সুনানে আবু দাউদ > তাবীয ঝুলানো
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮৪
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن مالك بن مغول، عن حصين، عن الشعبي، عن عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا رقية إلا من عين أو حمة " .
‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কেবল বদনযর লাগা কিংবা বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের চিকিৎসায় ঝাঁড়ফুঁক দেয়া যায়।
‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কেবল বদনযর লাগা কিংবা বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের চিকিৎসায় ঝাঁড়ফুঁক দেয়া যায়।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن مالك بن مغول، عن حصين، عن الشعبي، عن عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا رقية إلا من عين أو حمة " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮৩
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن يحيى بن الجزار، عن ابن أخي، زينب امرأة عبد الله عن زينب، امرأة عبد الله عن عبد الله، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الرقى والتمائم والتولة شرك " . قالت قلت لم تقول هذا والله لقد كانت عيني تقذف وكنت أختلف إلى فلان اليهودي يرقيني فإذا رقاني سكنت . فقال عبد الله إنما ذاك عمل الشيطان كان ينخسها بيده فإذا رقاها كف عنها إنما كان يكفيك أن تقولي كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أذهب الباس رب الناس اشف أنت الشافي لا شفاء إلا شفاؤك شفاء لا يغادر سقما " .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর স্ত্রী যাইনাব (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ জাদু, তাবীয ও অবৈধ প্রেম ঘটানোর মন্ত্র শির্ক-এর অন্তর্ভুক্ত। তিনি (যাইনাব) বলেন, আমি বললাম, আপনি এসব কি বলেন? আল্লাহর কসম! আমার চোখ হতে পানি পড়তো, আমি অমুক ইয়াহুদী কর্তৃক ঝাড়ফুঁক করাতাম। সে আমাকে ঝাড়ফুঁক করলে পানি পড়া বন্ধ হয়ে যেতো। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, এগুলো শয়তানের কাজ। সে নিজ হাতে চোখে যন্ত্রণা দেয়, যখন সে ঝাড়ফুঁক দেয় তখন সে বিরত থাকে। এর চেয়ে বরং তোমার জন্য এরূপ বললেই যথেষ্ট হতো, যেরূপ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “হে মানব জাতির রব! যন্ত্রণা দূর করে দিন, আরোগ্য দান করুন, আপনিই আরোগ্যদাতা, আপনার দেয়া নিরাময়ই যথার্থ নিরাময়, যার পরে আর কোন রোগ বাকী থাকে না”।
‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর স্ত্রী যাইনাব (রাঃ) ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ জাদু, তাবীয ও অবৈধ প্রেম ঘটানোর মন্ত্র শির্ক-এর অন্তর্ভুক্ত। তিনি (যাইনাব) বলেন, আমি বললাম, আপনি এসব কি বলেন? আল্লাহর কসম! আমার চোখ হতে পানি পড়তো, আমি অমুক ইয়াহুদী কর্তৃক ঝাড়ফুঁক করাতাম। সে আমাকে ঝাড়ফুঁক করলে পানি পড়া বন্ধ হয়ে যেতো। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, এগুলো শয়তানের কাজ। সে নিজ হাতে চোখে যন্ত্রণা দেয়, যখন সে ঝাড়ফুঁক দেয় তখন সে বিরত থাকে। এর চেয়ে বরং তোমার জন্য এরূপ বললেই যথেষ্ট হতো, যেরূপ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ “হে মানব জাতির রব! যন্ত্রণা দূর করে দিন, আরোগ্য দান করুন, আপনিই আরোগ্যদাতা, আপনার দেয়া নিরাময়ই যথার্থ নিরাময়, যার পরে আর কোন রোগ বাকী থাকে না”।
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن عمرو بن مرة، عن يحيى بن الجزار، عن ابن أخي، زينب امرأة عبد الله عن زينب، امرأة عبد الله عن عبد الله، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الرقى والتمائم والتولة شرك " . قالت قلت لم تقول هذا والله لقد كانت عيني تقذف وكنت أختلف إلى فلان اليهودي يرقيني فإذا رقاني سكنت . فقال عبد الله إنما ذاك عمل الشيطان كان ينخسها بيده فإذا رقاها كف عنها إنما كان يكفيك أن تقولي كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " أذهب الباس رب الناس اشف أنت الشافي لا شفاء إلا شفاؤك شفاء لا يغادر سقما " .
সুনানে আবু দাউদ > ঝাড়ফুঁক সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮৬
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني معاوية، عن عبد الرحمن بن جبير، عن أبيه، عن عوف بن مالك، قال كنا نرقي في الجاهلية فقلنا يا رسول الله كيف ترى في ذلك فقال " اعرضوا على رقاكم لا بأس بالرقى ما لم تكن شركا " .
‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী যুগে ঝাড়ফুঁক করতাম। অতঃপর আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? তিনি বলেনঃ তোমাদের ঝাড়ফুঁকের ব্যবস্থাগুলো আমার সামনে পেশ করো; তবে যেসব ঝাড়ফুঁক শিরকের পর্যায়ে পড়ে না, তাতে কোন দোষ নেই।
‘আওফ ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা জাহিলী যুগে ঝাড়ফুঁক করতাম। অতঃপর আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? তিনি বলেনঃ তোমাদের ঝাড়ফুঁকের ব্যবস্থাগুলো আমার সামনে পেশ করো; তবে যেসব ঝাড়ফুঁক শিরকের পর্যায়ে পড়ে না, তাতে কোন দোষ নেই।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني معاوية، عن عبد الرحمن بن جبير، عن أبيه، عن عوف بن مالك، قال كنا نرقي في الجاهلية فقلنا يا رسول الله كيف ترى في ذلك فقال " اعرضوا على رقاكم لا بأس بالرقى ما لم تكن شركا " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮৭
حدثنا إبراهيم بن مهدي المصيصي، حدثنا علي بن مسهر، عن عبد العزيز بن عمر بن عبد العزيز، عن صالح بن كيسان، عن أبي بكر بن سليمان بن أبي حثمة، عن الشفاء بنت عبد الله، قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عند حفصة فقال لي " ألا تعلمين هذه رقية النملة كما علمتيها الكتابة " .
