সুনানে আবু দাউদ > খনিজ দ্রব্য উত্তোলন করা
সুনানে আবু দাউদ ৩৩২৮
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو، - يعني ابن أبي عمرو - عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا، لزم غريما له بعشرة دنانير فقال والله لا أفارقك حتى تقضيني أو تأتيني بحميل فتحمل بها النبي صلى الله عليه وسلم فأتاه بقدر ما وعده فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " من أين أصبت هذا الذهب " . قال من معدن . قال " لا حاجة لنا فيها وليس فيها خير " . فقضاها عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক লোক জনৈক ব্যক্তিকে দশ দীনার ঋণ দেয়। পরে তা আদায় করার জন্য সে ঋণ গ্রহীতার পিছনে লাগে এবং বলে, আল্লাহ্র শপথ! তুমি আমার পাওয়া পরিশোধ না করা অথবা জামিনদার না নিয়ে আসা পর্যন্ত আমি তোমার পিছু ছাড়বো না। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার যামিন হলেন। অতঃপর সে তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সোনা নিয়ে এল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন : এ সোনা তুমি কোথায় পেলে? সে বললো, খনি থেকে। তিনি বললেনঃ এগুলো আমাদের দরকার নেই এবং এর মধ্যে কোন কল্যাণ নেই। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পক্ষ হতে উক্ত ঋণ পরিশোধ করলেন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২৪০৬)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক লোক জনৈক ব্যক্তিকে দশ দীনার ঋণ দেয়। পরে তা আদায় করার জন্য সে ঋণ গ্রহীতার পিছনে লাগে এবং বলে, আল্লাহ্র শপথ! তুমি আমার পাওয়া পরিশোধ না করা অথবা জামিনদার না নিয়ে আসা পর্যন্ত আমি তোমার পিছু ছাড়বো না। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার যামিন হলেন। অতঃপর সে তার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সোনা নিয়ে এল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন : এ সোনা তুমি কোথায় পেলে? সে বললো, খনি থেকে। তিনি বললেনঃ এগুলো আমাদের দরকার নেই এবং এর মধ্যে কোন কল্যাণ নেই। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পক্ষ হতে উক্ত ঋণ পরিশোধ করলেন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২৪০৬)।
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن عمرو، - يعني ابن أبي عمرو - عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رجلا، لزم غريما له بعشرة دنانير فقال والله لا أفارقك حتى تقضيني أو تأتيني بحميل فتحمل بها النبي صلى الله عليه وسلم فأتاه بقدر ما وعده فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " من أين أصبت هذا الذهب " . قال من معدن . قال " لا حاجة لنا فيها وليس فيها خير " . فقضاها عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ > সন্দেহমূলক বস্তু পরিহার করা
সুনানে আবু দাউদ ৩৩২৯
حدثنا أحمد بن يونس، قال حدثنا أبو شهاب، حدثنا ابن عون، عن الشعبي، قال سمعت النعمان بن بشير، - ولا أسمع أحدا بعده يقول - سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الحلال بين وإن الحرام بين وبينهما أمور مشتبهات " . وأحيانا يقول " مشتبهة " . " وسأضرب لكم في ذلك مثلا إن الله حمى حمى وإن حمى الله ما حرم وإنه من يرع حول الحمى يوشك أن يخالطه وإنه من يخالط الريبة يوشك أن يجسر " .
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট। আর উভয়ের মাঝে অনেক সন্দেহজনক জিনিস আছে। বর্ণনাকারী কখনও (...আরবী...) শব্দের পরিবর্তে (...আরবী...) শব্দ বলেছেন। আমি তোমাদের সামনে এর উপমা পেশ করছি। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ্ চারণভূমি নির্ধারিত করেছেন। আর আল্লাহ্র নির্ধারিত চারণভূমি হচ্ছে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। যে রাখাল তার পশুপালকে নিষিদ্ধ এলাকার নিকটে চড়ায়, তার পশু ঐ নিষিদ্ধ এলাকায় ঢুকে পড়ার আশংকা থাকে। একইভাবে যে ব্যক্তি সন্দেহজনক জিনিসে জড়ায় সে হারামে লিপ্ত হতে পারে। সহীহ : ইবনু মাজাহ (৩৯৮৪)।
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট। আর উভয়ের মাঝে অনেক সন্দেহজনক জিনিস আছে। বর্ণনাকারী কখনও (...আরবী...) শব্দের পরিবর্তে (...আরবী...) শব্দ বলেছেন। আমি তোমাদের সামনে এর উপমা পেশ করছি। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ্ চারণভূমি নির্ধারিত করেছেন। আর আল্লাহ্র নির্ধারিত চারণভূমি হচ্ছে নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। যে রাখাল তার পশুপালকে নিষিদ্ধ এলাকার নিকটে চড়ায়, তার পশু ঐ নিষিদ্ধ এলাকায় ঢুকে পড়ার আশংকা থাকে। একইভাবে যে ব্যক্তি সন্দেহজনক জিনিসে জড়ায় সে হারামে লিপ্ত হতে পারে। সহীহ : ইবনু মাজাহ (৩৯৮৪)।
حدثنا أحمد بن يونس، قال حدثنا أبو شهاب، حدثنا ابن عون، عن الشعبي، قال سمعت النعمان بن بشير، - ولا أسمع أحدا بعده يقول - سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الحلال بين وإن الحرام بين وبينهما أمور مشتبهات " . وأحيانا يقول " مشتبهة " . " وسأضرب لكم في ذلك مثلا إن الله حمى حمى وإن حمى الله ما حرم وإنه من يرع حول الحمى يوشك أن يخالطه وإنه من يخالط الريبة يوشك أن يجسر " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৩৩০
حدثنا إبراهيم بن موسى الرازي، أخبرنا عيسى، حدثنا زكريا، عن عامر الشعبي، قال سمعت النعمان بن بشير، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بهذا الحديث قال " وبينهما مشبهات لا يعلمها كثير من الناس فمن اتقى الشبهات استبرأ عرضه ودينه ومن وقع في الشبهات وقع في الحرام " .
