সুনানে আবু দাউদ > কাউকে জায়গীর হিসাবে জমি দেয়া

সুনানে আবু দাউদ ৩০৫৮

حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، عن سماك، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطعه أرضا بحضرموت ‏.‏

ওয়াইল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হাদরামাওত এলাকায় একখন্ড জমি জায়গীর হিসাবে দিয়েছিলেন। সহীহ : তিরমিযী (১৪১২)।

ওয়াইল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হাদরামাওত এলাকায় একখন্ড জমি জায়গীর হিসাবে দিয়েছিলেন। সহীহ : তিরমিযী (১৪১২)।

حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، عن سماك، عن علقمة بن وائل، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطعه أرضا بحضرموت ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৯

حدثنا حسين بن علي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا أبو بكر بن عياش، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير نخلا ‏.‏

আসমা বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে এক খণ্ড খেজুর বাগান জায়গীর হিসেবে দান করেছিলেন।

আসমা বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে এক খণ্ড খেজুর বাগান জায়গীর হিসেবে দান করেছিলেন।

حدثنا حسين بن علي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا أبو بكر بن عياش، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير نخلا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৯

حدثنا حسين بن علي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا أبو بكر بن عياش، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير نخلا ‏.‏

আসমা বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে এক খণ্ড খেজুর বাগান জায়গীর হিসেবে দান করেছিলেন।

আসমা বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে এক খণ্ড খেজুর বাগান জায়গীর হিসেবে দান করেছিলেন।

حدثنا حسين بن علي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا أبو بكر بن عياش، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير نخلا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৯

حدثنا حسين بن علي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا أبو بكر بن عياش، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير نخلا ‏.‏

আসমা বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে এক খণ্ড খেজুর বাগান জায়গীর হিসেবে দান করেছিলেন।

আসমা বিনতু আবূ বাক্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইরকে এক খণ্ড খেজুর বাগান জায়গীর হিসেবে দান করেছিলেন।

حدثنا حسين بن علي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا أبو بكر بن عياش، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن أسماء بنت أبي بكر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير نخلا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৬

حدثنا محمد بن أحمد القرشي، حدثنا عبد الله بن الزبير، حدثنا فرج بن سعيد، حدثني عمي، ثابت بن سعيد عن أبيه، عن جده، أبيض بن حمال أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حمى الأراك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا حمى في الأراك ‏"‏ ‏.‏ فقال أراكة في حظاري ‏.‏ فقال النبي عليه السلام ‏"‏ لا حمى في الأراك ‏"‏ ‏.‏ قال فرج يعني بحظاري الأرض التي فيها الزرع المحاط عليها ‏.‏

আব্ইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে তিনি আরাক গাছ সমৃদ্ধ জমি সংরক্ষনার্থে তাকে তা দেয়ার জন্য আবেদন করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আরাক গাছে বেড়া দেয়া যায় না। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তা যদি আমার জমির প্রাচীরের মধ্যে থাকে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আরাক গাছ সমৃদ্ধ ভূমি বেড়া দিয়ে রক্ষা করা যায় না। বর্ণনাকারী ফারাজ বলেন, ‘হিদার’ হলো চারদিকে ঘেরা কৃষি জমি। হাসান, পূর্বেরটি দ্বারা।

আব্ইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে তিনি আরাক গাছ সমৃদ্ধ জমি সংরক্ষনার্থে তাকে তা দেয়ার জন্য আবেদন করলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আরাক গাছে বেড়া দেয়া যায় না। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তা যদি আমার জমির প্রাচীরের মধ্যে থাকে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আরাক গাছ সমৃদ্ধ ভূমি বেড়া দিয়ে রক্ষা করা যায় না। বর্ণনাকারী ফারাজ বলেন, ‘হিদার’ হলো চারদিকে ঘেরা কৃষি জমি। হাসান, পূর্বেরটি দ্বারা।

حدثنا محمد بن أحمد القرشي، حدثنا عبد الله بن الزبير، حدثنا فرج بن سعيد، حدثني عمي، ثابت بن سعيد عن أبيه، عن جده، أبيض بن حمال أنه سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن حمى الأراك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لا حمى في الأراك ‏"‏ ‏.‏ فقال أراكة في حظاري ‏.‏ فقال النبي عليه السلام ‏"‏ لا حمى في الأراك ‏"‏ ‏.‏ قال فرج يعني بحظاري الأرض التي فيها الزرع المحاط عليها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭২

