সুনানে আবু দাউদ > প্রতিনিধি নিয়োগ

সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩২

حدثنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم، حدثنا عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، عن أبي نعيم، وهب بن كيسان عن جابر بن عبد الله، أنه سمعه يحدث، قال أردت الخروج إلى خيبر فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه وقلت له إني أردت الخروج إلى خيبر ‏.‏ فقال ‏ "‏ إذا أتيت وكيلي فخذ منه خمسة عشر وسقا فإن ابتغى منك آية فضع يدك على ترقوته ‏"‏ ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী আবূ নু’আইম (রহঃ) জাবির (রাঃ)-কে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। জাবির বলেছেন, আমি খায়বার এলাকায় যাওয়ার ইচ্ছা করলাম। অতএব আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তাঁকে সালাম দিয়ে বললাম, আমি খায়বারে যেতে চাই। তিনি বললেনঃ যখন তুমি আমার প্রতিনিধির নিকট আসবে তখন তার কাছ হতে পনেরো ওয়াসক নিবে। সে তোমার নিকট এর প্রমাণ চাইলে তুমি তার কন্ঠনালীতে হাত রাখবে। [৩৬৩২] দূর্বল : মিশকাত (২৯৩৫)।

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বর্ণনাকারী আবূ নু’আইম (রহঃ) জাবির (রাঃ)-কে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। জাবির বলেছেন, আমি খায়বার এলাকায় যাওয়ার ইচ্ছা করলাম। অতএব আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট আসলাম। তাঁকে সালাম দিয়ে বললাম, আমি খায়বারে যেতে চাই। তিনি বললেনঃ যখন তুমি আমার প্রতিনিধির নিকট আসবে তখন তার কাছ হতে পনেরো ওয়াসক নিবে। সে তোমার নিকট এর প্রমাণ চাইলে তুমি তার কন্ঠনালীতে হাত রাখবে। [৩৬৩২] দূর্বল : মিশকাত (২৯৩৫)।

حدثنا عبيد الله بن سعد بن إبراهيم، حدثنا عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، عن أبي نعيم، وهب بن كيسان عن جابر بن عبد الله، أنه سمعه يحدث، قال أردت الخروج إلى خيبر فأتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه وقلت له إني أردت الخروج إلى خيبر ‏.‏ فقال ‏ "‏ إذا أتيت وكيلي فخذ منه خمسة عشر وسقا فإن ابتغى منك آية فضع يدك على ترقوته ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বিচার সংক্রান্ত কিছু সমস্যা

সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৩

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا المثنى بن سعيد، حدثنا قتادة، عن بشير بن كعب العدوي، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا تدارأتم في طريق فاجعلوه سبعة أذرع ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা রাস্তা নিয়ে মতভেদ করলে তা সাত গজ পরিমান চ্যাপ্টা করো।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা রাস্তা নিয়ে মতভেদ করলে তা সাত গজ পরিমান চ্যাপ্টা করো।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا المثنى بن سعيد، حدثنا قتادة، عن بشير بن كعب العدوي، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا تدارأتم في طريق فاجعلوه سبعة أذرع ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৫

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يحيى، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن لؤلؤة، عن أبي صرمة، - قال أبو داود قال غير قتيبة في هذا الحديث عن أبي صرمة صاحب النبي صلى الله عليه وسلم - عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من ضار أضر الله به ومن شاق شاق الله عليه ‏"‏ ‏.‏

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথী আবূ সিরমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ অপরের ক্ষতি করলে আল্লাহ্ তার ক্ষতিসাধন করবেন। কেউ অযৌক্তিকভাবে কারো বিরোধীতা করলে আল্লাহ্ তার বিরোধী হবেন।

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথী আবূ সিরমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ অপরের ক্ষতি করলে আল্লাহ্ তার ক্ষতিসাধন করবেন। কেউ অযৌক্তিকভাবে কারো বিরোধীতা করলে আল্লাহ্ তার বিরোধী হবেন।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يحيى، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن لؤلؤة، عن أبي صرمة، - قال أبو داود قال غير قتيبة في هذا الحديث عن أبي صرمة صاحب النبي صلى الله عليه وسلم - عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال ‏ "‏ من ضار أضر الله به ومن شاق شاق الله عليه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৪

