করেছেন, আর যতোটুকু বলার প্রয়োজন তা তারা বলেছেন। এর অতিরিক্ত বা এর কমও বলার নেই। আর এক গোত্র তাদেরকে উপেক্ষা করে কিছু কমিয়েছে, তারা সঠিক পথ হতে সরে গেছে, আর যারা বাড়িয়েছে তারা সীমা লঙ্ঘন করেছে। আর পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ ছিলেন এর মাঝামাঝি সঠিক পথের অনুসারী। পত্রে তুমি তাক্বদীরে বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে চেয়ে লিখেছো। আল্লাহ্র অনুগ্রহে তুমি এমন ব্যক্তির নিকট এ বিষয়ে জানতে চেয়েছো যিনি এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ। আমার জানা মতে, তাক্বদীরে বিশ্বাসের উপর বিদ’আতীদের নবতর মতবাদ প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এটা কোন নতুন বিষয় নয়, জাহিলিয়াতের সময়ও এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। অজ্ঞ লোকেরা তখনও তাদের আলোচনা ও কবিতায় এ বিষয়টি উল্লেখ করতো এবং তাদের ব্যর্থতার জন্য তাক্বদীরকে দায়ী করতো। ইসলাম এসে এ ধারণাকে আরো বদ্ধমূল করেছে এবং এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক হাদীস উল্লেখ করেছেন। আর মুসলিমগণ তাঁর নিকট সরাসরি শুনেছে এবং তাঁর জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরে পরস্পর আলোচনা করেছে। তারা অন্তরে বিশ্বাস রেখে, তাদের রবের অনুগত হয়ে, নিজেদেরকে অক্ষম মনে করে এ বিশ্বাস স্থাপন করেছে যে, এমন কোন বস্তু নেই যা আল্লাহ্র জ্ঞান, কিতাব ও তাক্বদীর বহির্ভূত। এছাড়া তা আল্লাহ্র আমোঘ কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। আর যদি তোমরা বলো, কেন আল্লাহ্ এ আয়াত নাযিল করেছেন এবং কেন একথা বলেছেন, তবে জেনে রাখো! তারাও কিতাবের ঐসব বিষয় পড়েছেন যা তোমরা পড়ছো; উপরন্তু তারা সেসব ব্যাখ্যা অবহিত ছিলেন যা তোমরা জানো না। এতদসত্ত্বেও তারা বলেছেন, সবকিছু আল্লাহ্র কিতাব ও তাক্বদীর অনুযায়ী সংঘটিত হয়ে থাকে। আল্লাহ্ যা নির্ধারণ করেছেন তা অবশ্যই ঘটবে, আল্লাহ্ যা চান তাই হয় এবং যা চান না তা হয় না। লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই আমরা নিজেদের জন্য করতে সক্ষম নই। অতঃপর তারা ভালো কাজের প্রতি উৎসাহী ও খারাপ কাজের ব্যাপারে সাবধান হয়েছেন।
আবুস্ সালত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি ‘উমার ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ)-এর নিকট তাক্বদীর সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি লিখলো। উত্তরে তিনি লিখেন, অতঃপর আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি, আল্লাহ্কে ভয় করো, ভারসাম্যপূর্ণভাবে তাঁর হুকুম মেনে চলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাতের অনুসরণ করো, তাঁর আদর্শ প্রতিষ্ঠা লাভের ও সংরক্ষিত হওয়ার পর বিদ’আতীদের বিদ’আত বর্জন করো। সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা তোমার কর্তব্য। কারণ এ সুন্নাত তোমাদের জন্য আল্লাহ্র অনুমতিক্রমে রক্ষাকবজ। জেনে রাখো! মানুষ এমন কোন বিদ’আত করেনি যার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোন প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি বা তার বিরুদ্ধে এমন কোন শিক্ষা নেই যা তার ভ্রান্তি প্রমাণ করে। কেননা সুন্নাতকে এমন এক ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন, যিনি সুন্নাতের বিপরীত সম্বন্ধে অবগত। আর ইবনু ফাসির তার বর্ণনায় “তিনি