সুনানে আবু দাউদ > দান করে তা পুনরায় ফেরত নেয়া
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৩৮
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، وهمام، وشعبة، قالوا حدثنا قتادة، عن سعيد بن المسيب، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " العائد في هبته كالعائد في قيئه " . قال همام وقال قتادة ولا نعلم القىء إلا حراما .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি দান করার পর ফেরত নেয়, তার উদাহরণ হচ্ছেঃ যে ব্যক্তি বমি করে তা পুনরায় ভক্ষণ করে। হাম্মাম (রহঃ) বলেন, ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেছেন, আমরা বমিকে হারাম মনে করি। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৫)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি দান করার পর ফেরত নেয়, তার উদাহরণ হচ্ছেঃ যে ব্যক্তি বমি করে তা পুনরায় ভক্ষণ করে। হাম্মাম (রহঃ) বলেন, ক্বাতাদাহ (রহঃ) বলেছেন, আমরা বমিকে হারাম মনে করি। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৫)
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، وهمام، وشعبة، قالوا حدثنا قتادة، عن سعيد بن المسيب، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " العائد في هبته كالعائد في قيئه " . قال همام وقال قتادة ولا نعلم القىء إلا حراما .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪০
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، أن عمرو بن شعيب، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل الذي يسترد ما وهب كمثل الكلب يقيء فيأكل قيئه فإذا استرد الواهب فليوقف فليعرف بما استرد ثم ليدفع إليه ما وهب " .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের দান করা বস্তু ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে। দাতা দানকৃত বস্তু ফেরত চাইলে গ্রহীতা খতিয়ে দেখবে এবং জেনে নিবে, সে কি জন্য তার দানকৃত বস্তু ফেরত চাইছে। কারণ জানা গেলে তা ফেরত দিবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৮) অনুরূপ সক্ষেপে, দেখুন মিশকাতুল মাসাবীহ (৩০২০)
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের দান করা বস্তু ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে। দাতা দানকৃত বস্তু ফেরত চাইলে গ্রহীতা খতিয়ে দেখবে এবং জেনে নিবে, সে কি জন্য তার দানকৃত বস্তু ফেরত চাইছে। কারণ জানা গেলে তা ফেরত দিবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৮) অনুরূপ সক্ষেপে, দেখুন মিশকাতুল মাসাবীহ (৩০২০)
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، أن عمرو بن شعيب، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل الذي يسترد ما وهب كمثل الكلب يقيء فيأكل قيئه فإذا استرد الواهب فليوقف فليعرف بما استرد ثم ليدفع إليه ما وهب " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪০
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، أن عمرو بن شعيب، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل الذي يسترد ما وهب كمثل الكلب يقيء فيأكل قيئه فإذا استرد الواهب فليوقف فليعرف بما استرد ثم ليدفع إليه ما وهب " .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের দান করা বস্তু ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে। দাতা দানকৃত বস্তু ফেরত চাইলে গ্রহীতা খতিয়ে দেখবে এবং জেনে নিবে, সে কি জন্য তার দানকৃত বস্তু ফেরত চাইছে। কারণ জানা গেলে তা ফেরত দিবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৮) অনুরূপ সক্ষেপে, দেখুন মিশকাতুল মাসাবীহ (৩০২০)
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের দান করা বস্তু ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে। দাতা দানকৃত বস্তু ফেরত চাইলে গ্রহীতা খতিয়ে দেখবে এবং জেনে নিবে, সে কি জন্য তার দানকৃত বস্তু ফেরত চাইছে। কারণ জানা গেলে তা ফেরত দিবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৮) অনুরূপ সক্ষেপে, দেখুন মিশকাতুল মাসাবীহ (৩০২০)
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، أن عمرو بن شعيب، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل الذي يسترد ما وهب كمثل الكلب يقيء فيأكل قيئه فإذا استرد الواهب فليوقف فليعرف بما استرد ثم ليدفع إليه ما وهب " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪০
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، أن عمرو بن شعيب، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل الذي يسترد ما وهب كمثل الكلب يقيء فيأكل قيئه فإذا استرد الواهب فليوقف فليعرف بما استرد ثم ليدفع إليه ما وهب " .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের দান করা বস্তু ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে। দাতা দানকৃত বস্তু ফেরত চাইলে গ্রহীতা খতিয়ে দেখবে এবং জেনে নিবে, সে কি জন্য তার দানকৃত বস্তু ফেরত চাইছে। কারণ জানা গেলে তা ফেরত দিবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৮) অনুরূপ সক্ষেপে, দেখুন মিশকাতুল মাসাবীহ (৩০২০)
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজের দান করা বস্তু ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের মত, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে। দাতা দানকৃত বস্তু ফেরত চাইলে গ্রহীতা খতিয়ে দেখবে এবং জেনে নিবে, সে কি জন্য তার দানকৃত বস্তু ফেরত চাইছে। কারণ জানা গেলে তা ফেরত দিবে। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৮) অনুরূপ সক্ষেপে, দেখুন মিশকাতুল মাসাবীহ (৩০২০)
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد، أن عمرو بن شعيب، حدثه عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " مثل الذي يسترد ما وهب كمثل الكلب يقيء فيأكل قيئه فإذا استرد الواهب فليوقف فليعرف بما استرد ثم ليدفع إليه ما وهب " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৩৯
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حسين المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن طاوس، عن ابن عمر، وابن، عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل لرجل أن يعطي عطية أو يهب هبة فيرجع فيها إلا الوالد فيما يعطي ولده ومثل الذي يعطي العطية ثم يرجع فيها كمثل الكلب يأكل فإذا شبع قاء ثم عاد في قيئه " .
