সুনানে আবু দাউদ > কেউ ক্বাযা সওম রেখে মারা গেলে তার উত্তরাধিকারীরা তা আদায় করবে

সুনানে আবু দাউদ ৩৩১০

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، قال سمعت الأعمش، ح وحدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، - المعنى - عن مسلم البطين، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، ‏:‏ أن امرأة، جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ إنه كان على أمها صوم شهر أفأقضيه عنها فقال ‏:‏ ‏"‏ لو كان على أمك دين أكنت قاضيته ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ نعم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فدين الله أحق أن يقضى ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, তার মায়ের এক মাসের সওম বাকি আছে। কাজেই আমি কি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ করবো? তিনি বলেনঃ তোমার মা ঋণগ্রস্থ হলে তুমি কি তা পরিশোধ করতে না? মহিলা বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ তবে আল্লাহ্‌র প্রাপ্য পরিশোধ করাটা অধিক অগ্রগণ্য।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, তার মায়ের এক মাসের সওম বাকি আছে। কাজেই আমি কি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ করবো? তিনি বলেনঃ তোমার মা ঋণগ্রস্থ হলে তুমি কি তা পরিশোধ করতে না? মহিলা বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ তবে আল্লাহ্‌র প্রাপ্য পরিশোধ করাটা অধিক অগ্রগণ্য।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، قال سمعت الأعمش، ح وحدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، - المعنى - عن مسلم البطين، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، ‏:‏ أن امرأة، جاءت إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ إنه كان على أمها صوم شهر أفأقضيه عنها فقال ‏:‏ ‏"‏ لو كان على أمك دين أكنت قاضيته ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ نعم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فدين الله أحق أن يقضى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১১

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من مات وعليه صيام صام عنه وليه ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি সওম অনাদায়ী রেখে মারা গেলে তার পক্ষ হতে তার ওয়ারিসগণ সওম পালন করবে। সহীহ। এটি সাওম অধ্যায়ে গত হয়েছে।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি সওম অনাদায়ী রেখে মারা গেলে তার পক্ষ হতে তার ওয়ারিসগণ সওম পালন করবে। সহীহ। এটি সাওম অধ্যায়ে গত হয়েছে।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن عبيد الله بن أبي جعفر، عن محمد بن جعفر بن الزبير، عن عروة، عن عائشة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من مات وعليه صيام صام عنه وليه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মানত পূর্ণ করার নির্দেশ

সুনানে আবু দাউদ ৩৩১৩

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا شعيب بن إسحاق، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، قال حدثني أبو قلابة، قال حدثني ثابت بن الضحاك، قال ‏:‏ نذر رجل على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينحر إبلا ببوانة، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ إني نذرت أن أنحر إبلا ببوانة ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ هل كان فيها وثن من أوثان الجاهلية يعبد ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ هل كان فيها عيد من أعيادهم ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ لا ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ أوف بنذرك، فإنه لا وفاء لنذر في معصية الله ولا فيما لا يملك ابن آدم ‏"‏ ‏.‏

সাবিত ইবনুদ দাহহাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে এক ব্যক্তি মানত করে যে, সে বুওয়ানা নামক স্থানে একটি উট যাবাহ করবে। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, আমি বুওয়ানা নামক স্থানে একটি উট কুরবানি করার মানত করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেখানে কি জাহেলী যুগের কোন মূর্তি রয়েছে? লোকেরা বলল, না। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেনঃ সেখানে কি তাদের কোন মেলা বসতো? লোকেরা বলল, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করতে পারো। কেননা আল্লাহ্‌র নাফরমানীমূলক কাজের জন্য কৃত মানত পূর্ণ করা জায়িয নয় এবং আদম সন্তান যে জিনিসের মালিক নয় তারও কোন মানত নেই। সহীহঃ মিশকাত (৩৪৩৭)।

সাবিত ইবনুদ দাহহাক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে এক ব্যক্তি মানত করে যে, সে বুওয়ানা নামক স্থানে একটি উট যাবাহ করবে। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, আমি বুওয়ানা নামক স্থানে একটি উট কুরবানি করার মানত করেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সেখানে কি জাহেলী যুগের কোন মূর্তি রয়েছে? লোকেরা বলল, না। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেনঃ সেখানে কি তাদের কোন মেলা বসতো? লোকেরা বলল, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করতে পারো। কেননা আল্লাহ্‌র নাফরমানীমূলক কাজের জন্য কৃত মানত পূর্ণ করা জায়িয নয় এবং আদম সন্তান যে জিনিসের মালিক নয় তারও কোন মানত নেই। সহীহঃ মিশকাত (৩৪৩৭)।

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا شعيب بن إسحاق، عن الأوزاعي، عن يحيى بن أبي كثير، قال حدثني أبو قلابة، قال حدثني ثابت بن الضحاك، قال ‏:‏ نذر رجل على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينحر إبلا ببوانة، فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ إني نذرت أن أنحر إبلا ببوانة ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ هل كان فيها وثن من أوثان الجاهلية يعبد ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ هل كان فيها عيد من أعيادهم ‏"‏ ‏.‏ قالوا ‏:‏ لا ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ أوف بنذرك، فإنه لا وفاء لنذر في معصية الله ولا فيما لا يملك ابن آدم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১২

