সুনানে আবু দাউদ > যার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
সুনানে আবু দাউদ ৩৬০১
حدثنا محمد بن خلف بن طارق الرازي، حدثنا زيد بن يحيى بن عبيد الخزاعي، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن سليمان بن موسى، بإسناده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تجوز شهادة خائن ولا خائنة ولا زان ولا زانية ولا ذي غمر على أخيه " .
সুলাইমান ইবনু মূসা হতে ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ)-এর মাধ্যমে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: খিয়ানাতকারী ও খিয়ানাতকারীনী, ব্যভিচারী ও ব্যভিচারীনী এবং কোন মুসলিম ভাইয়ের প্রতি হিংসা পোষণকারীর সাক্ষ্য বৈধ নয়। [৩৬০১]
সুলাইমান ইবনু মূসা হতে ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ)-এর মাধ্যমে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: খিয়ানাতকারী ও খিয়ানাতকারীনী, ব্যভিচারী ও ব্যভিচারীনী এবং কোন মুসলিম ভাইয়ের প্রতি হিংসা পোষণকারীর সাক্ষ্য বৈধ নয়। [৩৬০১]
حدثنا محمد بن خلف بن طارق الرازي، حدثنا زيد بن يحيى بن عبيد الخزاعي، حدثنا سعيد بن عبد العزيز، عن سليمان بن موسى، بإسناده قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تجوز شهادة خائن ولا خائنة ولا زان ولا زانية ولا ذي غمر على أخيه " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬০০
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رد شهادة الخائن والخائنة وذي الغمر على أخيه ورد شهادة القانع لأهل البيت وأجازها لغيرهم . قال أبو داود الغمر الحنة والشحناء والقانع الأجير التابع مثل الأجير الخاص .
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খিয়ানতকারী ও খিয়ানতকারীনীর সাক্ষ্য এবং নিজের ভাইয়ের সাথে শত্রুতা পোষণকারীর সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি কোন পরিবারের অধীনস্থ খাদেম ও আশ্রিত ব্যক্তির সাক্ষ্যও বর্জন করেছেন, তবে অন্যের পক্ষে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য বলেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, গিম্র অর্থ হলো শত্রুতা; কানি' অর্থ আশ্রিতজন, অধীনস্থ, বিশেষ ভৃত্যের মত। [৩৬০০]
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খিয়ানতকারী ও খিয়ানতকারীনীর সাক্ষ্য এবং নিজের ভাইয়ের সাথে শত্রুতা পোষণকারীর সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি কোন পরিবারের অধীনস্থ খাদেম ও আশ্রিত ব্যক্তির সাক্ষ্যও বর্জন করেছেন, তবে অন্যের পক্ষে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য বলেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, গিম্র অর্থ হলো শত্রুতা; কানি' অর্থ আশ্রিতজন, অধীনস্থ, বিশেষ ভৃত্যের মত। [৩৬০০]
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا محمد بن راشد، حدثنا سليمان بن موسى، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رد شهادة الخائن والخائنة وذي الغمر على أخيه ورد شهادة القانع لأهل البيت وأجازها لغيرهم . قال أبو داود الغمر الحنة والشحناء والقانع الأجير التابع مثل الأجير الخاص .
সুনানে আবু দাউদ > শহরবাসীর পক্ষে গ্রাম্য লোকের সাক্ষ্য
সুনানে আবু দাউদ ৩৬০২
حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يحيى بن أيوب، ونافع بن يزيد، عن ابن الهاد، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تجوز شهادة بدوي على صاحب قرية " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: শহরে বসবাসকারী লোকের জন্য জঙ্গলে, গ্রামে বা মরুভূমিতে বসবাসকারী লোকের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন: শহরে বসবাসকারী লোকের জন্য জঙ্গলে, গ্রামে বা মরুভূমিতে বসবাসকারী লোকের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
حدثنا أحمد بن سعيد الهمداني، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يحيى بن أيوب، ونافع بن يزيد، عن ابن الهاد، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن عطاء بن يسار، عن أبي هريرة، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تجوز شهادة بدوي على صاحب قرية " .
