সুনানে আবু দাউদ > মেহমানদারী সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫০
حدثنا مسدد، وخلف بن هشام، قالا حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن عامر، عن أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليلة الضيف حق على كل مسلم فمن أصبح بفنائه فهو عليه دين إن شاء اقتضى وإن شاء ترك " .
আবূ কারীম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একরাত মেহমানদারী করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। যার আঙ্গিনায় মেহমান নামে, একদিন মেহমানদারী করা তার উপর ঋণ পরিশোধের সমান। সে ইচ্ছা করলে তার ঋণ পরিশোধ করবে বা ত্যাগ করবে।
আবূ কারীম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একরাত মেহমানদারী করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। যার আঙ্গিনায় মেহমান নামে, একদিন মেহমানদারী করা তার উপর ঋণ পরিশোধের সমান। সে ইচ্ছা করলে তার ঋণ পরিশোধ করবে বা ত্যাগ করবে।
حدثنا مسدد، وخلف بن هشام، قالا حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن عامر، عن أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليلة الضيف حق على كل مسلم فمن أصبح بفنائه فهو عليه دين إن شاء اقتضى وإن شاء ترك " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة " .
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة " .
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة " .
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫২
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فما يقروننا فما ترى فقال لنا رسول الله " إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم " . قال أبو داود وهذه حجة للرجل يأخذ الشىء إذا كان له حقا .
‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে বাইরে প্রেরণ করে থাকেন। আমরা কোন জনপদে গিয়ে যাত্রাবিরতি করি। তারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা যদি কোন সম্প্রদায়ের নিকট অবতরণ করার পর তারা নিজেদের সার্মথ্য মোতাবেক তোমাদের আপ্যায়ন করে তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। যদি তারা তা না করে, তবে তাদের কাছ হতে তাদের সামর্থ্যের দিকে লক্ষ রেখে মেহমানের অধিকার আদায় করবে।
‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে বাইরে প্রেরণ করে থাকেন। আমরা কোন জনপদে গিয়ে যাত্রাবিরতি করি। তারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা যদি কোন সম্প্রদায়ের নিকট অবতরণ করার পর তারা নিজেদের সার্মথ্য মোতাবেক তোমাদের আপ্যায়ন করে তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। যদি তারা তা না করে, তবে তাদের কাছ হতে তাদের সামর্থ্যের দিকে লক্ষ রেখে মেহমানের অধিকার আদায় করবে।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فما يقروننا فما ترى فقال لنا رسول الله " إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم " . قال أبو داود وهذه حجة للرجل يأخذ الشىء إذا كان له حقا .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫১
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني أبو الجودي، عن سعيد بن أبي المهاجر، عن المقدام أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أيما رجل أضاف قوما فأصبح الضيف محروما فإن نصره حق على كل مسلم حتى يأخذ بقرى ليلة من زرعه وماله " .
আল-মিক্বদাম আবূ কারীমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের নিকট মেহমান হয়ে এলো, (অথচ) বঞ্চিত অবস্থায় তার সকাল হলো, তাকে সাহায্য করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। তাদের খাদ্য ও মাল হতে সে তার রাতের মেহমানদারীর পরিমাণ আদায় করে নিতে পারে। [৩৭৫১] দুর্বল : মিশকাত (৪২৪৭)।
আল-মিক্বদাম আবূ কারীমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের নিকট মেহমান হয়ে এলো, (অথচ) বঞ্চিত অবস্থায় তার সকাল হলো, তাকে সাহায্য করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। তাদের খাদ্য ও মাল হতে সে তার রাতের মেহমানদারীর পরিমাণ আদায় করে নিতে পারে। [৩৭৫১] দুর্বল : মিশকাত (৪২৪৭)।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني أبو الجودي، عن سعيد بن أبي المهاجر، عن المقدام أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أيما رجل أضاف قوما فأصبح الضيف محروما فإن نصره حق على كل مسلم حتى يأخذ بقرى ليلة من زرعه وماله " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৮
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن سعيد المقبري، عن أبي شريح الكعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه جائزته يومه وليلته الضيافة ثلاثة أيام وما بعد ذلك فهو صدقة ولا يحل له أن يثوي عنده حتى يحرجه " . قال أبو داود قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبركم أشهب قال وسئل مالك عن قول النبي صلى الله عليه وسلم " جائزته يوم وليلة " . فقال يكرمه ويتحفه ويحفظه يوما وليلة وثلاثة أيام ضيافة .
