সুনানে আবু দাউদ > রাগের সাথে বিচারকের সিদ্ধান্ত দেয়া নিষেধ

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৮৯

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، حدثنا عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، أنه كتب إلى ابنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يقضي الحكم بين اثنين وهو غضبان ‏"‏ ‏.‏

আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার পুত্র ‘আবদুর রহমানকে এ মর্মে লিখলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দু’পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত না দেন।

আবূ বাক্‌রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার পুত্র ‘আবদুর রহমানকে এ মর্মে লিখলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দু’পক্ষের মধ্যে সিদ্ধান্ত না দেন।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، حدثنا عبد الرحمن بن أبي بكرة، عن أبيه، أنه كتب إلى ابنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يقضي الحكم بين اثنين وهو غضبان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যিম্মীদের বিবাদ মীমাংসা করার বিধান

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯০

حدثنا أحمد بن محمد المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ فنسخت قال ‏{‏ فاحكم بينهم بما أنزل الله ‏}‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহান আল্লাহ্‌র বানী : তারা (ইয়াহুদীরা) তোমার নিকট এলে তোমার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার মীমাংসা করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার (সুরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আলোচ্য আয়াত এ আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছে : “অতএব আপনি আল্লাহ্‌র অবতীর্ণ করা আইন মোতাবেক লোকদের যাবতীয় বিষয়ে ফায়সালা করুন” (সুরাহ আল-মায়িদাহ : ৪৮)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহান আল্লাহ্‌র বানী : তারা (ইয়াহুদীরা) তোমার নিকট এলে তোমার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার মীমাংসা করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার (সুরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আলোচ্য আয়াত এ আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছে : “অতএব আপনি আল্লাহ্‌র অবতীর্ণ করা আইন মোতাবেক লোকদের যাবতীয় বিষয়ে ফায়সালা করুন” (সুরাহ আল-মায়িদাহ : ৪৮)

حدثنا أحمد بن محمد المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ فنسخت قال ‏{‏ فاحكم بينهم بما أنزل الله ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯১

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏{‏ وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط ‏}‏ الآية قال كان بنو النضير إذا قتلوا من بني قريظة أدوا نصف الدية وإذا قتل بنو قريظة من بني النضير أدوا إليهم الدية كاملة فسوى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো : “তারা যদি আপনার নিকট (নিজেদের মোকদ্দমা নিয়ে) আসে, তাহলে আপনার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার। যদি আপনি (বিচার করতে) অস্বীকার করেন তবে তারা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর বিচার করলে ইনসাফের সাথেই করবেন। কেননা আল্লাহ্‌ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, বনী নাযীরের এক ব্যক্তি বনী কুরাইযাহ্‌র এক লোককে হত্যা করলে তারা দিয়াতের অর্ধেক পরিশোধ করতো। পক্ষান্তরে বনী কুরাইযাহ বনী নাযীরের কাউকে হত্যা করলে তাদেরকে পূর্ণ দিয়াত দিতে হতো। উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে সমতা প্রতিষ্ঠা করলেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো : “তারা যদি আপনার নিকট (নিজেদের মোকদ্দমা নিয়ে) আসে, তাহলে আপনার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার। যদি আপনি (বিচার করতে) অস্বীকার করেন তবে তারা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর বিচার করলে ইনসাফের সাথেই করবেন। কেননা আল্লাহ্‌ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, বনী নাযীরের এক ব্যক্তি বনী কুরাইযাহ্‌র এক লোককে হত্যা করলে তারা দিয়াতের অর্ধেক পরিশোধ করতো। পক্ষান্তরে বনী কুরাইযাহ বনী নাযীরের কাউকে হত্যা করলে তাদেরকে পূর্ণ দিয়াত দিতে হতো। উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে সমতা প্রতিষ্ঠা করলেন।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏{‏ وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط ‏}‏ الآية قال كان بنو النضير إذا قتلوا من بني قريظة أدوا نصف الدية وإذا قتل بنو قريظة من بني النضير أدوا إليهم الدية كاملة فسوى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯১