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا حماد بن خالد، عن عبد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير حضر فرسه فأجرى فرسه حتى قام ثم رمى بسوطه فقال ‏ "‏ أعطوه من حيث بلغ السوط ‏"‏ ‏.‏

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইর (রাঃ)-কে তার ঘোড়ার এক দৌড় পরিমাণ জমিন জায়গীর হিসেবে দিলেন। তিনি তার ঘোড়া ছুটালেন, অতঃপর তা থেমে গেলে সেখানে তার চাবুক নিক্ষেপ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে তার চাবুক পৌঁছার স্থান পর্যন্ত প্রদান করো।

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুবাইর (রাঃ)-কে তার ঘোড়ার এক দৌড় পরিমাণ জমিন জায়গীর হিসেবে দিলেন। তিনি তার ঘোড়া ছুটালেন, অতঃপর তা থেমে গেলে সেখানে তার চাবুক নিক্ষেপ করলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে তার চাবুক পৌঁছার স্থান পর্যন্ত প্রদান করো।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا حماد بن خالد، عن عبد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطع الزبير حضر فرسه فأجرى فرسه حتى قام ثم رمى بسوطه فقال ‏ "‏ أعطوه من حيث بلغ السوط ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৪

حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، ومحمد بن المتوكل العسقلاني، - المعنى واحد - أن محمد بن يحيى بن قيس المأربي، حدثهم أخبرني أبي، عن ثمامة بن شراحيل، عن سمى بن قيس، عن شمير، - قال ابن المتوكل ابن عبد المدان - عن أبيض بن حمال، أنه وفد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستقطعه الملح - قال ابن المتوكل الذي بمأرب - فقطعه له فلما أن ولى قال رجل من المجلس أتدري ما قطعت له إنما قطعت له الماء العد ‏.‏ قال فانتزع منه قال وسأله عما يحمى من الأراك قال ‏"‏ ما لم تنله خفاف ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن المتوكل ‏"‏ أخفاف الإبل ‏"‏ ‏.‏

আব্ইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একটি প্রতিনিধি নিয়ে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে আসলেন এবং তাঁর কাছে ‘লবন কূপটি’ দান হিসাবে চাইলেন। ইবনুল মুতাওয়াক্‌কিল বলেন, এটা মা’রিব নামক স্থানে অবস্থিত ছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তা দিলেন। আব্ইয়াদ ফিরে যাওয়ার সময় বৈঠকে উপস্থিত এক ব্যক্তি বললো, আপনি কি জানেন তাকে কোন জমি দান করেছেন? আপনি তাকে ঝরণার অফুরন্ত পানি দিয়েছেন। লোকটি বললো, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছ থেকে ঐ জমি ফিরিয়ে নেন। তিনি বলেন, আব্ইয়াদ তাঁকে এ জিজ্ঞেস করেন, আরাক গাছে বেড়া দিবে কিনা। তিনি বললেনঃ যাতে সেখানে ক্ষুরের পদচারণা না হয়। ইবনুল মুতাওয়াক্‌কিল বলেন, ক্ষুর বলতে বুঝানো হয়েছে উটের পায়ের ক্ষুর। হাসান, পূর্বেরটি দ্বারা।

আব্ইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একটি প্রতিনিধি নিয়ে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে আসলেন এবং তাঁর কাছে ‘লবন কূপটি’ দান হিসাবে চাইলেন। ইবনুল মুতাওয়াক্‌কিল বলেন, এটা মা’রিব নামক স্থানে অবস্থিত ছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে তা দিলেন। আব্ইয়াদ ফিরে যাওয়ার সময় বৈঠকে উপস্থিত এক ব্যক্তি বললো, আপনি কি জানেন তাকে কোন জমি দান করেছেন? আপনি তাকে ঝরণার অফুরন্ত পানি দিয়েছেন। লোকটি বললো, অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছ থেকে ঐ জমি ফিরিয়ে নেন। তিনি বলেন, আব্ইয়াদ তাঁকে এ জিজ্ঞেস করেন, আরাক গাছে বেড়া দিবে কিনা। তিনি বললেনঃ যাতে সেখানে ক্ষুরের পদচারণা না হয়। ইবনুল মুতাওয়াক্‌কিল বলেন, ক্ষুর বলতে বুঝানো হয়েছে উটের পায়ের ক্ষুর। হাসান, পূর্বেরটি দ্বারা।

