সুনানে আবু দাউদ > ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা শপথ করা

সুনানে আবু দাউদ ৩২৭৫

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عطاء بن السائب، عن أبي يحيى، عن ابن عباس، ‏:‏ أن رجلين، اختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسأل النبي صلى الله عليه وسلم الطالب البينة، فلم تكن له بينة فاستحلف المطلوب فحلف بالله الذي لا إله إلا هو، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ بلى قد فعلت، ولكن قد غفر لك بإخلاص قول لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ يراد من هذا الحديث أنه لم يأمره بالكفارة ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা দুই ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে তাদের বিবাদ পেশ করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাদীর কাছে প্রমাণ চাইলেন। কিন্তু তার কাছে প্রমাণ ছিল না। তিনি বিবাদীকে শপথ করতে বললে সে বললো, মহান আল্লাহ্‌র নামে শপথ, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ, তুমি তো (মিথ্যা শপথ) করেছো। কিন্তু তোমাকে নিষ্ঠার সাথে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলার কারনে ক্ষমা করা হয়েছে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীস দ্বারা জানা যায়, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কাফফারাহ প্রদানের নির্দেশ দেননি।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা দুই ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে তাদের বিবাদ পেশ করলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাদীর কাছে প্রমাণ চাইলেন। কিন্তু তার কাছে প্রমাণ ছিল না। তিনি বিবাদীকে শপথ করতে বললে সে বললো, মহান আল্লাহ্‌র নামে শপথ, যিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হাঁ, তুমি তো (মিথ্যা শপথ) করেছো। কিন্তু তোমাকে নিষ্ঠার সাথে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলার কারনে ক্ষমা করা হয়েছে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীস দ্বারা জানা যায়, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে কাফফারাহ প্রদানের নির্দেশ দেননি।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عطاء بن السائب، عن أبي يحيى، عن ابن عباس، ‏:‏ أن رجلين، اختصما إلى النبي صلى الله عليه وسلم فسأل النبي صلى الله عليه وسلم الطالب البينة، فلم تكن له بينة فاستحلف المطلوب فحلف بالله الذي لا إله إلا هو، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ بلى قد فعلت، ولكن قد غفر لك بإخلاص قول لا إله إلا الله ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ يراد من هذا الحديث أنه لم يأمره بالكفارة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > অপেক্ষাকৃত উত্তম কাজ হলে কসম ভঙ্গ করা

সুনানে আবু দাউদ ৩২৭৭

حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا هشيم، أخبرنا يونس، ومنصور، - يعني ابن زاذان - عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، قال قال لي النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ يا عبد الرحمن بن سمرة إذا حلفت على يمين فرأيت غيرها خيرا منها، فأت الذي هو خير وكفر يمينك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ سمعت أحمد يرخص فيها الكفارة قبل الحنث ‏.‏

আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ! তুমি কোন বিষয়ে শপথ করার পর তাঁর বিপরীতে কল্যাণ দেখতে পেলে তুমি কল্যাণকর কাজটি করবে এবং শপথ ভঙ্গের কাফফারাহ আদায় করবে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ (রহঃ) শপথ ভঙ্গের পূর্বেই কাফফারাহ আদায় জায়িয মনে করেন।

আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ হে ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ! তুমি কোন বিষয়ে শপথ করার পর তাঁর বিপরীতে কল্যাণ দেখতে পেলে তুমি কল্যাণকর কাজটি করবে এবং শপথ ভঙ্গের কাফফারাহ আদায় করবে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ (রহঃ) শপথ ভঙ্গের পূর্বেই কাফফারাহ আদায় জায়িয মনে করেন।

حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا هشيم، أخبرنا يونس، ومنصور، - يعني ابن زاذان - عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، قال قال لي النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ يا عبد الرحمن بن سمرة إذا حلفت على يمين فرأيت غيرها خيرا منها، فأت الذي هو خير وكفر يمينك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ سمعت أحمد يرخص فيها الكفارة قبل الحنث ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৭৬