حدثنا مسدد، حدثنا الحارث بن عبيد أبو قدامة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ‏:‏ أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت أن أضرب على رأسك بالدف ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ إني نذرت أن أذبح بمكان كذا وكذا، مكان كان يذبح فيه أهل الجاهلية ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لصنم ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لوثن ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছি যে, আমার মাথার উপর দফ বাজাবো। তিনি বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করো। মহিলাটি আবার বললেনঃ আমি অমুক অমুক স্থানে যাবাহ করার মানত করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ঐসব স্থানে জাহিলী যুগে কুরবানি করা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করেন, তোমার এ কোরবানি কি কোন মূর্তির জন্য? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার মানত পূর্ণ করো। হাসান সহীহঃ ইরওয়া (৪৫৭৮)।

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছি যে, আমার মাথার উপর দফ বাজাবো। তিনি বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করো। মহিলাটি আবার বললেনঃ আমি অমুক অমুক স্থানে যাবাহ করার মানত করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ঐসব স্থানে জাহিলী যুগে কুরবানি করা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করেন, তোমার এ কোরবানি কি কোন মূর্তির জন্য? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার মানত পূর্ণ করো। হাসান সহীহঃ ইরওয়া (৪৫৭৮)।

حدثنا مسدد، حدثنا الحارث بن عبيد أبو قدامة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ‏:‏ أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت أن أضرب على رأسك بالدف ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ إني نذرت أن أذبح بمكان كذا وكذا، مكان كان يذبح فيه أهل الجاهلية ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لصنم ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لوثن ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১২

حدثنا مسدد، حدثنا الحارث بن عبيد أبو قدامة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ‏:‏ أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت أن أضرب على رأسك بالدف ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ إني نذرت أن أذبح بمكان كذا وكذا، مكان كان يذبح فيه أهل الجاهلية ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لصنم ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لوثن ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছি যে, আমার মাথার উপর দফ বাজাবো। তিনি বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করো। মহিলাটি আবার বললেনঃ আমি অমুক অমুক স্থানে যাবাহ করার মানত করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ঐসব স্থানে জাহিলী যুগে কুরবানি করা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করেন, তোমার এ কোরবানি কি কোন মূর্তির জন্য? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার মানত পূর্ণ করো। হাসান সহীহঃ ইরওয়া (৪৫৭৮)।

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছি যে, আমার মাথার উপর দফ বাজাবো। তিনি বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করো। মহিলাটি আবার বললেনঃ আমি অমুক অমুক স্থানে যাবাহ করার মানত করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ঐসব স্থানে জাহিলী যুগে কুরবানি করা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করেন, তোমার এ কোরবানি কি কোন মূর্তির জন্য? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার মানত পূর্ণ করো। হাসান সহীহঃ ইরওয়া (৪৫৭৮)।

حدثنا مسدد، حدثنا الحارث بن عبيد أبو قدامة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ‏:‏ أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت أن أضرب على رأسك بالدف ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ إني نذرت أن أذبح بمكان كذا وكذا، مكان كان يذبح فيه أهل الجاهلية ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لصنم ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لوثن ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১২

حدثنا مسدد، حدثنا الحارث بن عبيد أبو قدامة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ‏:‏ أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت أن أضرب على رأسك بالدف ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ إني نذرت أن أذبح بمكان كذا وكذا، مكان كان يذبح فيه أهل الجاهلية ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لصنم ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لوثن ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছি যে, আমার মাথার উপর দফ বাজাবো। তিনি বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করো। মহিলাটি আবার বললেনঃ আমি অমুক অমুক স্থানে যাবাহ করার মানত করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ঐসব স্থানে জাহিলী যুগে কুরবানি করা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করেন, তোমার এ কোরবানি কি কোন মূর্তির জন্য? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার মানত পূর্ণ করো। হাসান সহীহঃ ইরওয়া (৪৫৭৮)।

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেন, এক মহিলা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছি যে, আমার মাথার উপর দফ বাজাবো। তিনি বললেনঃ তোমার মানত পূর্ণ করো। মহিলাটি আবার বললেনঃ আমি অমুক অমুক স্থানে যাবাহ করার মানত করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, ঐসব স্থানে জাহিলী যুগে কুরবানি করা হতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করেন, তোমার এ কোরবানি কি কোন মূর্তির জন্য? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমার মানত পূর্ণ করো। হাসান সহীহঃ ইরওয়া (৪৫৭৮)।

حدثنا مسدد، حدثنا الحارث بن عبيد أبو قدامة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ‏:‏ أن امرأة، أتت النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت أن أضرب على رأسك بالدف ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ إني نذرت أن أذبح بمكان كذا وكذا، مكان كان يذبح فيه أهل الجاهلية ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لصنم ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لوثن ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أوفي بنذرك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১৪

