সুনানে আবু দাউদ > ফুরাতের খনিজ সম্পদ উন্মুক্ত হওয়া সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৩১৩
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثني عقبة بن خالد السكوني، حدثنا عبيد الله، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوشك الفرات أن يحسر عن كنز من ذهب فمن حضره فلا يأخذ منه شيئا " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই ফুরাত নদী স্বর্ণের খনি উন্মুক্ত করবে। অতএব যে কেউ সেখানে উপস্থিত থাকবে সে যেন তা হতে কিছুই গ্রহণ না করে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই ফুরাত নদী স্বর্ণের খনি উন্মুক্ত করবে। অতএব যে কেউ সেখানে উপস্থিত থাকবে সে যেন তা হতে কিছুই গ্রহণ না করে।
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثني عقبة بن خالد السكوني، حدثنا عبيد الله، عن خبيب بن عبد الرحمن، عن حفص بن عاصم، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوشك الفرات أن يحسر عن كنز من ذهب فمن حضره فلا يأخذ منه شيئا " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩১৪
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثني عقبة، - يعني ابن خالد - حدثني عبيد الله، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله إلا أنه قال " يحسر عن جبل من ذهب " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেনঃ ফুরাত নদী স্বর্ণের পাহাড় উন্মুক্ত করবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি বলেনঃ ফুরাত নদী স্বর্ণের পাহাড় উন্মুক্ত করবে।
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثني عقبة، - يعني ابن خالد - حدثني عبيد الله، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله إلا أنه قال " يحسر عن جبل من ذهب " .
সুনানে আবু দাউদ > দাজ্জালের আবির্ভাব সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২৪
حدثنا هدبة بن خالد، حدثنا همام بن يحيى، عن قتادة، عن عبد الرحمن بن آدم، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس بيني وبينه نبي - يعني عيسى - وإنه نازل فإذا رأيتموه فاعرفوه رجل مربوع إلى الحمرة والبياض بين ممصرتين كأن رأسه يقطر وإن لم يصبه بلل فيقاتل الناس على الإسلام فيدق الصليب ويقتل الخنزير ويضع الجزية ويهلك الله في زمانه الملل كلها إلا الإسلام ويهلك المسيح الدجال فيمكث في الأرض أربعين سنة ثم يتوفى فيصلي عليه المسلمون " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার ও তাঁর অর্থাৎ ঈসা (আঃ) এর মাঝে কোন নবী নেই। আর তিনি তো অবতরণ করবেন। তোমরা তাঁকে দেখে এভাবে চিনতে পারবে যে, তিনি মাঝারি উচ্চতার, লাল-সাদা ও গেরুয়া রঙের মাঝামাঝি অর্থাৎ দুধে আল্তা তাঁর দেহের রং হবে এবং তাঁর মাথার চুল ভিজা না থাকলেও মনে হবে চুল হতে যেন বিন্দু বিন্দু পানি টপকাচ্ছে। তিনি ইসলামের জন্য মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর নিধন করবেন ও জিযিয়া রহিত করবেন। তিনি তাঁর যুগে ইসলাম ছাড়া সকল ধর্ম বিলুপ্ত করবেন এবং মাসীহ দাজ্জালকে হত্যা করবেন। তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন, অতঃপর মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাযা পড়বে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমার ও তাঁর অর্থাৎ ঈসা (আঃ) এর মাঝে কোন নবী নেই। আর তিনি তো অবতরণ করবেন। তোমরা তাঁকে দেখে এভাবে চিনতে পারবে যে, তিনি মাঝারি উচ্চতার, লাল-সাদা ও গেরুয়া রঙের মাঝামাঝি অর্থাৎ দুধে আল্তা তাঁর দেহের রং হবে এবং তাঁর মাথার চুল ভিজা না থাকলেও মনে হবে চুল হতে যেন বিন্দু বিন্দু পানি টপকাচ্ছে। তিনি ইসলামের জন্য মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর নিধন করবেন ও জিযিয়া রহিত করবেন। তিনি তাঁর যুগে ইসলাম ছাড়া সকল ধর্ম বিলুপ্ত করবেন এবং মাসীহ দাজ্জালকে হত্যা করবেন। তিনি পৃথিবীতে চল্লিশ বছর অবস্থান করবেন, অতঃপর মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুসলিমরা তাঁর জানাযা পড়বে।
حدثنا هدبة بن خالد، حدثنا همام بن يحيى، عن قتادة، عن عبد الرحمن بن آدم، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ليس بيني وبينه نبي - يعني عيسى - وإنه نازل فإذا رأيتموه فاعرفوه رجل مربوع إلى الحمرة والبياض بين ممصرتين كأن رأسه يقطر وإن لم يصبه بلل فيقاتل الناس على الإسلام فيدق الصليب ويقتل الخنزير ويضع الجزية ويهلك الله في زمانه الملل كلها إلا الإسلام ويهلك المسيح الدجال فيمكث في الأرض أربعين سنة ثم يتوفى فيصلي عليه المسلمون " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩১৫
حدثنا الحسن بن عمرو، حدثنا جرير، عن منصور، عن ربعي بن حراش، قال اجتمع حذيفة وأبو مسعود فقال حذيفة لأنا بما مع الدجال أعلم منه إن معه بحرا من ماء ونهرا من نار فالذي ترون أنه نار ماء والذي ترون أنه ماء نار فمن أدرك ذلك منكم فأراد الماء فليشرب من الذي يرى أنه نار فإنه سيجده ماء . قال أبو مسعود البدري هكذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول .
রিবঈ’ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফাহ ও আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) একত্র হলে হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, দাজ্জালের সঙ্গে যা কিছু থাকবে, এ সম্বন্ধে আমি অবশ্যই তার চেয়ে ভাল জানি। নিশ্চয়ই তার সঙ্গে থাকবে পানির নহর ও আগুনের কুণ্ড। অতঃপর তোমরা যেটাকে দেখবে আগুন, মূলত সেটা পানি আর যেটাকে দেখবে পানি, মূলত সেটা আগুন। যে কেউ এর সাক্ষাত পাবে, সে যেটাকে আগুন দেখবে তা যেন পান করে, তাহলেই সে পানি পাবে। আবূ মাস‘ঊদ আল-বাদ্রী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ বলতে শুনেছি।
রিবঈ’ ইবনু হিরাশ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুযাইফাহ ও আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) একত্র হলে হুযাইফাহ (রাঃ) বললেন, দাজ্জালের সঙ্গে যা কিছু থাকবে, এ সম্বন্ধে আমি অবশ্যই তার চেয়ে ভাল জানি। নিশ্চয়ই তার সঙ্গে থাকবে পানির নহর ও আগুনের কুণ্ড। অতঃপর তোমরা যেটাকে দেখবে আগুন, মূলত সেটা পানি আর যেটাকে দেখবে পানি, মূলত সেটা আগুন। যে কেউ এর সাক্ষাত পাবে, সে যেটাকে আগুন দেখবে তা যেন পান করে, তাহলেই সে পানি পাবে। আবূ মাস‘ঊদ আল-বাদ্রী (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এরূপ বলতে শুনেছি।
حدثنا الحسن بن عمرو، حدثنا جرير، عن منصور، عن ربعي بن حراش، قال اجتمع حذيفة وأبو مسعود فقال حذيفة لأنا بما مع الدجال أعلم منه إن معه بحرا من ماء ونهرا من نار فالذي ترون أنه نار ماء والذي ترون أنه ماء نار فمن أدرك ذلك منكم فأراد الماء فليشرب من الذي يرى أنه نار فإنه سيجده ماء . قال أبو مسعود البدري هكذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩১৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا جرير، حدثنا حميد بن هلال، عن أبي الدهماء، قال سمعت عمران بن حصين، يحدث قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سمع بالدجال فلينأ عنه فوالله إن الرجل ليأتيه وهو يحسب أنه مؤمن فيتبعه مما يبعث به من الشبهات أو لما يبعث به من الشبهات " . هكذا قال .
