সুনানে আবু দাউদ > মৃতের জন্য কান্নাকাটি করা

সুনানে আবু দাউদ ৩১২৫

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن عاصم الأحول، قال سمعت أبا عثمان، عن أسامة بن زيد، أن ابنة لرسول الله، صلى الله عليه وسلم أرسلت إليه وأنا معه وسعد وأحسب أبيا أن ابني أو بنتي قد حضر فاشهدنا ‏.‏ فأرسل يقرئ السلام فقال ‏"‏ قل لله ما أخذ وما أعطى وكل شىء عنده إلى أجل ‏"‏ ‏.‏ فأرسلت تقسم عليه فأتاها فوضع الصبي في حجر رسول الله صلى الله عليه وسلم ونفسه تقعقع ففاضت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له سعد ما هذا قال ‏"‏ إنها رحمة وضعها الله في قلوب من يشاء وإنما يرحم الله من عباده الرحماء ‏"‏ ‏.‏

উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম কন্যা (যাইনাব (রাঃ)) তাঁর নিকট লোক পাঠালেন। তখন আমি ও সাদ (রাঃ) তাঁর সাথে ছিলাম। সম্ভবত উবাই (রাঃ) আমাদের সাথেই ছিলেন। তিনি বলে পাঠান, আমার একটি শিশু পুত্র বা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) কন্যা মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। আপনি আমাদের এখানে আসুন। তিনি তাকে লোক মারফত সালাম পাঠিয়ে বললেনঃ বলো, আল্লাহ যা গ্রহণ করেন এবং যা দান করেন তা সবই তাঁর। তাঁর কাছে প্রতিটি বস্তুর একটা নির্দিষ্ট সময়কাল আছে। তিনি পুনরায় কসম দিয়ে লোক পাঠালেন। তিনি সেখানে গেলেন। বাচ্চাটি রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোলে রাখা হলো। তখন তার প্রাণ ছটফট করছিল। এ দৃশ্য দেখে রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, এ কি? তিনি বললেনঃ এটাই হলো মায়া। আল্লাহ যাদেরকে চান তাদের অন্তরে এটি স্থাপন করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে দয়াবানদের দয়া করেন।

উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম কন্যা (যাইনাব (রাঃ)) তাঁর নিকট লোক পাঠালেন। তখন আমি ও সাদ (রাঃ) তাঁর সাথে ছিলাম। সম্ভবত উবাই (রাঃ) আমাদের সাথেই ছিলেন। তিনি বলে পাঠান, আমার একটি শিশু পুত্র বা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) কন্যা মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। আপনি আমাদের এখানে আসুন। তিনি তাকে লোক মারফত সালাম পাঠিয়ে বললেনঃ বলো, আল্লাহ যা গ্রহণ করেন এবং যা দান করেন তা সবই তাঁর। তাঁর কাছে প্রতিটি বস্তুর একটা নির্দিষ্ট সময়কাল আছে। তিনি পুনরায় কসম দিয়ে লোক পাঠালেন। তিনি সেখানে গেলেন। বাচ্চাটি রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোলে রাখা হলো। তখন তার প্রাণ ছটফট করছিল। এ দৃশ্য দেখে রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। সা’দ (রাঃ) তাঁকে বললেন, এ কি? তিনি বললেনঃ এটাই হলো মায়া। আল্লাহ যাদেরকে চান তাদের অন্তরে এটি স্থাপন করেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে দয়াবানদের দয়া করেন।

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن عاصم الأحول، قال سمعت أبا عثمان، عن أسامة بن زيد، أن ابنة لرسول الله، صلى الله عليه وسلم أرسلت إليه وأنا معه وسعد وأحسب أبيا أن ابني أو بنتي قد حضر فاشهدنا ‏.‏ فأرسل يقرئ السلام فقال ‏"‏ قل لله ما أخذ وما أعطى وكل شىء عنده إلى أجل ‏"‏ ‏.‏ فأرسلت تقسم عليه فأتاها فوضع الصبي في حجر رسول الله صلى الله عليه وسلم ونفسه تقعقع ففاضت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال له سعد ما هذا قال ‏"‏ إنها رحمة وضعها الله في قلوب من يشاء وإنما يرحم الله من عباده الرحماء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১২৬