حدثنا قتيبة بن سعيد الثقفي، ومحمد بن المتوكل العسقلاني، - المعنى واحد - أن محمد بن يحيى بن قيس المأربي، حدثهم أخبرني أبي، عن ثمامة بن شراحيل، عن سمى بن قيس، عن شمير، - قال ابن المتوكل ابن عبد المدان - عن أبيض بن حمال، أنه وفد إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستقطعه الملح - قال ابن المتوكل الذي بمأرب - فقطعه له فلما أن ولى قال رجل من المجلس أتدري ما قطعت له إنما قطعت له الماء العد ‏.‏ قال فانتزع منه قال وسأله عما يحمى من الأراك قال ‏"‏ ما لم تنله خفاف ‏"‏ ‏.‏ وقال ابن المتوكل ‏"‏ أخفاف الإبل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬০

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن فطر، حدثني أبي، عن عمرو بن حريث، قال خط لي رسول الله صلى الله عليه وسلم دارا بالمدينة بقوس وقال ‏ "‏ أزيدك أزيدك ‏"‏ ‏.‏

আমর ইবনু হুরাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনায় আমাকে ঘর বানানোর জন্য একখন্ড জমি দান করেন এবং তীরের ফলা দিয়ে এর সীমা নির্ধারণ করেন। তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে আরো দিবো, আরো দিবো।

আমর ইবনু হুরাইস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনায় আমাকে ঘর বানানোর জন্য একখন্ড জমি দান করেন এবং তীরের ফলা দিয়ে এর সীমা নির্ধারণ করেন। তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে আরো দিবো, আরো দিবো।

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الله بن داود، عن فطر، حدثني أبي، عن عمرو بن حريث، قال خط لي رسول الله صلى الله عليه وسلم دارا بالمدينة بقوس وقال ‏ "‏ أزيدك أزيدك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭১

حدثنا محمد بن بشار، حدثني عبد الحميد بن عبد الواحد، حدثتني أم جنوب بنت نميلة، عن أمها، سويدة بنت جابر عن أمها، عقيلة بنت أسمر بن مضرس عن أبيها، أسمر بن مضرس قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فبايعته فقال ‏ "‏ من سبق إلى ماء لم يسبقه إليه مسلم فهو له ‏"‏ ‏.‏ قال فخرج الناس يتعادون يتخاطون ‏.‏

আসমার ইবনু মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বাই'আত নিলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন পানির উৎসের নিকট সর্বপ্রথম পৌঁছবে, যার নিকট তার পূর্বে কোন মুসলিম পৌঁছেনি, তা তার জন্য। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা বের হলো এবং নিশান লাগাতে থাকলো। দুর্বলঃ ইরওয়া (১৫৫৩), যঈফ আর-জামি'উস সাগীর (৫৬২২), মিশকাত (৩০০২)।

আসমার ইবনু মুদাররিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বাই'আত নিলাম। তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি কোন পানির উৎসের নিকট সর্বপ্রথম পৌঁছবে, যার নিকট তার পূর্বে কোন মুসলিম পৌঁছেনি, তা তার জন্য। বর্ণনাকারী বলেন, লোকেরা বের হলো এবং নিশান লাগাতে থাকলো। দুর্বলঃ ইরওয়া (১৫৫৩), যঈফ আর-জামি'উস সাগীর (৫৬২২), মিশকাত (৩০০২)।

حدثنا محمد بن بشار، حدثني عبد الحميد بن عبد الواحد، حدثتني أم جنوب بنت نميلة، عن أمها، سويدة بنت جابر عن أمها، عقيلة بنت أسمر بن مضرس عن أبيها، أسمر بن مضرس قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فبايعته فقال ‏ "‏ من سبق إلى ماء لم يسبقه إليه مسلم فهو له ‏"‏ ‏.‏ قال فخرج الناس يتعادون يتخاطون ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৩

