সুনানে আবু দাউদ > দুই ইয়াহুদীকে রজম করার ঘটনা

সুনানে আবু দাউদ ৪৪৪৭

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مروا على رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودي قد حمم وجهه وهو يطاف به فناشدهم ما حد الزاني في كتابهم قال فأحالوه على رجل منهم فنشده النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ فقال الرجم ولكن ظهر الزنا في أشرافنا فكرهنا أن يترك الشريف ويقام على من دونه فوضعنا هذا عنا ‏.‏ فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجم ثم قال ‏"‏ اللهم إني أول من أحيا ما أماتوا من كتابك ‏"‏ ‏.‏

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা কালিমা মাখা মুখ বিশিষ্ট এক ইয়াহুদীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তাকে জনসমক্ষে ঘুরানো হচ্ছিল। তিনি তাদের কসম দিয়ে বলেন, তাদের কিতাবে যেনাকারীর হাদ্দ কী? বর্ণনাকারী বলেন, তারা তাঁকে তাদের মধ্যকার একজনকে দেখিয়ে দিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে প্রশ্ন করেনঃ তোমাদের কিতাবে যেনাকারীর হাদ্দ ঘটলে তাদের শাস্তি হতে রেহাই দেয়া এবং অন্যদের শাস্তি দেয়া আমারা পছন্দ করলাম না। অতএব আমরা উপরোক্ত শাস্তি বাতিল করে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে অপরাধীকে রজম করা হয়। অতঃপর তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! তারা তোমার কিতাবের যে অংশের মৃত্যু ঘটিয়েছিল আমিই প্রথম তা পুনর্জীবিত করলাম।

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা কালিমা মাখা মুখ বিশিষ্ট এক ইয়াহুদীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তাকে জনসমক্ষে ঘুরানো হচ্ছিল। তিনি তাদের কসম দিয়ে বলেন, তাদের কিতাবে যেনাকারীর হাদ্দ কী? বর্ণনাকারী বলেন, তারা তাঁকে তাদের মধ্যকার একজনকে দেখিয়ে দিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে প্রশ্ন করেনঃ তোমাদের কিতাবে যেনাকারীর হাদ্দ ঘটলে তাদের শাস্তি হতে রেহাই দেয়া এবং অন্যদের শাস্তি দেয়া আমারা পছন্দ করলাম না। অতএব আমরা উপরোক্ত শাস্তি বাতিল করে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলে অপরাধীকে রজম করা হয়। অতঃপর তিনি বলেনঃ হে আল্লাহ! তারা তোমার কিতাবের যে অংশের মৃত্যু ঘটিয়েছিল আমিই প্রথম তা পুনর্জীবিত করলাম।

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مروا على رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودي قد حمم وجهه وهو يطاف به فناشدهم ما حد الزاني في كتابهم قال فأحالوه على رجل منهم فنشده النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ فقال الرجم ولكن ظهر الزنا في أشرافنا فكرهنا أن يترك الشريف ويقام على من دونه فوضعنا هذا عنا ‏.‏ فأمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجم ثم قال ‏"‏ اللهم إني أول من أحيا ما أماتوا من كتابك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৪৯

حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، حدثنا ابن وهب، حدثني هشام بن سعد، أن زيد بن أسلم، حدثه عن ابن عمر، قال أتى نفر من يهود فدعوا رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى القف فأتاهم في بيت المدراس فقالوا يا أبا القاسم إن رجلا منا زنى بامرأة فاحكم بينهم فوضعوا لرسول الله صلى الله عليه وسلم وسادة فجلس عليها ثم قال ‏"‏ ائتوني بالتوراة ‏"‏ ‏.‏ فأتي بها فنزع الوسادة من تحته فوضع التوراة عليها ثم قال ‏"‏ آمنت بك وبمن أنزلك ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ائتوني بأعلمكم ‏"‏ ‏.‏ فأتي بفتى شاب ثم ذكر قصة الرجم نحو حديث مالك عن نافع ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা একদল ইয়াহুদী এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘কুফ্‌’ নামক উপত্যকায় যেতে আবেদন জানালো। তিনি তাদের এক পাঠাগারে উপস্থিত হলেন। তারা বললো, হে আবূল ক্বাসিম! আমাদের এক ব্যাক্তি জনৈকা মহিলার সঙ্গে যেনা করেছে। সুতরাং আপনি এদের সম্পর্কে ফায়সালা দিন। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য একটি বালিশ পেতে দিলো। তিনি তাতে বসে তাদের বললেনঃ তোমরা একখানি তাওরাত নিয়ে এসো। তাওরাত নিয়ে আসা হলে তিনি তাঁর নীচের বিছানো বালিশ টেনে নিয়ে তার উপর তাওরাত রাখলেন এবং বললেনঃ আমি তোমার প্রতি এবং তোমায় যিনি নাযিল করেছেন তার প্রতি ঈমান এনেছি। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যকার অধিক জ্ঞানী ব্যাক্তিকে নিয়ে এসো। অতএব এক যুবককে আনা হলো। অতঃপর তিনি (ইবনু ‘উমার) নাফি’ হতে মালিক সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ ‘রজম’ সম্পর্কিত ঘটনা বর্ণনা করেন।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা একদল ইয়াহুদী এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘কুফ্‌’ নামক উপত্যকায় যেতে আবেদন জানালো। তিনি তাদের এক পাঠাগারে উপস্থিত হলেন। তারা বললো, হে আবূল ক্বাসিম! আমাদের এক ব্যাক্তি জনৈকা মহিলার সঙ্গে যেনা করেছে। সুতরাং আপনি এদের সম্পর্কে ফায়সালা দিন। তারা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য একটি বালিশ পেতে দিলো। তিনি তাতে বসে তাদের বললেনঃ তোমরা একখানি তাওরাত নিয়ে এসো। তাওরাত নিয়ে আসা হলে তিনি তাঁর নীচের বিছানো বালিশ টেনে নিয়ে তার উপর তাওরাত রাখলেন এবং বললেনঃ আমি তোমার প্রতি এবং তোমায় যিনি নাযিল করেছেন তার প্রতি ঈমান এনেছি। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যকার অধিক জ্ঞানী ব্যাক্তিকে নিয়ে এসো। অতএব এক যুবককে আনা হলো। অতঃপর তিনি (ইবনু ‘উমার) নাফি’ হতে মালিক সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ ‘রজম’ সম্পর্কিত ঘটনা বর্ণনা করেন।

حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، حدثنا ابن وهب، حدثني هشام بن سعد، أن زيد بن أسلم، حدثه عن ابن عمر، قال أتى نفر من يهود فدعوا رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى القف فأتاهم في بيت المدراس فقالوا يا أبا القاسم إن رجلا منا زنى بامرأة فاحكم بينهم فوضعوا لرسول الله صلى الله عليه وسلم وسادة فجلس عليها ثم قال ‏"‏ ائتوني بالتوراة ‏"‏ ‏.‏ فأتي بها فنزع الوسادة من تحته فوضع التوراة عليها ثم قال ‏"‏ آمنت بك وبمن أنزلك ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ ائتوني بأعلمكم ‏"‏ ‏.‏ فأتي بفتى شاب ثم ذكر قصة الرجم نحو حديث مالك عن نافع ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫১

حدثنا عبد العزيز بن يحيى أبو الأصبغ الحراني، قال حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن الزهري، قال سمعت رجلا، من مزينة يحدث سعيد بن المسيب عن أبي هريرة، قال زنى رجل وامرأة من اليهود وقد أحصنا حين قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وقد كان الرجم مكتوبا عليهم في التوراة فتركوه وأخذوا بالتجبية يضرب مائة بحبل مطلي بقار ويحمل على حمار وجهه مما يلي دبر الحمار فاجتمع أحبار من أحبارهم فبعثوا قوما آخرين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا سلوه عن حد الزاني ‏.‏ وساق الحديث قال فيه قال ولم يكونوا من أهل دينه فيحكم بينهم فخير في ذلك قال ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏.‏