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، حدثنا غيلان بن جرير، عن أبي بردة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ إني والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا كفرت عن يميني، وأتيت الذي هو خير ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏:‏ ‏"‏ إلا أتيت الذي هو خير وكفرت يميني ‏"‏ ‏.‏

আবূ বুরদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমি কোন কাজের শপথ করার পর তার বিপরীত দিকে কল্যাণ দেখতে পেলে ইন শা আল্লাহ্‌ আমি শপথ ভঙ্গ করে কাফফারাহ প্রদান করবো এবং অধিকতর কল্যাণকর কাজটি করবো। অথবা তিনি বলেছেন, আমি অধিকতর কল্যাণকর কাজটি করবো এবং আমার শপথ ভঙ্গের কাফফারাহ আদায় করবো। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২১০৭)।

আবূ বুরদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! আমি কোন কাজের শপথ করার পর তার বিপরীত দিকে কল্যাণ দেখতে পেলে ইন শা আল্লাহ্‌ আমি শপথ ভঙ্গ করে কাফফারাহ প্রদান করবো এবং অধিকতর কল্যাণকর কাজটি করবো। অথবা তিনি বলেছেন, আমি অধিকতর কল্যাণকর কাজটি করবো এবং আমার শপথ ভঙ্গের কাফফারাহ আদায় করবো। সহীহ : ইবনু মাজাহ (২১০৭)।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، حدثنا غيلان بن جرير، عن أبي بردة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏"‏ إني والله إن شاء الله لا أحلف على يمين فأرى غيرها خيرا منها إلا كفرت عن يميني، وأتيت الذي هو خير ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏:‏ ‏"‏ إلا أتيت الذي هو خير وكفرت يميني ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৭৮

حدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، نحوه قال ‏:‏ ‏ "‏ فكفر عن يمينك، ثم ائت الذي هو خير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ أحاديث أبي موسى الأشعري وعدي بن حاتم وأبي هريرة في هذا الحديث روي عن كل واحد منهم في بعض الرواية الحنث قبل الكفارة وفي بعض الرواية الكفارة قبل الحنث ‏.‏

‘আবদুর রহমান (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আছে : “প্রথমে কাফফারাহ দিবে, তারপর কল্যাণকর কাজটি করবে”। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ অনুচ্ছেদে আবূ মূসা আল-আশ’আরী, ‘আদী ইবনু হাতিম ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে যেসব হাদীস বর্ণিত হয়েছে তার কতগুলোতে রয়েছে, শপথ ভঙ্গের পর কাফফারাহ আদায় করবে, আর কতগুলোতে রয়েছে, শপথ ভঙ্গের আগে কাফফারাহ আদায় করবে।

‘আবদুর রহমান (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আছে : “প্রথমে কাফফারাহ দিবে, তারপর কল্যাণকর কাজটি করবে”। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ অনুচ্ছেদে আবূ মূসা আল-আশ’আরী, ‘আদী ইবনু হাতিম ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে যেসব হাদীস বর্ণিত হয়েছে তার কতগুলোতে রয়েছে, শপথ ভঙ্গের পর কাফফারাহ আদায় করবে, আর কতগুলোতে রয়েছে, শপথ ভঙ্গের আগে কাফফারাহ আদায় করবে।

حدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن عبد الرحمن بن سمرة، نحوه قال ‏:‏ ‏ "‏ فكفر عن يمينك، ثم ائت الذي هو خير ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ أحاديث أبي موسى الأشعري وعدي بن حاتم وأبي هريرة في هذا الحديث روي عن كل واحد منهم في بعض الرواية الحنث قبل الكفارة وفي بعض الرواية الكفارة قبل الحنث ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কসমের কাফফারাহ কত সা’

