সুনানে আবু দাউদ > যেসব বস্তু চুরির দায়ে হাত কাটা যায় না
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৮৮
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك بن أنس، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن يحيى بن حبان، أن عبدا، سرق وديا من حائط رجل فغرسه في حائط سيده فخرج صاحب الودي يلتمس وديه فوجده فاستعدى على العبد مروان بن الحكم وهو أمير المدينة يومئذ فسجن مروان العبد وأراد قطع يده فانطلق سيد العبد إلى رافع بن خديج فسأله عن ذلك فأخبره أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا قطع في ثمر ولا كثر " . فقال الرجل إن مروان أخذ غلامي وهو يريد قطع يده وأنا أحب أن تمشي معي إليه فتخبره بالذي سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فمشى معه رافع بن خديج حتى أتى مروان بن الحكم فقال له رافع سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا قطع في ثمر ولا كثر " . فأمر مروان بالعبد فأرسل . قال أبو داود الكثر الجمار .
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হাব্বান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক গোলাম এক ব্যক্তির বাগান হতে খেজুরের চারা চুরি করে এনে তার মনিবের বাগানে রোপন করে। চারা গাছের মালিক তা খুজঁতে খুজঁতে পেয়ে যায় এবং ওই গোলামের ব্যাপারে তৎকালীন মাদীনাহর গভর্নর মারওয়ান ইবনুল হাকামের কাছের বিচার প্রার্থী হয়। মারওয়ান গোলামটিকে বন্দী করে রাখেন এবং তার হাত কাটতে মনস্হ করেন। অতঃপর গোলামটির মনিব রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)-র নিকট গিয়ে এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি তার নিকট বর্ণনা করেন যে তিনি, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: ফল আর খেজুরের চারা চুরির অপরাধে হাত কাটা যাবে না। লোকটি বললো, মারওয়ান তো আমার গোলাম কে ধরে রেখেছেন আর তার হাত কাটতে চাচ্ছেন। আমি চাই, আপনি আমার সাথে তার নিকট গিয়ে, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এই ব্যাপারে যা শুনেছেন তা তাকে জানাবেন। অতঃপর রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) তার সঙ্গে মারওয়ান ইবনুল হাকামের নিকট গিয়ে বলেন, আমি রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেতে শুনেছি: ‘ফল আর খেজুরের চারা চুরির অপরাধে হাত কাটা যাবে না’। অতঃপর মারওয়ানের আদেশে গোলামটিকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হাব্বান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক গোলাম এক ব্যক্তির বাগান হতে খেজুরের চারা চুরি করে এনে তার মনিবের বাগানে রোপন করে। চারা গাছের মালিক তা খুজঁতে খুজঁতে পেয়ে যায় এবং ওই গোলামের ব্যাপারে তৎকালীন মাদীনাহর গভর্নর মারওয়ান ইবনুল হাকামের কাছের বিচার প্রার্থী হয়। মারওয়ান গোলামটিকে বন্দী করে রাখেন এবং তার হাত কাটতে মনস্হ করেন। অতঃপর গোলামটির মনিব রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ)-র নিকট গিয়ে এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি তার নিকট বর্ণনা করেন যে তিনি, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: ফল আর খেজুরের চারা চুরির অপরাধে হাত কাটা যাবে না। লোকটি বললো, মারওয়ান তো আমার গোলাম কে ধরে রেখেছেন আর তার হাত কাটতে চাচ্ছেন। আমি চাই, আপনি আমার সাথে তার নিকট গিয়ে, রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এই ব্যাপারে যা শুনেছেন তা তাকে জানাবেন। অতঃপর রাফি’ ইবনু খাদীজ (রাঃ) তার সঙ্গে মারওয়ান ইবনুল হাকামের নিকট গিয়ে বলেন, আমি রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেতে শুনেছি: ‘ফল আর খেজুরের চারা চুরির অপরাধে হাত কাটা যাবে না’। অতঃপর মারওয়ানের আদেশে গোলামটিকে ছেড়ে দেয়া হয়।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك بن أنس، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن يحيى بن حبان، أن عبدا، سرق وديا من حائط رجل فغرسه في حائط سيده فخرج صاحب الودي يلتمس وديه فوجده فاستعدى على العبد مروان بن الحكم وهو أمير المدينة يومئذ فسجن مروان العبد وأراد قطع يده فانطلق سيد العبد إلى رافع بن خديج فسأله عن ذلك فأخبره أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا قطع في ثمر ولا كثر " . فقال الرجل إن مروان أخذ غلامي وهو يريد قطع يده وأنا أحب أن تمشي معي إليه فتخبره بالذي سمعت من رسول الله صلى الله عليه وسلم فمشى معه رافع بن خديج حتى أتى مروان بن الحكم فقال له رافع سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا قطع في ثمر ولا كثر " . فأمر مروان بالعبد فأرسل . قال أبو داود الكثر الجمار .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৮৯
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد، حدثنا يحيى، عن محمد بن يحيى بن حبان، بهذا الحديث قال فجلده مروان جلدات وخلى سبيله .