আমির আশ-শা‘বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উক্ত হাদীস বলতে শুনেছি। তিনি বলেনঃ এ দুইয়ের (হালাল-হারামের) মাঝে অনেক সন্দেহজনক বস্তু রয়েছে। অনেক লোকই এ বিষয়ে জ্ঞান রাখে না। সুতরাং যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বস্তু বর্জন করবে সে তার দ্বীন ও সম্মান সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি সন্দেহজনক কাজে জড়াবে, সে শীঘ্রই হারামে লিপ্ত হবে। সহীহ : এর পূর্বেরটি দেখুন (৩৩২৯)।
আমির আশ-শা‘বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে উক্ত হাদীস বলতে শুনেছি। তিনি বলেনঃ এ দুইয়ের (হালাল-হারামের) মাঝে অনেক সন্দেহজনক বস্তু রয়েছে। অনেক লোকই এ বিষয়ে জ্ঞান রাখে না। সুতরাং যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বস্তু বর্জন করবে সে তার দ্বীন ও সম্মান সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি সন্দেহজনক কাজে জড়াবে, সে শীঘ্রই হারামে লিপ্ত হবে। সহীহ : এর পূর্বেরটি দেখুন (৩৩২৯)।
حدثنا إبراهيم بن موسى الرازي، أخبرنا عيسى، حدثنا زكريا، عن عامر الشعبي، قال سمعت النعمان بن بشير، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول بهذا الحديث قال " وبينهما مشبهات لا يعلمها كثير من الناس فمن اتقى الشبهات استبرأ عرضه ودينه ومن وقع في الشبهات وقع في الحرام " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৩৩১
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا هشيم، أخبرنا عباد بن راشد، قال سمعت سعيد بن أبي خيرة، يقول حدثنا الحسن، منذ أربعين سنة عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا وهب بن بقية أخبرنا خالد عن داود - يعني ابن أبي هند - وهذا لفظه عن سعيد بن أبي خيرة عن الحسن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليأتين على الناس زمان لا يبقى أحد إلا أكل الربا فإن لم يأكله أصابه من بخاره " . قال ابن عيسى " أصابه من غباره " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে, যখন কেউ-ই সুদ খাওয়া ছাড়া থাকবে না। যদি কেউ সুদ না খায় তবুও তার ধোঁয়া তাকে স্পর্শ করবে। ইবনু ঈশার বর্ণনায় রয়েছে : তার ধুলা-ময়লা তাকে স্পর্শ করবে। দুর্বল : ইবনু মাজাহ (২২৭৮), মিশকাত (২৮১৮), যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৪৮৬৪)।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মানুষের উপর এমন এক যুগ আসবে, যখন কেউ-ই সুদ খাওয়া ছাড়া থাকবে না। যদি কেউ সুদ না খায় তবুও তার ধোঁয়া তাকে স্পর্শ করবে। ইবনু ঈশার বর্ণনায় রয়েছে : তার ধুলা-ময়লা তাকে স্পর্শ করবে। দুর্বল : ইবনু মাজাহ (২২৭৮), মিশকাত (২৮১৮), যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৪৮৬৪)।
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا هشيم، أخبرنا عباد بن راشد، قال سمعت سعيد بن أبي خيرة، يقول حدثنا الحسن، منذ أربعين سنة عن أبي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا وهب بن بقية أخبرنا خالد عن داود - يعني ابن أبي هند - وهذا لفظه عن سعيد بن أبي خيرة عن الحسن عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليأتين على الناس زمان لا يبقى أحد إلا أكل الربا فإن لم يأكله أصابه من بخاره " . قال ابن عيسى " أصابه من غباره " .
