সুনানে আবু দাউদ > ফিত্বনাহ্‌র সময় যাযাবর হওয়ার অনুমতি

সুনানে আবু দাউদ ৪২৬৭

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يوشك أن يكون خير مال المسلم غنما يتبع بها شعف الجبال ومواقع القطر يفر بدينه من الفتن ‏"‏ ‏.

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই বকরীই হবে মুসলিমদের উত্তম সম্পদ। তা নিয়ে তারা পাহাড়ের চূড়ায় ও বৃষ্টির পানি এলাকায় চলে যাবে, তাদের দ্বীনকে ফিতনা হতে রক্ষার জন্য পালাবে।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অচিরেই বকরীই হবে মুসলিমদের উত্তম সম্পদ। তা নিয়ে তারা পাহাড়ের চূড়ায় ও বৃষ্টির পানি এলাকায় চলে যাবে, তাদের দ্বীনকে ফিতনা হতে রক্ষার জন্য পালাবে।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي صعصعة، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يوشك أن يكون خير مال المسلم غنما يتبع بها شعف الجبال ومواقع القطر يفر بدينه من الفتن ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ > ফিত্বনাহ্‌র সময় যুদ্ধে জড়ানো নিষেধ

সুনানে আবু দাউদ ৪২৬৮

حدثنا أبو كامل، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، ويونس، عن الحسن، عن الأحنف بن قيس، قال خرجت وأنا أريد، - يعني في القتال - فلقيني أبو بكرة فقال ارجع فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إذا تواجه المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله هذا القاتل فما بال المقتول قال ‏"‏ إنه أراد قتل صاحبه ‏"‏ ‏.‏

আল-আহনাফ ইবনু ক্বাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যুদ্ধে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হলাম। আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) আমার সঙ্গে সাক্ষাত করে বললেন, তুমি ফিরে যাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি; দুই মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হলে হত্যাকারী ও নিহত উভয়েই জাহান্নামে যাবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! হত্যাকারী তো জাহান্নামে যাবেই, তবে নিহত ব্যক্তি কেন যাবে? তিনি বলেনঃ নিশ্চয়ই সেও তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যা করতে সংকল্পবদ্ধ।

আল-আহনাফ ইবনু ক্বাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যুদ্ধে যাওয়ার জন্য রওয়ানা হলাম। আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) আমার সঙ্গে সাক্ষাত করে বললেন, তুমি ফিরে যাও। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি; দুই মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হলে হত্যাকারী ও নিহত উভয়েই জাহান্নামে যাবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! হত্যাকারী তো জাহান্নামে যাবেই, তবে নিহত ব্যক্তি কেন যাবে? তিনি বলেনঃ নিশ্চয়ই সেও তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হত্যা করতে সংকল্পবদ্ধ।

حدثنا أبو كامل، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، ويونس، عن الحسن، عن الأحنف بن قيس، قال خرجت وأنا أريد، - يعني في القتال - فلقيني أبو بكرة فقال ارجع فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إذا تواجه المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله هذا القاتل فما بال المقتول قال ‏"‏ إنه أراد قتل صاحبه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৬৯

حدثنا محمد بن المتوكل العسقلاني، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن أيوب، عن الحسن، بإسناده ومعناه مختصرا ‏.‏ قال أبو داود لمحمد - يعني ابن المتوكل - أخ ضعيف يقال له الحسين ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনুল মুতাওয়াককিল আল-আসকালানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার সূত্রে সংক্ষেপে পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবনুল মুতাওয়াককিল সম্পর্কে বলেন, দূর্বল ভাই, তাকে হুসাইন বলা হয়। [৪২৬৮] আমি এটি সহীহ ও যঈফেও পাইনি।

মুহাম্মাদ ইবনুল মুতাওয়াককিল আল-আসকালানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার সূত্রে সংক্ষেপে পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবনুল মুতাওয়াককিল সম্পর্কে বলেন, দূর্বল ভাই, তাকে হুসাইন বলা হয়। [৪২৬৮] আমি এটি সহীহ ও যঈফেও পাইনি।

