সুনানে আবু দাউদ > কাসামার ভিত্তিতে মৃত্যুদন্ড কার্যকর না করা

সুনানে আবু দাউদ ৪৫২৪

حدثنا الحسن بن علي بن راشد، أخبرنا هشيم، عن أبي حيان التيمي، حدثنا عباية بن رفاعة، عن رافع بن خديج، قال أصبح رجل من الأنصار مقتولا بخيبر فانطلق أولياؤه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكروا ذلك له فقال ‏"‏ لكم شاهدان يشهدان على قتل صاحبكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله لم يكن ثم أحد من المسلمين وإنما هم يهود وقد يجترئون على أعظم من هذا ‏.‏ قال ‏"‏ فاختاروا منهم خمسين فاستحلفوهم ‏"‏ ‏.‏ فأبوا فوداه النبي صلى الله عليه وسلم من عنده ‏.

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসারদের এক ব্যাক্তি খায়বারে নিহত হলে তার অভিভাবকগণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে এ ঘটনা জানালেন। তিনি বললেন, তোমাদের কি এমন দু’জন সাক্ষী আছে, যারা তোমাদের সাথীর হত্যার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেখানে কোন মুসলিম নেই। আর এরা হলো সেই ইয়াহুদী জাতি, যারা এর চেয়েও আরো জঘন্য অপকর্মের জন্য কুখ্যাত। তিনি বললেন, তাহলে তোমরা তাদের পঞ্চাশজন লোককে বাছাই করে নিয়ে তাদের থেকে কসম নাও। তারা এতে রাজি না হওয়ায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তার দিয়াত দিয়ে দিলেন।

রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আনসারদের এক ব্যাক্তি খায়বারে নিহত হলে তার অভিভাবকগণ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে এ ঘটনা জানালেন। তিনি বললেন, তোমাদের কি এমন দু’জন সাক্ষী আছে, যারা তোমাদের সাথীর হত্যার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবে? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সেখানে কোন মুসলিম নেই। আর এরা হলো সেই ইয়াহুদী জাতি, যারা এর চেয়েও আরো জঘন্য অপকর্মের জন্য কুখ্যাত। তিনি বললেন, তাহলে তোমরা তাদের পঞ্চাশজন লোককে বাছাই করে নিয়ে তাদের থেকে কসম নাও। তারা এতে রাজি না হওয়ায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের পক্ষ হতে তার দিয়াত দিয়ে দিলেন।

حدثنا الحسن بن علي بن راشد، أخبرنا هشيم، عن أبي حيان التيمي، حدثنا عباية بن رفاعة، عن رافع بن خديج، قال أصبح رجل من الأنصار مقتولا بخيبر فانطلق أولياؤه إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكروا ذلك له فقال ‏"‏ لكم شاهدان يشهدان على قتل صاحبكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا يا رسول الله لم يكن ثم أحد من المسلمين وإنما هم يهود وقد يجترئون على أعظم من هذا ‏.‏ قال ‏"‏ فاختاروا منهم خمسين فاستحلفوهم ‏"‏ ‏.‏ فأبوا فوداه النبي صلى الله عليه وسلم من عنده ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫২৫

حدثنا عبد العزيز بن يحيى الحراني، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن محمد بن إبراهيم بن الحارث، عن عبد الرحمن بن بجيد، قال إن سهلا والله أوهم الحديث إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب إلى يهود ‏ "‏ أنه قد وجد بين أظهركم قتيل فدوه ‏"‏ ‏.‏ فكتبوا يحلفون بالله خمسين يمينا ما قتلناه ولا علمنا قاتلا ‏.‏ قال فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده مائة ناقة ‏.

‘আবদুর রহমান ইবনু বুজাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই সাহ্‌ল (রহঃ) এ হাদীসটি সন্দেহযুক্ত করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহুদী গোত্রের নিকট এই মর্মে পত্রটি লিখেন যে, যেহেতু তোমাদের এলাকায় নিহত ব্যাক্তির লাশ পাওয়া গেছে, কাজেই তোমরা তার দিয়াত আদায় করো। তারা আল্লাহর নামে পঞ্চাশ বার কসম করে উত্তরে লিখে, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং কে হত্যা করেছে তাও অবহিত নই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিজের পক্ষ হতে একশোটি উট দিয়াত হিসেবে পরিশোধ করলেন। [৪৫২৪]