সুনানে আবু দাউদ ৩৩৩২
حدثنا محمد بن العلاء، أخبرنا ابن إدريس، أخبرنا عاصم بن كليب، عن أبيه، عن رجل، من الأنصار قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على القبر يوصي الحافر " أوسع من قبل رجليه أوسع من قبل رأسه " . فلما رجع استقبله داعي امرأة فجاء وجيء بالطعام فوضع يده ثم وضع القوم فأكلوا فنظر آباؤنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يلوك لقمة في فمه ثم قال " أجد لحم شاة أخذت بغير إذن أهلها " . فأرسلت المرأة قالت يا رسول الله إني أرسلت إلى البقيع يشتري لي شاة فلم أجد فأرسلت إلى جار لي قد اشترى شاة أن أرسل إلى بها بثمنها فلم يوجد فأرسلت إلى امرأته فأرسلت إلى بها . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أطعميه الأسارى " .
‘আসিম ইবনু কুলাইব (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে (কুলাইব) গোত্রের জনৈক ব্যক্তির সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে এক ব্যক্তির জানাযায় অংশগ্রহণের জন্য রওয়ানা হলাম। আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববরের কাছে দাঁড়িয়ে খননকারীকে নির্দেশ দিচ্ছেন : পায়ের দিকটা আরো প্রশস্ত করো, মাথার দিকটা আরো প্রশস্ত করো। তিনি সেখান থেকে ফিরতে উদ্যত হলে এক মহিলার পক্ষ হতে দাওয়াত দানকারী এসে তাঁকে স্বাগত জানালেন। তিনি তার বাড়িতে এলে খাবার উপস্থিত করা হলো। তিনি খেতে শুরু করলে অন্যরাও খাওয়া শুরু করলো। বর্ণনাকারী বলেন, আমাদের মুরব্বীরা লক্ষ্য করলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবারের একটি লোকমা মুখে তুলে তা নাড়াচাড়া করছেন। তিনি বললেনঃ আমার মনে হচ্ছে, বকরীর মালিকের অনুমতি ছাড়াই এটি নিয়ে আসা হয়েছে। মহিলাটি বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি একটি বকরী কিনতে বাকী’ নামক বাজারে লোক পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু সেখানে বকরী পাওয়া যায়নি। অতঃপর আমার প্রতিবেশীর কাছে এই বলে লোক পাঠালাম যে, তুমি যে বকরীটি কিনেছো তা তোমার ক্রয়মূল্যে আমাকে দিয়ে দাও। কিন্তু তাকেও (বাড়িতে) পাওয়া যায় নি। আমি তার স্ত্রীর কাছে লোক পাঠালে সে বকরীটা পাঠিয়ে দেয়। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ গোশত বন্দীদেরকে খাওয়াও। সহীহ : আহকামুল জানায়িয (১৪৩-১৪৪)।
‘আসিম ইবনু কুলাইব (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে (কুলাইব) গোত্রের জনৈক ব্যক্তির সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে এক ব্যক্তির জানাযায় অংশগ্রহণের জন্য রওয়ানা হলাম। আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্ববরের কাছে দাঁড়িয়ে খননকারীকে নির্দেশ দিচ্ছেন : পায়ের দিকটা আরো প্রশস্ত করো, মাথার দিকটা আরো প্রশস্ত করো। তিনি সেখান থেকে ফিরতে উদ্যত হলে এক মহিলার পক্ষ হতে দাওয়াত দানকারী এসে তাঁকে স্বাগত জানালেন। তিনি তার বাড়িতে এলে খাবার উপস্থিত করা হলো। তিনি খেতে শুরু করলে অন্যরাও খাওয়া শুরু করলো। বর্ণনাকারী বলেন, আমাদের মুরব্বীরা লক্ষ্য করলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খাবারের একটি লোকমা মুখে তুলে তা নাড়াচাড়া করছেন। তিনি বললেনঃ আমার মনে হচ্ছে, বকরীর মালিকের অনুমতি ছাড়াই এটি নিয়ে আসা হয়েছে। মহিলাটি বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি একটি বকরী কিনতে বাকী’ নামক বাজারে লোক পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু সেখানে বকরী পাওয়া যায়নি। অতঃপর আমার প্রতিবেশীর কাছে এই বলে লোক পাঠালাম যে, তুমি যে বকরীটি কিনেছো তা তোমার ক্রয়মূল্যে আমাকে দিয়ে দাও। কিন্তু তাকেও (বাড়িতে) পাওয়া যায় নি। আমি তার স্ত্রীর কাছে লোক পাঠালে সে বকরীটা পাঠিয়ে দেয়। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ গোশত বন্দীদেরকে খাওয়াও। সহীহ : আহকামুল জানায়িয (১৪৩-১৪৪)।
حدثنا محمد بن العلاء، أخبرنا ابن إدريس، أخبرنا عاصم بن كليب، عن أبيه، عن رجل، من الأنصار قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على القبر يوصي الحافر " أوسع من قبل رجليه أوسع من قبل رأسه " . فلما رجع استقبله داعي امرأة فجاء وجيء بالطعام فوضع يده ثم وضع القوم فأكلوا فنظر آباؤنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يلوك لقمة في فمه ثم قال " أجد لحم شاة أخذت بغير إذن أهلها " . فأرسلت المرأة قالت يا رسول الله إني أرسلت إلى البقيع يشتري لي شاة فلم أجد فأرسلت إلى جار لي قد اشترى شاة أن أرسل إلى بها بثمنها فلم يوجد فأرسلت إلى امرأته فأرسلت إلى بها . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أطعميه الأسارى " .