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا عبد الله بن يزيد بن مقسم الثقفي، من أهل الطائف قال حدثتني سارة بنت مقسم الثقفي، أنها سمعت ميمونة بنت كردم، قالت ‏:‏ خرجت مع أبي في حجة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وسمعت الناس يقولون ‏:‏ رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعلت أبده بصري، فدنا إليه أبي وهو على ناقة له معه درة كدرة الكتاب، فسمعت الأعراب والناس يقولون ‏:‏ الطبطبية الطبطبية، فدنا إليه أبي فأخذ بقدمه قالت ‏:‏ فأقر له ووقف فاستمع منه فقال ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت إن ولد لي ولد ذكر أن أنحر على رأس بوانة في عقبة من الثنايا عدة من الغنم ‏.‏ قال ‏:‏ لا أعلم إلا أنها قالت خمسين ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ هل بها من الأوثان شىء ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فأوف بما نذرت به لله ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ فجمعها فجعل يذبحها فانفلتت منها شاة فطلبها، وهو يقول ‏:‏ اللهم أوف عني نذري ‏.‏ فظفرها فذبحها ‏.‏

কারদাম-কন্যা মায়মূনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতার সাথে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জের উদ্দেশে রওয়ানা হই। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দেখতে পেলাম। আমি যখন লোকজনকে বলতে শুনলাম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আমি এক দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার পিতা তাঁর কাছে গেলেন, তখন তিনি তাঁর উষ্ট্রীতে আরোহিত ছিলেন। তার সাথে সচিবের চাবুকের মত একটি চাবুক ছিল। আমি লোকদেরকে এবং বেদুইনদেরকে বলতে শুনলাম, চাবুক, চাবুক। আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়ে তাঁর পা ধরলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা তাঁর নবুওয়াতের স্বীকারোক্তি করলেন এবং তাঁর কথা শুনলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছিলাম, আমার একটি পুত্র সন্তান হলে আমি বুওয়ানার শেষ প্রান্তে পাহাড়ের পাদদেশে কিছু সংখ্যক মেষ যাবাহ করবো। অধস্তন বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় মায়মূনাহ(রাঃ) পঞ্চাশটি বলেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ সেখানে কি কোন প্রতিমা আছে? তিনি বললেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি আল্লাহর নামে কৃত তোমার মানত পূর্ণ করতে পারো। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তার মেষগুলো একত্র করে যাবাহ করতে লাগলেন। তার মধ্যে একটি মেষ ছুটে পালালে তিনি এই এই বলতে বলতে তার পিছু ধাওয়া করেনঃ ‘হে আল্লাহ! আপনি আমার পক্ষ হতে আমার মানত পূর্ণ করুন। সুতরাং তিনি সেটিকে ধরে ফেলেন এবং যাবাহ করেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১৩১)।

কারদাম-কন্যা মায়মূনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আমার পিতার সাথে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জের উদ্দেশে রওয়ানা হই। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে দেখতে পেলাম। আমি যখন লোকজনকে বলতে শুনলাম রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন আমি এক দৃষ্টিতে তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলাম। আমার পিতা তাঁর কাছে গেলেন, তখন তিনি তাঁর উষ্ট্রীতে আরোহিত ছিলেন। তার সাথে সচিবের চাবুকের মত একটি চাবুক ছিল। আমি লোকদেরকে এবং বেদুইনদেরকে বলতে শুনলাম, চাবুক, চাবুক। আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়ে তাঁর পা ধরলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা তাঁর নবুওয়াতের স্বীকারোক্তি করলেন এবং তাঁর কথা শুনলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি মানত করেছিলাম, আমার একটি পুত্র সন্তান হলে আমি বুওয়ানার শেষ প্রান্তে পাহাড়ের পাদদেশে কিছু সংখ্যক মেষ যাবাহ করবো। অধস্তন বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় মায়মূনাহ(রাঃ) পঞ্চাশটি বলেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ সেখানে কি কোন প্রতিমা আছে? তিনি বললেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি আল্লাহর নামে কৃত তোমার মানত পূর্ণ করতে পারো। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তার মেষগুলো একত্র করে যাবাহ করতে লাগলেন। তার মধ্যে একটি মেষ ছুটে পালালে তিনি এই এই বলতে বলতে তার পিছু ধাওয়া করেনঃ ‘হে আল্লাহ! আপনি আমার পক্ষ হতে আমার মানত পূর্ণ করুন। সুতরাং তিনি সেটিকে ধরে ফেলেন এবং যাবাহ করেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১৩১)।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يزيد بن هارون، حدثنا عبد الله بن يزيد بن مقسم الثقفي، من أهل الطائف قال حدثتني سارة بنت مقسم الثقفي، أنها سمعت ميمونة بنت كردم، قالت ‏:‏ خرجت مع أبي في حجة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وسمعت الناس يقولون ‏:‏ رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعلت أبده بصري، فدنا إليه أبي وهو على ناقة له معه درة كدرة الكتاب، فسمعت الأعراب والناس يقولون ‏:‏ الطبطبية الطبطبية، فدنا إليه أبي فأخذ بقدمه قالت ‏:‏ فأقر له ووقف فاستمع منه فقال ‏:‏ يا رسول الله إني نذرت إن ولد لي ولد ذكر أن أنحر على رأس بوانة في عقبة من الثنايا عدة من الغنم ‏.‏ قال ‏:‏ لا أعلم إلا أنها قالت خمسين ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ هل بها من الأوثان شىء ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ لا ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ فأوف بما نذرت به لله ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ فجمعها فجعل يذبحها فانفلتت منها شاة فطلبها، وهو يقول ‏:‏ اللهم أوف عني نذري ‏.‏ فظفرها فذبحها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১৫