حدثنا مسدد، وابن أبي خلف، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم أخاه أن يغرز خشبة في جداره فلا يمنعه ‏"‏ ‏.‏ فنكسوا فقال ما لي أراكم قد أعرضتم لألقينها بين أكتافكم ‏.‏ قال أبو داود وهذا حديث ابن أبي خلف وهو أتم ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ তার অপর ভাইয়ের নিকট তার দেয়ালের সাথে খুঁটি গাড়ার অনুমতি প্রার্থনা করলে সে যেন তাকে নিষেধ না করে। এ হাদীস শুনে লোকেরা ঘাড় নীচু করলো। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, কি ব্যাপার! তোমরা এ হাদীস হতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছো? আমি তোমাদের জন্য এ হাদীস শিরোধার্য করে দিবো।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ তার অপর ভাইয়ের নিকট তার দেয়ালের সাথে খুঁটি গাড়ার অনুমতি প্রার্থনা করলে সে যেন তাকে নিষেধ না করে। এ হাদীস শুনে লোকেরা ঘাড় নীচু করলো। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বললেন, কি ব্যাপার! তোমরা এ হাদীস হতে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছো? আমি তোমাদের জন্য এ হাদীস শিরোধার্য করে দিবো।

حدثنا مسدد، وابن أبي خلف، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا استأذن أحدكم أخاه أن يغرز خشبة في جداره فلا يمنعه ‏"‏ ‏.‏ فنكسوا فقال ما لي أراكم قد أعرضتم لألقينها بين أكتافكم ‏.‏ قال أبو داود وهذا حديث ابن أبي خلف وهو أتم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৮

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن الوليد، - يعني ابن كثير - عن أبي مالك بن ثعلبة، عن أبيه، ثعلبة بن أبي مالك أنه سمع كبراءهم، يذكرون أن رجلا، من قريش كان له سهم في بني قريظة فخاصم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في مهزور - يعني السيل الذي يقتسمون ماءه - فقضى بينهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن الماء إلى الكعبين لا يحبس الأعلى على الأسفل ‏.‏

সা‘লাবা ইবনু আবূ মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার মুরুব্বীদের আলোচনা করতে শুনেছেন, কুরাইশ বংশের এক ব্যক্তির ইয়াহুদী বনী কুরাইযাহ্‌র পানির সাথে অংশীদার ছিলো। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মাহযূর মাঠ হতে প্রবাহিত পানি সম্পর্কে অভিযোগ করলো, যাতে বৃষ্টির পানি এসে জমা হতো। এর পানি সবাই বণ্টন করে নিয়ে যেতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মধ্যে ফায়সালা দিলেনঃ প্রথম ব্যক্তি পায়ের গোছা পর্যন্ত জমিতে পানি জমা করবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

সা‘লাবা ইবনু আবূ মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার মুরুব্বীদের আলোচনা করতে শুনেছেন, কুরাইশ বংশের এক ব্যক্তির ইয়াহুদী বনী কুরাইযাহ্‌র পানির সাথে অংশীদার ছিলো। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট মাহযূর মাঠ হতে প্রবাহিত পানি সম্পর্কে অভিযোগ করলো, যাতে বৃষ্টির পানি এসে জমা হতো। এর পানি সবাই বণ্টন করে নিয়ে যেতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মধ্যে ফায়সালা দিলেনঃ প্রথম ব্যক্তি পায়ের গোছা পর্যন্ত জমিতে পানি জমা করবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানির প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن الوليد، - يعني ابن كثير - عن أبي مالك بن ثعلبة، عن أبيه، ثعلبة بن أبي مالك أنه سمع كبراءهم، يذكرون أن رجلا، من قريش كان له سهم في بني قريظة فخاصم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم في مهزور - يعني السيل الذي يقتسمون ماءه - فقضى بينهم رسول الله صلى الله عليه وسلم أن الماء إلى الكعبين لا يحبس الأعلى على الأسفل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৪০