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। উত্তমরূপে মেহমানদারীর সীমা একদিন একরাত। মেহমানদারী তিনদিন। এরপর অতিরিক্ত দিনগুলোর মেহমানদারী সদাক্বাহ হিসাবে গণ্য। তিনদিন পর আপ্যায়নকারীর বাড়িতে তার বিনা অনুমতিতে মেহমানদের অবস্থান করা উচিৎ নয়। এতে সে বিরক্ত হতে পারে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ ‘জাইযাহ’ একদিন ও একরাত-এর অর্থ কি? তিনি বলেন, কথাটির অর্থ হলো, মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন, উপহার প্রদান ও তার নিরাপত্তা বিধান করা একদিন ও একরাত। আর আতিথ্য প্রদান হচ্ছে তিনদিন। [৩৭৪৮] আবূ শুরাইহ বর্ণিত হাদীসটি সহীহ। মালিক ইবনু আনাসের বর্ণনার সানাদ সহীহ মাক্বতূ‘।
আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। উত্তমরূপে মেহমানদারীর সীমা একদিন একরাত। মেহমানদারী তিনদিন। এরপর অতিরিক্ত দিনগুলোর মেহমানদারী সদাক্বাহ হিসাবে গণ্য। তিনদিন পর আপ্যায়নকারীর বাড়িতে তার বিনা অনুমতিতে মেহমানদের অবস্থান করা উচিৎ নয়। এতে সে বিরক্ত হতে পারে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ ‘জাইযাহ’ একদিন ও একরাত-এর অর্থ কি? তিনি বলেন, কথাটির অর্থ হলো, মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন, উপহার প্রদান ও তার নিরাপত্তা বিধান করা একদিন ও একরাত। আর আতিথ্য প্রদান হচ্ছে তিনদিন। [৩৭৪৮] আবূ শুরাইহ বর্ণিত হাদীসটি সহীহ। মালিক ইবনু আনাসের বর্ণনার সানাদ সহীহ মাক্বতূ‘।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن سعيد المقبري، عن أبي شريح الكعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه جائزته يومه وليلته الضيافة ثلاثة أيام وما بعد ذلك فهو صدقة ولا يحل له أن يثوي عنده حتى يحرجه " . قال أبو داود قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبركم أشهب قال وسئل مالك عن قول النبي صلى الله عليه وسلم " جائزته يوم وليلة " . فقال يكرمه ويتحفه ويحفظه يوما وليلة وثلاثة أيام ضيافة .
সুনানে আবু দাউদ > অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ রহিত হওয়া সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫৩
حدثنا أحمد بن محمد المروزي، حدثني علي بن الحسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { لا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل إلا أن تكون تجارة عن تراض منكم } فكان الرجل يحرج أن يأكل عند أحد من الناس بعد ما نزلت هذه الآية فنسخ ذلك الآية التي في النور قال { ليس عليكم جناح } { أن تأكلوا من بيوتكم } إلى قوله { أشتاتا } كان الرجل الغني يدعو الرجل من أهله إلى الطعام قال إني لأجنح أن آكل منه . والتجنح الحرج ويقول المسكين أحق به مني . فأحل في ذلك أن يأكلوا مما ذكر اسم الله عليه وأحل طعام أهل الكتاب .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর বাণী: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না। তবে ব্যবসায়ের লেনদেন পরস্পরের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে হওয়া আবশ্যক…..” (সূরাহ আন-নিসাঃ ২৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর লোকেরা অন্য কারো বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণ করা অন্যায় ভাবলো। অতঃপর সূরাহ আন-নূরের মাধ্যমে উপরের আয়াতের হুকুম রহিত করা হলো। মহান আল্লাহ বলেনঃ “এতে কোন দোষ নেই যে, কোন ব্যক্তি নিজেদের ঘর থেকে খাবে… আলাদা আলাদাভাবে খাও” (সূরাহ আন-নূরঃ ৬১) পর্যন্ত। এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে অবস্থা এরূপ ছিলো যে, কোন ধনী লোক কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দিলে সে বলতো, আমি এর থেকে খাওয়া অন্যায় মনে করি। (আরবি) অর্থ আপত্তি। সে আরো বলতো, এ খাদ্যে আমার চেয়ে দরিদ্ররাই অধিক হকদার। এ প্রেক্ষিতে অন্য মুসলিমের বাড়িতে খাবার গ্রহণ বৈধ করা হয়, যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে। আহলে কিতাবদের খাদ্যদ্রব্যও হালাল করা হয়েছে।