আয-যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুযাইনাহ গোত্রের জনৈক ব্যাক্তিকে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব (রহঃ) সূত্রে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, একজোড়া বিবাহিত ইয়াহুদী নারী-পুরুষ যেনা করে। এ সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরাত করে মদিনায় আসেন। যেনার শাস্তির ব্যাপারে তাওরাত কিতাবে রজমের বিধান বিদ্যমান ছিল, কিন্তু ইয়াহূদীরা তা পরিত্যাগ করে ‘তাজবীহ’ নামক শাস্তি চালু করে। তাজ্‌বীহ হলো, পাকানো রশি দিয়ে একশোবার প্রহার করা এবং মুখমন্ডলে চুন-কালি মেখে গাধার উপর এমনভাবে বসিয়ে দেয়া যে, অপরাধীর মুখ গাধার পেছন দিকে থাকে। এমনিভাবে তাকে এলাকা জুড়ে চক্কর দেয়া। অতঃপর তাদের ‘আলিমদের একটি দল একত্র হলো এবং অপর একটি দলকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দিলো এবং তাদের বলে দিলো যে, তাঁকে গিয়ে যেনার শাস্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করবে। এভাবে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসে আরো আছেঃ যারা তাঁর ধর্মের অনুসারী নয়, তিনি তাদের মাঝেও ফায়সালা করতেন। অতঃপর এ ব্যাপারে তাঁকে স্বাধীনতা দিয়ে আল্লাহ বলেনঃ “তাঁরা যদি আপনার নিকট আসে, তবে আপনি তাদের বিচার মিমাংসা করুন অথবা তাদের উপেক্ষা করুন” (সূরা আল-মায়েদাঃ ৪২)। [৪৪৫০]

আয-যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুযাইনাহ গোত্রের জনৈক ব্যাক্তিকে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব (রহঃ) সূত্রে আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণিত হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তিনি বলেন, একজোড়া বিবাহিত ইয়াহুদী নারী-পুরুষ যেনা করে। এ সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হিজরাত করে মদিনায় আসেন। যেনার শাস্তির ব্যাপারে তাওরাত কিতাবে রজমের বিধান বিদ্যমান ছিল, কিন্তু ইয়াহূদীরা তা পরিত্যাগ করে ‘তাজবীহ’ নামক শাস্তি চালু করে। তাজ্‌বীহ হলো, পাকানো রশি দিয়ে একশোবার প্রহার করা এবং মুখমন্ডলে চুন-কালি মেখে গাধার উপর এমনভাবে বসিয়ে দেয়া যে, অপরাধীর মুখ গাধার পেছন দিকে থাকে। এমনিভাবে তাকে এলাকা জুড়ে চক্কর দেয়া। অতঃপর তাদের ‘আলিমদের একটি দল একত্র হলো এবং অপর একটি দলকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দিলো এবং তাদের বলে দিলো যে, তাঁকে গিয়ে যেনার শাস্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করবে। এভাবে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসে আরো আছেঃ যারা তাঁর ধর্মের অনুসারী নয়, তিনি তাদের মাঝেও ফায়সালা করতেন। অতঃপর এ ব্যাপারে তাঁকে স্বাধীনতা দিয়ে আল্লাহ বলেনঃ “তাঁরা যদি আপনার নিকট আসে, তবে আপনি তাদের বিচার মিমাংসা করুন অথবা তাদের উপেক্ষা করুন” (সূরা আল-মায়েদাঃ ৪২)। [৪৪৫০]

حدثنا عبد العزيز بن يحيى أبو الأصبغ الحراني، قال حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن الزهري، قال سمعت رجلا، من مزينة يحدث سعيد بن المسيب عن أبي هريرة، قال زنى رجل وامرأة من اليهود وقد أحصنا حين قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة وقد كان الرجم مكتوبا عليهم في التوراة فتركوه وأخذوا بالتجبية يضرب مائة بحبل مطلي بقار ويحمل على حمار وجهه مما يلي دبر الحمار فاجتمع أحبار من أحبارهم فبعثوا قوما آخرين إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا سلوه عن حد الزاني ‏.‏ وساق الحديث قال فيه قال ولم يكونوا من أهل دينه فيحكم بينهم فخير في ذلك قال ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৪৬

حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال قرأت على مالك بن أنس عن نافع، عن ابن عمر، أنه قال إن اليهود جاءوا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكروا له أن رجلا منهم وامرأة زنيا فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما تجدون في التوراة في شأن الزنا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا نفضحهم ويجلدون ‏.‏ فقال عبد الله بن سلام كذبتم إن فيها الرجم ‏.‏ فأتوا بالتوراة فنشروها فجعل أحدهم يده على آية الرجم ثم جعل يقرأ ما قبلها وما بعدها فقال له عبد الله بن سلام ارفع يدك ‏.‏ فرفعها فإذا فيها آية الرجم فقالوا صدق يا محمد فيها آية الرجم ‏.‏ فأمر بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجما ‏.‏ قال عبد الله بن عمر فرأيت الرجل يحني على المرأة يقيها الحجارة ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ইয়াহুদীরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, তাদের একজোড়া নারী-পুরুষ যেনা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বলেনঃ তাওরাতে তোমরা যেনা সম্বন্ধে কি হুকুম পেয়েছো? তারা বললো, আমরা তো অপমান করি এবং তাদেরকে বেত্রাঘাত করা হয়। একথা শুনে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বলেন, তোমরা মিথ্যা বলেছো। নিশ্চয়ই তাতে রজম করার হুকুম বিদ্যমান। অতঃপর তারা তাওরাত কিতাব নিয়ে আসে এবং তা খোলে। তাদের একজন তার একটি হাত রজমের আয়াতের উপর রেখে দিয়ে এর পূর্বাপর পড়তে থাকে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) তাকে হাত উঠিয়ে নিতে আদেশ দেন। সে হাত উঠিয়ে নিতেই দেখা গেলো যে, তাতে রজমের আয়াত রয়েছে। তারা বললো, হে মুহাম্মাদ! তিনি সত্যিই বলেছেন, নিশ্চয়ই তাতে রজমের আয়াত আছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশে দু’জনকেই রজম করা হলো। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি দেখলাম, পুরুষটি ঐ নারীকে পাথরের আঘাত থেকে রক্ষার জন্য তার দিকে ধাবিত হচ্ছে।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ইয়াহুদীরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, তাদের একজোড়া নারী-পুরুষ যেনা করেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের বলেনঃ তাওরাতে তোমরা যেনা সম্বন্ধে কি হুকুম পেয়েছো? তারা বললো, আমরা তো অপমান করি এবং তাদেরকে বেত্রাঘাত করা হয়। একথা শুনে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বলেন, তোমরা মিথ্যা বলেছো। নিশ্চয়ই তাতে রজম করার হুকুম বিদ্যমান। অতঃপর তারা তাওরাত কিতাব নিয়ে আসে এবং তা খোলে। তাদের একজন তার একটি হাত রজমের আয়াতের উপর রেখে দিয়ে এর পূর্বাপর পড়তে থাকে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) তাকে হাত উঠিয়ে নিতে আদেশ দেন। সে হাত উঠিয়ে নিতেই দেখা গেলো যে, তাতে রজমের আয়াত রয়েছে। তারা বললো, হে মুহাম্মাদ! তিনি সত্যিই বলেছেন, নিশ্চয়ই তাতে রজমের আয়াত আছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আদেশে দু’জনকেই রজম করা হলো। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমি দেখলাম, পুরুষটি ঐ নারীকে পাথরের আঘাত থেকে রক্ষার জন্য তার দিকে ধাবিত হচ্ছে।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال قرأت على مالك بن أنس عن نافع، عن ابن عمر، أنه قال إن اليهود جاءوا إلى النبي صلى الله عليه وسلم فذكروا له أن رجلا منهم وامرأة زنيا فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما تجدون في التوراة في شأن الزنا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا نفضحهم ويجلدون ‏.‏ فقال عبد الله بن سلام كذبتم إن فيها الرجم ‏.‏ فأتوا بالتوراة فنشروها فجعل أحدهم يده على آية الرجم ثم جعل يقرأ ما قبلها وما بعدها فقال له عبد الله بن سلام ارفع يدك ‏.‏ فرفعها فإذا فيها آية الرجم فقالوا صدق يا محمد فيها آية الرجم ‏.‏ فأمر بهما رسول الله صلى الله عليه وسلم فرجما ‏.‏ قال عبد الله بن عمر فرأيت الرجل يحني على المرأة يقيها الحجارة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫২