সুনানে আবু দাউদ > সুদখোর ও সুদদাতা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩৩৩৩
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سماك، حدثني عبد الرحمن بن عبد الله بن مسعود، عن أبيه، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم آكل الربا وموكله وشاهده وكاتبه .
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (‘আবদুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের সাক্ষী ও এর দলীল লেখক সবাইকে অভিশম্পাত করেছেন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২২৭৭)।
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (‘আবদুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের সাক্ষী ও এর দলীল লেখক সবাইকে অভিশম্পাত করেছেন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২২৭৭)।
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سماك، حدثني عبد الرحمن بن عبد الله بن مسعود، عن أبيه، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم آكل الربا وموكله وشاهده وكاتبه .
সুনানে আবু দাউদ > সুদ প্রত্যাহার করা
সুনানে আবু দাউদ ৩৩৩৪
حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع يقول " ألا إن كل ربا من ربا الجاهلية موضوع لكم رءوس أموالكم لا تظلمون ولا تظلمون . ألا وإن كل دم من دم الجاهلية موضوع وأول دم أضع منها دم الحارث بن عبد المطلب " . كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل . قال " اللهم هل بلغت " . قالوا نعم . ثلاث مرات . قال " اللهم اشهد " . ثلاث مرات .
সুলায়মান ইবনু ‘আমর (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিদায় হাজ্জে বলতে শুনেছি : জাহিলী যুগের সব ধরণের সুদ বাতিল করা হলো। তোমরা মূলধন ফেরত পাবে। তোমরা যুলুম করবে না এবং তোমাদের প্রতিও যুলুম করা হবে না। জাহিলী যুগের সব ধরণের হত্যার প্রতিশোধ বাতিল ঘোষণা করা হলো। আমি প্রথমেই আল-হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিবের হত্যার প্রতিশোধ বাতিল ঘোষণা করছি। (বর্ণনাকারী বলেন) সে বনূ লাইসে দুধপানরত ছিল। এমতাবস্থায় হুযাইল সম্প্রদায় তাকে হত্যা করে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি পৌছে দিয়েছি? উপস্থিত জনতা বলেন, হাঁ, তিনবার। তিনি তিনবার বলেনঃ হে আল্লাহ্! আপনি সাক্ষী থাকুন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (৩০৫৫)।
সুলায়মান ইবনু ‘আমর (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিদায় হাজ্জে বলতে শুনেছি : জাহিলী যুগের সব ধরণের সুদ বাতিল করা হলো। তোমরা মূলধন ফেরত পাবে। তোমরা যুলুম করবে না এবং তোমাদের প্রতিও যুলুম করা হবে না। জাহিলী যুগের সব ধরণের হত্যার প্রতিশোধ বাতিল ঘোষণা করা হলো। আমি প্রথমেই আল-হারিস ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিবের হত্যার প্রতিশোধ বাতিল ঘোষণা করছি। (বর্ণনাকারী বলেন) সে বনূ লাইসে দুধপানরত ছিল। এমতাবস্থায় হুযাইল সম্প্রদায় তাকে হত্যা করে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আমি কি পৌছে দিয়েছি? উপস্থিত জনতা বলেন, হাঁ, তিনবার। তিনি তিনবার বলেনঃ হে আল্লাহ্! আপনি সাক্ষী থাকুন। সহীহ : ইবনু মাজাহ (৩০৫৫)।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا شبيب بن غرقدة، عن سليمان بن عمرو، عن أبيه، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع يقول " ألا إن كل ربا من ربا الجاهلية موضوع لكم رءوس أموالكم لا تظلمون ولا تظلمون . ألا وإن كل دم من دم الجاهلية موضوع وأول دم أضع منها دم الحارث بن عبد المطلب " . كان مسترضعا في بني ليث فقتلته هذيل . قال " اللهم هل بلغت " . قالوا نعم . ثلاث مرات . قال " اللهم اشهد " . ثلاث مرات .