সুনানে আবু দাউদ > দাযী (বীজ) সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৮৮
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا معاوية بن صالح، عن حاتم بن حريث، عن مالك بن أبي مريم، قال دخل علينا عبد الرحمن بن غنم فتذاكرنا الطلاء فقال حدثني أبو مالك الأشعري، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ليشربن ناس من أمتي الخمر يسمونها بغير اسمها " .
মালিক ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আবদুর রহমান ইবনু গানম (রহঃ) আমাদের নিকট আসলে আমরা ‘তিলাআ’ সম্পর্কে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আবূ মালিক আল-আশ‘আরী (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ আমার উম্মাতের একদল লোক মদ পান করবে এবং তারা একে ভিন্ন নামে অভিহিত করবে।
মালিক ইবনু আবূ মারইয়াম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আবদুর রহমান ইবনু গানম (রহঃ) আমাদের নিকট আসলে আমরা ‘তিলাআ’ সম্পর্কে উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আবূ মালিক আল-আশ‘আরী (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ আমার উম্মাতের একদল লোক মদ পান করবে এবং তারা একে ভিন্ন নামে অভিহিত করবে।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا زيد بن الحباب، حدثنا معاوية بن صالح، عن حاتم بن حريث، عن مالك بن أبي مريم، قال دخل علينا عبد الرحمن بن غنم فتذاكرنا الطلاء فقال حدثني أبو مالك الأشعري، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ليشربن ناس من أمتي الخمر يسمونها بغير اسمها " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৮৯
قال أبو داود حدثنا شيخ، من أهل واسط قال حدثنا أبو منصور الحارث بن منصور، قال سمعت سفيان الثوري، وسئل، عن الداذي، فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليشربن ناس من أمتي الخمر يسمونها بغير اسمها " . قال أبو داود وقال سفيان الثوري الداذي شراب الفاسقين .
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তাকে দাযী (দুষ্কৃতকারীদের শরাব) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের একদল লোক অবশ্যই মদ পান করবে এবং তারা এর ভিন্নতর নামকরণ করবে।
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তাকে দাযী (দুষ্কৃতকারীদের শরাব) সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের একদল লোক অবশ্যই মদ পান করবে এবং তারা এর ভিন্নতর নামকরণ করবে।
قال أبو داود حدثنا شيخ، من أهل واسط قال حدثنا أبو منصور الحارث بن منصور، قال سمعت سفيان الثوري، وسئل، عن الداذي، فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليشربن ناس من أمتي الخمر يسمونها بغير اسمها " . قال أبو داود وقال سفيان الثوري الداذي شراب الفاسقين .
সুনানে আবু দাউদ > মদের পেয়ালা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯৩
حدثنا وهب بن بقية، عن نوح بن قيس، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لوفد عبد القيس " أنهاكم عن النقير والمقير والحنتم والدباء والمزادة المجبوبة ولكن اشرب في سقائك وأوكه " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধিদেরকে বললেনঃ আমি তোমাদের নাকীর মুকাইয়ার, হানতাম, দুব্বা এবং মাথা কাটা কলস ব্যবহার করতে নিষেধ করছি। বরং তোমরা (অন্য) পাত্রে পান করো এবং পাত্রের মুখ উত্তমরূপে বেঁধে রাখো।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধিদেরকে বললেনঃ আমি তোমাদের নাকীর মুকাইয়ার, হানতাম, দুব্বা এবং মাথা কাটা কলস ব্যবহার করতে নিষেধ করছি। বরং তোমরা (অন্য) পাত্রে পান করো এবং পাত্রের মুখ উত্তমরূপে বেঁধে রাখো।
حدثنا وهب بن بقية، عن نوح بن قيس، حدثنا عبد الله بن عون، عن محمد بن سيرين، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لوفد عبد القيس " أنهاكم عن النقير والمقير والحنتم والدباء والمزادة المجبوبة ولكن اشرب في سقائك وأوكه " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯৫
حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن عوف، عن أبي القموص، زيد بن علي حدثني رجل، كان من الوفد الذين وفدوا إلى النبي صلى الله عليه وسلم من عبد القيس يحسب عوف أن اسمه قيس بن النعمان فقال " لا تشربوا في نقير ولا مزفت ولا دباء ولا حنتم واشربوا في الجلد الموكإ عليه فإن اشتد فاكسروه بالماء فإن أعياكم فأهريقوه " .