আশ-শিফা বিনতু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি হাফসাহ (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি ওকে (হাফসাহকে) যেভাবে লেখা শিখিয়েছো, সেভাবে পিপড়া (পোকা) কামড়ের ঝাড়ফুঁক শিক্ষা দাও না কেন।
আশ-শিফা বিনতু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি হাফসাহ (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এসে বললেনঃ তুমি ওকে (হাফসাহকে) যেভাবে লেখা শিখিয়েছো, সেভাবে পিপড়া (পোকা) কামড়ের ঝাড়ফুঁক শিক্ষা দাও না কেন।
حدثنا إبراهيم بن مهدي المصيصي، حدثنا علي بن مسهر، عن عبد العزيز بن عمر بن عبد العزيز، عن صالح بن كيسان، عن أبي بكر بن سليمان بن أبي حثمة، عن الشفاء بنت عبد الله، قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا عند حفصة فقال لي " ألا تعلمين هذه رقية النملة كما علمتيها الكتابة " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮৮
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عثمان بن حكيم، حدثتني جدتي الرباب، قالت سمعت سهل بن حنيف، يقول مررنا بسيل فدخلت فاغتسلت فيه فخرجت محموما فنمي ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " مروا أبا ثابت يتعوذ " . قالت فقلت يا سيدي والرقى صالحة فقال " لا رقية إلا في نفس أو حمة أو لدغة " . قال أبو داود الحمة من الحيات وما يلسع .
রাবাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহ্ল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি বন্যার প্রবহমান পানির পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে তাতে নেমে গোসল করায় জ্বরে আক্রান্ত হই। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌছলে তিনি বলেনঃ তোমরা আবূ সাবিতকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে আদেশ দাও। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আমার নেতা! ঝাড়ফুঁক কি ফলদায়ক? তিনি বলেন, শুধুমাত্র বদনযর লাগা বা সাপ-বিছার দংশনে ঝাড়ফুঁক দেয়া চলে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘হামাহ’ হলো সাপ ও বিষধর কীটের কামড়।
রাবাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাহ্ল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি বন্যার প্রবহমান পানির পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে তাতে নেমে গোসল করায় জ্বরে আক্রান্ত হই। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌছলে তিনি বলেনঃ তোমরা আবূ সাবিতকে আশ্রয় প্রার্থনা করতে আদেশ দাও। তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আমার নেতা! ঝাড়ফুঁক কি ফলদায়ক? তিনি বলেন, শুধুমাত্র বদনযর লাগা বা সাপ-বিছার দংশনে ঝাড়ফুঁক দেয়া চলে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ‘হামাহ’ হলো সাপ ও বিষধর কীটের কামড়।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا عثمان بن حكيم، حدثتني جدتي الرباب، قالت سمعت سهل بن حنيف، يقول مررنا بسيل فدخلت فاغتسلت فيه فخرجت محموما فنمي ذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " مروا أبا ثابت يتعوذ " . قالت فقلت يا سيدي والرقى صالحة فقال " لا رقية إلا في نفس أو حمة أو لدغة " . قال أبو داود الحمة من الحيات وما يلسع .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮৯
حدثنا سليمان بن داود، حدثنا شريك، ح وحدثنا العباس العنبري، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك، عن العباس بن ذريح، عن الشعبي، - قال العباس - عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا رقية إلا من عين أو حمة أو دم يرقأ " . لم يذكر العباس العين وهذا لفظ سليمان بن داود .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেবল বদনযর লাগা বা বিষাক্ত প্রাণীর দংশন বা রক্ত বইতে থাকলে ঝাড়ফুঁক দেয়া চলে। বর্ণনাকারী আল-‘আব্বাস (রহঃ) বদনযর-এর উল্লেখ করেননি। তবে সুলায়মান ইবনু দাঊদ তা উল্লেখ করেছেন। [৩৮৮৯] দুর্বলঃ মিশকাত (৪৫৫৭)।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেবল বদনযর লাগা বা বিষাক্ত প্রাণীর দংশন বা রক্ত বইতে থাকলে ঝাড়ফুঁক দেয়া চলে। বর্ণনাকারী আল-‘আব্বাস (রহঃ) বদনযর-এর উল্লেখ করেননি। তবে সুলায়মান ইবনু দাঊদ তা উল্লেখ করেছেন। [৩৮৮৯] দুর্বলঃ মিশকাত (৪৫৫৭)।
حدثنا سليمان بن داود، حدثنا شريك، ح وحدثنا العباس العنبري، حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا شريك، عن العباس بن ذريح، عن الشعبي، - قال العباس - عن أنس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا رقية إلا من عين أو حمة أو دم يرقأ " . لم يذكر العباس العين وهذا لفظ سليمان بن داود .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৮৫
حدثنا أحمد بن صالح، وابن السرح، - قال أحمد حدثنا ابن وهب، وقال ابن السرح، - أخبرنا ابن وهب، حدثنا داود بن عبد الرحمن، عن عمرو بن يحيى، عن يوسف بن محمد، - وقال ابن صالح محمد بن يوسف بن ثابت بن قيس بن شماس - عن أبيه، عن جده، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه دخل على ثابت بن قيس - قال أحمد - وهو مريض فقال " اكشف الباس رب الناس " . عن ثابت بن قيس ثم أخذ ترابا من بطحان فجعله في قدح ثم نفث عليه بماء وصبه عليه . قال أبو داود قال ابن السرح يوسف بن محمد وهو الصواب .