‘আবদুর রহমান ইবনু বুজাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই সাহ্‌ল (রহঃ) এ হাদীসটি সন্দেহযুক্ত করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহুদী গোত্রের নিকট এই মর্মে পত্রটি লিখেন যে, যেহেতু তোমাদের এলাকায় নিহত ব্যাক্তির লাশ পাওয়া গেছে, কাজেই তোমরা তার দিয়াত আদায় করো। তারা আল্লাহর নামে পঞ্চাশ বার কসম করে উত্তরে লিখে, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং কে হত্যা করেছে তাও অবহিত নই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিজের পক্ষ হতে একশোটি উট দিয়াত হিসেবে পরিশোধ করলেন। [৪৫২৪]

حدثنا عبد العزيز بن يحيى الحراني، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن محمد بن إبراهيم بن الحارث، عن عبد الرحمن بن بجيد، قال إن سهلا والله أوهم الحديث إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب إلى يهود ‏ "‏ أنه قد وجد بين أظهركم قتيل فدوه ‏"‏ ‏.‏ فكتبوا يحلفون بالله خمسين يمينا ما قتلناه ولا علمنا قاتلا ‏.‏ قال فوداه رسول الله صلى الله عليه وسلم من عنده مائة ناقة ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫২৩

حدثنا الحسن بن محمد بن الصباح الزعفراني، حدثنا أبو نعيم، حدثنا سعيد بن عبيد الطائي، عن بشير بن يسار، زعم أن رجلا، من الأنصار يقال له سهل بن أبي حثمة أخبره أن نفرا من قومه انطلقوا إلى خيبر فتفرقوا فيها فوجدوا أحدهم قتيلا فقالوا للذين وجدوه عندهم قتلتم صاحبنا فقالوا ما قتلناه ولا علمنا قاتلا ‏.‏ فانطلقنا إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم قال فقال لهم ‏"‏ تأتوني بالبينة على من قتل هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا ما لنا بينة ‏.‏ قال ‏"‏ فيحلفون لكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا نرضى بأيمان اليهود ‏.‏ فكره نبي الله صلى الله عليه وسلم أن يبطل دمه فوداه مائة من إبل الصدقة ‏.‏

বাশীর ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার মতে, সাহ্‌ল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) নামক জনৈক আনসারী তাকে জানান যে, একটি ক্ষুদ্র দল খায়বারের উদ্দেশ্য যাত্রা করে সেখানে পৌঁছে তারা পরস্পর পৃথক হয়ে যান। অতঃপর তারা তাদের একজনকে নিহত অবস্থায় পান। তখন তারা যাদের নিকট তাকে পেলেন, তাদের অভিযুক্ত করে বললেন, তোমরা আমাদের সাথীকে হত্যা করেছো। তারা বললো, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং কে হত্যা করেছে তাও অবহিত নই। অতঃপর আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেন, হত্যাকারীর বিপক্ষে তোমরা প্রমাণ দাও। তারা বললেন, আমাদের নিকট কোন প্রমাণ নেই। তিনি বললেন, তাহলে ওরা তোমাদের জন্য কসম করবে। তারা বললেন, আমরা ইয়াহুদী জাতির শপথে সন্তষ্ট নই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিয়াতের দাবি বাতিল করাকে সমীচীন মনে না করে তার জন্য সদাক্বাহর একশো উট দিয়াত হিসেবে দান করলেন।

বাশীর ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার মতে, সাহ্‌ল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) নামক জনৈক আনসারী তাকে জানান যে, একটি ক্ষুদ্র দল খায়বারের উদ্দেশ্য যাত্রা করে সেখানে পৌঁছে তারা পরস্পর পৃথক হয়ে যান। অতঃপর তারা তাদের একজনকে নিহত অবস্থায় পান। তখন তারা যাদের নিকট তাকে পেলেন, তাদের অভিযুক্ত করে বললেন, তোমরা আমাদের সাথীকে হত্যা করেছো। তারা বললো, আমরা তাকে হত্যা করিনি এবং কে হত্যা করেছে তাও অবহিত নই। অতঃপর আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গেলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেন, হত্যাকারীর বিপক্ষে তোমরা প্রমাণ দাও। তারা বললেন, আমাদের নিকট কোন প্রমাণ নেই। তিনি বললেন, তাহলে ওরা তোমাদের জন্য কসম করবে। তারা বললেন, আমরা ইয়াহুদী জাতির শপথে সন্তষ্ট নই। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার দিয়াতের দাবি বাতিল করাকে সমীচীন মনে না করে তার জন্য সদাক্বাহর একশো উট দিয়াত হিসেবে দান করলেন।