ইবনু ‘উমার ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তির জন্যই (কাউকে কিছু) দেয়ার বা দান করার পর তা ফেরত নেয়া হালাল নয়। তবে পিতা পুত্রকে কিছু দান করার পর তা ফেরত নিতে পারবে। যে ব্যক্তি দান করার পর তা ফেরত নেয়, সে এমন কুকুরের মত, যে পেট ভরে খাওয়ার পর বমি করে পুনরায় তা খায়। সহিহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৭), সংক্ষেপে দেখুন ইরওয়া (৬/৬৩)
ইবনু ‘উমার ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তির জন্যই (কাউকে কিছু) দেয়ার বা দান করার পর তা ফেরত নেয়া হালাল নয়। তবে পিতা পুত্রকে কিছু দান করার পর তা ফেরত নিতে পারবে। যে ব্যক্তি দান করার পর তা ফেরত নেয়, সে এমন কুকুরের মত, যে পেট ভরে খাওয়ার পর বমি করে পুনরায় তা খায়। সহিহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৭৭), সংক্ষেপে দেখুন ইরওয়া (৬/৬৩)
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حسين المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن طاوس، عن ابن عمر، وابن، عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل لرجل أن يعطي عطية أو يهب هبة فيرجع فيها إلا الوالد فيما يعطي ولده ومثل الذي يعطي العطية ثم يرجع فيها كمثل الكلب يأكل فإذا شبع قاء ثم عاد في قيئه " .
সুনানে আবু দাউদ > প্রয়োজন পূরণ করে দেয়ার জন্য হাদিয়া গ্রহণ
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪১
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، حدثنا ابن وهب، عن عمر بن مالك، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن خالد بن أبي عمران، عن القاسم، عن أبي أمامة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من شفع لأخيه بشفاعة فأهدى له هدية عليها فقبلها فقد أتى بابا عظيما من أبواب الربا " .
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার কোন ভাইয়ের জন্য কোন বিষয়ে সুপারিশ করার কারণে যদি সে তাকে কিছু উপহার দেয় এবং সে তা গ্রহণ করে তাহলে সে সুদের একটি বড় দরজা দিয়ে প্রবেশ করলো। হাসানঃ মিশকাত (৩৭৫৭)।
আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি তার কোন ভাইয়ের জন্য কোন বিষয়ে সুপারিশ করার কারণে যদি সে তাকে কিছু উপহার দেয় এবং সে তা গ্রহণ করে তাহলে সে সুদের একটি বড় দরজা দিয়ে প্রবেশ করলো। হাসানঃ মিশকাত (৩৭৫৭)।
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، حدثنا ابن وهب، عن عمر بن مالك، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن خالد بن أبي عمران، عن القاسم، عن أبي أمامة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من شفع لأخيه بشفاعة فأهدى له هدية عليها فقبلها فقد أتى بابا عظيما من أبواب الربا " .