মুহম্মাদ ইবনু ইউসুফ ইবনু সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাস (রহঃ) হতে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাবিত ইবনু ক্বায়িস (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। আহমাদ বলেন, তিনি তখন অসুস্থ ছিলেন। তিনি বলেনঃ হে মানুষের রব! সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাসের রোগ দূর করে দিন। অতঃপর তিনি বাতহান নামক উপত্যকার কিছু ধুলামাটি নিয়ে একটি পাত্রে রাখলেন এবং পানিতে মিশিয়ে তার দেহে ঢেলে দিলেন। [৩৮৮৫]
মুহম্মাদ ইবনু ইউসুফ ইবনু সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাস (রহঃ) হতে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাবিত ইবনু ক্বায়িস (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। আহমাদ বলেন, তিনি তখন অসুস্থ ছিলেন। তিনি বলেনঃ হে মানুষের রব! সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাসের রোগ দূর করে দিন। অতঃপর তিনি বাতহান নামক উপত্যকার কিছু ধুলামাটি নিয়ে একটি পাত্রে রাখলেন এবং পানিতে মিশিয়ে তার দেহে ঢেলে দিলেন। [৩৮৮৫]
حدثنا أحمد بن صالح، وابن السرح، - قال أحمد حدثنا ابن وهب، وقال ابن السرح، - أخبرنا ابن وهب، حدثنا داود بن عبد الرحمن، عن عمرو بن يحيى، عن يوسف بن محمد، - وقال ابن صالح محمد بن يوسف بن ثابت بن قيس بن شماس - عن أبيه، عن جده، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه دخل على ثابت بن قيس - قال أحمد - وهو مريض فقال " اكشف الباس رب الناس " . عن ثابت بن قيس ثم أخذ ترابا من بطحان فجعله في قدح ثم نفث عليه بماء وصبه عليه . قال أبو داود قال ابن السرح يوسف بن محمد وهو الصواب .
সুনানে আবু দাউদ > ঝাড়ফুঁক করার পদ্ধতি
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯০
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز بن صهيب، قال قال أنس - يعني - لثابت ألا أرقيك برقية رسول الله قال بلى . قال فقال " اللهم رب الناس مذهب الباس اشف أنت الشافي لا شافي إلا أنت اشفه شفاء لا يغادر سقما " .
‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আনাস (রাঃ) সাবিত (রাঃ)-কে বললেন, আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঝাড়ফুঁকের বাক্য দ্বারা ঝাড়ফুঁক করবো না? তিনি বললেন, হাঁ। আনাস (রাঃ) বলেন, “হে আল্লাহ, মানুষের রব! যন্ত্রণা দূরকারী! রোগমুক্তি দিন, রোগমুক্তির মালিক একমাত্র আপনিই। এমন রোগমুক্তি দিন যাতে কোন রোগই অবশিষ্ট না থাকে।
‘আবদুল ‘আযীয ইবনু সুহাইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আনাস (রাঃ) সাবিত (রাঃ)-কে বললেন, আমি কি তোমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ঝাড়ফুঁকের বাক্য দ্বারা ঝাড়ফুঁক করবো না? তিনি বললেন, হাঁ। আনাস (রাঃ) বলেন, “হে আল্লাহ, মানুষের রব! যন্ত্রণা দূরকারী! রোগমুক্তি দিন, রোগমুক্তির মালিক একমাত্র আপনিই। এমন রোগমুক্তি দিন যাতে কোন রোগই অবশিষ্ট না থাকে।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عبد العزيز بن صهيب، قال قال أنس - يعني - لثابت ألا أرقيك برقية رسول الله قال بلى . قال فقال " اللهم رب الناس مذهب الباس اشف أنت الشافي لا شافي إلا أنت اشفه شفاء لا يغادر سقما " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯১
حدثنا عبد الله القعنبي، عن مالك، عن يزيد بن خصيفة، أن عمرو بن عبد الله بن كعب السلمي، أخبره أن نافع بن جبير أخبره عن عثمان بن أبي العاص، أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم قال عثمان وبي وجع قد كاد يهلكني قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " امسحه بيمينك سبع مرات وقل أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد " . قال ففعلت ذلك فأذهب الله عز وجل ما كان بي فلم أزل آمر به أهلي وغيرهم .
‘উসমান ইবনু আবুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি শরীর ব্যথায় প্রায় মুমূর্ষু অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসতাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি সাতবার তোমার ডান হাত ব্যথার স্থানে বুলাতে থাকো এবং বলো, “আমি যে ব্যথা অনুভব করছি তা হতে মহাসম্মানিত আল্লাহ ও তাঁর ক্ষমতার নিকট আশ্রয় চাইছি।” তিনি বলেন, অতঃপর আমি তাই করলাম, আল্লাহ আমার ব্যথা দূর করে দিলেন। পরে সর্বদা আমি আমার পরিজন ও অন্যদের এরূপ করার আদেশ দেই।
‘উসমান ইবনু আবুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি শরীর ব্যথায় প্রায় মুমূর্ষু অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসতাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তুমি সাতবার তোমার ডান হাত ব্যথার স্থানে বুলাতে থাকো এবং বলো, “আমি যে ব্যথা অনুভব করছি তা হতে মহাসম্মানিত আল্লাহ ও তাঁর ক্ষমতার নিকট আশ্রয় চাইছি।” তিনি বলেন, অতঃপর আমি তাই করলাম, আল্লাহ আমার ব্যথা দূর করে দিলেন। পরে সর্বদা আমি আমার পরিজন ও অন্যদের এরূপ করার আদেশ দেই।
حدثنا عبد الله القعنبي، عن مالك، عن يزيد بن خصيفة، أن عمرو بن عبد الله بن كعب السلمي، أخبره أن نافع بن جبير أخبره عن عثمان بن أبي العاص، أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم قال عثمان وبي وجع قد كاد يهلكني قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " امسحه بيمينك سبع مرات وقل أعوذ بعزة الله وقدرته من شر ما أجد " . قال ففعلت ذلك فأذهب الله عز وجل ما كان بي فلم أزل آمر به أهلي وغيرهم .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯৫
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبد ربه، - يعني ابن سعيد - عن عمرة، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول للإنسان إذا اشتكى يقول بريقه ثم قال به في التراب " تربة أرضنا بريقة بعضنا يشفى سقيمنا بإذن ربنا " .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কেউ ব্যথার অভিযোগ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মুখের থুথু বের করে তাতে মাটি মিশিয়ে বলতেনঃ “আমাদের এ পৃথিবীর মাটিতে আমাদের কারো থুথু মিশালে আমাদের রবের আদেশে আমাদের রোগী ভাল হয়ে যায়।”
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কেউ ব্যথার অভিযোগ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মুখের থুথু বের করে তাতে মাটি মিশিয়ে বলতেনঃ “আমাদের এ পৃথিবীর মাটিতে আমাদের কারো থুথু মিশালে আমাদের রবের আদেশে আমাদের রোগী ভাল হয়ে যায়।”
حدثنا زهير بن حرب، وعثمان بن أبي شيبة، قالا حدثنا سفيان بن عيينة، عن عبد ربه، - يعني ابن سعيد - عن عمرة، عن عائشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقول للإنسان إذا اشتكى يقول بريقه ثم قال به في التراب " تربة أرضنا بريقة بعضنا يشفى سقيمنا بإذن ربنا " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯৪
حدثنا أحمد بن أبي سريج الرازي، أخبرنا مكي بن إبراهيم، حدثنا يزيد بن أبي عبيد، قال رأيت أثر ضربة في ساق سلمة فقلت ما هذه قال أصابتني يوم خيبر فقال الناس أصيب سلمة فأتي بي رسول الله صلى الله عليه وسلم فنفث في ثلاث نفثات فما اشتكيتها حتى الساعة .