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহিয়া ইবনু হাব্বান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহিয়া ইবনু হাব্বান (রাঃ) বলেন, মারওয়ান তাকে কয়েকটি বেত্রাঘাত করে ছেরে দেন।
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহিয়া ইবনু হাব্বান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহিয়া ইবনু হাব্বান (রাঃ) বলেন, মারওয়ান তাকে কয়েকটি বেত্রাঘাত করে ছেরে দেন।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد، حدثنا يحيى، عن محمد بن يحيى بن حبان، بهذا الحديث قال فجلده مروان جلدات وخلى سبيله .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده عبد الله بن عمرو بن العاص، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الثمر المعلق فقال " من أصاب بفيه من ذي حاجة غير متخذ خبنة فلا شىء عليه ومن خرج بشىء منه فعليه غرامة مثليه والعقوبة ومن سرق منه شيئا بعد أن يئويه الجرين فبلغ ثمن المجن فعليه القطع ومن سرق دون ذلك فعليه غرامة مثليه والعقوبة " . قال أبو داود الجرين الجوخان .
‘আমর ইবনু শু’আইব (রাঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গাছে ঝুলন্ত ফল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন: কোনো ক্ষুধার্ত লোক তা খেলে এবং কাপরে বেধেঁ নিয়ে না গেলে তার কোনো অপরাধ নাই। কিন্তু কেউ যদি কাপড়ে বেধেঁ তা হতে কিছু নিয়ে যায় তবে তাকে এর দ্বিগুন জরিমানা দিতে হবে এবং শাস্তিও ভোগ করতে হবে। আর কেউ যদি এমন স্হান হতে তা চুরি করে, যেখানে ফল শুকানোর জন্য রাখা হয়েছে, আর চুরিকৃত ফলের মূল্য একটি বর্মের মূল্যর সমপরিমান হয় , তবে আর হাত কাটা যাবে। কেউ উপরোক্ত মূল্যর কম পরিমান চুরি করলে তাকে দ্বিগুন জরিমানা করা হবে এবং তাকে শাস্তিও দেয়া হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খেজুর শুকানোর স্হানকে ‘জারীন’ বলা হয়।
‘আমর ইবনু শু’আইব (রাঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গাছে ঝুলন্ত ফল সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন: কোনো ক্ষুধার্ত লোক তা খেলে এবং কাপরে বেধেঁ নিয়ে না গেলে তার কোনো অপরাধ নাই। কিন্তু কেউ যদি কাপড়ে বেধেঁ তা হতে কিছু নিয়ে যায় তবে তাকে এর দ্বিগুন জরিমানা দিতে হবে এবং শাস্তিও ভোগ করতে হবে। আর কেউ যদি এমন স্হান হতে তা চুরি করে, যেখানে ফল শুকানোর জন্য রাখা হয়েছে, আর চুরিকৃত ফলের মূল্য একটি বর্মের মূল্যর সমপরিমান হয় , তবে আর হাত কাটা যাবে। কেউ উপরোক্ত মূল্যর কম পরিমান চুরি করলে তাকে দ্বিগুন জরিমানা করা হবে এবং তাকে শাস্তিও দেয়া হবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খেজুর শুকানোর স্হানকে ‘জারীন’ বলা হয়।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده عبد الله بن عمرو بن العاص، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الثمر المعلق فقال " من أصاب بفيه من ذي حاجة غير متخذ خبنة فلا شىء عليه ومن خرج بشىء منه فعليه غرامة مثليه والعقوبة ومن سرق منه شيئا بعد أن يئويه الجرين فبلغ ثمن المجن فعليه القطع ومن سرق دون ذلك فعليه غرامة مثليه والعقوبة " . قال أبو داود الجرين الجوخان .
