সুনানে আবু দাউদ > একই চোর একাধিবার চুরি করলে
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১০
حدثنا محمد بن عبد الله بن عبيد بن عقيل الهلالي، حدثنا جدي، عن مصعب بن ثابت بن عبد الله بن الزبير، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال جيء بسارق إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . فقال " اقطعوه " . قال فقطع ثم جيء به الثانية فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . فقال " اقطعوه " . قال فقطع ثم جيء به الثالثة فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . قال " اقطعوه " . ثم أتي به الرابعة فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . قال " اقطعوه " . فأتي به الخامسة فقال " اقتلوه " . قال جابر فانطلقنا به فقتلناه ثم اجتررناه فألقيناه في بئر ورمينا عليه الحجارة .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক চোরকে ধরে আনা হলে তিনি বলেন: তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! সে চুরি করেছে। তিনি বললেনঃএর হাত কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, তার হাত কেটে দেয়া হলো। অতঃপর তাকে দ্বিতীয়বার তাঁর নিকট আনা হলে তিনি বলেন: তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল ! সে তো চুরি করেছে! তিনি আদেশ দিলেন, তোমরা এর অপর হাত কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, তার হাত কেটে দেয়া হলো। তৃতীয়বার তাকে তাঁর নিকট ধরে আনা হলে তিনি বলেন: তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! সে তো চুরি করেছে। তিনি বললেনঃতাহলে তোমরা তার অঙ্গ (এক পা) কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এবার তার পা কাটা হলো। অতঃপর চতুর্থবার তাকে ধরে আনা হলে তিনি তাকে হত্যা করার আদেশ দিলেন। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসুল! সে তো চুরি করেছে। তিনি বললেনঃতাহলে তাঁর আরেক পা কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এবার তার অপর পা কাটা হলো। অতঃপর পঞ্চমবার তাকে ধরে আনা হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হত্যা করার আদেশ দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, অতএব আমরা তাকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করলাম এবং হেচঁড়িয়ে টেনে নিয়ে একটি কূপে ফেলে দিয়ে তার উপর পাথরচাপা দিলাম।
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক চোরকে ধরে আনা হলে তিনি বলেন: তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! সে চুরি করেছে। তিনি বললেনঃএর হাত কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, তার হাত কেটে দেয়া হলো। অতঃপর তাকে দ্বিতীয়বার তাঁর নিকট আনা হলে তিনি বলেন: তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল ! সে তো চুরি করেছে! তিনি আদেশ দিলেন, তোমরা এর অপর হাত কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, তার হাত কেটে দেয়া হলো। তৃতীয়বার তাকে তাঁর নিকট ধরে আনা হলে তিনি বলেন: তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! সে তো চুরি করেছে। তিনি বললেনঃতাহলে তোমরা তার অঙ্গ (এক পা) কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এবার তার পা কাটা হলো। অতঃপর চতুর্থবার তাকে ধরে আনা হলে তিনি তাকে হত্যা করার আদেশ দিলেন। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসুল! সে তো চুরি করেছে। তিনি বললেনঃতাহলে তাঁর আরেক পা কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এবার তার অপর পা কাটা হলো। অতঃপর পঞ্চমবার তাকে ধরে আনা হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হত্যা করার আদেশ দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, অতএব আমরা তাকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করলাম এবং হেচঁড়িয়ে টেনে নিয়ে একটি কূপে ফেলে দিয়ে তার উপর পাথরচাপা দিলাম।
حدثنا محمد بن عبد الله بن عبيد بن عقيل الهلالي، حدثنا جدي، عن مصعب بن ثابت بن عبد الله بن الزبير، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال جيء بسارق إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . فقال " اقطعوه " . قال فقطع ثم جيء به الثانية فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . فقال " اقطعوه " . قال فقطع ثم جيء به الثالثة فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . قال " اقطعوه " . ثم أتي به الرابعة فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله إنما سرق . قال " اقطعوه " . فأتي به الخامسة فقال " اقتلوه " . قال جابر فانطلقنا به فقتلناه ثم اجتررناه فألقيناه في بئر ورمينا عليه الحجارة .
