সুনানে আবু দাউদ > পাগল চুরি বা হাদ্দযোগ্য অপরাধ করলে

সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن حماد، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رفع القلم عن ثلاثة عن النائم حتى يستيقظ وعن المبتلى حتى يبرأ وعن الصبي حتى يكبر ‏"‏ ‏.

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তিন ধরনের লোকের উপর হতে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে: (১) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, (২) অসুস্হ (পাগল) ব্যাক্তি, যতক্ষন না আরোগ্য লাভ করে এবং (৩) অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক যতক্ষন না বালেগ হয়।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তিন ধরনের লোকের উপর হতে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে: (১) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, (২) অসুস্হ (পাগল) ব্যাক্তি, যতক্ষন না আরোগ্য লাভ করে এবং (৩) অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক যতক্ষন না বালেগ হয়।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا حماد بن سلمة، عن حماد، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رفع القلم عن ثلاثة عن النائم حتى يستيقظ وعن المبتلى حتى يبرأ وعن الصبي حتى يكبر ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪০১

حدثنا ابن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني جرير بن حازم، عن سليمان بن مهران، عن أبي ظبيان، عن ابن عباس، قال مر على علي بن أبي طالب رضى الله عنه بمعنى عثمان ‏.‏ قال أوما تذكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رفع القلم عن ثلاثة عن المجنون المغلوب على عقله حتى يفيق وعن النائم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يحتلم ‏"‏ ‏.‏ قال صدقت قال فخلى عنها سبيلها ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আলি ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-র পাশ দিয়ে যাওয়া...অতঃপর ‘উসমান ইবনু শাইরাহ বর্ণিত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, আপনার কি মনে নেই, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন প্রকার লোকদের উপর হতে কলম তুলে রাখা হয়েছে: (১) নির্বোধ পাগল, যতক্ষন না সুস্হ হয় (২) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, এবং (৩) নাবালেগ শিশু, যতক্ষন না প্রাপ্তবয়স্ক হয়। একথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বলেন, আপনি সত্যিই বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি দন্ডিতাকে ছেড়ে দিলেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আলি ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-র পাশ দিয়ে যাওয়া...অতঃপর ‘উসমান ইবনু শাইরাহ বর্ণিত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, আপনার কি মনে নেই, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন প্রকার লোকদের উপর হতে কলম তুলে রাখা হয়েছে: (১) নির্বোধ পাগল, যতক্ষন না সুস্হ হয় (২) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, এবং (৩) নাবালেগ শিশু, যতক্ষন না প্রাপ্তবয়স্ক হয়। একথা শুনে ‘উমার (রাঃ) বলেন, আপনি সত্যিই বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি দন্ডিতাকে ছেড়ে দিলেন।

حدثنا ابن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني جرير بن حازم، عن سليمان بن مهران، عن أبي ظبيان، عن ابن عباس، قال مر على علي بن أبي طالب رضى الله عنه بمعنى عثمان ‏.‏ قال أوما تذكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رفع القلم عن ثلاثة عن المجنون المغلوب على عقله حتى يفيق وعن النائم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يحتلم ‏"‏ ‏.‏ قال صدقت قال فخلى عنها سبيلها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪০৩

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، عن خالد، عن أبي الضحى، عن علي، عليه السلام عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ رفع القلم عن ثلاثة عن النائم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يحتلم وعن المجنون حتى يعقل ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه ابن جريج عن القاسم بن يزيد عن علي رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم زاد فيه ‏"‏ والخرف ‏"‏ ‏.

