সুনানে আবু দাউদ > রুকবা

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৫৮

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا هشيم، أخبرنا داود، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قال رسول صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ العمرى جائزة لأهلها والرقبى جائزة لأهلها ‏"‏ ‏.

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে জীবনস্বত্ব দেয়া হয় সেটা তারই হয়ে যায়। রুকবা যাকে দেয়া সে-ই হয় এর স্বত্বাধিকারী। সহীহ: ইবনু মাজাহ (২৩৮৩)।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাকে জীবনস্বত্ব দেয়া হয় সেটা তারই হয়ে যায়। রুকবা যাকে দেয়া সে-ই হয় এর স্বত্বাধিকারী। সহীহ: ইবনু মাজাহ (২৩৮৩)।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا هشيم، أخبرنا داود، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قال رسول صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ العمرى جائزة لأهلها والرقبى جائزة لأهلها ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৫৯

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، قال قرأت على معقل عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن حجر، عن زيد بن ثابت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أعمر شيئا فهو لمعمره محياه ومماته ولا ترقبوا فمن أرقب شيئا فهو سبيله ‏"‏ ‏.‏

যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ কাউকে জীবনস্বত্বরূপে কিছু দান করে তাহলে যাকে তা দান করা হয়েছে সেই হবে জীবনে মরণে এর স্বত্বাধিকারী। তোমরা রুক্ববা করো না। কেউ রুক্ববা করলে তা গ্রহীতার মালিকানায় চলে যায়।

যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ কাউকে জীবনস্বত্বরূপে কিছু দান করে তাহলে যাকে তা দান করা হয়েছে সেই হবে জীবনে মরণে এর স্বত্বাধিকারী। তোমরা রুক্ববা করো না। কেউ রুক্ববা করলে তা গ্রহীতার মালিকানায় চলে যায়।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، قال قرأت على معقل عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن حجر، عن زيد بن ثابت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أعمر شيئا فهو لمعمره محياه ومماته ولا ترقبوا فمن أرقب شيئا فهو سبيله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৫৯

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، قال قرأت على معقل عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن حجر، عن زيد بن ثابت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أعمر شيئا فهو لمعمره محياه ومماته ولا ترقبوا فمن أرقب شيئا فهو سبيله ‏"‏ ‏.‏

যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ কাউকে জীবনস্বত্বরূপে কিছু দান করে তাহলে যাকে তা দান করা হয়েছে সেই হবে জীবনে মরণে এর স্বত্বাধিকারী। তোমরা রুক্ববা করো না। কেউ রুক্ববা করলে তা গ্রহীতার মালিকানায় চলে যায়।

যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ কাউকে জীবনস্বত্বরূপে কিছু দান করে তাহলে যাকে তা দান করা হয়েছে সেই হবে জীবনে মরণে এর স্বত্বাধিকারী। তোমরা রুক্ববা করো না। কেউ রুক্ববা করলে তা গ্রহীতার মালিকানায় চলে যায়।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، قال قرأت على معقل عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن حجر، عن زيد بن ثابت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أعمر شيئا فهو لمعمره محياه ومماته ولا ترقبوا فمن أرقب شيئا فهو سبيله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৫৯

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، قال قرأت على معقل عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن حجر، عن زيد بن ثابت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أعمر شيئا فهو لمعمره محياه ومماته ولا ترقبوا فمن أرقب شيئا فهو سبيله ‏"‏ ‏.‏

যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ কাউকে জীবনস্বত্বরূপে কিছু দান করে তাহলে যাকে তা দান করা হয়েছে সেই হবে জীবনে মরণে এর স্বত্বাধিকারী। তোমরা রুক্ববা করো না। কেউ রুক্ববা করলে তা গ্রহীতার মালিকানায় চলে যায়।

যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কেউ কাউকে জীবনস্বত্বরূপে কিছু দান করে তাহলে যাকে তা দান করা হয়েছে সেই হবে জীবনে মরণে এর স্বত্বাধিকারী। তোমরা রুক্ববা করো না। কেউ রুক্ববা করলে তা গ্রহীতার মালিকানায় চলে যায়।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، قال قرأت على معقل عن عمرو بن دينار، عن طاوس، عن حجر، عن زيد بن ثابت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أعمر شيئا فهو لمعمره محياه ومماته ولا ترقبوا فمن أرقب شيئا فهو سبيله ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬০