حدثنا محمد بن المتوكل العسقلاني، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن أيوب، عن الحسن، بإسناده ومعناه مختصرا ‏.‏ قال أبو داود لمحمد - يعني ابن المتوكل - أخ ضعيف يقال له الحسين ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > ঈমানদার ব্যক্তিকে হত্যা করা গুরুতর অপরাধ

সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৫

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا ‏}‏ قال ما نسخها شىء ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে” এ আয়াতকে কোন আয়াতই মানসূখ করেনি।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে” এ আয়াতকে কোন আয়াতই মানসূখ করেনি।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا ‏}‏ قال ما نسخها شىء ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭২

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا حماد، أخبرنا عبد الرحمن بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن مجالد بن عوف، أن خارجة بن زيد، قال سمعت زيد بن ثابت، في هذا المكان يقول أنزلت هذه الآية ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم خالدا فيها ‏}‏ بعد التي في الفرقان ‏{‏ والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله إلا بالحق ‏}‏ بستة أشهر ‏.‏

মুজালিদ ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খারিজাহ ইবনু যায়িদ (রঃ) বলেন, আমি যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে কুরআনের এই স্থান সম্পর্কে বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি কোন মু’মিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তার পরিণাম হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম” (৪:৯৩) এই আয়াত সূরাহ ফুরকানের এ আয়াত “যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন কিছুকে ডাকে না এবং অন্যায়ভাবে এরূপ কোন ব্যক্তিকে হত্যা করে না, যা আল্লাহ হারাম করেছেন”- এই আয়াতের ছয় মাস পর অবতীর্ণ হয়েছে। [৪২৭১]

মুজালিদ ইবনু আওফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

খারিজাহ ইবনু যায়িদ (রঃ) বলেন, আমি যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে কুরআনের এই স্থান সম্পর্কে বলতে শুনেছিঃ “যে ব্যক্তি কোন মু’মিনকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তার পরিণাম হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম” (৪:৯৩) এই আয়াত সূরাহ ফুরকানের এ আয়াত “যারা আল্লাহর সঙ্গে অন্য কোন কিছুকে ডাকে না এবং অন্যায়ভাবে এরূপ কোন ব্যক্তিকে হত্যা করে না, যা আল্লাহ হারাম করেছেন”- এই আয়াতের ছয় মাস পর অবতীর্ণ হয়েছে। [৪২৭১]

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا حماد، أخبرنا عبد الرحمن بن إسحاق، عن أبي الزناد، عن مجالد بن عوف، أن خارجة بن زيد، قال سمعت زيد بن ثابت، في هذا المكان يقول أنزلت هذه الآية ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم خالدا فيها ‏}‏ بعد التي في الفرقان ‏{‏ والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله إلا بالحق ‏}‏ بستة أشهر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭০

حدثنا مؤمل بن الفضل الحراني، حدثنا محمد بن شعيب، عن خالد بن دهقان، قال كنا في غزوة القسطنطينية بذلقية فأقبل رجل من أهل فلسطين - من أشرافهم وخيارهم يعرفون ذلك له يقال له هانئ بن كلثوم بن شريك الكناني - فسلم على عبد الله بن أبي زكريا وكان يعرف له حقه قال لنا خالد فحدثنا عبد الله بن أبي زكريا قال سمعت أم الدرداء تقول سمعت أبا الدرداء يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ كل ذنب عسى الله أن يغفره إلا من مات مشركا أو مؤمن قتل مؤمنا متعمدا ‏"‏ ‏.‏ فقال هانئ بن كلثوم سمعت محمود بن الربيع يحدث عن عبادة بن الصامت أنه سمعه يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏"‏ من قتل مؤمنا فاعتبط بقتله لم يقبل الله منه صرفا ولا عدلا ‏"‏ ‏.‏ قال لنا خالد ثم حدثني ابن أبي زكريا عن أم الدرداء عن أبي الدرداء أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يزال المؤمن معنقا صالحا ما لم يصب دما حراما فإذا أصاب دما حراما بلح ‏"‏ ‏.‏ وحدث هانئ بن كلثوم عن محمود بن الربيع عن عبادة بن الصامت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم مثله سواء ‏.‏

