সুনানে আবু দাউদ > কসমের কাফফারাহ কত সা’
সুনানে আবু দাউদ ৩২৭৯
حدثنا أحمد بن صالح، قال قرأت على أنس بن عياض حدثني عبد الرحمن بن حرملة، عن أم حبيب بنت ذؤيب بن قيس المزنية، - وكانت تحت رجل منهم من أسلم ثم كانت تحت ابن أخ لصفية زوج النبي صلى الله عليه وسلم قال ابن حرملة : فوهبت لنا أم حبيب صاعا - حدثتنا عن ابن أخي صفية عن صفية أنه صاع النبي صلى الله عليه وسلم . قال أنس : فجربته، أو قال فحزرته فوجدته مدين ونصفا بمد هشام .
আবদুর রহমান ইবনু হারমালাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উম্মু হাবীব আমাদেরকে একটি সা’ দিলেন। তিনি আমাদেরকে তার দ্বিতীয় স্বামী সাফিয়্যাহ্র ভ্রাতুষ্পুত্রের সূত্রে বলেন, তিনি সাফিয়্যাহ্র সূত্রে বলেছেন, এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সা’। আনাস (ইবনু ইয়াদ) বলেন, আমি তা যাচাই করে দেখেছি, তার ওজন হিশাম ইবনু ‘আবদুল মালিকের যুগের আড়াই মুদ্দের সমান।
আবদুর রহমান ইবনু হারমালাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, উম্মু হাবীব আমাদেরকে একটি সা’ দিলেন। তিনি আমাদেরকে তার দ্বিতীয় স্বামী সাফিয়্যাহ্র ভ্রাতুষ্পুত্রের সূত্রে বলেন, তিনি সাফিয়্যাহ্র সূত্রে বলেছেন, এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সা’। আনাস (ইবনু ইয়াদ) বলেন, আমি তা যাচাই করে দেখেছি, তার ওজন হিশাম ইবনু ‘আবদুল মালিকের যুগের আড়াই মুদ্দের সমান।
حدثنا أحمد بن صالح، قال قرأت على أنس بن عياض حدثني عبد الرحمن بن حرملة، عن أم حبيب بنت ذؤيب بن قيس المزنية، - وكانت تحت رجل منهم من أسلم ثم كانت تحت ابن أخ لصفية زوج النبي صلى الله عليه وسلم قال ابن حرملة : فوهبت لنا أم حبيب صاعا - حدثتنا عن ابن أخي صفية عن صفية أنه صاع النبي صلى الله عليه وسلم . قال أنس : فجربته، أو قال فحزرته فوجدته مدين ونصفا بمد هشام .
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮১
حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، حدثنا مسدد، عن أمية بن خالد، قال : لما ولي خالد القسري أضعف الصاع فصار الصاع ستة عشر رطلا . قال أبو داود : محمد بن محمد بن خلاد قتله الزنج صبرا، فقال بيده هكذا ومد أبو داود يده وجعل بطون كفيه إلى الأرض، قال : ورأيته في النوم فقلت : ما فعل الله بك قال : أدخلني الجنة . فقلت : فلم يضرك الوقف .
উমাইয়্যাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খালিদ আল-কাসরী গভর্ণর হয়ে সা’-কে দ্বিগুণ করলেন। তাতে এক সা’ ষোল রতলের সমান হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ খাল্লাদকে নিগ্রোরা বন্দী করে হত্যা করে। তিনি তার হাতের ইশারায় বলেন, এভাবে। আবূ দাঊদ (রহঃ) তার হাত প্রসারিত করেন এবং দু’হাতের তালু মাটির দিকে উপুর করে বলেন, আমি তাকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্ আপনার সাথে কেমন ব্যবহার করেছেন? তিনি বলেন, আল্লাহ্ আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন। আমি বললাম, তাহলে আপনার বন্দী অবস্থা আপনার অনিষ্ট করতে পারেনি।
উমাইয়্যাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খালিদ আল-কাসরী গভর্ণর হয়ে সা’-কে দ্বিগুণ করলেন। তাতে এক সা’ ষোল রতলের সমান হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ খাল্লাদকে নিগ্রোরা বন্দী করে হত্যা করে। তিনি তার হাতের ইশারায় বলেন, এভাবে। আবূ দাঊদ (রহঃ) তার হাত প্রসারিত করেন এবং দু’হাতের তালু মাটির দিকে উপুর করে বলেন, আমি তাকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্ আপনার সাথে কেমন ব্যবহার করেছেন? তিনি বলেন, আল্লাহ্ আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন। আমি বললাম, তাহলে আপনার বন্দী অবস্থা আপনার অনিষ্ট করতে পারেনি।
حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، حدثنا مسدد، عن أمية بن خالد، قال : لما ولي خالد القسري أضعف الصاع فصار الصاع ستة عشر رطلا . قال أبو داود : محمد بن محمد بن خلاد قتله الزنج صبرا، فقال بيده هكذا ومد أبو داود يده وجعل بطون كفيه إلى الأرض، قال : ورأيته في النوم فقلت : ما فعل الله بك قال : أدخلني الجنة . فقلت : فلم يضرك الوقف .