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ولد لي الليلة غلام فسميته باسم أبي إبراهيم ‏"‏ ‏.‏ فذكر الحديث قال أنس لقد رأيته يكيد بنفسه بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فدمعت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ تدمع العين ويحزن القلب ولا نقول إلا ما يرضى ربنا إنا بك يا إبراهيم لمحزونون ‏"‏ ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আজ রাতে আমার ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করেছে। আমি আমার পূর্বপুরুষ ইবরাহীম (আ)-এর নাম অনুসারে তার নাম রেখেছি ইবরাহীম। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি দেখেছি ইবরাহীম রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সামনেই প্রাণ ত্যাগ করলেন। রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই চোখ বেয়ে পানি ঝরছে। তিনি বললেনঃ চোখ অশ্রু ঝরাচ্ছে, অন্তর দুঃখভারাক্রান্ত, তবুও আমরা শুধুমাত্র তাই বলবো যাতে আমাদের প্রতিপালক সস্তুষ্ট হবেন (অর্থাৎ ইন্না লিল্লাহি ওয়া..)। হে ইবরাহীম! তোমার বিচ্ছেদে আমরা শোকার্ত।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ আজ রাতে আমার ঘরে একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহণ করেছে। আমি আমার পূর্বপুরুষ ইবরাহীম (আ)-এর নাম অনুসারে তার নাম রেখেছি ইবরাহীম। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি দেখেছি ইবরাহীম রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সামনেই প্রাণ ত্যাগ করলেন। রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই চোখ বেয়ে পানি ঝরছে। তিনি বললেনঃ চোখ অশ্রু ঝরাচ্ছে, অন্তর দুঃখভারাক্রান্ত, তবুও আমরা শুধুমাত্র তাই বলবো যাতে আমাদের প্রতিপালক সস্তুষ্ট হবেন (অর্থাৎ ইন্না লিল্লাহি ওয়া..)। হে ইবরাহীম! তোমার বিচ্ছেদে আমরা শোকার্ত।

حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت البناني، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ولد لي الليلة غلام فسميته باسم أبي إبراهيم ‏"‏ ‏.‏ فذكر الحديث قال أنس لقد رأيته يكيد بنفسه بين يدى رسول الله صلى الله عليه وسلم فدمعت عينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ تدمع العين ويحزن القلب ولا نقول إلا ما يرضى ربنا إنا بك يا إبراهيم لمحزونون ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বিলাপ করে কান্নাকাটি করা

সুনানে আবু দাউদ ৩১২৭

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن أيوب، عن حفصة، عن أم عطية، قالت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا عن النياحة ‏.‏

উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে উচ্চস্বরে বিলাপ করে কাঁদতে নিষেধ করেছেন।

উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে উচ্চস্বরে বিলাপ করে কাঁদতে নিষেধ করেছেন।

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن أيوب، عن حفصة، عن أم عطية، قالت إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهانا عن النياحة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১২৮

حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا محمد بن ربيعة، عن محمد بن الحسن بن عطية، عن أبيه، عن جده، عن أبي سعيد الخدري، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم النائحة والمستمعة ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিলাপকারিণী ও তা শ্রবণকারিণীকে অভিশম্পাত করেছেন। সানাদ দুর্বলঃ ইরওয়া (৭৬৯)।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিলাপকারিণী ও তা শ্রবণকারিণীকে অভিশম্পাত করেছেন। সানাদ দুর্বলঃ ইরওয়া (৭৬৯)।

حدثنا إبراهيم بن موسى، أخبرنا محمد بن ربيعة، عن محمد بن الحسن بن عطية، عن أبيه، عن جده، عن أبي سعيد الخدري، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم النائحة والمستمعة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩১