আবুল কামূস যায়িদ ইবনু ‘আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে যারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসেছিল তাদেরই একজন আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। ‘আওফের ধারণা তার নাম ক্বায়িস ইবনুল নু’মান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কাঠের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে, লাউয়ের খোলের পাত্রে এবং মাটির সবুজ পাত্রে পান করো না। যদি তা (নাবীয) কড়া হয়ে যায় তবে পানি মিশিয়ে এর তেজী ভাব দূর করো। যদি কড়া কমাতে না পারো তবে তা ঢেলে ফেলে দাও।
আবুল কামূস যায়িদ ইবনু ‘আলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে যারা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসেছিল তাদেরই একজন আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। ‘আওফের ধারণা তার নাম ক্বায়িস ইবনুল নু’মান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ কাঠের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে, লাউয়ের খোলের পাত্রে এবং মাটির সবুজ পাত্রে পান করো না। যদি তা (নাবীয) কড়া হয়ে যায় তবে পানি মিশিয়ে এর তেজী ভাব দূর করো। যদি কড়া কমাতে না পারো তবে তা ঢেলে ফেলে দাও।
حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن عوف، عن أبي القموص، زيد بن علي حدثني رجل، كان من الوفد الذين وفدوا إلى النبي صلى الله عليه وسلم من عبد القيس يحسب عوف أن اسمه قيس بن النعمان فقال " لا تشربوا في نقير ولا مزفت ولا دباء ولا حنتم واشربوا في الجلد الموكإ عليه فإن اشتد فاكسروه بالماء فإن أعياكم فأهريقوه " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯৭
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد، حدثنا إسماعيل بن سميع، حدثنا مالك بن عمير، عن علي، عليه السلام قال نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الدباء والحنتم والنقير والجعة .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে লাউয়ের খোলের পাত্র, মাটির সবুজ পাত্র, ও কাঠের পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন এবং জি’আহ নামক নাবীয পান করতেও নিষেধ করেছেন।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে লাউয়ের খোলের পাত্র, মাটির সবুজ পাত্র, ও কাঠের পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন এবং জি’আহ নামক নাবীয পান করতেও নিষেধ করেছেন।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد، حدثنا إسماعيل بن سميع، حدثنا مالك بن عمير، عن علي، عليه السلام قال نهانا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الدباء والحنتم والنقير والجعة .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০১
حدثنا الحسن، - يعني ابن علي - حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا شريك، بإسناده قال " اجتنبوا ما أسكر " .
শারীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার সানাদে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা নেশা উদ্রেককারী বস্তু বর্জন করো।
শারীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তার সানাদে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা নেশা উদ্রেককারী বস্তু বর্জন করো।
حدثنا الحسن، - يعني ابن علي - حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا شريك، بإسناده قال " اجتنبوا ما أسكر " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯৯
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، حدثني منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله، قال لما نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الأوعية قال قالت الأنصار إنه لا بد لنا . قال " فلا إذا " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিভিন্ন পাত্র সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেন, তখন আনসারগণ বললেন, এছাড়া আমাদের একেবারেই চলেনা। তিনি বলেনঃ তাহলে আপত্তি নেই।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিভিন্ন পাত্র সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেন, তখন আনসারগণ বললেন, এছাড়া আমাদের একেবারেই চলেনা। তিনি বলেনঃ তাহলে আপত্তি নেই।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، حدثني منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن جابر بن عبد الله، قال لما نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الأوعية قال قالت الأنصار إنه لا بد لنا . قال " فلا إذا " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০২
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال كان ينبذ لرسول الله صلى الله عليه وسلم في سقاء فإذا لم يجدوا سقاء نبذ له في تور من حجارة .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্য মশকে নাবীয ঢালা হতো। মশক না পাওয়া গেলে পাথরের তৈরী পাত্রে তাঁর জন্য নাবীয ঢালা হতো l
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্য মশকে নাবীয ঢালা হতো। মশক না পাওয়া গেলে পাথরের তৈরী পাত্রে তাঁর জন্য নাবীয ঢালা হতো l
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو الزبير، عن جابر بن عبد الله، قال كان ينبذ لرسول الله صلى الله عليه وسلم في سقاء فإذا لم يجدوا سقاء نبذ له في تور من حجارة .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯১
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومسلم بن إبراهيم، - المعنى - قالا حدثنا جرير، عن يعلى، - يعني ابن حكيم - عن سعيد بن جبير، قال سمعت عبد الله بن عمر، يقول حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر فخرجت فزعا من قوله حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر فدخلت على ابن عباس فقلت أما تسمع ما يقول ابن عمر قال وما ذاك قلت قال حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر . قال صدق حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر . قلت ما الجر قال كل شىء يصنع من مدر .
সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)–কে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন। আমি তার এ কথায়ঃ “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন”, ভীত হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। আমি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনি কি শুনেছেন ইবনু ‘উমার (রাঃ) কি বলেছেন? তিনি বললেন, কি বলেছেন? তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন। তিনি বললেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ঠিকই বলেছেন যে, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন।” আমি বললাম, ‘জার’ কি? তিনি বলেন, মাটির তৈরী পাত্র।
সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)–কে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন। আমি তার এ কথায়ঃ “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন”, ভীত হয়ে বেরিয়ে পড়লাম। আমি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, আপনি কি শুনেছেন ইবনু ‘উমার (রাঃ) কি বলেছেন? তিনি বললেন, কি বলেছেন? তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন। তিনি বললেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) ঠিকই বলেছেন যে, “রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কলসে সংরক্ষিত নাবীয হারাম ঘোষণা করেছেন।” আমি বললাম, ‘জার’ কি? তিনি বলেন, মাটির তৈরী পাত্র।
حدثنا موسى بن إسماعيل، ومسلم بن إبراهيم، - المعنى - قالا حدثنا جرير، عن يعلى، - يعني ابن حكيم - عن سعيد بن جبير، قال سمعت عبد الله بن عمر، يقول حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر فخرجت فزعا من قوله حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر فدخلت على ابن عباس فقلت أما تسمع ما يقول ابن عمر قال وما ذاك قلت قال حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر . قال صدق حرم رسول الله صلى الله عليه وسلم نبيذ الجر . قلت ما الجر قال كل شىء يصنع من مدر .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০০
حدثنا محمد بن جعفر بن زياد، حدثنا شريك، عن زياد بن فياض، عن أبي عياض، عن عبد الله بن عمرو، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الأوعية الدباء والحنتم والمزفت والنقير فقال أعرابي إنه لا ظروف لنا . فقال " اشربوا ما حل " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা, হানতাম, মুযাফ্ফাত, নাকীর ইত্যাদি পাত্রের কথা উল্লেখ করলেন (ব্যবহার করতে বারণ করলেন)। তখন এক বেদুঈন বললো, এছাড়া আমাদের অন্য কোন পাত্র নেই। তিনি বলেনঃ যা হালাল তা পান করো।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুব্বা, হানতাম, মুযাফ্ফাত, নাকীর ইত্যাদি পাত্রের কথা উল্লেখ করলেন (ব্যবহার করতে বারণ করলেন)। তখন এক বেদুঈন বললো, এছাড়া আমাদের অন্য কোন পাত্র নেই। তিনি বলেনঃ যা হালাল তা পান করো।
حدثنا محمد بن جعفر بن زياد، حدثنا شريك، عن زياد بن فياض، عن أبي عياض، عن عبد الله بن عمرو، قال ذكر رسول الله صلى الله عليه وسلم الأوعية الدباء والحنتم والمزفت والنقير فقال أعرابي إنه لا ظروف لنا . فقال " اشربوا ما حل " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯২
حدثنا سليمان بن حرب، ومحمد بن عبيد، قالا حدثنا حماد، ح وحدثنا مسدد، حدثنا عباد بن عباد، عن أبي جمرة، قال سمعت ابن عباس، يقول - وقال مسدد عن ابن عباس، وهذا، حديث سليمان قال - قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله إنا هذا الحى من ربيعة قد حال بيننا وبينك كفار مضر ولسنا نخلص إليك إلا في شهر حرام فمرنا بشىء نأخذ به وندعو إليه من وراءنا . قال " آمركم بأربع وأنهاكم عن أربع الإيمان بالله وشهادة أن لا إله إلا الله " . وعقد بيده واحدة . وقال مسدد الإيمان بالله ثم فسرها لهم شهادة أن لا إله إلا الله " وأن محمدا رسول الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وأن تؤدوا الخمس مما غنمتم وأنهاكم عن الدباء والحنتم والمزفت والمقير " . وقال ابن عبيد النقير مكان المقير . وقال مسدد والنقير والمقير ولم يذكر المزفت . قال أبو داود أبو جمرة نصر بن عمران الضبعي .