সুনানে আবু দাউদ > সূর্য উদয় ও সূর্যাস্তের সময় লাশ দাফন করা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩১৯২
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا موسى بن على بن رباح، قال سمعت أبي يحدث، أنه سمع عقبة بن عامر، قال ثلاث ساعات كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهانا أن نصلي فيهن أو نقبر فيهن موتانا حين تطلع الشمس بازغة حتى ترتفع وحين يقوم قائم الظهيرة حتى تميل وحين تضيف الشمس للغروب حتى تغرب أو كما قال .
উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে তিন সময়ে সালাত আদায় করতে এবং আমাদের মৃত ব্যক্তিদের দাফন করতে নিষেধ করেছেন। (তা হলো) : সূর্য উদয়ের সময় হতে তা উপরে না উঠা পর্যন্ত ; ঠিক দুপুর বেলায় সূর্য পশ্চিম দিকে না ঢলে পড়া পর্যন্ত এবং সূর্য ডুবে যাওয়ার সময় তা সম্পূর্ণ ডুবে না যাওয়া পর্যন্ত অথবা তিনি অনুরূপ কিছু বলেছেন। সহীহ : আহকাম (১৩০)।
উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে তিন সময়ে সালাত আদায় করতে এবং আমাদের মৃত ব্যক্তিদের দাফন করতে নিষেধ করেছেন। (তা হলো) : সূর্য উদয়ের সময় হতে তা উপরে না উঠা পর্যন্ত ; ঠিক দুপুর বেলায় সূর্য পশ্চিম দিকে না ঢলে পড়া পর্যন্ত এবং সূর্য ডুবে যাওয়ার সময় তা সম্পূর্ণ ডুবে না যাওয়া পর্যন্ত অথবা তিনি অনুরূপ কিছু বলেছেন। সহীহ : আহকাম (১৩০)।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا موسى بن على بن رباح، قال سمعت أبي يحدث، أنه سمع عقبة بن عامر، قال ثلاث ساعات كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهانا أن نصلي فيهن أو نقبر فيهن موتانا حين تطلع الشمس بازغة حتى ترتفع وحين يقوم قائم الظهيرة حتى تميل وحين تضيف الشمس للغروب حتى تغرب أو كما قال .
সুনানে আবু দাউদ > পুরুষ ও নারীর লাশ একত্রে উপস্থিত হলে কার লাশ আগে থাকবে
সুনানে আবু দাউদ ৩১৯৩
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الرملي، حدثنا ابن وهب، عن ابن جريج، عن يحيى بن صبيح، حدثني عمار، مولى الحارث بن نوفل أنه شهد جنازة أم كلثوم وابنها فجعل الغلام مما يلي الإمام فأنكرت ذلك وفي القوم ابن عباس وأبو سعيد الخدري وأبو قتادة وأبو هريرة فقالوا هذه السنة .
আল-হারিস ইবনু নাওফালের মুক্তদাস ‘আম্মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু কুলসুম (রাঃ) ও তার পুত্রে জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। ছেলেকে ইমামের নিকটে রাখা হলে আমি প্রতিবাদ করলাম। উপস্থিত লোকদের মধ্যে ইবনু ‘আব্বাস, আবূ সাঈদ আল-খুদরী, আবূ ক্বাতাদাহ ও আবূ হুরায়রা (রাঃ)-ও ছিলেন। তারা বললেন, এটিই সুন্নাত। সহীহ: আহকাম (১০৪)।
আল-হারিস ইবনু নাওফালের মুক্তদাস ‘আম্মার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি উম্মু কুলসুম (রাঃ) ও তার পুত্রে জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। ছেলেকে ইমামের নিকটে রাখা হলে আমি প্রতিবাদ করলাম। উপস্থিত লোকদের মধ্যে ইবনু ‘আব্বাস, আবূ সাঈদ আল-খুদরী, আবূ ক্বাতাদাহ ও আবূ হুরায়রা (রাঃ)-ও ছিলেন। তারা বললেন, এটিই সুন্নাত। সহীহ: আহকাম (১০৪)।
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الرملي، حدثنا ابن وهب، عن ابن جريج، عن يحيى بن صبيح، حدثني عمار، مولى الحارث بن نوفل أنه شهد جنازة أم كلثوم وابنها فجعل الغلام مما يلي الإمام فأنكرت ذلك وفي القوم ابن عباس وأبو سعيد الخدري وأبو قتادة وأبو هريرة فقالوا هذه السنة .