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، عن عمرو بن شعيب، عن ميمونة بنت كردم بن سفيان، عن أبيها، نحوه مختصر منه شىء قال ‏:‏ ‏"‏ هل بها وثن أو عيد من أعياد الجاهلية ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ لا ‏.‏ قلت ‏:‏ إن أمي هذه عليها نذر ومشى أفأقضيه عنها وربما قال ابن بشار ‏:‏ أنقضيه عنها قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏

কারদাম ইবনু সুফিয়ান-কন্যা মায়মূনাহ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত, কিন্তু সংক্ষিপ্তভাবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ সেখানে কোন প্রতিমা আছে কিনা? অথবা জাহিলী যুগের কোন মেলা বসতো কি না? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, এ আমার মা, তার একটি মানত ও পদব্রেজে (হাজ্জ করার) ইচ্ছা আছে। আমি কি তার পক্ষ হতে তা পূর্ণ করবো? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১৩১)

কারদাম ইবনু সুফিয়ান-কন্যা মায়মূনাহ (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণিত, কিন্তু সংক্ষিপ্তভাবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ সেখানে কোন প্রতিমা আছে কিনা? অথবা জাহিলী যুগের কোন মেলা বসতো কি না? তিনি বললেন, না। আমি বললাম, এ আমার মা, তার একটি মানত ও পদব্রেজে (হাজ্জ করার) ইচ্ছা আছে। আমি কি তার পক্ষ হতে তা পূর্ণ করবো? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১৩১)

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو بكر الحنفي، حدثنا عبد الحميد بن جعفر، عن عمرو بن شعيب، عن ميمونة بنت كردم بن سفيان، عن أبيها، نحوه مختصر منه شىء قال ‏:‏ ‏"‏ هل بها وثن أو عيد من أعياد الجاهلية ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ لا ‏.‏ قلت ‏:‏ إن أمي هذه عليها نذر ومشى أفأقضيه عنها وربما قال ابن بشار ‏:‏ أنقضيه عنها قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মালিকানাবিহীন জিনিসের মানত করা

সুনানে আবু দাউদ ৩৩১৬

حدثنا سليمان بن حرب، ومحمد بن عيسى، قالا حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي المهلب، عن عمران بن حصين، ‏:‏ قال كانت العضباء لرجل من بني عقيل وكانت من سوابق الحاج قال ‏:‏ فأسر فأتى النبي صلى الله عليه وسلم وهو في وثاق والنبي صلى الله عليه وسلم على حمار عليه قطيفة فقال ‏:‏ يا محمد علام تأخذني وتأخذ سابقة الحاج قال ‏:‏ ‏"‏ نأخذك بجريرة حلفائك ثقيف ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ وكان ثقيف قد أسروا رجلين من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ وقد قال فيما قال ‏:‏ وأنا مسلم أو قال ‏:‏ وقد أسلمت ‏.‏ فلما مضى النبي صلى الله عليه وسلم - قال أبو داود ‏:‏ فهمت هذا من محمد بن عيسى - ناداه يا محمد يا محمد ‏.‏ قال ‏:‏ وكان النبي صلى الله عليه وسلم رحيما رفيقا فرجع إليه قال ‏:‏ ‏"‏ ما شأنك ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ إني مسلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لو قلتها وأنت تملك أمرك أفلحت كل الفلاح ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ ثم رجعت إلى حديث سليمان قال ‏:‏ يا محمد إني جائع فأطعمني إني ظمآن فاسقني ‏.‏ قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ هذه حاجتك ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏:‏ ‏"‏ هذه حاجته ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ففودي الرجل بعد بالرجلين ‏.‏ قال ‏:‏ وحبس رسول الله صلى الله عليه وسلم العضباء لرحله - قال - فأغار المشركون على سرح المدينة فذهبوا بالعضباء - قال - فلما ذهبوا بها وأسروا امرأة من المسلمين - قال - فكانوا إذا كان الليل يريحون إبلهم في أفنيتهم - قال - فنوموا ليلة وقامت المرأة فجعلت لا تضع يدها على بعير إلا رغا حتى أتت على العضباء - قال - فأتت على ناقة ذلول مجرسة - قال - فركبتها ثم جعلت لله عليها إن نجاها الله لتنحرنها - قال - فلما قدمت المدينة عرفت الناقة ناقة النبي صلى الله عليه وسلم فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم بذلك فأرسل إليها، فجيء بها وأخبر بنذرها فقال ‏:‏ ‏"‏ بئسما جزيتيها ‏"‏ ‏.‏ أو ‏:‏ ‏"‏ جزتها ‏"‏ ‏.‏ ‏:‏ ‏"‏ إن الله أنجاها عليها لتنحرنها، لا وفاء لنذر في معصية الله ولا فيما لا يملك ابن آدم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ والمرأة هذه امرأة أبي ذر ‏.‏

