সুনানে আবু দাউদ > শাসক বা বিচারক যদি খুনিকে ক্ষমা করার আদেশ দেন

সুনানে আবু দাউদ ৪৪৯৭

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا عبد الله بن بكر بن عبد الله المزني، عن عطاء بن أبي ميمونة، عن أنس بن مالك، قال ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم رفع إليه شىء فيه قصاص إلا أمر فيه بالعفو ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি দেখেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন কিসাসজনিত বিবাদ পেশ করা হলে তিনি ক্ষমা করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিতেন।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি দেখেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট কোন কিসাসজনিত বিবাদ পেশ করা হলে তিনি ক্ষমা করে দেয়ার জন্য নির্দেশ দিতেন।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا عبد الله بن بكر بن عبد الله المزني، عن عطاء بن أبي ميمونة، عن أنس بن مالك، قال ما رأيت النبي صلى الله عليه وسلم رفع إليه شىء فيه قصاص إلا أمر فيه بالعفو ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৯৬

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا محمد بن إسحاق، عن الحارث بن فضيل، عن سفيان بن أبي العوجاء، عن أبي شريح الخزاعي، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أصيب بقتل أو خبل فإنه يختار إحدى ثلاث إما أن يقتص وإما أن يعفو وإما أن يأخذ الدية فإن أراد الرابعة فخذوا على يديه ومن اعتدى بعد ذلك فله عذاب أليم ‏"‏ ‏.‏

আবূ শুরাইহ্‌ আল-খাযাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে হত্যা বা আহত করা হয়েছে তাকে অবশ্যই তিনটি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করতে হবে। হয় সে কিসাস নিবে, অথবা ক্ষমা করবে, অথবা রক্তমূল্য গ্রহণ করবে। যদি সে চতুর্থ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চায় তাহলে তোমরা তার দু’হাত চেপে ধরো। যে ব্যাক্তি এরপরও সীমালঙ্ঘন করবে তার জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। [৪৪৯৫]

আবূ শুরাইহ্‌ আল-খাযাঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে হত্যা বা আহত করা হয়েছে তাকে অবশ্যই তিনটি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করতে হবে। হয় সে কিসাস নিবে, অথবা ক্ষমা করবে, অথবা রক্তমূল্য গ্রহণ করবে। যদি সে চতুর্থ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চায় তাহলে তোমরা তার দু’হাত চেপে ধরো। যে ব্যাক্তি এরপরও সীমালঙ্ঘন করবে তার জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে। [৪৪৯৫]

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا محمد بن إسحاق، عن الحارث بن فضيل، عن سفيان بن أبي العوجاء، عن أبي شريح الخزاعي، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أصيب بقتل أو خبل فإنه يختار إحدى ثلاث إما أن يقتص وإما أن يعفو وإما أن يأخذ الدية فإن أراد الرابعة فخذوا على يديه ومن اعتدى بعد ذلك فله عذاب أليم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৯৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، أخبرنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قتل رجل على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فرفع ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم فدفعه إلى ولي المقتول فقال القاتل يا رسول الله والله ما أردت قتله ‏.‏ قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للولي ‏ "‏ أما إنه إن كان صادقا ثم قتلته دخلت النار ‏"‏ ‏.‏ قال فخلى سبيله ‏.‏ قال وكان مكتوفا بنسعة فخرج يجر نسعته فسمي ذا النسعة ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে এক ব্যাক্তি নিহত হলে ঘটনাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেশ করা হয়। তখন তিনি হত্যাকারীকে নিহত ব্যাক্তির অভিভাবকের নিকট সোপর্দ করলেন। হত্যাকারী বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! তাকে হত্যা করার ইচ্ছা আমার ছিলো না। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিভাবককে বললেন, ‘সাবধান! যদি তার কথায় সে সত্যবাদী হয় আর এরপরও তুমি তাকে হত্যা করো তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। তিনি বলেন, অতঃপর তাকে ছেড়ে দেয়া হলো। বর্ণনাকারী বলেন, হত্যাকারীর দু’হাত পিছনের দিক হতে চামড়ার লম্বা রশি বাঁধা ছিল এবং সে চামড়ার রশিটি টানতে টানতে চলে গেলো। এজন্য তা নাম দেয়া হয় যুন-নিস’আহ্‌ (চামড়ার রশিধারী)।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে এক ব্যাক্তি নিহত হলে ঘটনাটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পেশ করা হয়। তখন তিনি হত্যাকারীকে নিহত ব্যাক্তির অভিভাবকের নিকট সোপর্দ করলেন। হত্যাকারী বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! তাকে হত্যা করার ইচ্ছা আমার ছিলো না। বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিভাবককে বললেন, ‘সাবধান! যদি তার কথায় সে সত্যবাদী হয় আর এরপরও তুমি তাকে হত্যা করো তাহলে তুমি জাহান্নামে যাবে। তিনি বলেন, অতঃপর তাকে ছেড়ে দেয়া হলো। বর্ণনাকারী বলেন, হত্যাকারীর দু’হাত পিছনের দিক হতে চামড়ার লম্বা রশি বাঁধা ছিল এবং সে চামড়ার রশিটি টানতে টানতে চলে গেলো। এজন্য তা নাম দেয়া হয় যুন-নিস’আহ্‌ (চামড়ার রশিধারী)।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، أخبرنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قتل رجل على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فرفع ذلك إلى النبي صلى الله عليه وسلم فدفعه إلى ولي المقتول فقال القاتل يا رسول الله والله ما أردت قتله ‏.‏ قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للولي ‏ "‏ أما إنه إن كان صادقا ثم قتلته دخلت النار ‏"‏ ‏.‏ قال فخلى سبيله ‏.‏ قال وكان مكتوفا بنسعة فخرج يجر نسعته فسمي ذا النسعة ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৯৯

حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة الجشمي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عوف، حدثنا حمزة أبو عمر العائذي، حدثني علقمة بن وائل، حدثني وائل بن حجر، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جيء برجل قاتل في عنقه النسعة قال فدعا ولي المقتول فقال ‏"‏ أتعفو ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتأخذ الدية ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتقتل ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اذهب به ‏"‏ ‏.‏ فلما ولى قال ‏"‏ أتعفو ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتأخذ الدية ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتقتل ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اذهب به ‏"‏ ‏.‏ فلما كان في الرابعة قال ‏"‏ أما إنك إن عفوت عنه يبوء بإثمه وإثم صاحبه ‏"‏ ‏.‏ قال فعفا عنه ‏.‏ قال فأنا رأيته يجر النسعة ‏.‏

ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম এমতাবস্থায় গলায় চামড়ার রশি বাঁধানো এক হত্যাকারীকে আনা হল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহত ব্যাক্তির অভিভাবককে ডেকে বললেন, তুমি কি ক্ষমা করে দিবে? সে বললো, না। তিনি বললেন, তুমি কি দিয়াত নিবে? সে বললো, না। তিনি পুনরায় বললেন, তুমি কি হত্যা করবে? সে বললো, হাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলেন, একে নিয়ে যাও। সে যখন যেতে উদ্যত হলো, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় বললেন, তুমি কি ক্ষমা করে দিবে? সে বললো, না। তিনি বললেন, তুমি কি রক্তপণ গ্রহণ করবে? সে বললো, না। তিনি প্রশ্ন করলেন, তাহলে তুমি কি হত্যা করবে? সে বললো, হাঁ। তিনি বললেন, একে নিয়ে যাও। এভাবে চতুর্থবারে তিনি বললেন, জেনে রাখো, তুমি তাকে ক্ষমা করে দিলে সে নিজের ও তার সাথীর গুনাহ নিয়ে ফিরতো। বর্ণনাকারী বলেন, অতএব সে তাকে ক্ষমা করে দিলো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে (হত্যাকারীকে) চামড়ার রশি টেনে টেনে চলে যেতে দেখেছি।

ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম এমতাবস্থায় গলায় চামড়ার রশি বাঁধানো এক হত্যাকারীকে আনা হল। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহত ব্যাক্তির অভিভাবককে ডেকে বললেন, তুমি কি ক্ষমা করে দিবে? সে বললো, না। তিনি বললেন, তুমি কি দিয়াত নিবে? সে বললো, না। তিনি পুনরায় বললেন, তুমি কি হত্যা করবে? সে বললো, হাঁ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলেন, একে নিয়ে যাও। সে যখন যেতে উদ্যত হলো, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় বললেন, তুমি কি ক্ষমা করে দিবে? সে বললো, না। তিনি বললেন, তুমি কি রক্তপণ গ্রহণ করবে? সে বললো, না। তিনি প্রশ্ন করলেন, তাহলে তুমি কি হত্যা করবে? সে বললো, হাঁ। তিনি বললেন, একে নিয়ে যাও। এভাবে চতুর্থবারে তিনি বললেন, জেনে রাখো, তুমি তাকে ক্ষমা করে দিলে সে নিজের ও তার সাথীর গুনাহ নিয়ে ফিরতো। বর্ণনাকারী বলেন, অতএব সে তাকে ক্ষমা করে দিলো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে (হত্যাকারীকে) চামড়ার রশি টেনে টেনে চলে যেতে দেখেছি।

حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة الجشمي، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عوف، حدثنا حمزة أبو عمر العائذي، حدثني علقمة بن وائل، حدثني وائل بن حجر، قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم إذ جيء برجل قاتل في عنقه النسعة قال فدعا ولي المقتول فقال ‏"‏ أتعفو ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتأخذ الدية ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتقتل ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اذهب به ‏"‏ ‏.‏ فلما ولى قال ‏"‏ أتعفو ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتأخذ الدية ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفتقتل ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ اذهب به ‏"‏ ‏.‏ فلما كان في الرابعة قال ‏"‏ أما إنك إن عفوت عنه يبوء بإثمه وإثم صاحبه ‏"‏ ‏.‏ قال فعفا عنه ‏.‏ قال فأنا رأيته يجر النسعة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০২

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى بن سعيد، عن أبي أمامة بن سهل، قال كنا مع عثمان وهو محصور في الدار وكان في الدار مدخل من دخله سمع كلام من على البلاط فدخله عثمان فخرج إلينا وهو متغير لونه فقال إنهم ليتواعدونني بالقتل آنفا ‏.‏ قلنا يكفيكهم الله يا أمير المؤمنين ‏.‏ قال ولم يقتلونني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل دم امرئ مسلم إلا بإحدى ثلاث كفر بعد إسلام أو زنا بعد إحصان أو قتل نفس بغير نفس ‏"‏ ‏.‏ فوالله ما زنيت في جاهلية ولا إسلام قط ولا أحببت أن لي بديني بدلا منذ هداني الله ولا قتلت نفسا فبم يقتلونني قال أبو داود عثمان وأبو بكر رضى الله عنهما تركا الخمر في الجاهلية ‏.

আবূ উমামাহ ইবনু সাহল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘উসমান (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম, যখন তিনি (বিদ্রোহীদের দ্বারা) একটি ঘরে আটক ছিলেন। ঐ ঘরের একটি প্রবেশদ্বার ছিল। কেউ ঐ প্রবেশদ্বারে প্রবেশ করলে আল-বালাত নামক স্থানের লোকের কথাবার্তা শুনতে পেতো। ‘উসমান (রাঃ) তাতে প্রবেশ করলেন এবং বিবর্ণ অবস্থায় আমাদের নিকট এসে বললেন, তারা এইমাত্র আমাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, হে আমীরূল মুমিনীন! আল্লাহ্‌ই তাদের বিরুদ্ধে আপনার জন্য যথেষ্ট। তিনি প্রশ্ন করলেন, তারা আমাকে হত্যা করবে কেন? আমি তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতেন শুনেছিঃ তিনটি অপরাধের কোন একটি ব্যাতীত মুসলিম ব্যাক্তির রক্তপাত করা হালাল নয়, (১) ইসলাম গ্রহনের পর পুনরায় কুফরীতে ফিরে যাওয়া (২) বিবাহিত ব্যাক্তির যেনায় লিপ্ত হওয়া এবং (৩) হত্যার অপরাধী না হওয়া সত্ত্বেও কোন ব্যাক্তিকে হত্যা করলে। আল্লাহর কসম! আমি জাহিলী যুগে এবং ইসলামী যুগেও কখনো যেনা করিনি। আল্লাহ আমাকে হেদায়াত দান করার পর হতে আমি মোটেই অন্য ধর্ম গ্রহণ পছন্দ করি না এবং আমি কোন মানুষকে হত্যা করিনি। অতএব তারা কেন আমাকে হত্যা করবে? ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘উসমান ও আবূ বকর (রাঃ) উভয়ে জাহিলী যুগেই মাদক গ্রহণ পরিত্যাগ করেছেন।

আবূ উমামাহ ইবনু সাহল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘উসমান (রাঃ)-এর সঙ্গে ছিলাম, যখন তিনি (বিদ্রোহীদের দ্বারা) একটি ঘরে আটক ছিলেন। ঐ ঘরের একটি প্রবেশদ্বার ছিল। কেউ ঐ প্রবেশদ্বারে প্রবেশ করলে আল-বালাত নামক স্থানের লোকের কথাবার্তা শুনতে পেতো। ‘উসমান (রাঃ) তাতে প্রবেশ করলেন এবং বিবর্ণ অবস্থায় আমাদের নিকট এসে বললেন, তারা এইমাত্র আমাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা বললাম, হে আমীরূল মুমিনীন! আল্লাহ্‌ই তাদের বিরুদ্ধে আপনার জন্য যথেষ্ট। তিনি প্রশ্ন করলেন, তারা আমাকে হত্যা করবে কেন? আমি তো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতেন শুনেছিঃ তিনটি অপরাধের কোন একটি ব্যাতীত মুসলিম ব্যাক্তির রক্তপাত করা হালাল নয়, (১) ইসলাম গ্রহনের পর পুনরায় কুফরীতে ফিরে যাওয়া (২) বিবাহিত ব্যাক্তির যেনায় লিপ্ত হওয়া এবং (৩) হত্যার অপরাধী না হওয়া সত্ত্বেও কোন ব্যাক্তিকে হত্যা করলে। আল্লাহর কসম! আমি জাহিলী যুগে এবং ইসলামী যুগেও কখনো যেনা করিনি। আল্লাহ আমাকে হেদায়াত দান করার পর হতে আমি মোটেই অন্য ধর্ম গ্রহণ পছন্দ করি না এবং আমি কোন মানুষকে হত্যা করিনি। অতএব তারা কেন আমাকে হত্যা করবে? ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘উসমান ও আবূ বকর (রাঃ) উভয়ে জাহিলী যুগেই মাদক গ্রহণ পরিত্যাগ করেছেন।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن يحيى بن سعيد، عن أبي أمامة بن سهل، قال كنا مع عثمان وهو محصور في الدار وكان في الدار مدخل من دخله سمع كلام من على البلاط فدخله عثمان فخرج إلينا وهو متغير لونه فقال إنهم ليتواعدونني بالقتل آنفا ‏.‏ قلنا يكفيكهم الله يا أمير المؤمنين ‏.‏ قال ولم يقتلونني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحل دم امرئ مسلم إلا بإحدى ثلاث كفر بعد إسلام أو زنا بعد إحصان أو قتل نفس بغير نفس ‏"‏ ‏.‏ فوالله ما زنيت في جاهلية ولا إسلام قط ولا أحببت أن لي بديني بدلا منذ هداني الله ولا قتلت نفسا فبم يقتلونني قال أبو داود عثمان وأبو بكر رضى الله عنهما تركا الخمر في الجاهلية ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০০

حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يحيى بن سعيد، قال حدثني جامع بن مطر، حدثني علقمة بن وائل، بإسناده ومعناه ‏.‏

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। [৪৪৯৯] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

উপরোক্ত সানাদে অনুরূপ সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। [৪৪৯৯] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يحيى بن سعيد، قال حدثني جامع بن مطر، حدثني علقمة بن وائل، بإسناده ومعناه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০১

حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا عبد القدوس بن الحجاج، حدثنا يزيد بن عطاء الواسطي، عن سماك، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم بحبشي فقال إن هذا قتل ابن أخي ‏.‏ قال ‏"‏ كيف قتلته ‏"‏ ‏.‏ قال ضربت رأسه بالفأس ولم أرد قتله ‏.‏ قال ‏"‏ هل لك مال تؤدي ديته ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفرأيت إن أرسلتك تسأل الناس تجمع ديته ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فمواليك يعطونك ديته ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال للرجل ‏"‏ خذه ‏"‏ ‏.‏ فخرج به ليقتله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما إنه إن قتله كان مثله ‏"‏ ‏.‏ فبلغ به الرجل حيث يسمع قوله فقال هو ذا فمر فيه ما شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أرسله - وقال مرة دعه - يبوء بإثم صاحبه وإثمه فيكون من أصحاب النار ‏"‏ ‏.‏ قال فأرسله ‏.‏