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏{‏ وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط ‏}‏ الآية قال كان بنو النضير إذا قتلوا من بني قريظة أدوا نصف الدية وإذا قتل بنو قريظة من بني النضير أدوا إليهم الدية كاملة فسوى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো : “তারা যদি আপনার নিকট (নিজেদের মোকদ্দমা নিয়ে) আসে, তাহলে আপনার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার। যদি আপনি (বিচার করতে) অস্বীকার করেন তবে তারা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর বিচার করলে ইনসাফের সাথেই করবেন। কেননা আল্লাহ্‌ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, বনী নাযীরের এক ব্যক্তি বনী কুরাইযাহ্‌র এক লোককে হত্যা করলে তারা দিয়াতের অর্ধেক পরিশোধ করতো। পক্ষান্তরে বনী কুরাইযাহ বনী নাযীরের কাউকে হত্যা করলে তাদেরকে পূর্ণ দিয়াত দিতে হতো। উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে সমতা প্রতিষ্ঠা করলেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো : “তারা যদি আপনার নিকট (নিজেদের মোকদ্দমা নিয়ে) আসে, তাহলে আপনার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার। যদি আপনি (বিচার করতে) অস্বীকার করেন তবে তারা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর বিচার করলে ইনসাফের সাথেই করবেন। কেননা আল্লাহ্‌ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, বনী নাযীরের এক ব্যক্তি বনী কুরাইযাহ্‌র এক লোককে হত্যা করলে তারা দিয়াতের অর্ধেক পরিশোধ করতো। পক্ষান্তরে বনী কুরাইযাহ বনী নাযীরের কাউকে হত্যা করলে তাদেরকে পূর্ণ দিয়াত দিতে হতো। উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে সমতা প্রতিষ্ঠা করলেন।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏{‏ وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط ‏}‏ الآية قال كان بنو النضير إذا قتلوا من بني قريظة أدوا نصف الدية وإذا قتل بنو قريظة من بني النضير أدوا إليهم الدية كاملة فسوى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯১

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏{‏ وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط ‏}‏ الآية قال كان بنو النضير إذا قتلوا من بني قريظة أدوا نصف الدية وإذا قتل بنو قريظة من بني النضير أدوا إليهم الدية كاملة فسوى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো : “তারা যদি আপনার নিকট (নিজেদের মোকদ্দমা নিয়ে) আসে, তাহলে আপনার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার। যদি আপনি (বিচার করতে) অস্বীকার করেন তবে তারা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর বিচার করলে ইনসাফের সাথেই করবেন। কেননা আল্লাহ্‌ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, বনী নাযীরের এক ব্যক্তি বনী কুরাইযাহ্‌র এক লোককে হত্যা করলে তারা দিয়াতের অর্ধেক পরিশোধ করতো। পক্ষান্তরে বনী কুরাইযাহ বনী নাযীরের কাউকে হত্যা করলে তাদেরকে পূর্ণ দিয়াত দিতে হতো। উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে সমতা প্রতিষ্ঠা করলেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো : “তারা যদি আপনার নিকট (নিজেদের মোকদ্দমা নিয়ে) আসে, তাহলে আপনার এখতিয়ার রয়েছে তাদের বিচার করার অথবা তাদেরকে উপেক্ষা করার। যদি আপনি (বিচার করতে) অস্বীকার করেন তবে তারা আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আর বিচার করলে ইনসাফের সাথেই করবেন। কেননা আল্লাহ্‌ ইনসাফকারীদের ভালোবাসেন” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৪২)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, বনী নাযীরের এক ব্যক্তি বনী কুরাইযাহ্‌র এক লোককে হত্যা করলে তারা দিয়াতের অর্ধেক পরিশোধ করতো। পক্ষান্তরে বনী কুরাইযাহ বনী নাযীরের কাউকে হত্যা করলে তাদেরকে পূর্ণ দিয়াত দিতে হতো। উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের মাঝে সমতা প্রতিষ্ঠা করলেন।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، عن داود بن الحصين، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الآية ‏{‏ فإن جاءوك فاحكم بينهم أو أعرض عنهم ‏}‏ ‏{‏ وإن حكمت فاحكم بينهم بالقسط ‏}‏ الآية قال كان بنو النضير إذا قتلوا من بني قريظة أدوا نصف الدية وإذا قتل بنو قريظة من بني النضير أدوا إليهم الدية كاملة فسوى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বিচারকার্য পরিচালনায় ইজতিহাদ করা