সুনানে আবু দাউদ > দুধপান সম্পর্কিত বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়া
সুনানে আবু দাউদ ৩৬০৩
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، حدثني عقبة بن الحارث، وحدثنيه صاحب، لي عنه - وأنا لحديث، صاحبي أحفظ - قال تزوجت أم يحيى بنت أبي إهاب فدخلت علينا امرأة سوداء فزعمت أنها أرضعتنا جميعا فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فأعرض عني فقلت يا رسول الله إنها لكاذبة . قال " وما يدريك وقد قالت ما قالت دعها عنك " .
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উক্ববাহ ইবনুল হারিস আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমার এক বন্ধু হাদীসটি ‘উক্ববাহ্ সূত্রে আমাকে বলেছেন। আমার বন্ধুর মাধ্যমে পাওয়া হাদীসটি আমি ভালোভাবে মনে রেখেছি। ‘উক্ববাহ (রাঃ) বলেন, আবূ ইহাবের মেয়ে উম্মু ইয়াহইয়াকে আমি বিয়ে করি। একটি কালো মহিলা আমাদের নিকট এসে বললো, সে আমাদের উভয়কে দুধ পান করিয়েছে। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে এ কথা অবহিত করলাম। কিন্তু তিনি আমার কথায় গুরুত্ব দিলেন না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে মিথ্যাবাদিনী। তিনি বললেনঃতুমি তা কীভাবে জানলে! সে তো যা বলার বলেছে। তুমি তোমার স্ত্রীকে ত্যাগ করো।
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘উক্ববাহ ইবনুল হারিস আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমার এক বন্ধু হাদীসটি ‘উক্ববাহ্ সূত্রে আমাকে বলেছেন। আমার বন্ধুর মাধ্যমে পাওয়া হাদীসটি আমি ভালোভাবে মনে রেখেছি। ‘উক্ববাহ (রাঃ) বলেন, আবূ ইহাবের মেয়ে উম্মু ইয়াহইয়াকে আমি বিয়ে করি। একটি কালো মহিলা আমাদের নিকট এসে বললো, সে আমাদের উভয়কে দুধ পান করিয়েছে। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে তাঁকে এ কথা অবহিত করলাম। কিন্তু তিনি আমার কথায় গুরুত্ব দিলেন না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে মিথ্যাবাদিনী। তিনি বললেনঃতুমি তা কীভাবে জানলে! সে তো যা বলার বলেছে। তুমি তোমার স্ত্রীকে ত্যাগ করো।
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، حدثني عقبة بن الحارث، وحدثنيه صاحب، لي عنه - وأنا لحديث، صاحبي أحفظ - قال تزوجت أم يحيى بنت أبي إهاب فدخلت علينا امرأة سوداء فزعمت أنها أرضعتنا جميعا فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فأعرض عني فقلت يا رسول الله إنها لكاذبة . قال " وما يدريك وقد قالت ما قالت دعها عنك " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬০৪
حدثنا أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا الحارث بن عمير البصري، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، كلاهما عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن عبيد بن أبي مريم، عن عقبة بن الحارث، - وقد سمعته من، عقبة ولكني لحديث عبيد أحفظ - فذكر معناه . قال أبو داود نظر حماد بن زيد إلى الحارث بن عمير فقال هذا من ثقات أصحاب أيوب .
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উবাইদ ইবনু আবূ মারইয়াম হতে 'উক্ববাহ ইবনুল হারিসের সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন, ...। [৩৬০৪] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
ইবনু আবূ মুলাইকাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি ‘উবাইদ ইবনু আবূ মারইয়াম হতে 'উক্ববাহ ইবনুল হারিসের সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন, ...। [৩৬০৪] আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
حدثنا أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا الحارث بن عمير البصري، ح وحدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا إسماعيل ابن علية، كلاهما عن أيوب، عن ابن أبي مليكة، عن عبيد بن أبي مريم، عن عقبة بن الحارث، - وقد سمعته من، عقبة ولكني لحديث عبيد أحفظ - فذكر معناه . قال أبو داود نظر حماد بن زيد إلى الحارث بن عمير فقال هذا من ثقات أصحاب أيوب .