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি হাবশী এক লোককে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, এ লোক আমার ভাতিজাকে হত্যা করেছে। তিনি বললেন, তুমি তাকে কিভাবে হত্যা করেছো? সে বললো, আমি কুঠার দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেছিলাম, তবে তাকে হত্যা করার ইচ্ছা আমার ছিল না। তিনি বললেন, তোমার কি সম্পদ আছে যা দিয়ে তুমি তার রক্তপণ শোধ করতে পারো? সে বললো, না। তিনি বললেন, তুমি কি মনে করো, যদি আমি তোমাকে ছেড়ে দেই তাহলে তুমি কি মানুষের নিকট ভিক্ষা করে তার দিয়াত সংগ্রহ করতে পারবে? সে বললো, না। তিনি বললেন, তোমার মনিব গোষ্ঠী কি তোমার পক্ষ হতে তার দিয়াত দিবে? সে বললো, না। তিনি বাদীকে বললেন, একে নিয়ে যাও। অতঃপর হত্যা করার জন্য সে তাকে নিয়ে রওয়ানা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “জেনে রাখো! যদি সে তাকে হত্যা করে, তাহলে সেও তার মতোই হবে”। কথাটি লোকটির কানে পৌঁছালো যেখান হতে সে তাঁর কথা শুনতে পাচ্ছিল। সে বললো, সে এখানে আছে; অতএব তার ব্যাপারে আপনার যা ইচ্ছা তাই হুকুম দিন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। অপর বর্ণনায় আছে, তাকে ত্যাগ করো, সে তার ও তার সাথীর গুনাহ বহন করবে, ফলে সে জাহান্নামী হবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর সে তাকে ছেড়ে দিলো।

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যাক্তি হাবশী এক লোককে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, এ লোক আমার ভাতিজাকে হত্যা করেছে। তিনি বললেন, তুমি তাকে কিভাবে হত্যা করেছো? সে বললো, আমি কুঠার দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেছিলাম, তবে তাকে হত্যা করার ইচ্ছা আমার ছিল না। তিনি বললেন, তোমার কি সম্পদ আছে যা দিয়ে তুমি তার রক্তপণ শোধ করতে পারো? সে বললো, না। তিনি বললেন, তুমি কি মনে করো, যদি আমি তোমাকে ছেড়ে দেই তাহলে তুমি কি মানুষের নিকট ভিক্ষা করে তার দিয়াত সংগ্রহ করতে পারবে? সে বললো, না। তিনি বললেন, তোমার মনিব গোষ্ঠী কি তোমার পক্ষ হতে তার দিয়াত দিবে? সে বললো, না। তিনি বাদীকে বললেন, একে নিয়ে যাও। অতঃপর হত্যা করার জন্য সে তাকে নিয়ে রওয়ানা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “জেনে রাখো! যদি সে তাকে হত্যা করে, তাহলে সেও তার মতোই হবে”। কথাটি লোকটির কানে পৌঁছালো যেখান হতে সে তাঁর কথা শুনতে পাচ্ছিল। সে বললো, সে এখানে আছে; অতএব তার ব্যাপারে আপনার যা ইচ্ছা তাই হুকুম দিন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে ছেড়ে দাও। অপর বর্ণনায় আছে, তাকে ত্যাগ করো, সে তার ও তার সাথীর গুনাহ বহন করবে, ফলে সে জাহান্নামী হবে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর সে তাকে ছেড়ে দিলো।

حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا عبد القدوس بن الحجاج، حدثنا يزيد بن عطاء الواسطي، عن سماك، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم بحبشي فقال إن هذا قتل ابن أخي ‏.‏ قال ‏"‏ كيف قتلته ‏"‏ ‏.‏ قال ضربت رأسه بالفأس ولم أرد قتله ‏.‏ قال ‏"‏ هل لك مال تؤدي ديته ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ أفرأيت إن أرسلتك تسأل الناس تجمع ديته ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فمواليك يعطونك ديته ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال للرجل ‏"‏ خذه ‏"‏ ‏.‏ فخرج به ليقتله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أما إنه إن قتله كان مثله ‏"‏ ‏.‏ فبلغ به الرجل حيث يسمع قوله فقال هو ذا فمر فيه ما شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أرسله - وقال مرة دعه - يبوء بإثم صاحبه وإثمه فيكون من أصحاب النار ‏"‏ ‏.‏ قال فأرسله ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৩

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، قال حدثنا محمد بن إسحاق، فحدثني محمد بن جعفر بن الزبير، قال سمعت زياد بن ضميرة الضمري، ح وحدثنا وهب بن بيان، وأحمد بن سعيد الهمداني، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن عبد الرحمن بن الحارث، عن محمد بن جعفر، أنه سمع زياد بن سعد بن ضميرة السلمي، - وهذا حديث وهب وهو أتم - يحدث عروة بن الزبير عن أبيه - قال موسى - وجده وكانا شهدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حنينا - ثم رجعنا إلى حديث وهب - أن محلم بن جثامة الليثي قتل رجلا من أشجع في الإسلام وذلك أول غير قضى به رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم عيينة في قتل الأشجعي لأنه من غطفان وتكلم الأقرع بن حابس دون محلم لأنه من خندف فارتفعت الأصوات وكثرت الخصومة واللغط فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عيينة ألا تقبل الغير ‏"‏ ‏.‏ فقال عيينة لا والله حتى أدخل على نسائه من الحرب والحزن ما أدخل على نسائي ‏.‏ قال ثم ارتفعت الأصوات وكثرت الخصومة واللغط فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عيينة ألا تقبل الغير ‏"‏ ‏.‏ فقال عيينة مثل ذلك أيضا إلى أن قام رجل من بني ليث يقال له مكيتل عليه شكة وفي يده درقة فقال يا رسول الله إني لم أجد لما فعل هذا في غرة الإسلام مثلا إلا غنما وردت فرمي أولها فنفر آخرها اسنن اليوم وغير غدا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خمسون في فورنا هذا وخمسون إذا رجعنا إلى المدينة ‏"‏ ‏.‏ وذلك في بعض أسفاره ومحلم رجل طويل آدم وهو في طرف الناس فلم يزالوا حتى تخلص فجلس بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم وعيناه تدمعان فقال يا رسول الله إني قد فعلت الذي بلغك وإني أتوب إلى الله تبارك وتعالى فاستغفر الله عز وجل لي يا رسول الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقتلته بسلاحك في غرة الإسلام اللهم لا تغفر لمحلم ‏"‏ ‏.‏ بصوت عال زاد أبو سلمة فقام وإنه ليتلقى دموعه بطرف ردائه قال ابن إسحاق فزعم قومه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استغفر له بعد ذلك ‏.‏ قال أبو داود قال النضر بن شميل الغير الدية ‏.

মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার ইবনু সা’দ ইবনু দুমাইরাহ (রহঃ) তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হুনাইনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। লাইস গোত্রীয় মুহাল্লিম ইবনু জাসসামাহ আশজা’ গোত্রের এক ব্যাক্তিকে ইসলামের (প্রাথমিক) যুগে হত্যা করে। এটা ছিল সর্বপ্রথম হত্যাকান্ড যার বিচার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। এ ব্যাপারে ‘উয়াইনাহ আল-আশজায়ী সম্পর্কে আলাপ করেন। কেননা তিনি গাতফান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং আকরা’ ইবনু হারিস (রাঃ) মুহাল্লিমের পক্ষ হয়ে কথা বলেন, কেননা তিনি খিনদিফদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এতে কথা কাটাকাটি হতে হতে তা ঝগড়ায় রূপ নিলো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলেন, হে উয়াইনাহ! তুমি কি দিয়াত নিবে না? উয়াইনাহ বললেন, না, আল্লাহ্‌র কসম! যতক্ষণ তাদের নারীরা দুর্দশাগ্রস্ত না হবে, যেরূপ আমাদের নারীরা দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আবার বাকবিতন্ডা চরম আকার ধারণ করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় উয়াইনাহ্কে উদেশ্য করে বললেন, হে উয়াইনাহ! তুমি কি দিয়াত নিবে না? উয়াইনাহ এবারও একই উত্তর দিলেন। এরপর মুকাইতিল নামক বনী লাইস গোত্রের এক ব্যাক্তি উঠে দাঁড়ালো, যার সঙ্গে অস্ত্র ও হাতে ঢাল ছিল। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ ব্যাক্তি (মুহাল্লিম) ইসলামের প্রথম যুগে যে কাজ করলো আমি তার এই উদাহরণ ছাড়া অন্য কিছু খুঁজে পাই না যে, ছাগলের একটি পাল জলাশয়ে উপনীত হলে যেটি প্রথমে এলো তার প্রতি তীর নিক্ষেপ করা হলে বাকিগুলো পলায়ন করলো, আজ একটি বিধান প্রণয়ন করুন এবং আগামীকাল তা পরিবর্তন করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এখনই নগদ পঞ্চাশটি এবং মদিনায় ফিরে গিয়ে বাকি পঞ্চাশটি (উট) পাবে। ঘটনাটি তাঁর কোন এক সফরের সময় ঘটেছিল। মুহাল্লিম এক দীর্ঘকায় ও বাদামী রংবিশিষ্ট লোক ছিল। সে জনতার এক পাশে উপবিষ্ট ছিল। এমতাবস্থায় তাকে মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত তারা তদবীর করতে থাকে। সে স্বস্থান ত্যাগ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে সামনা সামনি বসলো, তখন তাঁর দু’চোখ বেয়ে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পর্কে আপনার নিকট যে অভিযোগ এসেছে, সত্যিই আমি উক্ত দোষে দোষী। আর আমি এজন্য আল্লাহর নিকট তাওবাহ করেছি, আপনিও আল্লাহর নিকট আমার তাওবাহ কবুলের জন্য দু’আ করুন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি ইসলামের প্রথম যুগে তোমার অস্ত্রের মাধ্যমে তাকে হত্যা করেছো? তিনি উচ্চস্বরে বললেন, হে আল্লাহ! মুহাল্লিমকে ক্ষমা করো না। আবূ সালামাহ্র বর্ণনায় আরো আছেঃ সে চাদরের আঁচল দিয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে উঠে দাঁড়ালো। ইবনু ইসহাক্ব বলেন, তার গোত্রের লোকদের ধারণা যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরে মুহাল্লিমের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। [৪৫০২]

মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার ইবনু সা’দ ইবনু দুমাইরাহ (রহঃ) তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে হুনাইনের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। লাইস গোত্রীয় মুহাল্লিম ইবনু জাসসামাহ আশজা’ গোত্রের এক ব্যাক্তিকে ইসলামের (প্রাথমিক) যুগে হত্যা করে। এটা ছিল সর্বপ্রথম হত্যাকান্ড যার বিচার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) করেছিলেন। এ ব্যাপারে ‘উয়াইনাহ আল-আশজায়ী সম্পর্কে আলাপ করেন। কেননা তিনি গাতফান গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন এবং আকরা’ ইবনু হারিস (রাঃ) মুহাল্লিমের পক্ষ হয়ে কথা বলেন, কেননা তিনি খিনদিফদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এতে কথা কাটাকাটি হতে হতে তা ঝগড়ায় রূপ নিলো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রশ্ন করলেন, হে উয়াইনাহ! তুমি কি দিয়াত নিবে না? উয়াইনাহ বললেন, না, আল্লাহ্‌র কসম! যতক্ষণ তাদের নারীরা দুর্দশাগ্রস্ত না হবে, যেরূপ আমাদের নারীরা দুর্দশাগ্রস্ত হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আবার বাকবিতন্ডা চরম আকার ধারণ করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় উয়াইনাহ্কে উদেশ্য করে বললেন, হে উয়াইনাহ! তুমি কি দিয়াত নিবে না? উয়াইনাহ এবারও একই উত্তর দিলেন। এরপর মুকাইতিল নামক বনী লাইস গোত্রের এক ব্যাক্তি উঠে দাঁড়ালো, যার সঙ্গে অস্ত্র ও হাতে ঢাল ছিল। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ ব্যাক্তি (মুহাল্লিম) ইসলামের প্রথম যুগে যে কাজ করলো আমি তার এই উদাহরণ ছাড়া অন্য কিছু খুঁজে পাই না যে, ছাগলের একটি পাল জলাশয়ে উপনীত হলে যেটি প্রথমে এলো তার প্রতি তীর নিক্ষেপ করা হলে বাকিগুলো পলায়ন করলো, আজ একটি বিধান প্রণয়ন করুন এবং আগামীকাল তা পরিবর্তন করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এখনই নগদ পঞ্চাশটি এবং মদিনায় ফিরে গিয়ে বাকি পঞ্চাশটি (উট) পাবে। ঘটনাটি তাঁর কোন এক সফরের সময় ঘটেছিল। মুহাল্লিম এক দীর্ঘকায় ও বাদামী রংবিশিষ্ট লোক ছিল। সে জনতার এক পাশে উপবিষ্ট ছিল। এমতাবস্থায় তাকে মুক্তি না দেয়া পর্যন্ত তারা তদবীর করতে থাকে। সে স্বস্থান ত্যাগ করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে সামনা সামনি বসলো, তখন তাঁর দু’চোখ বেয়ে অশ্রু প্রবাহিত হচ্ছিল। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পর্কে আপনার নিকট যে অভিযোগ এসেছে, সত্যিই আমি উক্ত দোষে দোষী। আর আমি এজন্য আল্লাহর নিকট তাওবাহ করেছি, আপনিও আল্লাহর নিকট আমার তাওবাহ কবুলের জন্য দু’আ করুন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি ইসলামের প্রথম যুগে তোমার অস্ত্রের মাধ্যমে তাকে হত্যা করেছো? তিনি উচ্চস্বরে বললেন, হে আল্লাহ! মুহাল্লিমকে ক্ষমা করো না। আবূ সালামাহ্র বর্ণনায় আরো আছেঃ সে চাদরের আঁচল দিয়ে চোখের পানি মুছতে মুছতে উঠে দাঁড়ালো। ইবনু ইসহাক্ব বলেন, তার গোত্রের লোকদের ধারণা যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পরে মুহাল্লিমের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। [৪৫০২]

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، قال حدثنا محمد بن إسحاق، فحدثني محمد بن جعفر بن الزبير، قال سمعت زياد بن ضميرة الضمري، ح وحدثنا وهب بن بيان، وأحمد بن سعيد الهمداني، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن عبد الرحمن بن الحارث، عن محمد بن جعفر، أنه سمع زياد بن سعد بن ضميرة السلمي، - وهذا حديث وهب وهو أتم - يحدث عروة بن الزبير عن أبيه - قال موسى - وجده وكانا شهدا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حنينا - ثم رجعنا إلى حديث وهب - أن محلم بن جثامة الليثي قتل رجلا من أشجع في الإسلام وذلك أول غير قضى به رسول الله صلى الله عليه وسلم فتكلم عيينة في قتل الأشجعي لأنه من غطفان وتكلم الأقرع بن حابس دون محلم لأنه من خندف فارتفعت الأصوات وكثرت الخصومة واللغط فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عيينة ألا تقبل الغير ‏"‏ ‏.‏ فقال عيينة لا والله حتى أدخل على نسائه من الحرب والحزن ما أدخل على نسائي ‏.‏ قال ثم ارتفعت الأصوات وكثرت الخصومة واللغط فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا عيينة ألا تقبل الغير ‏"‏ ‏.‏ فقال عيينة مثل ذلك أيضا إلى أن قام رجل من بني ليث يقال له مكيتل عليه شكة وفي يده درقة فقال يا رسول الله إني لم أجد لما فعل هذا في غرة الإسلام مثلا إلا غنما وردت فرمي أولها فنفر آخرها اسنن اليوم وغير غدا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خمسون في فورنا هذا وخمسون إذا رجعنا إلى المدينة ‏"‏ ‏.‏ وذلك في بعض أسفاره ومحلم رجل طويل آدم وهو في طرف الناس فلم يزالوا حتى تخلص فجلس بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم وعيناه تدمعان فقال يا رسول الله إني قد فعلت الذي بلغك وإني أتوب إلى الله تبارك وتعالى فاستغفر الله عز وجل لي يا رسول الله ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقتلته بسلاحك في غرة الإسلام اللهم لا تغفر لمحلم ‏"‏ ‏.‏ بصوت عال زاد أبو سلمة فقام وإنه ليتلقى دموعه بطرف ردائه قال ابن إسحاق فزعم قومه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استغفر له بعد ذلك ‏.‏ قال أبو داود قال النضر بن شميل الغير الدية ‏.