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আল-‘আদবা’ নামক উটটি ‘আকিল গোত্রের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন ছিল। এ উট হাজীদের কাফেলার আগে আগে চলতো। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটিকে বন্দী করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আনা হলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গায়ে চাঁদর জড়িয়ে একটি গাধার পিঠে বসে ছিলেন। আল-আদবার মালিক বললো, হে মুহাম্মাদ! আমাকে এবং হাজ্জীদের আগে আগে চলা আমার উষ্ট্রীকে কোন অপরাধে গ্রেপ্তার করলেন? তিনি বললেনঃ তোমাকে তোমার বন্ধুগোত্র সাক্বিফদের অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, সাক্বিফ গোত্র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’জন সাহাবীকে বন্দী করে রেখেছিলো। আল-আদবার মালিক বললো, আমি মুসলিম অথবা সে বললো, আমি ইসলাম কবুল করেছি। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি কথাগুলো মুহাম্মাদ ইবনু ঈসার কাছ থেকে শিখেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কিছুদুর অগ্রসর হলেন তখন লোকটি উচ্চস্বরে হে মুহাম্মাদ, হে মুহাম্মাদ বলে ডাকলো। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন অনুগ্রহকারী ও সহানুভূতিশীল। তিনি তার ডাকে ফিরে এসে বললেন, তোমার কি হয়েছে? সে বলল, আমি মুসলিম। তিনি বললেনঃ তুমি বন্দী হওয়ার আগে এ কথা বললে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হয়ে যেতে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অতঃপর আমি সুলাইমানের বর্ণিত হাদিসে প্রত্যাবর্তন করি। লোকটি বলল, হে মুহাম্মাদ! আমি ক্ষুধার্ত আমাকে খাদ্য দিন, আমি পিপাসার্ত, আমাকে পান করান। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটাই তোমার উদ্দেশ্য অথবা এটাই তার উদ্দেশ্য। বর্ণনাকারী বলেন, এ বন্দীর বিনিময়ে মুসলিম বন্দীদ্বয়কে মুক্ত করে আনা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল-আদবা নামক উষ্ট্রীটি নিজের সওয়ারি হিসেবে রাখলেন। অতঃপর মুশরিকরা মাদীনাহ এসে উপকণ্ঠে হামলা করে আদবা উটকে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় এবং একজন মুসলিম মহিলাকেও বন্দী করে নিয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন, তারা রাতের বেলা উটগুলোকে ময়দানে ছেড়ে দিত। এক রাতে তারা গভীর ঘুমে থাকলে মুসলিম বন্দী মহিলাটি গিয়ে যে উটের গায়েই হাত দিলেন সেটা আওয়াজ করলো। এভাবে তিনি আল-আদবার কাছে পৌঁছে গেলেন। তিনি একটি অনুগত ও সুদক্ষ উষ্ট্রীর কাছে পৌঁছে গেলেন। তিনি তার পিঠে চড়লেন, এবং আল্লাহ্‌র নামে মানত করলেন, আল্লাহ যদি মুশরিকদের কবল থেকে তাকে মুক্তি দেন তাহলে তিনি এ পশুটি যাবাহ করবেন। অতঃপর তিনি মাদীনাহ আসলে ঐ উটনীকে চেনা গেলো যে, এটি ছিল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উটনী। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খবর দেয়া হলো। তিনি তাকে ডেকে পাঠালেন। অতঃপর তাকে নিয়ে আসা হলো এবং তার মানত সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানানো হলো। তিনি বললেনঃ তুমি উটনীকে খুবই নির্মম প্রতিদান দিতে চেয়েছো। আল্লাহ তাকে যে উটনীর সাহায্যে মুক্তি দিলেন সে তাকে যাবাহ করতে চায়। আল্লাহ্‌র নাফরমানীর কাছে মানত করলে তা পূরণ কারা জায়িয নয় এবং আদম সন্তান যার মালিক নয় তার মানত করা ও তা পূর্ণ করা জায়িয নয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ মহিলা আবূ যার (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন।