জানতেন ভুলত্রুটি, অজ্ঞতা ও গোঁড়ামি সম্পর্কে” একথাগুলো উল্লেখ করেননি। কাজেই তুমি নিজের জন্য ঐ পথ বেছে নিবে যা তোমার পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ তাদের নিজেদের জন্য অবলম্বন করেছেন। কারণ তারা যা জানতে পেরেছেন তার পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তীক্ষ্ণ দূরদর্শিতার সঙ্গে বিরত থেকেছেন এবং তারা দ্বীন সম্পর্কে পারদর্শী ছিলেন, আর যা করতে তারা নিষেধ করেছেন, তা জেনে-শুনেই নিষেধ করেছেন। তারা দ্বীনের অর্থ উপলব্ধির ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে অনেক জ্ঞানী ছিলেন। আর তোমাদের মতাদর্শ যদি সঠিক পথ হয় তাহলে তোমরা তাদেরকে ডিঙ্গিয়ে গেলে। আর যদি তোমরা বল যে, তারা দ্বীনের মধ্যে নতুন কথা উদ্ভাবন করেছেন তবে বলো, পূর্ববর্তী লোকেরাই উত্তম ছিলেন এবং তারা এদের তুলনায় অগ্রগামী ছিলেন। যতোটুকু বর্ণনা করার তা তারা বর্ণনা করেছেন, আর যতোটুকু বলার প্রয়োজন তা তারা বলেছেন। এর অতিরিক্ত বা এর কমও বলার নেই। আর এক গোত্র তাদেরকে উপেক্ষা করে কিছু কমিয়েছে, তারা সঠিক পথ হতে সরে গেছে, আর যারা বাড়িয়েছে তারা সীমা লঙ্ঘন করেছে। আর পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ ছিলেন এর মাঝামাঝি সঠিক পথের অনুসারী। পত্রে তুমি তাক্বদীরে বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে চেয়ে লিখেছো। আল্লাহ্র অনুগ্রহে তুমি এমন ব্যক্তির নিকট এ বিষয়ে জানতে চেয়েছো যিনি এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ। আমার জানা মতে, তাক্বদীরে বিশ্বাসের উপর বিদ’আতীদের নবতর মতবাদ প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এটা কোন নতুন বিষয় নয়, জাহিলিয়াতের সময়ও এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। অজ্ঞ লোকেরা তখনও তাদের আলোচনা ও কবিতায় এ বিষয়টি উল্লেখ করতো এবং তাদের ব্যর্থতার জন্য তাক্বদীরকে দায়ী করতো। ইসলাম এসে এ ধারণাকে আরো বদ্ধমূল করেছে এবং এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনেক হাদীস উল্লেখ করেছেন। আর মুসলিমগণ তাঁর নিকট সরাসরি শুনেছে এবং তাঁর জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরে পরস্পর আলোচনা করেছে। তারা অন্তরে বিশ্বাস রেখে, তাদের রবের অনুগত হয়ে, নিজেদেরকে অক্ষম মনে করে এ বিশ্বাস স্থাপন করেছে যে, এমন কোন বস্তু নেই যা আল্লাহ্র জ্ঞান, কিতাব ও তাক্বদীর বহির্ভূত। এছাড়া তা আল্লাহ্র আমোঘ কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। আর যদি তোমরা বলো, কেন আল্লাহ্ এ আয়াত নাযিল করেছেন এবং কেন একথা বলেছেন, তবে জেনে রাখো! তারাও কিতাবের ঐসব বিষয় পড়েছেন যা তোমরা পড়ছো; উপরন্তু তারা সেসব ব্যাখ্যা অবহিত ছিলেন যা তোমরা জানো না। এতদসত্ত্বেও তারা বলেছেন, সবকিছু আল্লাহ্র কিতাব ও তাক্বদীর অনুযায়ী সংঘটিত হয়ে থাকে। আল্লাহ্ যা নির্ধারণ করেছেন তা অবশ্যই ঘটবে, আল্লাহ্ যা চান তাই হয় এবং যা চান না তা হয় না। লাভ বা ক্ষতি কোন কিছুই আমরা নিজেদের জন্য করতে সক্ষম নই। অতঃপর তারা ভালো কাজের প্রতি উৎসাহী ও খারাপ কাজের ব্যাপারে সাবধান হয়েছেন।