সুনানে আবু দাউদ > ইচ্ছাকৃত হত্যার ক্ষেত্রে অভিভাবক দিয়াত গ্রহণ করলে

সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৫

حدثنا عباس بن الوليد بن مزيد، أخبرنا أبي، حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى، ح وحدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثني أبو داود، حدثنا حرب بن شداد، حدثنا يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، حدثنا أبو هريرة، قال لما فتحت مكة قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ من قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يودى أو يقاد ‏"‏ ‏.‏ فقام رجل من أهل اليمن يقال له أبو شاه فقال يا رسول الله اكتب لي - قال العباس اكتبوا لي - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏ ‏.‏ وهذا لفظ حديث أحمد ‏.‏ قال أبو داود اكتبوا لي يعني خطبة النبي صلى الله عليه وسلم ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে বললেন, যার কোন লোককে হত্যা করা হয়েছে তার দু’টি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণের স্বাধীনতা আছে। হয়তো তাকে রক্তমূল্য দেয়া হবে, অন্যথায় কিসাস কার্যকর হবে। তখন ইয়ামানের অধিবাসী আবূ শাহ নামক এক ব্যাক্তি দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! (এ নির্দেশ) আমাদের জন্য লিখিয়ে দিন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আবূ শাহ-এর জন্য লিখে দাও। হাদীসের এ শব্দ ইমাম আহ্‌মাদ (রহঃ)-এর। আর ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, “আমাদের জন্য লিখিয়ে দিন” অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খুত্ববাহটি।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে বললেন, যার কোন লোককে হত্যা করা হয়েছে তার দু’টি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণের স্বাধীনতা আছে। হয়তো তাকে রক্তমূল্য দেয়া হবে, অন্যথায় কিসাস কার্যকর হবে। তখন ইয়ামানের অধিবাসী আবূ শাহ নামক এক ব্যাক্তি দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! (এ নির্দেশ) আমাদের জন্য লিখিয়ে দিন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আবূ শাহ-এর জন্য লিখে দাও। হাদীসের এ শব্দ ইমাম আহ্‌মাদ (রহঃ)-এর। আর ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, “আমাদের জন্য লিখিয়ে দিন” অর্থাৎ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খুত্ববাহটি।

حدثنا عباس بن الوليد بن مزيد، أخبرنا أبي، حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى، ح وحدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثني أبو داود، حدثنا حرب بن شداد، حدثنا يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، حدثنا أبو هريرة، قال لما فتحت مكة قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ من قتل له قتيل فهو بخير النظرين إما أن يودى أو يقاد ‏"‏ ‏.‏ فقام رجل من أهل اليمن يقال له أبو شاه فقال يا رسول الله اكتب لي - قال العباس اكتبوا لي - فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اكتبوا لأبي شاه ‏"‏ ‏.‏ وهذا لفظ حديث أحمد ‏.‏ قال أبو داود اكتبوا لي يعني خطبة النبي صلى الله عليه وسلم ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৪

حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا ابن أبي ذئب، قال حدثني سعيد بن أبي سعيد، قال سمعت أبا شريح الكعبي، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ألا إنكم يا معشر خزاعة قتلتم هذا القتيل من هذيل وإني عاقله فمن قتل له بعد مقالتي هذه قتيل فأهله بين خيرتين أن يأخذوا العقل أو يقتلوا ‏"‏ ‏.‏

সাঈদ ইবনু আবূ সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ শুরাইহ আল-কা’বী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শোন হে খুযা’আহ গোত্রের লোকেরা! তোমরা হুযাইল গোত্রের এ ব্যাক্তিকে হত্যা করেছো। আর আমিই তার রক্তমূল্য পরিশোধ করবো। আমার একথার পর যাদের কোন লোককে হত্যা করা হবে তখন নিহতের পরিবার দু’টি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করতে পারবে। দিয়াত গ্রহণ করবে অথবা হত্যা করবে।

সাঈদ ইবনু আবূ সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ শুরাইহ আল-কা’বী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শোন হে খুযা’আহ গোত্রের লোকেরা! তোমরা হুযাইল গোত্রের এ ব্যাক্তিকে হত্যা করেছো। আর আমিই তার রক্তমূল্য পরিশোধ করবো। আমার একথার পর যাদের কোন লোককে হত্যা করা হবে তখন নিহতের পরিবার দু’টি বিকল্প ব্যবস্থার যে কোন একটি গ্রহণ করতে পারবে। দিয়াত গ্রহণ করবে অথবা হত্যা করবে।

حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا ابن أبي ذئب، قال حدثني سعيد بن أبي سعيد، قال سمعت أبا شريح الكعبي، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ألا إنكم يا معشر خزاعة قتلتم هذا القتيل من هذيل وإني عاقله فمن قتل له بعد مقالتي هذه قتيل فأهله بين خيرتين أن يأخذوا العقل أو يقتلوا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৬

حدثنا مسلم، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتل مؤمن بكافر ومن قتل مؤمنا متعمدا دفع إلى أولياء المقتول فإن شاءوا قتلوه وإن شاءوا أخذوا الدية ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফির হত্যার দায়ে মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। কেউ মুমিন ব্যাক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহতের ওয়ারিসদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা চাইলে তাকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত গ্রহণ করবে। [৪৫০৫]

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফির হত্যার দায়ে মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। কেউ মুমিন ব্যাক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহতের ওয়ারিসদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা চাইলে তাকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত গ্রহণ করবে। [৪৫০৫]

حدثنا مسلم، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتل مؤمن بكافر ومن قتل مؤمنا متعمدا دفع إلى أولياء المقتول فإن شاءوا قتلوه وإن شاءوا أخذوا الدية ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৬

حدثنا مسلم، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتل مؤمن بكافر ومن قتل مؤمنا متعمدا دفع إلى أولياء المقتول فإن شاءوا قتلوه وإن شاءوا أخذوا الدية ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফির হত্যার দায়ে মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। কেউ মুমিন ব্যাক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহতের ওয়ারিসদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা চাইলে তাকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত গ্রহণ করবে। [৪৫০৫]

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফির হত্যার দায়ে মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। কেউ মুমিন ব্যাক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহতের ওয়ারিসদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা চাইলে তাকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত গ্রহণ করবে। [৪৫০৫]

حدثنا مسلم، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتل مؤمن بكافر ومن قتل مؤمنا متعمدا دفع إلى أولياء المقتول فإن شاءوا قتلوه وإن شاءوا أخذوا الدية ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৬

حدثنا مسلم، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتل مؤمن بكافر ومن قتل مؤمنا متعمدا دفع إلى أولياء المقتول فإن شاءوا قتلوه وإن شاءوا أخذوا الدية ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফির হত্যার দায়ে মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। কেউ মুমিন ব্যাক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহতের ওয়ারিসদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা চাইলে তাকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত গ্রহণ করবে। [৪৫০৫]

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কাফির হত্যার দায়ে মুমিনকে হত্যা করা যাবে না। কেউ মুমিন ব্যাক্তিকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে তাকে নিহতের ওয়ারিসদের নিকট সোপর্দ করা হবে। তারা চাইলে তাকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত গ্রহণ করবে। [৪৫০৫]

حدثنا مسلم، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا يقتل مؤمن بكافر ومن قتل مؤمنا متعمدا دفع إلى أولياء المقتول فإن شاءوا قتلوه وإن شاءوا أخذوا الدية ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যে ব্যাক্তি দিয়াত গ্রহণের পর হত্যা করলো

সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৭

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا مطر الوراق، - وأحسبه - عن الحسن، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا أعفي من قتل بعد أخذه الدية ‏"‏ ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি দিয়াত গ্রহণের পর হত্যা করলো, আমি তাকে ক্ষমা করবো না। [৪৫০৬] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৩৪৭৯৮, যঈফাহ হা/৪৭৬৭।

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যাক্তি দিয়াত গ্রহণের পর হত্যা করলো, আমি তাকে ক্ষমা করবো না। [৪৫০৬] দুর্বলঃ মিশকাত হা/৩৪৭৯৮, যঈফাহ হা/৪৭৬৭।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا مطر الوراق، - وأحسبه - عن الحسن، عن جابر بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا أعفي من قتل بعد أخذه الدية ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ > কাউকে বিষ খাইয়ে হত্যা করলে কি তাকেও হত্যা করা হবে?

সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৯

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا عباد بن العوام، ح وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا سعيد بن سليمان، حدثنا عباد، عن سفيان بن حسين، عن الزهري، عن سعيد، وأبي، سلمة - قال هارون - عن أبي هريرة، أن امرأة، من اليهود أهدت إلى النبي صلى الله عليه وسلم شاة مسمومة - قال - فما عرض لها النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو داود هذه أخت مرحب اليهودية التي سمت النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহুদী মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষ মিশ্রিত একটি ভুনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যে নারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষ প্রয়োগ করেছিল সে হলো মারহাব নামক ইয়াহুদীর বোন। [৪৫০৮]

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ইয়াহুদী মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষ মিশ্রিত একটি ভুনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যে নারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষ প্রয়োগ করেছিল সে হলো মারহাব নামক ইয়াহুদীর বোন। [৪৫০৮]

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا عباد بن العوام، ح وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا سعيد بن سليمان، حدثنا عباد، عن سفيان بن حسين، عن الزهري، عن سعيد، وأبي، سلمة - قال هارون - عن أبي هريرة، أن امرأة، من اليهود أهدت إلى النبي صلى الله عليه وسلم شاة مسمومة - قال - فما عرض لها النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو داود هذه أخت مرحب اليهودية التي سمت النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫০৮