حدثنا يحيى بن موسى البلخي، حدثنا أبو أسامة، قال مجالد أخبرنا عن عامر، عن جابر بن عبد الله، قال جاءت اليهود برجل وامرأة منهم زنيا فقال ائتوني بأعلم رجلين منكم فأتوه بابنى صوريا فنشدهما ‏"‏ كيف تجدان أمر هذين في التوراة ‏"‏ ‏.‏ قالا نجد في التوراة إذا شهد أربعة أنهم رأوا ذكره في فرجها مثل الميل في المكحلة رجما ‏.‏ قال ‏"‏ فما يمنعكما أن ترجموهما ‏"‏ ‏.‏ قالا ذهب سلطاننا فكرهنا القتل فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بالشهود فجاءوا بأربعة فشهدوا أنهم رأوا ذكره في فرجها مثل الميل في المكحلة فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم برجمهما ‏.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদল ইয়াহুদী তাদের মধ্যকার যেনার অপরাধী পুরুষ-নারীকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলো। তিনি বলেনঃ তোমাদের মধ্যকার সবচাইতে বিজ্ঞ দু’জন লোক নিয়ে এসো। অতএব তারা ‘সূরিয়ার’ দুই পুত্রকে তাঁর নিকট হাযির করলো। তিনি তাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে প্রশ্ন করেনঃ তোমরা এদের ব্যাপারে তাওরাতে কিরূপ বিধান দেখতে পাও? তারা বললো, আমরা তাওরাতে দেখতে পাই, চারজন সাক্ষী যদি সাক্ষ্য দেয় যে, তারা পুরুষটির গুপ্তাঙ্গ স্ত্রীলোকটির গুপ্তাঙ্গে এরুপভাবে ঢুকানো অবস্থায় দেখেছে, যেরূপ সুরমা শলাকা সুরমাদানীতে ঢুকানো হয়, তাহলে তাদের উভয়কে রজম করা হবে। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তাহলে কোন জিনিসটা তোমাদেরকে তাদেরকে রজম করতে বাধা দিচ্ছে? তারা উভয়ে বললো, আমাদের শাসন ক্ষমতা লোপ পেয়েছে। সুতরাং হত্যা করাকে আমরা অনুমোদন করি না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাক্ষীদের নিয়ে আসতে ডাকলেন। তারা চারজন সাক্ষী নিয়ে এলো। তারা সাক্ষ্য দিলো যে, সুরমা শলাকা যেরূপে সুরমাদানীর ভেতরে ঢুকে যায়, ঠিক সেরূপেই তারা পুরুষটির গুপ্তাঙ্গ স্ত্রীলোকটির গুপ্তাঙ্গের মধ্যে ঢুকানো অবস্থায় দেখেছে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের রজম করার নির্দেশ দেন।

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদল ইয়াহুদী তাদের মধ্যকার যেনার অপরাধী পুরুষ-নারীকে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট হাযির হলো। তিনি বলেনঃ তোমাদের মধ্যকার সবচাইতে বিজ্ঞ দু’জন লোক নিয়ে এসো। অতএব তারা ‘সূরিয়ার’ দুই পুত্রকে তাঁর নিকট হাযির করলো। তিনি তাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে প্রশ্ন করেনঃ তোমরা এদের ব্যাপারে তাওরাতে কিরূপ বিধান দেখতে পাও? তারা বললো, আমরা তাওরাতে দেখতে পাই, চারজন সাক্ষী যদি সাক্ষ্য দেয় যে, তারা পুরুষটির গুপ্তাঙ্গ স্ত্রীলোকটির গুপ্তাঙ্গে এরুপভাবে ঢুকানো অবস্থায় দেখেছে, যেরূপ সুরমা শলাকা সুরমাদানীতে ঢুকানো হয়, তাহলে তাদের উভয়কে রজম করা হবে। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তাহলে কোন জিনিসটা তোমাদেরকে তাদেরকে রজম করতে বাধা দিচ্ছে? তারা উভয়ে বললো, আমাদের শাসন ক্ষমতা লোপ পেয়েছে। সুতরাং হত্যা করাকে আমরা অনুমোদন করি না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাক্ষীদের নিয়ে আসতে ডাকলেন। তারা চারজন সাক্ষী নিয়ে এলো। তারা সাক্ষ্য দিলো যে, সুরমা শলাকা যেরূপে সুরমাদানীর ভেতরে ঢুকে যায়, ঠিক সেরূপেই তারা পুরুষটির গুপ্তাঙ্গ স্ত্রীলোকটির গুপ্তাঙ্গের মধ্যে ঢুকানো অবস্থায় দেখেছে। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের রজম করার নির্দেশ দেন।

حدثنا يحيى بن موسى البلخي، حدثنا أبو أسامة، قال مجالد أخبرنا عن عامر، عن جابر بن عبد الله، قال جاءت اليهود برجل وامرأة منهم زنيا فقال ائتوني بأعلم رجلين منكم فأتوه بابنى صوريا فنشدهما ‏"‏ كيف تجدان أمر هذين في التوراة ‏"‏ ‏.‏ قالا نجد في التوراة إذا شهد أربعة أنهم رأوا ذكره في فرجها مثل الميل في المكحلة رجما ‏.‏ قال ‏"‏ فما يمنعكما أن ترجموهما ‏"‏ ‏.‏ قالا ذهب سلطاننا فكرهنا القتل فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بالشهود فجاءوا بأربعة فشهدوا أنهم رأوا ذكره في فرجها مثل الميل في المكحلة فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم برجمهما ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৪৮

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مر على رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودي محمم مجلود فدعاهم فقال ‏"‏ هكذا تجدون حد الزاني ‏"‏ ‏.‏ فقالوا نعم ‏.‏ فدعا رجلا من علمائهم قال له ‏"‏ نشدتك بالله الذي أنزل التوراة على موسى هكذا تجدون حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ فقال اللهم لا ولولا أنك نشدتني بهذا لم أخبرك نجد حد الزاني في كتابنا الرجم ولكنه كثر في أشرافنا فكنا إذا أخذنا الرجل الشريف تركناه وإذا أخذنا الرجل الضعيف أقمنا عليه الحد فقلنا تعالوا فنجتمع على شىء نقيمه على الشريف والوضيع فاجتمعنا على التحميم والجلد وتركنا الرجم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم إني أول من أحيا أمرك إذ أماتوه ‏"‏ ‏.‏ فأمر به فرجم فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الرسول لا يحزنك الذين يسارعون في الكفر ‏}‏ إلى قوله ‏{‏ يقولون إن أوتيتم هذا فخذوه وإن لم تؤتوه فاحذروا ‏}‏ إلى قوله ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الكافرون ‏}‏ في اليهود إلى قوله ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الظالمون ‏}‏ في اليهود إلى قوله ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الفاسقون ‏}‏ قال هي في الكفار كلها يعني هذه الآية ‏.‏