‘আলি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন ধরনের লোকের উপর হতে কলম তুলে রাখা হয়েছে: (১) ঘুমন্ত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয় (২) নাবালেগ, যতক্ষন না সাবালেগ হয় এবং (৩) পাগল, যতক্ষন না জ্ঞানসম্পন্ন হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন ,ইবনু জুরাইজ পর্যায়ক্রমে ক্বাসমম ইবনু ইয়াযীদ হতে ‘আলি (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন, তাতে ‘বার্ধক্যজনিত কারনে নিস্তেজ বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যাক্তি’ কথাটুকু রয়েছে।

‘আলি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন ধরনের লোকের উপর হতে কলম তুলে রাখা হয়েছে: (১) ঘুমন্ত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয় (২) নাবালেগ, যতক্ষন না সাবালেগ হয় এবং (৩) পাগল, যতক্ষন না জ্ঞানসম্পন্ন হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন ,ইবনু জুরাইজ পর্যায়ক্রমে ক্বাসমম ইবনু ইয়াযীদ হতে ‘আলি (রাঃ) থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন, তাতে ‘বার্ধক্যজনিত কারনে নিস্তেজ বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যাক্তি’ কথাটুকু রয়েছে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، عن خالد، عن أبي الضحى، عن علي، عليه السلام عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ رفع القلم عن ثلاثة عن النائم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يحتلم وعن المجنون حتى يعقل ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه ابن جريج عن القاسم بن يزيد عن علي رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم زاد فيه ‏"‏ والخرف ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪০২

حدثنا هناد، عن أبي الأحوص، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، - المعنى - عن عطاء بن السائب، عن أبي ظبيان، - قال هناد - الجنبي قال أتي عمر بامرأة قد فجرت فأمر برجمها فمر علي رضى الله عنه فأخذها فخلى سبيلها فأخبر عمر قال ادعوا لي عليا ‏.‏ فجاء علي رضى الله عنه فقال يا أمير المؤمنين لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رفع القلم عن ثلاثة عن الصبي حتى يبلغ وعن النائم حتى يستيقظ وعن المعتوه حتى يبرأ ‏"‏ ‏.‏ وإن هذه معتوهة بني فلان لعل الذي أتاها أتاها وهي في بلائها ‏.‏ قال فقال عمر لا أدري ‏.‏ فقال علي عليه السلام وأنا لا أدري ‏.‏

আবূ যিবৃয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হান্নাদ আল-জানাবী বলেছেন: একদা এক জেনাকারিনীকে ‘উমার (রাঃ)–র নিকট হাযির করা হলে তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যার আদেশ দেন। এ সময় ‘আলি (রাঃ) ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ছেড়ে দিলেন। ’উমার (রাঃ) এ সংবাদ পেয়ে ‘আলি (রাঃ) কে ডেকে পাঠালেন। ‘আলি (রাঃ) তার নিকট এসে বলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে: রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন প্রকার লোকদের উপর হতে কলম তুলে রাখা হয়েছে: (১) নাবালেগ, যতক্ষন না বালেগ হয় (২) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, এবং (৩) পাগল, যতক্ষন না সুস্হ হয়। আর এ তো অমুক গোত্রের পাগলিনী। সে যা করেছে, সম্ভবত উম্মাদ অবস্হায় তা করেছে। বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। অতঃপর ‘আলি (রাঃ) বলেন, আমিও জানতাম না। সহীহ: এ কথাটি বাদে: সম্ভবত উম্মাদ অবস্হায় …।

আবূ যিবৃয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, হান্নাদ আল-জানাবী বলেছেন: একদা এক জেনাকারিনীকে ‘উমার (রাঃ)–র নিকট হাযির করা হলে তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যার আদেশ দেন। এ সময় ‘আলি (রাঃ) ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ছেড়ে দিলেন। ’উমার (রাঃ) এ সংবাদ পেয়ে ‘আলি (রাঃ) কে ডেকে পাঠালেন। ‘আলি (রাঃ) তার নিকট এসে বলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে: রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন প্রকার লোকদের উপর হতে কলম তুলে রাখা হয়েছে: (১) নাবালেগ, যতক্ষন না বালেগ হয় (২) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, এবং (৩) পাগল, যতক্ষন না সুস্হ হয়। আর এ তো অমুক গোত্রের পাগলিনী। সে যা করেছে, সম্ভবত উম্মাদ অবস্হায় তা করেছে। বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। অতঃপর ‘আলি (রাঃ) বলেন, আমিও জানতাম না। সহীহ: এ কথাটি বাদে: সম্ভবত উম্মাদ অবস্হায় …।

