সুনানে আবু দাউদ > কাফির হত্যার দায়ে মুসলিমকে হত্যা করা হবে কিনা?
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩০
حدثنا أحمد بن حنبل، ومسدد، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، أخبرنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال انطلقت أنا والأشتر، إلى علي عليه السلام فقلنا هل عهد إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس عامة قال لا إلا ما في كتابي هذا - قال مسدد قال - فأخرج كتابا - وقال أحمد كتابا من قراب سيفه - فإذا فيه " المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم ويسعى بذمتهم أدناهم ألا لا يقتل مؤمن بكافر ولا ذو عهد في عهده من أحدث حدثا فعلى نفسه ومن أحدث حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين " . قال مسدد عن ابن أبي عروبة فأخرج كتابا .
ক্বাইস ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি ও আল-আশতার ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আপনাকে বিশেষ কোন উপদেশ দিয়েছেন যা সাধারণভাবে মানুষকে দেন নি? তিনি বললেন, না; তবে শুধু এতটুকু যা আমার এ চিঠিতে আছে। অতঃপর তিনি তার তরবারির খাপ হতে একখানা পত্র বের করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ সকল মুসলিমের জীবন সমমানের। অন্যদের বিরুদ্ধে তারা একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি। তাদের একজন সাধারণ ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তাই সকলের জন্য পালনীয়। সাবধান! কোন মুমিনকে কোন কাফির হত্যার অপরাধে হত্যা করা যাবেনা। চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম নাগরিককেও চুক্তি বলবৎ থাকাকালে হত্যা করা যাবে না। কেউ বিদআত চালু করলে তার দায় তার উপর বর্তাবে। কোন ব্যক্তি বিদআত চালু করলে বা বিদআতীকে মুক্তি দিলে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ এবং ফেরেশতা ও মানবকুলের অভিশাপ।
ক্বাইস ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি ও আল-আশতার ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আপনাকে বিশেষ কোন উপদেশ দিয়েছেন যা সাধারণভাবে মানুষকে দেন নি? তিনি বললেন, না; তবে শুধু এতটুকু যা আমার এ চিঠিতে আছে। অতঃপর তিনি তার তরবারির খাপ হতে একখানা পত্র বের করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ সকল মুসলিমের জীবন সমমানের। অন্যদের বিরুদ্ধে তারা একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি। তাদের একজন সাধারণ ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তাই সকলের জন্য পালনীয়। সাবধান! কোন মুমিনকে কোন কাফির হত্যার অপরাধে হত্যা করা যাবেনা। চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম নাগরিককেও চুক্তি বলবৎ থাকাকালে হত্যা করা যাবে না। কেউ বিদআত চালু করলে তার দায় তার উপর বর্তাবে। কোন ব্যক্তি বিদআত চালু করলে বা বিদআতীকে মুক্তি দিলে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ এবং ফেরেশতা ও মানবকুলের অভিশাপ।
حدثنا أحمد بن حنبل، ومسدد، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، أخبرنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال انطلقت أنا والأشتر، إلى علي عليه السلام فقلنا هل عهد إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس عامة قال لا إلا ما في كتابي هذا - قال مسدد قال - فأخرج كتابا - وقال أحمد كتابا من قراب سيفه - فإذا فيه " المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم ويسعى بذمتهم أدناهم ألا لا يقتل مؤمن بكافر ولا ذو عهد في عهده من أحدث حدثا فعلى نفسه ومن أحدث حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين " . قال مسدد عن ابن أبي عروبة فأخرج كتابا .
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩১
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه " ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم " .
আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।
আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه " ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩১
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه " ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم " .
আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।
আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه " ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩১
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه " ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم " .
আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।
আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه " ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم " .
সুনানে আবু দাউদ > কেউ স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে অন্য লোককে দেখতে পেলে সে তাকে হত্যা করবে কি?