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা রবী‘আহ গোত্রের একটি শাখাগোত্র। আমাদেরও আপনার মাঝখানে কাফির মুদার গোত্রের এ জনপদ বাধা হয়ে আছে। এজন্য হারাম মাসে (মুহাররম, রজব, যিলক্বাদ ও যিলহাজ্জ) ব্যতীত অন্য কোন সময়ে আমরা আপনার নিকট আসতে পারি না। কাজেই আমাদেরকে এমন কিছু আদেশ দিন যা আমরা নিজেরা গ্রহন করবো এবং আমাদের অন্যান্য লোকদেরও সে দিকে আহবান করবো। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদেরকে চারটি বিষয় গ্রহণের আদেশ দিচ্ছি এবং চারটি বিষয়ে নিষেধ করছি। আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা– এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি নিজের হাত দিয়ে ইশারা করলেন। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ ‘আল্লাহর প্রতি ঈমান’ বলে তিনি তাদেরকে এর ব্যাখ্যা করে বললেনঃ এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল, সলাত ক্বায়িম করা, যাকাত দেয়া এবং গনীমাতের এক-পঞ্চমাংশ জমা দেয়া। আমি তোমাদেরকে নিষেধ করছি লাউয়ের খোল দ্বারা তৈরী পাত্র, মাটির সবুজ পাত্র, তৈলাক্ত পাত্র এবং কালো রং-এর পাত্র ব্যবহার করতে। ইবনু উবাইদের বর্ণনায় মুকাইয়ার শব্দের স্থলে নাকীর শব্দ রয়েছে। মুসাদ্দাদ নাকীর ও মুকাইয়ার শব্দ বর্ণনা করেছেন কিন্তু মুযাফ্ফাত শব্দের উল্লেখ করেননি।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা রবী‘আহ গোত্রের একটি শাখাগোত্র। আমাদেরও আপনার মাঝখানে কাফির মুদার গোত্রের এ জনপদ বাধা হয়ে আছে। এজন্য হারাম মাসে (মুহাররম, রজব, যিলক্বাদ ও যিলহাজ্জ) ব্যতীত অন্য কোন সময়ে আমরা আপনার নিকট আসতে পারি না। কাজেই আমাদেরকে এমন কিছু আদেশ দিন যা আমরা নিজেরা গ্রহন করবো এবং আমাদের অন্যান্য লোকদেরও সে দিকে আহবান করবো। তিনি বললেনঃ আমি তোমাদেরকে চারটি বিষয় গ্রহণের আদেশ দিচ্ছি এবং চারটি বিষয়ে নিষেধ করছি। আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা– এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি নিজের হাত দিয়ে ইশারা করলেন। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ ‘আল্লাহর প্রতি ঈমান’ বলে তিনি তাদেরকে এর ব্যাখ্যা করে বললেনঃ এ সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল, সলাত ক্বায়িম করা, যাকাত দেয়া এবং গনীমাতের এক-পঞ্চমাংশ জমা দেয়া। আমি তোমাদেরকে নিষেধ করছি লাউয়ের খোল দ্বারা তৈরী পাত্র, মাটির সবুজ পাত্র, তৈলাক্ত পাত্র এবং কালো রং-এর পাত্র ব্যবহার করতে। ইবনু উবাইদের বর্ণনায় মুকাইয়ার শব্দের স্থলে নাকীর শব্দ রয়েছে। মুসাদ্দাদ নাকীর ও মুকাইয়ার শব্দ বর্ণনা করেছেন কিন্তু মুযাফ্ফাত শব্দের উল্লেখ করেননি।
حدثنا سليمان بن حرب، ومحمد بن عبيد، قالا حدثنا حماد، ح وحدثنا مسدد، حدثنا عباد بن عباد، عن أبي جمرة، قال سمعت ابن عباس، يقول - وقال مسدد عن ابن عباس، وهذا، حديث سليمان قال - قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله إنا هذا الحى من ربيعة قد حال بيننا وبينك كفار مضر ولسنا نخلص إليك إلا في شهر حرام فمرنا بشىء نأخذ به وندعو إليه من وراءنا . قال " آمركم بأربع وأنهاكم عن أربع الإيمان بالله وشهادة أن لا إله إلا الله " . وعقد بيده واحدة . وقال مسدد الإيمان بالله ثم فسرها لهم شهادة أن لا إله إلا الله " وأن محمدا رسول الله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة وأن تؤدوا الخمس مما غنمتم وأنهاكم عن الدباء والحنتم والمزفت والمقير " . وقال ابن عبيد النقير مكان المقير . وقال مسدد والنقير والمقير ولم يذكر المزفت . قال أبو داود أبو جمرة نصر بن عمران الضبعي .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯৬
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن علي بن بذيمة، حدثني قيس بن حبتر النهشلي، عن ابن عباس، أن وفد عبد القيس، قالوا يا رسول الله فيم نشرب قال " لا تشربوا في الدباء ولا في المزفت ولا في النقير وانتبذوا في الأسقية " . قالوا يا رسول الله فإن اشتد في الأسقية قال " فصبوا عليه الماء " . قالوا يا رسول الله . فقال لهم في الثالثة أو الرابعة " أهريقوه " . ثم قال " إن الله حرم على أو حرم الخمر والميسر والكوبة " . قال " وكل مسكر حرام " . قال سفيان فسألت علي بن بذيمة عن الكوبة قال الطبل .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল ক্বায়িসের প্রতিনিধি দল বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কিসে করে পান করবো? তিনি বলেনঃ তোমরা লাউয়ের খোলের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে এবং কাঠের পাত্রে পান করবে না। তোমাদের কলসে নাবীয প্রস্তুত করো। তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! কলসের নাবীযে যদি তেজী ভাব আসে? তিনি বলেনঃ তাতে পানি ঢেলে দাও। তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! (পূর্বের অনুরূপ)! তিনি তাদেরকে তৃতীয় বা চতুর্থবারে বললেনঃ তা ঢেলে ফেলে দাও। অতঃপর তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার উপর হারাম করেছেন অথবা হারাম করা হয়েছে মদ, জুয়া এবং যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র। তিনি আরো বলেনঃ নেশা উদ্রেককারী সকল জিনিস হারাম। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আমি ‘আলী ইবনু বাযীমাকে ‘কুবাহ’ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, তা হলো তবলা বা ঢোল।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল ক্বায়িসের প্রতিনিধি দল বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কিসে করে পান করবো? তিনি বলেনঃ তোমরা লাউয়ের খোলের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে এবং কাঠের পাত্রে পান করবে না। তোমাদের কলসে নাবীয প্রস্তুত করো। তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! কলসের নাবীযে যদি তেজী ভাব আসে? তিনি বলেনঃ তাতে পানি ঢেলে দাও। তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! (পূর্বের অনুরূপ)! তিনি তাদেরকে তৃতীয় বা চতুর্থবারে বললেনঃ তা ঢেলে ফেলে দাও। অতঃপর তিনি বললেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ আমার উপর হারাম করেছেন অথবা হারাম করা হয়েছে মদ, জুয়া এবং যাবতীয় বাদ্যযন্ত্র। তিনি আরো বলেনঃ নেশা উদ্রেককারী সকল জিনিস হারাম। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আমি ‘আলী ইবনু বাযীমাকে ‘কুবাহ’ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, তা হলো তবলা বা ঢোল।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو أحمد، حدثنا سفيان، عن علي بن بذيمة، حدثني قيس بن حبتر النهشلي، عن ابن عباس، أن وفد عبد القيس، قالوا يا رسول الله فيم نشرب قال " لا تشربوا في الدباء ولا في المزفت ولا في النقير وانتبذوا في الأسقية " . قالوا يا رسول الله فإن اشتد في الأسقية قال " فصبوا عليه الماء " . قالوا يا رسول الله . فقال لهم في الثالثة أو الرابعة " أهريقوه " . ثم قال " إن الله حرم على أو حرم الخمر والميسر والكوبة " . قال " وكل مسكر حرام " . قال سفيان فسألت علي بن بذيمة عن الكوبة قال الطبل .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯৮
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا معرف بن واصل، عن محارب بن دثار، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نهيتكم عن ثلاث وأنا آمركم بهن نهيتكم عن زيارة القبور فزوروها فإن في زيارتها تذكرة ونهيتكم عن الأشربة أن تشربوا إلا في ظروف الأدم فاشربوا في كل وعاء غير أن لا تشربوا مسكرا ونهيتكم عن لحوم الأضاحي أن تأكلوها بعد ثلاث فكلوا واستمتعوا بها في أسفاركم " .
ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে তিনটি বিষয় হতে বিরত থাকতে বলেছিলাম। এখন আমি সেসব বিষয়ে তোমাদেরকে অনুমতি দিচ্ছি। আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা তা যিয়ারত করো। কেননা তা দর্শনে (মৃত্যুকে) স্মরণ হয়। আমি তোমাদেরকে পানপাত্র সম্পর্কে নিষেধ করেছিলাম যে, তোমরা চামড়ার পাত্রে নাবীয পান করবে। এখন তোমরা যে কোন পাত্রে পান করতে পারো। কিন্তু তোমরা কখনও মাদক দ্রব্য পান করো না। আমি তোমাদের উপর কুরবানীর গোশতের ব্যাপারে তা তিন দিনের পর না খেতে বলেছিলাম। এখন তোমরা তা (দীর্ঘদিন) খেতে পারো এবং তোমাদের সফরে তা কাজে লাগাতে পারো।
ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি তোমাদেরকে তিনটি বিষয় হতে বিরত থাকতে বলেছিলাম। এখন আমি সেসব বিষয়ে তোমাদেরকে অনুমতি দিচ্ছি। আমি তোমাদেরকে কবর যিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা তা যিয়ারত করো। কেননা তা দর্শনে (মৃত্যুকে) স্মরণ হয়। আমি তোমাদেরকে পানপাত্র সম্পর্কে নিষেধ করেছিলাম যে, তোমরা চামড়ার পাত্রে নাবীয পান করবে। এখন তোমরা যে কোন পাত্রে পান করতে পারো। কিন্তু তোমরা কখনও মাদক দ্রব্য পান করো না। আমি তোমাদের উপর কুরবানীর গোশতের ব্যাপারে তা তিন দিনের পর না খেতে বলেছিলাম। এখন তোমরা তা (দীর্ঘদিন) খেতে পারো এবং তোমাদের সফরে তা কাজে লাগাতে পারো।
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا معرف بن واصل، عن محارب بن دثار، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نهيتكم عن ثلاث وأنا آمركم بهن نهيتكم عن زيارة القبور فزوروها فإن في زيارتها تذكرة ونهيتكم عن الأشربة أن تشربوا إلا في ظروف الأدم فاشربوا في كل وعاء غير أن لا تشربوا مسكرا ونهيتكم عن لحوم الأضاحي أن تأكلوها بعد ثلاث فكلوا واستمتعوا بها في أسفاركم " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯৪
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن عكرمة، وسعيد بن المسيب، عن ابن عباس، في قصة وفد عبد القيس قالوا فيم نشرب يا نبي الله فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " عليكم بأسقية الأدم التي يلاث على أفواهها " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধিদের ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তারা বললো, হে আল্লাহর নাবী! আমরা কিসে করে পান করবো? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের উচিত মুখ বন্ধ করে রাখা চামড়ার মশক ব্যবহার করা।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবদুল ক্বায়িস গোত্রের প্রতিনিধিদের ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তারা বললো, হে আল্লাহর নাবী! আমরা কিসে করে পান করবো? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমাদের উচিত মুখ বন্ধ করে রাখা চামড়ার মশক ব্যবহার করা।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن عكرمة، وسعيد بن المسيب، عن ابن عباس، في قصة وفد عبد القيس قالوا فيم نشرب يا نبي الله فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " عليكم بأسقية الأدم التي يلاث على أفواهها " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬৯০
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا منصور بن حيان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، وابن، عباس قالا نشهد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الدباء والحنتم والمزفت والنقير .
ইবনু ‘আব্বাস ও ইবনু ‘উমার (রাঃ)–এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন দুব্বা, হানতাম, মুযাফ্ফাত ও নাকীর পাত্রগুলো ব্যবহার করতে।
ইবনু ‘আব্বাস ও ইবনু ‘উমার (রাঃ)–এর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন দুব্বা, হানতাম, মুযাফ্ফাত ও নাকীর পাত্রগুলো ব্যবহার করতে।
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا منصور بن حيان، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، وابن، عباس قالا نشهد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الدباء والحنتم والمزفت والنقير .