আবুদ‘-দাহমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ দাজ্জালের আবির্ভাবের কথা শুনলে সে যেন তার থেকে দূরে চলে যায়। আল্লাহর কসম! যে কোন ব্যক্তি তার নিকট এলে সে অবশ্যই মনে করবে যে, সে ইমানদার। অতঃপর সে তার দ্বারা তার মধ্যে জাগরিত সন্দেহপূর্ণ বিষয়ের অনুসরণ করবে। তিনি এরূপই বলেছেন।
আবুদ‘-দাহমা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘ইমরান ইবনুল হুসাইন (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ দাজ্জালের আবির্ভাবের কথা শুনলে সে যেন তার থেকে দূরে চলে যায়। আল্লাহর কসম! যে কোন ব্যক্তি তার নিকট এলে সে অবশ্যই মনে করবে যে, সে ইমানদার। অতঃপর সে তার দ্বারা তার মধ্যে জাগরিত সন্দেহপূর্ণ বিষয়ের অনুসরণ করবে। তিনি এরূপই বলেছেন।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا جرير، حدثنا حميد بن هلال، عن أبي الدهماء، قال سمعت عمران بن حصين، يحدث قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سمع بالدجال فلينأ عنه فوالله إن الرجل ليأتيه وهو يحسب أنه مؤمن فيتبعه مما يبعث به من الشبهات أو لما يبعث به من الشبهات " . هكذا قال .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২০
حدثنا حيوة بن شريح، حدثنا بقية، حدثني بحير، عن خالد بن معدان، عن عمرو بن الأسود، عن جنادة بن أبي أمية، عن عبادة بن الصامت، أنه حدثهم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إني قد حدثتكم عن الدجال حتى خشيت أن لا تعقلوا إن مسيح الدجال رجل قصير أفحج جعد أعور مطموس العين ليس بناتئة ولا جحراء فإن ألبس عليكم فاعلموا أن ربكم ليس بأعور " . قال أبو داود عمرو بن الأسود ولي القضاء .
‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি লোকদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট দাজ্জাল সম্পর্কে বহুবার বর্ণনা করেছি, কারণ আমি আশঙ্কা করছি, তোমরা বুঝতে পারছো কিনা? নিশ্চয়ই মাসীহ দাজ্জাল হবে বেঁটে, মুরগীর পা বিশিষ্ট ও কুঞ্চিত কেশধারী, এক চোখবিশিষ্ট আলোহীন এক চোখধারী যা বাইরের দিকে ফোলাও নয়, আবার কোঠরাগতও নয়। যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে তবে জেনে রাখো, তোমাদের রব কানা নন।
‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি লোকদের নিকট হাদীস বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমি তোমাদের নিকট দাজ্জাল সম্পর্কে বহুবার বর্ণনা করেছি, কারণ আমি আশঙ্কা করছি, তোমরা বুঝতে পারছো কিনা? নিশ্চয়ই মাসীহ দাজ্জাল হবে বেঁটে, মুরগীর পা বিশিষ্ট ও কুঞ্চিত কেশধারী, এক চোখবিশিষ্ট আলোহীন এক চোখধারী যা বাইরের দিকে ফোলাও নয়, আবার কোঠরাগতও নয়। যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে তবে জেনে রাখো, তোমাদের রব কানা নন।
حدثنا حيوة بن شريح، حدثنا بقية، حدثني بحير، عن خالد بن معدان، عن عمرو بن الأسود، عن جنادة بن أبي أمية، عن عبادة بن الصامت، أنه حدثهم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " إني قد حدثتكم عن الدجال حتى خشيت أن لا تعقلوا إن مسيح الدجال رجل قصير أفحج جعد أعور مطموس العين ليس بناتئة ولا جحراء فإن ألبس عليكم فاعلموا أن ربكم ليس بأعور " . قال أبو داود عمرو بن الأسود ولي القضاء .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩১৬
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنس بن مالك، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال " ما بعث نبي إلا قد أنذر أمته الدجال الأعور الكذاب ألا وإنه أعور وإن ربكم ليس بأعور وإن بين عينيه مكتوبا كافر " .
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক প্রেরিত নাবীই তাঁর উম্মাতদের মিথ্যাবাদী কানা দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। জেনে রাখো, সে হবে কানা, আর তোমাদের মহান রব কানা নন। আর তার দু’চোখের মাঝে কাফির লেখা থাকবে।
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক প্রেরিত নাবীই তাঁর উম্মাতদের মিথ্যাবাদী কানা দাজ্জাল সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। জেনে রাখো, সে হবে কানা, আর তোমাদের মহান রব কানা নন। আর তার দু’চোখের মাঝে কাফির লেখা থাকবে।
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت أنس بن مالك، يحدث عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال " ما بعث نبي إلا قد أنذر أمته الدجال الأعور الكذاب ألا وإنه أعور وإن ربكم ليس بأعور وإن بين عينيه مكتوبا كافر " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২১
حدثنا صفوان بن صالح الدمشقي المؤذن، حدثنا الوليد، حدثنا ابن جابر، حدثنا يحيى بن جابر الطائي، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن النواس بن سمعان الكلابي، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدجال فقال " إن يخرج وأنا فيكم فأنا حجيجه دونكم وإن يخرج ولست فيكم فامرؤ حجيج نفسه والله خليفتي على كل مسلم فمن أدركه منكم فليقرأ عليه فواتح سورة الكهف فإنها جواركم من فتنته " . قلنا وما لبثه في الأرض قال " أربعون يوما يوم كسنة ويوم كشهر ويوم كجمعة وسائر أيامه كأيامكم " . فقلنا يا رسول الله هذا اليوم الذي كسنة أتكفينا فيه صلاة يوم وليلة قال " لا اقدروا له قدره ثم ينزل عيسى ابن مريم عند المنارة البيضاء شرقي دمشق فيدركه عند باب لد فيقتله " .