খালিদ ইবনু দিহক্বান (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘যালকিয়া নামক স্থানে কনস্টান্টিনোপল যুদ্ধে লিপ্ত ছিলাম। তখন ফিলিস্তিনবাসী হানী ইবনু কুলসুম ইবনু শারীক আল-কিনানী নামক জনৈক সম্মানিত ও উত্তম ব্যক্তি এসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ যাকারিয়াকে সালাম দিলেন, যার মর্যাদা সম্পর্কে তিনি অবহিত ছিলেন। খালিদ আমাদের বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ যাকারিয়া বর্ণনা করেছেন, আমি উম্মুদারদাকে বলতে শুনেছি, আমি আবূ দারদা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ সব গুনাহই ক্ষমা করবেন; কিন্তু মুশরিক অবস্থায় কেউ মারা গেলে অথবা কোন ঈমানদার ব্যক্তি অপর কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে (তা ক্ষমা করবেন না)। অতঃপর হানী ইবনু কুলসূম বলেন, আমি মাহমূদ ইবনুর রবী‘কে ‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে হত্যা করলো এবং এতে আনন্দিত হলো, আল্লাহ তার কোন ফরয বা নফল ‘ইবাদাত কবুল করবেন না। খালিদ আমাদের বলেন যে, ইবনু আবূ যাকারিয়া পর্যায়ক্রমে উম্মু দারদা ও আবূ দারদার সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করে বলেন, তিনি বলেছেনঃ ঈমানদার ব্যক্তি যতক্ষণ পর্যন্ত কোন হারাম রক্তপাত না ঘটাবে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সৎ ও হালকা পিঠবিশিষ্ট গণ্য হবে। যখন সে কোন হারাম রক্তপাত ঘটাবে তখন দূর্বল হয়ে পড়বে। আর হানী ইবনু কুলসূম (রঃ) মাহমূদ ইবনুর রবী‘ এবং ‘উবাদাহ ইবনুস সামিতের সূত্রে রাসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

খালিদ ইবনু দিহক্বান (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা ‘যালকিয়া নামক স্থানে কনস্টান্টিনোপল যুদ্ধে লিপ্ত ছিলাম। তখন ফিলিস্তিনবাসী হানী ইবনু কুলসুম ইবনু শারীক আল-কিনানী নামক জনৈক সম্মানিত ও উত্তম ব্যক্তি এসে ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ যাকারিয়াকে সালাম দিলেন, যার মর্যাদা সম্পর্কে তিনি অবহিত ছিলেন। খালিদ আমাদের বললেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ যাকারিয়া বর্ণনা করেছেন, আমি উম্মুদারদাকে বলতে শুনেছি, আমি আবূ দারদা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ সব গুনাহই ক্ষমা করবেন; কিন্তু মুশরিক অবস্থায় কেউ মারা গেলে অথবা কোন ঈমানদার ব্যক্তি অপর কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করলে (তা ক্ষমা করবেন না)। অতঃপর হানী ইবনু কুলসূম বলেন, আমি মাহমূদ ইবনুর রবী‘কে ‘উবাদাহ ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এই হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে হত্যা করলো এবং এতে আনন্দিত হলো, আল্লাহ তার কোন ফরয বা নফল ‘ইবাদাত কবুল করবেন না। খালিদ আমাদের বলেন যে, ইবনু আবূ যাকারিয়া পর্যায়ক্রমে উম্মু দারদা ও আবূ দারদার সূত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণনা করে বলেন, তিনি বলেছেনঃ ঈমানদার ব্যক্তি যতক্ষণ পর্যন্ত কোন হারাম রক্তপাত না ঘটাবে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সৎ ও হালকা পিঠবিশিষ্ট গণ্য হবে। যখন সে কোন হারাম রক্তপাত ঘটাবে তখন দূর্বল হয়ে পড়বে। আর হানী ইবনু কুলসূম (রঃ) মাহমূদ ইবনুর রবী‘ এবং ‘উবাদাহ ইবনুস সামিতের সূত্রে রাসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।