সুনানে আবু দাউদ > হাত কেটে চোরের গর্দানে ঝুলিয়ে দেয়া
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১১
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عمر بن علي، حدثنا الحجاج، عن مكحول، عن عبد الرحمن بن محيريز، قال سألنا فضالة بن عبيد عن تعليق اليد، في العنق للسارق أمن السنة هو قال أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بسارق فقطعت يده ثم أمر بها فعلقت في عنقه .
‘আবদুর রাহমান ইবনু মুহাইরিয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ফাদালাহ ইবনু ‘উবাইদ (রাঃ)-কে বললাম, চোরের কাটা হাত গর্দানের সঙ্গে বেঁধে দেয়া কি সুন্নাত? তিনি বললেন, একদা রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক চোরকে নিয়ে আসা হলে তার হাত কাটা হয় এবং তার নির্দেশমত তা গর্দানের সঙ্গে বেঁধে দেয়া হয়। [৪৪১০]
‘আবদুর রাহমান ইবনু মুহাইরিয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ফাদালাহ ইবনু ‘উবাইদ (রাঃ)-কে বললাম, চোরের কাটা হাত গর্দানের সঙ্গে বেঁধে দেয়া কি সুন্নাত? তিনি বললেন, একদা রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এক চোরকে নিয়ে আসা হলে তার হাত কাটা হয় এবং তার নির্দেশমত তা গর্দানের সঙ্গে বেঁধে দেয়া হয়। [৪৪১০]
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عمر بن علي، حدثنا الحجاج، عن مكحول، عن عبد الرحمن بن محيريز، قال سألنا فضالة بن عبيد عن تعليق اليد، في العنق للسارق أمن السنة هو قال أتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بسارق فقطعت يده ثم أمر بها فعلقت في عنقه .
সুনানে আবু দাউদ > দাস চুরি করলে তাকে বিক্রি করে দেয়া
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১২
حدثنا موسى، - يعني ابن إسماعيل - حدثنا أبو عوانة، عن عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا سرق المملوك فبعه ولو بنش " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: দাস যদি চুরি করে তবে তাকে এক নাশ্ অর্থাৎ বিশ দিরহামের বিনিময়ে হলেও বিক্রি করে দাও। [৪৪১১]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: দাস যদি চুরি করে তবে তাকে এক নাশ্ অর্থাৎ বিশ দিরহামের বিনিময়ে হলেও বিক্রি করে দাও। [৪৪১১]
حدثنا موسى، - يعني ابن إسماعيل - حدثنا أبو عوانة، عن عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا سرق المملوك فبعه ولو بنش " .
সুনানে আবু দাউদ > রজম সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১৫
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن حطان بن عبد الله الرقاشي، عن عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خذوا عني خذوا عني قد جعل الله لهن سبيلا الثيب بالثيب جلد مائة ورمى بالحجارة والبكر بالبكر جلد مائة ونفى سنة " .