حدثنا محمد بن كثير، قال حدثنا سفيان، قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر، ح وحدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، قال حدثنا أسد بن موسى، قال حدثنا حماد بن دليل، قال سمعت سفيان الثوري، يحدثنا عن النضر، ح وحدثنا هناد بن السري، عن قبيصة، قال حدثنا أبو رجاء، عن أبي الصلت، - وهذا لفظ حديث ابن كثير ومعناهم - قال كتب رجل إلى عمر بن عبد العزيز يسأله عن القدر فكتب أما بعد أوصيك بتقوى الله والاقتصاد في أمره واتباع سنة نبيه صلى الله عليه وسلم وترك ما أحدث المحدثون بعد ما جرت به سنته وكفوا مؤنته فعليك بلزوم السنة فإنها لك بإذن الله عصمة ثم اعلم أنه لم يبتدع الناس بدعة إلا قد مضى قبلها ما هو دليل عليها أو عبرة فيها فإن السنة إنما سنها من قد علم ما في خلافها ولم يقل ابن كثير من قد علم . من الخطإ والزلل والحمق والتعمق فارض لنفسك ما رضي به القوم لأنفسهم فإنهم على علم وقفوا وببصر نافذ كفوا ولهم على كشف الأمور كانوا أقوى وبفضل ما كانوا فيه أولى فإن كان الهدى ما أنتم عليه لقد سبقتموهم إليه ولئن قلتم إنما حدث بعدهم . ما أحدثه إلا من اتبع غير سبيلهم ورغب بنفسه عنهم فإنهم هم السابقون فقد تكلموا فيه بما يكفي ووصفوا منه ما يشفي فما دونهم من مقصر وما فوقهم من محسر وقد قصر قوم دونهم فجفوا وطمح عنهم أقوام فغلوا وإنهم بين ذلك لعلى هدى مستقيم كتبت تسأل عن الإقرار بالقدر فعلى الخبير بإذن الله وقعت ما أعلم ما أحدث الناس من محدثة ولا ابتدعوا من بدعة هي أبين أثرا ولا أثبت أمرا من الإقرار بالقدر لقد كان ذكره في الجاهلية الجهلاء يتكلمون به في كلامهم وفي شعرهم يعزون به أنفسهم على ما فاتهم ثم لم يزده الإسلام بعد إلا شدة ولقد ذكره رسول الله صلى الله عليه وسلم في غير حديث ولا حديثين وقد سمعه منه المسلمون فتكلموا به في حياته وبعد وفاته يقينا وتسليما لربهم وتضعيفا لأنفسهم أن يكون شىء لم يحط به علمه ولم يحصه كتابه ولم يمض فيه قدره وإنه مع ذلك لفي محكم كتابه منه اقتبسوه ومنه تعلموه ولئن قلتم لم أنزل الله آية كذا ولم قال كذا . لقد قرءوا منه ما قرأتم وعلموا من تأويله ما جهلتم وقالوا بعد ذلك كله بكتاب وقدر وكتبت الشقاوة وما يقدر يكن وما شاء الله كان وما لم يشأ لم يكن ولا نملك لأنفسنا ضرا ولا نفعا ثم رغبوا بعد ذلك ورهبوا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৬
حدثنا أبو كامل، حدثنا إسماعيل، حدثنا خالد الحذاء، قال قلت للحسن { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إلا من أوجب الله تعالى عليه أنه يصلى الجحيم .
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে “তোমরা কেউই কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শুধু তাদেরকেই শয়তান পথভ্রষ্ট করতে পারবে যাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাকে আল্লাহ্ অবধারিত করেছেন।
খালিদ আল-হায্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে “তোমরা কেউই কাউকে আল্লাহ্ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত” এ আয়াতের অর্থ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, শুধু তাদেরকেই শয়তান পথভ্রষ্ট করতে পারবে যাদের জাহান্নামে প্রবেশ করাকে আল্লাহ্ অবধারিত করেছেন।
حدثنا أبو كامل، حدثنا إسماعيل، حدثنا خالد الحذاء، قال قلت للحسن { ما أنتم عليه بفاتنين * إلا من هو صال الجحيم } قال إلا من أوجب الله تعالى عليه أنه يصلى الجحيم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৯
حدثنا ابن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن حميد الطويل، عن الحسن، { كذلك نسلكه في قلوب المجرمين } قال الشرك .