সুনানে আবু দাউদ > জানাযা সলাতে ইমাম কোথায় দাঁড়াবেন
সুনানে আবু দাউদ ৩১৯৫
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا حسين المعلم، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن سمرة بن جندب، قال صليت وراء النبي صلى الله عليه وسلم على امرأة ماتت في نفاسها فقام عليها للصلاة وسطها .
সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে এক মহিলার জানাযা পড়েছি। তিনি নিফাসগ্রস্থ অবস্থায় মারা যান। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাযায় তার দেহের মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন। সহীহ : আহকাম (১১০)।
সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে এক মহিলার জানাযা পড়েছি। তিনি নিফাসগ্রস্থ অবস্থায় মারা যান। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানাযায় তার দেহের মাঝ বরাবর দাঁড়িয়েছিলেন। সহীহ : আহকাম (১১০)।
حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا حسين المعلم، حدثنا عبد الله بن بريدة، عن سمرة بن جندب، قال صليت وراء النبي صلى الله عليه وسلم على امرأة ماتت في نفاسها فقام عليها للصلاة وسطها .
সুনানে আবু দাউদ ৩১৯৪
حدثنا داود بن معاذ، حدثنا عبد الوارث، عن نافع أبي غالب، قال كنت في سكة المربد فمرت جنازة معها ناس كثير قالوا جنازة عبد الله بن عمير فتبعتها فإذا أنا برجل عليه كساء رقيق على بريذينته وعلى رأسه خرقة تقيه من الشمس فقلت من هذا الدهقان قالوا هذا أنس بن مالك . فلما وضعت الجنازة قام أنس فصلى عليها وأنا خلفه لا يحول بيني وبينه شىء فقام عند رأسه فكبر أربع تكبيرات لم يطل ولم يسرع ثم ذهب يقعد فقالوا يا أبا حمزة المرأة الأنصارية فقربوها وعليها نعش أخضر فقام عند عجيزتها فصلى عليها نحو صلاته على الرجل ثم جلس فقال العلاء بن زياد يا أبا حمزة هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على الجنازة كصلاتك يكبر عليها أربعا ويقوم عند رأس الرجل وعجيزة المرأة قال نعم . قال يا أبا حمزة غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم غزوت معه حنينا فخرج المشركون فحملوا علينا حتى رأينا خيلنا وراء ظهورنا وفي القوم رجل يحمل علينا فيدقنا ويحطمنا فهزمهم الله وجعل يجاء بهم فيبايعونه على الإسلام فقال رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم إن على نذرا إن جاء الله بالرجل الذي كان منذ اليوم يحطمنا لأضربن عنقه . فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم وجيء بالرجل فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يا رسول الله تبت إلى الله . فأمسك رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبايعه ليفي الآخر بنذره . قال فجعل الرجل يتصدى لرسول الله صلى الله عليه وسلم ليأمره بقتله وجعل يهاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقتله فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه لا يصنع شيئا بايعه فقال الرجل يا رسول الله نذري . فقال " إني لم أمسك عنه منذ اليوم إلا لتوفي بنذرك " . فقال يا رسول الله ألا أومضت إلى فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إنه ليس لنبي أن يومض " . قال أبو غالب فسألت عن صنيع أنس في قيامه على المرأة عند عجيزتها فحدثوني أنه إنما كان لأنه لم تكن النعوش فكان الإمام يقوم حيال عجيزتها يسترها من القوم . قال أبو داود قول النبي صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله " . نسخ من هذا الحديث الوفاء بالنذر في قتله بقوله إني قد تبت .