حدثنا الحسن بن محمد بن الصباح الزعفراني، حدثنا أبو نعيم، حدثنا سعيد بن عبيد الطائي، عن بشير بن يسار، زعم أن رجلا، من الأنصار يقال له سهل بن أبي حثمة أخبره أن نفرا من قومه انطلقوا إلى خيبر فتفرقوا فيها فوجدوا أحدهم قتيلا فقالوا للذين وجدوه عندهم قتلتم صاحبنا فقالوا ما قتلناه ولا علمنا قاتلا ‏.‏ فانطلقنا إلى نبي الله صلى الله عليه وسلم قال فقال لهم ‏"‏ تأتوني بالبينة على من قتل هذا ‏"‏ ‏.‏ قالوا ما لنا بينة ‏.‏ قال ‏"‏ فيحلفون لكم ‏"‏ ‏.‏ قالوا لا نرضى بأيمان اليهود ‏.‏ فكره نبي الله صلى الله عليه وسلم أن يبطل دمه فوداه مائة من إبل الصدقة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫২৬

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسليمان بن يسار، عن رجال، من الأنصار أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لليهود وبدأ بهم ‏"‏ يحلف منكم خمسون رجلا ‏"‏ ‏.‏ فأبوا فقال للأنصار ‏"‏ استحقوا ‏"‏ ‏.‏ قالوا نحلف على الغيب يا رسول الله فجعلها رسول الله صلى الله عليه وسلم دية على يهود لأنه وجد بين أظهرهم ‏.‏

কতিপয় আনসারী সাহাবী (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে ইয়াহুদীদেরকে বললেন, তোমাদের মধ্য হতে পঞ্চাশ জন কসম করবে। তারা এতে সম্মত না হওয়ায় তিনি আনসারদের উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমরা (কসমের দ্বারা) দিয়াতের অধিকারী হও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি অদৃশ্য বিষয়ে কসম করবো? এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহুদীদের উপর দিয়াত আরোপ করলেন। কেননা নিহতকে তাদের এলাকায় পাওয়া গেছে। [৪৫২৫]

কতিপয় আনসারী সাহাবী (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রথমে ইয়াহুদীদেরকে বললেন, তোমাদের মধ্য হতে পঞ্চাশ জন কসম করবে। তারা এতে সম্মত না হওয়ায় তিনি আনসারদের উদ্দেশ্য করে বললেন, তোমরা (কসমের দ্বারা) দিয়াতের অধিকারী হও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি অদৃশ্য বিষয়ে কসম করবো? এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহুদীদের উপর দিয়াত আরোপ করলেন। কেননা নিহতকে তাদের এলাকায় পাওয়া গেছে। [৪৫২৫]

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، وسليمان بن يسار، عن رجال، من الأنصار أن النبي صلى الله عليه وسلم قال لليهود وبدأ بهم ‏"‏ يحلف منكم خمسون رجلا ‏"‏ ‏.‏ فأبوا فقال للأنصار ‏"‏ استحقوا ‏"‏ ‏.‏ قالوا نحلف على الغيب يا رسول الله فجعلها رسول الله صلى الله عليه وسلم دية على يهود لأنه وجد بين أظهرهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > হত্যাকারী থেকে সমান প্রতিশোধ নেয়া