সুনানে আবু দাউদ > দুই বস্তুর সংমিশ্রণ
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه نهى أن ينتبذ الزبيب والتمر جميعا ونهى أن ينتبذ البسر والرطب جميعا
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর ও আঙ্গুরের সমন্বয়ে নাবীয তৈরী করতে বারণ করেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে করেও নাবীয বানাতে বারণ করেছেন।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খেজুর ও আঙ্গুরের সমন্বয়ে নাবীয তৈরী করতে বারণ করেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে করেও নাবীয বানাতে বারণ করেছেন।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن عطاء بن أبي رباح، عن جابر بن عبد الله، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه نهى أن ينتبذ الزبيب والتمر جميعا ونهى أن ينتبذ البسر والرطب جميعا
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০৪
حدثنا أبو سلمة، موسى بن إسماعيل حدثنا أبان، حدثني يحيى، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، أنه نهى عن خليط الزبيب، والتمر، وعن خليط البسر، والتمر، وعن خليط الزهو، والرطب، وقال، " انتبذوا كل واحد على حدة " . قال وحدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي قتادة عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث .
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিশমিশ ও শুকনো খেজুর একত্রে মিশিয়ে এবং কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে মিশিয়ে এবং পাকা রং ধারণকৃত ও শুকনো খেজুর একত্রে মিশিয়ে পানীয় বানাতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রতিটি ফল দিয়ে ভিন্ন ভিন্নভাবে তোমরা নাবীয বানাও।
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিশমিশ ও শুকনো খেজুর একত্রে মিশিয়ে এবং কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে মিশিয়ে এবং পাকা রং ধারণকৃত ও শুকনো খেজুর একত্রে মিশিয়ে পানীয় বানাতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রতিটি ফল দিয়ে ভিন্ন ভিন্নভাবে তোমরা নাবীয বানাও।
حدثنا أبو سلمة، موسى بن إسماعيل حدثنا أبان، حدثني يحيى، عن عبد الله بن أبي قتادة، عن أبيه، أنه نهى عن خليط الزبيب، والتمر، وعن خليط البسر، والتمر، وعن خليط الزهو، والرطب، وقال، " انتبذوا كل واحد على حدة " . قال وحدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن عن أبي قتادة عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০৬
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ثابت بن عمارة، حدثتني ريطة، عن كبشة بنت أبي مريم، قالت سألت أم سلمة ما كان النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عنه قالت كان ينهانا أن نعجم النوى طبخا أو نخلط الزبيب والتمر .
কাবশাহ বিনতু আবূ মারইয়াম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)–কে প্রশ্ন করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন বস্তু থেকে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, তিনি আমাদের খেজুরের আঁটি পাকাতে নিষেধ করেছেন এবং কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে মিশ্রিত করে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। [৩৭০৬]
কাবশাহ বিনতু আবূ মারইয়াম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)–কে প্রশ্ন করলাম, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন বস্তু থেকে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, তিনি আমাদের খেজুরের আঁটি পাকাতে নিষেধ করেছেন এবং কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে মিশ্রিত করে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। [৩৭০৬]
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ثابت بن عمارة، حدثتني ريطة، عن كبشة بنت أبي مريم، قالت سألت أم سلمة ما كان النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عنه قالت كان ينهانا أن نعجم النوى طبخا أو نخلط الزبيب والتمر .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০৮
حدثنا زياد بن يحيى الحساني، حدثنا أبو بحر، حدثنا عتاب بن عبد العزيز الحماني، حدثتني صفية بنت عطية، قالت دخلت مع نسوة من عبد القيس على عائشة فسألناها عن التمر والزبيب فقالت كنت آخذ قبضة من تمر وقبضة من زبيب فألقيه في إناء فأمرسه ثم أسقيه النبي صلى الله عليه وسلم .
সাফিয়্যাহ বিনতু ‘আত্বিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের মহিলাদের সঙ্গে আমি ‘‘আয়িশাহ্হ্ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমরা তাকে খেজুর ও আঙ্গুর মিশ্রিত শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি এক মুষ্টি খেজুর ও এক মুষ্টি আঙ্গুর একটি পাত্রে ঢালতাম। তা আঙ্গুল দিয়ে চেপে রস বের করতাম, অতঃপর তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে পান করাতাম। [৩৭০৮]
সাফিয়্যাহ বিনতু ‘আত্বিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রের মহিলাদের সঙ্গে আমি ‘‘আয়িশাহ্হ্ (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হলাম। আমরা তাকে খেজুর ও আঙ্গুর মিশ্রিত শরবত সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি এক মুষ্টি খেজুর ও এক মুষ্টি আঙ্গুর একটি পাত্রে ঢালতাম। তা আঙ্গুল দিয়ে চেপে রস বের করতাম, অতঃপর তা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে পান করাতাম। [৩৭০৮]
حدثنا زياد بن يحيى الحساني، حدثنا أبو بحر، حدثنا عتاب بن عبد العزيز الحماني، حدثتني صفية بنت عطية، قالت دخلت مع نسوة من عبد القيس على عائشة فسألناها عن التمر والزبيب فقالت كنت آخذ قبضة من تمر وقبضة من زبيب فألقيه في إناء فأمرسه ثم أسقيه النبي صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০৭
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن مسعر، عن موسى بن عبد الله، عن امرأة، من بني أسد عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينبذ له زبيب فيلقي فيه تمرا وتمر فيلقي فيه الزبيب .