حدثنا هناد، عن أبي الأحوص، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، - المعنى - عن عطاء بن السائب، عن أبي ظبيان، - قال هناد - الجنبي قال أتي عمر بامرأة قد فجرت فأمر برجمها فمر علي رضى الله عنه فأخذها فخلى سبيلها فأخبر عمر قال ادعوا لي عليا ‏.‏ فجاء علي رضى الله عنه فقال يا أمير المؤمنين لقد علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ رفع القلم عن ثلاثة عن الصبي حتى يبلغ وعن النائم حتى يستيقظ وعن المعتوه حتى يبرأ ‏"‏ ‏.‏ وإن هذه معتوهة بني فلان لعل الذي أتاها أتاها وهي في بلائها ‏.‏ قال فقال عمر لا أدري ‏.‏ فقال علي عليه السلام وأنا لا أدري ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯৯

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي ظبيان، عن ابن عباس، قال أتي عمر بمجنونة قد زنت فاستشار فيها أناسا فأمر بها عمر أن ترجم فمر بها على علي بن أبي طالب رضوان الله عليه فقال ما شأن هذه قالوا مجنونة بني فلان زنت فأمر بها عمر أن ترجم ‏.‏ قال فقال ارجعوا بها ثم أتاه فقال يا أمير المؤمنين أما علمت أن القلم قد رفع عن ثلاثة عن المجنون حتى يبرأ وعن النائم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يعقل قال بلى ‏.‏ قال فما بال هذه ترجم قال لا شىء ‏.‏ قال فأرسلها ‏.‏ قال فأرسلها ‏.‏ قال فجعل يكبر ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা যেনার অপরাধে জনৈকা উম্মদিনীকে ধরে এনে ‘উমার (রাঃ)-র নিকট হাযির করা হয়। তিনি এই ব্যাপারে লোকদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাকে পাথর মেরে হত্যা করার নির্দেশ দেন। এ সময় ‘আলি (রাঃ) তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, এর কি হয়েছে? উপস্হিত লোকেরা বললো, সে অমুক গোত্রের উম্মাদিনী (পাগল মহিলা) সে যেনা করেছে। ‘উমার(রাঃ) তাকে পাথর মেরে হত্যা করার আদেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বললেন, তোমরা তাকে নিয়ে ফিরে যাও। অতঃপর তিনি ‘উমারের নিকট এসে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি কি জানেন না, তিন ধরনের লোকের উপর হতে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে: (১) পাগল, যতক্ষন না সুস্হ হয় (২) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, এবং (৩) নাবালগ শিশু যতক্ষন না বালেগ হয়। তিনি বললেন, হ্যাঁ। ‘আলী (রাঃ) বলেন, তাহলে তাকে পাথর মারা হবে কেন? তিনি বলেন, কোন কারন নেই। ‘আলী (রাঃ) বলেন, তবে তাকে ছেড়ে দিন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাকে ছেড়ে দিলেন এবং ‘আল্লাহু আকবার ‘ধ্বনি উচ্চারন করলেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা যেনার অপরাধে জনৈকা উম্মদিনীকে ধরে এনে ‘উমার (রাঃ)-র নিকট হাযির করা হয়। তিনি এই ব্যাপারে লোকদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাকে পাথর মেরে হত্যা করার নির্দেশ দেন। এ সময় ‘আলি (রাঃ) তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, এর কি হয়েছে? উপস্হিত লোকেরা বললো, সে অমুক গোত্রের উম্মাদিনী (পাগল মহিলা) সে যেনা করেছে। ‘উমার(রাঃ) তাকে পাথর মেরে হত্যা করার আদেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বললেন, তোমরা তাকে নিয়ে ফিরে যাও। অতঃপর তিনি ‘উমারের নিকট এসে বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি কি জানেন না, তিন ধরনের লোকের উপর হতে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছে: (১) পাগল, যতক্ষন না সুস্হ হয় (২) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, এবং (৩) নাবালগ শিশু যতক্ষন না বালেগ হয়। তিনি বললেন, হ্যাঁ। ‘আলী (রাঃ) বলেন, তাহলে তাকে পাথর মারা হবে কেন? তিনি বলেন, কোন কারন নেই। ‘আলী (রাঃ) বলেন, তবে তাকে ছেড়ে দিন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাকে ছেড়ে দিলেন এবং ‘আল্লাহু আকবার ‘ধ্বনি উচ্চারন করলেন।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي ظبيان، عن ابن عباس، قال أتي عمر بمجنونة قد زنت فاستشار فيها أناسا فأمر بها عمر أن ترجم فمر بها على علي بن أبي طالب رضوان الله عليه فقال ما شأن هذه قالوا مجنونة بني فلان زنت فأمر بها عمر أن ترجم ‏.‏ قال فقال ارجعوا بها ثم أتاه فقال يا أمير المؤمنين أما علمت أن القلم قد رفع عن ثلاثة عن المجنون حتى يبرأ وعن النائم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يعقل قال بلى ‏.‏ قال فما بال هذه ترجم قال لا شىء ‏.‏ قال فأرسلها ‏.‏ قال فأرسلها ‏.‏ قال فجعل يكبر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪০০

حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا وكيع، عن الأعمش، نحوه وقال أيضا حتى يعقل ‏.‏ وقال وعن المجنون حتى يفيق ‏.‏ قال فجعل عمر يكبر ‏.‏

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রহঃ) সূত্রে অনুরুপ হাদীস বর্ণিত। এতে রয়েছে: তিনি বলেন, নাবালেগ যতক্ষন না বুদ্ধিমান হবে। তিনি বলেন: পাগল যতক্ষন না সুস্হ জ্ঞানসম্পন্ন হবে। বর্ণনাকারী বলেন, ’উমার (রাঃ) ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিতে থাকেন।

আ’মাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আ’মাশ (রহঃ) সূত্রে অনুরুপ হাদীস বর্ণিত। এতে রয়েছে: তিনি বলেন, নাবালেগ যতক্ষন না বুদ্ধিমান হবে। তিনি বলেন: পাগল যতক্ষন না সুস্হ জ্ঞানসম্পন্ন হবে। বর্ণনাকারী বলেন, ’উমার (রাঃ) ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিতে থাকেন।

حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا وكيع، عن الأعمش، نحوه وقال أيضا حتى يعقل ‏.‏ وقال وعن المجنون حتى يفيق ‏.‏ قال فجعل عمر يكبر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > নাবালগের অপরাধের শাস্তি

সুনানে আবু দাউদ ৪৪০৭

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا ابن إدريس، عن عبيد الله بن عمر، قال قال نافع حدثت بهذا الحديث، عمر بن عبد العزيز فقال إن هذا الحد بين الصغير والكبير ‏.‏

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নাফি’ (রহঃ) বলেছেন, আমি এই হাদীস ‘উমার ইবনু ‘আবদুর আযীয (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এই বয়সটাই নাবালেগ ও সাবালেগের মধ্যেকার সীমারেখা।

‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নাফি’ (রহঃ) বলেছেন, আমি এই হাদীস ‘উমার ইবনু ‘আবদুর আযীয (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এই বয়সটাই নাবালেগ ও সাবালেগের মধ্যেকার সীমারেখা।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا ابن إدريس، عن عبيد الله بن عمر، قال قال نافع حدثت بهذا الحديث، عمر بن عبد العزيز فقال إن هذا الحد بين الصغير والكبير ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪৪০৬

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم عرضه يوم أحد وهو ابن أربع عشرة سنة فلم يجزه وعرضه يوم الخندق وهو ابن خمس عشرة سنة فأجازه ‏.

