সুনানে আবু দাউদ > বিয়ের ওয়ালীমা অনুষ্ঠান করা উত্তম

সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৪

حدثنا حامد بن يحيى، حدثنا سفيان، حدثنا وائل بن داود، عن ابنه، بكر بن وائل عن الزهري، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم أولم على صفية بسويق وتمر ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যাহ্ (রাঃ)-এর বিবাহে খেজুর ও ছাতু দিয়ে ওয়ালীমা করেছেন।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যাহ্ (রাঃ)-এর বিবাহে খেজুর ও ছাতু দিয়ে ওয়ালীমা করেছেন।

حدثنا حامد بن يحيى، حدثنا سفيان، حدثنا وائل بن داود، عن ابنه، بكر بن وائل عن الزهري، عن أنس بن مالك، أن النبي صلى الله عليه وسلم أولم على صفية بسويق وتمر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৩

حدثنا مسدد، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا حماد، عن ثابت، قال ذكر تزويج زينب بنت جحش عند أنس بن مالك فقال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أولم على أحد من نسائه ما أولم عليها أولم بشاة ‏.‏

সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশের বিবাহের ঘটনা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)–এর নিকট আলাপ করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাইনাবের বিয়েতে যেভাবে ওয়ালীমা অনুষ্ঠান করেছেন, অন্য কোন স্ত্রীর বেলায় তাঁকে তদ্রূপ করতে দেখিনি। তিনি একটি বকরী দিয়ে বিবাহ ভোজের ব্যবস্থা করেছেন।

সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যাইনাব বিনতু জাহশের বিবাহের ঘটনা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)–এর নিকট আলাপ করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যাইনাবের বিয়েতে যেভাবে ওয়ালীমা অনুষ্ঠান করেছেন, অন্য কোন স্ত্রীর বেলায় তাঁকে তদ্রূপ করতে দেখিনি। তিনি একটি বকরী দিয়ে বিবাহ ভোজের ব্যবস্থা করেছেন।

حدثنا مسدد، وقتيبة بن سعيد، قالا حدثنا حماد، عن ثابت، قال ذكر تزويج زينب بنت جحش عند أنس بن مالك فقال ما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم أولم على أحد من نسائه ما أولم عليها أولم بشاة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > ওয়ালীমা কয়দিন আয়োজন করা যাবে

সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৬

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، بهذه القصة قال فدعي اليوم الثالث فلم يجب وحصب الرسول ‏.‏

সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ক্বাতাদাহ উল্লিখিত ঘটনা প্রসংগে বলেন, তৃতীয় দিনে দাওয়াত করা হলো কিন্তু তিনি তা কবুল করেননি এবং যে লোক তাকে দাওয়াত দিতে এসেছিল তিনি তার দিকে ঢিল ছুড়ে মারেন।

সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ক্বাতাদাহ উল্লিখিত ঘটনা প্রসংগে বলেন, তৃতীয় দিনে দাওয়াত করা হলো কিন্তু তিনি তা কবুল করেননি এবং যে লোক তাকে দাওয়াত দিতে এসেছিল তিনি তার দিকে ঢিল ছুড়ে মারেন।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، بهذه القصة قال فدعي اليوم الثالث فلم يجب وحصب الرسول ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৫

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن الحسن، عن عبد الله بن عثمان الثقفي، عن رجل، أعور من ثقيف كان يقال له معروفا - أى يثنى عليه خيرا إن لم يكن اسمه زهير بن عثمان فلا أدري ما اسمه - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الوليمة أول يوم حق والثاني معروف واليوم الثالث سمعة ورياء ‏"‏ ‏.‏ قال قتادة وحدثني رجل أن سعيد بن المسيب دعي أول يوم فأجاب ودعي اليوم الثاني فأجاب ودعي اليوم الثالث فلم يجب وقال أهل سمعة ورياء ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উসমান আস-সাক্বাফী (রহঃ) হতে তার গোত্রের এক অন্ধ ব্যক্তির সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ওয়ালীমা অনুষ্ঠান বিবাহের প্রথম দিনে করা জরুরী, দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান উত্তম এবং তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান লোক শুনানো ও লোক দেখানোর জন্য। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেছেন, সাঈদ ইবনুল মুনাইয়্যাব (রহঃ)–কে ওয়ালীমাতে প্রথম দিন দাওয়াত দেয়া হলে তিনি সাড়া দিলেন, দ্বিতীয় দিন দাওয়াত দেয়া হলেও কবুল করলেন এবং তৃতীয় দিন দাওয়াত দেয়া হলে তিনি দাওয়াত কবুল করলেন না। তিনি বললেন, এসব লোক মানুষকে দেখানোর জন্য এবং শুনানোর জন্য এসব করে থাকে। দুর্বল : ইরওয়া (১৯৫০)।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উসমান আস-সাক্বাফী (রহঃ) হতে তার গোত্রের এক অন্ধ ব্যক্তির সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ওয়ালীমা অনুষ্ঠান বিবাহের প্রথম দিনে করা জরুরী, দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান উত্তম এবং তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান লোক শুনানো ও লোক দেখানোর জন্য। ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেন, আমাকে এক ব্যক্তি বলেছেন, সাঈদ ইবনুল মুনাইয়্যাব (রহঃ)–কে ওয়ালীমাতে প্রথম দিন দাওয়াত দেয়া হলে তিনি সাড়া দিলেন, দ্বিতীয় দিন দাওয়াত দেয়া হলেও কবুল করলেন এবং তৃতীয় দিন দাওয়াত দেয়া হলে তিনি দাওয়াত কবুল করলেন না। তিনি বললেন, এসব লোক মানুষকে দেখানোর জন্য এবং শুনানোর জন্য এসব করে থাকে। দুর্বল : ইরওয়া (১৯৫০)।