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য আঙ্গুরের নাবীয তৈরি করা হতো, অতঃপর তাতে খেজুর ছেড়ে দেয়া হতো বা খেজুরের নাবীয তৈরি করা হতো এবং তাতে আঙ্গুর ছেড়ে দেয়া হতো। [৩৭০৭]
‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্য আঙ্গুরের নাবীয তৈরি করা হতো, অতঃপর তাতে খেজুর ছেড়ে দেয়া হতো বা খেজুরের নাবীয তৈরি করা হতো এবং তাতে আঙ্গুর ছেড়ে দেয়া হতো। [৩৭০৭]
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن مسعر، عن موسى بن عبد الله، عن امرأة، من بني أسد عن عائشة، رضى الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينبذ له زبيب فيلقي فيه تمرا وتمر فيلقي فيه الزبيب .
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০৫
حدثنا سليمان بن حرب، وحفص بن عمر النمري، قالا حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابن أبي ليلى، - عن رجل، - قال حفص من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال نهى عن البلح والتمر والزبيب والتمر .
ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) হতে জনৈক ব্যক্তি সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একদল সাহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে মিশিয়ে এবং আঙ্গুর ও খেজুর একত্রে মিশিয়ে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন।
ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) হতে জনৈক ব্যক্তি সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একদল সাহাবী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে মিশিয়ে এবং আঙ্গুর ও খেজুর একত্রে মিশিয়ে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন।
حدثنا سليمان بن حرب، وحفص بن عمر النمري، قالا حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابن أبي ليلى، - عن رجل، - قال حفص من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم قال نهى عن البلح والتمر والزبيب والتمر .
সুনানে আবু দাউদ > কাঁচা খেজুরের শরবত
সুনানে আবু দাউদ ৩৭০৯
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن جابر بن زيد، وعكرمة، أنهما كانا يكرهان البسر وحده ويأخذان ذلك عن ابن عباس . وقال ابن عباس أخشى أن يكون المزاء الذي نهيت عنه عبد القيس . فقلت لقتادة ما المزاء قال النبيذ في الحنتم والمزفت .
ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে জাবির ইবনু যায়িদ ও ‘ইকরামাহ্ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা দু’জনেই কেবল কাঁচা খেজুরের তৈরী শরবত অপছন্দ করতেন। তারা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে এটা বর্ণনা করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমার আশংকা হচ্ছে- এটা যেন মুয্যাআ না হয়। কেননা ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রকে তা পান করতে নিষেধ করা হয়েছে। (বর্ণনাকারী হিশাম বলেন), আমি ক্বাতাদাহ্কে বললাম, ‘মুয্যাআ’ কি? তিনি বলেন, মাটির সবুজ পাত্রে ও তৈলাক্ত পাত্রে ভিজানো নাবীয।
ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে জাবির ইবনু যায়িদ ও ‘ইকরামাহ্ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা দু’জনেই কেবল কাঁচা খেজুরের তৈরী শরবত অপছন্দ করতেন। তারা ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে এটা বর্ণনা করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমার আশংকা হচ্ছে- এটা যেন মুয্যাআ না হয়। কেননা ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রকে তা পান করতে নিষেধ করা হয়েছে। (বর্ণনাকারী হিশাম বলেন), আমি ক্বাতাদাহ্কে বললাম, ‘মুয্যাআ’ কি? তিনি বলেন, মাটির সবুজ পাত্রে ও তৈলাক্ত পাত্রে ভিজানো নাবীয।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا معاذ بن هشام، حدثني أبي، عن قتادة، عن جابر بن زيد، وعكرمة، أنهما كانا يكرهان البسر وحده ويأخذان ذلك عن ابن عباس . وقال ابن عباس أخشى أن يكون المزاء الذي نهيت عنه عبد القيس . فقلت لقتادة ما المزاء قال النبيذ في الحنتم والمزفت .