সুনানে আবু দাউদ ৪৫২৯

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا ابن إدريس، عن شعبة، عن هشام بن زيد، عن جده، أنس أن جارية، كان عليها أوضاح لها فرضخ رأسها يهودي بحجر فدخل عليها رسول الله صلى الله عليه وسلم وبها رمق فقال لها ‏"‏ من قتلك فلان قتلك ‏"‏ ‏.‏ فقالت لا ‏.‏ برأسها ‏.‏ قال ‏"‏ من قتلك فلان قتلك ‏"‏ ‏.‏ قالت لا ‏.‏ برأسها ‏.‏ قال ‏"‏ فلان قتلك ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ برأسها فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتل بين حجرين ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক বালিকার অলঙ্কার ছিনতাই করার জন্য এক ইয়াহুদী তার মাথা পাথর দিয়ে থেতলিয়ে দিলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সেখানে পৌঁছলেন তখনও তার প্রাণস্পন্দন অবশিষ্ট ছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমাকে কে হত্যা করেছে? অমুক ব্যক্তি তোমাকে হত্যা করেছে? সে মাথা নেড়ে ইঙ্গিত করলো, না। তিনি বললেন, তোমাকে কে হত্যা করেছে?তোমাকে অমুক ব্যক্তি হত্যা করেছে? সে মাথার ইঙ্গিতে বললো, না। তিনি বললেন, অমুক ব্যক্তি কি তোমাকে হত্যা করেছে? সে মাথা নাড়িয়ে ইঙ্গিতে বললো, হাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে তাকে দু’টি পাথরের মাঝে রেখে হত্যা করা হলো।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক বালিকার অলঙ্কার ছিনতাই করার জন্য এক ইয়াহুদী তার মাথা পাথর দিয়ে থেতলিয়ে দিলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সেখানে পৌঁছলেন তখনও তার প্রাণস্পন্দন অবশিষ্ট ছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, তোমাকে কে হত্যা করেছে? অমুক ব্যক্তি তোমাকে হত্যা করেছে? সে মাথা নেড়ে ইঙ্গিত করলো, না। তিনি বললেন, তোমাকে কে হত্যা করেছে?তোমাকে অমুক ব্যক্তি হত্যা করেছে? সে মাথার ইঙ্গিতে বললো, না। তিনি বললেন, অমুক ব্যক্তি কি তোমাকে হত্যা করেছে? সে মাথা নাড়িয়ে ইঙ্গিতে বললো, হাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে তাকে দু’টি পাথরের মাঝে রেখে হত্যা করা হলো।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا ابن إدريس، عن شعبة، عن هشام بن زيد، عن جده، أنس أن جارية، كان عليها أوضاح لها فرضخ رأسها يهودي بحجر فدخل عليها رسول الله صلى الله عليه وسلم وبها رمق فقال لها ‏"‏ من قتلك فلان قتلك ‏"‏ ‏.‏ فقالت لا ‏.‏ برأسها ‏.‏ قال ‏"‏ من قتلك فلان قتلك ‏"‏ ‏.‏ قالت لا ‏.‏ برأسها ‏.‏ قال ‏"‏ فلان قتلك ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ برأسها فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتل بين حجرين ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫২৭

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن جارية، وجدت، قد رض رأسها بين حجرين فقيل لها من فعل بك هذا أفلان أفلان حتى سمي اليهودي فأومت برأسها فأخذ اليهودي فاعترف فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرض رأسه بالحجارة ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা একটি বালিকাকে দু’টি পাথরের মাঝখানে মাথা থেতলিয়ে দেয়া অবস্থায় পাওয়া গেলো। তাকে প্রশ্ন করা হলো, তোমার সঙ্গে এরূপ ব্যবহার কে করেছে; অমুকে না অমুকে? শেষে এক ইয়াহুদীর নাম নিলে সে মাথা নাড়িয়ে হাঁ-সূচক ইঙ্গিত করলো। তখন ঐ ইয়াহুদীকে গ্রেপ্তার করে আনা হলে সে অপরাধ স্বীকার করলো। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাথর দিয়ে তার মাথা থেতলিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা একটি বালিকাকে দু’টি পাথরের মাঝখানে মাথা থেতলিয়ে দেয়া অবস্থায় পাওয়া গেলো। তাকে প্রশ্ন করা হলো, তোমার সঙ্গে এরূপ ব্যবহার কে করেছে; অমুকে না অমুকে? শেষে এক ইয়াহুদীর নাম নিলে সে মাথা নাড়িয়ে হাঁ-সূচক ইঙ্গিত করলো। তখন ঐ ইয়াহুদীকে গ্রেপ্তার করে আনা হলে সে অপরাধ স্বীকার করলো। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাথর দিয়ে তার মাথা থেতলিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن جارية، وجدت، قد رض رأسها بين حجرين فقيل لها من فعل بك هذا أفلان أفلان حتى سمي اليهودي فأومت برأسها فأخذ اليهودي فاعترف فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يرض رأسه بالحجارة ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫২৮

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، أن يهوديا، قتل جارية من الأنصار على حلي لها ثم ألقاها في قليب ورضخ رأسها بالحجارة فأخذ فأتي به النبي صلى الله عليه وسلم فأمر به أن يرجم حتى يموت فرجم حتى مات ‏.‏ قال أبو داود رواه ابن جريج عن أيوب نحوه ‏.