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের সময় তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হাযির করা হয়। তখন তিনি চৌদ্দ বছরের বালক ছিলেন। তিনি তাকে অনুমতি দেননি। আবার খন্দক যুদ্ধের সময়ও তাকে হাযির করা হয়। তখন তিনি ছিলেন পনেরো বছরের তরুন। তখন তিনি তাকে (যুদ্ধ করার) অনুমতি দেন।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের সময় তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হাযির করা হয়। তখন তিনি চৌদ্দ বছরের বালক ছিলেন। তিনি তাকে অনুমতি দেননি। আবার খন্দক যুদ্ধের সময়ও তাকে হাযির করা হয়। তখন তিনি ছিলেন পনেরো বছরের তরুন। তখন তিনি তাকে (যুদ্ধ করার) অনুমতি দেন।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال أخبرني نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم عرضه يوم أحد وهو ابن أربع عشرة سنة فلم يجزه وعرضه يوم الخندق وهو ابن خمس عشرة سنة فأجازه ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪০৪

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا عبد الملك بن عمير، حدثني عطية القرظي، قال كنت من سبى بني قريظة فكانوا ينظرون فمن أنبت الشعر قتل ومن لم ينبت لم يقتل فكنت فيمن لم ينبت ‏.

‘আত্বিয়্যাহ আল-কুরাযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বনু কুরাইযার বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। তারা দেখতো, যার নাভীর নীচে চুল উঠেছে, তাকে হত্যা করা হতো; আর যার উঠেনি, তাকে হত্যা করা হতো না। আর আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। যাদের তা উঠেনি।

‘আত্বিয়্যাহ আল-কুরাযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বনু কুরাইযার বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। তারা দেখতো, যার নাভীর নীচে চুল উঠেছে, তাকে হত্যা করা হতো; আর যার উঠেনি, তাকে হত্যা করা হতো না। আর আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। যাদের তা উঠেনি।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا عبد الملك بن عمير، حدثني عطية القرظي، قال كنت من سبى بني قريظة فكانوا ينظرون فمن أنبت الشعر قتل ومن لم ينبت لم يقتل فكنت فيمن لم ينبت ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৪৪০৫

حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، بهذا الحديث قال فكشفوا عانتي فوجدوها لم تنبت فجعلوني في السبى ‏.‏

‘আবদুল মালিক ইবনু উমাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আত্বিয়্যাহ (রাঃ) বলেন, তারা (মুসলিমরা) আমার নাভীর নীচ্ অনাবৃত করে দেখলো যে, চুল উঠেনি। সুতরাং তারা আমাকে বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত করলো।

‘আবদুল মালিক ইবনু উমাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আত্বিয়্যাহ (রাঃ) বলেন, তারা (মুসলিমরা) আমার নাভীর নীচ্ অনাবৃত করে দেখলো যে, চুল উঠেনি। সুতরাং তারা আমাকে বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত করলো।

حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، بهذا الحديث قال فكشفوا عانتي فوجدوها لم تنبت فجعلوني في السبى ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যুদ্ধের সময় চুরি করলে হাত কাটা প্রসঙ্গে

সুনানে আবু দাউদ ৪৪০৮

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني حيوة بن شريح، عن عياش بن عباس القتباني، عن شييم بن بيتان، ويزيد بن صبح الأصبحي، عن جنادة بن أبي أمية، قال كنا مع بسر بن أرطاة في البحر فأتي بسارق يقال له مصدر قد سرق بختية فقال قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا تقطع الأيدي في السفر ‏"‏ ‏.‏ ولولا ذلك لقطعته ‏.