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩২
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعبد الوهاب بن نجدة الحوطي، - المعنى واحد - قالا حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال يا رسول الله الرجل يجد مع امرأته رجلا أيقتله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا " . قال سعد بلى والذي أكرمك بالحق . قال النبي صلى الله عليه وسلم " اسمعوا إلى ما يقول سيدكم " . قال عبد الوهاب " إلى ما يقول سعد " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কেউ স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে কি সে তাকে হত্যা করবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না। সা’দ (রাঃ) বললেন, হাঁ; সেই আল্লাহর কসম যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন দিয়ে মর্যাদাবান করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের নেতা সা’দ কি বলে তা শোনো।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কেউ স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে কি সে তাকে হত্যা করবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না। সা’দ (রাঃ) বললেন, হাঁ; সেই আল্লাহর কসম যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন দিয়ে মর্যাদাবান করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের নেতা সা’দ কি বলে তা শোনো।
حدثنا قتيبة بن سعيد، وعبد الوهاب بن نجدة الحوطي، - المعنى واحد - قالا حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال يا رسول الله الرجل يجد مع امرأته رجلا أيقتله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا " . قال سعد بلى والذي أكرمك بالحق . قال النبي صلى الله عليه وسلم " اسمعوا إلى ما يقول سيدكم " . قال عبد الوهاب " إلى ما يقول سعد " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩৩
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت لو وجدت مع امرأتي رجلا أمهله حتى آتي بأربعة شهداء قال " نعم " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললেন, যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পাই তবে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করা পর্যন্ত কি তাকে অবকাশ দিবো? তিনি বললেনঃ হাঁ।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললেন, যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পাই তবে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করা পর্যন্ত কি তাকে অবকাশ দিবো? তিনি বললেনঃ হাঁ।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت لو وجدت مع امرأتي رجلا أمهله حتى آتي بأربعة شهداء قال " نعم " .
সুনানে আবু দাউদ > যাকাত আদায়কারীর দ্বারা ভুলবশত কেউ আহত হলে করণীয়
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩৪
حدثنا محمد بن داود بن سفيان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا فلاجه رجل في صدقته فضربه أبو جهم فشجه فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا القود يا رسول الله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لكم كذا وكذا " . فلم يرضوا فقال " لكم كذا وكذا " . فلم يرضوا فقال " لكم كذا وكذا " . فرضوا . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني خاطب العشية على الناس ومخبرهم برضاكم " . فقالوا نعم . فخطب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " إن هؤلاء الليثيين أتوني يريدون القود فعرضت عليهم كذا وكذا فرضوا أرضيتم " . قالوا لا . فهم المهاجرون بهم فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفوا عنهم فكفوا ثم دعاهم فزادهم فقال " أرضيتم " . فقالوا نعم . قال " إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم " . قالوا نعم . فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أرضيتم " . قالوا نعم .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহম ইবনু হুযাইফাহ (রাঃ)-কে যাকাত আদায়ের উদ্দেশ্যে পাঠালেন। এক লোক তার যাকাত দেয়ার ব্যাপারে তার সঙ্গে সংঘাতে জড়ালো। আবূ জাহম (রাঃ) তাকে মারধর করলে তাতে তার মাথা ফেটে যায়। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে অভিযোগ করলো, হে আল্লাহর রাসূল! কিসাস কার্যকর করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদেরকে এই এই পরিমাণ দেয়া হবে। কিন্তু এতেও তারা সন্তুষ্ট হলো না। পুনরায় তিনি বললেন, তোমাদেরকে এই এই পরিমাণ দেয়া হবে। এতে তারা সম্মত হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি আজ বিকেলে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবো আর তখন তাদেরকে তোমাদের সম্মতির ব্যাপারে জানাবো। তারা বললো, হাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ভাষণে বললেন, লাইস গোত্রের এসব লোক আমার নিকট এসে কিসাস চাইলে আমি তাদেরকে এই এই পরিমাণ সম্পদ দেয়ার প্রস্তাব করেছি এবং এতে তারা সম্মত হয়েছে। সুতরাং তোমরা কি রাজি আছো? তারা বললো, না। এতে মুহাজিরগণ তাদের উপর চড়াও হতে চাইলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হস্তক্ষেপ করতে বারণ করলেন এবং তারাও বিরত রইলেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে ডেকে পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, তোমরা কি সম্মত আছো? তারা বললো, হাঁ। তিনি বললেন, আমি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবো এবং তখন তোমাদের সম্মতির কথা তাদেরকে জানাবো। তারা বললো, হাঁ। এবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ভাষণে বললেন, তোমরা কি সম্মত আছো? তারা বললো, হাঁ।