সুনানে আবু দাউদ > যদি কোন ব্যক্তি নিজ সন্তানদের মধ্যে কাউকে বেশি দেয়
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৩
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، حدثني النعمان بن بشير، قال أعطاه أبوه غلاما فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما هذا الغلام " . قال غلامي أعطانيه أبي . قال " فكل إخوتك أعطى كما أعطاك " . قال لا . قال " فاردده " .
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তার পিতা তাকে একটি গোলাম দান করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নু‘মানকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এটি কার গোলাম? তিনি বললেন, আমার গোলাম, আমার পিতা আমাকে দান করেছেন। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেনঃ সে তোমার মতো তোমার অন্য ভাইদেরকেও কি দিয়েছে? নু‘মান বললেন, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি এটি ফেরত দাও। সহীহঃ ইরওয়া (৬/৪২)
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তার পিতা তাকে একটি গোলাম দান করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নু‘মানকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এটি কার গোলাম? তিনি বললেন, আমার গোলাম, আমার পিতা আমাকে দান করেছেন। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেনঃ সে তোমার মতো তোমার অন্য ভাইদেরকেও কি দিয়েছে? নু‘মান বললেন, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি এটি ফেরত দাও। সহীহঃ ইরওয়া (৬/৪২)
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، حدثني النعمان بن بشير، قال أعطاه أبوه غلاما فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما هذا الغلام " . قال غلامي أعطانيه أبي . قال " فكل إخوتك أعطى كما أعطاك " . قال لا . قال " فاردده " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৪
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن حاجب بن المفضل بن المهلب، عن أبيه، قال سمعت النعمان بن بشير، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعدلوا بين أولادكم اعدلوا بين أبنائكم " .
নু‘মান ইবনু বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের সন্তানদের সাথে সমান আচরণ করো; তোমাদের সন্তানদের সাথে ইনসাফ করো। সহীহঃ গায়াতুল মারাম (২৭২)
নু‘মান ইবনু বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের সন্তানদের সাথে সমান আচরণ করো; তোমাদের সন্তানদের সাথে ইনসাফ করো। সহীহঃ গায়াতুল মারাম (২৭২)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن حاجب بن المفضل بن المهلب، عن أبيه، قال سمعت النعمان بن بشير، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اعدلوا بين أولادكم اعدلوا بين أبنائكم " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪২
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا هشيم، أخبرنا سيار، وأخبرنا مغيرة، وأخبرنا داود، عن الشعبي، وأنبأنا مجالد، وإسماعيل بن سالم، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال أنحلني أبي نحلا - قال إسماعيل بن سالم من بين القوم نحلة غلاما له - قال فقالت له أمي عمرة بنت رواحة إيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشهده فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فأشهده فذكر ذلك له فقال إني نحلت ابني النعمان نحلا وإن عمرة سألتني أن أشهدك على ذلك قال فقال " ألك ولد سواه " . قال قلت نعم . قال " فكلهم أعطيت مثل ما أعطيت النعمان " . قال لا قال فقال بعض هؤلاء المحدثين " هذا جور " . وقال بعضهم " هذا تلجئة فأشهد على هذا غيري " . قال مغيرة في حديثه " أليس يسرك أن يكونوا لك في البر واللطف سواء " . قال نعم . قال " فأشهد على هذا غيري " . وذكر مجالد في حديثه " إن لهم عليك من الحق أن تعدل بينهم كما أن لك عليهم من الحق أن يبروك " . قال أبو داود في حديث الزهري قال بعضهم " أكل بنيك " . وقال بعضهم " ولدك " . وقال ابن أبي خالد عن الشعبي فيه " ألك بنون سواه " . وقال أبو الضحى عن النعمان بن بشير " ألك ولد غيره " .