حدثنا يحيى بن حبيب بن عربي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس بن مالك، أن امرأة، يهودية أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة مسمومة فأكل منها فجيء بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألها عن ذلك فقالت أردت لأقتلك ‏.‏ فقال ‏"‏ ما كان الله ليسلطك على ذلك ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ على ‏"‏ ‏.‏ قال فقالوا ألا نقتلها قال ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ فما زلت أعرفها في لهوات رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা জনৈকা ইয়াহুদী নারী বিষ মিশ্রিত একটি ভুনা ছাগী নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে উপস্থিত হলে তিনি তা থেকে খেলেন। অতঃপর তাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত করা হলে তিনি তাকে এজন্য প্রশ্ন করলেন। সে বললো, আমি আপনাকে হত্যা করার জন্যই এটা করেছি। তিনি বললেন, “এ ব্যাপারে আল্লাহ তোমাকে সফল হতে দেননি অথবা তিনি বলেছেন, আমার উপর তোমাকে সফল হতে দেননি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, একে আমরা হত্যা করবোই। তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি সর্বদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আলজিভে তা (বিষের ক্ষত চিহ্ন) দেখতে পেতাম।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা জনৈকা ইয়াহুদী নারী বিষ মিশ্রিত একটি ভুনা ছাগী নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে উপস্থিত হলে তিনি তা থেকে খেলেন। অতঃপর তাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত করা হলে তিনি তাকে এজন্য প্রশ্ন করলেন। সে বললো, আমি আপনাকে হত্যা করার জন্যই এটা করেছি। তিনি বললেন, “এ ব্যাপারে আল্লাহ তোমাকে সফল হতে দেননি অথবা তিনি বলেছেন, আমার উপর তোমাকে সফল হতে দেননি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, একে আমরা হত্যা করবোই। তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি সর্বদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আলজিভে তা (বিষের ক্ষত চিহ্ন) দেখতে পেতাম।

حدثنا يحيى بن حبيب بن عربي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، عن أنس بن مالك، أن امرأة، يهودية أتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بشاة مسمومة فأكل منها فجيء بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألها عن ذلك فقالت أردت لأقتلك ‏.‏ فقال ‏"‏ ما كان الله ليسلطك على ذلك ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ على ‏"‏ ‏.‏ قال فقالوا ألا نقتلها قال ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ فما زلت أعرفها في لهوات رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১০

حدثنا سليمان بن داود المهري، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال كان جابر بن عبد الله يحدث أن يهودية، من أهل خيبر سمت شاة مصلية ثم أهدتها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم الذراع فأكل منها وأكل رهط من أصحابه معه ثم قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ارفعوا أيديكم ‏"‏ ‏.‏ وأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليهودية فدعاها فقال لها ‏"‏ أسممت هذه الشاة ‏"‏ ‏.‏ قالت اليهودية من أخبرك قال ‏"‏ أخبرتني هذه في يدي ‏"‏ ‏.‏ للذراع ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ فما أردت إلى ذلك ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت إن كان نبيا فلن يضره وإن لم يكن استرحنا منه ‏.‏ فعفا عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يعاقبها وتوفي بعض أصحابه الذين أكلوا من الشاة واحتجم رسول الله صلى الله عليه وسلم على كاهله من أجل الذي أكل من الشاة حجمه أبو هند بالقرن والشفرة وهو مولى لبني بياضة من الأنصار ‏.‏

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) এ মর্মে হাদীস বর্ণনা করেছিলেন যে, খায়বারে অধিবাসী এক ইয়াহুদী মহিলা বিষ মিশিয়ে একটি ছাগী ভুনা করে তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি রান নিয়ে খাওয়া আরম্ভ করলেন এবং তাঁর কতিপয় সাহাবীও তাঁর সঙ্গে খেতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেন, তোমরা হাত গুটিয়ে নাও। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ইয়াহুদী মহিলাকে লোক মারফত ডেকে এনে বললেন, তুমি কি এ ছাগীর সঙ্গে বিষ মিশিয়েছ? সে বললো, আপনাকে কে সংবাদ দিয়েছে? তিনি বললেন, আমার হাতের এই রান আমাকে খবর দিয়েছে। সে বললো, হাঁ। তিনি বললেন, এরুপ করার উদ্দেশ্য কি? সে বললো, আমি ভেবেছি, যদি তিনি সত্যিই নবী হন তাহলে বিষ তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি নবী না হন তবে আমরা তার থেকে ঝামেলামুক্ত হবো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কোন প্রকার শাস্তি না দিয়ে ক্ষমা করে দিলেন। যেসব সাহাবী তাঁর সঙ্গে ছাগীর গোশত খেয়েছেন তাদের কেউ কেউ মারা গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছাগীর গোশত খাওয়ার প্রতিক্রিয়া প্রতিহত করার জন্য তাঁর বাহুদ্বয়ের মাঝখানে রক্তমোক্ষণ করালেন। বনী বায়াদার মুক্তদাস আবূ হিন্দ আনসারী শিং ও বল্লমের ফলা দ্বারা তাঁর রক্তমোক্ষণ করিয়েছিলেন। [৪৫০৯]

ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) এ মর্মে হাদীস বর্ণনা করেছিলেন যে, খায়বারে অধিবাসী এক ইয়াহুদী মহিলা বিষ মিশিয়ে একটি ছাগী ভুনা করে তা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি রান নিয়ে খাওয়া আরম্ভ করলেন এবং তাঁর কতিপয় সাহাবীও তাঁর সঙ্গে খেতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেন, তোমরা হাত গুটিয়ে নাও। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ইয়াহুদী মহিলাকে লোক মারফত ডেকে এনে বললেন, তুমি কি এ ছাগীর সঙ্গে বিষ মিশিয়েছ? সে বললো, আপনাকে কে সংবাদ দিয়েছে? তিনি বললেন, আমার হাতের এই রান আমাকে খবর দিয়েছে। সে বললো, হাঁ। তিনি বললেন, এরুপ করার উদ্দেশ্য কি? সে বললো, আমি ভেবেছি, যদি তিনি সত্যিই নবী হন তাহলে বিষ তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি নবী না হন তবে আমরা তার থেকে ঝামেলামুক্ত হবো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কোন প্রকার শাস্তি না দিয়ে ক্ষমা করে দিলেন। যেসব সাহাবী তাঁর সঙ্গে ছাগীর গোশত খেয়েছেন তাদের কেউ কেউ মারা গেলেন এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছাগীর গোশত খাওয়ার প্রতিক্রিয়া প্রতিহত করার জন্য তাঁর বাহুদ্বয়ের মাঝখানে রক্তমোক্ষণ করালেন। বনী বায়াদার মুক্তদাস আবূ হিন্দ আনসারী শিং ও বল্লমের ফলা দ্বারা তাঁর রক্তমোক্ষণ করিয়েছিলেন। [৪৫০৯]

حدثنا سليمان بن داود المهري، حدثنا ابن وهب، قال أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال كان جابر بن عبد الله يحدث أن يهودية، من أهل خيبر سمت شاة مصلية ثم أهدتها لرسول الله صلى الله عليه وسلم فأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم الذراع فأكل منها وأكل رهط من أصحابه معه ثم قال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ارفعوا أيديكم ‏"‏ ‏.‏ وأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليهودية فدعاها فقال لها ‏"‏ أسممت هذه الشاة ‏"‏ ‏.‏ قالت اليهودية من أخبرك قال ‏"‏ أخبرتني هذه في يدي ‏"‏ ‏.‏ للذراع ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ فما أردت إلى ذلك ‏"‏ ‏.‏ قالت قلت إن كان نبيا فلن يضره وإن لم يكن استرحنا منه ‏.‏ فعفا عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يعاقبها وتوفي بعض أصحابه الذين أكلوا من الشاة واحتجم رسول الله صلى الله عليه وسلم على كاهله من أجل الذي أكل من الشاة حجمه أبو هند بالقرن والشفرة وهو مولى لبني بياضة من الأنصار ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১২