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ জাহম ইবনু হুযাইফাহ (রাঃ)-কে যাকাত আদায়ের উদ্দেশ্যে পাঠালেন। এক লোক তার যাকাত দেয়ার ব্যাপারে তার সঙ্গে সংঘাতে জড়ালো। আবূ জাহম (রাঃ) তাকে মারধর করলে তাতে তার মাথা ফেটে যায়। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট এসে অভিযোগ করলো, হে আল্লাহর রাসূল! কিসাস কার্যকর করুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদেরকে এই এই পরিমাণ দেয়া হবে। কিন্তু এতেও তারা সন্তুষ্ট হলো না। পুনরায় তিনি বললেন, তোমাদেরকে এই এই পরিমাণ দেয়া হবে। এতে তারা সম্মত হলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি আজ বিকেলে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবো আর তখন তাদেরকে তোমাদের সম্মতির ব্যাপারে জানাবো। তারা বললো, হাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ভাষণে বললেন, লাইস গোত্রের এসব লোক আমার নিকট এসে কিসাস চাইলে আমি তাদেরকে এই এই পরিমাণ সম্পদ দেয়ার প্রস্তাব করেছি এবং এতে তারা সম্মত হয়েছে। সুতরাং তোমরা কি রাজি আছো? তারা বললো, না। এতে মুহাজিরগণ তাদের উপর চড়াও হতে চাইলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হস্তক্ষেপ করতে বারণ করলেন এবং তারাও বিরত রইলেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে ডেকে পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, তোমরা কি সম্মত আছো? তারা বললো, হাঁ। তিনি বললেন, আমি লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিবো এবং তখন তোমাদের সম্মতির কথা তাদেরকে জানাবো। তারা বললো, হাঁ। এবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর ভাষণে বললেন, তোমরা কি সম্মত আছো? তারা বললো, হাঁ।
حدثنا محمد بن داود بن سفيان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث أبا جهم بن حذيفة مصدقا فلاجه رجل في صدقته فضربه أبو جهم فشجه فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا القود يا رسول الله . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لكم كذا وكذا " . فلم يرضوا فقال " لكم كذا وكذا " . فلم يرضوا فقال " لكم كذا وكذا " . فرضوا . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إني خاطب العشية على الناس ومخبرهم برضاكم " . فقالوا نعم . فخطب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " إن هؤلاء الليثيين أتوني يريدون القود فعرضت عليهم كذا وكذا فرضوا أرضيتم " . قالوا لا . فهم المهاجرون بهم فأمرهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يكفوا عنهم فكفوا ثم دعاهم فزادهم فقال " أرضيتم " . فقالوا نعم . قال " إني خاطب على الناس ومخبرهم برضاكم " . قالوا نعم . فخطب النبي صلى الله عليه وسلم فقال " أرضيتم " . قالوا نعم .
সুনানে আবু দাউদ > অস্ত্র ছাড়া অন্য বস্তুর দ্বারা হত্যা করা হলে তার কিসাস সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩৫
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن جارية، وجدت، قد رض رأسها بين حجرين فقيل لها من فعل بك هذا أفلان أفلان حتى سمي اليهودي فأومت برأسها فأخذ اليهودي فاعترف فأمر النبي صلى الله عليه وسلم أن يرض رأسه بالحجارة .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা একটি বালিকাকে তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে থেতলানো অবস্থায় পাওয়া গেলো। তাকে প্রশ্ন করা হলো, তোমার সঙ্গে এরূপ ব্যবহার কে করেছে? অমুক ব্যক্তি করেছে? অমুক ব্যক্তি করেছে? অবশেষে এক ইয়াহুদীর নাম বলা হলে সে তার মাথার ইঙ্গিতে বললো, হাঁ। অতঃপর সেই ইয়াহুদীকে গ্রেপ্তার করে আনা হলে সে তা স্বীকার করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মাথা পাথরে থেতলিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা একটি বালিকাকে তার মাথা দু’টি পাথরের মাঝে রেখে থেতলানো অবস্থায় পাওয়া গেলো। তাকে প্রশ্ন করা হলো, তোমার সঙ্গে এরূপ ব্যবহার কে করেছে? অমুক ব্যক্তি করেছে? অমুক ব্যক্তি করেছে? অবশেষে এক ইয়াহুদীর নাম বলা হলে সে তার মাথার ইঙ্গিতে বললো, হাঁ। অতঃপর সেই ইয়াহুদীকে গ্রেপ্তার করে আনা হলে সে তা স্বীকার করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মাথা পাথরে থেতলিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।
حدثنا محمد بن كثير، حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن جارية، وجدت، قد رض رأسها بين حجرين فقيل لها من فعل بك هذا أفلان أفلان حتى سمي اليهودي فأومت برأسها فأخذ اليهودي فاعترف فأمر النبي صلى الله عليه وسلم أن يرض رأسه بالحجارة .