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর বাণী, “এভাবে আমি পাপীদের অন্তরে তা সঞ্চার করি” (সূরাহ আল-হিজরঃ ১২)। এর অর্থ হচ্ছে, শিরক।
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর বাণী, “এভাবে আমি পাপীদের অন্তরে তা সঞ্চার করি” (সূরাহ আল-হিজরঃ ১২)। এর অর্থ হচ্ছে, শিরক।
حدثنا ابن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن حميد الطويل، عن الحسن، { كذلك نسلكه في قلوب المجرمين } قال الشرك .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৫
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، قال قال لي الحسن ما أنا بعائد، إلى شىء منه أبدا .
আইয়ূব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) আমাকে বলেছেন, আমি আর কখনো এ ধরণের কথা বলবো না।
আইয়ূব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) আমাকে বলেছেন, আমি আর কখনো এ ধরণের কথা বলবো না।
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، قال قال لي الحسن ما أنا بعائد، إلى شىء منه أبدا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৪
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا مؤمل بن إسماعيل، حدثنا حماد بن زيد، عن ابن عون، قال لو علمنا أن كلمة، الحسن تبلغ ما بلغت لكتبنا برجوعه كتابا وأشهدنا عليه شهودا ولكنا قلنا كلمة خرجت لا تحمل .
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি আমরা জানতাম, হাসান বাসরীর (রহঃ) উক্তি এতোটা প্রসিদ্ধি লাভ করবে তাহলে অবশ্যই আমরা তার নিকট গিয়ে একটি কিতাব লিখতাম এবং লোকদেরকে সাক্ষী বানাতাম। কিন্তু আমরা একটি কথা বলেছি, এখন কে তা প্রসিদ্ধ করবে।
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি আমরা জানতাম, হাসান বাসরীর (রহঃ) উক্তি এতোটা প্রসিদ্ধি লাভ করবে তাহলে অবশ্যই আমরা তার নিকট গিয়ে একটি কিতাব লিখতাম এবং লোকদেরকে সাক্ষী বানাতাম। কিন্তু আমরা একটি কথা বলেছি, এখন কে তা প্রসিদ্ধ করবে।
حدثنا ابن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا مؤمل بن إسماعيل، حدثنا حماد بن زيد، عن ابن عون، قال لو علمنا أن كلمة، الحسن تبلغ ما بلغت لكتبنا برجوعه كتابا وأشهدنا عليه شهودا ولكنا قلنا كلمة خرجت لا تحمل .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২১
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا سليم، عن ابن عون، قال كنت أسير بالشام فناداني رجل من خلفي فالتفت فإذا رجاء بن حيوة فقال يا أبا عون ما هذا الذي يذكرون عن الحسن قال قلت إنهم يكذبون على الحسن كثيرا .
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় সফর করছিলাম। তখন এক ব্যক্তি আমার পিছন হতে আমাকে ডাকলো। আমি তাকিয়ে দেখি, তিনি রাজা ‘ইবনু হাইওয়াহ। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ ‘আওন! তারা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এসব কি বলছে! ইবনু ‘আওন বলেন। আমি বললাম, তারা হাসান বাসরীর (রহঃ) উপর অনেক মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
ইবনু ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় সফর করছিলাম। তখন এক ব্যক্তি আমার পিছন হতে আমাকে ডাকলো। আমি তাকিয়ে দেখি, তিনি রাজা ‘ইবনু হাইওয়াহ। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ ‘আওন! তারা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এসব কি বলছে! ইবনু ‘আওন বলেন। আমি বললাম, তারা হাসান বাসরীর (রহঃ) উপর অনেক মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا سليم، عن ابن عون، قال كنت أسير بالشام فناداني رجل من خلفي فالتفت فإذا رجاء بن حيوة فقال يا أبا عون ما هذا الذي يذكرون عن الحسن قال قلت إنهم يكذبون على الحسن كثيرا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৬
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا عثمان بن عثمان، عن عثمان البتي، قال ما فسر الحسن آية قط إلا على الإثبات .
উসমান আল্-বাত্তী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) যখন কোন আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন, তখন তাকদীরকে প্রমাণ করতেন।
উসমান আল্-বাত্তী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হাসান বাসরী (রহঃ) যখন কোন আয়াতের ব্যাখ্যা করতেন, তখন তাকদীরকে প্রমাণ করতেন।
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا عثمان بن عثمان، عن عثمان البتي، قال ما فسر الحسن آية قط إلا على الإثبات .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১০
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أعظم المسلمين في المسلمين جرما من سأل عن أمر لم يحرم فحرم على الناس من أجل مسألته " .