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আনসার গোত্রের এক বালিকার অলঙ্কার ছিনতাই করার জন্য এক ইয়াহুদী তাকে হত্যা করে একটি কূপে নিক্ষেপ করে। সে তার মাথা পাথর দিয়ে থেতলিয়ে দিয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হলে তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হলো।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আনসার গোত্রের এক বালিকার অলঙ্কার ছিনতাই করার জন্য এক ইয়াহুদী তাকে হত্যা করে একটি কূপে নিক্ষেপ করে। সে তার মাথা পাথর দিয়ে থেতলিয়ে দিয়েছিল। তাকে গ্রেপ্তার করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হলে তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যার নির্দেশ দিলেন। অতঃপর তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হলো।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أنس، أن يهوديا، قتل جارية من الأنصار على حلي لها ثم ألقاها في قليب ورضخ رأسها بالحجارة فأخذ فأتي به النبي صلى الله عليه وسلم فأمر به أن يرجم حتى يموت فرجم حتى مات ‏.‏ قال أبو داود رواه ابن جريج عن أيوب نحوه ‏.


সুনানে আবু দাউদ > কাফির হত্যার দায়ে মুসলিমকে হত্যা করা হবে কিনা?

সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩০

حدثنا أحمد بن حنبل، ومسدد، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، أخبرنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال انطلقت أنا والأشتر، إلى علي عليه السلام فقلنا هل عهد إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس عامة قال لا إلا ما في كتابي هذا - قال مسدد قال - فأخرج كتابا - وقال أحمد كتابا من قراب سيفه - فإذا فيه ‏ "‏ المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم ويسعى بذمتهم أدناهم ألا لا يقتل مؤمن بكافر ولا ذو عهد في عهده من أحدث حدثا فعلى نفسه ومن أحدث حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين ‏"‏ ‏.‏ قال مسدد عن ابن أبي عروبة فأخرج كتابا ‏.

ক্বাইস ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি ও আল-আশতার ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আপনাকে বিশেষ কোন উপদেশ দিয়েছেন যা সাধারণভাবে মানুষকে দেন নি? তিনি বললেন, না; তবে শুধু এতটুকু যা আমার এ চিঠিতে আছে। অতঃপর তিনি তার তরবারির খাপ হতে একখানা পত্র বের করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ সকল মুসলিমের জীবন সমমানের। অন্যদের বিরুদ্ধে তারা একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি। তাদের একজন সাধারণ ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তাই সকলের জন্য পালনীয়। সাবধান! কোন মুমিনকে কোন কাফির হত্যার অপরাধে হত্যা করা যাবেনা। চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম নাগরিককেও চুক্তি বলবৎ থাকাকালে হত্যা করা যাবে না। কেউ বিদআত চালু করলে তার দায় তার উপর বর্তাবে। কোন ব্যক্তি বিদআত চালু করলে বা বিদআতীকে মুক্তি দিলে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ এবং ফেরেশতা ও মানবকুলের অভিশাপ।

ক্বাইস ইবনু ‘আব্বাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি ও আল-আশতার ‘আলী (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে বলি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আপনাকে বিশেষ কোন উপদেশ দিয়েছেন যা সাধারণভাবে মানুষকে দেন নি? তিনি বললেন, না; তবে শুধু এতটুকু যা আমার এ চিঠিতে আছে। অতঃপর তিনি তার তরবারির খাপ হতে একখানা পত্র বের করলেন। তাতে লেখা ছিলঃ সকল মুসলিমের জীবন সমমানের। অন্যদের বিরুদ্ধে তারা একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি। তাদের একজন সাধারণ ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তাই সকলের জন্য পালনীয়। সাবধান! কোন মুমিনকে কোন কাফির হত্যার অপরাধে হত্যা করা যাবেনা। চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম নাগরিককেও চুক্তি বলবৎ থাকাকালে হত্যা করা যাবে না। কেউ বিদআত চালু করলে তার দায় তার উপর বর্তাবে। কোন ব্যক্তি বিদআত চালু করলে বা বিদআতীকে মুক্তি দিলে তার উপর আল্লাহর অভিশাপ এবং ফেরেশতা ও মানবকুলের অভিশাপ।