সুনানে আবু দাউদ ৩২৭৯

حدثنا أحمد بن صالح، قال قرأت على أنس بن عياض حدثني عبد الرحمن بن حرملة، عن أم حبيب بنت ذؤيب بن قيس المزنية، - وكانت تحت رجل منهم من أسلم ثم كانت تحت ابن أخ لصفية زوج النبي صلى الله عليه وسلم قال ابن حرملة ‏:‏ فوهبت لنا أم حبيب صاعا - حدثتنا عن ابن أخي صفية عن صفية أنه صاع النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أنس ‏:‏ فجربته، أو قال فحزرته فوجدته مدين ونصفا بمد هشام ‏.‏

আবদুর রহমান ইবনু হারমালাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মু হাবীব আমাদেরকে একটি সা’ দিলেন। তিনি আমাদেরকে তার দ্বিতীয় স্বামী সাফিয়্যাহ্‌র ভ্রাতুষ্পুত্রের সূত্রে বলেন, তিনি সাফিয়্যাহ্‌র সূত্রে বলেছেন, এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সা’। আনাস (ইবনু ইয়াদ) বলেন, আমি তা যাচাই করে দেখেছি, তার ওজন হিশাম ইবনু ‘আবদুল মালিকের যুগের আড়াই মুদ্দের সমান।

আবদুর রহমান ইবনু হারমালাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মু হাবীব আমাদেরকে একটি সা’ দিলেন। তিনি আমাদেরকে তার দ্বিতীয় স্বামী সাফিয়্যাহ্‌র ভ্রাতুষ্পুত্রের সূত্রে বলেন, তিনি সাফিয়্যাহ্‌র সূত্রে বলেছেন, এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সা’। আনাস (ইবনু ইয়াদ) বলেন, আমি তা যাচাই করে দেখেছি, তার ওজন হিশাম ইবনু ‘আবদুল মালিকের যুগের আড়াই মুদ্দের সমান।

حدثنا أحمد بن صالح، قال قرأت على أنس بن عياض حدثني عبد الرحمن بن حرملة، عن أم حبيب بنت ذؤيب بن قيس المزنية، - وكانت تحت رجل منهم من أسلم ثم كانت تحت ابن أخ لصفية زوج النبي صلى الله عليه وسلم قال ابن حرملة ‏:‏ فوهبت لنا أم حبيب صاعا - حدثتنا عن ابن أخي صفية عن صفية أنه صاع النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أنس ‏:‏ فجربته، أو قال فحزرته فوجدته مدين ونصفا بمد هشام ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৮১

حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، حدثنا مسدد، عن أمية بن خالد، قال ‏:‏ لما ولي خالد القسري أضعف الصاع فصار الصاع ستة عشر رطلا ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ محمد بن محمد بن خلاد قتله الزنج صبرا، فقال بيده هكذا ومد أبو داود يده وجعل بطون كفيه إلى الأرض، قال ‏:‏ ورأيته في النوم فقلت ‏:‏ ما فعل الله بك قال ‏:‏ أدخلني الجنة ‏.‏ فقلت ‏:‏ فلم يضرك الوقف ‏.‏

উমাইয়্যাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খালিদ আল-কাসরী গভর্ণর হয়ে সা’-কে দ্বিগুণ করলেন। তাতে এক সা’ ষোল রতলের সমান হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ খাল্লাদকে নিগ্রোরা বন্দী করে হত্যা করে। তিনি তার হাতের ইশারায় বলেন, এভাবে। আবূ দাঊদ (রহঃ) তার হাত প্রসারিত করেন এবং দু’হাতের তালু মাটির দিকে উপুর করে বলেন, আমি তাকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্‌ আপনার সাথে কেমন ব্যবহার করেছেন? তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন। আমি বললাম, তাহলে আপনার বন্দী অবস্থা আপনার অনিষ্ট করতে পারেনি।