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে অতিরিক্ত কিছু দিলেন। এ হাদীসের অন্যতম বর্ণনাকারী ইসমাঈল ইবনু সালিমের বর্ণনায় রয়েছেঃ তিনি তাকে একটি গোলাম দান করেন। বর্ণনাকারী (নু‘মান) বলেন, আমার মা ‘আমরাহ বিনতু রাওয়াহা (রাঃ) আমার পিতাকে বললেন, আপনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট গিয়ে তাঁকে এ বিষয়ে সাক্ষী রাখুন। তিনি (পিতা) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালেন। তিনি বললেন, আমি আমার ছেলে নু‘মানকে কিছু উপহার দিয়েছি। এ ব্যাপারে আপনাকে সাক্ষী রাখার জন্য ‘আমরাহ আমাকে অনুরোধ করেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বললেন, সে ছাড়াও তোমার আরো সন্তান আছে কি? তিনি বললেন, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি তোমার প্রত্যেক সন্তানকে অনুরূপ দিয়েছো, যেমন নু‘মানকে দিয়েছো? তিনি বললেন, না। কতিপয় মুহাদ্দিসের বর্ণনায় রয়েছেঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “এটা অন্যায় কাজ”। আর কতিপয় মুহাদ্দিস বলেন, নবী বলেছেনঃ “এতো নীতি বিরোধী কাজ”। সুতরাং আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে সাক্ষী রাখো। মুগীরাহ (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন, “তোমার সব সন্তানই সমান সৌভাগ্যবান হোক, এতে কি তুমি খুশি হবে না? তিনি বললেন, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে এর সাক্ষী রাখো”। মুজালিদ তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার উপর তাদের হক্ব রয়েছে যে, তুমি তাদের সাথে সমান ব্যবহার করবে এবং তাদের প্রতি ইনসাফ করবে। যেমন অধিকার রয়েছে তাদের উপর তোমার; তারা সবাই তোমার সাথে সদ্ব্যবহার করুক”। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যুহ্রীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, কতিপয় বর্ণনাকারী “তোমরা সন্তান” শব্দ বর্ণনা করেছেন। ইবনু খালিদ (রহঃ) বলেন, শা‘বীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ “সে ছাড়া তোমার আরো সন্তান আছে কি?”। আবুদ্ দুহা (রহঃ) নু‘মান ইবনু বাশীর সূত্রে হাদীসে বলেন, (সে ব্যতীত তোমার কি আরো সন্তান আছে?” সহীহঃ তবে মুজালিদের অতিরিক্ত সংযোজন ““...... (আরবি)”” অংশটুকু বাদে। গায়াতুল মারাম (২৭৩,২৭৪)
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে অতিরিক্ত কিছু দিলেন। এ হাদীসের অন্যতম বর্ণনাকারী ইসমাঈল ইবনু সালিমের বর্ণনায় রয়েছেঃ তিনি তাকে একটি গোলাম দান করেন। বর্ণনাকারী (নু‘মান) বলেন, আমার মা ‘আমরাহ বিনতু রাওয়াহা (রাঃ) আমার পিতাকে বললেন, আপনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট গিয়ে তাঁকে এ বিষয়ে সাক্ষী রাখুন। তিনি (পিতা) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে গিয়ে বিষয়টি জানালেন। তিনি বললেন, আমি আমার ছেলে নু‘মানকে কিছু উপহার দিয়েছি। এ ব্যাপারে আপনাকে সাক্ষী রাখার জন্য ‘আমরাহ আমাকে অনুরোধ করেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বললেন, সে ছাড়াও তোমার আরো সন্তান আছে কি? তিনি বললেন, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি তোমার প্রত্যেক সন্তানকে অনুরূপ দিয়েছো, যেমন নু‘মানকে দিয়েছো? তিনি বললেন, না। কতিপয় মুহাদ্দিসের বর্ণনায় রয়েছেঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “এটা অন্যায় কাজ”। আর কতিপয় মুহাদ্দিস বলেন, নবী বলেছেনঃ “এতো নীতি বিরোধী কাজ”। সুতরাং আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে সাক্ষী রাখো। মুগীরাহ (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন, “তোমার সব সন্তানই সমান সৌভাগ্যবান হোক, এতে কি তুমি খুশি হবে না? তিনি বললেন, হাঁ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে এর সাক্ষী রাখো”। মুজালিদ তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ “তোমার উপর তাদের হক্ব রয়েছে যে, তুমি তাদের সাথে সমান ব্যবহার করবে এবং তাদের প্রতি ইনসাফ করবে। যেমন অধিকার রয়েছে তাদের উপর তোমার; তারা সবাই তোমার সাথে সদ্ব্যবহার করুক”। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যুহ্রীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, কতিপয় বর্ণনাকারী “তোমরা সন্তান” শব্দ বর্ণনা করেছেন। ইবনু খালিদ (রহঃ) বলেন, শা‘বীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ “সে ছাড়া তোমার আরো সন্তান আছে কি?”। আবুদ্ দুহা (রহঃ) নু‘মান ইবনু বাশীর সূত্রে হাদীসে বলেন, (সে ব্যতীত তোমার কি আরো সন্তান আছে?” সহীহঃ তবে মুজালিদের অতিরিক্ত সংযোজন ““...... (আরবি)”” অংশটুকু বাদে। গায়াতুল মারাম (২৭৩,২৭৪)