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বেত্রাঘাতকৃত জনৈক ইয়াহুদীর মুখমন্ডল কালিমালিপ্ত করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি তাদের ডেকে প্রশ্ন করলেনঃ তোমরা কি যেনাকারীর এরূপ শাস্তির হুকুম পেয়েছ? তারা বললো, হাঁ। অতএব তিনি তাদের একজন ‘আলিমকে ডেকে বললেনঃ তোমাকে সেই আল্লাহর কসম করে বলছি যিনি মূসা (আ)-এর উপর তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন! তোমাদের কিতাবে যেনাকারীদের এরূপ শাস্তির কথা উল্লেখ পেয়েছ কি? সে বললো, হে আল্লাহ! না। আপনি যদি এ বিষয়ে আমাকে আল্লাহর কসম না দিতেন, তাহলে আমি অবশ্যই আপনাকে বলতাম না। আমরা আমাদের কিতাবে যেনাকারীর শাস্তি রজমের উল্লেখ পেয়েছি। কিন্তু আমাদের অভিজাত সমাজে যেনার বিস্তার ঘটলে আমরা কোন মর্যাদাসম্পন্ন লোককে এ অপরাধে ধরতে পারলেও ছেড়ে দিতাম; তবে দুর্বলদের কাউকে পেলে তার উপর শাস্তি বাস্তবায়িত করতাম। অতঃপর আমরা সকলকে আহবান করে বললাম, চলুন, আমরা যেনার শাস্তির ব্যাপারে সকলে ঐকমত্যে পৌঁছে এমন একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হই, যাতে সকল শ্রেণীর লোকদের উপর তা বাস্তবায়িত করা যায়। অতঃপর আমরা এর শাস্তিস্বরূপ মুখমন্ডল কালিমালিপ্ত করে অপমান করা এবং বেত্রাঘাত করাতে একমত হই এবং ‘রজম’ পরিত্যাগ করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যাক্তি যে তোমার নির্দেশকে পুনর্জীবন দান করেছি, তারা একে প্রাণহীন করার পর। অতঃপর তাঁর নির্দেশে অপরাধীকে রজম করা হয়। অতঃপর মহান আল্লাহ ইয়াহুদীদের সম্পর্কে এ আয়াতগুলো নাযিল করেনঃ “হে রাসূল! তোমাকে যেন দুঃখ না দেয় যারা কুফরীর দিকে দ্রুত ধাবিত হয়.... তারা বলে, তোমাদেরকে এরূপ বিধান দেয়া হলে তোমরা তা গ্রহণ করো অন্যথায় তোমরা বর্জন করো... আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই কাফির [ইয়াহুদীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে].... আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুসারে যারা বিধান দেয় না তারাই যালিম [ইয়াহুদীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে].... আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুসারে যারা বিধান দেয় না তারাই পাপাচারী” (সূরাহ আল-মায়িদাঃ ৪১-৪৭)। তিনি বলেন, এ আয়াতগুলো কাফির অবাধ্যদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে।

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, বেত্রাঘাতকৃত জনৈক ইয়াহুদীর মুখমন্ডল কালিমালিপ্ত করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পাশ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তিনি তাদের ডেকে প্রশ্ন করলেনঃ তোমরা কি যেনাকারীর এরূপ শাস্তির হুকুম পেয়েছ? তারা বললো, হাঁ। অতএব তিনি তাদের একজন ‘আলিমকে ডেকে বললেনঃ তোমাকে সেই আল্লাহর কসম করে বলছি যিনি মূসা (আ)-এর উপর তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন! তোমাদের কিতাবে যেনাকারীদের এরূপ শাস্তির কথা উল্লেখ পেয়েছ কি? সে বললো, হে আল্লাহ! না। আপনি যদি এ বিষয়ে আমাকে আল্লাহর কসম না দিতেন, তাহলে আমি অবশ্যই আপনাকে বলতাম না। আমরা আমাদের কিতাবে যেনাকারীর শাস্তি রজমের উল্লেখ পেয়েছি। কিন্তু আমাদের অভিজাত সমাজে যেনার বিস্তার ঘটলে আমরা কোন মর্যাদাসম্পন্ন লোককে এ অপরাধে ধরতে পারলেও ছেড়ে দিতাম; তবে দুর্বলদের কাউকে পেলে তার উপর শাস্তি বাস্তবায়িত করতাম। অতঃপর আমরা সকলকে আহবান করে বললাম, চলুন, আমরা যেনার শাস্তির ব্যাপারে সকলে ঐকমত্যে পৌঁছে এমন একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হই, যাতে সকল শ্রেণীর লোকদের উপর তা বাস্তবায়িত করা যায়। অতঃপর আমরা এর শাস্তিস্বরূপ মুখমন্ডল কালিমালিপ্ত করে অপমান করা এবং বেত্রাঘাত করাতে একমত হই এবং ‘রজম’ পরিত্যাগ করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আল্লাহ! আমিই প্রথম ব্যাক্তি যে তোমার নির্দেশকে পুনর্জীবন দান করেছি, তারা একে প্রাণহীন করার পর। অতঃপর তাঁর নির্দেশে অপরাধীকে রজম করা হয়। অতঃপর মহান আল্লাহ ইয়াহুদীদের সম্পর্কে এ আয়াতগুলো নাযিল করেনঃ “হে রাসূল! তোমাকে যেন দুঃখ না দেয় যারা কুফরীর দিকে দ্রুত ধাবিত হয়.... তারা বলে, তোমাদেরকে এরূপ বিধান দেয়া হলে তোমরা তা গ্রহণ করো অন্যথায় তোমরা বর্জন করো... আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুসারে যারা বিধান দেয় না, তারাই কাফির [ইয়াহুদীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে].... আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুসারে যারা বিধান দেয় না তারাই যালিম [ইয়াহুদীদের সম্পর্কে বলা হয়েছে].... আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তদনুসারে যারা বিধান দেয় না তারাই পাপাচারী” (সূরাহ আল-মায়িদাঃ ৪১-৪৭)। তিনি বলেন, এ আয়াতগুলো কাফির অবাধ্যদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছে।

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن عبد الله بن مرة، عن البراء بن عازب، قال مر على رسول الله صلى الله عليه وسلم بيهودي محمم مجلود فدعاهم فقال ‏"‏ هكذا تجدون حد الزاني ‏"‏ ‏.‏ فقالوا نعم ‏.‏ فدعا رجلا من علمائهم قال له ‏"‏ نشدتك بالله الذي أنزل التوراة على موسى هكذا تجدون حد الزاني في كتابكم ‏"‏ ‏.‏ فقال اللهم لا ولولا أنك نشدتني بهذا لم أخبرك نجد حد الزاني في كتابنا الرجم ولكنه كثر في أشرافنا فكنا إذا أخذنا الرجل الشريف تركناه وإذا أخذنا الرجل الضعيف أقمنا عليه الحد فقلنا تعالوا فنجتمع على شىء نقيمه على الشريف والوضيع فاجتمعنا على التحميم والجلد وتركنا الرجم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اللهم إني أول من أحيا أمرك إذ أماتوه ‏"‏ ‏.‏ فأمر به فرجم فأنزل الله عز وجل ‏{‏ يا أيها الرسول لا يحزنك الذين يسارعون في الكفر ‏}‏ إلى قوله ‏{‏ يقولون إن أوتيتم هذا فخذوه وإن لم تؤتوه فاحذروا ‏}‏ إلى قوله ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الكافرون ‏}‏ في اليهود إلى قوله ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الظالمون ‏}‏ في اليهود إلى قوله ‏{‏ ومن لم يحكم بما أنزل الله فأولئك هم الفاسقون ‏}‏ قال هي في الكفار كلها يعني هذه الآية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫৫

حدثنا إبراهيم بن حسن المصيصي، حدثنا حجاج بن محمد، قال حدثنا ابن جريج، أنه سمع أبا الزبير، سمع جابر بن عبد الله، يقول رجم النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من اليهود وامرأة زنيا ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজোড়া ইয়াহুদী নারী-পুরুষ যেনা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের রজম করার নির্দেশ দেন। [৪৪৫৪]

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একজোড়া ইয়াহুদী নারী-পুরুষ যেনা করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের রজম করার নির্দেশ দেন। [৪৪৫৪]

حدثنا إبراهيم بن حسن المصيصي، حدثنا حجاج بن محمد، قال حدثنا ابن جريج، أنه سمع أبا الزبير، سمع جابر بن عبد الله، يقول رجم النبي صلى الله عليه وسلم رجلا من اليهود وامرأة زنيا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫৪

حدثنا وهب بن بقية، عن هشيم، عن ابن شبرمة، عن الشعبي، بنحو منه ‏.‏

আশ-শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আশ-শা’বী (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। [৪৪৫৩] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

আশ-শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আশ-শা’বী (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। [৪৪৫৩] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

حدثنا وهب بن بقية، عن هشيم، عن ابن شبرمة، عن الشعبي، بنحو منه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫৩

حدثنا وهب بن بقية، عن هشيم، عن مغيرة، عن إبراهيم، والشعبي، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه لم يذكر فدعا بالشهود فشهدوا ‏.