আন-নাওয়াস ইবনু সাম‘আন আল-কিলাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের মাঝে বিদ্যমান থাকতে যদি সে আবির্ভূত হয় তবে তোমাদের পক্ষ হতে আমিই তার প্রতিপক্ষ হবো। আর আমি তোমাদের মাঝে বিদ্যমান না থাকা অবস্থায় যদি সে আবির্ভূত হয় তবে প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজেই তার প্রতিপক্ষ হতে হবে। আর আল্লাহ হবেন প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আমার পক্ষের দায়িত্বশীল। তোমাদের মাঝে যে কেউ তাকে পাবে, সে যেন সূরাহ আল-কাহ্ফের প্রথম কয়েকটি আয়াত পাঠ করে; কেননা এটাই হবে ফিত্বনাহ থেকে তার নিরাপত্তার প্রধান উপায়। আমরা বললাম, সে পৃথিবীতে কতদিন থাকবে? তিনি বললেনঃ চল্লিশ দিন। একদিন হবে এক বছরের সমান, একদিন হবে এক মাসের সমান ও একদিন হবে এক সপ্তাহের সমান, আর বাকি দিনগুলো হবে তোমাদের সাধারণ দিনগুলোর সমান। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! যে দিনটি এক বছরের সমান হবে, সে দিনে এক দিন ও এক রাতের সলাত কি আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেনঃ না, তোমরা অনুমান করে দিনের পরিমাণ নির্ধারণ করে (সলাত পড়বে)। অতঃপর ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) দামেশকের পূর্ব প্রান্তে একটি সাদা মিনারে অবতরণ করবেন এবং ‘লুদ্দ’ নামক স্থানের দ্বারপ্রান্তে দাজ্জালকে নাগালে পাবেন এবং হত্যা করবেন।
আন-নাওয়াস ইবনু সাম‘আন আল-কিলাবী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করলেন। তিনি বলেনঃ আমি তোমাদের মাঝে বিদ্যমান থাকতে যদি সে আবির্ভূত হয় তবে তোমাদের পক্ষ হতে আমিই তার প্রতিপক্ষ হবো। আর আমি তোমাদের মাঝে বিদ্যমান না থাকা অবস্থায় যদি সে আবির্ভূত হয় তবে প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজেই তার প্রতিপক্ষ হতে হবে। আর আল্লাহ হবেন প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আমার পক্ষের দায়িত্বশীল। তোমাদের মাঝে যে কেউ তাকে পাবে, সে যেন সূরাহ আল-কাহ্ফের প্রথম কয়েকটি আয়াত পাঠ করে; কেননা এটাই হবে ফিত্বনাহ থেকে তার নিরাপত্তার প্রধান উপায়। আমরা বললাম, সে পৃথিবীতে কতদিন থাকবে? তিনি বললেনঃ চল্লিশ দিন। একদিন হবে এক বছরের সমান, একদিন হবে এক মাসের সমান ও একদিন হবে এক সপ্তাহের সমান, আর বাকি দিনগুলো হবে তোমাদের সাধারণ দিনগুলোর সমান। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! যে দিনটি এক বছরের সমান হবে, সে দিনে এক দিন ও এক রাতের সলাত কি আমাদের জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেনঃ না, তোমরা অনুমান করে দিনের পরিমাণ নির্ধারণ করে (সলাত পড়বে)। অতঃপর ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ) দামেশকের পূর্ব প্রান্তে একটি সাদা মিনারে অবতরণ করবেন এবং ‘লুদ্দ’ নামক স্থানের দ্বারপ্রান্তে দাজ্জালকে নাগালে পাবেন এবং হত্যা করবেন।
حدثنا صفوان بن صالح الدمشقي المؤذن، حدثنا الوليد، حدثنا ابن جابر، حدثنا يحيى بن جابر الطائي، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن النواس بن سمعان الكلابي، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الدجال فقال " إن يخرج وأنا فيكم فأنا حجيجه دونكم وإن يخرج ولست فيكم فامرؤ حجيج نفسه والله خليفتي على كل مسلم فمن أدركه منكم فليقرأ عليه فواتح سورة الكهف فإنها جواركم من فتنته " . قلنا وما لبثه في الأرض قال " أربعون يوما يوم كسنة ويوم كشهر ويوم كجمعة وسائر أيامه كأيامكم " . فقلنا يا رسول الله هذا اليوم الذي كسنة أتكفينا فيه صلاة يوم وليلة قال " لا اقدروا له قدره ثم ينزل عيسى ابن مريم عند المنارة البيضاء شرقي دمشق فيدركه عند باب لد فيقتله " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২২
حدثنا عيسى بن محمد، حدثنا ضمرة، عن السيباني، عن عمرو بن عبد الله، عن أبي أمامة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وذكر الصلوات مثل معناه .
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে উপরে বর্ণিত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেন। আর অনুরূপ অর্থে সলাতের উল্লেখ করেন।
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে উপরে বর্ণিত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেন। আর অনুরূপ অর্থে সলাতের উল্লেখ করেন।
حدثنا عيسى بن محمد، حدثنا ضمرة، عن السيباني، عن عمرو بن عبد الله، عن أبي أمامة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وذكر الصلوات مثل معناه .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩১৮
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذا الحديث قال " يقرؤه كل مسلم " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে এ হাদীসে বর্ণিত আছেঃ প্রত্যেক মুসলিম তা পড়তে পারবে।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে এ হাদীসে বর্ণিত আছেঃ প্রত্যেক মুসলিম তা পড়তে পারবে।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن شعيب بن الحبحاب، عن أنس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذا الحديث قال " يقرؤه كل مسلم " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩১৭
حدثنا محمد بن المثنى، عن محمد بن جعفر، عن شعبة، ك ف ر .
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না-, মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার হতে শু’বাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না-, মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার হতে শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে (ক্বাফ), (ফা), (রাঃ) এভাবে উল্লেখ আছে। [৪৩১৬] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না-, মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার হতে শু’বাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না-, মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার হতে শু’বাহ (রহঃ) সূত্রে (ক্বাফ), (ফা), (রাঃ) এভাবে উল্লেখ আছে। [৪৩১৬] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।
حدثنا محمد بن المثنى، عن محمد بن جعفر، عن شعبة، ك ف ر .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২৩
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن حديث أبي الدرداء، يرويه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حفظ عشر آيات من أول سورة الكهف عصم من فتنة الدجال " . قال أبو داود وكذا قال هشام الدستوائي عن قتادة إلا أنه قال " من حفظ من خواتيم سورة الكهف " . وقال شعبة عن قتادة " من آخر الكهف " .