حدثنا مسدد، حدثنا حميد بن الأسود، حدثنا الحجاج، - عامل لعمر بن عبد العزيز على الربذة حدثني أسيد بن أبي أسيد، عن امرأة، من المبايعات قالت كان فيما أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في المعروف الذي أخذ علينا أن لا نعصيه فيه أن لا نخمش وجها ولا ندعو ويلا ولا نشق جيبا وأن لا ننشر شعرا ‏.‏

আসীদ ইবনু আসীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বাই’আত গ্রহণকারী জনৈক মহিলার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছ থেকে যেসব সৎকাজের বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন তাতে এটাও ছিলঃ আমরা তাঁর অবাধ্য হবো না, মুখমণ্ডল ক্ষতবিক্ষত করবো না, বুক চাপড়াবো না, ধ্বংসের আহবান করবো না, কাপড়-চোপড় ফাঁড়বো না এবং চুল এলোমেলো করবো না।

আসীদ ইবনু আসীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বাই’আত গ্রহণকারী জনৈক মহিলার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাছ থেকে যেসব সৎকাজের বাই’আত গ্রহণ করেছিলেন তাতে এটাও ছিলঃ আমরা তাঁর অবাধ্য হবো না, মুখমণ্ডল ক্ষতবিক্ষত করবো না, বুক চাপড়াবো না, ধ্বংসের আহবান করবো না, কাপড়-চোপড় ফাঁড়বো না এবং চুল এলোমেলো করবো না।

حدثنا مسدد، حدثنا حميد بن الأسود، حدثنا الحجاج، - عامل لعمر بن عبد العزيز على الربذة حدثني أسيد بن أبي أسيد، عن امرأة، من المبايعات قالت كان فيما أخذ علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم في المعروف الذي أخذ علينا أن لا نعصيه فيه أن لا نخمش وجها ولا ندعو ويلا ولا نشق جيبا وأن لا ننشر شعرا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১২৯

حدثنا هناد بن السري، عن عبدة، وأبي، معاوية - المعنى - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الميت ليعذب ببكاء أهله عليه ‏"‏ ‏.‏ فذكر ذلك لعائشة فقالت وهل - تعني ابن عمر - إنما مر النبي صلى الله عليه وسلم على قبر فقال ‏"‏ إن صاحب هذا ليعذب وأهله يبكون عليه ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأت ‏{‏ ولا تزر وازرة وزر أخرى ‏}‏ قال عن أبي معاوية على قبر يهودي ‏.‏

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারের লোকজনের কান্নাকাটির কারণে শাস্তি দেয়া হয়। এ কথা ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, এ ধরনের কথা ইবনু ‘উমার কোত্থেকে শুনেছে। একদা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি ক্ববরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে বললেনঃ কবরবাসীর পরিবারের লোকজনের কান্নাকাটির কারণে এ ক্ববরের বাসিন্দাকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। অতঃপর ‘আয়িশাহ এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “একের বোঝা অন্যের উপর চাপানো হবে না" (সূরাহ আল-আন’আমঃ ১৬৪, বনী ইসরাঈলঃ ১৫, ফাত্বিরঃ ১৮, যুমারঃ ৩৯ এবং নাজমঃ ৩৮)। হান্নাদ (রহঃ) আবূ মু’আবিয়াহর সূত্রে বলেন, তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ইয়াহুদীর ক্ববরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন।

ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার পরিবারের লোকজনের কান্নাকাটির কারণে শাস্তি দেয়া হয়। এ কথা ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, এ ধরনের কথা ইবনু ‘উমার কোত্থেকে শুনেছে। একদা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি ক্ববরের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে বললেনঃ কবরবাসীর পরিবারের লোকজনের কান্নাকাটির কারণে এ ক্ববরের বাসিন্দাকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে। অতঃপর ‘আয়িশাহ এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ “একের বোঝা অন্যের উপর চাপানো হবে না" (সূরাহ আল-আন’আমঃ ১৬৪, বনী ইসরাঈলঃ ১৫, ফাত্বিরঃ ১৮, যুমারঃ ৩৯ এবং নাজমঃ ৩৮)। হান্নাদ (রহঃ) আবূ মু’আবিয়াহর সূত্রে বলেন, তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক ইয়াহুদীর ক্ববরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন।