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আল-‘আদবা’ নামক উটটি ‘আকিল গোত্রের এক ব্যক্তির মালিকানাধীন ছিল। এ উট হাজীদের কাফেলার আগে আগে চলতো। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটিকে বন্দী করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আনা হলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গায়ে চাঁদর জড়িয়ে একটি গাধার পিঠে বসে ছিলেন। আল-আদবার মালিক বললো, হে মুহাম্মাদ! আমাকে এবং হাজ্জীদের আগে আগে চলা আমার উষ্ট্রীকে কোন অপরাধে গ্রেপ্তার করলেন? তিনি বললেনঃ তোমাকে তোমার বন্ধুগোত্র সাক্বিফদের অপরাধের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, সাক্বিফ গোত্র নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দু’জন সাহাবীকে বন্দী করে রেখেছিলো। আল-আদবার মালিক বললো, আমি মুসলিম অথবা সে বললো, আমি ইসলাম কবুল করেছি। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি কথাগুলো মুহাম্মাদ ইবনু ঈসার কাছ থেকে শিখেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন কিছুদুর অগ্রসর হলেন তখন লোকটি উচ্চস্বরে হে মুহাম্মাদ, হে মুহাম্মাদ বলে ডাকলো। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছিলেন অনুগ্রহকারী ও সহানুভূতিশীল। তিনি তার ডাকে ফিরে এসে বললেন, তোমার কি হয়েছে? সে বলল, আমি মুসলিম। তিনি বললেনঃ তুমি বন্দী হওয়ার আগে এ কথা বললে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হয়ে যেতে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অতঃপর আমি সুলাইমানের বর্ণিত হাদিসে প্রত্যাবর্তন করি। লোকটি বলল, হে মুহাম্মাদ! আমি ক্ষুধার্ত আমাকে খাদ্য দিন, আমি পিপাসার্ত, আমাকে পান করান। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটাই তোমার উদ্দেশ্য অথবা এটাই তার উদ্দেশ্য। বর্ণনাকারী বলেন, এ বন্দীর বিনিময়ে মুসলিম বন্দীদ্বয়কে মুক্ত করে আনা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল-আদবা নামক উষ্ট্রীটি নিজের সওয়ারি হিসেবে রাখলেন। অতঃপর মুশরিকরা মাদীনাহ এসে উপকণ্ঠে হামলা করে আদবা উটকে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় এবং একজন মুসলিম মহিলাকেও বন্দী করে নিয়ে যায়। বর্ণনাকারী বলেন, তারা রাতের বেলা উটগুলোকে ময়দানে ছেড়ে দিত। এক রাতে তারা গভীর ঘুমে থাকলে মুসলিম বন্দী মহিলাটি গিয়ে যে উটের গায়েই হাত দিলেন সেটা আওয়াজ করলো। এভাবে তিনি আল-আদবার কাছে পৌঁছে গেলেন। তিনি একটি অনুগত ও সুদক্ষ উষ্ট্রীর কাছে পৌঁছে গেলেন। তিনি তার পিঠে চড়লেন, এবং আল্লাহ্‌র নামে মানত করলেন, আল্লাহ যদি মুশরিকদের কবল থেকে তাকে মুক্তি দেন তাহলে তিনি এ পশুটি যাবাহ করবেন। অতঃপর তিনি মাদীনাহ আসলে ঐ উটনীকে চেনা গেলো যে, এটি ছিল নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উটনী। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খবর দেয়া হলো। তিনি তাকে ডেকে পাঠালেন। অতঃপর তাকে নিয়ে আসা হলো এবং তার মানত সম্পর্কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানানো হলো। তিনি বললেনঃ তুমি উটনীকে খুবই নির্মম প্রতিদান দিতে চেয়েছো। আল্লাহ তাকে যে উটনীর সাহায্যে মুক্তি দিলেন সে তাকে যাবাহ করতে চায়। আল্লাহ্‌র নাফরমানীর কাছে মানত করলে তা পূরণ কারা জায়িয নয় এবং আদম সন্তান যার মালিক নয় তার মানত করা ও তা পূর্ণ করা জায়িয নয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ মহিলা আবূ যার (রাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন।

حدثنا سليمان بن حرب، ومحمد بن عيسى، قالا حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي المهلب، عن عمران بن حصين، ‏:‏ قال كانت العضباء لرجل من بني عقيل وكانت من سوابق الحاج قال ‏:‏ فأسر فأتى النبي صلى الله عليه وسلم وهو في وثاق والنبي صلى الله عليه وسلم على حمار عليه قطيفة فقال ‏:‏ يا محمد علام تأخذني وتأخذ سابقة الحاج قال ‏:‏ ‏"‏ نأخذك بجريرة حلفائك ثقيف ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ وكان ثقيف قد أسروا رجلين من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ وقد قال فيما قال ‏:‏ وأنا مسلم أو قال ‏:‏ وقد أسلمت ‏.‏ فلما مضى النبي صلى الله عليه وسلم - قال أبو داود ‏:‏ فهمت هذا من محمد بن عيسى - ناداه يا محمد يا محمد ‏.‏ قال ‏:‏ وكان النبي صلى الله عليه وسلم رحيما رفيقا فرجع إليه قال ‏:‏ ‏"‏ ما شأنك ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ إني مسلم ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لو قلتها وأنت تملك أمرك أفلحت كل الفلاح ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ ثم رجعت إلى حديث سليمان قال ‏:‏ يا محمد إني جائع فأطعمني إني ظمآن فاسقني ‏.‏ قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ هذه حاجتك ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏:‏ ‏"‏ هذه حاجته ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ ففودي الرجل بعد بالرجلين ‏.‏ قال ‏:‏ وحبس رسول الله صلى الله عليه وسلم العضباء لرحله - قال - فأغار المشركون على سرح المدينة فذهبوا بالعضباء - قال - فلما ذهبوا بها وأسروا امرأة من المسلمين - قال - فكانوا إذا كان الليل يريحون إبلهم في أفنيتهم - قال - فنوموا ليلة وقامت المرأة فجعلت لا تضع يدها على بعير إلا رغا حتى أتت على العضباء - قال - فأتت على ناقة ذلول مجرسة - قال - فركبتها ثم جعلت لله عليها إن نجاها الله لتنحرنها - قال - فلما قدمت المدينة عرفت الناقة ناقة النبي صلى الله عليه وسلم فأخبر النبي صلى الله عليه وسلم بذلك فأرسل إليها، فجيء بها وأخبر بنذرها فقال ‏:‏ ‏"‏ بئسما جزيتيها ‏"‏ ‏.‏ أو ‏:‏ ‏"‏ جزتها ‏"‏ ‏.‏ ‏:‏ ‏"‏ إن الله أنجاها عليها لتنحرنها، لا وفاء لنذر في معصية الله ولا فيما لا يملك ابن آدم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ والمرأة هذه امرأة أبي ذر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > নিজের সমস্ত মাল দান করার মানত করা সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৩৩১৭