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا هشيم، أخبرنا سيار، وأخبرنا مغيرة، وأخبرنا داود، عن الشعبي، وأنبأنا مجالد، وإسماعيل بن سالم، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير، قال أنحلني أبي نحلا - قال إسماعيل بن سالم من بين القوم نحلة غلاما له - قال فقالت له أمي عمرة بنت رواحة إيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فأشهده فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فأشهده فذكر ذلك له فقال إني نحلت ابني النعمان نحلا وإن عمرة سألتني أن أشهدك على ذلك قال فقال " ألك ولد سواه " . قال قلت نعم . قال " فكلهم أعطيت مثل ما أعطيت النعمان " . قال لا قال فقال بعض هؤلاء المحدثين " هذا جور " . وقال بعضهم " هذا تلجئة فأشهد على هذا غيري " . قال مغيرة في حديثه " أليس يسرك أن يكونوا لك في البر واللطف سواء " . قال نعم . قال " فأشهد على هذا غيري " . وذكر مجالد في حديثه " إن لهم عليك من الحق أن تعدل بينهم كما أن لك عليهم من الحق أن يبروك " . قال أبو داود في حديث الزهري قال بعضهم " أكل بنيك " . وقال بعضهم " ولدك " . وقال ابن أبي خالد عن الشعبي فيه " ألك بنون سواه " . وقال أبو الضحى عن النعمان بن بشير " ألك ولد غيره " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৫
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قالت امرأة بشير انحل ابني غلامك وأشهد لي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن ابنة فلان سألتني أن أنحل ابنها غلاما وقالت لي أشهد رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " له إخوة " . فقال نعم . قال " فكلهم أعطيت مثل ما أعطيته " . قال لا . قال " فليس يصلح هذا وإني لا أشهد إلا على حق " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা বাশীর (রাঃ) এর স্ত্রী তাকে বলেন, আপনার গোলামটি আমার ছেলেকে দিয়ে দিন এবং এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাক্ষী রাখুন।। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এসে বললেন, অমুকের কণ্যা (আমার স্ত্রী) আপনার কাছে আবেদন করেছে, আমি যেন তার ছেলেকে আমার গোলামটি দান করি। সে আমাকে এটাও বলেছে যে, এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাক্ষী রাখুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার আরো ভাই আছে কি? বাশীর বললেন, হাঁ। তিনি বললেনঃ তাকে যেরূপ দান করেছো অন্যদেরও কি সেরূপ দিয়েছো? তিনি বললেন, না। তিনি বললেনঃ এটা উচিত নয়। আমি সত্য ব্যতীত অন্য কিছুর সাক্ষী হই না। সহীহঃ ইরওয়া (৬/৪২)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা বাশীর (রাঃ) এর স্ত্রী তাকে বলেন, আপনার গোলামটি আমার ছেলেকে দিয়ে দিন এবং এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাক্ষী রাখুন।। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এসে বললেন, অমুকের কণ্যা (আমার স্ত্রী) আপনার কাছে আবেদন করেছে, আমি যেন তার ছেলেকে আমার গোলামটি দান করি। সে আমাকে এটাও বলেছে যে, এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাক্ষী রাখুন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তার আরো ভাই আছে কি? বাশীর বললেন, হাঁ। তিনি বললেনঃ তাকে যেরূপ দান করেছো অন্যদেরও কি সেরূপ দিয়েছো? তিনি বললেন, না। তিনি বললেনঃ এটা উচিত নয়। আমি সত্য ব্যতীত অন্য কিছুর সাক্ষী হই না। সহীহঃ ইরওয়া (৬/৪২)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا زهير، عن أبي الزبير، عن جابر، قال قالت امرأة بشير انحل ابني غلامك وأشهد لي رسول الله صلى الله عليه وسلم فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن ابنة فلان سألتني أن أنحل ابنها غلاما وقالت لي أشهد رسول الله صلى الله عليه وسلم . فقال " له إخوة " . فقال نعم . قال " فكلهم أعطيت مثل ما أعطيته " . قال لا . قال " فليس يصلح هذا وإني لا أشهد إلا على حق " .