حدثنا عبد الله بن الجراح، عن عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن مجاهد، قال العمرى أن يقول الرجل للرجل هو لك ما عشت فإذا قال ذلك فهو له ولورثته والرقبى هو أن يقول الإنسان هو للآخر مني ومنك ‏.‏

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জীবনস্বত্ব হলোঃ কোনো ব্যক্তি কাউকে বললো, যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে এটা তোমার। দাতা এরূপ বললে এটা গ্রহীতার হয়ে যাবে এবং তার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিসরা এর স্বত্বাধিকারী হবে। আর রুক্ববা হলোঃ কোন ব্যক্তির এরূপ বলা, যদি আমি আগে মারা যাই তবে এটা তোমার, আর যদি তুমি আগে মারা যাও তবে এটা আমার।

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জীবনস্বত্ব হলোঃ কোনো ব্যক্তি কাউকে বললো, যতদিন তুমি বেঁচে থাকবে এটা তোমার। দাতা এরূপ বললে এটা গ্রহীতার হয়ে যাবে এবং তার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিসরা এর স্বত্বাধিকারী হবে। আর রুক্ববা হলোঃ কোন ব্যক্তির এরূপ বলা, যদি আমি আগে মারা যাই তবে এটা তোমার, আর যদি তুমি আগে মারা যাও তবে এটা আমার।

حدثنا عبد الله بن الجراح، عن عبيد الله بن موسى، عن عثمان بن الأسود، عن مجاهد، قال العمرى أن يقول الرجل للرجل هو لك ما عشت فإذا قال ذلك فهو له ولورثته والرقبى هو أن يقول الإنسان هو للآخر مني ومنك ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > ধারকৃত বস্তু নষ্ট হলে তার ক্ষতিপূরণ দেয়া

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬১

حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا يحيى، عن ابن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ على اليد ما أخذت حتى تؤدي ‏"‏ ‏.‏ ثم إن الحسن نسي فقال هو أمينك لا ضمان عليه ‏.‏

সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হাত দিয়ে গৃহীত জিনিস (ধার) গ্রহণকারী তা ফেরত না দেয়া পর্যন্ত তার যামিন থাকবে। বর্ণনাকারী হাসান (রহঃ) পরবর্তীকালে এ হাদীসটি ভুলে যান। অতঃপর বলেন, ধার গ্রহীতা আমানতদার। সুতরাং তাকে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। দুর্বল: ইবনু মাজাহ (২৪০০), ইরওয়া (১৫১৬), যঈফ তিরমিযী (২১৭/১২৮৯), যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৩৭৩৭), মিশকাত (২৯৫০)।

সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ হাত দিয়ে গৃহীত জিনিস (ধার) গ্রহণকারী তা ফেরত না দেয়া পর্যন্ত তার যামিন থাকবে। বর্ণনাকারী হাসান (রহঃ) পরবর্তীকালে এ হাদীসটি ভুলে যান। অতঃপর বলেন, ধার গ্রহীতা আমানতদার। সুতরাং তাকে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। দুর্বল: ইবনু মাজাহ (২৪০০), ইরওয়া (১৫১৬), যঈফ তিরমিযী (২১৭/১২৮৯), যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৩৭৩৭), মিশকাত (২৯৫০)।

حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا يحيى، عن ابن أبي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ على اليد ما أخذت حتى تؤدي ‏"‏ ‏.‏ ثم إن الحسن نسي فقال هو أمينك لا ضمان عليه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬৫

حدثنا عبد الوهاب بن نجدة الحوطي، حدثنا ابن عياش، عن شرحبيل بن مسلم، قال سمعت أبا أمامة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن الله عز وجل قد أعطى كل ذي حق حقه فلا وصية لوارث ولا تنفق المرأة شيئا من بيتها إلا بإذن زوجها ‏"‏ ‏.‏ فقيل يا رسول الله ولا الطعام قال ‏"‏ ذاك أفضل أموالنا ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ العارية مؤداة والمنحة مردودة والدين مقضي والزعيم غارم ‏"‏ ‏.‏