حدثنا سليمان بن داود، وابن السرح، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، قال قال ابن شهاب فأخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب، - وكان قائد كعب من بنيه حين عمي - عن كعب بن مالك، قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي أن أنخلع من مالي صدقة إلى الله وإلى رسوله ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ أمسك عليك بعض مالك فهو خير لك ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت ‏:‏ إني أمسك سهمي الذي بخيبر ‏.‏

কা’ব ইবনু মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং তা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের জন্য দান করে দিবো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার সম্পদের কিছু অংশ নিজের জন্য রেখে দেয়াই তোমার জন্য উত্তম হবে। কা’ব (রাঃ) বলেন, আমি বললাম , খায়বারে প্রাপ্ত আমার অংশ নিজের জন্য রেখে দিলাম। সহীহ : নাসায়ী (৩৮২৩ )।

কা’ব ইবনু মালিক(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং তা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের জন্য দান করে দিবো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার সম্পদের কিছু অংশ নিজের জন্য রেখে দেয়াই তোমার জন্য উত্তম হবে। কা’ব (রাঃ) বলেন, আমি বললাম , খায়বারে প্রাপ্ত আমার অংশ নিজের জন্য রেখে দিলাম। সহীহ : নাসায়ী (৩৮২৩ )।

حدثنا سليمان بن داود، وابن السرح، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، قال قال ابن شهاب فأخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب، - وكان قائد كعب من بنيه حين عمي - عن كعب بن مالك، قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي أن أنخلع من مالي صدقة إلى الله وإلى رسوله ‏.‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ أمسك عليك بعض مالك فهو خير لك ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت ‏:‏ إني أمسك سهمي الذي بخيبر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩২১

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، قال قال ابن إسحاق حدثني الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، عن أبيه، عن جده، في قصته قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي إلى الله أن أخرج من مالي كله إلى الله وإلى رسوله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فنصفه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فثلثه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فإني سأمسك سهمي من خيبر ‏.‏

কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পথে খরচ করবো। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক সম্পদ? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম-এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, খায়বারের প্রাপ্ত সম্পদ আমার নিজের জন্য রেখে দিলাম। হাসান সহীহ।

কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পথে খরচ করবো। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক সম্পদ? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম-এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, খায়বারের প্রাপ্ত সম্পদ আমার নিজের জন্য রেখে দিলাম। হাসান সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، قال قال ابن إسحاق حدثني الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، عن أبيه، عن جده، في قصته قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي إلى الله أن أخرج من مالي كله إلى الله وإلى رسوله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فنصفه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فثلثه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فإني سأمسك سهمي من خيبر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩২১

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، قال قال ابن إسحاق حدثني الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، عن أبيه، عن جده، في قصته قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي إلى الله أن أخرج من مالي كله إلى الله وإلى رسوله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فنصفه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فثلثه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فإني سأمسك سهمي من خيبر ‏.‏

কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পথে খরচ করবো। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক সম্পদ? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম-এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, খায়বারের প্রাপ্ত সম্পদ আমার নিজের জন্য রেখে দিলাম। হাসান সহীহ।

কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পথে খরচ করবো। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক সম্পদ? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম-এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, খায়বারের প্রাপ্ত সম্পদ আমার নিজের জন্য রেখে দিলাম। হাসান সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، قال قال ابن إسحاق حدثني الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، عن أبيه، عن جده، في قصته قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي إلى الله أن أخرج من مالي كله إلى الله وإلى رسوله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فنصفه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فثلثه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فإني سأمسك سهمي من خيبر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩২১

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، قال قال ابن إسحاق حدثني الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، عن أبيه، عن جده، في قصته قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي إلى الله أن أخرج من مالي كله إلى الله وإلى رسوله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فنصفه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فثلثه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فإني سأمسك سهمي من خيبر ‏.‏

কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পথে খরচ করবো। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক সম্পদ? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম-এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, খায়বারের প্রাপ্ত সম্পদ আমার নিজের জন্য রেখে দিলাম। হাসান সহীহ।

কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের পথে খরচ করবো। তিনি বললেন, না। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক সম্পদ? তিনি বললেনঃ না। আমি বললাম-এক তৃতীয়াংশ? তিনি বললেনঃ হাঁ। আমি বললাম, খায়বারের প্রাপ্ত সম্পদ আমার নিজের জন্য রেখে দিলাম। হাসান সহীহ।