حدثنا مؤمل بن الفضل الحراني، حدثنا محمد بن شعيب، عن خالد بن دهقان، قال كنا في غزوة القسطنطينية بذلقية فأقبل رجل من أهل فلسطين - من أشرافهم وخيارهم يعرفون ذلك له يقال له هانئ بن كلثوم بن شريك الكناني - فسلم على عبد الله بن أبي زكريا وكان يعرف له حقه قال لنا خالد فحدثنا عبد الله بن أبي زكريا قال سمعت أم الدرداء تقول سمعت أبا الدرداء يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ كل ذنب عسى الله أن يغفره إلا من مات مشركا أو مؤمن قتل مؤمنا متعمدا ‏"‏ ‏.‏ فقال هانئ بن كلثوم سمعت محمود بن الربيع يحدث عن عبادة بن الصامت أنه سمعه يحدث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏"‏ من قتل مؤمنا فاعتبط بقتله لم يقبل الله منه صرفا ولا عدلا ‏"‏ ‏.‏ قال لنا خالد ثم حدثني ابن أبي زكريا عن أم الدرداء عن أبي الدرداء أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا يزال المؤمن معنقا صالحا ما لم يصب دما حراما فإذا أصاب دما حراما بلح ‏"‏ ‏.‏ وحدث هانئ بن كلثوم عن محمود بن الربيع عن عبادة بن الصامت عن رسول الله صلى الله عليه وسلم مثله سواء ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৩

حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا جرير، عن منصور، عن سعيد بن جبير، أو حدثني الحكم، عن سعيد بن جبير، قال سألت ابن عباس فقال لما نزلت التي في الفرقان ‏{‏ والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله إلا بالحق ‏}‏ قال مشركو أهل مكة قد قتلنا النفس التي حرم الله ودعونا مع الله إلها آخر وأتينا الفواحش ‏.‏ فأنزل الله ‏{‏ إلا من تاب وآمن وعمل عملا صالحا فأولئك يبدل الله سيئاتهم حسنات ‏}‏ فهذه لأولئك قال وأما التي في النساء ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم ‏}‏ الآية قال الرجل إذا عرف شرائع الإسلام ثم قتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم لا توبة له ‏.‏ فذكرت هذا لمجاهد فقال إلا من ندم ‏.‏

সাঈদ ইবনু জুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে উপরোক্ত আয়াত সম্পর্কে বললাম। তিনি বলেন, সূরাহ ফুরকানের এই আয়াত যখন নাযিল হলো, “যারা আল্লাহ সঙ্গে অন্য কোন কিছুকে ইলাহ্ বলে ডাকে না এবং যে আত্মাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করে না; কিন্তু সত্য বা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তা করে।” তখন মাক্কাহ্র মুশরিকরা বললো, আমরাই তো আল্লাহর নিষিদ্ধ করা আত্মা হত্যা করেছি এবং আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহকে ডেকেছি ও ব্যভিচার করেছি। মহান আল্লাহ তখন অবতীর্ণ করলেনঃ “কিন্তু যারা তাওবাহ করবে ও ঈমান এনে সৎকাজ করবে, আল্লাহ তাদের অন্যায়গুলো পরিবর্তন করে নেকী দিবেন”। আর এ আয়াত তাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, সূরাহ আন-নিসার এই আয়াত সম্পর্কে “যে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ঈমানদারকে হত্যা করবে, তার পরিণাম হবে জাহান্নাম” (৪:৬৮)। তিনি বলেছেন, লোকটি যখন ইসলামী শরীআতের পরিচয় পাওয়ার পর কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার পরিণাম জাহান্নাম। তার কোন তাওবাহ কবুল হবে না। একথা মুজাহিদের নিকট বর্ণনা করায় তিনি বললেন, কিন্তু যে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে তাওবাহ করবে তার তাওবাহ গ্রহণ হবে।