নাফি‘ আবূ গালিব (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আল-মিওবাদের গলিপথে ছিলাম। এ সময় সেখান দিয়ে একটি জানাযা (লাশ) যাচ্ছিল, তার সাথে অনেক লোক ছিল। তারা বলছিল, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমাইরের লাশ। আমিও লাশের পিছনে চললাম। তখন আমি দেখি, হালকা কাপড় পরিহিত এক ব্যক্তি একটি ছোট্ট মাথাবিশিষ্ট ঘোড়ায় বসা এবং তিনি নিজ মাথায় এক টুকরা কাপড় দিয়ে রোদ থেকে আত্নরক্ষা করছিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিটি কে? লোকেরা বললো, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)। অতঃপর লাশ নামানো হলে আনাস (রাঃ) দাঁড়িয়ে তার জানাযা পড়ালেন। আমি তার পিছনেই দাঁড়ালাম; তার ও আমার মাঝে কোন প্রতিবন্ধক ছিল না। তিনি লাশের মাথা বরাবর দাঁড়ালেন। তিনি চার তাকবীরে সালাত আদায় করলেন। জানাযার সালাত দীর্ঘও করেননি, একেবারে সংক্ষিপ্তও করেননি। অতঃপর তিনি বসার জন্য গেলেন। লোকেরা বললো, হে আবূ হামযাহ! এটি একজন আনসারী মহিলার লাশ (এর জানাযা পড়ুন)। লাশটি তার নিকটে আনা হলো। সে একটি সবুজ গেলাফে আবৃত ছিলো। তিনি তার নিতম্ব বরাবর দাঁড়ালেন। অতঃপর তিনি পূর্বের পুরুষ লোকটির নিয়মেই তার জানাযা পড়ালেন। এরপর তিনি বসে গেলেন। ‘আলা ইবনু যিয়াদ তাকে বলেন, হে আবূ হামযাহ! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আপনার আদায়কৃত সলাতের নিয়মেই মৃতের জানাযা পড়তেন? তিনিও কি মহিলাদের জানাযায় চার তাকবীর বলতেন এবং পুরুষের মাথা বরাবর এবং মহিলাদের কোমর বরাবর দাঁড়াতেন? তিনি বললেন, হাঁ। ‘আলা পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে আবূ হামযাহ! আপনি কি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে কোন যুদ্ধে যোগদান করেছেন? তিনি বললেন, হাঁ আমি তাঁর সাথে হুনাইনের যুদ্ধে যোগদান করেছি। মুশরিকরা আমাদের বিরুদ্ধে রওয়ানা হলো। তারা আমাদের উপর কঠিন আক্রমণ করলো। এমনকি আমাদের লোকদের পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালাতে দেখলাম। শত্রুবাহিনীর এক লোক আমাদের উপর আক্রমণ চালাচ্ছিল। সে তরবারির আঘাতে আমাদের ক্ষত-বিক্ষত করছিল। পরিশেষে আল্লাহ তাদের পরাস্ত করলেন। তিনি তাদের নিয়ে আসেন এবং তারা এসে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে ইসলাম গ্রহণের বাই‘আত নিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের একজন বললেন, আমার একটি মানত আছে। তা হলো, সেদিন যে লোকটি আমাদের আহত করছিল, আল্লাহ যদি তাকে আমাদের করায়ত্ত করেন তবে আমি তাকে হত্যা করবো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব থাকলেন। লোকটিকে উপস্থিত করা হলে সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আল্লাহর নিকট তওবা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বাই‘আত নেয়া থেকে বিরত থাকলেন এবং ঐ সাহাবীকে তার মানত পূর্ণ করার সুযোগ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবী লোকটিকে মারার জন্য রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন দেখলেন, সাহাবী কিছুই করছেন না, তখন তিনি লোকটির বাই‘আত নিলেন। সেই সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার মানত কিভাবে পূর্ণ হবে? তিনি বললেনঃআমি তো তোমার মানত পূর্ণ করতে তার বাই‘আত গ্রহণে বিরত ছিলাম। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে ইশারা করেননি কেন? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃকোন নাবীর জন্য ইশারা করা শোভনীয় নয়। আবূ গালিব (রহঃ) বলেন, মহিলার কোমর বরাবর আনাসের (রাঃ) দাঁড়ানোর বিষয়ে আমি লোকদের জিজ্ঞেস করলে তারা আমাকে বললেন, প্রথম যুগে এরূপই করা হতো। কেননা তখন কোন খাটিয়ার ব্যবস্থা ছিল না। সুতরাং ইমাম মহিলাদের কোমর বরাবর দাঁড়াতেন, যেন লোকদের ও লাশের মাঝে আড়াল সৃষ্টি হয়। সহীহ : কিন্তু এ কথাটি বাদে: (আরবি)। কেননা এটি অজ্ঞাত ব্যক্তিদের ভিন্ন রায়। আহকাম (১০৮-১০৯)।