সুনানে আবু দাউদ > ছিনতাই ও প্রতারনার অপরাধে হাত কাটা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯১
حدثنا نصر بن علي، أخبرنا محمد بن بكر، حدثنا ابن جريج، قال قال أبو الزبير قال جابر بن عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على المنتهب قطع ومن انتهب نهبة مشهورة فليس منا " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: লুন্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না। যে ব্যাক্তি দিবালোকে লুন্ঠন করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: লুন্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না। যে ব্যাক্তি দিবালোকে লুন্ঠন করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
حدثنا نصر بن علي، أخبرنا محمد بن بكر، حدثنا ابن جريج، قال قال أبو الزبير قال جابر بن عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على المنتهب قطع ومن انتهب نهبة مشهورة فليس منا " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯২
وبهذا الإسناد قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على الخائن قطع " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: প্রতারকের হাত কাটা যাবে না।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: প্রতারকের হাত কাটা যাবে না।
وبهذا الإسناد قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على الخائن قطع " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯৩
حدثنا نصر بن علي، أخبرنا عيسى بن يونس، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله زاد " ولا على المختلس قطع " . قال أبو داود هذان الحديثان لم يسمعهما ابن جريج من أبي الزبير وبلغني عن أحمد بن حنبل أنه قال إنما سمعهما ابن جريج من ياسين الزيات . قال أبو داود وقد رواهما المغيرة بن مسلم عن أبي الزبير عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে অনুরুপ হাদীস বর্ণিত। তাতে আরো রয়েছে: লুন্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু জুরাইজ উপরোক্ত হাদীসদ্বয় আবূস-যুবাইর হতে শোনেননি। আমি আ্হমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) হতে জেনেছি। তিনি বলেছেন, ইবনু জুরাইজ উপরোক্ত হাদীসদ্বয় ইয়াসীন আয-যাইয়াতের কাছে শুনেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মুগীরাহ ইবনু মুসলিম হাদীসদ্বয় আবূ যুবাইর (রাঃ) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে অনুরুপ হাদীস বর্ণিত। তাতে আরো রয়েছে: লুন্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু জুরাইজ উপরোক্ত হাদীসদ্বয় আবূস-যুবাইর হতে শোনেননি। আমি আ্হমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) হতে জেনেছি। তিনি বলেছেন, ইবনু জুরাইজ উপরোক্ত হাদীসদ্বয় ইয়াসীন আয-যাইয়াতের কাছে শুনেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মুগীরাহ ইবনু মুসলিম হাদীসদ্বয় আবূ যুবাইর (রাঃ) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا نصر بن علي، أخبرنا عيسى بن يونس، عن ابن جريج، عن أبي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله زاد " ولا على المختلس قطع " . قال أبو داود هذان الحديثان لم يسمعهما ابن جريج من أبي الزبير وبلغني عن أحمد بن حنبل أنه قال إنما سمعهما ابن جريج من ياسين الزيات . قال أبو داود وقد رواهما المغيرة بن مسلم عن أبي الزبير عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ > যে নিরাপদে সংরক্ষিত স্হান থেকে চুরি করে
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯৪
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عمرو بن حماد بن طلحة، حدثنا أسباط، عن سماك بن حرب، عن حميد ابن أخت، صفوان عن صفوان بن أمية، قال كنت نائما في المسجد على خميصة لي ثمن ثلاثين درهما فجاء رجل فاختلسها مني فأخذ الرجل فأتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر به ليقطع . قال فأتيته فقلت أنقطعه من أجل ثلاثين درهما أنا أبيعه وأنسئه ثمنها قال " فهلا كان هذا قبل أن تأتيني به " . قال أبو داود ورواه زائدة عن سماك عن جعيد بن جحير قال نام صفوان . ورواه مجاهد وطاوس أنه كان نائما فجاء سارق فسرق خميصة من تحت رأسه . ورواه أبو سلمة بن عبد الرحمن قال فاستله من تحت رأسه فاستيقظ فصاح به فأخذ . ورواه الزهري عن صفوان بن عبد الله قال فنام في المسجد وتوسد رداءه فجاءه سارق فأخذ رداءه فأخذ السارق فجيء به إلى النبي صلى الله عليه وسلم .