ইয়াযীদ ইবনু আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি সালামাহ (রাঃ) এর পায়ের গোছায় একটি ক্ষতচিহ্ন দেখে বললাম, এটা কি? তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধে এখানে আঘাত পেয়েছিলাম। লোকেরা বলতে লাগলো যে, সালামাহ আহত হয়েছেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমার নিকট আনা হলে তিনি আমার ক্ষতস্থানে তিনবার ফুঁ দিলেন। ফলে আজ পর্যন্ত আমি তাতে কোন ব্যথা অনুভব করি না।
ইয়াযীদ ইবনু আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি সালামাহ (রাঃ) এর পায়ের গোছায় একটি ক্ষতচিহ্ন দেখে বললাম, এটা কি? তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধে এখানে আঘাত পেয়েছিলাম। লোকেরা বলতে লাগলো যে, সালামাহ আহত হয়েছেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমার নিকট আনা হলে তিনি আমার ক্ষতস্থানে তিনবার ফুঁ দিলেন। ফলে আজ পর্যন্ত আমি তাতে কোন ব্যথা অনুভব করি না।
حدثنا أحمد بن أبي سريج الرازي، أخبرنا مكي بن إبراهيم، حدثنا يزيد بن أبي عبيد، قال رأيت أثر ضربة في ساق سلمة فقلت ما هذه قال أصابتني يوم خيبر فقال الناس أصيب سلمة فأتي بي رسول الله صلى الله عليه وسلم فنفث في ثلاث نفثات فما اشتكيتها حتى الساعة .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯৯
حدثنا حيوة بن شريح، حدثنا بقية، حدثني الزبيدي، عن الزهري، عن طارق، - يعني ابن مخاشن - عن أبي هريرة، قال أتي النبي صلى الله عليه وسلم بلديغ لدغته عقرب قال فقال " لو قال أعوذ بكلمات الله التامة من شر ما خلق لم يلدغ " . أو " لم تضره " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা বিছায় দংশিত এক ব্যক্তিকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হলে তিনি বললেনঃ সে যদি বলতোঃ (অর্থ) “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের সাহায্যে তাঁর সৃষ্ট বস্তুর অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই”, তাহলে তা তাকে দংশন করতে পারতো না অথবা তার ক্ষতি করতে পারতো না। [৩৮৯৯]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা বিছায় দংশিত এক ব্যক্তিকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আনা হলে তিনি বললেনঃ সে যদি বলতোঃ (অর্থ) “আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কালামের সাহায্যে তাঁর সৃষ্ট বস্তুর অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই”, তাহলে তা তাকে দংশন করতে পারতো না অথবা তার ক্ষতি করতে পারতো না। [৩৮৯৯]
حدثنا حيوة بن شريح، حدثنا بقية، حدثني الزبيدي، عن الزهري، عن طارق، - يعني ابن مخاشن - عن أبي هريرة، قال أتي النبي صلى الله عليه وسلم بلديغ لدغته عقرب قال فقال " لو قال أعوذ بكلمات الله التامة من شر ما خلق لم يلدغ " . أو " لم تضره " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯৮
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، قال سمعت رجلا، من أسلم قال كنت جالسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء رجل من أصحابه فقال يا رسول الله لدغت الليلة فلم أنم حتى أصبحت . قال " ماذا " . قال عقرب . قال " أما إنك لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك إن شاء الله " .
আবূ সালিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আস্লাম গোত্রের এক লোককে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন তাঁর এক সঙ্গী এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি রাতে দংশিত হওয়ার কারণে সারারাত ঘুমাতে পারিনি। তিনি বললেন, কিসে দংশন করেছে? আমি বললাম, বিচ্ছু। তিনি বললেনঃ রাতের বেলায় তুমি যদি একথা বলতেঃ (অর্থ) “আমি পরিপূর্ণ কালামের দ্বারা যাবতীয় দুষ্টের খারাবী হতে আশ্রয় চাইছি”, তাহলে আল্লাহর ইচ্ছায় কোন কিছুই তোমার ক্ষতি করতে পারতো না।
আবূ সালিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আস্লাম গোত্রের এক লোককে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন তাঁর এক সঙ্গী এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি রাতে দংশিত হওয়ার কারণে সারারাত ঘুমাতে পারিনি। তিনি বললেন, কিসে দংশন করেছে? আমি বললাম, বিচ্ছু। তিনি বললেনঃ রাতের বেলায় তুমি যদি একথা বলতেঃ (অর্থ) “আমি পরিপূর্ণ কালামের দ্বারা যাবতীয় দুষ্টের খারাবী হতে আশ্রয় চাইছি”, তাহলে আল্লাহর ইচ্ছায় কোন কিছুই তোমার ক্ষতি করতে পারতো না।
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، قال سمعت رجلا، من أسلم قال كنت جالسا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء رجل من أصحابه فقال يا رسول الله لدغت الليلة فلم أنم حتى أصبحت . قال " ماذا " . قال عقرب . قال " أما إنك لو قلت حين أمسيت أعوذ بكلمات الله التامات من شر ما خلق لم تضرك إن شاء الله " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৯০২
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى يقرأ في نفسه بالمعوذات وينفث فلما اشتد وجعه كنت أقرأ عليه وأمسح عليه بيده رجاء بركتها .
নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যথা অনুভব করলে তিনি নিজেই ‘মুআব্বিজাত’ সূরাহগুলো (অর্থাৎ সূরাহ নাস ও ফালাক) পড়ে ফুঁ দিতেন। ব্যথা বৃদ্ধি পেলে আমি তা পড়ে তাঁর হাতে ফুঁ দিয়ে তা তাঁর ব্যথায় স্থানে বুলিয়ে দিতাম বরকত লাভের আশায়।
নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন ব্যথা অনুভব করলে তিনি নিজেই ‘মুআব্বিজাত’ সূরাহগুলো (অর্থাৎ সূরাহ নাস ও ফালাক) পড়ে ফুঁ দিতেন। ব্যথা বৃদ্ধি পেলে আমি তা পড়ে তাঁর হাতে ফুঁ দিয়ে তা তাঁর ব্যথায় স্থানে বুলিয়ে দিতাম বরকত লাভের আশায়।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا اشتكى يقرأ في نفسه بالمعوذات وينفث فلما اشتد وجعه كنت أقرأ عليه وأمسح عليه بيده رجاء بركتها .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯২
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن زياد بن محمد، عن محمد بن كعب القرظي، عن فضالة بن عبيد، عن أبي الدرداء، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من اشتكى منكم شيئا أو اشتكاه أخ له فليقل ربنا الله الذي في السماء تقدس اسمك أمرك في السماء والأرض كما رحمتك في السماء فاجعل رحمتك في الأرض اغفر لنا حوبنا وخطايانا أنت رب الطيبين أنزل رحمة من رحمتك وشفاء من شفائك على هذا الوجع فيبرأ " .
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ বা কারো ভাই যদি অসুস্থ হয় তবে সে যেন বলেঃ “হে আমাদের আসমানের রব, আল্লাহ! তোমার পবিত্র নাম, তোমার যাবতীয় নির্দেশ আসমান-যমীনে কার্যকর। আপনার রহমাত যেমন আকাশে বিদ্যমান, তেমন যমীনেও রহমাত বর্ষণ করুন; আমাদের পাপ ও অপরাধসমূহ ক্ষমা করুন। আপনি পবিত্র বান্দাদের রব, আপনার দয়া থেকে দয়া বর্ষণ করুন এবং এ রোগের জন্য আপনার আরোগ্য ব্যবস্থা থেকে রোগমুক্তি দিন”। তাহলে সে আরোগ্য লাভ করবে। [৩৮৯২] দুর্বল, মিশকাত (১৫৫৫)।
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের কেউ বা কারো ভাই যদি অসুস্থ হয় তবে সে যেন বলেঃ “হে আমাদের আসমানের রব, আল্লাহ! তোমার পবিত্র নাম, তোমার যাবতীয় নির্দেশ আসমান-যমীনে কার্যকর। আপনার রহমাত যেমন আকাশে বিদ্যমান, তেমন যমীনেও রহমাত বর্ষণ করুন; আমাদের পাপ ও অপরাধসমূহ ক্ষমা করুন। আপনি পবিত্র বান্দাদের রব, আপনার দয়া থেকে দয়া বর্ষণ করুন এবং এ রোগের জন্য আপনার আরোগ্য ব্যবস্থা থেকে রোগমুক্তি দিন”। তাহলে সে আরোগ্য লাভ করবে। [৩৮৯২] দুর্বল, মিশকাত (১৫৫৫)।
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الرملي، حدثنا الليث، عن زياد بن محمد، عن محمد بن كعب القرظي، عن فضالة بن عبيد، عن أبي الدرداء، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من اشتكى منكم شيئا أو اشتكاه أخ له فليقل ربنا الله الذي في السماء تقدس اسمك أمرك في السماء والأرض كما رحمتك في السماء فاجعل رحمتك في الأرض اغفر لنا حوبنا وخطايانا أنت رب الطيبين أنزل رحمة من رحمتك وشفاء من شفائك على هذا الوجع فيبرأ " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৯০০
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، أن رهطا، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم انطلقوا في سفرة سافروها فنزلوا بحى من أحياء العرب فقال بعضهم إن سيدنا لدغ فهل عند أحد منكم شىء ينفع صاحبنا فقال رجل من القوم نعم والله إني لأرقي ولكن استضفناكم فأبيتم أن تضيفونا ما أنا براق حتى تجعلوا لي جعلا . فجعلوا له قطيعا من الشاء فأتاه فقرأ عليه أم الكتاب ويتفل حتى برأ كأنما أنشط من عقال . قال فأوفاهم جعلهم الذي صالحوهم عليه فقالوا اقتسموا . فقال الذي رقى لا تفعلوا حتى نأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم فنستأمره . فغدوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكروا له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أين علمتم أنها رقية أحسنتم اقتسموا واضربوا لي معكم بسهم " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল সাহাবী একটি স্থানের দিকে সফরে বের হলেন। পথে আরব বেদুঈনদের এক জনপদে তারা যাত্রাবিরতি করলে তাদের কেউ এসে বললো, আমাদের নেতাকে বিষাক্ত প্রাণী দংশন করেছে। তোমাদের কারো এমন কিছু জানা আছে কি যাতে তাঁর উপকার হয়? সফরকারী দলের একজন