حدثنا محمود بن خالد، أن محمد بن عثمان، حدثهم حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن أبي طوالة، وعمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، قال اختصم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلان في حريم نخلة - في حديث أحدهما فأمر بها فذرعت فوجدت سبعة أذرع وفي حديث الآخر - فوجدت خمسة أذرع فقضى بذاك ‏.‏ قال عبد العزيز فأمر بجريدة من جريدها فذرعت ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট একটি খেজুর গাছের পরিধি সম্পর্কিত ঝগড়া নিয়ে হাযির হলো। এক বর্ণনায় রয়েছেঃ তিনি তা পরিমাপ করার আদেশ দিলেন। তদানুযায়ী মাপা হলো এবং পরিমাণে সাত গজ হলো। অপর বর্ণনা মোতাবেক এর পরিমাণ হলো পাঁচ গজ। তিনি তদনুযায়ী সিদ্ধান্ত দিলেন। ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ খেজুর গাছের একটি ডাল দিয়ে মাপার আদেশ দিলে তা দিয়ে মাপা হয়।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট একটি খেজুর গাছের পরিধি সম্পর্কিত ঝগড়া নিয়ে হাযির হলো। এক বর্ণনায় রয়েছেঃ তিনি তা পরিমাপ করার আদেশ দিলেন। তদানুযায়ী মাপা হলো এবং পরিমাণে সাত গজ হলো। অপর বর্ণনা মোতাবেক এর পরিমাণ হলো পাঁচ গজ। তিনি তদনুযায়ী সিদ্ধান্ত দিলেন। ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ খেজুর গাছের একটি ডাল দিয়ে মাপার আদেশ দিলে তা দিয়ে মাপা হয়।

حدثنا محمود بن خالد، أن محمد بن عثمان، حدثهم حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن أبي طوالة، وعمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، قال اختصم إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلان في حريم نخلة - في حديث أحدهما فأمر بها فذرعت فوجدت سبعة أذرع وفي حديث الآخر - فوجدت خمسة أذرع فقضى بذاك ‏.‏ قال عبد العزيز فأمر بجريدة من جريدها فذرعت ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৬

حدثنا سليمان بن داود العتكي، حدثنا حماد، حدثنا واصل، مولى أبي عيينة قال سمعت أبا جعفر، محمد بن علي يحدث عن سمرة بن جندب، أنه كانت له عضد من نخل في حائط رجل من الأنصار قال ومع الرجل أهله قال فكان سمرة يدخل إلى نخله فيتأذى به ويشق عليه فطلب إليه أن يبيعه فأبى فطلب إليه أن يناقله فأبى فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فطلب إليه النبي صلى الله عليه وسلم أن يبيعه فأبى فطلب إليه أن يناقله فأبى ‏.‏ قال ‏"‏ فهبه له ولك كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ أمرا رغبه فيه فأبى فقال ‏"‏ أنت مضار ‏"‏ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للأنصاري ‏"‏ اذهب فاقلع نخله ‏"‏ ‏.‏

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসারীর বাগানে তার কিছু খেজুর গাছ ছিলো। আনসারী তার পরিবারসহ এখানে বাস করতেন। সামুরাহ (রাঃ) বাগানে আসা-যাওয়া করতেন। এতে আনসারী অসুবিধাবোধ করতেন। তিনি তার খেজুর গাছগুলো ক্রয় করতে চাইলেন, কিন্তু সামুরাহ (রাঃ) এতে সম্মত হলেন না। আনসারী তাকে এটা বদল করার জন্য প্রস্তাব দিলেন, কিন্তু তিনি এ প্রস্তাবেও সম্মত হলেন না। আনসারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে ঘটনাটি জানালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে এনে এটা বিক্রি করে দেয়ার কথা বললেন, কিন্তু তিনি সম্মত হলেন না। তিনি এটা বদল করার প্রস্তাব দিলেন, সামুরাহ তাও মানলেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে এটা দান করো। তিনি তাকে উৎসাহিত করে বললেনঃ তোমার জন্য এই এই জিনিস রয়েছে। কিন্তু তাতেও তিনি সম্মত হলেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কষ্টদানকারী। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীকে বললেনঃ যাও, তুমি তার খেজুর গাছগুলো উপড়ে ফেলে দাও। [৩৬৩৬] দূর্বল : মিশকাত (৩০০৬)।

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক আনসারীর বাগানে তার কিছু খেজুর গাছ ছিলো। আনসারী তার পরিবারসহ এখানে বাস করতেন। সামুরাহ (রাঃ) বাগানে আসা-যাওয়া করতেন। এতে আনসারী অসুবিধাবোধ করতেন। তিনি তার খেজুর গাছগুলো ক্রয় করতে চাইলেন, কিন্তু সামুরাহ (রাঃ) এতে সম্মত হলেন না। আনসারী তাকে এটা বদল করার জন্য প্রস্তাব দিলেন, কিন্তু তিনি এ প্রস্তাবেও সম্মত হলেন না। আনসারী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে ঘটনাটি জানালেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে এনে এটা বিক্রি করে দেয়ার কথা বললেন, কিন্তু তিনি সম্মত হলেন না। তিনি এটা বদল করার প্রস্তাব দিলেন, সামুরাহ তাও মানলেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে এটা দান করো। তিনি তাকে উৎসাহিত করে বললেনঃ তোমার জন্য এই এই জিনিস রয়েছে। কিন্তু তাতেও তিনি সম্মত হলেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কষ্টদানকারী। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারীকে বললেনঃ যাও, তুমি তার খেজুর গাছগুলো উপড়ে ফেলে দাও। [৩৬৩৬] দূর্বল : মিশকাত (৩০০৬)।