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর বাণী: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না। তবে ব্যবসায়ের লেনদেন পরস্পরের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে হওয়া আবশ্যক…..” (সূরাহ আন-নিসাঃ ২৯)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর লোকেরা অন্য কারো বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণ করা অন্যায় ভাবলো। অতঃপর সূরাহ আন-নূরের মাধ্যমে উপরের আয়াতের হুকুম রহিত করা হলো। মহান আল্লাহ বলেনঃ “এতে কোন দোষ নেই যে, কোন ব্যক্তি নিজেদের ঘর থেকে খাবে… আলাদা আলাদাভাবে খাও” (সূরাহ আন-নূরঃ ৬১) পর্যন্ত। এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে অবস্থা এরূপ ছিলো যে, কোন ধনী লোক কাউকে খাওয়ার দাওয়াত দিলে সে বলতো, আমি এর থেকে খাওয়া অন্যায় মনে করি। (আরবি) অর্থ আপত্তি। সে আরো বলতো, এ খাদ্যে আমার চেয়ে দরিদ্ররাই অধিক হকদার। এ প্রেক্ষিতে অন্য মুসলিমের বাড়িতে খাবার গ্রহণ বৈধ করা হয়, যার উপর আল্লাহর নাম নেয়া হয়েছে। আহলে কিতাবদের খাদ্যদ্রব্যও হালাল করা হয়েছে।
حدثنا أحمد بن محمد المروزي، حدثني علي بن الحسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { لا تأكلوا أموالكم بينكم بالباطل إلا أن تكون تجارة عن تراض منكم } فكان الرجل يحرج أن يأكل عند أحد من الناس بعد ما نزلت هذه الآية فنسخ ذلك الآية التي في النور قال { ليس عليكم جناح } { أن تأكلوا من بيوتكم } إلى قوله { أشتاتا } كان الرجل الغني يدعو الرجل من أهله إلى الطعام قال إني لأجنح أن آكل منه . والتجنح الحرج ويقول المسكين أحق به مني . فأحل في ذلك أن يأكلوا مما ذكر اسم الله عليه وأحل طعام أهل الكتاب .
সুনানে আবু দাউদ > দুই প্রতিযোগীর দাওয়াতে অংশগ্রহন না করা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫৪
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই প্রতিদ্বন্দী অহংকারকারীর খাদ্য গ্রহন করতে নিষেধ করেছেন।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই প্রতিদ্বন্দী অহংকারকারীর খাদ্য গ্রহন করতে নিষেধ করেছেন।
সুনানে আবু দাউদ > মেহমান অবাঞ্ছিত কিছু দেখলে
সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫৫
সাফীনাহ আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা একটি লোক ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-কে দাওয়াত করে তার জন্য খাদ্য তৈরি করে (বাড়িয়ে) দিয়ে গেলো। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে ডাকলে তিনি আমাদের সঙ্গে আহার করতেন। ‘আলী (রাঃ) তাঁকে দাওয়াত দিলেন এবং তিনি এসে দরজার চৌকাঠের উপর নিজের হাত রাখলেন। তিনি একটি রঙ্গীন পর্দা ঘরের এক দিকে টানিয়ে রাখা, দেখতে পেয়ে ঘরে প্রবেশ না করে ফিরে গেলেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) ‘আলী (রাঃ) কে বললেন, গিয়ে দেখুন, তিনি কেন ফিরে যাচ্ছেন? সুতরাং আমি তাঁর অনুসরণ করলাম, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিসে আপনাকে ফিরে আসতে বাধ্য করলো? তিনি বলেনঃ আমার জন্য বা কোন নাবীর জন্য কারুকার্য খচিত সজ্জিত ঘরে প্রবেশ করা সমীচীন নয়।
সাফীনাহ আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা একটি লোক ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-কে দাওয়াত করে তার জন্য খাদ্য তৈরি করে (বাড়িয়ে) দিয়ে গেলো। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে ডাকলে তিনি আমাদের সঙ্গে আহার করতেন। ‘আলী (রাঃ) তাঁকে দাওয়াত দিলেন এবং তিনি এসে দরজার চৌকাঠের উপর নিজের হাত রাখলেন। তিনি একটি রঙ্গীন পর্দা ঘরের এক দিকে টানিয়ে রাখা, দেখতে পেয়ে ঘরে প্রবেশ না করে ফিরে গেলেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) ‘আলী (রাঃ) কে বললেন, গিয়ে দেখুন, তিনি কেন ফিরে যাচ্ছেন? সুতরাং আমি তাঁর অনুসরণ করলাম, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! কিসে আপনাকে ফিরে আসতে বাধ্য করলো? তিনি বলেনঃ আমার জন্য বা কোন নাবীর জন্য কারুকার্য খচিত সজ্জিত ঘরে প্রবেশ করা সমীচীন নয়।