সাঈদ ইবনু জুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে উপরোক্ত আয়াত সম্পর্কে বললাম। তিনি বলেন, সূরাহ ফুরকানের এই আয়াত যখন নাযিল হলো, “যারা আল্লাহ সঙ্গে অন্য কোন কিছুকে ইলাহ্ বলে ডাকে না এবং যে আত্মাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করে না; কিন্তু সত্য বা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য তা করে।” তখন মাক্কাহ্র মুশরিকরা বললো, আমরাই তো আল্লাহর নিষিদ্ধ করা আত্মা হত্যা করেছি এবং আল্লাহর সঙ্গে অন্য ইলাহকে ডেকেছি ও ব্যভিচার করেছি। মহান আল্লাহ তখন অবতীর্ণ করলেনঃ “কিন্তু যারা তাওবাহ করবে ও ঈমান এনে সৎকাজ করবে, আল্লাহ তাদের অন্যায়গুলো পরিবর্তন করে নেকী দিবেন”। আর এ আয়াত তাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, সূরাহ আন-নিসার এই আয়াত সম্পর্কে “যে ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ঈমানদারকে হত্যা করবে, তার পরিণাম হবে জাহান্নাম” (৪:৬৮)। তিনি বলেছেন, লোকটি যখন ইসলামী শরীআতের পরিচয় পাওয়ার পর কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার পরিণাম জাহান্নাম। তার কোন তাওবাহ কবুল হবে না। একথা মুজাহিদের নিকট বর্ণনা করায় তিনি বললেন, কিন্তু যে অনুতপ্ত ও লজ্জিত হয়ে তাওবাহ করবে তার তাওবাহ গ্রহণ হবে।

حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا جرير، عن منصور، عن سعيد بن جبير، أو حدثني الحكم، عن سعيد بن جبير، قال سألت ابن عباس فقال لما نزلت التي في الفرقان ‏{‏ والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله إلا بالحق ‏}‏ قال مشركو أهل مكة قد قتلنا النفس التي حرم الله ودعونا مع الله إلها آخر وأتينا الفواحش ‏.‏ فأنزل الله ‏{‏ إلا من تاب وآمن وعمل عملا صالحا فأولئك يبدل الله سيئاتهم حسنات ‏}‏ فهذه لأولئك قال وأما التي في النساء ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم ‏}‏ الآية قال الرجل إذا عرف شرائع الإسلام ثم قتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم لا توبة له ‏.‏ فذكرت هذا لمجاهد فقال إلا من ندم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৪

حدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثنا حجاج، عن ابن جريج، حدثني يعلى، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في هذه القصة في ‏{‏ الذين لا يدعون مع الله إلها آخر ‏}‏ أهل الشرك قال ونزل ‏{‏ يا عبادي الذين أسرفوا على أنفسهم ‏}‏ ‏.‏

উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ আয়াত “যারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ্কে ডাকে না”- মুশরিকদের পরে নও-মুসলিমদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছে, আরো নাযিল হয়েছে “হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর সীমা লঙ্ঘন করেছ; তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না”। [৪২৭৩]

উক্ত ঘটনা প্রসঙ্গে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এ আয়াত “যারা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ্কে ডাকে না”- মুশরিকদের পরে নও-মুসলিমদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছে, আরো নাযিল হয়েছে “হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর সীমা লঙ্ঘন করেছ; তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না”। [৪২৭৩]

حدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثنا حجاج، عن ابن جريج، حدثني يعلى، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في هذه القصة في ‏{‏ الذين لا يدعون مع الله إلها آخر ‏}‏ أهل الشرك قال ونزل ‏{‏ يا عبادي الذين أسرفوا على أنفسهم ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭১

حدثنا عبد الرحمن بن عمرو، عن محمد بن مبارك، حدثنا صدقة بن خالد، أو غيره قال قال خالد بن دهقان سألت يحيى بن يحيى الغساني عن قوله ‏ "‏ اعتبط بقتله ‏"‏ ‏.‏ قال الذين يقاتلون في الفتنة فيقتل أحدهم فيرى أنه على هدى لا يستغفر الله - يعني - من ذلك ‏.‏ قال أبو داود وقال فاعتبط يصب دمه صبا ‏.‏

সাদাক্বাহ ইবনু খালিদ বা অন্য কারো সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খালিদ ইবনু দিহক্বান বলেছেন, আমি ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আল-গাস্‌সানীকে বললাম, তাঁর (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম))-এর বাণী “ইগ্‌তাবাতা বিকাত্‌লিহি” এর অর্থ কি? তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা ফিতনা‌য় পতিত হয়ে পরস্পর যুদ্ধ করবে। অতঃপর কাউকে হত্যার পর দেখতে পাবে, নিহত ব্যক্তি হিদায়াতের উপর ছিলো। আর সে এজন্য আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করে না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, তিনি বলেছেন, “ফা’তাবাতা’ এর অর্থ সে অধিক রক্তপাত ঘটিয়েছে। [৪২৭০]

সাদাক্বাহ ইবনু খালিদ বা অন্য কারো সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খালিদ ইবনু দিহক্বান বলেছেন, আমি ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আল-গাস্‌সানীকে বললাম, তাঁর (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম))-এর বাণী “ইগ্‌তাবাতা বিকাত্‌লিহি” এর অর্থ কি? তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যারা ফিতনা‌য় পতিত হয়ে পরস্পর যুদ্ধ করবে। অতঃপর কাউকে হত্যার পর দেখতে পাবে, নিহত ব্যক্তি হিদায়াতের উপর ছিলো। আর সে এজন্য আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করে না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, তিনি বলেছেন, “ফা’তাবাতা’ এর অর্থ সে অধিক রক্তপাত ঘটিয়েছে। [৪২৭০]

حدثنا عبد الرحمن بن عمرو، عن محمد بن مبارك، حدثنا صدقة بن خالد، أو غيره قال قال خالد بن دهقان سألت يحيى بن يحيى الغساني عن قوله ‏ "‏ اعتبط بقتله ‏"‏ ‏.‏ قال الذين يقاتلون في الفتنة فيقتل أحدهم فيرى أنه على هدى لا يستغفر الله - يعني - من ذلك ‏.‏ قال أبو داود وقال فاعتبط يصب دمه صبا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৬

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا أبو شهاب، عن سليمان التيمي، عن أبي مجلز، في قوله ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم ‏}‏ قال هي جزاؤه فإن شاء الله أن يتجاوز عنه فعل ‏.‏

আবূ মিজলায (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মহান আল্লাহর এ বানী প্রসঙ্গে বলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার শাস্তি হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম”, এটা হলো তার পরিণাম। তবে আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করতে পারেন। [৪২৭৫]

আবূ মিজলায (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মহান আল্লাহর এ বানী প্রসঙ্গে বলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার শাস্তি হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম”, এটা হলো তার পরিণাম। তবে আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করতে পারেন। [৪২৭৫]

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا أبو شهاب، عن سليمان التيمي، عن أبي مجلز، في قوله ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم ‏}‏ قال هي جزاؤه فإن شاء الله أن يتجاوز عنه فعل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৬