حدثنا سليمان بن داود العتكي، حدثنا حماد، حدثنا واصل، مولى أبي عيينة قال سمعت أبا جعفر، محمد بن علي يحدث عن سمرة بن جندب، أنه كانت له عضد من نخل في حائط رجل من الأنصار قال ومع الرجل أهله قال فكان سمرة يدخل إلى نخله فيتأذى به ويشق عليه فطلب إليه أن يبيعه فأبى فطلب إليه أن يناقله فأبى فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فطلب إليه النبي صلى الله عليه وسلم أن يبيعه فأبى فطلب إليه أن يناقله فأبى ‏.‏ قال ‏"‏ فهبه له ولك كذا وكذا ‏"‏ ‏.‏ أمرا رغبه فيه فأبى فقال ‏"‏ أنت مضار ‏"‏ ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للأنصاري ‏"‏ اذهب فاقلع نخله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৭

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا الليث، عن الزهري، عن عروة، أن عبد الله بن الزبير، حدثه أن رجلا خاصم الزبير في شراج الحرة التي يسقون بها فقال الأنصاري سرح الماء يمر ‏.‏ فأبى عليه الزبير فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير ‏"‏ اسق يا زبير ثم أرسل إلى جارك ‏"‏ ‏.‏ فغضب الأنصاري فقال يا رسول الله أن كان ابن عمتك فتلون وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ اسق ثم احبس الماء حتى يرجع إلى الجدر ‏"‏ ‏.‏ فقال الزبير فوالله إني لأحسب هذه الآية نزلت في ذلك ‏{‏ فلا وربك لا يؤمنون حتى يحكموك ‏}‏ الآية ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাররা নামক স্থান হতে প্রবাহিত পানির বণ্টন নিয়ে যুবাইরের (রাঃ) সাথে এক ব্যক্তির বিবাদ হলো। আনসারী লোকটি বললো, পানিকে প্রবাহিত হয়ে আসতে দাও। কিন্তু যুবাইর (রাঃ) এতে সম্মত হলেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে বললেনঃ হে যুবাইর! তোমার জমিতে পানি দাও; অতঃপর তোমার প্রতিবেশীর জমির দিকে তা ছেড়ে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথায় আনসারী রাগান্বিত হয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সে আপনার ফুফাতো ভাই সেজন্য পক্ষপাতিত্ব করছেন! তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেলো। তিনি বললেনঃ তোমার জমিতে পানি দাও, অতঃপর তা আটকে রাখো যাতে আইল পর্যন্ত পৌঁছে। যুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আমার মতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছেঃ “না, হে মুহাম্মাদ! আপনার রবের কসম, এরা কিছুতেই ঈমানদার হতে পারে না, যতক্ষণ তারা তাদের পারস্পরিক বিবাদে আপনাকে বিচারপতিরূপে মেনে না নিবে। অতঃপর আপনি ফায়সালা করবেন, সে সম্পর্কে তারা নিজেদের মনে কোনরূপ কুণ্ঠাবোধ করবে না; বরং তার সামনে নিজেদেরকে পূর্ণরূপে সোপর্দ করবে” (সূরাহ আন-নিসাঃ ৬৫)।

‘আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাররা নামক স্থান হতে প্রবাহিত পানির বণ্টন নিয়ে যুবাইরের (রাঃ) সাথে এক ব্যক্তির বিবাদ হলো। আনসারী লোকটি বললো, পানিকে প্রবাহিত হয়ে আসতে দাও। কিন্তু যুবাইর (রাঃ) এতে সম্মত হলেন না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে বললেনঃ হে যুবাইর! তোমার জমিতে পানি দাও; অতঃপর তোমার প্রতিবেশীর জমির দিকে তা ছেড়ে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথায় আনসারী রাগান্বিত হয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সে আপনার ফুফাতো ভাই সেজন্য পক্ষপাতিত্ব করছেন! তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেলো। তিনি বললেনঃ তোমার জমিতে পানি দাও, অতঃপর তা আটকে রাখো যাতে আইল পর্যন্ত পৌঁছে। যুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আমার মতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছেঃ “না, হে মুহাম্মাদ! আপনার রবের কসম, এরা কিছুতেই ঈমানদার হতে পারে না, যতক্ষণ তারা তাদের পারস্পরিক বিবাদে আপনাকে বিচারপতিরূপে মেনে না নিবে। অতঃপর আপনি ফায়সালা করবেন, সে সম্পর্কে তারা নিজেদের মনে কোনরূপ কুণ্ঠাবোধ করবে না; বরং তার সামনে নিজেদেরকে পূর্ণরূপে সোপর্দ করবে” (সূরাহ আন-নিসাঃ ৬৫)।