সাফওয়ান ইবনু ‘উমাইয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি তিরিশ দিরহাম মূল্যর আমার একটি চাদরে মাসজিদে ঘুমিয়েছিলাম। অতঃপর এক ব্যাক্তি এসে আমার কাছ থেকে সেটা টেনে নিয়ে যায়। তাকে হাতেনাতে ধরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট নিয়ে আসা হলে তিনি তার হাত কাটার আদেশ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাঁর নিকট হাজির হয়ে বললাম, মাত্র ত্রিশটি দিরহামের কারনে আপনি তার হাত কাটাবেন? আমি তার নিকট এটা বাকীতে বিক্রি করছি। তিনি বললেন, তুমি তাকে আমার নিকট নিয়ে আসার পূর্বে তা করলে না কেনো? ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যায়িদাহ সিমাকের সূত্রে জুআইদ ইবনু হুযাইর হতে এই হাদীস বর্ণনা করে বলেন, সাফওয়ান ঘুমিয়েছিলেন। তাউস ও মুজাহিদ এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, তিনি ঘুমন্ত ছিলেন। চোর এসে তার মাথার নীচ হতে চাদরটি চুরি করে নিয়ে যায়। আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রা্হমান’ এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, চোরটি তার মাথার নীচ হতে চাদরটি টান দিয়ে নিয়ে যায়। তিনি জাগ্রত হয়ে চিৎকার দেন এবং তাকে ধরে ফেলা হয়। যুহরী (রহঃ) সাফওয়ান ইবনু ‘আবদুল্লাহ হতে বর্ণনা করে বলেন, তার চাদরটাকে তিনি বালিশ বানিয়ে মাথার নিচে রেখে মাসজিদে ঘুমান। এ সময় চোর এসে তার চাদরটা হস্তগত করে। তিনি তাকে ধরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট নিয়ে আসেন।
সাফওয়ান ইবনু ‘উমাইয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি তিরিশ দিরহাম মূল্যর আমার একটি চাদরে মাসজিদে ঘুমিয়েছিলাম। অতঃপর এক ব্যাক্তি এসে আমার কাছ থেকে সেটা টেনে নিয়ে যায়। তাকে হাতেনাতে ধরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট নিয়ে আসা হলে তিনি তার হাত কাটার আদেশ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাঁর নিকট হাজির হয়ে বললাম, মাত্র ত্রিশটি দিরহামের কারনে আপনি তার হাত কাটাবেন? আমি তার নিকট এটা বাকীতে বিক্রি করছি। তিনি বললেন, তুমি তাকে আমার নিকট নিয়ে আসার পূর্বে তা করলে না কেনো? ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যায়িদাহ সিমাকের সূত্রে জুআইদ ইবনু হুযাইর হতে এই হাদীস বর্ণনা করে বলেন, সাফওয়ান ঘুমিয়েছিলেন। তাউস ও মুজাহিদ এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, তিনি ঘুমন্ত ছিলেন। চোর এসে তার মাথার নীচ হতে চাদরটি চুরি করে নিয়ে যায়। আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রা্হমান’ এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, চোরটি তার মাথার নীচ হতে চাদরটি টান দিয়ে নিয়ে যায়। তিনি জাগ্রত হয়ে চিৎকার দেন এবং তাকে ধরে ফেলা হয়। যুহরী (রহঃ) সাফওয়ান ইবনু ‘আবদুল্লাহ হতে বর্ণনা করে বলেন, তার চাদরটাকে তিনি বালিশ বানিয়ে মাথার নিচে রেখে মাসজিদে ঘুমান। এ সময় চোর এসে তার চাদরটা হস্তগত করে। তিনি তাকে ধরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট নিয়ে আসেন।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عمرو بن حماد بن طلحة، حدثنا أسباط، عن سماك بن حرب، عن حميد ابن أخت، صفوان عن صفوان بن أمية، قال كنت نائما في المسجد على خميصة لي ثمن ثلاثين درهما فجاء رجل فاختلسها مني فأخذ الرجل فأتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر به ليقطع . قال فأتيته فقلت أنقطعه من أجل ثلاثين درهما أنا أبيعه وأنسئه ثمنها قال " فهلا كان هذا قبل أن تأتيني به " . قال أبو داود ورواه زائدة عن سماك عن جعيد بن جحير قال نام صفوان . ورواه مجاهد وطاوس أنه كان نائما فجاء سارق فسرق خميصة من تحت رأسه . ورواه أبو سلمة بن عبد الرحمن قال فاستله من تحت رأسه فاستيقظ فصاح به فأخذ . ورواه الزهري عن صفوان بن عبد الله قال فنام في المسجد وتوسد رداءه فجاءه سارق فأخذ رداءه فأخذ السارق فجيء به إلى النبي صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ > ঋণ গ্রহনের পর তা অস্বীকার করলে হাত কাটা প্রসঙ্গে