‘উবাদা্হ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: তোমরা আমার থেকে গ্রহন করো। আল্লাহ তাদের জন্য বিধান দিয়েছেন: বিবাহিত পুরুষ ও বিবাহিত নারী অপরাধী প্রমাণিত হলে তাদের শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা। আর অবিবাহিত পুরুষ ও অবিবাহিত নারীর শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন।
‘উবাদা্হ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: তোমরা আমার থেকে গ্রহন করো। আল্লাহ তাদের জন্য বিধান দিয়েছেন: বিবাহিত পুরুষ ও বিবাহিত নারী অপরাধী প্রমাণিত হলে তাদের শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা। আর অবিবাহিত পুরুষ ও অবিবাহিত নারীর শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سعيد بن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن حطان بن عبد الله الرقاشي، عن عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خذوا عني خذوا عني قد جعل الله لهن سبيلا الثيب بالثيب جلد مائة ورمى بالحجارة والبكر بالبكر جلد مائة ونفى سنة " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১৩
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن الحسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { واللاتي يأتين الفاحشة من نسائكم فاستشهدوا عليهن أربعة منكم فإن شهدوا فأمسكوهن في البيوت حتى يتوفاهن الموت أو يجعل الله لهن سبيلا } وذكر الرجل بعد المرأة ثم جمعهما فقال { واللذان يأتيانها منكم فآذوهما فإن تابا وأصلحا فأعرضوا عنهما } فنسخ ذلك بآية الجلد فقال { الزانية والزاني فاجلدوا كل واحد منهما مائة جلدة } .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর বানী: ‘তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যারা অশ্লীল কাজ করে, তবে তোমাদের মধ্যে হতে চার ব্যাক্তিকে তাদের উপর সাক্ষী দাঁড় করাও। অতঃপর তারা সাক্ষ্য দিলে তাদেরকে ঘরে আবদ্ধ করে রাখো, যতক্ষন না মৃত্যু তাদের অবসান ঘটায় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ বের করেন “(সুরা্ আন-নিসা : ১৫)। মেয়েদের সম্পর্কে একথা বলে পুরুষদের সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, অতঃপর উভয়ের সম্পর্কে একত্রে আলোচনা করেছেন: “আর তোমাদের মধ্যে দু’জন নারী-পুরুষ যদি এ অশ্লীল কাজ করে, তবে তাদের শাসন করো। অনন্তর তারা যদি তাওবাহ করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, তবে তাদেরকে ছেড়ে দাও “(সুরা্ আন-নিসা : ১৬)। উপরোক্ত আয়াতের নির্দেশ ‘বেত্রাঘাত’ সংক্রান্ত আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছে। অতএব আল্লাহর বাণী: “ব্যাভিচারিনী এবং ব্যাভিচারী, তাদের প্রত্যেককে একশো বেত্রাঘাত করো” (সুরা্ আন-নুর : ২)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর বানী: ‘তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যারা অশ্লীল কাজ করে, তবে তোমাদের মধ্যে হতে চার ব্যাক্তিকে তাদের উপর সাক্ষী দাঁড় করাও। অতঃপর তারা সাক্ষ্য দিলে তাদেরকে ঘরে আবদ্ধ করে রাখো, যতক্ষন না মৃত্যু তাদের অবসান ঘটায় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোন পথ বের করেন “(সুরা্ আন-নিসা : ১৫)। মেয়েদের সম্পর্কে একথা বলে পুরুষদের সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, অতঃপর উভয়ের সম্পর্কে একত্রে আলোচনা করেছেন: “আর তোমাদের মধ্যে দু’জন নারী-পুরুষ যদি এ অশ্লীল কাজ করে, তবে তাদের শাসন করো। অনন্তর তারা যদি তাওবাহ করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, তবে তাদেরকে ছেড়ে দাও “(সুরা্ আন-নিসা : ১৬)। উপরোক্ত আয়াতের নির্দেশ ‘বেত্রাঘাত’ সংক্রান্ত আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছে। অতএব আল্লাহর বাণী: “ব্যাভিচারিনী এবং ব্যাভিচারী, তাদের প্রত্যেককে একশো বেত্রাঘাত করো” (সুরা্ আন-নুর : ২)।
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن الحسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { واللاتي يأتين الفاحشة من نسائكم فاستشهدوا عليهن أربعة منكم فإن شهدوا فأمسكوهن في البيوت حتى يتوفاهن الموت أو يجعل الله لهن سبيلا } وذكر الرجل بعد المرأة ثم جمعهما فقال { واللذان يأتيانها منكم فآذوهما فإن تابا وأصلحا فأعرضوا عنهما } فنسخ ذلك بآية الجلد فقال { الزانية والزاني فاجلدوا كل واحد منهما مائة جلدة } .