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরাহ আল-কাহ্ফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফিত্বনাহ হতে মুক্তি পাবে। সহীহ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হিশাম আদ-দাস্তাওয়াঈ কাতাদার সূত্রে এরূপই বলেছেন; কিন্তু তিনি একথাটি এভাবে বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরাহ কাহ্ফের শেষের কয়েকটি আয়াত হিফাযাত করবে। আর শু’বাহ বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরাহ কাহ্ফের শেষাংশ মুখস্ত রাখবে। এর পূর্বের বর্ণনাটি অধিক সহীহ এবং অধিক বর্ণিত।
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরাহ আল-কাহ্ফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফিত্বনাহ হতে মুক্তি পাবে। সহীহ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হিশাম আদ-দাস্তাওয়াঈ কাতাদার সূত্রে এরূপই বলেছেন; কিন্তু তিনি একথাটি এভাবে বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সূরাহ কাহ্ফের শেষের কয়েকটি আয়াত হিফাযাত করবে। আর শু’বাহ বলেনঃ যে ব্যক্তি সূরাহ কাহ্ফের শেষাংশ মুখস্ত রাখবে। এর পূর্বের বর্ণনাটি অধিক সহীহ এবং অধিক বর্ণিত।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن سالم بن أبي الجعد، عن معدان بن أبي طلحة، عن حديث أبي الدرداء، يرويه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من حفظ عشر آيات من أول سورة الكهف عصم من فتنة الدجال " . قال أبو داود وكذا قال هشام الدستوائي عن قتادة إلا أنه قال " من حفظ من خواتيم سورة الكهف " . وقال شعبة عن قتادة " من آخر الكهف " .
সুনানে আবু দাউদ > জাসসাস প্রসঙ্গে
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২৭
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا المعتمر، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن مجالد بن سعيد، عن عامر، قال حدثتني فاطمة بنت قيس، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الظهر ثم صعد المنبر وكان لا يصعد عليه إلا يوم جمعة قبل يومئذ ثم ذكر هذه القصة . قال أبو داود وابن صدران بصري غرق في البحر مع ابن مسور لم يسلم منهم غيره .
‘আমির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বাইস (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত পড়ে মিম্বারে উঠলেন। এ দিনের পূর্বে তিনি জুমু‘আহ্র দিন ছাড়া অন্য কোন সময় তাতে উঠেননি। অতঃপর বর্ণনাকারী উপরের ঘটনা বর্ণনা করলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু সুদ্রান বাসরী, ইবনু মিসওয়ারের সঙ্গে সমুদ্রে ডুবে মারা গেছেন। তিনি (তামীম আদ-দারী) ব্যতীত কেউ নিরাপদে ফিরে আসতে পারেনি। [৪৩২৬]
‘আমির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বাইস (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাত পড়ে মিম্বারে উঠলেন। এ দিনের পূর্বে তিনি জুমু‘আহ্র দিন ছাড়া অন্য কোন সময় তাতে উঠেননি। অতঃপর বর্ণনাকারী উপরের ঘটনা বর্ণনা করলেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু সুদ্রান বাসরী, ইবনু মিসওয়ারের সঙ্গে সমুদ্রে ডুবে মারা গেছেন। তিনি (তামীম আদ-দারী) ব্যতীত কেউ নিরাপদে ফিরে আসতে পারেনি। [৪৩২৬]
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا المعتمر، حدثنا إسماعيل بن أبي خالد، عن مجالد بن سعيد، عن عامر، قال حدثتني فاطمة بنت قيس، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الظهر ثم صعد المنبر وكان لا يصعد عليه إلا يوم جمعة قبل يومئذ ثم ذكر هذه القصة . قال أبو داود وابن صدران بصري غرق في البحر مع ابن مسور لم يسلم منهم غيره .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২৫
حدثنا النفيلي، حدثنا عثمان بن عبد الرحمن، حدثنا ابن أبي ذئب، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخر العشاء الآخرة ذات ليلة ثم خرج فقال " إنه حبسني حديث كان يحدثنيه تميم الداري عن رجل كان في جزيرة من جزائر البحر فإذا أنا بامرأة تجر شعرها قال ما أنت قالت أنا الجساسة اذهب إلى ذلك القصر فأتيته فإذا رجل يجر شعره مسلسل في الأغلال ينزو فيما بين السماء والأرض فقلت من أنت قال أنا الدجال خرج نبي الأميين بعد قلت نعم . قال أطاعوه أم عصوه قلت بل أطاعوه . قال ذاك خير لهم " .
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রাতে ‘ইশার সলাত পড়তে বিলম্ব করলেন। তিনি (ঘর হতে) বেরিয়ে এসে বললেনঃ তামীম আদ-দারী আমার নিকট যে ঘটনা বর্ণনা করেছে সেটিই আমাকে আটকে রেখেছে। সে সমুদ্রের উপদ্বীপের জনৈক ব্যক্তির সূত্রে আমাকে বলেছে, হঠাৎ আমি একটি স্ত্রীলোককে দেখতে পেলাম যে, সে তার চুল টানছে। তিনি প্রশ্ন করলেন, তুমি কে? সে বলল, আমি গুপ্তচর, তুমি ওই প্রাসাদে যাও। অতঃপর আমি সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম, জনৈক ব্যক্তি তার কুঞ্চিত কেশ টানছে, সে মজবুত শিকলে বাঁধা অবস্থায় আকাশ ও যমীনের মাঝখানে ছট্ফট করছে। আমি বললাম, তুমি কে? সে বলল, আমি তো দাজ্জাল। নিরক্ষরদের নবী এখন আবির্ভূত হয়েছেন কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। সে বলল, লোকেরা তাঁকে মান্য করছে নাকি অমান্য করছে? আমি বললাম, তারা বরং মান্য করছে। সে বললো, এটাই তাদের জন্য কল্যাণকর।
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক রাতে ‘ইশার সলাত পড়তে বিলম্ব করলেন। তিনি (ঘর হতে) বেরিয়ে এসে বললেনঃ তামীম আদ-দারী আমার নিকট যে ঘটনা বর্ণনা করেছে সেটিই আমাকে আটকে রেখেছে। সে সমুদ্রের উপদ্বীপের জনৈক ব্যক্তির সূত্রে আমাকে বলেছে, হঠাৎ আমি একটি স্ত্রীলোককে দেখতে পেলাম যে, সে তার চুল টানছে। তিনি প্রশ্ন করলেন, তুমি কে? সে বলল, আমি গুপ্তচর, তুমি ওই প্রাসাদে যাও। অতঃপর আমি সেখানে গিয়ে দেখতে পেলাম, জনৈক ব্যক্তি তার কুঞ্চিত কেশ টানছে, সে মজবুত শিকলে বাঁধা অবস্থায় আকাশ ও যমীনের মাঝখানে ছট্ফট করছে। আমি বললাম, তুমি কে? সে বলল, আমি তো দাজ্জাল। নিরক্ষরদের নবী এখন আবির্ভূত হয়েছেন কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। সে বলল, লোকেরা তাঁকে মান্য করছে নাকি অমান্য করছে? আমি বললাম, তারা বরং মান্য করছে। সে বললো, এটাই তাদের জন্য কল্যাণকর।