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯৫
حدثنا الحسن بن علي، ومخلد بن خالد، - المعنى - قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، - قال مخلد عن معمر، - عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، أن امرأة، مخزومية كانت تستعير المتاع وتجحده فأمر النبي صلى الله عليه وسلم بها فقطعت يدها . قال أبو داود رواه جويرية عن نافع عن ابن عمر أو عن صفية بنت أبي عبيد زاد فيه وأن النبي صلى الله عليه وسلم قام خطيبا فقال " هل من امرأة تائبة إلى الله عز وجل ورسوله " . ثلاث مرات وتلك شاهدة فلم تقم ولم تتكلم . قال أبو داود ورواه ابن غنج عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد قال فيه فشهد عليها .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈকা মাখযুমী মহিলা বিভিন্ন জিনিস ধার নিয়ে পরে তা অস্বীকার করতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশে তার হাত কেটে দেয়া হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, জুয়াইরিয়া, নাফি’ হতে ইবনু ‘উমার অথবা সাফিয়্যাহ বিনতু আবূ ‘উবাইদ সূত্রে আরো বর্ণনা করেন: নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষন দিতে দাড়িঁয়ে বলেন: এমন কোনো মহিলা আছে কি যে আল্লাহ ও তার রাসুলের নিকট তাওবাহ করবে? একথা তিনি তিনবার বলেন। তখন ঐ মহিলাটি সেখানে উপস্হিত ছিলো; কিন্তু সে দাঁড়ায়নি এবং কথাও বলেনি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু গানাজ নাফি’র সূত্রে সাফিয়্যাহ বিনতু আবূ ‘উবাইদ সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, মহিলাটির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়া হয়।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈকা মাখযুমী মহিলা বিভিন্ন জিনিস ধার নিয়ে পরে তা অস্বীকার করতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নির্দেশে তার হাত কেটে দেয়া হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, জুয়াইরিয়া, নাফি’ হতে ইবনু ‘উমার অথবা সাফিয়্যাহ বিনতু আবূ ‘উবাইদ সূত্রে আরো বর্ণনা করেন: নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাষন দিতে দাড়িঁয়ে বলেন: এমন কোনো মহিলা আছে কি যে আল্লাহ ও তার রাসুলের নিকট তাওবাহ করবে? একথা তিনি তিনবার বলেন। তখন ঐ মহিলাটি সেখানে উপস্হিত ছিলো; কিন্তু সে দাঁড়ায়নি এবং কথাও বলেনি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু গানাজ নাফি’র সূত্রে সাফিয়্যাহ বিনতু আবূ ‘উবাইদ সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, মহিলাটির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়া হয়।
حدثنا الحسن بن علي، ومخلد بن خالد، - المعنى - قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، - قال مخلد عن معمر، - عن أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، أن امرأة، مخزومية كانت تستعير المتاع وتجحده فأمر النبي صلى الله عليه وسلم بها فقطعت يدها . قال أبو داود رواه جويرية عن نافع عن ابن عمر أو عن صفية بنت أبي عبيد زاد فيه وأن النبي صلى الله عليه وسلم قام خطيبا فقال " هل من امرأة تائبة إلى الله عز وجل ورسوله " . ثلاث مرات وتلك شاهدة فلم تقم ولم تتكلم . قال أبو داود ورواه ابن غنج عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد قال فيه فشهد عليها .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯৭
حدثنا عباس بن عبد العظيم، ومحمد بن يحيى، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت كانت امرأة مخزومية تستعير المتاع وتجحده فأمر النبي صلى الله عليه وسلم بقطع يدها وقص نحو حديث قتيبة عن الليث عن ابن شهاب زاد فقطع النبي صلى الله عليه وسلم يدها .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাখযুম গোত্রের এক মহিলা জিনিসপত্র ধার নেয়ার পর তা অস্বীকার করতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত কাটতে নির্দেশ দেন। ইবনু শিহাব হতে বর্ণিত এই হাদীসে আরো আছে: অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত কেটে দেন।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাখযুম গোত্রের এক মহিলা জিনিসপত্র ধার নেয়ার পর তা অস্বীকার করতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত কাটতে নির্দেশ দেন। ইবনু শিহাব হতে বর্ণিত এই হাদীসে আরো আছে: অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার হাত কেটে দেন।
حدثنا عباس بن عبد العظيم، ومحمد بن يحيى، قالا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت كانت امرأة مخزومية تستعير المتاع وتجحده فأمر النبي صلى الله عليه وسلم بقطع يدها وقص نحو حديث قتيبة عن الليث عن ابن شهاب زاد فقطع النبي صلى الله عليه وسلم يدها .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৯৬
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا أبو صالح، عن الليث، قال حدثني يونس، عن ابن شهاب، قال كان عروة يحدث أن عائشة رضى الله عنها قالت استعارت امرأة - تعني - حليا على ألسنة أناس يعرفون ولا تعرف هي فباعته فأخذت فأتي بها النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بقطع يدها وهي التي شفع فيها أسامة بن زيد وقال فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما قال .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক অপরিচিত মহিলা কিছু পরিচিত লোকের নামে অলংকার ধার নেয়। অতঃপর সে এগুলো বিক্রি করে দেয়। তাকে ধরে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হাজির করা হয়। তিনি তার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। এ সেই মহিলা যার জন্য উসামা্হ ইবনু যায়িদ (রাঃ) সুপারিশ করেছিলেন। আর রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ব্যাপারে যা বলার বলেছিলেন।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক অপরিচিত মহিলা কিছু পরিচিত লোকের নামে অলংকার ধার নেয়। অতঃপর সে এগুলো বিক্রি করে দেয়। তাকে ধরে নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট হাজির করা হয়। তিনি তার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। এ সেই মহিলা যার জন্য উসামা্হ ইবনু যায়িদ (রাঃ) সুপারিশ করেছিলেন। আর রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ব্যাপারে যা বলার বলেছিলেন।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا أبو صالح، عن الليث، قال حدثني يونس، عن ابن شهاب، قال كان عروة يحدث أن عائشة رضى الله عنها قالت استعارت امرأة - تعني - حليا على ألسنة أناس يعرفون ولا تعرف هي فباعته فأخذت فأتي بها النبي صلى الله عليه وسلم فأمر بقطع يدها وهي التي شفع فيها أسامة بن زيد وقال فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما قال .