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১৮
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا هشيم، حدثنا الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن عبد الله بن عباس، أن عمر، - يعني ابن الخطاب - رضى الله عنه خطب فقال إن الله بعث محمدا صلى الله عليه وسلم بالحق وأنزل عليه الكتاب فكان فيما أنزل عليه آية الرجم فقرأناها ووعيناها ورجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا من بعده وإني خشيت - إن طال بالناس الزمان - أن يقول قائل ما نجد آية الرجم في كتاب الله فيضلوا بترك فريضة أنزلها الله تعالى فالرجم حق على من زنى من الرجال والنساء إذا كان محصنا إذا قامت البينة أو كان حمل أو اعتراف وايم الله لولا أن يقول الناس زاد عمر في كتاب الله عز وجل لكتبتها .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তার ভাষনে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন এবং তার উপর কিতাব নাযিল করেছেন। আর তিনি তাঁর উপর যা নাযিল করেছেন, রজম সংক্রান্ত আয়াত তার অন্তর্ভুক্ত। আমরা তা পাঠ করেছি এবং সংরক্ষন করেছি। রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজম করেছেন আর আমরাও তার পরে রজম করেছি। তবে আমার আশংকা হচ্ছে কাল প্রবাহের দীর্ঘতায় কেউ হয়তো বলবে ,আমরা তো আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবে রজমের আয়াত পাইনি। ফলে তারা আল্লাহর নাযিলকৃত একটা ফরয পরিত্যাগ করে পথভ্রষ্ট হবে। জেনে রাখো বিবাহিত নারী-পুরুষ ব্যাভিচারের অপরাধে দায়ী প্রমাণিত হলে অথবা অন্তঃসত্তা হলে অথবা স্বীকারোক্তি করলে তাদেরকে রজম করা অবধারিত। আল্লাহর কসম! লোকেরা যদি একথা না বলতো যে, ‘উমার আল্লাহর কিতাবে কিছু বর্ধিত করেছেন। তাহলে আমি অবশ্যই এই আয়াত লিখে দিতাম।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তার ভাষনে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন এবং তার উপর কিতাব নাযিল করেছেন। আর তিনি তাঁর উপর যা নাযিল করেছেন, রজম সংক্রান্ত আয়াত তার অন্তর্ভুক্ত। আমরা তা পাঠ করেছি এবং সংরক্ষন করেছি। রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রজম করেছেন আর আমরাও তার পরে রজম করেছি। তবে আমার আশংকা হচ্ছে কাল প্রবাহের দীর্ঘতায় কেউ হয়তো বলবে ,আমরা তো আল্লাহর নাযিলকৃত কিতাবে রজমের আয়াত পাইনি। ফলে তারা আল্লাহর নাযিলকৃত একটা ফরয পরিত্যাগ করে পথভ্রষ্ট হবে। জেনে রাখো বিবাহিত নারী-পুরুষ ব্যাভিচারের অপরাধে দায়ী প্রমাণিত হলে অথবা অন্তঃসত্তা হলে অথবা স্বীকারোক্তি করলে তাদেরকে রজম করা অবধারিত। আল্লাহর কসম! লোকেরা যদি একথা না বলতো যে, ‘উমার আল্লাহর কিতাবে কিছু বর্ধিত করেছেন। তাহলে আমি অবশ্যই এই আয়াত লিখে দিতাম।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا هشيم، حدثنا الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن عبد الله بن عباس، أن عمر، - يعني ابن الخطاب - رضى الله عنه خطب فقال إن الله بعث محمدا صلى الله عليه وسلم بالحق وأنزل عليه الكتاب فكان فيما أنزل عليه آية الرجم فقرأناها ووعيناها ورجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا من بعده وإني خشيت - إن طال بالناس الزمان - أن يقول قائل ما نجد آية الرجم في كتاب الله فيضلوا بترك فريضة أنزلها الله تعالى فالرجم حق على من زنى من الرجال والنساء إذا كان محصنا إذا قامت البينة أو كان حمل أو اعتراف وايم الله لولا أن يقول الناس زاد عمر في كتاب الله عز وجل لكتبتها .
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১৪
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا موسى، - يعني ابن مسعود - عن شبل، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، قال السبيل الحد قال سفيان { فآذوهما } البكران { فأمسكوهن في البيوت } الثيبات .
মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর বানী, আস-সাবিল অর্থাৎ হাদ্দ। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, ‘ফাআযুহুমা’ অর্থ অবিবাহিতের শাস্তি এবং ‘ফাআমসিকূহুন্না ফিল বুয়ূত’ অর্থ বিবাহিতের শাস্তি। [৪৪১৩]
মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর বানী, আস-সাবিল অর্থাৎ হাদ্দ। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, ‘ফাআযুহুমা’ অর্থ অবিবাহিতের শাস্তি এবং ‘ফাআমসিকূহুন্না ফিল বুয়ূত’ অর্থ বিবাহিতের শাস্তি। [৪৪১৩]
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا موسى، - يعني ابن مسعود - عن شبل، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، قال السبيل الحد قال سفيان { فآذوهما } البكران { فأمسكوهن في البيوت } الثيبات .
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১৪
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا موسى، - يعني ابن مسعود - عن شبل، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، قال السبيل الحد قال سفيان { فآذوهما } البكران { فأمسكوهن في البيوت } الثيبات .
মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর বানী, আস-সাবিল অর্থাৎ হাদ্দ। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, ‘ফাআযুহুমা’ অর্থ অবিবাহিতের শাস্তি এবং ‘ফাআমসিকূহুন্না ফিল বুয়ূত’ অর্থ বিবাহিতের শাস্তি। [৪৪১৩]
মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর বানী, আস-সাবিল অর্থাৎ হাদ্দ। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, ‘ফাআযুহুমা’ অর্থ অবিবাহিতের শাস্তি এবং ‘ফাআমসিকূহুন্না ফিল বুয়ূত’ অর্থ বিবাহিতের শাস্তি। [৪৪১৩]
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا موسى، - يعني ابن مسعود - عن شبل، عن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، قال السبيل الحد قال سفيان { فآذوهما } البكران { فأمسكوهن في البيوت } الثيبات .
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১৬
حدثنا وهب بن بقية، ومحمد بن الصباح بن سفيان، قالا حدثنا هشيم، عن منصور، عن الحسن، بإسناد يحيى ومعناه قالا " جلد مائة والرجم " .
ইয়াহ্য়া থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহ্য়ার সূত্রে উপোরোক্ত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। এতে রয়েছে: তাদের শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা।
ইয়াহ্য়া থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহ্য়ার সূত্রে উপোরোক্ত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। এতে রয়েছে: তাদের শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা।
حدثنا وهب بن بقية، ومحمد بن الصباح بن سفيان، قالا حدثنا هشيم، عن منصور، عن الحسن، بإسناد يحيى ومعناه قالا " جلد مائة والرجم " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৪১৭
حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا الربيع بن روح بن خليد، حدثنا محمد بن خالد، - يعني الوهبي - حدثنا الفضل بن دلهم، عن الحسن، عن سلمة بن المحبق، عن عبادة بن الصامت، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث فقال ناس لسعد بن عبادة يا أبا ثابت قد نزلت الحدود لو أنك وجدت مع امرأتك رجلا كيف كنت صانعا قال كنت ضاربهما بالسيف حتى يسكتا أفأنا أذهب فأجمع أربعة شهداء فإلى ذلك قد قضى الحاجة . فانطلقوا فاجتمعوا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله ألم تر إلى أبي ثابت قال كذا وكذا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفى بالسيف شاهدا " . ثم قال " لا لا أخاف أن يتتايع فيها السكران والغيران " . قال أبو داود روى وكيع أول هذا الحديث عن الفضل بن دلهم عن الحسن عن قبيصة بن حريث عن سلمة بن المحبق عن النبي صلى الله عليه وسلم . وإنما هذا إسناد حديث ابن المحبق أن رجلا وقع على جارية امرأته . قال أبو داود الفضل بن دلهم ليس بالحافظ كان قصابا بواسط .