নাফি‘ আবূ গালিব (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি আল-মিওবাদের গলিপথে ছিলাম। এ সময় সেখান দিয়ে একটি জানাযা (লাশ) যাচ্ছিল, তার সাথে অনেক লোক ছিল। তারা বলছিল, এটা ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমাইরের লাশ। আমিও লাশের পিছনে চললাম। তখন আমি দেখি, হালকা কাপড় পরিহিত এক ব্যক্তি একটি ছোট্ট মাথাবিশিষ্ট ঘোড়ায় বসা এবং তিনি নিজ মাথায় এক টুকরা কাপড় দিয়ে রোদ থেকে আত্নরক্ষা করছিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিটি কে? লোকেরা বললো, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)। অতঃপর লাশ নামানো হলে আনাস (রাঃ) দাঁড়িয়ে তার জানাযা পড়ালেন। আমি তার পিছনেই দাঁড়ালাম; তার ও আমার মাঝে কোন প্রতিবন্ধক ছিল না। তিনি লাশের মাথা বরাবর দাঁড়ালেন। তিনি চার তাকবীরে সালাত আদায় করলেন। জানাযার সালাত দীর্ঘও করেননি, একেবারে সংক্ষিপ্তও করেননি। অতঃপর তিনি বসার জন্য গেলেন। লোকেরা বললো, হে আবূ হামযাহ! এটি একজন আনসারী মহিলার লাশ (এর জানাযা পড়ুন)। লাশটি তার নিকটে আনা হলো। সে একটি সবুজ গেলাফে আবৃত ছিলো। তিনি তার নিতম্ব বরাবর দাঁড়ালেন। অতঃপর তিনি পূর্বের পুরুষ লোকটির নিয়মেই তার জানাযা পড়ালেন। এরপর তিনি বসে গেলেন। ‘আলা ইবনু যিয়াদ তাকে বলেন, হে আবূ হামযাহ! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি আপনার আদায়কৃত সলাতের নিয়মেই মৃতের জানাযা পড়তেন? তিনিও কি মহিলাদের জানাযায় চার তাকবীর বলতেন এবং পুরুষের মাথা বরাবর এবং মহিলাদের কোমর বরাবর দাঁড়াতেন? তিনি বললেন, হাঁ। ‘আলা পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে আবূ হামযাহ! আপনি কি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে কোন যুদ্ধে যোগদান করেছেন? তিনি বললেন, হাঁ আমি তাঁর সাথে হুনাইনের যুদ্ধে যোগদান করেছি। মুশরিকরা আমাদের বিরুদ্ধে রওয়ানা হলো। তারা আমাদের উপর কঠিন আক্রমণ করলো। এমনকি আমাদের লোকদের পৃষ্ঠপ্রদর্শন করে পালাতে দেখলাম। শত্রুবাহিনীর এক লোক আমাদের উপর আক্রমণ চালাচ্ছিল। সে তরবারির আঘাতে আমাদের ক্ষত-বিক্ষত করছিল। পরিশেষে আল্লাহ তাদের পরাস্ত করলেন। তিনি তাদের নিয়ে আসেন এবং তারা এসে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে ইসলাম গ্রহণের বাই‘আত নিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের একজন বললেন, আমার একটি মানত আছে। তা হলো, সেদিন যে লোকটি আমাদের আহত করছিল, আল্লাহ যদি তাকে আমাদের করায়ত্ত করেন তবে আমি তাকে হত্যা করবো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরব থাকলেন। লোকটিকে উপস্থিত করা হলে সে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আল্লাহর নিকট তওবা করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বাই‘আত নেয়া থেকে বিরত থাকলেন এবং ঐ সাহাবীকে তার মানত পূর্ণ করার সুযোগ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবী লোকটিকে মারার জন্য রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশের অপেক্ষায় ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন দেখলেন, সাহাবী কিছুই করছেন না, তখন তিনি লোকটির বাই‘আত নিলেন। সেই সাহাবী বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার মানত কিভাবে পূর্ণ হবে? তিনি বললেনঃআমি তো তোমার মানত পূর্ণ করতে তার বাই‘আত গ্রহণে বিরত ছিলাম। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে ইশারা করেননি কেন? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃকোন নাবীর জন্য ইশারা করা শোভনীয় নয়। আবূ গালিব (রহঃ) বলেন, মহিলার কোমর বরাবর আনাসের (রাঃ) দাঁড়ানোর বিষয়ে আমি লোকদের জিজ্ঞেস করলে তারা আমাকে বললেন, প্রথম যুগে এরূপই করা হতো। কেননা তখন কোন খাটিয়ার ব্যবস্থা ছিল না। সুতরাং ইমাম মহিলাদের কোমর বরাবর দাঁড়াতেন, যেন লোকদের ও লাশের মাঝে আড়াল সৃষ্টি হয়। সহীহ : কিন্তু এ কথাটি বাদে: (আরবি)। কেননা এটি অজ্ঞাত ব্যক্তিদের ভিন্ন রায়। আহকাম (১০৮-১০৯)।
حدثنا داود بن معاذ، حدثنا عبد الوارث، عن نافع أبي غالب، قال كنت في سكة المربد فمرت جنازة معها ناس كثير قالوا جنازة عبد الله بن عمير فتبعتها فإذا أنا برجل عليه كساء رقيق على بريذينته وعلى رأسه خرقة تقيه من الشمس فقلت من هذا الدهقان قالوا هذا أنس بن مالك . فلما وضعت الجنازة قام أنس فصلى عليها وأنا خلفه لا يحول بيني وبينه شىء فقام عند رأسه فكبر أربع تكبيرات لم يطل ولم يسرع ثم ذهب يقعد فقالوا يا أبا حمزة المرأة الأنصارية فقربوها وعليها نعش أخضر فقام عند عجيزتها فصلى عليها نحو صلاته على الرجل ثم جلس فقال العلاء بن زياد يا أبا حمزة هكذا كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على الجنازة كصلاتك يكبر عليها أربعا ويقوم عند رأس الرجل وعجيزة المرأة قال نعم . قال يا أبا حمزة غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم غزوت معه حنينا فخرج المشركون فحملوا علينا حتى رأينا خيلنا وراء ظهورنا وفي القوم رجل يحمل علينا فيدقنا ويحطمنا فهزمهم الله وجعل يجاء بهم فيبايعونه على الإسلام فقال رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم إن على نذرا إن جاء الله بالرجل الذي كان منذ اليوم يحطمنا لأضربن عنقه . فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم وجيء بالرجل فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يا رسول الله تبت إلى الله . فأمسك رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبايعه ليفي الآخر بنذره . قال فجعل الرجل يتصدى لرسول الله صلى الله عليه وسلم ليأمره بقتله وجعل يهاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقتله فلما رأى رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه لا يصنع شيئا بايعه فقال الرجل يا رسول الله نذري . فقال " إني لم أمسك عنه منذ اليوم إلا لتوفي بنذرك " . فقال يا رسول الله ألا أومضت إلى فقال النبي صلى الله عليه وسلم " إنه ليس لنبي أن يومض " . قال أبو غالب فسألت عن صنيع أنس في قيامه على المرأة عند عجيزتها فحدثوني أنه إنما كان لأنه لم تكن النعوش فكان الإمام يقوم حيال عجيزتها يسترها من القوم . قال أبو داود قول النبي صلى الله عليه وسلم " أمرت أن أقاتل الناس حتى يقولوا لا إله إلا الله " . نسخ من هذا الحديث الوفاء بالنذر في قتله بقوله إني قد تبت .