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮০
حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، قال : كان عندنا مكوك يقال له مكوك خالد وكان كيلجتين بكيلجة هارون، قال محمد : صاع خالد صاع هشام يعني ابن عبد الملك .
মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু খাল্লাদ আবূ ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
“মাক্কূক খালিদ” নামে আমাদের একটি মাক্কূক ছিল। তা ছিল হারূনুর রশীদের আমলের পরিমাপকের দ্বিগুণ। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, খালিদের সা’ ছিল হিশাম ইবনু মালিকের সা’।
মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু খাল্লাদ আবূ ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
“মাক্কূক খালিদ” নামে আমাদের একটি মাক্কূক ছিল। তা ছিল হারূনুর রশীদের আমলের পরিমাপকের দ্বিগুণ। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, খালিদের সা’ ছিল হিশাম ইবনু মালিকের সা’।
حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، قال : كان عندنا مكوك يقال له مكوك خالد وكان كيلجتين بكيلجة هارون، قال محمد : صاع خالد صاع هشام يعني ابن عبد الملك .
সুনানে আবু দাউদ > কাফফারাহ হিসেবে মুমিন দাসী আযাদ করা
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮২
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن الحجاج الصواف، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال قلت : يا رسول الله جارية لي صككتها صكة . فعظم ذلك على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أفلا أعتقها قال : " ائتني بها " . قال : فجئت بها قال : " أين الله " . قالت : في السماء . قال : " من أنا " . قالت : أنت رسول الله . قال : " أعتقها فإنها مؤمنة "
মু’আবিয়াহ ইবনুল হাকাম আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার একটি বাঁদী আছে। আমি তাকে জোরে থাপ্পর মেরেছি। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এটা কষ্টদায়ক মনে হল। আমি বললাম, তাকে আযাদ করে দেই? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে নিয়ে এলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে বললো, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আমাকে বললেনঃ তাকে আযাদ করে দাও, কারন সে মুমিন।
মু’আবিয়াহ ইবনুল হাকাম আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার একটি বাঁদী আছে। আমি তাকে জোরে থাপ্পর মেরেছি। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এটা কষ্টদায়ক মনে হল। আমি বললাম, তাকে আযাদ করে দেই? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে নিয়ে এলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে বললো, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আমাকে বললেনঃ তাকে আযাদ করে দাও, কারন সে মুমিন।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن الحجاج الصواف، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال قلت : يا رسول الله جارية لي صككتها صكة . فعظم ذلك على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أفلا أعتقها قال : " ائتني بها " . قال : فجئت بها قال : " أين الله " . قالت : في السماء . قال : " من أنا " . قالت : أنت رسول الله . قال : " أعتقها فإنها مؤمنة "
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، : أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه . قال أبو داود : خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد .
আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।
আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، : أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه . قال أبو داود : خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد .
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، : أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه . قال أبو داود : خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد .
আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।
আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، : أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه . قال أبو داود : خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد .
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، : أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه . قال أبو داود : خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد .
আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।
আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، : أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال : يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه . قال أبو داود : خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد .
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৪
حدثنا إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني، حدثنا يزيد بن هارون، قال أخبرني المسعودي، عن عون بن عبد الله، عن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، : أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم بجارية سوداء فقال : يا رسول الله إن على رقبة مؤمنة . فقال لها : " أين الله " . فأشارت إلى السماء بأصبعها . فقال لها : " فمن أنا " . فأشارت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وإلى السماء، يعني أنت رسول الله . فقال : " أعتقها فإنها مؤمنة " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি একটি কালো দাসী নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহ্র রাসুল! আমাকে একটি মুমিন দাসী আযাদ করতে হবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাসীটিকে জিজ্ঞেস করলেন : আল্লাহ্ কোথায়? সে তার হাতের আঙ্গুল দিয়ে আসমানের দিকে ইশারা করলো। তিনি তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আকাশের দিকে ইশারা করে বললো, আপনি আল্লাহ্র রাসুল। তিনি বলেনঃ তুমি তাকে আযাদ করে দাও কেননা সে মুমিন।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি একটি কালো দাসী নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহ্র রাসুল! আমাকে একটি মুমিন দাসী আযাদ করতে হবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাসীটিকে জিজ্ঞেস করলেন : আল্লাহ্ কোথায়? সে তার হাতের আঙ্গুল দিয়ে আসমানের দিকে ইশারা করলো। তিনি তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আকাশের দিকে ইশারা করে বললো, আপনি আল্লাহ্র রাসুল। তিনি বলেনঃ তুমি তাকে আযাদ করে দাও কেননা সে মুমিন।
حدثنا إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني، حدثنا يزيد بن هارون، قال أخبرني المسعودي، عن عون بن عبد الله، عن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، : أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم بجارية سوداء فقال : يا رسول الله إن على رقبة مؤمنة . فقال لها : " أين الله " . فأشارت إلى السماء بأصبعها . فقال لها : " فمن أنا " . فأشارت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وإلى السماء، يعني أنت رسول الله . فقال : " أعتقها فإنها مؤمنة " .
সুনানে আবু দাউদ > কসমের পর ‘ইন শা আল্লাহ্’ বলা
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا شريك، عن سماك، عن عكرمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " والله لأغزون قريشا، والله لأغزون قريشا، والله لأغزون قريشا " . ثم قال : " إن شاء الله " . قال أبو داود : وقد أسند هذا الحديث غير واحد عن شريك عن سماك عن عكرمة عن ابن عباس أسنده عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال الوليد بن مسلم عن شريك : ثم لم يغزهم .
‘ইকরিমাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। আল্লাহর শপথ! অবশ্যই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। অতঃপর তিনি ইন শা আল্লাহ্ বললেন। সহীহ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আল-ওয়ালীদ বিন মুসলিম (রহঃ) শারীক হতে বর্ণনা করেছেন যে, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেননি।
‘ইকরিমাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। আল্লাহর শপথ! অবশ্যই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। অতঃপর তিনি ইন শা আল্লাহ্ বললেন। সহীহ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আল-ওয়ালীদ বিন মুসলিম (রহঃ) শারীক হতে বর্ণনা করেছেন যে, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেননি।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا شريك، عن سماك، عن عكرمة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " والله لأغزون قريشا، والله لأغزون قريشا، والله لأغزون قريشا " . ثم قال : " إن شاء الله " . قال أبو داود : وقد أسند هذا الحديث غير واحد عن شريك عن سماك عن عكرمة عن ابن عباس أسنده عن النبي صلى الله عليه وسلم وقال الوليد بن مسلم عن شريك : ثم لم يغزهم .
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৬
حدثنا محمد بن العلاء، أخبرنا ابن بشر، عن مسعر، عن سماك، عن عكرمة، يرفعه قال : " والله لأغزون قريشا " . ثم قال : " إن شاء الله " . ثم قال : " والله لأغزون قريشا إن شاء الله " . ثم قال : " والله لأغزون قريشا " . ثم سكت ثم قال : " إن شاء الله " . قال أبو داود : زاد فيه الوليد بن مسلم عن شريك قال : ثم لم يغزهم .