‘উবাদাহ সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে অনুরুপ হাদীস বর্ণিত। লোকজন সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) কে বললো, হে সাবিতের পিতা! হাদ্দ সংক্রান্ত আয়াত নাযিল হয়েছে। অতএব আপনি যদি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষ লোককে দেখতে পান তাহলে আপনি কি করবেন? তিনি বলেন, আমি তরবারির আঘাতে উভয়কে নিস্তব্ধ করে দিতাম। আমি কি যাবো এবং চারজন সাক্ষী একত্র করবো আর এই সুযোগে তারা তাদের অপকর্ম সেরে নিবে? অতএব তারা গিয়ে রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একত্র হয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি কি সাবিতের পিতাকে দেখেননি, তিনি এই এই কথা বলেছেন। রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতরবারিই যথেষ্ট সাক্ষী। অতঃপর তিনি বলেন: না না, আমি আশংকা করি যে, কোনো উন্মত্ত ও আত্নমর্যাদাবোধ সম্পন্ন লোকই এই পদ্ধতি অনুসরন করতে পারে। আরেক বর্ণনায় রয়েছে: এক ব্যাক্তি তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সঙ্গে সংগমে লিপ্ত হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আল-ফাদল ইবনু দালহাম হাদীসের হাফিয নন। তিনি ওয়াসিত অঞ্চলের কসাই ছিলেন। [৪৪১৬] দুর্বল: যঈফ হা/২৩৪১।
‘উবাদাহ সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে অনুরুপ হাদীস বর্ণিত। লোকজন সা’দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) কে বললো, হে সাবিতের পিতা! হাদ্দ সংক্রান্ত আয়াত নাযিল হয়েছে। অতএব আপনি যদি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোন পুরুষ লোককে দেখতে পান তাহলে আপনি কি করবেন? তিনি বলেন, আমি তরবারির আঘাতে উভয়কে নিস্তব্ধ করে দিতাম। আমি কি যাবো এবং চারজন সাক্ষী একত্র করবো আর এই সুযোগে তারা তাদের অপকর্ম সেরে নিবে? অতএব তারা গিয়ে রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট একত্র হয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসুল! আপনি কি সাবিতের পিতাকে দেখেননি, তিনি এই এই কথা বলেছেন। রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃতরবারিই যথেষ্ট সাক্ষী। অতঃপর তিনি বলেন: না না, আমি আশংকা করি যে, কোনো উন্মত্ত ও আত্নমর্যাদাবোধ সম্পন্ন লোকই এই পদ্ধতি অনুসরন করতে পারে। আরেক বর্ণনায় রয়েছে: এক ব্যাক্তি তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সঙ্গে সংগমে লিপ্ত হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আল-ফাদল ইবনু দালহাম হাদীসের হাফিয নন। তিনি ওয়াসিত অঞ্চলের কসাই ছিলেন। [৪৪১৬] দুর্বল: যঈফ হা/২৩৪১।
حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا الربيع بن روح بن خليد، حدثنا محمد بن خالد، - يعني الوهبي - حدثنا الفضل بن دلهم، عن الحسن، عن سلمة بن المحبق، عن عبادة بن الصامت، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث فقال ناس لسعد بن عبادة يا أبا ثابت قد نزلت الحدود لو أنك وجدت مع امرأتك رجلا كيف كنت صانعا قال كنت ضاربهما بالسيف حتى يسكتا أفأنا أذهب فأجمع أربعة شهداء فإلى ذلك قد قضى الحاجة . فانطلقوا فاجتمعوا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله ألم تر إلى أبي ثابت قال كذا وكذا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفى بالسيف شاهدا " . ثم قال " لا لا أخاف أن يتتايع فيها السكران والغيران " . قال أبو داود روى وكيع أول هذا الحديث عن الفضل بن دلهم عن الحسن عن قبيصة بن حريث عن سلمة بن المحبق عن النبي صلى الله عليه وسلم . وإنما هذا إسناد حديث ابن المحبق أن رجلا وقع على جارية امرأته . قال أبو داود الفضل بن دلهم ليس بالحافظ كان قصابا بواسط .