সুনানে আবু দাউদ > যিম্মীদের সাক্ষ্য এবং সফরের সময় ওসিয়াত প্রদান
সুনানে আবু দাউদ ৩৬০৫
حدثنا زياد بن أيوب، حدثنا هشيم، أخبرنا زكريا، عن الشعبي، أن رجلا، من المسلمين حضرته الوفاة بدقوقاء هذه ولم يجد أحدا من المسلمين يشهده على وصيته فأشهد رجلين من أهل الكتاب فقدما الكوفة فأتيا أبا موسى الأشعري فأخبراه وقدما بتركته ووصيته . فقال الأشعري هذا أمر لم يكن بعد الذي كان في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم . فأحلفهما بعد العصر بالله ما خانا ولا كذبا ولا بدلا ولا كتما ولا غيرا وإنها لوصية الرجل وتركته فأمضى شهادتهما .
আশ-শা‘বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
দাকূকাহ নামক শহরে এক মুসলিম ব্যক্তির মৃত্যু আসন্ন হলো। সে তার কৃত ওয়াসিয়াতের সাক্ষী রাখতে কোন মুসলিম না পেয়ে দু‘জন আহলে কিতাবকে সাক্ষী করে গেলো। তার উভয়ে কুফায় এসে আবূ মূসা আল-আশ‘আরীর (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে তার ওয়াসিয়াত সম্পর্কে জানালো এবং তার পরিত্যক্ত সম্পদও পেশ করলো। আল-আশ'আরী (রাঃ) বললেন, বিষয়টি এমন যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ঘটেছিল। তিনি উভয়কে ‘আসর সলাতের পর আল্লাহর নামে শপথ করালেন। তারা উভয়ে আল্লাহর নামে শপথ করে বললো, তারা খেয়ানত করেনি, মিথ্যা বলেনি, কিছু রদবদল করেনি, কিছু গোপন করেনি এবং কোনরূপ পরিবর্তন করেনি। এটাই ছিল তার ওয়াসিয়াত এবং এ হলো তার পরিত্যক্ত সম্পদ। ফলে তিনি তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করলেন। সানাদ সহীহ, যদি শা‘বী হাদীসটি আবু মূসা হতে শুনে থাকেন।
আশ-শা‘বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
দাকূকাহ নামক শহরে এক মুসলিম ব্যক্তির মৃত্যু আসন্ন হলো। সে তার কৃত ওয়াসিয়াতের সাক্ষী রাখতে কোন মুসলিম না পেয়ে দু‘জন আহলে কিতাবকে সাক্ষী করে গেলো। তার উভয়ে কুফায় এসে আবূ মূসা আল-আশ‘আরীর (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে তার ওয়াসিয়াত সম্পর্কে জানালো এবং তার পরিত্যক্ত সম্পদও পেশ করলো। আল-আশ'আরী (রাঃ) বললেন, বিষয়টি এমন যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে ঘটেছিল। তিনি উভয়কে ‘আসর সলাতের পর আল্লাহর নামে শপথ করালেন। তারা উভয়ে আল্লাহর নামে শপথ করে বললো, তারা খেয়ানত করেনি, মিথ্যা বলেনি, কিছু রদবদল করেনি, কিছু গোপন করেনি এবং কোনরূপ পরিবর্তন করেনি। এটাই ছিল তার ওয়াসিয়াত এবং এ হলো তার পরিত্যক্ত সম্পদ। ফলে তিনি তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করলেন। সানাদ সহীহ, যদি শা‘বী হাদীসটি আবু মূসা হতে শুনে থাকেন।
حدثنا زياد بن أيوب، حدثنا هشيم، أخبرنا زكريا، عن الشعبي، أن رجلا، من المسلمين حضرته الوفاة بدقوقاء هذه ولم يجد أحدا من المسلمين يشهده على وصيته فأشهد رجلين من أهل الكتاب فقدما الكوفة فأتيا أبا موسى الأشعري فأخبراه وقدما بتركته ووصيته . فقال الأشعري هذا أمر لم يكن بعد الذي كان في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم . فأحلفهما بعد العصر بالله ما خانا ولا كذبا ولا بدلا ولا كتما ولا غيرا وإنها لوصية الرجل وتركته فأمضى شهادتهما .