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ মহান আল্লাহ প্রত্যেক হক্বদারকে তার হক্ব প্রদান করেছেন। কাজেই উত্তরাধিকারীদের জন্য কোন ওয়াসিয়াত নেই। স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রী তার ঘরের কিছু খরচ করবে না। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! খাদ্যদ্রব্যও নয়? তিনি বলেন: এটা তো আমাদের সর্বোত্তম সম্পদ। অতঃপর তিনি বললেনঃ ধারকৃত বস্তু ফেরত দিতে হবে; দুগ্ধবতী পশুর দুধ পান শেষ হলে তা ফেরত দিতে হবে; ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং জামিনদার দায়বদ্ধ থাকবে। সহীহ: ইবনু মাজাহ (২৩৯৮)

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ মহান আল্লাহ প্রত্যেক হক্বদারকে তার হক্ব প্রদান করেছেন। কাজেই উত্তরাধিকারীদের জন্য কোন ওয়াসিয়াত নেই। স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রী তার ঘরের কিছু খরচ করবে না। জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল! খাদ্যদ্রব্যও নয়? তিনি বলেন: এটা তো আমাদের সর্বোত্তম সম্পদ। অতঃপর তিনি বললেনঃ ধারকৃত বস্তু ফেরত দিতে হবে; দুগ্ধবতী পশুর দুধ পান শেষ হলে তা ফেরত দিতে হবে; ঋণ পরিশোধ করতে হবে এবং জামিনদার দায়বদ্ধ থাকবে। সহীহ: ইবনু মাজাহ (২৩৯৮)

حدثنا عبد الوهاب بن نجدة الحوطي، حدثنا ابن عياش، عن شرحبيل بن مسلم، قال سمعت أبا أمامة، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ إن الله عز وجل قد أعطى كل ذي حق حقه فلا وصية لوارث ولا تنفق المرأة شيئا من بيتها إلا بإذن زوجها ‏"‏ ‏.‏ فقيل يا رسول الله ولا الطعام قال ‏"‏ ذاك أفضل أموالنا ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ العارية مؤداة والمنحة مردودة والدين مقضي والزعيم غارم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬২

حدثنا الحسن بن محمد، وسلمة بن شبيب، قالا حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا شريك، عن عبد العزيز بن رفيع، عن أمية بن صفوان بن أمية، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استعار منه أدراعا يوم حنين فقال أغصب يا محمد فقال ‏ "‏ لا بل عارية مضمونة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وهذه رواية يزيد ببغداد وفي روايته بواسط تغير على غير هذا ‏.‏

সাফওয়ান ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুনাইনের যুদ্ধের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার লৌহবর্মসমূহ ধার হিসেবে গ্রহণ করলে সাফওয়ান বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি জোরপূর্বক নিলেন? তিনি বললেনঃ না, বরং ধার হিসেবে, এর কোন ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। সহীহ: সহীহাহ (৬৩১)

সাফওয়ান ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হুনাইনের যুদ্ধের দিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার লৌহবর্মসমূহ ধার হিসেবে গ্রহণ করলে সাফওয়ান বললেনঃ হে মুহাম্মাদ! আপনি জোরপূর্বক নিলেন? তিনি বললেনঃ না, বরং ধার হিসেবে, এর কোন ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। সহীহ: সহীহাহ (৬৩১)

حدثنا الحسن بن محمد، وسلمة بن شبيب، قالا حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا شريك، عن عبد العزيز بن رفيع، عن أمية بن صفوان بن أمية، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استعار منه أدراعا يوم حنين فقال أغصب يا محمد فقال ‏ "‏ لا بل عارية مضمونة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وهذه رواية يزيد ببغداد وفي روايته بواسط تغير على غير هذا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬৪

حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا عبد العزيز بن رفيع، عن عطاء، عن ناس، من آل صفوان قال استعار النبي صلى الله عليه وسلم فذكر معناه ‏.‏

সাফওয়ানের পরিবারের লোকদের সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ধার হিসেবে ... অতঃপর উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