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا أبو شهاب، عن سليمان التيمي، عن أبي مجلز، في قوله ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم ‏}‏ قال هي جزاؤه فإن شاء الله أن يتجاوز عنه فعل ‏.‏

আবূ মিজলায (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মহান আল্লাহর এ বানী প্রসঙ্গে বলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার শাস্তি হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম”, এটা হলো তার পরিণাম। তবে আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করতে পারেন। [৪২৭৫]

আবূ মিজলায (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মহান আল্লাহর এ বানী প্রসঙ্গে বলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন ঈমানদারকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তার শাস্তি হবে চিরস্থায়ী জাহান্নাম”, এটা হলো তার পরিণাম। তবে আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করতে পারেন। [৪২৭৫]

حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا أبو شهاب، عن سليمان التيمي، عن أبي مجلز، في قوله ‏{‏ ومن يقتل مؤمنا متعمدا فجزاؤه جهنم ‏}‏ قال هي جزاؤه فإن شاء الله أن يتجاوز عنه فعل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > শহীদ হওয়ার আশা পোষণ

সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৭

حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن منصور، عن هلال بن يساف، عن سعيد بن زيد، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فذكر فتنة فعظم أمرها فقلنا أو قالوا يا رسول الله لئن أدركتنا هذه لتهلكنا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كلا إن بحسبكم القتل ‏"‏ ‏.‏ قال سعيد فرأيت إخواني قتلوا ‏.‏

সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় তিনি ফিতনা ও এর ভয়াবহতা সম্পর্কে অলোচনা করেন। তখন আমরা বললাম অথবা লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এই ফিতনা যদি আমাদের পেয়ে বসে, তবে তো ধ্বংস। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কখনো নয়, বরং তখন নিহত হলে তা তোমাদের জন্য যথেষ্ট হবে। সাঈদ (রাঃ) বলেন, পরে আমি দেখতে পেলাম, আমার ভাইয়েরা ফিতনাইয় নিহত হয়েছেন।

সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। এ সময় তিনি ফিতনা ও এর ভয়াবহতা সম্পর্কে অলোচনা করেন। তখন আমরা বললাম অথবা লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এই ফিতনা যদি আমাদের পেয়ে বসে, তবে তো ধ্বংস। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কখনো নয়, বরং তখন নিহত হলে তা তোমাদের জন্য যথেষ্ট হবে। সাঈদ (রাঃ) বলেন, পরে আমি দেখতে পেলাম, আমার ভাইয়েরা ফিতনাইয় নিহত হয়েছেন।

حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، سلام بن سليم عن منصور، عن هلال بن يساف، عن سعيد بن زيد، قال كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فذكر فتنة فعظم أمرها فقلنا أو قالوا يا رسول الله لئن أدركتنا هذه لتهلكنا ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كلا إن بحسبكم القتل ‏"‏ ‏.‏ قال سعيد فرأيت إخواني قتلوا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৪২৭৮

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا كثير بن هشام، حدثنا المسعودي، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبيه، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمتي هذه أمة مرحومة ليس عليها عذاب في الآخرة عذابها في الدنيا الفتن والزلازل والقتل ‏"‏ ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার এ উম্মাত দয়াপ্রাপ্ত, পরকালে এদের কোন শাস্তি হবে না, আর ইহকালে তাদের শাস্তি হলো ফিত্বনাসমূহ, ভূমিকম্প ও যুদ্ধবিগ্রহ।

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার এ উম্মাত দয়াপ্রাপ্ত, পরকালে এদের কোন শাস্তি হবে না, আর ইহকালে তাদের শাস্তি হলো ফিত্বনাসমূহ, ভূমিকম্প ও যুদ্ধবিগ্রহ।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا كثير بن هشام، حدثنا المسعودي، عن سعيد بن أبي بردة، عن أبيه، عن أبي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أمتي هذه أمة مرحومة ليس عليها عذاب في الآخرة عذابها في الدنيا الفتن والزلازل والقتل ‏"‏ ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00