বললেন, হাঁ, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি ঝাড়ফুঁক করি। কিন্তু আমরা তোমাদের নিকট আতিথেয়তা চেয়েছিলাম, তোমরা তা অস্বীকার করেছ। কাজেই তোমরা আমার জন্য বিনিময় নির্ধারণ না করলে আমি ঝাড়ফুঁক করবো না। সুতরাং তারা একপাল বক্রী দেয়ার চুক্তি করলো। তিনি রোগীর নিকট এসে সূরাহ ফাতিহা পাঠ করে থুথু ছিটিয়ে দিলেন। সে সুস্থ হয়ে উঠলো, মনে হলো যেন সে বন্দীর শিকল হতে মুক্তি পেয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তারা চুক্তি মোতাবেক সব বিনিময় প্রদান করলো। দলের কয়েকজন বললো, এগুলো বন্টন করে দাও। কিন্তু ঝাড়ফুঁককারী বললো, না, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে এ ব্যাপারে তাঁর পরামর্শ না নেয়া পর্যন্ত এরূপ করবো না। অতঃপর তারা সকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাকে ঘটনাটি জানালেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সূরাহ দ্বারা যে ঝাড়ফুঁক করা যায় তা তোমরা কিভাবে জানলে? তোমরা ভালই করেছো। এগুলো বন্টন করে নাও এবং তোমাদের সঙ্গে আমাকেও একটি অংশ দিও।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর একদল সাহাবী একটি স্থানের দিকে সফরে বের হলেন। পথে আরব বেদুঈনদের এক জনপদে তারা যাত্রাবিরতি করলে তাদের কেউ এসে বললো, আমাদের নেতাকে বিষাক্ত প্রাণী দংশন করেছে। তোমাদের কারো এমন কিছু জানা আছে কি যাতে তাঁর উপকার হয়? সফরকারী দলের একজন বললেন, হাঁ, আল্লাহর কসম! নিশ্চয়ই আমি ঝাড়ফুঁক করি। কিন্তু আমরা তোমাদের নিকট আতিথেয়তা চেয়েছিলাম, তোমরা তা অস্বীকার করেছ। কাজেই তোমরা আমার জন্য বিনিময় নির্ধারণ না করলে আমি ঝাড়ফুঁক করবো না। সুতরাং তারা একপাল বক্রী দেয়ার চুক্তি করলো। তিনি রোগীর নিকট এসে সূরাহ ফাতিহা পাঠ করে থুথু ছিটিয়ে দিলেন। সে সুস্থ হয়ে উঠলো, মনে হলো যেন সে বন্দীর শিকল হতে মুক্তি পেয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তারা চুক্তি মোতাবেক সব বিনিময় প্রদান করলো। দলের কয়েকজন বললো, এগুলো বন্টন করে দাও। কিন্তু ঝাড়ফুঁককারী বললো, না, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে এ ব্যাপারে তাঁর পরামর্শ না নেয়া পর্যন্ত এরূপ করবো না। অতঃপর তারা সকলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাকে ঘটনাটি জানালেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ সূরাহ দ্বারা যে ঝাড়ফুঁক করা যায় তা তোমরা কিভাবে জানলে? তোমরা ভালই করেছো। এগুলো বন্টন করে নাও এবং তোমাদের সঙ্গে আমাকেও একটি অংশ দিও।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن أبي بشر، عن أبي المتوكل، عن أبي سعيد الخدري، أن رهطا، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم انطلقوا في سفرة سافروها فنزلوا بحى من أحياء العرب فقال بعضهم إن سيدنا لدغ فهل عند أحد منكم شىء ينفع صاحبنا فقال رجل من القوم نعم والله إني لأرقي ولكن استضفناكم فأبيتم أن تضيفونا ما أنا براق حتى تجعلوا لي جعلا . فجعلوا له قطيعا من الشاء فأتاه فقرأ عليه أم الكتاب ويتفل حتى برأ كأنما أنشط من عقال . قال فأوفاهم جعلهم الذي صالحوهم عليه فقالوا اقتسموا . فقال الذي رقى لا تفعلوا حتى نأتي رسول الله صلى الله عليه وسلم فنستأمره . فغدوا على رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكروا له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من أين علمتم أنها رقية أحسنتم اقتسموا واضربوا لي معكم بسهم " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৯০১
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، قال حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن خارجة بن الصلت التميمي، عن عمه، قال أقبلنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتينا على حى من العرب فقالوا إنا أنبئنا أنكم جئتم من عند هذا الرجل بخير فهل عندكم من دواء أو رقية فإن عندنا معتوها في القيود قال فقلنا نعم . قال فجاءوا بمعتوه في القيود - قال - فقرأت عليه فاتحة الكتاب ثلاثة أيام غدوة وعشية كلما ختمتها أجمع بزاقي ثم أتفل فكأنما نشط من عقال قال فأعطوني جعلا فقلت لا حتى أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " كل فلعمري من أكل برقية باطل لقد أكلت برقية حق " .