حدثنا أحمد بن حنبل، ومسدد، قالا حدثنا يحيى بن سعيد، أخبرنا سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن قيس بن عباد، قال انطلقت أنا والأشتر، إلى علي عليه السلام فقلنا هل عهد إليك رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا لم يعهده إلى الناس عامة قال لا إلا ما في كتابي هذا - قال مسدد قال - فأخرج كتابا - وقال أحمد كتابا من قراب سيفه - فإذا فيه ‏ "‏ المؤمنون تكافأ دماؤهم وهم يد على من سواهم ويسعى بذمتهم أدناهم ألا لا يقتل مؤمن بكافر ولا ذو عهد في عهده من أحدث حدثا فعلى نفسه ومن أحدث حدثا أو آوى محدثا فعليه لعنة الله والملائكة والناس أجمعين ‏"‏ ‏.‏ قال مسدد عن ابن أبي عروبة فأخرج كتابا ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩১

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه ‏ "‏ ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم ‏"‏ ‏.‏

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه ‏ "‏ ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩১

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه ‏ "‏ ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم ‏"‏ ‏.‏

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه ‏ "‏ ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩১

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه ‏ "‏ ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم ‏"‏ ‏.‏

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।

আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অতঃপর ‘আলী (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে রয়েছেঃ তাদের দূরবর্তীরাও তাদের পক্ষে নিরাপত্তা দিতে পারবে, উত্তম ও দুর্বল পশুর মালিকরা এবং পিছনে অবস্থানরত ও সম্মুখ সমরে অবতীর্ণ সৈন্যগনও গণীমাতে সমান অংশ লাভ করবে।

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا هشيم، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر نحو حديث علي زاد فيه ‏ "‏ ويجير عليهم أقصاهم ويرد مشدهم على مضعفهم ومتسريهم على قاعدهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কেউ স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে অন্য লোককে দেখতে পেলে সে তাকে হত্যা করবে কি?

সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩২

حدثنا قتيبة بن سعيد، وعبد الوهاب بن نجدة الحوطي، - المعنى واحد - قالا حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال يا رسول الله الرجل يجد مع امرأته رجلا أيقتله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قال سعد بلى والذي أكرمك بالحق ‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسمعوا إلى ما يقول سيدكم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الوهاب ‏"‏ إلى ما يقول سعد ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কেউ স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে কি সে তাকে হত্যা করবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না। সা’দ (রাঃ) বললেন, হাঁ; সেই আল্লাহর কসম যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন দিয়ে মর্যাদাবান করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের নেতা সা’দ কি বলে তা শোনো।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! যদি কেউ স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পায় তাহলে কি সে তাকে হত্যা করবে? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ না। সা’দ (রাঃ) বললেন, হাঁ; সেই আল্লাহর কসম যিনি আপনাকে সত্য দ্বীন দিয়ে মর্যাদাবান করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের নেতা সা’দ কি বলে তা শোনো।

حدثنا قتيبة بن سعيد، وعبد الوهاب بن نجدة الحوطي، - المعنى واحد - قالا حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال يا رسول الله الرجل يجد مع امرأته رجلا أيقتله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قال سعد بلى والذي أكرمك بالحق ‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اسمعوا إلى ما يقول سيدكم ‏"‏ ‏.‏ قال عبد الوهاب ‏"‏ إلى ما يقول سعد ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫৩৩

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت لو وجدت مع امرأتي رجلا أمهله حتى آتي بأربعة شهداء قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললেন, যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পাই তবে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করা পর্যন্ত কি তাকে অবকাশ দিবো? তিনি বললেনঃ হাঁ।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বললেন, যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষকে দেখতে পাই তবে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করা পর্যন্ত কি তাকে অবকাশ দিবো? তিনি বললেনঃ হাঁ।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن سعد بن عبادة، قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت لو وجدت مع امرأتي رجلا أمهله حتى آتي بأربعة شهداء قال ‏ "‏ نعم ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00