সুনানে আবু দাউদ > জানাযার সলাতে তাকবীর সংখ্যা
সুনানে আবু দাউদ ৩১৯৬
حدثنا محمد بن العلاء، قال أخبرنا ابن إدريس، قال سمعت أبا إسحاق، عن الشعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بقبر رطب فصفوا عليه وكبر عليه أربعا . فقلت للشعبي من حدثك قال الثقة من شهده عبد الله بن عباس .
আশ-শা‘বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি নতুন ক্ববরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন সাহাবীগণ কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চার তাকবীরে জানাযার সালাত আদায় করলেন। আমি (আবূ ইসহাক্ব) আশ-শা‘বীকে জিজ্ঞেস করলাম, এ হাদীস আপনাকে কে বর্ণনা করেছে? তিনি বললেন, একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি যার সাথে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সাক্ষাত করেছেন। সহীহ : আহকাম (৮৭)।
আশ-শা‘বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি নতুন ক্ববরের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন সাহাবীগণ কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চার তাকবীরে জানাযার সালাত আদায় করলেন। আমি (আবূ ইসহাক্ব) আশ-শা‘বীকে জিজ্ঞেস করলাম, এ হাদীস আপনাকে কে বর্ণনা করেছে? তিনি বললেন, একজন নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি যার সাথে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সাক্ষাত করেছেন। সহীহ : আহকাম (৮৭)।
حدثنا محمد بن العلاء، قال أخبرنا ابن إدريس، قال سمعت أبا إسحاق، عن الشعبي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بقبر رطب فصفوا عليه وكبر عليه أربعا . فقلت للشعبي من حدثك قال الثقة من شهده عبد الله بن عباس .
সুনানে আবু দাউদ ৩১৯৭
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابن أبي ليلى، قال كان زيد - يعني ابن أرقم - يكبر على جنائزنا أربعا وإنه كبر على جنازة خمسا فسألته فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكبرها . قال أبو داود وأنا لحديث ابن المثنى أتقن .
ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) আমাদের জানাযার সলাতে চার তাকবীর বলতেন। একবার এক জানাযা সলাতে তিনি পাঁচ তাকবীর দিলেন। আমি এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচ তাকবীরও দিতেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনুল মুসান্নার হাদীসটি ভালভাবে স্মরণ রেখেছি। সহীহ : আহকাম (১১২)।
ইবনু আবূ লাইলাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
যায়িদ ইবনু আরক্বাম (রাঃ) আমাদের জানাযার সলাতে চার তাকবীর বলতেন। একবার এক জানাযা সলাতে তিনি পাঁচ তাকবীর দিলেন। আমি এ বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাঁচ তাকবীরও দিতেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনুল মুসান্নার হাদীসটি ভালভাবে স্মরণ রেখেছি। সহীহ : আহকাম (১১২)।
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابن أبي ليلى، قال كان زيد - يعني ابن أرقم - يكبر على جنائزنا أربعا وإنه كبر على جنازة خمسا فسألته فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يكبرها . قال أبو داود وأنا لحديث ابن المثنى أتقن .