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عفان بن مسلم، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن الحسن، عن عبد الله بن عثمان الثقفي، عن رجل، أعور من ثقيف كان يقال له معروفا - أى يثنى عليه خيرا إن لم يكن اسمه زهير بن عثمان فلا أدري ما اسمه - أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الوليمة أول يوم حق والثاني معروف واليوم الثالث سمعة ورياء ‏"‏ ‏.‏ قال قتادة وحدثني رجل أن سعيد بن المسيب دعي أول يوم فأجاب ودعي اليوم الثاني فأجاب ودعي اليوم الثالث فلم يجب وقال أهل سمعة ورياء ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > সফর হতে ফিরে এসে আহারের আয়োজন

সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৭

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن محارب بن دثار، عن جابر، قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة نحر جزورا أو بقرة ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাবূকের সফর হতে) মদিনায় ফিরে এসে একটি উট অথবা গরু যাবেহ করলেন।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (তাবূকের সফর হতে) মদিনায় ফিরে এসে একটি উট অথবা গরু যাবেহ করলেন।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن محارب بن دثار، عن جابر، قال لما قدم النبي صلى الله عليه وسلم المدينة نحر جزورا أو بقرة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মেহমানদারী সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫০

حدثنا مسدد، وخلف بن هشام، قالا حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن عامر، عن أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليلة الضيف حق على كل مسلم فمن أصبح بفنائه فهو عليه دين إن شاء اقتضى وإن شاء ترك ‏"‏ ‏.‏

আবূ কারীম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একরাত মেহমানদারী করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। যার আঙ্গিনায় মেহমান নামে, একদিন মেহমানদারী করা তার উপর ঋণ পরিশোধের সমান। সে ইচ্ছা করলে তার ঋণ পরিশোধ করবে বা ত্যাগ করবে।

আবূ কারীম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একরাত মেহমানদারী করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। যার আঙ্গিনায় মেহমান নামে, একদিন মেহমানদারী করা তার উপর ঋণ পরিশোধের সমান। সে ইচ্ছা করলে তার ঋণ পরিশোধ করবে বা ত্যাগ করবে।

حدثنا مسدد، وخلف بن هشام، قالا حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن عامر، عن أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليلة الضيف حق على كل مسلم فمن أصبح بفنائه فهو عليه دين إن شاء اقتضى وإن شاء ترك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৯

حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏

আবূ শুরাইহ্‌ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।

আবূ শুরাইহ্‌ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।

حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৯

حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏

আবূ শুরাইহ্‌ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।

আবূ শুরাইহ্‌ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।

حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৯

حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏

আবূ শুরাইহ্‌ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।

আবূ শুরাইহ্‌ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মেহমানদারীর সীমা তিন দিন। এর অতিরিক্ত দিনের আতিথ্য প্রদান সদাক্বাহ হিসেবে গণ্য।

حدثنا موسى بن إسماعيل، ومحمد بن محبوب، قالا حدثنا حماد، عن عاصم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الضيافة ثلاثة أيام فما سوى ذلك فهو صدقة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫২

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فما يقروننا فما ترى فقال لنا رسول الله ‏ "‏ إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وهذه حجة للرجل يأخذ الشىء إذا كان له حقا ‏.‏

‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে বাইরে প্রেরণ করে থাকেন। আমরা কোন জনপদে গিয়ে যাত্রাবিরতি করি। তারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা যদি কোন সম্প্রদায়ের নিকট অবতরণ করার পর তারা নিজেদের সার্মথ‌্য মোতাবেক তোমাদের আপ্যায়ন করে তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। যদি তারা তা না করে, তবে তাদের কাছ হতে তাদের সামর্থ্যের দিকে লক্ষ রেখে মেহমানের অধিকার আদায় করবে।

‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাদেরকে বাইরে প্রেরণ করে থাকেন। আমরা কোন জনপদে গিয়ে যাত্রাবিরতি করি। তারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে বললেনঃ তোমরা যদি কোন সম্প্রদায়ের নিকট অবতরণ করার পর তারা নিজেদের সার্মথ‌্য মোতাবেক তোমাদের আপ্যায়ন করে তবে তোমরা তা গ্রহন করবে। যদি তারা তা না করে, তবে তাদের কাছ হতে তাদের সামর্থ্যের দিকে লক্ষ রেখে মেহমানের অধিকার আদায় করবে।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن عقبة بن عامر، أنه قال قلنا يا رسول الله إنك تبعثنا فننزل بقوم فما يقروننا فما ترى فقال لنا رسول الله ‏ "‏ إن نزلتم بقوم فأمروا لكم بما ينبغي للضيف فاقبلوا فإن لم يفعلوا فخذوا منهم حق الضيف الذي ينبغي لهم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وهذه حجة للرجل يأخذ الشىء إذا كان له حقا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৫১

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني أبو الجودي، عن سعيد بن أبي المهاجر، عن المقدام أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أيما رجل أضاف قوما فأصبح الضيف محروما فإن نصره حق على كل مسلم حتى يأخذ بقرى ليلة من زرعه وماله ‏"‏ ‏.‏

আল-মিক্বদাম আবূ কারীমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের নিকট মেহমান হয়ে এলো, (অথচ) বঞ্চিত অবস্থায় তার সকাল হলো, তাকে সাহায্য করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। তাদের খাদ্য ও মাল হতে সে তার রাতের মেহমানদারীর পরিমাণ আদায় করে নিতে পারে। [৩৭৫১] দুর্বল : মিশকাত (৪২৪৭)।

আল-মিক্বদাম আবূ কারীমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের নিকট মেহমান হয়ে এলো, (অথচ) বঞ্চিত অবস্থায় তার সকাল হলো, তাকে সাহায্য করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। তাদের খাদ্য ও মাল হতে সে তার রাতের মেহমানদারীর পরিমাণ আদায় করে নিতে পারে। [৩৭৫১] দুর্বল : মিশকাত (৪২৪৭)।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني أبو الجودي، عن سعيد بن أبي المهاجر، عن المقدام أبي كريمة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أيما رجل أضاف قوما فأصبح الضيف محروما فإن نصره حق على كل مسلم حتى يأخذ بقرى ليلة من زرعه وماله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৭৪৮

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن سعيد المقبري، عن أبي شريح الكعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه جائزته يومه وليلته الضيافة ثلاثة أيام وما بعد ذلك فهو صدقة ولا يحل له أن يثوي عنده حتى يحرجه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبركم أشهب قال وسئل مالك عن قول النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ جائزته يوم وليلة ‏"‏ ‏.‏ فقال يكرمه ويتحفه ويحفظه يوما وليلة وثلاثة أيام ضيافة ‏.‏

আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ  যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। উত্তমরূপে মেহমানদারীর সীমা একদিন একরাত। মেহমানদারী তিনদিন। এরপর অতিরিক্ত দিনগুলোর মেহমানদারী সদাক্বাহ হিসাবে গণ্য। তিনদিন পর আপ্যায়নকারীর বাড়িতে তার বিনা অনুমতিতে মেহমানদের অবস্থান করা উচিৎ নয়। এতে সে বিরক্ত হতে পারে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ ‘জাইযাহ’ একদিন ও একরাত-এর অর্থ কি? তিনি বলেন, কথাটির অর্থ হলো, মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন, উপহার প্রদান ও তার নিরাপত্তা বিধান করা একদিন ও একরাত। আর আতিথ্য প্রদান হচ্ছে তিনদিন। [৩৭৪৮] আবূ শুরাইহ বর্ণিত হাদীসটি সহীহ। মালিক ইবনু আনাসের বর্ণনার সানাদ সহীহ মাক্বতূ‘।

আবূ শুরাইহ্ আল-কা’বী (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ  যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। উত্তমরূপে মেহমানদারীর সীমা একদিন একরাত। মেহমানদারী তিনদিন। এরপর অতিরিক্ত দিনগুলোর মেহমানদারী সদাক্বাহ হিসাবে গণ্য। তিনদিন পর আপ্যায়নকারীর বাড়িতে তার বিনা অনুমতিতে মেহমানদের অবস্থান করা উচিৎ নয়। এতে সে বিরক্ত হতে পারে। মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হলো রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাণীঃ ‘জাইযাহ’ একদিন ও একরাত-এর অর্থ কি? তিনি বলেন, কথাটির অর্থ হলো, মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন, উপহার প্রদান ও তার নিরাপত্তা বিধান করা একদিন ও একরাত। আর আতিথ্য প্রদান হচ্ছে তিনদিন। [৩৭৪৮] আবূ শুরাইহ বর্ণিত হাদীসটি সহীহ। মালিক ইবনু আনাসের বর্ণনার সানাদ সহীহ মাক্বতূ‘।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن سعيد المقبري، عن أبي شريح الكعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليكرم ضيفه جائزته يومه وليلته الضيافة ثلاثة أيام وما بعد ذلك فهو صدقة ولا يحل له أن يثوي عنده حتى يحرجه ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبركم أشهب قال وسئل مالك عن قول النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ جائزته يوم وليلة ‏"‏ ‏.‏ فقال يكرمه ويتحفه ويحفظه يوما وليلة وثلاثة أيام ضيافة ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00