সুনানে আবু দাউদ ৩৬০৬
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا ابن أبي زائدة، عن محمد بن أبي القاسم، عن عبد الملك بن سعيد بن جبير، عن أبيه، عن ابن عباس، قال خرج رجل من بني سهم مع تميم الداري وعدي بن بداء فمات السهمي بأرض ليس بها مسلم فلما قدما بتركته فقدوا جام فضة مخوصا بالذهب فأحلفهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم وجد الجام بمكة فقالوا اشتريناه من تميم وعدي فقام رجلان من أولياء السهمي فحلفا لشهادتنا أحق من شهادتهما وإن الجام لصاحبهم . قال فنزلت فيهم { يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت } الآية .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাহ্ম গোত্রের এক লোক তামীম আদ-দারী ও ‘আদী ইবনু বাদ্দার সাথে বের হলো। সাহম গোত্রের লোকটি এমন স্থানে মারা গেলো যেখানে কোন মুসলিমের বসতি ছিলো না। তার সঙ্গীদ্বয় যখন তার পরিত্যক্ত মালামাল নিয়ে ফিরে আসলো, দেখা গেলো স্বর্ণের কারুকার্য খচিত একটি রূপার পেয়ালা হারিয়ে গেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে শপথ করালেন। পাত্রটি পরে মাক্কাহ্তে পাওয়া গেলো। তারা (পাত্রের প্রাপক) বললো, আমরা এটা তামীম ও ‘আদীর কাছ হতে কিনেছি। অতঃপর মৃত সাহমীর দু’জন উত্তরাধিকারী দাঁড়িয়ে শপথ করে বললো, আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যের চেয়ে অধিক সত্য। আমাদের সাথী এ পাত্রটির মালিক ছিলো। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তাদের প্রসঙ্গে এ আয়াত অবতীর্ণ হলো: "হে ঈমানদারগণ! তোমাদের কারো মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে ..." (সূরাহ আল-মায়িদাহ: ১০৬-৮)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাহ্ম গোত্রের এক লোক তামীম আদ-দারী ও ‘আদী ইবনু বাদ্দার সাথে বের হলো। সাহম গোত্রের লোকটি এমন স্থানে মারা গেলো যেখানে কোন মুসলিমের বসতি ছিলো না। তার সঙ্গীদ্বয় যখন তার পরিত্যক্ত মালামাল নিয়ে ফিরে আসলো, দেখা গেলো স্বর্ণের কারুকার্য খচিত একটি রূপার পেয়ালা হারিয়ে গেছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের উভয়কে শপথ করালেন। পাত্রটি পরে মাক্কাহ্তে পাওয়া গেলো। তারা (পাত্রের প্রাপক) বললো, আমরা এটা তামীম ও ‘আদীর কাছ হতে কিনেছি। অতঃপর মৃত সাহমীর দু’জন উত্তরাধিকারী দাঁড়িয়ে শপথ করে বললো, আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যের চেয়ে অধিক সত্য। আমাদের সাথী এ পাত্রটির মালিক ছিলো। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তাদের প্রসঙ্গে এ আয়াত অবতীর্ণ হলো: "হে ঈমানদারগণ! তোমাদের কারো মৃত্যুর সময় উপস্থিত হলে ..." (সূরাহ আল-মায়িদাহ: ১০৬-৮)।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا ابن أبي زائدة، عن محمد بن أبي القاسم، عن عبد الملك بن سعيد بن جبير، عن أبيه، عن ابن عباس، قال خرج رجل من بني سهم مع تميم الداري وعدي بن بداء فمات السهمي بأرض ليس بها مسلم فلما قدما بتركته فقدوا جام فضة مخوصا بالذهب فأحلفهما رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم وجد الجام بمكة فقالوا اشتريناه من تميم وعدي فقام رجلان من أولياء السهمي فحلفا لشهادتنا أحق من شهادتهما وإن الجام لصاحبهم . قال فنزلت فيهم { يا أيها الذين آمنوا شهادة بينكم إذا حضر أحدكم الموت } الآية .