খারিজাহ ইবনুস সালত আত-তামীমা (রাঃ) হতে তাঁর চাচার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ হতে ফেরার পথে আরবের একটি জনপদে পৌছলাম। তারা বললো, আমরা সংবাদ পেয়েছি যে, আপনারা এ ব্যক্তি (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে কল্যাণকর কিছু নিয়ে এসেছেন। আপনাদের কারো নিকট কোন ঔষধ বা ঝাড়ফুঁকের কিছু জানা আছে কি? কেননা আমরা এক পাগলকে বেঁধে রেখেছি। তিনি বলেন, আমরা বললাম, হাঁ। তখন তারা বাঁধারত এক পাগলকে নিয়ে এলো। আমি তিন দিন ধরে সূরাহ ফাতিহা পড়ে তার উপর সকাল-সন্ধ্যা ফুঁক দিলাম এবং থুথু ছিটিয়ে দিলাম। তাতে সে যেন বন্দীদশা হতে মুক্তি লাভ করলো। অতঃপর তারা আমাকে কিছু বিনিময় দিলো। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন না করে তা গ্রহণ করতে পারি না। এ ঘটনা শুনে তিনি বললেনঃ এগুলো তুমি খেতে পারো। আমার জীবনের কসম! লোকজন তো বাতিল মন্ত্র দিয়ে রোজগার করে। আমি তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁক দ্বারা রোজগার করেছো।
খারিজাহ ইবনুস সালত আত-তামীমা (রাঃ) হতে তাঁর চাচার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ হতে ফেরার পথে আরবের একটি জনপদে পৌছলাম। তারা বললো, আমরা সংবাদ পেয়েছি যে, আপনারা এ ব্যক্তি (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে কল্যাণকর কিছু নিয়ে এসেছেন। আপনাদের কারো নিকট কোন ঔষধ বা ঝাড়ফুঁকের কিছু জানা আছে কি? কেননা আমরা এক পাগলকে বেঁধে রেখেছি। তিনি বলেন, আমরা বললাম, হাঁ। তখন তারা বাঁধারত এক পাগলকে নিয়ে এলো। আমি তিন দিন ধরে সূরাহ ফাতিহা পড়ে তার উপর সকাল-সন্ধ্যা ফুঁক দিলাম এবং থুথু ছিটিয়ে দিলাম। তাতে সে যেন বন্দীদশা হতে মুক্তি লাভ করলো। অতঃপর তারা আমাকে কিছু বিনিময় দিলো। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ বিষয়ে প্রশ্ন না করে তা গ্রহণ করতে পারি না। এ ঘটনা শুনে তিনি বললেনঃ এগুলো তুমি খেতে পারো। আমার জীবনের কসম! লোকজন তো বাতিল মন্ত্র দিয়ে রোজগার করে। আমি তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁক দ্বারা রোজগার করেছো।
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، قال حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن خارجة بن الصلت التميمي، عن عمه، قال أقبلنا من عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتينا على حى من العرب فقالوا إنا أنبئنا أنكم جئتم من عند هذا الرجل بخير فهل عندكم من دواء أو رقية فإن عندنا معتوها في القيود قال فقلنا نعم . قال فجاءوا بمعتوه في القيود - قال - فقرأت عليه فاتحة الكتاب ثلاثة أيام غدوة وعشية كلما ختمتها أجمع بزاقي ثم أتفل فكأنما نشط من عقال قال فأعطوني جعلا فقلت لا حتى أسأل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " كل فلعمري من أكل برقية باطل لقد أكلت برقية حق " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯৬
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن زكريا، قال حدثني عامر، عن خارجة بن الصلت التميمي، عن عمه، أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأسلم ثم أقبل راجعا من عنده فمر على قوم عندهم رجل مجنون موثق بالحديد فقال أهله إنا حدثنا أن صاحبكم هذا قد جاء بخير فهل عندك شىء تداويه فرقيته بفاتحة الكتاب فبرأ فأعطوني مائة شاة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال " هل إلا هذا " . وقال مسدد في موضع آخر " هل قلت غير هذا " . قلت لا . قال " خذها فلعمري لمن أكل برقية باطل لقد أكلت برقية حق " .
খারিজাহ ইবনুস সালত আত-তামীমাহ (রাঃ) হতে তার চাচার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন। অতঃপর তাঁর কাছ হতে ফেরার পথে তিনি এক গোত্রের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। সেই গোত্রের এক পাগল লোহার শিকলে বাঁধা ছিল। গোত্রের লোকেরা তাকে বললো, আমরা জানতে পারলাম যে, তোমাদের এক সাথী (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাকি কল্যাণ নিয়ে এসেছেন? তোমাদের এমন কিছু জানা আছে কি যাতে তোমরা এর চিকিৎসা করতে পারো? অতএব আমি সূরাহ ফাতিহা পড়ে তাকে ফুঁক দিলাম। সে সুস্থ হয়ে গেলো। তারা আমাকে একশটি বকরী দিলো। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে ঘটনাটি জানালে তিনি বললেনঃ এ সূরাহ ছাড়া অন্য কিছু পড়ে ফুঁক দিয়েছো কি? মুসাদ্দাদ অন্যত্র বলেন, এ সূরাহ ছাড়া অন্য কিছু বলেছ কি? আমি বললাম, না। তিনি বলেনঃ তবে এ উপহার নিতে পারো। আমার জীবনের কসম! লোকেরা বাতিল মন্ত্র পড়ে রোজগার করে! আর তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁক দ্বারা রোজগার করেছো।
খারিজাহ ইবনুস সালত আত-তামীমাহ (রাঃ) হতে তার চাচার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন। অতঃপর তাঁর কাছ হতে ফেরার পথে তিনি এক গোত্রের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। সেই গোত্রের এক পাগল লোহার শিকলে বাঁধা ছিল। গোত্রের লোকেরা তাকে বললো, আমরা জানতে পারলাম যে, তোমাদের এক সাথী (নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাকি কল্যাণ নিয়ে এসেছেন? তোমাদের এমন কিছু জানা আছে কি যাতে তোমরা এর চিকিৎসা করতে পারো? অতএব আমি সূরাহ ফাতিহা পড়ে তাকে ফুঁক দিলাম। সে সুস্থ হয়ে গেলো। তারা আমাকে একশটি বকরী দিলো। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে ঘটনাটি জানালে তিনি বললেনঃ এ সূরাহ ছাড়া অন্য কিছু পড়ে ফুঁক দিয়েছো কি? মুসাদ্দাদ অন্যত্র বলেন, এ সূরাহ ছাড়া অন্য কিছু বলেছ কি? আমি বললাম, না। তিনি বলেনঃ তবে এ উপহার নিতে পারো। আমার জীবনের কসম! লোকেরা বাতিল মন্ত্র পড়ে রোজগার করে! আর তুমি তো সত্য ঝাড়ফুঁক দ্বারা রোজগার করেছো।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن زكريا، قال حدثني عامر، عن خارجة بن الصلت التميمي، عن عمه، أنه أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فأسلم ثم أقبل راجعا من عنده فمر على قوم عندهم رجل مجنون موثق بالحديد فقال أهله إنا حدثنا أن صاحبكم هذا قد جاء بخير فهل عندك شىء تداويه فرقيته بفاتحة الكتاب فبرأ فأعطوني مائة شاة فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخبرته فقال " هل إلا هذا " . وقال مسدد في موضع آخر " هل قلت غير هذا " . قلت لا . قال " خذها فلعمري لمن أكل برقية باطل لقد أكلت برقية حق " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯৭
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن بشار، حدثنا ابن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن خارجة بن الصلت، عن عمه، أنه مر - قال - فرقاه بفاتحة الكتاب ثلاثة أيام غدوة وعشية كلما ختمها جمع بزاقه ثم تفل فكأنما أنشط من عقال فأعطوه شيئا فأتى النبي صلى الله عليه وسلم ثم ذكر معنى حديث مسدد .