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯৩

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني أبو عون، عن الحارث بن عمرو، عن ناس، من أصحاب معاذ عن معاذ بن جبل، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما بعثه إلى اليمن فذكر معناه ‏.‏

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন... অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ। [৩৫৯৩]

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে ইয়ামানে প্রেরণ করলেন... অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ। [৩৫৯৩]

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، حدثني أبو عون، عن الحارث بن عمرو، عن ناس، من أصحاب معاذ عن معاذ بن جبل، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما بعثه إلى اليمن فذكر معناه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯২

حدثنا حفص بن عمر، عن شعبة، عن أبي عون، عن الحارث بن عمرو بن أخي المغيرة بن شعبة، عن أناس، من أهل حمص من أصحاب معاذ بن جبل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أراد أن يبعث معاذا إلى اليمن قال ‏"‏ كيف تقضي إذا عرض لك قضاء ‏"‏ ‏.‏ قال أقضي بكتاب الله ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لم تجد في كتاب الله ‏"‏ ‏.‏ قال فبسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لم تجد في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا في كتاب الله ‏"‏ ‏.‏ قال أجتهد رأيي ولا آلو ‏.‏ فضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم صدره وقال ‏"‏ الحمد لله الذي وفق رسول رسول الله لما يرضي رسول الله ‏"‏ ‏.‏

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) কতিপয় সঙ্গীর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে ইয়ামানে পাঠানোর ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ তোমার নিকট যখন কোন মোকদ্দমা আনা হবে, তখন তুমি কিসের ভিত্তিতে এর ফায়সালা করবে? তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কিতাব মোতাবেক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি আল্লাহ্‌র কিতাবে এর কোন ফায়সালা না পাও? মু’আয (রাঃ) বললেন, তাহলে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত অনুযায়ী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত এবং আল্লাহ্‌র কিতাবে এর ফায়সালা না পাও? মু’আয বললেন, তাহলে আমি ইজতিহাদ করবো এবং অলসতা করবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আযের বুকে হাত মেরে বললেনঃ সকল প্রশংসা সেই আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি তাঁর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতিনিধিকে আল্লাহ্‌র রাসূলের মনঃপুত কাজ করার তৌফিক দিয়েছেন। [৩৫৯২] দুর্বল : মিশকাত (৩৭৩৭)।

মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) কতিপয় সঙ্গীর সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তাকে ইয়ামানে পাঠানোর ইচ্ছা করলেন তখন বললেনঃ তোমার নিকট যখন কোন মোকদ্দমা আনা হবে, তখন তুমি কিসের ভিত্তিতে এর ফায়সালা করবে? তিনি বললেন, আল্লাহ্‌র কিতাব মোতাবেক। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি আল্লাহ্‌র কিতাবে এর কোন ফায়সালা না পাও? মু’আয (রাঃ) বললেন, তাহলে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত অনুযায়ী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যদি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত এবং আল্লাহ্‌র কিতাবে এর ফায়সালা না পাও? মু’আয বললেন, তাহলে আমি ইজতিহাদ করবো এবং অলসতা করবো না। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মু’আযের বুকে হাত মেরে বললেনঃ সকল প্রশংসা সেই আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি তাঁর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রতিনিধিকে আল্লাহ্‌র রাসূলের মনঃপুত কাজ করার তৌফিক দিয়েছেন। [৩৫৯২] দুর্বল : মিশকাত (৩৭৩৭)।

حدثنا حفص بن عمر، عن شعبة، عن أبي عون، عن الحارث بن عمرو بن أخي المغيرة بن شعبة، عن أناس، من أهل حمص من أصحاب معاذ بن جبل أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أراد أن يبعث معاذا إلى اليمن قال ‏"‏ كيف تقضي إذا عرض لك قضاء ‏"‏ ‏.‏ قال أقضي بكتاب الله ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لم تجد في كتاب الله ‏"‏ ‏.‏ قال فبسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لم تجد في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا في كتاب الله ‏"‏ ‏.‏ قال أجتهد رأيي ولا آلو ‏.‏ فضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم صدره وقال ‏"‏ الحمد لله الذي وفق رسول رسول الله لما يرضي رسول الله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > সন্ধি স্থাপন