‘আমির ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে তার পিতার সুত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বস্তু হারাম না হওয়া সত্ত্বেও কোন মুসলিম ব্যক্তির প্রশ্ন করার কারণে হারাম হয়েছে, সে মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধী।
‘আমির ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে তার পিতার সুত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে বস্তু হারাম না হওয়া সত্ত্বেও কোন মুসলিম ব্যক্তির প্রশ্ন করার কারণে হারাম হয়েছে, সে মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধী।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن أعظم المسلمين في المسلمين جرما من سأل عن أمر لم يحرم فحرم على الناس من أجل مسألته " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৭
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا حماد، قال أخبرني حميد، قال كان الحسن يقول لأن يسقط من السماء إلى الأرض أحب إليه من أن يقول الأمر بيدي .
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বলতেন, তার আকাশ (জান্নাত) হতে যমীনে পতিত হওয়া এ কথা বলা তার নিকট এটা কথা বলার চেয়ে উত্তম যে, ‘বিষয়টি আমারই কর্তৃত্বে।’
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বলতেন, তার আকাশ (জান্নাত) হতে যমীনে পতিত হওয়া এ কথা বলা তার নিকট এটা কথা বলার চেয়ে উত্তম যে, ‘বিষয়টি আমারই কর্তৃত্বে।’
حدثنا هلال بن بشر، قال حدثنا حماد، قال أخبرني حميد، قال كان الحسن يقول لأن يسقط من السماء إلى الأرض أحب إليه من أن يقول الأمر بيدي .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২০
حدثنا محمد بن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن رجل، قد سماه غير ابن كثير عن سفيان، عن عبيد الصيد، عن الحسن، في قول الله عز وجل { وحيل بينهم وبين ما يشتهون } قال بينهم وبين الإيمان .
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর এ বাণী “তাদের ও এদের বাসনার মধ্যে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা হয়েছে” (সূরাহ সাবাঃ ৫৪)- সম্পর্কে বলেন, তাদের ও ঈমানের মধ্যে।
হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর এ বাণী “তাদের ও এদের বাসনার মধ্যে প্রতিবন্ধক সৃষ্টি করা হয়েছে” (সূরাহ সাবাঃ ৫৪)- সম্পর্কে বলেন, তাদের ও ঈমানের মধ্যে।
حدثنا محمد بن كثير، قال أخبرنا سفيان، عن رجل، قد سماه غير ابن كثير عن سفيان، عن عبيد الصيد، عن الحسن، في قول الله عز وجل { وحيل بينهم وبين ما يشتهون } قال بينهم وبين الإيمان .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২৩
حدثنا ابن المثنى، أن يحيى بن كثير العنبري، حدثهم قال كان قرة بن خالد يقول لنا يا فتيان لا تغلبوا على الحسن فإنه كان رأيه السنة والصواب .
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর আল-আসবারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুররাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) আমাদেরকে বলতেন, হে যুবক সমাজ! তোমরা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এরূপ ধারণা করো না যে, তিনি তাক্বদীর বিরোধী ছিলেন। কারণ, তার অভিমত ছিল সুন্নাত মোতাবেক ও সঠিক।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু কাসীর আল-আসবারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
কুররাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) আমাদেরকে বলতেন, হে যুবক সমাজ! তোমরা হাসান বাসরী (রহঃ) সম্পর্কে এরূপ ধারণা করো না যে, তিনি তাক্বদীর বিরোধী ছিলেন। কারণ, তার অভিমত ছিল সুন্নাত মোতাবেক ও সঠিক।
حدثنا ابن المثنى، أن يحيى بن كثير العنبري، حدثهم قال كان قرة بن خالد يقول لنا يا فتيان لا تغلبوا على الحسن فإنه كان رأيه السنة والصواب .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬১৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، حدثنا حميد، قال قدم علينا الحسن مكة فكلمني فقهاء أهل مكة أن أكلمه في أن يجلس لهم يوما يعظهم فيه . فقال نعم . فاجتمعوا فخطبهم فما رأيت أخطب منه فقال رجل يا أبا سعيد من خلق الشيطان فقال سبحان الله هل من خالق غير الله خلق الله الشيطان وخلق الخير وخلق الشر . قال الرجل قاتلهم الله كيف يكذبون على هذا الشيخ .