সুনানে আবু দাউদ > স্বামীর বিনা অনুমতিতে স্ত্রীর দান
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৭
حدثنا أبو كامل، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا حسين، عن عمرو بن شعيب، أن أباه، أخبره عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة عطية إلا بإذن زوجها " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রীর পক্ষে (তার মাল থেকে) কিছু দান করা জায়িয নয়। হাসান সহীহ: এর পূর্বেরটি দেখুন।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রীর পক্ষে (তার মাল থেকে) কিছু দান করা জায়িয নয়। হাসান সহীহ: এর পূর্বেরটি দেখুন।
حدثنا أبو كامل، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا حسين، عن عمرو بن شعيب، أن أباه، أخبره عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة عطية إلا بإذن زوجها " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৭
حدثنا أبو كامل، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا حسين، عن عمرو بن شعيب، أن أباه، أخبره عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة عطية إلا بإذن زوجها " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রীর পক্ষে (তার মাল থেকে) কিছু দান করা জায়িয নয়। হাসান সহীহ: এর পূর্বেরটি দেখুন।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রীর পক্ষে (তার মাল থেকে) কিছু দান করা জায়িয নয়। হাসান সহীহ: এর পূর্বেরটি দেখুন।
حدثنا أبو كامل، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا حسين، عن عمرو بن شعيب، أن أباه، أخبره عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة عطية إلا بإذن زوجها " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৭
حدثنا أبو كامل، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا حسين، عن عمرو بن شعيب، أن أباه، أخبره عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة عطية إلا بإذن زوجها " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রীর পক্ষে (তার মাল থেকে) কিছু দান করা জায়িয নয়। হাসান সহীহ: এর পূর্বেরটি দেখুন।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামীর বিনা অনুমতিতে কোন স্ত্রীর পক্ষে (তার মাল থেকে) কিছু দান করা জায়িয নয়। হাসান সহীহ: এর পূর্বেরটি দেখুন।
حدثنا أبو كامل، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - حدثنا حسين، عن عمرو بن شعيب، أن أباه، أخبره عن عبد الله بن عمرو، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة عطية إلا بإذن زوجها " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৬
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن داود بن أبي هند، وحبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة أمر في مالها إذا ملك زوجها عصمتها " .
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যদি স্ত্রীর সতীত্বের হিফাযাতকারী হয় তাহলে কোন স্ত্রীর পক্ষে (স্বামীর বিনা অনুমতিতে) তার মাল থেকে ব্যয় করা জায়িয নয়। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৮)
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যদি স্ত্রীর সতীত্বের হিফাযাতকারী হয় তাহলে কোন স্ত্রীর পক্ষে (স্বামীর বিনা অনুমতিতে) তার মাল থেকে ব্যয় করা জায়িয নয়। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৮)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن داود بن أبي هند، وحبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة أمر في مالها إذا ملك زوجها عصمتها " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৬
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن داود بن أبي هند، وحبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة أمر في مالها إذا ملك زوجها عصمتها " .
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যদি স্ত্রীর সতীত্বের হিফাযাতকারী হয় তাহলে কোন স্ত্রীর পক্ষে (স্বামীর বিনা অনুমতিতে) তার মাল থেকে ব্যয় করা জায়িয নয়। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৮)
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যদি স্ত্রীর সতীত্বের হিফাযাতকারী হয় তাহলে কোন স্ত্রীর পক্ষে (স্বামীর বিনা অনুমতিতে) তার মাল থেকে ব্যয় করা জায়িয নয়। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৮)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن داود بن أبي هند، وحبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة أمر في مالها إذا ملك زوجها عصمتها " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৫৪৬
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن داود بن أبي هند، وحبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة أمر في مالها إذا ملك زوجها عصمتها " .
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যদি স্ত্রীর সতীত্বের হিফাযাতকারী হয় তাহলে কোন স্ত্রীর পক্ষে (স্বামীর বিনা অনুমতিতে) তার মাল থেকে ব্যয় করা জায়িয নয়। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৮)
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বামী যদি স্ত্রীর সতীত্বের হিফাযাতকারী হয় তাহলে কোন স্ত্রীর পক্ষে (স্বামীর বিনা অনুমতিতে) তার মাল থেকে ব্যয় করা জায়িয নয়। হাসান সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২৩৮৮)
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن داود بن أبي هند، وحبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يجوز لامرأة أمر في مالها إذا ملك زوجها عصمتها " .