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا الليث، عن الزهري، عن عروة، أن عبد الله بن الزبير، حدثه أن رجلا خاصم الزبير في شراج الحرة التي يسقون بها فقال الأنصاري سرح الماء يمر ‏.‏ فأبى عليه الزبير فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للزبير ‏"‏ اسق يا زبير ثم أرسل إلى جارك ‏"‏ ‏.‏ فغضب الأنصاري فقال يا رسول الله أن كان ابن عمتك فتلون وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال ‏"‏ اسق ثم احبس الماء حتى يرجع إلى الجدر ‏"‏ ‏.‏ فقال الزبير فوالله إني لأحسب هذه الآية نزلت في ذلك ‏{‏ فلا وربك لا يؤمنون حتى يحكموك ‏}‏ الآية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৯

حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، حدثني أبي عبد الرحمن بن الحارث، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في السيل المهزور أن يمسك حتى يبلغ الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل ‏.‏

আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহযূর মাঠের পানি সম্পর্কে এই ফায়সালা দিয়েছেনঃ পায়ের গোছা ডুবে যাওয়ার পরিমাণ হওয়া পর্যন্ত এর পানি আটকিয়ে রাখা যাবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানি ছেড়ে দিবে।[৩৬৩৯]

আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহযূর মাঠের পানি সম্পর্কে এই ফায়সালা দিয়েছেনঃ পায়ের গোছা ডুবে যাওয়ার পরিমাণ হওয়া পর্যন্ত এর পানি আটকিয়ে রাখা যাবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানি ছেড়ে দিবে।[৩৬৩৯]

حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، حدثني أبي عبد الرحمن بن الحارث، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في السيل المهزور أن يمسك حتى يبلغ الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৯

حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، حدثني أبي عبد الرحمن بن الحارث، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في السيل المهزور أن يمسك حتى يبلغ الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل ‏.‏

আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহযূর মাঠের পানি সম্পর্কে এই ফায়সালা দিয়েছেনঃ পায়ের গোছা ডুবে যাওয়ার পরিমাণ হওয়া পর্যন্ত এর পানি আটকিয়ে রাখা যাবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানি ছেড়ে দিবে।[৩৬৩৯]

আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহযূর মাঠের পানি সম্পর্কে এই ফায়সালা দিয়েছেনঃ পায়ের গোছা ডুবে যাওয়ার পরিমাণ হওয়া পর্যন্ত এর পানি আটকিয়ে রাখা যাবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানি ছেড়ে দিবে।[৩৬৩৯]

حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، حدثني أبي عبد الرحمن بن الحارث، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في السيل المهزور أن يمسك حتى يبلغ الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৬৩৯

حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، حدثني أبي عبد الرحمن بن الحارث، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في السيل المهزور أن يمسك حتى يبلغ الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل ‏.‏

আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহযূর মাঠের পানি সম্পর্কে এই ফায়সালা দিয়েছেনঃ পায়ের গোছা ডুবে যাওয়ার পরিমাণ হওয়া পর্যন্ত এর পানি আটকিয়ে রাখা যাবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানি ছেড়ে দিবে।[৩৬৩৯]

আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাহযূর মাঠের পানি সম্পর্কে এই ফায়সালা দিয়েছেনঃ পায়ের গোছা ডুবে যাওয়ার পরিমাণ হওয়া পর্যন্ত এর পানি আটকিয়ে রাখা যাবে। অতঃপর উচ্চ ভূমির মালিক নিম্ন ভূমির মালিকের দিকে পানি ছেড়ে দিবে।[৩৬৩৯]

حدثنا أحمد بن عبدة، حدثنا المغيرة بن عبد الرحمن، حدثني أبي عبد الرحمن بن الحارث، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في السيل المهزور أن يمسك حتى يبلغ الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00