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯৪

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، ح وحدثنا أحمد بن عبد الواحد الدمشقي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد - حدثنا سليمان بن بلال، أو عبد العزيز بن محمد - شك الشيخ - عن كثير بن زيد، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الصلح جائز بين المسلمين ‏"‏ ‏.‏ زاد أحمد ‏"‏ إلا صلحا أحل حراما أو حرم حلالا ‏"‏ ‏.‏ وزاد سليمان بن داود وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المسلمون على شروطهم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম সমাজে পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন বৈধ। ইমাম আহমাদের বর্ণনায় রয়েছে : তবে এমন সন্ধি বৈধ নয় যা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে। সুলাইমান ইবনু দাঊদের বর্ণনায় রয়েছে : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিমরা নিজেদের (চুক্তিপত্রের) শর্তসমূহ পালন করতে বাধ্য।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম সমাজে পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন বৈধ। ইমাম আহমাদের বর্ণনায় রয়েছে : তবে এমন সন্ধি বৈধ নয় যা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে। সুলাইমান ইবনু দাঊদের বর্ণনায় রয়েছে : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিমরা নিজেদের (চুক্তিপত্রের) শর্তসমূহ পালন করতে বাধ্য।

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، ح وحدثنا أحمد بن عبد الواحد الدمشقي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد - حدثنا سليمان بن بلال، أو عبد العزيز بن محمد - شك الشيخ - عن كثير بن زيد، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الصلح جائز بين المسلمين ‏"‏ ‏.‏ زاد أحمد ‏"‏ إلا صلحا أحل حراما أو حرم حلالا ‏"‏ ‏.‏ وزاد سليمان بن داود وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المسلمون على شروطهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯৪

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، ح وحدثنا أحمد بن عبد الواحد الدمشقي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد - حدثنا سليمان بن بلال، أو عبد العزيز بن محمد - شك الشيخ - عن كثير بن زيد، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الصلح جائز بين المسلمين ‏"‏ ‏.‏ زاد أحمد ‏"‏ إلا صلحا أحل حراما أو حرم حلالا ‏"‏ ‏.‏ وزاد سليمان بن داود وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المسلمون على شروطهم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম সমাজে পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন বৈধ। ইমাম আহমাদের বর্ণনায় রয়েছে : তবে এমন সন্ধি বৈধ নয় যা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে। সুলাইমান ইবনু দাঊদের বর্ণনায় রয়েছে : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিমরা নিজেদের (চুক্তিপত্রের) শর্তসমূহ পালন করতে বাধ্য।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম সমাজে পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন বৈধ। ইমাম আহমাদের বর্ণনায় রয়েছে : তবে এমন সন্ধি বৈধ নয় যা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে। সুলাইমান ইবনু দাঊদের বর্ণনায় রয়েছে : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিমরা নিজেদের (চুক্তিপত্রের) শর্তসমূহ পালন করতে বাধ্য।

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، ح وحدثنا أحمد بن عبد الواحد الدمشقي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد - حدثنا سليمان بن بلال، أو عبد العزيز بن محمد - شك الشيخ - عن كثير بن زيد، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الصلح جائز بين المسلمين ‏"‏ ‏.‏ زاد أحمد ‏"‏ إلا صلحا أحل حراما أو حرم حلالا ‏"‏ ‏.‏ وزاد سليمان بن داود وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المسلمون على شروطهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯৪

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، ح وحدثنا أحمد بن عبد الواحد الدمشقي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد - حدثنا سليمان بن بلال، أو عبد العزيز بن محمد - شك الشيخ - عن كثير بن زيد، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الصلح جائز بين المسلمين ‏"‏ ‏.‏ زاد أحمد ‏"‏ إلا صلحا أحل حراما أو حرم حلالا ‏"‏ ‏.‏ وزاد سليمان بن داود وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المسلمون على شروطهم ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম সমাজে পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন বৈধ। ইমাম আহমাদের বর্ণনায় রয়েছে : তবে এমন সন্ধি বৈধ নয় যা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে। সুলাইমান ইবনু দাঊদের বর্ণনায় রয়েছে : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিমরা নিজেদের (চুক্তিপত্রের) শর্তসমূহ পালন করতে বাধ্য।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম সমাজে পরস্পরের মধ্যে সন্ধি স্থাপন বৈধ। ইমাম আহমাদের বর্ণনায় রয়েছে : তবে এমন সন্ধি বৈধ নয় যা হালালকে হারাম এবং হারামকে হালাল করে। সুলাইমান ইবনু দাঊদের বর্ণনায় রয়েছে : রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মুসলিমরা নিজেদের (চুক্তিপত্রের) শর্তসমূহ পালন করতে বাধ্য।

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني سليمان بن بلال، ح وحدثنا أحمد بن عبد الواحد الدمشقي، حدثنا مروان، - يعني ابن محمد - حدثنا سليمان بن بلال، أو عبد العزيز بن محمد - شك الشيخ - عن كثير بن زيد، عن الوليد بن رباح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ الصلح جائز بين المسلمين ‏"‏ ‏.‏ زاد أحمد ‏"‏ إلا صلحا أحل حراما أو حرم حلالا ‏"‏ ‏.‏ وزاد سليمان بن داود وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ المسلمون على شروطهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৯৫

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبد الله بن كعب بن مالك، أن كعب بن مالك، أخبره أنه، تقاضى ابن أبي حدرد دينا كان له عليه في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد فارتفعت أصواتهما حتى سمعهما رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في بيته فخرج إليهما رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كشف سجف حجرته ونادى كعب بن مالك فقال ‏"‏ يا كعب ‏"‏ ‏.‏ فقال لبيك يا رسول الله ‏.‏ فأشار له بيده أن ضع الشطر من دينك قال كعب قد فعلت يا رسول الله ‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قم فاقضه ‏"‏ ‏.‏

কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে মাসজিদে নাববীর মধ্যে ইবনু আবূ হাদরাদকে তার দেয়া ঋণ পরিশোধ করতে তাগাদা দিলেন। এ সময় উভয়ের কণ্ঠস্বর উঁচু হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ ঘর হতে এগিয়ে এলেন এবং দরজার পর্দা উঠিয়ে তিনি কা’ব ইবনু মালিককে ডেকে বললেনঃ হে কা’ব! তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি উপস্থিত। তিনি কা’বকে হাত দিয়ে ইশারা করে বললেনঃ তোমার প্রাপ্য ঋণের অর্ধেক ছেড়ে দাও। কা’ব বললেন, আমি তাই করলাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ঋণ গ্রহীতাকে) বললেনঃ উঠো এবং অবশিষ্ট ঋণ পরিশোধ করো।

কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে মাসজিদে নাববীর মধ্যে ইবনু আবূ হাদরাদকে তার দেয়া ঋণ পরিশোধ করতে তাগাদা দিলেন। এ সময় উভয়ের কণ্ঠস্বর উঁচু হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ ঘর হতে এগিয়ে এলেন এবং দরজার পর্দা উঠিয়ে তিনি কা’ব ইবনু মালিককে ডেকে বললেনঃ হে কা’ব! তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি উপস্থিত। তিনি কা’বকে হাত দিয়ে ইশারা করে বললেনঃ তোমার প্রাপ্য ঋণের অর্ধেক ছেড়ে দাও। কা’ব বললেন, আমি তাই করলাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (ঋণ গ্রহীতাকে) বললেনঃ উঠো এবং অবশিষ্ট ঋণ পরিশোধ করো।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبد الله بن كعب بن مالك، أن كعب بن مالك، أخبره أنه، تقاضى ابن أبي حدرد دينا كان له عليه في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم في المسجد فارتفعت أصواتهما حتى سمعهما رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو في بيته فخرج إليهما رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كشف سجف حجرته ونادى كعب بن مالك فقال ‏"‏ يا كعب ‏"‏ ‏.‏ فقال لبيك يا رسول الله ‏.‏ فأشار له بيده أن ضع الشطر من دينك قال كعب قد فعلت يا رسول الله ‏.‏ قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ قم فاقضه ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00