ইবরহীম ও আশ-শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তবে এতে “তিনি সাক্ষীদের হাযির করতে বললেন। অতএব তারা এসে সাক্ষ্য দিলো’ - এ কথাটির উল্লেখ নেই।

ইবরহীম ও আশ-শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তবে এতে “তিনি সাক্ষীদের হাযির করতে বললেন। অতএব তারা এসে সাক্ষ্য দিলো’ - এ কথাটির উল্লেখ নেই।

حدثنا وهب بن بقية، عن هشيم، عن مغيرة، عن إبراهيم، والشعبي، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه لم يذكر فدعا بالشهود فشهدوا ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫০

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثنا رجل، من مزينة ح وحدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثنا يونس، قال قال محمد بن مسلم سمعت رجلا، من مزينة ممن يتبع العلم ويعيه - ثم اتفقا - ونحن عند سعيد بن المسيب فحدثنا عن أبي هريرة - وهذا حديث معمر وهو أتم - قال زنى رجل من اليهود وامرأة فقال بعضهم لبعض اذهبوا بنا إلى هذا النبي فإنه نبي بعث بالتخفيف فإن أفتانا بفتيا دون الرجم قبلناها واحتججنا بها عند الله قلنا فتيا نبي من أنبيائك - قال - فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس في المسجد في أصحابه فقالوا يا أبا القاسم ما ترى في رجل وامرأة زنيا فلم يكلمهم كلمة حتى أتى بيت مدراسهم فقام على الباب فقال ‏"‏ أنشدكم بالله الذي أنزل التوراة على موسى ما تجدون في التوراة على من زنى إذا أحصن ‏"‏ ‏.‏ قالوا يحمم ويجبه ويجلد - والتجبية أن يحمل الزانيان على حمار وتقابل أقفيتهما ويطاف بهما - قال وسكت شاب منهم فلما رآه النبي صلى الله عليه وسلم سكت ألظ به النشدة فقال اللهم إذ نشدتنا فإنا نجد في التوراة الرجم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فما أول ما ارتخصتم أمر الله ‏"‏ ‏.‏ قال زنى ذو قرابة مع ملك من ملوكنا فأخر عنه الرجم ثم زنى رجل في أسرة من الناس فأراد رجمه فحال قومه دونه وقالوا لا يرجم صاحبنا حتى تجيء بصاحبك فترجمه فاصطلحوا على هذه العقوبة بينهم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فإني أحكم بما في التوراة ‏"‏ ‏.‏ فأمر بهما فرجما ‏.‏ قال الزهري فبلغنا أن هذه الآية نزلت فيهم ‏{‏ إنا أنزلنا التوراة فيها هدى ونور يحكم بها النبيون الذين أسلموا ‏}‏ كان النبي صلى الله عليه وسلم منهم ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি মুযাইনাহ গোত্রের এমন এক ব্যাক্তিকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যিনি ছিলেন জ্ঞানপিপাসু ও সংরক্ষণকারী। একদা আমরা সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব (রহঃ)-এর নিকট ছিলাম। তিনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে। এটা মা’মার বর্ণিত হাদীস এবং এটি সর্বাধিক পূর্ণাঙ্গ। তিনি বলেন, ইয়াহুদীদের মধ্যকার একজোড়া নারী পুরুষ যেনা করলো। তারা পরস্পরকে বললো, চলো আমরা এই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাই। তাঁকে তো সহজতর বিধানসহ পাঠানো হয়েছে। তিনি যদি আমাদের এ ব্যাপারে রজম করার পরিবর্তে লঘু শাস্তির বিধান দেন, তাহলে আমরা তা গ্রহণ করবো এবং আল্লাহর নিকট এর মাধ্যমে বাহানা দাঁড় করাবো এবং বলবো, হে আল্লাহ! এটা তো আপনার এক নবী প্রদত্ত ফায়সালা। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসে। এ সময় তিনি সাহাবীদের সঙ্গে মাসজিদে বসা ছিলেন। তারা বললো, হে আবূল ক্বাসিম! যেনা কারী নারী ও পুরুষের সম্পর্কে আপনার কি অভিমত? তিনি তাদের পাঠাগারে আসার পূর্ব পর্যন্ত তাদের সঙ্গে কথাও বলেননি। অতঃপর পাঠাগারের দরজায় দাঁড়িয়ে তিনি বললেনঃ তোমাদেরকে সেই আল্লাহর কসম দিয়ে বলেছি যিনি মূসা (আ)-এর প্রতি তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন! বিবাহিত লোক যেনা করলে তার কী হুকুম তাওরাতে পাচ্ছো? তারা বললো, চুন-কালিতে মুখমন্ডল রাঙিয়ে তাজ্‌বীহ করা হয় এবং বেত্রাঘাত করা হয়। তাজ্‌বীহ অর্থ হলো, যেনার অপরাধীদ্বয়কে গাধার পিঠে উঠিয়ে উভয়ের পিঠ পরস্পর মিশিয়ে এলাকা জুড়ে চক্কর দেয়া। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় এক যুবককে চুপ করে থাকতে দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কসম দিয়ে অনুরোধ করলে সে বললো, আল্লাহর কসম! আপনি যেহেতু আমাদের কসম দিলেন, আমরা তো তাওরাতে রজমের বিধান পাচ্ছি। অতঃপর নবী তাদের প্রশ্ন করলেনঃ তাহলে তোমরা আল্লাহর বিধানকে এতো হালকা ভাবলে কেন? সে বললো, আমাদের কোন এক রাজার জনৈক নিকটাত্মীয় যেনার অপরাধী সাব্যস্ত হয়; তিনি তাকে রজমের অব্যহতি দিলেন। অতঃপর সাধারণ পরিবারের জনৈক ব্যাক্তি যেনা করার অপরাধে দোষী সব্যস্ত হওয়াতে তিনি তাকে রজম করার ইচ্ছা করেন; কিন্তু দোষী লোকটির পক্ষের লোকেরা তাতে বাধা দিলো। তারা বললো, আপনার আত্মীয়টিকে এনে রজম না করা পর্যন্ত আমাদের এ ব্যাক্তিকে রজম করা যাবে না। অতঃপর তারা এ শাস্তির উপর ফায়সালা করে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন আমি নিশচয়ই তাওরাতে বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করব। অতঃপর তাঁর নির্দেশে তাদেরকে রজম করা হলো। যুহরী (রহঃ) বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, নিম্নোক্ত আয়াত ইয়াহুদীদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছেঃ “নিশ্চয়ই আমি তাওরাত নাযিল করেছি, যাতে হিদায়াত ও আলো বিদ্যমান ছিল। আল্লাহর অনুগত নাবীগণ এর মাধ্যমে ইয়াহুদীদেরকে বিধান দিতো” (সুরাহ আল-মায়েদাহঃ ৪৪)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও অনুগত নাবীদের অন্তর্ভুক্ত। [৪৪৪৯] দুর্বলঃ ইরওয়া হা/১২৫৩।

মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি মুযাইনাহ গোত্রের এমন এক ব্যাক্তিকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যিনি ছিলেন জ্ঞানপিপাসু ও সংরক্ষণকারী। একদা আমরা সাঈদ ইবনুল মুসাইয়াব (রহঃ)-এর নিকট ছিলাম। তিনি আমাদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেছেন আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে। এটা মা’মার বর্ণিত হাদীস এবং এটি সর্বাধিক পূর্ণাঙ্গ। তিনি বলেন, ইয়াহুদীদের মধ্যকার একজোড়া নারী পুরুষ যেনা করলো। তারা পরস্পরকে বললো, চলো আমরা এই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট যাই। তাঁকে তো সহজতর বিধানসহ পাঠানো হয়েছে। তিনি যদি আমাদের এ ব্যাপারে রজম করার পরিবর্তে লঘু শাস্তির বিধান দেন, তাহলে আমরা তা গ্রহণ করবো এবং আল্লাহর নিকট এর মাধ্যমে বাহানা দাঁড় করাবো এবং বলবো, হে আল্লাহ! এটা তো আপনার এক নবী প্রদত্ত ফায়সালা। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসে। এ সময় তিনি সাহাবীদের সঙ্গে মাসজিদে বসা ছিলেন। তারা বললো, হে আবূল ক্বাসিম! যেনা কারী নারী ও পুরুষের সম্পর্কে আপনার কি অভিমত? তিনি তাদের পাঠাগারে আসার পূর্ব পর্যন্ত তাদের সঙ্গে কথাও বলেননি। অতঃপর পাঠাগারের দরজায় দাঁড়িয়ে তিনি বললেনঃ তোমাদেরকে সেই আল্লাহর কসম দিয়ে বলেছি যিনি মূসা (আ)-এর প্রতি তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন! বিবাহিত লোক যেনা করলে তার কী হুকুম তাওরাতে পাচ্ছো? তারা বললো, চুন-কালিতে মুখমন্ডল রাঙিয়ে তাজ্‌বীহ করা হয় এবং বেত্রাঘাত করা হয়। তাজ্‌বীহ অর্থ হলো, যেনার অপরাধীদ্বয়কে গাধার পিঠে উঠিয়ে উভয়ের পিঠ পরস্পর মিশিয়ে এলাকা জুড়ে চক্কর দেয়া। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় এক যুবককে চুপ করে থাকতে দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কসম দিয়ে অনুরোধ করলে সে বললো, আল্লাহর কসম! আপনি যেহেতু আমাদের কসম দিলেন, আমরা তো তাওরাতে রজমের বিধান পাচ্ছি। অতঃপর নবী তাদের প্রশ্ন করলেনঃ তাহলে তোমরা আল্লাহর বিধানকে এতো হালকা ভাবলে কেন? সে বললো, আমাদের কোন এক রাজার জনৈক নিকটাত্মীয় যেনার অপরাধী সাব্যস্ত হয়; তিনি তাকে রজমের অব্যহতি দিলেন। অতঃপর সাধারণ পরিবারের জনৈক ব্যাক্তি যেনা করার অপরাধে দোষী সব্যস্ত হওয়াতে তিনি তাকে রজম করার ইচ্ছা করেন; কিন্তু দোষী লোকটির পক্ষের লোকেরা তাতে বাধা দিলো। তারা বললো, আপনার আত্মীয়টিকে এনে রজম না করা পর্যন্ত আমাদের এ ব্যাক্তিকে রজম করা যাবে না। অতঃপর তারা এ শাস্তির উপর ফায়সালা করে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন আমি নিশচয়ই তাওরাতে বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী ফায়সালা করব। অতঃপর তাঁর নির্দেশে তাদেরকে রজম করা হলো। যুহরী (রহঃ) বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে, নিম্নোক্ত আয়াত ইয়াহুদীদের সম্পর্কে নাযিল হয়েছেঃ “নিশ্চয়ই আমি তাওরাত নাযিল করেছি, যাতে হিদায়াত ও আলো বিদ্যমান ছিল। আল্লাহর অনুগত নাবীগণ এর মাধ্যমে ইয়াহুদীদেরকে বিধান দিতো” (সুরাহ আল-মায়েদাহঃ ৪৪)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও অনুগত নাবীদের অন্তর্ভুক্ত। [৪৪৪৯] দুর্বলঃ ইরওয়া হা/১২৫৩।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثنا رجل، من مزينة ح وحدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثنا يونس، قال قال محمد بن مسلم سمعت رجلا، من مزينة ممن يتبع العلم ويعيه - ثم اتفقا - ونحن عند سعيد بن المسيب فحدثنا عن أبي هريرة - وهذا حديث معمر وهو أتم - قال زنى رجل من اليهود وامرأة فقال بعضهم لبعض اذهبوا بنا إلى هذا النبي فإنه نبي بعث بالتخفيف فإن أفتانا بفتيا دون الرجم قبلناها واحتججنا بها عند الله قلنا فتيا نبي من أنبيائك - قال - فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس في المسجد في أصحابه فقالوا يا أبا القاسم ما ترى في رجل وامرأة زنيا فلم يكلمهم كلمة حتى أتى بيت مدراسهم فقام على الباب فقال ‏"‏ أنشدكم بالله الذي أنزل التوراة على موسى ما تجدون في التوراة على من زنى إذا أحصن ‏"‏ ‏.‏ قالوا يحمم ويجبه ويجلد - والتجبية أن يحمل الزانيان على حمار وتقابل أقفيتهما ويطاف بهما - قال وسكت شاب منهم فلما رآه النبي صلى الله عليه وسلم سكت ألظ به النشدة فقال اللهم إذ نشدتنا فإنا نجد في التوراة الرجم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فما أول ما ارتخصتم أمر الله ‏"‏ ‏.‏ قال زنى ذو قرابة مع ملك من ملوكنا فأخر عنه الرجم ثم زنى رجل في أسرة من الناس فأراد رجمه فحال قومه دونه وقالوا لا يرجم صاحبنا حتى تجيء بصاحبك فترجمه فاصطلحوا على هذه العقوبة بينهم ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فإني أحكم بما في التوراة ‏"‏ ‏.‏ فأمر بهما فرجما ‏.‏ قال الزهري فبلغنا أن هذه الآية نزلت فيهم ‏{‏ إنا أنزلنا التوراة فيها هدى ونور يحكم بها النبيون الذين أسلموا ‏}‏ كان النبي صلى الله عليه وسلم منهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যে ব্যাক্তি মাহ্‌রাম নারীর সঙ্গে যেনা করে

সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫৬

حدثنا مسدد، حدثنا خالد بن عبد الله، حدثنا مطرف، عن أبي الجهم، عن البراء بن عازب، قال بينا أنا أطوف، على إبل لي ضلت إذ أقبل ركب أو فوارس معهم لواء فجعل الأعراب يطيفون بي لمنزلتي من النبي صلى الله عليه وسلم إذ أتوا قبة فاستخرجوا منها رجلا فضربوا عنقه فسألت عنه فذكروا أنه أعرس بامرأة أبيه ‏.‏

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি আমার একটি হারানো উট খোঁজ করতে বেরিয়েছি, এমন সময় একদল আরোহী অথবা অশ্বারোহী আমার সামনে এসে উপস্থিত হয়। তাদের নিকট একটি পতাকা ছিল। এই বেদুঈনরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রিয়পাত্র হিসেবে আমার চারদিকে ঘুরতে থাকে। যখন তারা একটি গম্বুজ সদৃশ স্থাপনার নিকট এসে এর ভিতর হতে একটি লোককে বের করে হত্যা করে তখন আমি তাদেরকে তার সম্পর্কে বললাম। তারা বললো, লোকটি তার পিতার স্ত্রীকে (সৎ মাকে) সঙ্গম করেছিল।

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি আমার একটি হারানো উট খোঁজ করতে বেরিয়েছি, এমন সময় একদল আরোহী অথবা অশ্বারোহী আমার সামনে এসে উপস্থিত হয়। তাদের নিকট একটি পতাকা ছিল। এই বেদুঈনরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রিয়পাত্র হিসেবে আমার চারদিকে ঘুরতে থাকে। যখন তারা একটি গম্বুজ সদৃশ স্থাপনার নিকট এসে এর ভিতর হতে একটি লোককে বের করে হত্যা করে তখন আমি তাদেরকে তার সম্পর্কে বললাম। তারা বললো, লোকটি তার পিতার স্ত্রীকে (সৎ মাকে) সঙ্গম করেছিল।

حدثنا مسدد، حدثنا خالد بن عبد الله، حدثنا مطرف، عن أبي الجهم، عن البراء بن عازب، قال بينا أنا أطوف، على إبل لي ضلت إذ أقبل ركب أو فوارس معهم لواء فجعل الأعراب يطيفون بي لمنزلتي من النبي صلى الله عليه وسلم إذ أتوا قبة فاستخرجوا منها رجلا فضربوا عنقه فسألت عنه فذكروا أنه أعرس بامرأة أبيه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫৭

حدثنا عمرو بن قسيط الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عدي بن ثابت، عن يزيد بن البراء، عن أبيه، قال لقيت عمي ومعه راية فقلت له أين تريد قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى رجل نكح امرأة أبيه فأمرني أن أضرب عنقه وآخذ ماله ‏.‏

ইয়াযীদ ইবনুল বারাআ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার চাচার সঙ্গে সাক্ষাত করি। তখন তার সঙ্গে একটি ঝান্ডা ছিল। আমি তাকে বলি, কোথায় যাচ্ছেন? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এক ব্যাক্তির নিকট পাঠিয়েছেন, যে তার পিতার স্ত্রীকে (সৎ মাকে) বিয়ে করেছে। তিনি আমাকে আদেশ দিয়েছেন তাকে হত্যা করতে এবং তার সম্পদ নিয়ে আসতে।

ইয়াযীদ ইবনুল বারাআ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আমার চাচার সঙ্গে সাক্ষাত করি। তখন তার সঙ্গে একটি ঝান্ডা ছিল। আমি তাকে বলি, কোথায় যাচ্ছেন? তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে এক ব্যাক্তির নিকট পাঠিয়েছেন, যে তার পিতার স্ত্রীকে (সৎ মাকে) বিয়ে করেছে। তিনি আমাকে আদেশ দিয়েছেন তাকে হত্যা করতে এবং তার সম্পদ নিয়ে আসতে।

حدثنا عمرو بن قسيط الرقي، حدثنا عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عدي بن ثابت، عن يزيد بن البراء، عن أبيه، قال لقيت عمي ومعه راية فقلت له أين تريد قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى رجل نكح امرأة أبيه فأمرني أن أضرب عنقه وآخذ ماله ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যে ব্যাক্তি তার স্ত্রীর দাসীর সঙ্গে যেনা করে

সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫৯

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن أبي بشر، عن خالد بن عرفطة، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الرجل يأتي جارية امرأته قال ‏ "‏ إن كانت أحلتها له جلد مائة وإن لم تكن أحلتها له رجمته ‏"‏ ‏.

নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীর দাসীর সঙ্গে সঙ্গম করলে, তার স্ত্রী যদি তাকে তার জন্য বৈধ করে দিয়ে থাকে তবে একশো বেত্রাঘাত করা হবে; আর যদি বৈধ করে না দিয়ে থাকে, তবে আমি তাকে রজম করবো। [৪৪৫৮]

নু’মান ইবনু বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীর দাসীর সঙ্গে সঙ্গম করলে, তার স্ত্রী যদি তাকে তার জন্য বৈধ করে দিয়ে থাকে তবে একশো বেত্রাঘাত করা হবে; আর যদি বৈধ করে না দিয়ে থাকে, তবে আমি তাকে রজম করবো। [৪৪৫৮]

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن أبي بشر، عن خالد بن عرفطة، عن حبيب بن سالم، عن النعمان بن بشير، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الرجل يأتي جارية امرأته قال ‏ "‏ إن كانت أحلتها له جلد مائة وإن لم تكن أحلتها له رجمته ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৫৮

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن خالد بن عرفطة، عن حبيب بن سالم، أن رجلا، يقال له عبد الرحمن بن حنين وقع على جارية امرأته فرفع إلى النعمان بن بشير وهو أمير على الكوفة فقال لأقضين فيك بقضية رسول الله صلى الله عليه وسلم إن كانت أحلتها لك جلدتك مائة وإن لم تكن أحلتها لك رجمتك بالحجارة ‏.‏ فوجدوه قد أحلتها له فجلده مائة ‏.‏ قال قتادة كتبت إلى حبيب بن سالم فكتب إلى بهذا ‏.‏

হাবীব ইবনু সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুর রহমান ইবনু হুনাইন নামে জনৈক ব্যাক্তি তার স্ত্রীর দাসীর সঙ্গে সঙ্গম করে। বিষয়টি কুফার গভর্ণর নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেন, আমি আবশ্যই তোমার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফায়সালার মতই ফায়সালা করবো। তোমার স্ত্রী যদি এ বাঁদীকে তোমার জন্য বৈধ করে দিয়ে থাকে, তবে আমি তোমাকে একশো বেত্রাঘাত করবো, আর যদি তোমার জন্য বৈধ না করে থাকে, তাহলে তোমাকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবো। পরে তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, তার স্ত্রী বাঁদীকে তার জন্য বৈধ করে দিয়েছে। কাজেই তিনি তাকে একশো বেত্রাঘাত করেন। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমি হাবীব ইবনু সালিমের নিকট চিঠি লিখলে তিনি এ হাদীসটি লিখে পাঠান। [৪৪৫৭]

হাবীব ইবনু সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আবদুর রহমান ইবনু হুনাইন নামে জনৈক ব্যাক্তি তার স্ত্রীর দাসীর সঙ্গে সঙ্গম করে। বিষয়টি কুফার গভর্ণর নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-এর নিকট পেশ করা হলে তিনি বলেন, আমি আবশ্যই তোমার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ফায়সালার মতই ফায়সালা করবো। তোমার স্ত্রী যদি এ বাঁদীকে তোমার জন্য বৈধ করে দিয়ে থাকে, তবে আমি তোমাকে একশো বেত্রাঘাত করবো, আর যদি তোমার জন্য বৈধ না করে থাকে, তাহলে তোমাকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করবো। পরে তারা খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে, তার স্ত্রী বাঁদীকে তার জন্য বৈধ করে দিয়েছে। কাজেই তিনি তাকে একশো বেত্রাঘাত করেন। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমি হাবীব ইবনু সালিমের নিকট চিঠি লিখলে তিনি এ হাদীসটি লিখে পাঠান। [৪৪৫৭]

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن خالد بن عرفطة، عن حبيب بن سالم، أن رجلا، يقال له عبد الرحمن بن حنين وقع على جارية امرأته فرفع إلى النعمان بن بشير وهو أمير على الكوفة فقال لأقضين فيك بقضية رسول الله صلى الله عليه وسلم إن كانت أحلتها لك جلدتك مائة وإن لم تكن أحلتها لك رجمتك بالحجارة ‏.‏ فوجدوه قد أحلتها له فجلده مائة ‏.‏ قال قتادة كتبت إلى حبيب بن سالم فكتب إلى بهذا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৬০

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن قتادة، عن الحسن، عن قبيصة بن حريث، عن سلمة بن المحبق، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في رجل وقع على جارية امرأته إن كان استكرهها فهي حرة وعليه لسيدتها مثلها فإن كانت طاوعته فهي له وعليه لسيدتها مثلها ‏.‏ قال أبو داود رواه يونس بن عبيد وعمرو بن دينار ومنصور بن زاذان وسلام عن الحسن هذا الحديث بمعناه لم يذكر يونس ومنصور قبيصة ‏.‏

সালামাহ ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যাক্তি তার স্ত্রীর দাসীর সঙ্গে সঙ্গম করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ব্যাপারে ফায়সালা দিলেন, সে যদি তার সঙ্গে জোরপূর্বক একাজ করে থাকে, তাহলে দাসী আযাদ এবং তার কর্তব্য হলো, তার মতো একটি দাসী তার মনিবকে (স্ত্রীকে) দেয়া। আর যদি আপসে তা হয়ে থাকে, তাহলে সে তার মালিকানায় চলে যাবে এবং দাসীর মনিবকে তার মত একটি দাসী প্রদান করা স্বামীর কর্তব্য হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইউনুস ইবনু ‘উবাইদ, ‘আমর ইবনু দীনার, মানসূর ইবনু যাযান ও সাল্লাম (রহঃ) আল-হাসান সূত্রে এ হাদীস পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন। ইউনূস ও মানসূর (রহঃ) কাবীসাহ্‌র (রাঃ) উল্লেখ করেননি। [৪৪৫৯]