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বসরাহ থেকে মাক্কাহ্য় আমাদের নিকট আগমন করলে মাক্কাহ্র ফকীহগণ আমাকে তার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দিলেন যে, তিনি তাদের উদ্দেশ্যে এক সমাবেশে যেন ভাষণ দেন। তিনি তাতে সম্মত হলে তারা একত্র হলেন এবং তিনি তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। আমি তার চেয়ে উত্তম বক্তা আর দেখিনি। এক ব্যক্তি বললো, হে আবূ সাঈদ! শয়তানকে কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ ছাড়া কি অন্য কোন সৃষ্টিকর্তা আছে? মহান আল্লাহ শয়তান, ভাল-মন্দ সবই সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বললো, আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! কি করে তারা এ শাইখের উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
হুমাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হাসান বাসরী (রহঃ) বসরাহ থেকে মাক্কাহ্য় আমাদের নিকট আগমন করলে মাক্কাহ্র ফকীহগণ আমাকে তার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দিলেন যে, তিনি তাদের উদ্দেশ্যে এক সমাবেশে যেন ভাষণ দেন। তিনি তাতে সম্মত হলে তারা একত্র হলেন এবং তিনি তাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। আমি তার চেয়ে উত্তম বক্তা আর দেখিনি। এক ব্যক্তি বললো, হে আবূ সাঈদ! শয়তানকে কে সৃষ্টি করেছেন? তিনি বললেন, সুবহানাল্লাহ! আল্লাহ ছাড়া কি অন্য কোন সৃষ্টিকর্তা আছে? মহান আল্লাহ শয়তান, ভাল-মন্দ সবই সৃষ্টি করেছেন। লোকটি বললো, আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করুন! কি করে তারা এ শাইখের উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، حدثنا حميد، قال قدم علينا الحسن مكة فكلمني فقهاء أهل مكة أن أكلمه في أن يجلس لهم يوما يعظهم فيه . فقال نعم . فاجتمعوا فخطبهم فما رأيت أخطب منه فقال رجل يا أبا سعيد من خلق الشيطان فقال سبحان الله هل من خالق غير الله خلق الله الشيطان وخلق الخير وخلق الشر . قال الرجل قاتلهم الله كيف يكذبون على هذا الشيخ .
সুনানে আবু দাউদ ৪৬২২
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد، قال سمعت أيوب، يقول كذب على الحسن ضربان من الناس قوم القدر رأيهم وهم يريدون أن ينفقوا بذلك رأيهم وقوم له في قلوبهم شنآن وبغض يقولون أليس من قوله كذا أليس من قوله كذا
হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আইয়ূবকে বলতে শুনেছি, দু’ধরণের লোক হাসান বাসরী (রহঃ) -এর উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এক. তাক্বদীর অস্বীকারকারীরা, তাদের এরূপ মিথ্যা বলার কারণ হলো তাদের ধারণা, এরূপ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সন্দেহের মধ্যে ফেলা যাবে। দুই. যারা তার ব্যাপারে অন্তরে শত্রুতা ও হিংসা রাখে। তারা বলে থাকে, তিনি কি এই এই বলেননি?
হাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি আইয়ূবকে বলতে শুনেছি, দু’ধরণের লোক হাসান বাসরী (রহঃ) -এর উপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। এক. তাক্বদীর অস্বীকারকারীরা, তাদের এরূপ মিথ্যা বলার কারণ হলো তাদের ধারণা, এরূপ প্রচারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সন্দেহের মধ্যে ফেলা যাবে। দুই. যারা তার ব্যাপারে অন্তরে শত্রুতা ও হিংসা রাখে। তারা বলে থাকে, তিনি কি এই এই বলেননি?
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد، قال سمعت أيوب، يقول كذب على الحسن ضربان من الناس قوم القدر رأيهم وهم يريدون أن ينفقوا بذلك رأيهم وقوم له في قلوبهم شنآن وبغض يقولون أليس من قوله كذا أليس من قوله كذا