حدثنا النفيلي، حدثنا عثمان بن عبد الرحمن، حدثنا ابن أبي ذئب، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخر العشاء الآخرة ذات ليلة ثم خرج فقال " إنه حبسني حديث كان يحدثنيه تميم الداري عن رجل كان في جزيرة من جزائر البحر فإذا أنا بامرأة تجر شعرها قال ما أنت قالت أنا الجساسة اذهب إلى ذلك القصر فأتيته فإذا رجل يجر شعره مسلسل في الأغلال ينزو فيما بين السماء والأرض فقلت من أنت قال أنا الدجال خرج نبي الأميين بعد قلت نعم . قال أطاعوه أم عصوه قلت بل أطاعوه . قال ذاك خير لهم " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২৮
حدثنا واصل بن عبد الأعلى، أخبرنا ابن فضيل، عن الوليد بن عبد الله بن جميع، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم على المنبر " إنه بينما أناس يسيرون في البحر فنفد طعامهم فرفعت لهم جزيرة فخرجوا يريدون الخبز فلقيتهم الجساسة " . قلت لأبي سلمة وما الجساسة قال امرأة تجر شعر جلدها ورأسها . قالت في هذا القصر فذكر الحديث وسأل عن نخل بيسان وعن عين زغر قال هو المسيح فقال لي ابن أبي سلمة إن في هذا الحديث شيئا ما حفظته قال شهد جابر أنه هو ابن صياد قلت فإنه قد مات . قال وإن مات . قلت فإنه أسلم . قال وإن أسلم . قلت فإنه قد دخل المدينة . قال وإن دخل المدينة .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে উঠে বলেনঃ একদা কিছু সংখ্যক লোক সমুদ্র ভ্রমণ করেছিল। এ সময় তাদের রসদ ফুরিয়ে গেলে একটি দ্বীপ দৃষ্টিগোচর হয়। অতঃপর তারা রুটির সন্ধানে বেরিয়ে পড়লে জাস্সার সাক্ষাত পেলো। আমি (ওয়ালীদ) আবূ সালামাহ্কে বললাম, ‘জাসসাস’ কি? তিনি বললেন, এমন নারী, যে তার দেহের ও মাথার চুল টেনে বেড়ায়। সে বললো, ওই দালানে যাও। অতঃপর উপরে বর্ণিত হাদীস বলেন। আর সে (দালানের লোকটি অর্থাৎ দাজ্জাল) ‘নাখ্লে বাইসান’ ও ‘আইনে যুগার’ সম্পর্কে জানতে চাইলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে লোকটিই মাসীহ দাজ্জাল। অতঃপর ইবনু আবূ সালামাহ্ আমাকে (ওয়ালীদকে) বলেন, নিশ্চয়ই এই হাদীসের কিছু অংশ আমি স্মরণ রাখতে পারিনি। তিনি বলেন, জাবির (রাঃ) সাক্ষ্য দিলেন যে, সে-ই ইবনু সাইয়াদ। আমি বললাম, সে তো মারা গেছে। তিনি বললেন, যদিও সে মারা গিয়ে থাকে। আমি বললাম, সে তো মুসলিম হয়েছিল। তিনি বললেন, যদিও সে মুসলিম হয়েছিল। আমি বললাম, সে তো মদিনায় প্রবেশ করেছিল। তিনি বললেন, যদিও সে মাদীনাহ্ প্রবেশ করেছিল। [৪৩২৭]
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিম্বারে উঠে বলেনঃ একদা কিছু সংখ্যক লোক সমুদ্র ভ্রমণ করেছিল। এ সময় তাদের রসদ ফুরিয়ে গেলে একটি দ্বীপ দৃষ্টিগোচর হয়। অতঃপর তারা রুটির সন্ধানে বেরিয়ে পড়লে জাস্সার সাক্ষাত পেলো। আমি (ওয়ালীদ) আবূ সালামাহ্কে বললাম, ‘জাসসাস’ কি? তিনি বললেন, এমন নারী, যে তার দেহের ও মাথার চুল টেনে বেড়ায়। সে বললো, ওই দালানে যাও। অতঃপর উপরে বর্ণিত হাদীস বলেন। আর সে (দালানের লোকটি অর্থাৎ দাজ্জাল) ‘নাখ্লে বাইসান’ ও ‘আইনে যুগার’ সম্পর্কে জানতে চাইলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, সে লোকটিই মাসীহ দাজ্জাল। অতঃপর ইবনু আবূ সালামাহ্ আমাকে (ওয়ালীদকে) বলেন, নিশ্চয়ই এই হাদীসের কিছু অংশ আমি স্মরণ রাখতে পারিনি। তিনি বলেন, জাবির (রাঃ) সাক্ষ্য দিলেন যে, সে-ই ইবনু সাইয়াদ। আমি বললাম, সে তো মারা গেছে। তিনি বললেন, যদিও সে মারা গিয়ে থাকে। আমি বললাম, সে তো মুসলিম হয়েছিল। তিনি বললেন, যদিও সে মুসলিম হয়েছিল। আমি বললাম, সে তো মদিনায় প্রবেশ করেছিল। তিনি বললেন, যদিও সে মাদীনাহ্ প্রবেশ করেছিল। [৪৩২৭]
حدثنا واصل بن عبد الأعلى، أخبرنا ابن فضيل، عن الوليد بن عبد الله بن جميع، عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم على المنبر " إنه بينما أناس يسيرون في البحر فنفد طعامهم فرفعت لهم جزيرة فخرجوا يريدون الخبز فلقيتهم الجساسة " . قلت لأبي سلمة وما الجساسة قال امرأة تجر شعر جلدها ورأسها . قالت في هذا القصر فذكر الحديث وسأل عن نخل بيسان وعن عين زغر قال هو المسيح فقال لي ابن أبي سلمة إن في هذا الحديث شيئا ما حفظته قال شهد جابر أنه هو ابن صياد قلت فإنه قد مات . قال وإن مات . قلت فإنه أسلم . قال وإن أسلم . قلت فإنه قد دخل المدينة . قال وإن دخل المدينة .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২৬
حدثنا حجاج بن أبي يعقوب، حدثنا عبد الصمد، حدثنا أبي قال، سمعت حسينا المعلم، حدثنا عبد الله بن بريدة، حدثنا عامر بن شراحيل الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، قالت سمعت منادي، رسول الله صلى الله عليه وسلم ينادي أن الصلاة جامعة . فخرجت فصليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة جلس على المنبر وهو يضحك قال " ليلزم كل إنسان مصلاه " . ثم قال " هل تدرون لم جمعتكم " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " إني ما جمعتكم لرهبة ولا رغبة ولكن جمعتكم أن تميما الداري كان رجلا نصرانيا فجاء فبايع وأسلم وحدثني حديثا وافق الذي حدثتكم عن الدجال حدثني أنه ركب في سفينة بحرية مع ثلاثين رجلا من لخم وجذام فلعب بهم الموج شهرا في البحر وأرفئوا إلى جزيرة حين مغرب الشمس فجلسوا في أقرب السفينة فدخلوا الجزيرة فلقيتهم دابة أهلب كثيرة الشعر قالوا ويلك ما أنت قالت أنا الجساسة انطلقوا إلى هذا الرجل في هذا الدير فإنه إلى خبركم بالأشواق . قال لما سمت لنا رجلا فرقنا منها أن تكون شيطانة فانطلقنا سراعا حتى دخلنا الدير فإذا فيه أعظم إنسان رأيناه قط خلقا وأشده وثاقا مجموعة يداه إلى عنقه " . فذكر الحديث وسألهم عن نخل بيسان وعن عين زغر وعن النبي الأمي قال إني أنا المسيح وإنه يوشك أن يؤذن لي في الخروج قال النبي صلى الله عليه وسلم " وإنه في بحر الشام أو بحر اليمن لا بل من قبل المشرق ما هو " . مرتين وأومأ بيده قبل المشرق قالت حفظت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث .
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি শুনতে পেলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা করছেন যে, সলাতের জন্য সমবেত হও। অতএব আমি বেরিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সলাত আদায় করলাম। সলাত শেষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসতে হাসতে মিম্বারের উপর বসে বললেনঃ প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্থানে বসে থাকো। পুনরায় বললেনঃ তোমরা কি জানো, কেন আমি তোমাদের একত্র করেছি? উপস্থিত সকলেই বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জানেন। তিনি বললেনঃ কোন ভয়-ভীতি বা কোন কাঙ্ক্ষিত বস্তুর জন্য আমি তোমাদের একত্র করিনি; বরং তোমাদের একত্র করেছি এজন্য যে, তামীম আদ-দারী খ্রিস্টান ছিল। সে এসে বাই‘আত করে মুসলিম হয়েছে, আর আমাকে দাজ্জাল সম্পর্কে এরূপ একটি ঘটনা শুনিয়েছে, আমি তোমাদের নিকট সে সম্পর্কে যা বলেছি, তার অনুরূপ। সে বলেছে, একদা সে ‘লাখ্ম ও জুযাম’ গোত্রের তিরিশজন লোকের সঙ্গে সমুদ্রযানে ভ্রমণ করছিল। এসময় সমুদ্র তরঙ্গ তাদের নিয়ে একমাস পর্যন্ত খেলা করে সূর্যাস্তের সময় উপকূলের দ্বীপে ভিড়িয়ে দেয়। অতঃপর তারা জাহাজের নিকট কিছুক্ষণ বসে থেকে দ্বীপের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। সেখানে তারা ঘন-লম্বা লোমবিশিষ্ট এক জন্তুর সাক্ষাত পেয়ে বলল, তোমার জন্য দুঃখ হয় তুমি কে? সে বলল, আমি জাস্সাসা, তোমরা এই মন্দিরের লোকটির নিকট যাও, কেননা সে তোমাদের সংবাদের জন্য খুবই আগ্রহী। তামীম আদ-দারী বলেন, যখন সে একটি লোকের নাম বলে দিলো, তখন সে শয়তান কিনা এই ভয়ে আমরা দ্রুতগতিতে চলতে লাগলাম। অতঃপর মন্দিরে প্রবেশ করে দেখলাম, বিরাট দেহের অধিকারী এক ব্যক্তি। এরূপ মজবুত গড়ন এবং কঠিন আকৃতির লোক ইতিপূর্বে আমরা কখনও দেখিনি। তার দু’টি হাত ঘাড়ের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে বাঁধা। অতঃপর তিনি হাদীস বর্ণনা করেন যে, সে তাদের নিকট ‘বাইসান’-এর খেজুর বাগান ও যুগার ঝর্না সম্পর্কে আর উম্মী নাবীর আবির্ভাব সম্পর্কে জিজ্ঞাস করে বললো, আমিই মাসীহ (দাজ্জাল)। শীঘ্রই আমাকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সেটা নিশ্চয়ই সিরিয়া বা ইয়ামান সাগরে হবে, না বরং সেটা প্রাচ্যের দিকে হবে। একথা তিনি দু’বার বলেন এবং পূর্ব দিকে ইশারা করে দেখান। তিনি (ফাত্বিমাহ) বলেন, আমি এটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে মুখস্ত করেছি।
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি শুনতে পেলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা করছেন যে, সলাতের জন্য সমবেত হও। অতএব আমি বেরিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সলাত আদায় করলাম। সলাত শেষে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসতে হাসতে মিম্বারের উপর বসে বললেনঃ প্রত্যেকেই নিজ নিজ স্থানে বসে থাকো। পুনরায় বললেনঃ তোমরা কি জানো, কেন আমি তোমাদের একত্র করেছি? উপস্থিত সকলেই বলল, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জানেন। তিনি বললেনঃ কোন ভয়-ভীতি বা কোন কাঙ্ক্ষিত বস্তুর জন্য আমি তোমাদের একত্র করিনি; বরং তোমাদের একত্র করেছি এজন্য যে, তামীম আদ-দারী খ্রিস্টান ছিল। সে এসে বাই‘আত করে মুসলিম হয়েছে, আর আমাকে দাজ্জাল সম্পর্কে এরূপ একটি ঘটনা শুনিয়েছে, আমি তোমাদের নিকট সে সম্পর্কে যা বলেছি, তার অনুরূপ। সে বলেছে, একদা সে ‘লাখ্ম ও জুযাম’ গোত্রের তিরিশজন লোকের সঙ্গে সমুদ্রযানে ভ্রমণ করছিল। এসময় সমুদ্র তরঙ্গ তাদের নিয়ে একমাস পর্যন্ত খেলা করে সূর্যাস্তের সময় উপকূলের দ্বীপে ভিড়িয়ে দেয়। অতঃপর তারা জাহাজের নিকট কিছুক্ষণ বসে থেকে দ্বীপের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। সেখানে তারা ঘন-লম্বা লোমবিশিষ্ট এক জন্তুর সাক্ষাত পেয়ে বলল, তোমার জন্য দুঃখ হয় তুমি কে? সে বলল, আমি জাস্সাসা, তোমরা এই মন্দিরের লোকটির নিকট যাও, কেননা সে তোমাদের সংবাদের জন্য খুবই আগ্রহী। তামীম আদ-দারী বলেন, যখন সে একটি লোকের নাম বলে দিলো, তখন সে শয়তান কিনা এই ভয়ে আমরা দ্রুতগতিতে চলতে লাগলাম। অতঃপর মন্দিরে প্রবেশ করে দেখলাম, বিরাট দেহের অধিকারী এক ব্যক্তি। এরূপ মজবুত গড়ন এবং কঠিন আকৃতির লোক ইতিপূর্বে আমরা কখনও দেখিনি। তার দু’টি হাত ঘাড়ের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে বাঁধা। অতঃপর তিনি হাদীস বর্ণনা করেন যে, সে তাদের নিকট ‘বাইসান’-এর খেজুর বাগান ও যুগার ঝর্না সম্পর্কে আর উম্মী নাবীর আবির্ভাব সম্পর্কে জিজ্ঞাস করে বললো, আমিই মাসীহ (দাজ্জাল)। শীঘ্রই আমাকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সেটা নিশ্চয়ই সিরিয়া বা ইয়ামান সাগরে হবে, না বরং সেটা প্রাচ্যের দিকে হবে। একথা তিনি দু’বার বলেন এবং পূর্ব দিকে ইশারা করে দেখান। তিনি (ফাত্বিমাহ) বলেন, আমি এটা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে মুখস্ত করেছি।
حدثنا حجاج بن أبي يعقوب، حدثنا عبد الصمد، حدثنا أبي قال، سمعت حسينا المعلم، حدثنا عبد الله بن بريدة، حدثنا عامر بن شراحيل الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، قالت سمعت منادي، رسول الله صلى الله عليه وسلم ينادي أن الصلاة جامعة . فخرجت فصليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة جلس على المنبر وهو يضحك قال " ليلزم كل إنسان مصلاه " . ثم قال " هل تدرون لم جمعتكم " . قالوا الله ورسوله أعلم . قال " إني ما جمعتكم لرهبة ولا رغبة ولكن جمعتكم أن تميما الداري كان رجلا نصرانيا فجاء فبايع وأسلم وحدثني حديثا وافق الذي حدثتكم عن الدجال حدثني أنه ركب في سفينة بحرية مع ثلاثين رجلا من لخم وجذام فلعب بهم الموج شهرا في البحر وأرفئوا إلى جزيرة حين مغرب الشمس فجلسوا في أقرب السفينة فدخلوا الجزيرة فلقيتهم دابة أهلب كثيرة الشعر قالوا ويلك ما أنت قالت أنا الجساسة انطلقوا إلى هذا الرجل في هذا الدير فإنه إلى خبركم بالأشواق . قال لما سمت لنا رجلا فرقنا منها أن تكون شيطانة فانطلقنا سراعا حتى دخلنا الدير فإذا فيه أعظم إنسان رأيناه قط خلقا وأشده وثاقا مجموعة يداه إلى عنقه " . فذكر الحديث وسألهم عن نخل بيسان وعن عين زغر وعن النبي الأمي قال إني أنا المسيح وإنه يوشك أن يؤذن لي في الخروج قال النبي صلى الله عليه وسلم " وإنه في بحر الشام أو بحر اليمن لا بل من قبل المشرق ما هو " . مرتين وأومأ بيده قبل المشرق قالت حفظت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث .
সুনানে আবু দাউদ > ইবনু সায়িদের ঘটনা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৩২
حدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثنا عبيد الله، - يعني ابن موسى - حدثنا شيبان، عن الأعمش، عن سالم، عن جابر، قال فقدنا ابن صياد يوم الحرة .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইবনু সাইয়াদকে ‘হারাবা’র যুদ্ধের দিন হারিয়ে ফেলেছি।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা ইবনু সাইয়াদকে ‘হারাবা’র যুদ্ধের দিন হারিয়ে ফেলেছি।
حدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثنا عبيد الله، - يعني ابن موسى - حدثنا شيبان، عن الأعمش، عن سالم، عن جابر، قال فقدنا ابن صياد يوم الحرة .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৩০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن موسى بن عقبة، عن نافع، قال كان ابن عمر يقول والله ما أشك أن المسيح الدجال ابن صياد .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, ইবনু সাইয়াদই সে মাসীহে দাজ্জাল, এতে আমার কোন সন্দেহ নেই।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, ইবনু সাইয়াদই সে মাসীহে দাজ্জাল, এতে আমার কোন সন্দেহ নেই।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن موسى بن عقبة، عن نافع، قال كان ابن عمر يقول والله ما أشك أن المسيح الدجال ابن صياد .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৩০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن موسى بن عقبة، عن نافع، قال كان ابن عمر يقول والله ما أشك أن المسيح الدجال ابن صياد .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, ইবনু সাইয়াদই সে মাসীহে দাজ্জাল, এতে আমার কোন সন্দেহ নেই।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলতেন, ইবনু সাইয়াদই সে মাসীহে দাজ্জাল, এতে আমার কোন সন্দেহ নেই।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني ابن عبد الرحمن - عن موسى بن عقبة، عن نافع، قال كان ابن عمر يقول والله ما أشك أن المسيح الدجال ابن صياد .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৩৩
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقوم الساعة حتى يخرج ثلاثون دجالون كلهم يزعم أنه رسول الله " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিরিশ সংখ্যক দাজ্জাল অবির্ভূত না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না। তাদের প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহর রাসূল বলে দাবি করবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিরিশ সংখ্যক দাজ্জাল অবির্ভূত না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না। তাদের প্রত্যেকেই নিজেকে আল্লাহর রাসূল বলে দাবি করবে।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن العلاء، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقوم الساعة حتى يخرج ثلاثون دجالون كلهم يزعم أنه رسول الله " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৩১
حدثنا ابن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن المنكدر، قال رأيت جابر بن عبد الله يحلف بالله أن ابن صائد الدجال، فقلت تحلف بالله فقال إني سمعت عمر يحلف على ذلك عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم ينكره رسول الله صلى الله عليه وسلم .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে দেখলাম, তিনি আল্লাহর কসম করেছেন! তিনি বললেন, আমি ‘উমারকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে এ ব্যাপারে আল্লাহর কসম করতে শুনেছি; অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা অস্বীকার করেননি।
মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে দেখলাম, তিনি আল্লাহর কসম করেছেন! তিনি বললেন, আমি ‘উমারকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে এ ব্যাপারে আল্লাহর কসম করতে শুনেছি; অথচ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা অস্বীকার করেননি।
حدثنا ابن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن سعد بن إبراهيم، عن محمد بن المنكدر، قال رأيت جابر بن عبد الله يحلف بالله أن ابن صائد الدجال، فقلت تحلف بالله فقال إني سمعت عمر يحلف على ذلك عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم ينكره رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৩৪
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا محمد، - يعني ابن عمرو - عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقوم الساعة حتى يخرج ثلاثون كذابا دجالا كلهم يكذب على الله وعلى رسوله " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিরিশ জন মিথ্যাবাদী দাজ্জাল আবির্ভূত না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না। তদের প্রত্যেকেই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর মিথ্যা আরোপ করবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তিরিশ জন মিথ্যাবাদী দাজ্জাল আবির্ভূত না হওয়া পর্যন্ত ক্বিয়ামাত সংঘটিত হবে না। তদের প্রত্যেকেই আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর মিথ্যা আরোপ করবে।
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا محمد، - يعني ابن عمرو - عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقوم الساعة حتى يخرج ثلاثون كذابا دجالا كلهم يكذب على الله وعلى رسوله " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩২৯
حدثنا أبو عاصم، خشيش بن أصرم حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بابن صائد في نفر من أصحابه فيهم عمر بن الخطاب وهو يلعب مع الغلمان عند أطم بني مغالة وهو غلام فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده ثم قال " أتشهد أني رسول الله " . قال فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين . ثم قال ابن صياد للنبي صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " آمنت بالله ورسله " . ثم قال له النبي صلى الله عليه وسلم " ما يأتيك " . قال يأتيني صادق وكاذب . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " خلط عليك الأمر " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني قد خبأت لك خبيئة " . وخبأ له { يوم تأتي السماء بدخان مبين } قال ابن صياد هو الدخ . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اخسأ فلن تعدو قدرك " . فقال عمر يا رسول الله ائذن لي فأضرب عنقه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن يكن فلن تسلط عليه " . يعني الدجال " وإلا يكن هو فلا خير في قتله " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর একদল সাহাবীসহ ইবনু সাইয়াদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় সে (ইবনু সায়িদ) কয়েকজন বালকের সঙ্গে ‘মাগালা’ গোত্রের দুর্গের পাশে খেলা করছিল। সেও ছিল বালক বয়সী। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাত দিয়ে তার পিঠ স্পর্শ করার পূর্ব পর্যন্ত সে কিছুই টের পায়নি। তিনি তাকে প্রশ্ন করলেনঃ আমি যে রাসূলুল্লাহ, তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও? বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু সায়িদ তার দিকে তাকিয়ে বললো, আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি নিরক্ষরদের নাবী। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললো, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলদের প্রতি ঈমান এনেছি। পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে প্রশ্ন করলেনঃ তোমার নিকট কে আসে? সে বললো, আমার নিকট সত্যবাদীও আসে, মিথ্যাবাদীও আসে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার ব্যাপারটা ঘোলাটে হয়ে গেলো। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তোমার জন্য একটি বিষয় গোপন রেখেছি। তিনি নিম্নোক্ত আয়াত তার জন্য গোপন রেখেছিলেনঃ “যেদিন আকাশ স্পষ্ট ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে যাবে” (সূরাহ দুখান : ১০)। ইবনু সাইয়াদ বললো, সেটা ধোঁয়া। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ দূর হও! তুমি তোমার অনুমান হতে কখনো অগ্রসর হতে পারবে না। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! অনুমতি দিন, আমি ওর ঘাড়ে আঘাত হানি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন! এ যদি সেই (দাজ্জাল) হয়ে থাকে, তবে তুমি তার অর্থাৎ দাজ্জালের উপর শক্তি খাটিয়েও কাবু করতে পারবে নাঃ আর যদি সে তা না হয়ে থাকে, তবে তাকে হত্যা করায় কোন কল্যান নেই।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর একদল সাহাবীসহ ইবনু সাইয়াদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের সঙ্গে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় সে (ইবনু সায়িদ) কয়েকজন বালকের সঙ্গে ‘মাগালা’ গোত্রের দুর্গের পাশে খেলা করছিল। সেও ছিল বালক বয়সী। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাত দিয়ে তার পিঠ স্পর্শ করার পূর্ব পর্যন্ত সে কিছুই টের পায়নি। তিনি তাকে প্রশ্ন করলেনঃ আমি যে রাসূলুল্লাহ, তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও? বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু সায়িদ তার দিকে তাকিয়ে বললো, আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি নিরক্ষরদের নাবী। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললো, আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আমি আল্লাহর রাসূল? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ আমি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলদের প্রতি ঈমান এনেছি। পুনরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে প্রশ্ন করলেনঃ তোমার নিকট কে আসে? সে বললো, আমার নিকট সত্যবাদীও আসে, মিথ্যাবাদীও আসে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার ব্যাপারটা ঘোলাটে হয়ে গেলো। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি তোমার জন্য একটি বিষয় গোপন রেখেছি। তিনি নিম্নোক্ত আয়াত তার জন্য গোপন রেখেছিলেনঃ “যেদিন আকাশ স্পষ্ট ধোঁয়াচ্ছন্ন হয়ে যাবে” (সূরাহ দুখান : ১০)। ইবনু সাইয়াদ বললো, সেটা ধোঁয়া। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ দূর হও! তুমি তোমার অনুমান হতে কখনো অগ্রসর হতে পারবে না। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! অনুমতি দিন, আমি ওর ঘাড়ে আঘাত হানি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন! এ যদি সেই (দাজ্জাল) হয়ে থাকে, তবে তুমি তার অর্থাৎ দাজ্জালের উপর শক্তি খাটিয়েও কাবু করতে পারবে নাঃ আর যদি সে তা না হয়ে থাকে, তবে তাকে হত্যা করায় কোন কল্যান নেই।
حدثنا أبو عاصم، خشيش بن أصرم حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بابن صائد في نفر من أصحابه فيهم عمر بن الخطاب وهو يلعب مع الغلمان عند أطم بني مغالة وهو غلام فلم يشعر حتى ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ظهره بيده ثم قال " أتشهد أني رسول الله " . قال فنظر إليه ابن صياد فقال أشهد أنك رسول الأميين . ثم قال ابن صياد للنبي صلى الله عليه وسلم أتشهد أني رسول الله فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " آمنت بالله ورسله " . ثم قال له النبي صلى الله عليه وسلم " ما يأتيك " . قال يأتيني صادق وكاذب . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " خلط عليك الأمر " . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إني قد خبأت لك خبيئة " . وخبأ له { يوم تأتي السماء بدخان مبين } قال ابن صياد هو الدخ . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اخسأ فلن تعدو قدرك " . فقال عمر يا رسول الله ائذن لي فأضرب عنقه . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إن يكن فلن تسلط عليه " . يعني الدجال " وإلا يكن هو فلا خير في قتله " .
সুনানে আবু দাউদ ৪৩৩৫
حدثنا عبد الله بن الجراح، عن جرير، عن مغيرة، عن إبراهيم، قال قال عبيدة السلماني بهذا الخبر قال فذكر نحوه فقلت له أترى هذا منهم - يعني المختار - فقال عبيدة أما إنه من الرءوس .
ইবরাহীম আন-নাখাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আবীদাহ আস-সালমানীর সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। আমি ‘আবীদাহ আস-সালামানীকে বললাম, আপনি কি মনে করেন যে, সে ওদের অর্থাৎ আল-মুখতার অন্তর্ভূক্ত? ‘আবীহাদ বলেন, সে নেতৃস্থানীয় দাজ্জালদের অন্তর্ভূক্ত। [৪৩৩৪]
ইবরাহীম আন-নাখাঈ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘আবীদাহ আস-সালমানীর সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। আমি ‘আবীদাহ আস-সালামানীকে বললাম, আপনি কি মনে করেন যে, সে ওদের অর্থাৎ আল-মুখতার অন্তর্ভূক্ত? ‘আবীহাদ বলেন, সে নেতৃস্থানীয় দাজ্জালদের অন্তর্ভূক্ত। [৪৩৩৪]
حدثنا عبد الله بن الجراح، عن جرير، عن مغيرة، عن إبراهيم، قال قال عبيدة السلماني بهذا الخبر قال فذكر نحوه فقلت له أترى هذا منهم - يعني المختار - فقال عبيدة أما إنه من الرءوس .