সাফওয়ানের পরিবারের লোকদের সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ধার হিসেবে ... অতঃপর উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا عبد العزيز بن رفيع، عن عطاء، عن ناس، من آل صفوان قال استعار النبي صلى الله عليه وسلم فذكر معناه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬৬

حدثنا إبراهيم بن المستمر العصفري، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا همام، عن قتادة، عن عطاء بن أبي رباح، عن صفوان بن يعلى، عن أبيه، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا أتتك رسلي فأعطهم ثلاثين درعا وثلاثين بعيرا ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت يا رسول الله أعارية مضمونة أو عارية مؤداة قال ‏"‏ بل مؤداة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود حبان خال هلال الرأى ‏.‏

সাফওয়ান ইবনু ইয়া‘লা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ যখন আমার বার্তাবাহকরা তোমার নিকট আসবে, তাদেরকে তিরিশটি লৌহবর্ম ও তিরিশটি উট প্রদান করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি ক্ষতিপূরণ শর্তে ধার দেয়া নাকি ফেরত দেয়ার শর্তে ধার? তিনি বলেনঃ বরং ফেরত দেয়ার শর্তে। সহীহ: সহীহাহ (৬৩০)

সাফওয়ান ইবনু ইয়া‘লা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ যখন আমার বার্তাবাহকরা তোমার নিকট আসবে, তাদেরকে তিরিশটি লৌহবর্ম ও তিরিশটি উট প্রদান করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি ক্ষতিপূরণ শর্তে ধার দেয়া নাকি ফেরত দেয়ার শর্তে ধার? তিনি বলেনঃ বরং ফেরত দেয়ার শর্তে। সহীহ: সহীহাহ (৬৩০)

حدثنا إبراهيم بن المستمر العصفري، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا همام، عن قتادة، عن عطاء بن أبي رباح، عن صفوان بن يعلى، عن أبيه، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إذا أتتك رسلي فأعطهم ثلاثين درعا وثلاثين بعيرا ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت يا رسول الله أعارية مضمونة أو عارية مؤداة قال ‏"‏ بل مؤداة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود حبان خال هلال الرأى ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬৩

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن عبد العزيز بن رفيع، عن أناس، من آل عبد الله بن صفوان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يا صفوان هل عندك من سلاح ‏"‏ ‏.‏ قال عارية أم غصبا قال ‏"‏ لا بل عارية ‏"‏ ‏.‏ فأعاره ما بين الثلاثين إلى الأربعين درعا وغزا رسول الله صلى الله عليه وسلم حنينا فلما هزم المشركون جمعت دروع صفوان ففقد منها أدراعا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لصفوان ‏"‏ إنا قد فقدنا من أدراعك أدراعا فهل نغرم لك ‏"‏ ‏.‏ قال لا يا رسول الله لأن في قلبي اليوم ما لم يكن يومئذ ‏.‏ قال أبو داود وكان أعاره قبل أن يسلم ثم أسلم ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান এর পরিবারের কিছু ব্যক্তি সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে সাফওয়ান! তোমার নিকট যুদ্ধাস্ত্র আছে কি? সে বললো, ধার চাচ্ছেন না জোরপূর্বক নিবেন? তিনি বললেনঃ না, বরং ধার হিসেবে। সাফওয়ান তাঁকে তিরিশ থেকে চল্লিশটি লৌহবর্ম ধার দিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের যুদ্ধে এগুলো ব্যবহার করলেন। মুশরিকরা পরাজিত হলে সাফওয়ানের লৌহবর্মগুলো একত্র করে দেখা গেলো, কয়েকটি বর্ম হারিয়ে গেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফওয়ানকে বললেনঃ আমরা তোমার কয়েকটি বর্ম হারিয়ে ফেলেছি। আমরা তোমাকে এর ক্ষতিপূরণ দিবো কি? সে বললো, না, হে আল্লাহর রাসূল! কারণ তখন আমার মনের অবস্থা যেমন ছিলো আজ তেমন নেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, তিনি ইসলাম কবুলের আগে এগুলো ধার দিয়েছিলেন, পরে ইসলাম কবুল করেন। সহীহ: সহীহাহ (৬৩১)।

আবদুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান এর পরিবারের কিছু ব্যক্তি সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে সাফওয়ান! তোমার নিকট যুদ্ধাস্ত্র আছে কি? সে বললো, ধার চাচ্ছেন না জোরপূর্বক নিবেন? তিনি বললেনঃ না, বরং ধার হিসেবে। সাফওয়ান তাঁকে তিরিশ থেকে চল্লিশটি লৌহবর্ম ধার দিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুনাইনের যুদ্ধে এগুলো ব্যবহার করলেন। মুশরিকরা পরাজিত হলে সাফওয়ানের লৌহবর্মগুলো একত্র করে দেখা গেলো, কয়েকটি বর্ম হারিয়ে গেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফওয়ানকে বললেনঃ আমরা তোমার কয়েকটি বর্ম হারিয়ে ফেলেছি। আমরা তোমাকে এর ক্ষতিপূরণ দিবো কি? সে বললো, না, হে আল্লাহর রাসূল! কারণ তখন আমার মনের অবস্থা যেমন ছিলো আজ তেমন নেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, তিনি ইসলাম কবুলের আগে এগুলো ধার দিয়েছিলেন, পরে ইসলাম কবুল করেন। সহীহ: সহীহাহ (৬৩১)।

حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن عبد العزيز بن رفيع، عن أناس، من آل عبد الله بن صفوان أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يا صفوان هل عندك من سلاح ‏"‏ ‏.‏ قال عارية أم غصبا قال ‏"‏ لا بل عارية ‏"‏ ‏.‏ فأعاره ما بين الثلاثين إلى الأربعين درعا وغزا رسول الله صلى الله عليه وسلم حنينا فلما هزم المشركون جمعت دروع صفوان ففقد منها أدراعا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لصفوان ‏"‏ إنا قد فقدنا من أدراعك أدراعا فهل نغرم لك ‏"‏ ‏.‏ قال لا يا رسول الله لأن في قلبي اليوم ما لم يكن يومئذ ‏.‏ قال أبو داود وكان أعاره قبل أن يسلم ثم أسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কারো কোন জিনিস নষ্ট করলে তার অনুরূপ ক্ষতিপূরণ দিবে

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬৮

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، حدثني فليت العامري، عن جسرة بنت دجاجة، قالت قالت عائشة رضى الله عنها ما رأيت صانعا طعاما مثل صفية صنعت لرسول الله صلى الله عليه وسلم طعاما فبعثت به فأخذني أفكل فكسرت الإناء فقلت يا رسول الله ما كفارة ما صنعت قال ‏ "‏ إناء مثل إناء وطعام مثل طعام ‏"‏ ‏.‏

জাসরাহ বিনতু দাজাজাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, সাফিয়্যাহ্‌র মতো সুস্বাদু খাবার রান্না করতে কাউকে আমি দেখিনি। তিনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য খাবার তৈরি করে পাঠালেন। এতে রাগান্বিত হয়ে আমি খাবারের পাত্রটি ভেঙ্গে ফেলি। অতঃপর আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কৃতকর্মের কাফফারাহ কি? তিনি বলেনঃ অনুরূপ একটি পাত্র ও খাবারের বিনিময়ে অনুরূপ খাবার। দুর্বলঃ নাসায়ী (৩৯৫৭)।

জাসরাহ বিনতু দাজাজাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, সাফিয়্যাহ্‌র মতো সুস্বাদু খাবার রান্না করতে কাউকে আমি দেখিনি। তিনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য খাবার তৈরি করে পাঠালেন। এতে রাগান্বিত হয়ে আমি খাবারের পাত্রটি ভেঙ্গে ফেলি। অতঃপর আমি বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কৃতকর্মের কাফফারাহ কি? তিনি বলেনঃ অনুরূপ একটি পাত্র ও খাবারের বিনিময়ে অনুরূপ খাবার। দুর্বলঃ নাসায়ী (৩৯৫৭)।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، حدثني فليت العامري، عن جسرة بنت دجاجة، قالت قالت عائشة رضى الله عنها ما رأيت صانعا طعاما مثل صفية صنعت لرسول الله صلى الله عليه وسلم طعاما فبعثت به فأخذني أفكل فكسرت الإناء فقلت يا رسول الله ما كفارة ما صنعت قال ‏ "‏ إناء مثل إناء وطعام مثل طعام ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬৭

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا خالد، عن حميد، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عند بعض نسائه فأرسلت إحدى أمهات المؤمنين مع خادمها بقصعة فيها طعام قال فضربت بيدها فكسرت القصعة - قال ابن المثنى - فأخذ النبي صلى الله عليه وسلم الكسرتين فضم إحداهما إلى الأخرى فجعل يجمع فيها الطعام ويقول ‏"‏ غارت أمكم ‏"‏ ‏.‏ زاد ابن المثنى ‏"‏ كلوا ‏"‏ ‏.‏ فأكلوا حتى جاءت قصعتها التي في بيتها ثم رجعنا إلى لفظ حديث مسدد وقال ‏"‏ كلوا ‏"‏ ‏.‏ وحبس الرسول والقصعة حتى فرغوا فدفع القصعة الصحيحة إلى الرسول وحبس المكسورة في بيته ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক স্ত্রীর ঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় উম্মাহাতুল মু’মিনীন রাসূলের জনৈক স্ত্রী তার খাদেমকে দিয়ে এক পেয়ালা খাবার পাঠালেন। বর্ণনাকারী বলেন, [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার ঘরে ছিলেন] সেই স্ত্রী (রাগান্বিত হয়ে) পেয়ালাটি হাতের দ্বারা আঘাত করে ভেঙ্গে ফেলেন। ইবনুল মুসান্না বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাঙ্গা টুকরা দুটো উঠিয়ে নিয়ে একটিকে অপরটির সাথে জোড়া দিলেন এবং পড়ে যাওয়া খাবারগুলো উঠাতে লাগলেন এবং বললেনঃ তোমাদের মায়ের আত্মমর্যাদাবোধ জেগেছে (রাগ হয়েছে)। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছেঃ তোমরা এগুলা খাও। সুতরাং সবাই তা আহার করলো। এমন সময় স্ত্রী তার ঘর থেকে একটি পেয়ালা আনলেন। মুসাদ্দাদ বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা খাও। তাদের খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি খাদেমসহ পেয়ালাটি আটকিয়ে রাখলেন। অতঃপর অক্ষত পেয়ালাটি তিনি খাদেমের হাতে তুলে দিলেন আর ভাঙ্গা পেয়ালাটি তাঁর ঘরে রেখে দিলেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৩৪)।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন এক স্ত্রীর ঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় উম্মাহাতুল মু’মিনীন রাসূলের জনৈক স্ত্রী তার খাদেমকে দিয়ে এক পেয়ালা খাবার পাঠালেন। বর্ণনাকারী বলেন, [রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার ঘরে ছিলেন] সেই স্ত্রী (রাগান্বিত হয়ে) পেয়ালাটি হাতের দ্বারা আঘাত করে ভেঙ্গে ফেলেন। ইবনুল মুসান্না বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ভাঙ্গা টুকরা দুটো উঠিয়ে নিয়ে একটিকে অপরটির সাথে জোড়া দিলেন এবং পড়ে যাওয়া খাবারগুলো উঠাতে লাগলেন এবং বললেনঃ তোমাদের মায়ের আত্মমর্যাদাবোধ জেগেছে (রাগ হয়েছে)। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছেঃ তোমরা এগুলা খাও। সুতরাং সবাই তা আহার করলো। এমন সময় স্ত্রী তার ঘর থেকে একটি পেয়ালা আনলেন। মুসাদ্দাদ বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা খাও। তাদের খাওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি খাদেমসহ পেয়ালাটি আটকিয়ে রাখলেন। অতঃপর অক্ষত পেয়ালাটি তিনি খাদেমের হাতে তুলে দিলেন আর ভাঙ্গা পেয়ালাটি তাঁর ঘরে রেখে দিলেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৩৪)।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا خالد، عن حميد، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عند بعض نسائه فأرسلت إحدى أمهات المؤمنين مع خادمها بقصعة فيها طعام قال فضربت بيدها فكسرت القصعة - قال ابن المثنى - فأخذ النبي صلى الله عليه وسلم الكسرتين فضم إحداهما إلى الأخرى فجعل يجمع فيها الطعام ويقول ‏"‏ غارت أمكم ‏"‏ ‏.‏ زاد ابن المثنى ‏"‏ كلوا ‏"‏ ‏.‏ فأكلوا حتى جاءت قصعتها التي في بيتها ثم رجعنا إلى لفظ حديث مسدد وقال ‏"‏ كلوا ‏"‏ ‏.‏ وحبس الرسول والقصعة حتى فرغوا فدفع القصعة الصحيحة إلى الرسول وحبس المكسورة في بيته ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যদি গবাদি পশু কারো ফসল নষ্ট করে দেয়