খারিজাহ ইবনুস সালত (রাঃ) হতে তাঁর চাচার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তিনদিন পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা সূরাহ ফাতিহা পাঠ করে ফুঁক দিলেন। যখনি তা শেষ করেন তার মুখের থুথু একত্র করে তার উপর ছিটিয়ে দেন। দেখা গেলো, বন্দী যেন শিকল হতে মুক্তি পেলো। অতঃপর তারা তাকে এর কিছু বিনিময় দিলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সংবাদ পেলাম। অতঃপর মুসাদ্দাস বর্ণিত হাদীসের অর্থ উল্লেখ করেন।
খারিজাহ ইবনুস সালত (রাঃ) হতে তাঁর চাচার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, অতঃপর তিনি তিনদিন পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা সূরাহ ফাতিহা পাঠ করে ফুঁক দিলেন। যখনি তা শেষ করেন তার মুখের থুথু একত্র করে তার উপর ছিটিয়ে দেন। দেখা গেলো, বন্দী যেন শিকল হতে মুক্তি পেলো। অতঃপর তারা তাকে এর কিছু বিনিময় দিলেন। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এ সংবাদ পেলাম। অতঃপর মুসাদ্দাস বর্ণিত হাদীসের অর্থ উল্লেখ করেন।
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي ح، وحدثنا ابن بشار، حدثنا ابن جعفر، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن أبي السفر، عن الشعبي، عن خارجة بن الصلت، عن عمه، أنه مر - قال - فرقاه بفاتحة الكتاب ثلاثة أيام غدوة وعشية كلما ختمها جمع بزاقه ثم تفل فكأنما أنشط من عقال فأعطوه شيئا فأتى النبي صلى الله عليه وسلم ثم ذكر معنى حديث مسدد .
সুনানে আবু দাউদ ৩৮৯৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن إسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمهم من الفزع كلمات " أعوذ بكلمات الله التامة من غضبه وشر عباده ومن همزات الشياطين وأن يحضرون " . وكان عبد الله بن عمرو يعلمهن من عقل من بنيه ومن لم يعقل كتبه فأعلقه عليه .
আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের ভীতিকর পরিস্থিতিতে এ বাক্যগুলোর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করার শিক্ষা দিতেনঃ (অর্থ) “আল্লাহর পূর্ণ কালেমাসমূহের দ্বারা তাঁর গযব ও তাঁর বান্দাদের খারাবী ও শয়তানের কুমন্ত্রণা ও আমার নিকট তার উপস্থিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইছি”। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) এ বাক্যগুলো তার বালেগ সন্তানদের শিখাতেন এবং নাবালেগদের জন্য লিখে তা তার গলায় ঝুলিয়ে দিতেন। [৩৮৯৩] হাসান, কিন্তু তার একথা বাদেঃ “আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর …….।’
আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের ভীতিকর পরিস্থিতিতে এ বাক্যগুলোর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করার শিক্ষা দিতেনঃ (অর্থ) “আল্লাহর পূর্ণ কালেমাসমূহের দ্বারা তাঁর গযব ও তাঁর বান্দাদের খারাবী ও শয়তানের কুমন্ত্রণা ও আমার নিকট তার উপস্থিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইছি”। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) এ বাক্যগুলো তার বালেগ সন্তানদের শিখাতেন এবং নাবালেগদের জন্য লিখে তা তার গলায় ঝুলিয়ে দিতেন। [৩৮৯৩] হাসান, কিন্তু তার একথা বাদেঃ “আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর …….।’
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن إسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يعلمهم من الفزع كلمات " أعوذ بكلمات الله التامة من غضبه وشر عباده ومن همزات الشياطين وأن يحضرون " . وكان عبد الله بن عمرو يعلمهن من عقل من بنيه ومن لم يعقل كتبه فأعلقه عليه .
সুনানে আবু দাউদ > মোটা হওয়ার নিয়ম
সুনানে আবু দাউদ ৩৯০৩
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا نوح بن يزيد بن سيار، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن محمد بن إسحاق، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، رضى الله عنها قالت أرادت أمي أن تسمني لدخولي على رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم أقبل عليها بشىء مما تريد حتى أطعمتني القثاء بالرطب فسمنت عليه كأحسن السمن .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মায়ের ইচ্ছা ছিল আমাকে স্বাস্থ্যবতী বানিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠাবেন। এজন্য তিনি অনেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, কিন্তু কোন ফল হয়নি। শেষে তিনি আমাকে পাকা খেজুরের সাথে শসা বা খিরা খাওয়াতে থাকলে আমি তাতে উত্তমরূপে স্বাস্থ্যের অধিকারী হই।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার মায়ের ইচ্ছা ছিল আমাকে স্বাস্থ্যবতী বানিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠাবেন। এজন্য তিনি অনেক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, কিন্তু কোন ফল হয়নি। শেষে তিনি আমাকে পাকা খেজুরের সাথে শসা বা খিরা খাওয়াতে থাকলে আমি তাতে উত্তমরূপে স্বাস্থ্যের অধিকারী হই।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا نوح بن يزيد بن سيار، حدثنا إبراهيم بن سعد، عن محمد بن إسحاق، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، رضى الله عنها قالت أرادت أمي أن تسمني لدخولي على رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم أقبل عليها بشىء مما تريد حتى أطعمتني القثاء بالرطب فسمنت عليه كأحسن السمن .