حدثنا هناد بن السري، عن عبدة، وأبي، معاوية - المعنى - عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن الميت ليعذب ببكاء أهله عليه ‏"‏ ‏.‏ فذكر ذلك لعائشة فقالت وهل - تعني ابن عمر - إنما مر النبي صلى الله عليه وسلم على قبر فقال ‏"‏ إن صاحب هذا ليعذب وأهله يبكون عليه ‏"‏ ‏.‏ ثم قرأت ‏{‏ ولا تزر وازرة وزر أخرى ‏}‏ قال عن أبي معاوية على قبر يهودي ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩০

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن يزيد بن أوس، قال دخلت على أبي موسى وهو ثقيل فذهبت امرأته لتبكي أو تهم به فقال لها أبو موسى أما سمعت ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت بلى ‏.‏ قال فسكتت فلما مات أبو موسى - قال يزيد - لقيت المرأة فقلت لها ما قول أبي موسى لك أما سمعت ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم سكت قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس منا من حلق ومن سلق ومن خرق ‏"‏ ‏.‏

যায়িদ ইবনু আওস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি অসুস্থ আবূ মূসা (রাঃ)-কে দেখতে যাই, তার স্ত্রী কাঁদতে লাগলেন। আবূ মূসা (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ শুনোনি? তিনি বললেন, হাঁ শুনেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কান্না থামিয়ে চুপ হলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) যখন মারা যান, তখন ইয়াযীদ বলেন, আমি মহিলার সাথে সাক্ষাত করে তাকে বললাম, আবূ মূসা আপনাকে কী বলেছিলেন? (তিনি বলেছিলেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ শুনোনি- অতঃপর আপনি তখন চুপ হয়েছিলেন। মহিলাটি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ (মৃত্যুশোক প্রকাশে) যে মহিলা মাথা মুড়িয়ে বিলাপ করে কাঁদে এবং কাপড় ছিঁড়ে ফেলে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। সহীহ : ইরওয়া (৭৭১)।

যায়িদ ইবনু আওস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি অসুস্থ আবূ মূসা (রাঃ)-কে দেখতে যাই, তার স্ত্রী কাঁদতে লাগলেন। আবূ মূসা (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ শুনোনি? তিনি বললেন, হাঁ শুনেছি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি কান্না থামিয়ে চুপ হলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) যখন মারা যান, তখন ইয়াযীদ বলেন, আমি মহিলার সাথে সাক্ষাত করে তাকে বললাম, আবূ মূসা আপনাকে কী বলেছিলেন? (তিনি বলেছিলেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশ শুনোনি- অতঃপর আপনি তখন চুপ হয়েছিলেন। মহিলাটি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ (মৃত্যুশোক প্রকাশে) যে মহিলা মাথা মুড়িয়ে বিলাপ করে কাঁদে এবং কাপড় ছিঁড়ে ফেলে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। সহীহ : ইরওয়া (৭৭১)।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن إبراهيم، عن يزيد بن أوس، قال دخلت على أبي موسى وهو ثقيل فذهبت امرأته لتبكي أو تهم به فقال لها أبو موسى أما سمعت ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت بلى ‏.‏ قال فسكتت فلما مات أبو موسى - قال يزيد - لقيت المرأة فقلت لها ما قول أبي موسى لك أما سمعت ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم سكت قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس منا من حلق ومن سلق ومن خرق ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মৃতের পরিবারের জন্য খাদ্য প্রেরণ

সুনানে আবু দাউদ ৩১৩২

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثني جعفر بن خالد، عن أبيه، عن عبد الله بن جعفر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اصنعوا لآل جعفر طعاما فإنه قد أتاهم أمر شغلهم ‏"‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তোমরা জা’ফরের পরিবারের জন্য খাবার তৈরি করো। কারণ তাদের কাছে এমন দুঃসংবাদ এসেছে যা তাদেরকে ব্যস্ত রাখবে। হাসানঃ ইবনু মাজাহ (১৬১০-১৬১১), মিশকাত (১৭৩৯)।

আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তোমরা জা’ফরের পরিবারের জন্য খাবার তৈরি করো। কারণ তাদের কাছে এমন দুঃসংবাদ এসেছে যা তাদেরকে ব্যস্ত রাখবে। হাসানঃ ইবনু মাজাহ (১৬১০-১৬১১), মিশকাত (১৭৩৯)।

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثني جعفر بن خالد، عن أبيه، عن عبد الله بن جعفر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اصنعوا لآل جعفر طعاما فإنه قد أتاهم أمر شغلهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > শহীদকে গোসল দিবে কিনা?

সুনানে আবু দাউদ ৩১৩৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا معن بن عيسى، ح وحدثنا عبيد الله بن عمر الجشمي، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن إبراهيم بن طهمان، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رمي رجل بسهم في صدره أو في حلقه فمات فأدرج في ثيابه كما هو - قال - ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তির বুকে বা কণ্ঠনালীতে একটি তীর বিদ্ধ হলে তাতেই সে নিহত হলো। অতঃপর তার পরিহিত কাপড়েই তাকে (দাফনে) জড়ানো হলো। আমরা তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথেই ছিলাম।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তির বুকে বা কণ্ঠনালীতে একটি তীর বিদ্ধ হলে তাতেই সে নিহত হলো। অতঃপর তার পরিহিত কাপড়েই তাকে (দাফনে) জড়ানো হলো। আমরা তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথেই ছিলাম।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا معن بن عيسى، ح وحدثنا عبيد الله بن عمر الجشمي، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن إبراهيم بن طهمان، عن أبي الزبير، عن جابر، قال رمي رجل بسهم في صدره أو في حلقه فمات فأدرج في ثيابه كما هو - قال - ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩৪

حدثنا زياد بن أيوب، وعيسى بن يونس، قالا حدثنا علي بن عاصم، عن عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقتلى أحد أن ينزع عنهم الحديد والجلود وأن يدفنوا بدمائهم وثيابهم ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদের শহীদদের ব্যাপারে নির্দেশ দিলেন যে, তাদের শরীর থেকে যুদ্ধাস্ত্র ও চামড়ার বস্ত্র খুলে নিয়ে তাদের রক্তমাখা পরিধেয় বস্ত্রসহ তাদেরকে দাফন করতে হবে। দুর্বলঃ ইবনু মাজাহ (১৫১৫), মিশকাত (১৬৪৩), ইরওয়া (৭০৯)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদের শহীদদের ব্যাপারে নির্দেশ দিলেন যে, তাদের শরীর থেকে যুদ্ধাস্ত্র ও চামড়ার বস্ত্র খুলে নিয়ে তাদের রক্তমাখা পরিধেয় বস্ত্রসহ তাদেরকে দাফন করতে হবে। দুর্বলঃ ইবনু মাজাহ (১৫১৫), মিশকাত (১৬৪৩), ইরওয়া (৭০৯)।

حدثنا زياد بن أيوب، وعيسى بن يونس، قالا حدثنا علي بن عاصم، عن عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بقتلى أحد أن ينزع عنهم الحديد والجلود وأن يدفنوا بدمائهم وثيابهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩৫

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، ح وحدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، - وهذا لفظه - أخبرني أسامة بن زيد الليثي، أن ابن شهاب، أخبره أن أنس بن مالك حدثهم أن شهداء أحد لم يغسلوا ودفنوا بدمائهم ولم يصل عليهم ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের শহীদদেরকে গোসল দেয়া হয়নি। তাদেরকে রক্তরঞ্জিত দেহেই দাফন করা হয় এবং তাদের উপর জানাযা পড়া হয়নি।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উহুদ যুদ্ধের শহীদদেরকে গোসল দেয়া হয়নি। তাদেরকে রক্তরঞ্জিত দেহেই দাফন করা হয় এবং তাদের উপর জানাযা পড়া হয়নি।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، ح وحدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، - وهذا لفظه - أخبرني أسامة بن زيد الليثي، أن ابن شهاب، أخبره أن أنس بن مالك حدثهم أن شهداء أحد لم يغسلوا ودفنوا بدمائهم ولم يصل عليهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩৭

حدثنا عباس العنبري، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا أسامة، عن الزهري، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بحمزة وقد مثل به ولم يصل على أحد من الشهداء غيره ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযাহ (রাঃ) এর লাশের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, তার মৃতদেহ বিকৃত করা হয়েছে। তিনি হামযাহ (রাঃ) ছাড়া অন্য কোন শহীদের জানাযা পড়েননি।

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযাহ (রাঃ) এর লাশের পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, তার মৃতদেহ বিকৃত করা হয়েছে। তিনি হামযাহ (রাঃ) ছাড়া অন্য কোন শহীদের জানাযা পড়েননি।

حدثنا عباس العنبري، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا أسامة، عن الزهري، عن أنس، أن النبي صلى الله عليه وسلم مر بحمزة وقد مثل به ولم يصل على أحد من الشهداء غيره ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد بن موهب، أن الليث، حدثهم عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، أن جابر بن عبد الله، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الرجلين من قتلى أحد ويقول ‏"‏ أيهما أكثر أخذا للقرآن ‏"‏ ‏.‏ فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد وقال ‏"‏ أنا شهيد على هؤلاء يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ وأمر بدفنهم بدمائهم ولم يغسلوا ‏.‏

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ যুদ্ধের শহীদদের দুইজনকে একই ক্ববরে দাফনের নির্দেশ দেন এবং জিজ্ঞেস করতে থাকেনঃ এদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কুরআন সম্পর্কে অধিক পারদর্শী ছিল। অতঃপর তাদের কারো প্রতি ইঙ্গিত করা হলে তাকেই তিনি প্রথমে ক্ববরে রাখতেন। তিনি বললেনঃ আমি ক্বিয়ামাতের দিন তাদের জন্য সাক্ষী হবো। তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে রক্তমাখা দেহে দাফনের নির্দেশ দেন এবং তাদের গোসল দিলেন না। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৫১৪)।

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ যুদ্ধের শহীদদের দুইজনকে একই ক্ববরে দাফনের নির্দেশ দেন এবং জিজ্ঞেস করতে থাকেনঃ এদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কুরআন সম্পর্কে অধিক পারদর্শী ছিল। অতঃপর তাদের কারো প্রতি ইঙ্গিত করা হলে তাকেই তিনি প্রথমে ক্ববরে রাখতেন। তিনি বললেনঃ আমি ক্বিয়ামাতের দিন তাদের জন্য সাক্ষী হবো। তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে রক্তমাখা দেহে দাফনের নির্দেশ দেন এবং তাদের গোসল দিলেন না। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৫১৪)।

حدثنا قتيبة بن سعيد، ويزيد بن خالد بن موهب، أن الليث، حدثهم عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، أن جابر بن عبد الله، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الرجلين من قتلى أحد ويقول ‏"‏ أيهما أكثر أخذا للقرآن ‏"‏ ‏.‏ فإذا أشير له إلى أحدهما قدمه في اللحد وقال ‏"‏ أنا شهيد على هؤلاء يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ وأمر بدفنهم بدمائهم ولم يغسلوا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩৬

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا زيد، - يعني ابن الحباب - ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو صفوان، - يعني المرواني - عن أسامة، عن الزهري، عن أنس بن مالك، - المعنى - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر على حمزة وقد مثل به فقال ‏"‏ لولا أن تجد صفية في نفسها لتركته حتى تأكله العافية حتى يحشر من بطونها ‏"‏ ‏.‏ وقلت الثياب وكثرت القتلى فكان الرجل والرجلان والثلاثة يكفنون في الثوب الواحد - زاد قتيبة - ثم يدفنون في قبر واحد فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسأل ‏"‏ أيهم أكثرهم قرآنا ‏"‏ ‏.‏ فيقدمه إلى القبلة ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযাহ (রাঃ)-এর (লাশের) পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, তার লাশ বিকৃত করা হয়েছে। তিনি বললেনঃ সাফিয়্যাহ্‌ (হামযাহ্‌র বোন) যদি কষ্ট না পেতো তাহলে আমি তার লাশ পড়ে থাকতে দিতাম এবং পশুপাখিরা তা খেয়ে নিতো এবং ক্বিয়ামাতের দিন তাকে এদের পেট থেকেই উত্থিত করা হতো। এ সময় কাফনের কাপড় কম ছিলো, কিন্তু মৃতদেহ ছিল অনেক। ফলে এক, দুই, এমনকি তিন ব্যক্তিকে একই কাপড়ে জড়িয়ে কাফন দেয়া হয়। কুতাইবাহ্‌র বর্ণনায় রয়েছেঃ অতঃপর তাদেরকে একই ক্ববরে দাফন করা হয়। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করতেনঃ এদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কুরআন সম্পর্কে অধিক পারদর্শী ছিল। তিনি তাকে ক্বিবলাহ্‌র দিকে (ডানে) রাখতেন। হাসানঃ তিরমিযী (১০২৭)।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযাহ (রাঃ)-এর (লাশের) পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে দেখলেন, তার লাশ বিকৃত করা হয়েছে। তিনি বললেনঃ সাফিয়্যাহ্‌ (হামযাহ্‌র বোন) যদি কষ্ট না পেতো তাহলে আমি তার লাশ পড়ে থাকতে দিতাম এবং পশুপাখিরা তা খেয়ে নিতো এবং ক্বিয়ামাতের দিন তাকে এদের পেট থেকেই উত্থিত করা হতো। এ সময় কাফনের কাপড় কম ছিলো, কিন্তু মৃতদেহ ছিল অনেক। ফলে এক, দুই, এমনকি তিন ব্যক্তিকে একই কাপড়ে জড়িয়ে কাফন দেয়া হয়। কুতাইবাহ্‌র বর্ণনায় রয়েছেঃ অতঃপর তাদেরকে একই ক্ববরে দাফন করা হয়। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিজ্ঞেস করতেনঃ এদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কুরআন সম্পর্কে অধিক পারদর্শী ছিল। তিনি তাকে ক্বিবলাহ্‌র দিকে (ডানে) রাখতেন। হাসানঃ তিরমিযী (১০২৭)।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا زيد، - يعني ابن الحباب - ح وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا أبو صفوان، - يعني المرواني - عن أسامة، عن الزهري، عن أنس بن مالك، - المعنى - أن رسول الله صلى الله عليه وسلم مر على حمزة وقد مثل به فقال ‏"‏ لولا أن تجد صفية في نفسها لتركته حتى تأكله العافية حتى يحشر من بطونها ‏"‏ ‏.‏ وقلت الثياب وكثرت القتلى فكان الرجل والرجلان والثلاثة يكفنون في الثوب الواحد - زاد قتيبة - ثم يدفنون في قبر واحد فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسأل ‏"‏ أيهم أكثرهم قرآنا ‏"‏ ‏.‏ فيقدمه إلى القبلة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩১৩৯

حدثنا سليمان بن داود المهري، حدثنا ابن وهب، عن الليث، بهذا الحديث بمعناه قال يجمع بين الرجلين من قتلى أحد في ثوب واحد ‏.‏

লাইস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লাইস (রহঃ) হতে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ যুদ্ধের শহীদদের দুই দুই ব্যক্তিকে একই কাপড়ে একত্রে কাফন দেন।

লাইস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

লাইস (রহঃ) হতে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উহুদ যুদ্ধের শহীদদের দুই দুই ব্যক্তিকে একই কাপড়ে একত্রে কাফন দেন।

حدثنا سليمان بن داود المهري، حدثنا ابن وهب، عن الليث، بهذا الحديث بمعناه قال يجمع بين الرجلين من قتلى أحد في ثوب واحد ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00