حدثنا محمد بن النضر، قال سمعت الحنيني، قال قرأته غير مرة يعني كتاب قطيعة النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو داود وحدثنا غير واحد عن حسين بن محمد أخبرنا أبو أويس حدثني كثير بن عبد الله عن أبيه عن جده أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطع بلال بن الحارث المزني معادن القبلية جلسيها وغوريها - قال ابن النضر وجرسها وذات النصب ثم اتفقا - وحيث يصلح الزرع من قدس ‏.‏ ولم يعط بلال بن الحارث حق مسلم وكتب له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هذا ما أعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم بلال بن الحارث المزني أعطاه معادن القبلية جلسها وغورها وحيث يصلح الزرع من قدس ولم يعطه حق مسلم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو أويس حدثني ثور بن زيد عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله زاد ابن النضر وكتب أبى بن كعب ‏.‏

কাসীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাইনাহ গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ দান করেছিলেন। ইবনুন নাদর (রহঃ) বলেন, ক্বাবালিয়ার পার্শ্ববর্তী ভূমি এবং যাতুন-নুসুর এলাকাও দান করেন। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী বর্ণনা করেন যে, এবং কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমিও। তিনি বিলাল ইবনুল হারিসকে কোন মুসলিমের হক দান করেননি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ফরমান লিখে দেন : বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযানীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ এবং এর সংলগ্ন কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমি দান করেছেন। এতে আর কোন মুসলমানের হক রইলো না। তবে ইবনুন নাযরের বর্ণনায় রয়েছে : নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর দানের ফরমানটি উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) লিখেছিলেন। হাসান। পূর্বেরটি দেখুন।

কাসীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাইনাহ গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ দান করেছিলেন। ইবনুন নাদর (রহঃ) বলেন, ক্বাবালিয়ার পার্শ্ববর্তী ভূমি এবং যাতুন-নুসুর এলাকাও দান করেন। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী বর্ণনা করেন যে, এবং কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমিও। তিনি বিলাল ইবনুল হারিসকে কোন মুসলিমের হক দান করেননি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ফরমান লিখে দেন : বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযানীকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ এবং এর সংলগ্ন কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমি দান করেছেন। এতে আর কোন মুসলমানের হক রইলো না। তবে ইবনুন নাযরের বর্ণনায় রয়েছে : নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর দানের ফরমানটি উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) লিখেছিলেন। হাসান। পূর্বেরটি দেখুন।

حدثنا محمد بن النضر، قال سمعت الحنيني، قال قرأته غير مرة يعني كتاب قطيعة النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال أبو داود وحدثنا غير واحد عن حسين بن محمد أخبرنا أبو أويس حدثني كثير بن عبد الله عن أبيه عن جده أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطع بلال بن الحارث المزني معادن القبلية جلسيها وغوريها - قال ابن النضر وجرسها وذات النصب ثم اتفقا - وحيث يصلح الزرع من قدس ‏.‏ ولم يعط بلال بن الحارث حق مسلم وكتب له النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ هذا ما أعطى رسول الله صلى الله عليه وسلم بلال بن الحارث المزني أعطاه معادن القبلية جلسها وغورها وحيث يصلح الزرع من قدس ولم يعطه حق مسلم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو أويس حدثني ثور بن زيد عن عكرمة عن ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله زاد ابن النضر وكتب أبى بن كعب ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৫৯

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا جامع بن مطر، عن علقمة بن وائل، بإسناده مثله ‏.‏

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) নিজ সানাদে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

‘আলক্বামাহ ইবনু ওয়াইল (রহঃ) নিজ সানাদে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا جامع بن مطر، عن علقمة بن وائل، بإسناده مثله ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬১

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن غير، واحد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع بلال بن الحارث المزني معادن القبلية وهي من ناحية الفرع فتلك المعادن لا يؤخذ منها إلا الزكاة إلى اليوم ‏.‏

রবী’আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) একাধিক সাহাবী সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযানীকে আল-ফুর’ এর পার্শ্ববর্তী জায়গায় অবস্থিত ক্বাবালিয়া খনিটি বন্দোবস্ত করে দেন। ঐ খনি থেকে যাকাত ব্যতীত অন্য কিছু ধার্য করা হয়নি। দূর্বল : ইরওয়া (৮৩০)।