حدثنا محمد بن يحيى، حدثنا حسن بن الربيع، حدثنا ابن إدريس، قال قال ابن إسحاق حدثني الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، عن أبيه، عن جده، في قصته قال قلت ‏:‏ يا رسول الله إن من توبتي إلى الله أن أخرج من مالي كله إلى الله وإلى رسوله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فنصفه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ لا ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فثلثه ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قلت ‏:‏ فإني سأمسك سهمي من خيبر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১৯

حدثني عبيد الله بن عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن ابن كعب بن مالك، عن أبيه، أنه قال للنبي صلى الله عليه وسلم أو أبو لبابة أو من شاء الله ‏:‏ إن من توبتي أن أهجر دار قومي التي أصبت فيها الذنب، وأن أنخلع من مالي كله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏ "‏ يجزئ عنك الثلث ‏"‏ ‏.

ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বা আবূ লুবাবাহ কিংবা আল্লাহর ইচ্ছায় অপর কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলেন , আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার গোত্রের যে বাড়িতে অপরাধের শিকার হয়েছি, তা ত্যাগ করবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ সদাক্বাহ করে দিবো। তিনি বললেনঃ এক-তৃতীয়াংশ সদাক্বাহ করাই তোমার জন্য যথেষ্ট। সানাদ সহীহ।

ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বা আবূ লুবাবাহ কিংবা আল্লাহর ইচ্ছায় অপর কেউ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলেন , আমার তাওবাহ কবুল হওয়ায় আমি আমার গোত্রের যে বাড়িতে অপরাধের শিকার হয়েছি, তা ত্যাগ করবো এবং আমার সমস্ত সম্পদ সদাক্বাহ করে দিবো। তিনি বললেনঃ এক-তৃতীয়াংশ সদাক্বাহ করাই তোমার জন্য যথেষ্ট। সানাদ সহীহ।

حدثني عبيد الله بن عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن ابن كعب بن مالك، عن أبيه، أنه قال للنبي صلى الله عليه وسلم أو أبو لبابة أو من شاء الله ‏:‏ إن من توبتي أن أهجر دار قومي التي أصبت فيها الذنب، وأن أنخلع من مالي كله صدقة ‏.‏ قال ‏:‏ ‏ "‏ يجزئ عنك الثلث ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৩৩১৮

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبد الله بن كعب بن مالك، عن أبيه، أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم حين تيب عليه ‏:‏ إني أنخلع من مالي ‏.‏ فذكر نحوه إلى ‏:‏ ‏ "‏ خير لك ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব ইবনু মালিক(রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তার তাওবাহ কবুল হওয়ার পর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন , আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো ---“ তোমার জন্য উত্তম হবে “ পর্যন্ত পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। সহীহ : এর পূর্বেরটি দেখুন।

‘আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব ইবনু মালিক(রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তার তাওবাহ কবুল হওয়ার পর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলেন , আমি আমার সমস্ত সম্পদ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবো ---“ তোমার জন্য উত্তম হবে “ পর্যন্ত পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। সহীহ : এর পূর্বেরটি দেখুন।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، أخبرني عبد الله بن كعب بن مالك، عن أبيه، أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم حين تيب عليه ‏:‏ إني أنخلع من مالي ‏.‏ فذكر نحوه إلى ‏:‏ ‏ "‏ خير لك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩৩২০

حدثنا محمد بن المتوكل، حدثنا عبد الرزاق، قال أخبرني معمر، عن الزهري، قال أخبرني ابن كعب بن مالك، قال ‏:‏ كان أبو لبابة، فذكر معناه والقصة لأبي لبابة ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ رواه يونس عن ابن شهاب عن بعض بني السائب بن أبي لبابة، ورواه الزبيدي عن الزهري عن حسين بن السائب بن أبي لبابة مثله ‏.‏

ইবনু কা’ব ইবনু মালিক(রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ লুবাবাহ (রাঃ) ছিলেন---অতপর পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণিত। ঘটনাটি আবূ লুবাবাহ (রাঃ) সংশ্লিষ্ট। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইউনুস ইবনু শিহাব হতে তিনি বনু সায়িব ইবনু আবূ লুবাবাহ হতে বর্ণনা করেছেন। সানাদ: দুর্বল।

ইবনু কা’ব ইবনু মালিক(রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ লুবাবাহ (রাঃ) ছিলেন---অতপর পূর্বোক্ত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণিত। ঘটনাটি আবূ লুবাবাহ (রাঃ) সংশ্লিষ্ট। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইউনুস ইবনু শিহাব হতে তিনি বনু সায়িব ইবনু আবূ লুবাবাহ হতে বর্ণনা করেছেন। সানাদ: দুর্বল।

حدثنا محمد بن المتوكل، حدثنا عبد الرزاق، قال أخبرني معمر، عن الزهري، قال أخبرني ابن كعب بن مالك، قال ‏:‏ كان أبو لبابة، فذكر معناه والقصة لأبي لبابة ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ رواه يونس عن ابن شهاب عن بعض بني السائب بن أبي لبابة، ورواه الزبيدي عن الزهري عن حسين بن السائب بن أبي لبابة مثله ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00