‘ইকরিমাহ (রহঃ) রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। অতঃপর তিনি বললেন, ইন শা আল্লাহ্। পুনরায় তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! অবশ্যই আমি কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো ইন শা আল্লাহু তা’আলা। অতঃপর তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি অচিরেই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বললেনঃ ইন শা আল্লাহ্। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম (রহঃ) শারীক (রহঃ) সূত্রে হাদীসের শেষাংশে বর্ণনা করছেন, ‘অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেননি’।
‘ইকরিমাহ (রহঃ) রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। অতঃপর তিনি বললেন, ইন শা আল্লাহ্। পুনরায় তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! অবশ্যই আমি কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো ইন শা আল্লাহু তা’আলা। অতঃপর তিনি বললেনঃ আল্লাহর শপথ! আমি অচিরেই কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবো। তিনি কিছুক্ষণ চুপ থাকার পর বললেনঃ ইন শা আল্লাহ্। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম (রহঃ) শারীক (রহঃ) সূত্রে হাদীসের শেষাংশে বর্ণনা করছেন, ‘অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরাইশদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেননি’।
حدثنا محمد بن العلاء، أخبرنا ابن بشر، عن مسعر، عن سماك، عن عكرمة، يرفعه قال : " والله لأغزون قريشا " . ثم قال : " إن شاء الله " . ثم قال : " والله لأغزون قريشا إن شاء الله " . ثم قال : " والله لأغزون قريشا " . ثم سكت ثم قال : " إن شاء الله " . قال أبو داود : زاد فيه الوليد بن مسلم عن شريك قال : ثم لم يغزهم .
সুনানে আবু দাউদ > (মানত করা অপছন্দনীয়)
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৭
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير بن عبد الحميد، ح وحدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن عبد الله بن مرة، قال عثمان الهمداني عن عبد الله بن عمر، قال : أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن النذر ثم اتفقا ويقول : " لا يرد شيئا، وإنما يستخرج به من البخيل " . قال مسدد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " النذر لا يرد شيئا " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানত করতে নিষেধ করে বলেনঃ মানত (তাকদীরের) কোন কিছুই পরিবর্তন করতে পারে না, শুধু কৃপণের কিছু সম্পদ ব্যয় হয় মাত্র। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানত কোন কিছুই প্রতিহত করতে পারে না। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১২২)।
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মানত করতে নিষেধ করে বলেনঃ মানত (তাকদীরের) কোন কিছুই পরিবর্তন করতে পারে না, শুধু কৃপণের কিছু সম্পদ ব্যয় হয় মাত্র। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ মানত কোন কিছুই প্রতিহত করতে পারে না। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১২২)।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير بن عبد الحميد، ح وحدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن عبد الله بن مرة، قال عثمان الهمداني عن عبد الله بن عمر، قال : أخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن النذر ثم اتفقا ويقول : " لا يرد شيئا، وإنما يستخرج به من البخيل " . قال مسدد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " النذر لا يرد شيئا " .
সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৮
حدثنا أبو داود، قال قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد، أخبركم ابن وهب، قال أخبرني مالك، عن أبي الزناد، عن عبد الرحمن بن هرمز، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " لا يأتي ابن آدم النذر القدر بشىء لم أكن قدرته له، ولكن يلقيه النذر القدر قدرته يستخرج من البخيل يؤتى عليه ما لم يكن يؤتى من قبل " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (আল্লাহ্ বলেন) মানত আদম সন্তানের তাক্বদীরকে এমন কিছু দিতে পারে না – যা আমি তার জন্য নির্ধারণ করিনি। বরং আমি তার তাক্বদীরে যা নির্ধারণ করেছি কেবল তাই মানত তাকে এনে দেয়। তা কৃপণের ধন থেকে কিছু পরিমাণ বের করে আনে এবং তার নিকট তা নিয়ে আসে যা আগে তার কাছে আসেনি। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১২৩)।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (আল্লাহ্ বলেন) মানত আদম সন্তানের তাক্বদীরকে এমন কিছু দিতে পারে না – যা আমি তার জন্য নির্ধারণ করিনি। বরং আমি তার তাক্বদীরে যা নির্ধারণ করেছি কেবল তাই মানত তাকে এনে দেয়। তা কৃপণের ধন থেকে কিছু পরিমাণ বের করে আনে এবং তার নিকট তা নিয়ে আসে যা আগে তার কাছে আসেনি। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (২১২৩)।
حدثنا أبو داود، قال قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد، أخبركم ابن وهب، قال أخبرني مالك، عن أبي الزناد، عن عبد الرحمن بن هرمز، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " لا يأتي ابن آدم النذر القدر بشىء لم أكن قدرته له، ولكن يلقيه النذر القدر قدرته يستخرج من البخيل يؤتى عليه ما لم يكن يؤتى من قبل " .