উমাইয়্যাহ ইবনু খালিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খালিদ আল-কাসরী গভর্ণর হয়ে সা’-কে দ্বিগুণ করলেন। তাতে এক সা’ ষোল রতলের সমান হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ খাল্লাদকে নিগ্রোরা বন্দী করে হত্যা করে। তিনি তার হাতের ইশারায় বলেন, এভাবে। আবূ দাঊদ (রহঃ) তার হাত প্রসারিত করেন এবং দু’হাতের তালু মাটির দিকে উপুর করে বলেন, আমি তাকে স্বপ্নে দেখে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্‌ আপনার সাথে কেমন ব্যবহার করেছেন? তিনি বলেন, আল্লাহ্‌ আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন। আমি বললাম, তাহলে আপনার বন্দী অবস্থা আপনার অনিষ্ট করতে পারেনি।

حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، حدثنا مسدد، عن أمية بن خالد، قال ‏:‏ لما ولي خالد القسري أضعف الصاع فصار الصاع ستة عشر رطلا ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ محمد بن محمد بن خلاد قتله الزنج صبرا، فقال بيده هكذا ومد أبو داود يده وجعل بطون كفيه إلى الأرض، قال ‏:‏ ورأيته في النوم فقلت ‏:‏ ما فعل الله بك قال ‏:‏ أدخلني الجنة ‏.‏ فقلت ‏:‏ فلم يضرك الوقف ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৮০

حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، قال ‏:‏ كان عندنا مكوك يقال له مكوك خالد وكان كيلجتين بكيلجة هارون، قال محمد ‏:‏ صاع خالد صاع هشام يعني ابن عبد الملك ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু খাল্লাদ আবূ ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

“মাক্কূক খালিদ” নামে আমাদের একটি মাক্কূক ছিল। তা ছিল হারূনুর রশীদের আমলের পরিমাপকের দ্বিগুণ। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, খালিদের সা’ ছিল হিশাম ইবনু মালিকের সা’।

মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু খাল্লাদ আবূ ‘আমর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

“মাক্কূক খালিদ” নামে আমাদের একটি মাক্কূক ছিল। তা ছিল হারূনুর রশীদের আমলের পরিমাপকের দ্বিগুণ। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, খালিদের সা’ ছিল হিশাম ইবনু মালিকের সা’।

حدثنا محمد بن محمد بن خلاد أبو عمر، قال ‏:‏ كان عندنا مكوك يقال له مكوك خالد وكان كيلجتين بكيلجة هارون، قال محمد ‏:‏ صاع خالد صاع هشام يعني ابن عبد الملك ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কাফফারাহ হিসেবে মুমিন দাসী আযাদ করা

সুনানে আবু দাউদ ৩২৮২

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن الحجاج الصواف، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال قلت ‏:‏ يا رسول الله جارية لي صككتها صكة ‏.‏ فعظم ذلك على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أفلا أعتقها قال ‏:‏ ‏"‏ ائتني بها ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ فجئت بها قال ‏:‏ ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ في السماء ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ من أنا ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ أنت رسول الله ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏

মু’আবিয়াহ ইবনুল হাকাম আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার একটি বাঁদী আছে। আমি তাকে জোরে থাপ্পর মেরেছি। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এটা কষ্টদায়ক মনে হল। আমি বললাম, তাকে আযাদ করে দেই? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে নিয়ে এলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে বললো, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আমাকে বললেনঃ তাকে আযাদ করে দাও, কারন সে মুমিন।

মু’আবিয়াহ ইবনুল হাকাম আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার একটি বাঁদী আছে। আমি তাকে জোরে থাপ্পর মেরেছি। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এটা কষ্টদায়ক মনে হল। আমি বললাম, তাকে আযাদ করে দেই? তিনি বললেনঃ তাকে আমার কাছে নিয়ে আসো। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে নিয়ে এলে তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে বললো, আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)। তিনি আমাকে বললেনঃ তাকে আযাদ করে দাও, কারন সে মুমিন।

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن الحجاج الصواف، حدثني يحيى بن أبي كثير، عن هلال بن أبي ميمونة، عن عطاء بن يسار، عن معاوية بن الحكم السلمي، قال قلت ‏:‏ يا رسول الله جارية لي صككتها صكة ‏.‏ فعظم ذلك على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت أفلا أعتقها قال ‏:‏ ‏"‏ ائتني بها ‏"‏ ‏.‏ قال ‏:‏ فجئت بها قال ‏:‏ ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ في السماء ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ من أنا ‏"‏ ‏.‏ قالت ‏:‏ أنت رسول الله ‏.‏ قال ‏:‏ ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৩