সুনানে আবু দাউদ ৩৫৭০

حدثنا محمود بن خالد، حدثنا الفريابي، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن حرام بن محيصة الأنصاري، عن البراء بن عازب، قال كانت له ناقة ضارية فدخلت حائطا فأفسدت فيه فكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقضى أن حفظ الحوائط بالنهار على أهلها وأن حفظ الماشية بالليل على أهلها وأن على أهل الماشية ما أصابت ماشيتهم بالليل ‏.‏

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তার একটি মোটাতাজা উস্ট্রী ছিলো। যা একটি বাগানে প্রবেশ করে এর ক্ষতিসাধন করে। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে দিলেনঃ বাগানের মালিক দিনের বেলা বাগানের হিফাযাত করবে। আর পশুর মালিক রাতের বেলা পশুর হিফাযাত করবে। সুতরাং রাতের বেলা পশু কোন ক্ষতিসাধন করলে তার ক্ষতিপূরণ দিবে পশুর মালিক। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৩২)।

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, তার একটি মোটাতাজা উস্ট্রী ছিলো। যা একটি বাগানে প্রবেশ করে এর ক্ষতিসাধন করে। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলে দিলেনঃ বাগানের মালিক দিনের বেলা বাগানের হিফাযাত করবে। আর পশুর মালিক রাতের বেলা পশুর হিফাযাত করবে। সুতরাং রাতের বেলা পশু কোন ক্ষতিসাধন করলে তার ক্ষতিপূরণ দিবে পশুর মালিক। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৩২)।

حدثنا محمود بن خالد، حدثنا الفريابي، عن الأوزاعي، عن الزهري، عن حرام بن محيصة الأنصاري، عن البراء بن عازب، قال كانت له ناقة ضارية فدخلت حائطا فأفسدت فيه فكلم رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها فقضى أن حفظ الحوائط بالنهار على أهلها وأن حفظ الماشية بالليل على أهلها وأن على أهل الماشية ما أصابت ماشيتهم بالليل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৫৬৯

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن حرام بن محيصة، عن أبيه، أن ناقة، للبراء بن عازب دخلت حائط رجل فأفسدته عليهم فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم على أهل الأموال حفظها بالنهار وعلى أهل المواشي حفظها بالليل ‏.‏

হারাম ইবনু মুহ্যাইয়্যাসা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

একদা আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) এর উস্ট্রী জনৈক ব্যক্তির বাগানে ঢুকে এর ফসল নষ্ট করে দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায়সালা দিলেনঃ দিনের বেলায় বাগানের মালিক বাগানের হিফাযাত করবে এবং রাতের বেলায় পশুর মালিক পশুর হিফাযাত করবে। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৩২)।

হারাম ইবনু মুহ্যাইয়্যাসা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

একদা আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) এর উস্ট্রী জনৈক ব্যক্তির বাগানে ঢুকে এর ফসল নষ্ট করে দেয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায়সালা দিলেনঃ দিনের বেলায় বাগানের মালিক বাগানের হিফাযাত করবে এবং রাতের বেলায় পশুর মালিক পশুর হিফাযাত করবে। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৩২)।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن حرام بن محيصة، عن أبيه، أن ناقة، للبراء بن عازب دخلت حائط رجل فأفسدته عليهم فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم على أهل الأموال حفظها بالنهار وعلى أهل المواشي حفظها بالليل ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00