জুনাদাহ ইবনু আবূ উমাইয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বুসর ইবনু আরত্বাত (রাঃ)-এর সাথে নৌযুদ্ধে ছিলাম। এ সময় মিসদার নামক এক চোরকে ধরে তার নিকট হাযির করা হলো। সে একটি উষ্ট্রী চুরি করেছিলো। তিনি বললেন, আমি রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: সফরে হাত কাটা যাবে না। অন্যথায় আমি অবশ্যই এর হাত কেটে দিতাম।

জুনাদাহ ইবনু আবূ উমাইয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা বুসর ইবনু আরত্বাত (রাঃ)-এর সাথে নৌযুদ্ধে ছিলাম। এ সময় মিসদার নামক এক চোরকে ধরে তার নিকট হাযির করা হলো। সে একটি উষ্ট্রী চুরি করেছিলো। তিনি বললেন, আমি রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: সফরে হাত কাটা যাবে না। অন্যথায় আমি অবশ্যই এর হাত কেটে দিতাম।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني حيوة بن شريح، عن عياش بن عباس القتباني، عن شييم بن بيتان، ويزيد بن صبح الأصبحي، عن جنادة بن أبي أمية، قال كنا مع بسر بن أرطاة في البحر فأتي بسارق يقال له مصدر قد سرق بختية فقال قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا تقطع الأيدي في السفر ‏"‏ ‏.‏ ولولا ذلك لقطعته ‏.


সুনানে আবু দাউদ > কাফন চোরের হাত কাটা সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৪৪০৯

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن أبي عمران، عن المشعث بن طريف، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏ ‏.‏ قلت لبيك يا رسول الله وسعديك ‏.‏ فقال ‏"‏ كيف أنت إذا أصاب الناس موت يكون البيت فيه بالوصيف ‏"‏ ‏.‏ يعني القبر ‏.‏ قلت الله ورسوله أعلم أو ما خار الله لي ورسوله ‏.‏ قال ‏"‏ عليك بالصبر ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ تصبر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود قال حماد بن أبي سليمان يقطع النباش لأنه دخل على الميت بيته ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে বললেন, হে আবূ যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার সৌভাগ্যপূর্ণ দরবারে উপস্হিত। তিনি বললেনঃতুমি কি করবে যখন মানুষ মৃতুমুখে পতিত হবে এবং তখন একটি ঘর অর্থাৎ কবরের ক্রয়মূল্য হবে একটি ক্রীতদাসের মূল্যের সমান? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন অথবা আল্লাহ ও তাঁর রাসুল আমার জন্য যা পছন্দ করেন। তিনি বললেনঃতুমি তখন ধৈর্য ধরবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাম্মান ইবনু আবূ সুলাইমান বলেছেন, কাফন চোরের হাত কাটতে হবে; কেননা সে মৃত ব্যাক্তির ঘরে হানা দেয়।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে ডেকে বললেন, হে আবূ যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনার সৌভাগ্যপূর্ণ দরবারে উপস্হিত। তিনি বললেনঃতুমি কি করবে যখন মানুষ মৃতুমুখে পতিত হবে এবং তখন একটি ঘর অর্থাৎ কবরের ক্রয়মূল্য হবে একটি ক্রীতদাসের মূল্যের সমান? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন অথবা আল্লাহ ও তাঁর রাসুল আমার জন্য যা পছন্দ করেন। তিনি বললেনঃতুমি তখন ধৈর্য ধরবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাম্মান ইবনু আবূ সুলাইমান বলেছেন, কাফন চোরের হাত কাটতে হবে; কেননা সে মৃত ব্যাক্তির ঘরে হানা দেয়।

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن أبي عمران، عن المشعث بن طريف، عن عبد الله بن الصامت، عن أبي ذر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا أبا ذر ‏"‏ ‏.‏ قلت لبيك يا رسول الله وسعديك ‏.‏ فقال ‏"‏ كيف أنت إذا أصاب الناس موت يكون البيت فيه بالوصيف ‏"‏ ‏.‏ يعني القبر ‏.‏ قلت الله ورسوله أعلم أو ما خار الله لي ورسوله ‏.‏ قال ‏"‏ عليك بالصبر ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ تصبر ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود قال حماد بن أبي سليمان يقطع النباش لأنه دخل على الميت بيته ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00