সালামাহ ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক ব্যাক্তি তার স্ত্রীর দাসীর সঙ্গে সঙ্গম করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ব্যাপারে ফায়সালা দিলেন, সে যদি তার সঙ্গে জোরপূর্বক একাজ করে থাকে, তাহলে দাসী আযাদ এবং তার কর্তব্য হলো, তার মতো একটি দাসী তার মনিবকে (স্ত্রীকে) দেয়া। আর যদি আপসে তা হয়ে থাকে, তাহলে সে তার মালিকানায় চলে যাবে এবং দাসীর মনিবকে তার মত একটি দাসী প্রদান করা স্বামীর কর্তব্য হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইউনুস ইবনু ‘উবাইদ, ‘আমর ইবনু দীনার, মানসূর ইবনু যাযান ও সাল্লাম (রহঃ) আল-হাসান সূত্রে এ হাদীস পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন। ইউনূস ও মানসূর (রহঃ) কাবীসাহ্‌র (রাঃ) উল্লেখ করেননি। [৪৪৫৯]

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن قتادة، عن الحسن، عن قبيصة بن حريث، عن سلمة بن المحبق، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في رجل وقع على جارية امرأته إن كان استكرهها فهي حرة وعليه لسيدتها مثلها فإن كانت طاوعته فهي له وعليه لسيدتها مثلها ‏.‏ قال أبو داود رواه يونس بن عبيد وعمرو بن دينار ومنصور بن زاذان وسلام عن الحسن هذا الحديث بمعناه لم يذكر يونس ومنصور قبيصة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৬১

حدثنا علي بن الحسن الدرهمي، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سلمة بن المحبق، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه إلا أنه قال وإن كانت طاوعته فهي حرة ومثلها من ماله لسيدتها ‏.‏

সালাম ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালাম ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে তিনি বলেনঃ দাসী যদি একাজে সম্মতি দিয়ে থাকে, তবে সেও তার মতো আরো একটি দাসী নিজ মাল দ্বারা ক্রয় করে দাসীর মনিবকে প্রদান করবে। [৪৪৬০]

সালাম ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালাম ইবনুল মুহাব্বিক (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে এ হাদীসে তিনি বলেনঃ দাসী যদি একাজে সম্মতি দিয়ে থাকে, তবে সেও তার মতো আরো একটি দাসী নিজ মাল দ্বারা ক্রয় করে দাসীর মনিবকে প্রদান করবে। [৪৪৬০]

حدثنا علي بن الحسن الدرهمي، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سلمة بن المحبق، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه إلا أنه قال وإن كانت طاوعته فهي حرة ومثلها من ماله لسيدتها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কেউ কওমে লূতের অনুরূপ অপকর্ম করলে

সুনানে আবু দাউদ ৪৪৬২

حدثنا عبد الله بن محمد بن علي النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سليمان بن بلال عن عمرو بن أبي عمرو مثله ورواه عباد بن منصور عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ورواه ابن جريج عن إبراهيم عن داود بن الحصين عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কাউকে যদি লুত গোত্রের মতই কুকর্মে লিপ্ত দেখতে পাও তাহলে কর্তা ও যার সঙ্গে করা হয়েছে তাদের উভয়কে হত্যা করো।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কাউকে যদি লুত গোত্রের মতই কুকর্মে লিপ্ত দেখতে পাও তাহলে কর্তা ও যার সঙ্গে করা হয়েছে তাদের উভয়কে হত্যা করো।

حدثنا عبد الله بن محمد بن علي النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سليمان بن بلال عن عمرو بن أبي عمرو مثله ورواه عباد بن منصور عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ورواه ابن جريج عن إبراهيم عن داود بن الحصين عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৬২

حدثنا عبد الله بن محمد بن علي النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سليمان بن بلال عن عمرو بن أبي عمرو مثله ورواه عباد بن منصور عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ورواه ابن جريج عن إبراهيم عن داود بن الحصين عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কাউকে যদি লুত গোত্রের মতই কুকর্মে লিপ্ত দেখতে পাও তাহলে কর্তা ও যার সঙ্গে করা হয়েছে তাদের উভয়কে হত্যা করো।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কাউকে যদি লুত গোত্রের মতই কুকর্মে লিপ্ত দেখতে পাও তাহলে কর্তা ও যার সঙ্গে করা হয়েছে তাদের উভয়কে হত্যা করো।

حدثنا عبد الله بن محمد بن علي النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سليمان بن بلال عن عمرو بن أبي عمرو مثله ورواه عباد بن منصور عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ورواه ابن جريج عن إبراهيم عن داود بن الحصين عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৬২

حدثنا عبد الله بن محمد بن علي النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سليمان بن بلال عن عمرو بن أبي عمرو مثله ورواه عباد بن منصور عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ورواه ابن جريج عن إبراهيم عن داود بن الحصين عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কাউকে যদি লুত গোত্রের মতই কুকর্মে লিপ্ত দেখতে পাও তাহলে কর্তা ও যার সঙ্গে করা হয়েছে তাদের উভয়কে হত্যা করো।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কাউকে যদি লুত গোত্রের মতই কুকর্মে লিপ্ত দেখতে পাও তাহলে কর্তা ও যার সঙ্গে করা হয়েছে তাদের উভয়কে হত্যা করো।

حدثنا عبد الله بن محمد بن علي النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن أبي عمرو، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من وجدتموه يعمل عمل قوم لوط فاقتلوا الفاعل والمفعول به ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سليمان بن بلال عن عمرو بن أبي عمرو مثله ورواه عباد بن منصور عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ورواه ابن جريج عن إبراهيم عن داود بن الحصين عن عكرمة عن ابن عباس رفعه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৬৩

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن راهويه، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني ابن خثيم، قال سمعت سعيد بن جبير، ومجاهدا، يحدثان عن ابن عباس، في البكر يوجد على اللوطية قال يرجم ‏.‏ قال أبو داود حديث عاصم يضعف حديث عمرو بن أبي عمرو ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, অবিবাহিতদের লাওয়াতাতে (পায়ুকামে) লিপ্ত পাওয়া গেলে রজম করা হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আসিম (রহঃ) বর্ণিত হাদীস আমর ইবনু আবূ ‘আমরের হাদীসকে দুর্বল প্রমানিত করে।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, অবিবাহিতদের লাওয়াতাতে (পায়ুকামে) লিপ্ত পাওয়া গেলে রজম করা হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আসিম (রহঃ) বর্ণিত হাদীস আমর ইবনু আবূ ‘আমরের হাদীসকে দুর্বল প্রমানিত করে।

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن راهويه، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني ابن خثيم، قال سمعت سعيد بن جبير، ومجاهدا، يحدثان عن ابن عباس، في البكر يوجد على اللوطية قال يرجم ‏.‏ قال أبو داود حديث عاصم يضعف حديث عمرو بن أبي عمرو ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪৬৩

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن راهويه، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني ابن خثيم، قال سمعت سعيد بن جبير، ومجاهدا، يحدثان عن ابن عباس، في البكر يوجد على اللوطية قال يرجم ‏.‏ قال أبو داود حديث عاصم يضعف حديث عمرو بن أبي عمرو ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, অবিবাহিতদের লাওয়াতাতে (পায়ুকামে) লিপ্ত পাওয়া গেলে রজম করা হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আসিম (রহঃ) বর্ণিত হাদীস আমর ইবনু আবূ ‘আমরের হাদীসকে দুর্বল প্রমানিত করে।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, অবিবাহিতদের লাওয়াতাতে (পায়ুকামে) লিপ্ত পাওয়া গেলে রজম করা হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘আসিম (রহঃ) বর্ণিত হাদীস আমর ইবনু আবূ ‘আমরের হাদীসকে দুর্বল প্রমানিত করে।

حدثنا إسحاق بن إبراهيم بن راهويه، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني ابن خثيم، قال سمعت سعيد بن جبير، ومجاهدا، يحدثان عن ابن عباس، في البكر يوجد على اللوطية قال يرجم ‏.‏ قال أبو داود حديث عاصم يضعف حديث عمرو بن أبي عمرو ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00