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ وحدثنا وهب بن بقية في موضع آخر عن خالد عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة ولم يذكر أبا هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ زاد فأهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية سمتها فأكل رسول الله صلى الله عليه وسلم منها وأكل القوم فقال ‏"‏ ارفعوا أيديكم فإنها أخبرتني أنها مسمومة ‏"‏ ‏.‏ فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏"‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ قالت إن كنت نبيا لم يضرك الذي صنعت وإن كنت ملكا أرحت الناس منك ‏.‏ فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ثم قال في وجعه الذي مات فيه ‏"‏ ما زلت أجد من الأكلة التي أكلت بخيبر فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিয়া গ্রহণ করতেন কিন্তু সদাক্বাহ গ্রহণ করতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, খায়বারে এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে আহার করেন এবং লোকজনও আহার করে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও। কারণ এটি আমাকে অবহিত করেছে যে, এটি বিষযুক্ত। (বিষক্রিয়ার ফলে) বিশ্‌র ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর আল-আনসারী (রাঃ) মারা যান। তিনি ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করলে তা করতে তোমার কিসে প্ররোচিত করেছে? সে বললো, আপনি যদি সত্য নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি বাদশাহ হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হলো। অতঃপর তিনি যে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন সেই সম্পর্কে বলেনঃ আমি সর্বদা সেই লোকমার ব্যাথা অনুভব করছি যা আমি খায়বারে খেয়েছিলাম। এই সময়ে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিয়া গ্রহণ করতেন কিন্তু সদাক্বাহ গ্রহণ করতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, খায়বারে এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে আহার করেন এবং লোকজনও আহার করে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও। কারণ এটি আমাকে অবহিত করেছে যে, এটি বিষযুক্ত। (বিষক্রিয়ার ফলে) বিশ্‌র ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর আল-আনসারী (রাঃ) মারা যান। তিনি ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করলে তা করতে তোমার কিসে প্ররোচিত করেছে? সে বললো, আপনি যদি সত্য নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি বাদশাহ হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হলো। অতঃপর তিনি যে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন সেই সম্পর্কে বলেনঃ আমি সর্বদা সেই লোকমার ব্যাথা অনুভব করছি যা আমি খায়বারে খেয়েছিলাম। এই সময়ে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ وحدثنا وهب بن بقية في موضع آخر عن خالد عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة ولم يذكر أبا هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ زاد فأهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية سمتها فأكل رسول الله صلى الله عليه وسلم منها وأكل القوم فقال ‏"‏ ارفعوا أيديكم فإنها أخبرتني أنها مسمومة ‏"‏ ‏.‏ فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏"‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ قالت إن كنت نبيا لم يضرك الذي صنعت وإن كنت ملكا أرحت الناس منك ‏.‏ فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ثم قال في وجعه الذي مات فيه ‏"‏ ما زلت أجد من الأكلة التي أكلت بخيبر فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১২

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ وحدثنا وهب بن بقية في موضع آخر عن خالد عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة ولم يذكر أبا هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ زاد فأهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية سمتها فأكل رسول الله صلى الله عليه وسلم منها وأكل القوم فقال ‏"‏ ارفعوا أيديكم فإنها أخبرتني أنها مسمومة ‏"‏ ‏.‏ فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏"‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ قالت إن كنت نبيا لم يضرك الذي صنعت وإن كنت ملكا أرحت الناس منك ‏.‏ فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ثم قال في وجعه الذي مات فيه ‏"‏ ما زلت أجد من الأكلة التي أكلت بخيبر فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিয়া গ্রহণ করতেন কিন্তু সদাক্বাহ গ্রহণ করতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, খায়বারে এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে আহার করেন এবং লোকজনও আহার করে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও। কারণ এটি আমাকে অবহিত করেছে যে, এটি বিষযুক্ত। (বিষক্রিয়ার ফলে) বিশ্‌র ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর আল-আনসারী (রাঃ) মারা যান। তিনি ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করলে তা করতে তোমার কিসে প্ররোচিত করেছে? সে বললো, আপনি যদি সত্য নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি বাদশাহ হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হলো। অতঃপর তিনি যে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন সেই সম্পর্কে বলেনঃ আমি সর্বদা সেই লোকমার ব্যাথা অনুভব করছি যা আমি খায়বারে খেয়েছিলাম। এই সময়ে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিয়া গ্রহণ করতেন কিন্তু সদাক্বাহ গ্রহণ করতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, খায়বারে এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে আহার করেন এবং লোকজনও আহার করে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও। কারণ এটি আমাকে অবহিত করেছে যে, এটি বিষযুক্ত। (বিষক্রিয়ার ফলে) বিশ্‌র ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর আল-আনসারী (রাঃ) মারা যান। তিনি ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করলে তা করতে তোমার কিসে প্ররোচিত করেছে? সে বললো, আপনি যদি সত্য নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি বাদশাহ হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হলো। অতঃপর তিনি যে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন সেই সম্পর্কে বলেনঃ আমি সর্বদা সেই লোকমার ব্যাথা অনুভব করছি যা আমি খায়বারে খেয়েছিলাম। এই সময়ে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ وحدثنا وهب بن بقية في موضع آخر عن خالد عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة ولم يذكر أبا هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ زاد فأهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية سمتها فأكل رسول الله صلى الله عليه وسلم منها وأكل القوم فقال ‏"‏ ارفعوا أيديكم فإنها أخبرتني أنها مسمومة ‏"‏ ‏.‏ فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏"‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ قالت إن كنت نبيا لم يضرك الذي صنعت وإن كنت ملكا أرحت الناس منك ‏.‏ فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ثم قال في وجعه الذي مات فيه ‏"‏ ما زلت أجد من الأكلة التي أكلت بخيبر فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১২

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ وحدثنا وهب بن بقية في موضع آخر عن خالد عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة ولم يذكر أبا هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ زاد فأهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية سمتها فأكل رسول الله صلى الله عليه وسلم منها وأكل القوم فقال ‏"‏ ارفعوا أيديكم فإنها أخبرتني أنها مسمومة ‏"‏ ‏.‏ فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏"‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ قالت إن كنت نبيا لم يضرك الذي صنعت وإن كنت ملكا أرحت الناس منك ‏.‏ فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ثم قال في وجعه الذي مات فيه ‏"‏ ما زلت أجد من الأكلة التي أكلت بخيبر فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিয়া গ্রহণ করতেন কিন্তু সদাক্বাহ গ্রহণ করতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, খায়বারে এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে আহার করেন এবং লোকজনও আহার করে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও। কারণ এটি আমাকে অবহিত করেছে যে, এটি বিষযুক্ত। (বিষক্রিয়ার ফলে) বিশ্‌র ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর আল-আনসারী (রাঃ) মারা যান। তিনি ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করলে তা করতে তোমার কিসে প্ররোচিত করেছে? সে বললো, আপনি যদি সত্য নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি বাদশাহ হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হলো। অতঃপর তিনি যে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন সেই সম্পর্কে বলেনঃ আমি সর্বদা সেই লোকমার ব্যাথা অনুভব করছি যা আমি খায়বারে খেয়েছিলাম। এই সময়ে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিয়া গ্রহণ করতেন কিন্তু সদাক্বাহ গ্রহণ করতেন না। বর্ণনাকারী বলেন, খায়বারে এক ইয়াহুদী মহিলা একটি ভুনা বকরীতে বিষ মিশিয়ে তাঁকে হাদিয়া দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হতে আহার করেন এবং লোকজনও আহার করে। তিনি বললেনঃ তোমরা তোমাদের হাত গুটিয়ে নাও। কারণ এটি আমাকে অবহিত করেছে যে, এটি বিষযুক্ত। (বিষক্রিয়ার ফলে) বিশ্‌র ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর আল-আনসারী (রাঃ) মারা যান। তিনি ইয়াহুদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করলে তা করতে তোমার কিসে প্ররোচিত করেছে? সে বললো, আপনি যদি সত্য নবী হয়ে থাকেন তাহলে আমি যা করেছি তাতে আপনার ক্ষতি হবে না। আর যদি আপনি বাদশাহ হয়ে থাকেন তাহলে আমি আপনার থেকে মানুষকে শান্তি দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হলো। অতঃপর তিনি যে ব্যথায় আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন সেই সম্পর্কে বলেনঃ আমি সর্বদা সেই লোকমার ব্যাথা অনুভব করছি যা আমি খায়বারে খেয়েছিলাম। এই সময়ে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ وحدثنا وهب بن بقية في موضع آخر عن خالد عن محمد بن عمرو عن أبي سلمة ولم يذكر أبا هريرة قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقبل الهدية ولا يأكل الصدقة ‏.‏ زاد فأهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية سمتها فأكل رسول الله صلى الله عليه وسلم منها وأكل القوم فقال ‏"‏ ارفعوا أيديكم فإنها أخبرتني أنها مسمومة ‏"‏ ‏.‏ فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏"‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ قالت إن كنت نبيا لم يضرك الذي صنعت وإن كنت ملكا أرحت الناس منك ‏.‏ فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ثم قال في وجعه الذي مات فيه ‏"‏ ما زلت أجد من الأكلة التي أكلت بخيبر فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১১

حدثنا وهب بن بقية، حدثنا خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر أمر الحجامة ‏.‏

জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বারে এক ইয়াহুদী নারী একটা ভূনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, বিশ্র ইবনুল বারাআ’ ইবনু মা’রূর আনসারী (বিষক্রিয়ার) মৃত্যু বরণ করায় তিনি ইয়াহুদী নারীকে ডেকে এনে বললেন, তুমি কেন এরূপ করলে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মহিলাটিকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। কিন্তু বর্ণনাকারী এ হাদীসে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি। [৪৫১০]

জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বারে এক ইয়াহুদী নারী একটা ভূনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, বিশ্র ইবনুল বারাআ’ ইবনু মা’রূর আনসারী (বিষক্রিয়ার) মৃত্যু বরণ করায় তিনি ইয়াহুদী নারীকে ডেকে এনে বললেন, তুমি কেন এরূপ করলে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মহিলাটিকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। কিন্তু বর্ণনাকারী এ হাদীসে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি। [৪৫১০]

حدثنا وهب بن بقية، حدثنا خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر أمر الحجامة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১১

حدثنا وهب بن بقية، حدثنا خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر أمر الحجامة ‏.‏

জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বারে এক ইয়াহুদী নারী একটা ভূনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, বিশ্র ইবনুল বারাআ’ ইবনু মা’রূর আনসারী (বিষক্রিয়ার) মৃত্যু বরণ করায় তিনি ইয়াহুদী নারীকে ডেকে এনে বললেন, তুমি কেন এরূপ করলে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মহিলাটিকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। কিন্তু বর্ণনাকারী এ হাদীসে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি। [৪৫১০]

জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বারে এক ইয়াহুদী নারী একটা ভূনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, বিশ্র ইবনুল বারাআ’ ইবনু মা’রূর আনসারী (বিষক্রিয়ার) মৃত্যু বরণ করায় তিনি ইয়াহুদী নারীকে ডেকে এনে বললেন, তুমি কেন এরূপ করলে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মহিলাটিকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। কিন্তু বর্ণনাকারী এ হাদীসে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি। [৪৫১০]

حدثنا وهب بن بقية، حدثنا خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر أمر الحجامة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১১

حدثنا وهب بن بقية، حدثنا خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر أمر الحجامة ‏.‏

জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বারে এক ইয়াহুদী নারী একটা ভূনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, বিশ্র ইবনুল বারাআ’ ইবনু মা’রূর আনসারী (বিষক্রিয়ার) মৃত্যু বরণ করায় তিনি ইয়াহুদী নারীকে ডেকে এনে বললেন, তুমি কেন এরূপ করলে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মহিলাটিকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। কিন্তু বর্ণনাকারী এ হাদীসে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি। [৪৫১০]

জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বারে এক ইয়াহুদী নারী একটা ভূনা ছাগী উপহার দিয়েছিল। বর্ণনাকারী বলেন, বিশ্র ইবনুল বারাআ’ ইবনু মা’রূর আনসারী (বিষক্রিয়ার) মৃত্যু বরণ করায় তিনি ইয়াহুদী নারীকে ডেকে এনে বললেন, তুমি কেন এরূপ করলে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। এতে আরো রয়েছেঃ অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে মহিলাটিকে হত্যার নির্দেশ দিলেন এবং তাকে হত্যা করা হলো। কিন্তু বর্ণনাকারী এ হাদীসে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি। [৪৫১০]

حدثنا وهب بن بقية، حدثنا خالد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أهدت له يهودية بخيبر شاة مصلية نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور الأنصاري فأرسل إلى اليهودية ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر أمر الحجامة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১৩

حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن ابن كعب بن مالك، عن أبيه، أن أم مبشر، قالت للنبي صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي مات فيه ما يتهم بك يا رسول الله فإني لا أتهم بابني شيئا إلا الشاة المسمومة التي أكل معك بخيبر ‏.‏ وقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ وأنا لا أتهم بنفسي إلا ذلك فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وربما حدث عبد الرزاق بهذا الحديث مرسلا عن معمر عن الزهري عن النبي صلى الله عليه وسلم وربما حدث به عن الزهري عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك وذكر عبد الرزاق أن معمرا كان يحدثهم بالحديث مرة مرسلا فيكتبونه ويحدثهم مرة به فيسنده فيكتبونه وكل صحيح عندنا قال عبد الرزاق فلما قدم ابن المبارك على معمر أسند له معمر أحاديث كان يوقفها ‏.

ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মৃত্যুরোগে আক্রান্ত ছিলেন তখন উম্মু মুবাশশির (রাঃ) তাঁকে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আপনার রোগ সম্পর্কে কি ভাবছেন? আর আমি আমার ছেলের রোগ সম্পর্কে উদ্বিগ্ন নই সেই বিষ মেশানো বকরীর গোশত ব্যাতীত যা সে খায়বারে আপনার সঙ্গে খেয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমিও ঐ বিষ ছাড়া আমার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন নই। এ মুহূর্তে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন মৃত্যুরোগে আক্রান্ত ছিলেন তখন উম্মু মুবাশশির (রাঃ) তাঁকে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আপনার রোগ সম্পর্কে কি ভাবছেন? আর আমি আমার ছেলের রোগ সম্পর্কে উদ্বিগ্ন নই সেই বিষ মেশানো বকরীর গোশত ব্যাতীত যা সে খায়বারে আপনার সঙ্গে খেয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমিও ঐ বিষ ছাড়া আমার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন নই। এ মুহূর্তে তা আমার প্রধান ধমনি কেটে দিচ্ছে।

حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن الزهري، عن ابن كعب بن مالك، عن أبيه، أن أم مبشر، قالت للنبي صلى الله عليه وسلم في مرضه الذي مات فيه ما يتهم بك يا رسول الله فإني لا أتهم بابني شيئا إلا الشاة المسمومة التي أكل معك بخيبر ‏.‏ وقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ وأنا لا أتهم بنفسي إلا ذلك فهذا أوان قطعت أبهري ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وربما حدث عبد الرزاق بهذا الحديث مرسلا عن معمر عن الزهري عن النبي صلى الله عليه وسلم وربما حدث به عن الزهري عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك وذكر عبد الرزاق أن معمرا كان يحدثهم بالحديث مرة مرسلا فيكتبونه ويحدثهم مرة به فيسنده فيكتبونه وكل صحيح عندنا قال عبد الرزاق فلما قدم ابن المبارك على معمر أسند له معمر أحاديث كان يوقفها ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৫১৪

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا إبراهيم بن خالد، حدثنا رباح، عن معمر، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، عن أمه، أن أم مبشر، - قال أبو سعيد بن الأعرابي كذا قال عن أمه، والصواب، عن أبيه، عن أم مبشر، - دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم فذكر معنى حديث مخلد بن خالد نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور فأرسل إلى اليهودية فقال ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر الحجامة ‏.

উম্মু মুবাশশির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলাম। অতঃপর তিনি মাখলাদ ইবনু খালিদের হাদীসের অর্থানুরুপ বর্ণনা করেন জাবিরের (রাঃ) হাদীসের মতই। বর্ণনাকারী বলেন, বিশর ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর (রাঃ) মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহূদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করেছো তা করতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করেছে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সম্পর্কে নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হয়। বর্ণনাকারী এখানে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি।

উম্মু মুবাশশির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট প্রবেশ করলাম। অতঃপর তিনি মাখলাদ ইবনু খালিদের হাদীসের অর্থানুরুপ বর্ণনা করেন জাবিরের (রাঃ) হাদীসের মতই। বর্ণনাকারী বলেন, বিশর ইবনুল বারাআ ইবনু মা’রূর (রাঃ) মারা গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইয়াহূদী মহিলাকে ডেকে এনে প্রশ্ন করেনঃ তুমি যা করেছো তা করতে কিসে তোমাকে প্ররোচিত করেছে? অতঃপর জাবির (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সম্পর্কে নির্দেশ দিলে পরে তাকে হত্যা করা হয়। বর্ণনাকারী এখানে রক্তমোক্ষণের কথা উল্লেখ করেননি।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا إبراهيم بن خالد، حدثنا رباح، عن معمر، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، عن أمه، أن أم مبشر، - قال أبو سعيد بن الأعرابي كذا قال عن أمه، والصواب، عن أبيه، عن أم مبشر، - دخلت على النبي صلى الله عليه وسلم فذكر معنى حديث مخلد بن خالد نحو حديث جابر قال فمات بشر بن البراء بن معرور فأرسل إلى اليهودية فقال ‏ "‏ ما حملك على الذي صنعت ‏"‏ ‏.‏ فذكر نحو حديث جابر فأمر بها رسول الله صلى الله عليه وسلم فقتلت ولم يذكر الحجامة ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00