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، ‏:‏ أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد ‏.‏

আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।

আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، ‏:‏ أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৩

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، ‏:‏ أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد ‏.‏

আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।

আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، ‏:‏ أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৩

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، ‏:‏ أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد ‏.‏

আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।

আশ-শারীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তার মা তাকে একটি মুমিন বাঁদী আযাদ করতে তাকে ওসিয়াত করেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার মা তার পক্ষ হতে একটি মুমিন ক্রীতদাসী আযাদ করতে আমাকে ওসিয়াত করেছেন। কিন্তু আমার কাছে নুবা এলাকার একটি হাবশী ক্রীতদাসী আছে। এরপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের শেষাংশের অনুরূপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ এটি মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন এবং আশ-শারীদের নাম উল্লেখ করেননি।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن الشريد، ‏:‏ أن أمه، أوصته أن يعتق، عنها رقبة مؤمنة فأتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ يا رسول الله إن أمي أوصت أن أعتق عنها رقبة مؤمنة وعندي جارية سوداء نوبية فذكر نحوه ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ خالد بن عبد الله أرسله لم يذكر الشريد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩২৮৪

حدثنا إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني، حدثنا يزيد بن هارون، قال أخبرني المسعودي، عن عون بن عبد الله، عن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، ‏:‏ أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم بجارية سوداء فقال ‏:‏ يا رسول الله إن على رقبة مؤمنة ‏.‏ فقال لها ‏:‏ ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ فأشارت إلى السماء بأصبعها ‏.‏ فقال لها ‏:‏ ‏"‏ فمن أنا ‏"‏ ‏.‏ فأشارت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وإلى السماء، يعني أنت رسول الله ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি একটি কালো দাসী নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসুল! আমাকে একটি মুমিন দাসী আযাদ করতে হবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাসীটিকে জিজ্ঞেস করলেন : আল্লাহ্‌ কোথায়? সে তার হাতের আঙ্গুল দিয়ে আসমানের দিকে ইশারা করলো। তিনি তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আকাশের দিকে ইশারা করে বললো, আপনি আল্লাহ্‌র রাসুল। তিনি বলেনঃ তুমি তাকে আযাদ করে দাও কেননা সে মুমিন।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি একটি কালো দাসী নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসুল! আমাকে একটি মুমিন দাসী আযাদ করতে হবে। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাসীটিকে জিজ্ঞেস করলেন : আল্লাহ্‌ কোথায়? সে তার হাতের আঙ্গুল দিয়ে আসমানের দিকে ইশারা করলো। তিনি তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও আকাশের দিকে ইশারা করে বললো, আপনি আল্লাহ্‌র রাসুল। তিনি বলেনঃ তুমি তাকে আযাদ করে দাও কেননা সে মুমিন।

حدثنا إبراهيم بن يعقوب الجوزجاني، حدثنا يزيد بن هارون، قال أخبرني المسعودي، عن عون بن عبد الله، عن عبد الله بن عتبة، عن أبي هريرة، ‏:‏ أن رجلا، أتى النبي صلى الله عليه وسلم بجارية سوداء فقال ‏:‏ يا رسول الله إن على رقبة مؤمنة ‏.‏ فقال لها ‏:‏ ‏"‏ أين الله ‏"‏ ‏.‏ فأشارت إلى السماء بأصبعها ‏.‏ فقال لها ‏:‏ ‏"‏ فمن أنا ‏"‏ ‏.‏ فأشارت إلى النبي صلى الله عليه وسلم وإلى السماء، يعني أنت رسول الله ‏.‏ فقال ‏:‏ ‏"‏ أعتقها فإنها مؤمنة ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00