রবী’আহ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমান (রহঃ) একাধিক সাহাবী সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযানীকে আল-ফুর’ এর পার্শ্ববর্তী জায়গায় অবস্থিত ক্বাবালিয়া খনিটি বন্দোবস্ত করে দেন। ঐ খনি থেকে যাকাত ব্যতীত অন্য কিছু ধার্য করা হয়নি। দূর্বল : ইরওয়া (৮৩০)।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن غير، واحد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقطع بلال بن الحارث المزني معادن القبلية وهي من ناحية الفرع فتلك المعادن لا يؤخذ منها إلا الزكاة إلى اليوم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৮

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، حدثني سبرة بن عبد العزيز بن الربيع الجهني، عن أبيه، عن جده، أن النبي صلى الله عليه وسلم نزل في موضع المسجد تحت دومة فأقام ثلاثا ثم خرج إلى تبوك وإن جهينة لحقوه بالرحبة فقال لهم ‏"‏ من أهل ذي المروة ‏"‏ ‏.‏ فقالوا بنو رفاعة من جهينة ‏.‏ فقال ‏"‏ قد أقطعتها لبني رفاعة ‏"‏ ‏.‏ فاقتسموها فمنهم من باع ومنهم من أمسك فعمل ثم سألت أباه عبد العزيز عن هذا الحديث فحدثني ببعضه ولم يحدثني به كله ‏.

সাবুরাহ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয ইবনুর রবী’ আল-জুহানী (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি প্রকাণ্ড গাছের নীচে মাসজিদের স্থানে নামলেন। তিনি সেখানে তিন দিন অবস্থান করলেন। অতঃপর তিনি তাবূকের দিকে রওয়ানা হলেন। জুহাইনাহ গোত্রের লোকেরা এক প্রশস্ত ভূমিতে এসে তাঁর সাথে মিলিত হলে তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এখানে কারা বসবাস করে? তারা বললো, জুহাইনাহ গোত্রের উপগোত্র বনূ রিফা’আহ। তিনি বললেনঃ আমি এ জমি বনূ রিফা’আহকে প্রদান করলাম। তারা এ জমি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলো। তাদের মধ্যে কেউ নিজ অংশ বিক্রি করে দিল এবং কেউ বিক্রি করলো না। তারা জমিতে কৃষিকাজ করলো। ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) বলেন, আমি সাবুরাহ্র পিতা ‘আবদুল ‘আযীযকে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমার নিকট এর কিছু অংশ বর্ণনা করেন, কিন্তু সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেননি। সানাদ হাসান।

সাবুরাহ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয ইবনুর রবী’ আল-জুহানী (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি প্রকাণ্ড গাছের নীচে মাসজিদের স্থানে নামলেন। তিনি সেখানে তিন দিন অবস্থান করলেন। অতঃপর তিনি তাবূকের দিকে রওয়ানা হলেন। জুহাইনাহ গোত্রের লোকেরা এক প্রশস্ত ভূমিতে এসে তাঁর সাথে মিলিত হলে তিনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেনঃ এখানে কারা বসবাস করে? তারা বললো, জুহাইনাহ গোত্রের উপগোত্র বনূ রিফা’আহ। তিনি বললেনঃ আমি এ জমি বনূ রিফা’আহকে প্রদান করলাম। তারা এ জমি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলো। তাদের মধ্যে কেউ নিজ অংশ বিক্রি করে দিল এবং কেউ বিক্রি করলো না। তারা জমিতে কৃষিকাজ করলো। ইবনু ওয়াহ্ব (রহঃ) বলেন, আমি সাবুরাহ্র পিতা ‘আবদুল ‘আযীযকে এ হাদীস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমার নিকট এর কিছু অংশ বর্ণনা করেন, কিন্তু সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেননি। সানাদ হাসান।

حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، حدثني سبرة بن عبد العزيز بن الربيع الجهني، عن أبيه، عن جده، أن النبي صلى الله عليه وسلم نزل في موضع المسجد تحت دومة فأقام ثلاثا ثم خرج إلى تبوك وإن جهينة لحقوه بالرحبة فقال لهم ‏"‏ من أهل ذي المروة ‏"‏ ‏.‏ فقالوا بنو رفاعة من جهينة ‏.‏ فقال ‏"‏ قد أقطعتها لبني رفاعة ‏"‏ ‏.‏ فاقتسموها فمنهم من باع ومنهم من أمسك فعمل ثم سألت أباه عبد العزيز عن هذا الحديث فحدثني ببعضه ولم يحدثني به كله ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬২

حدثنا العباس بن محمد بن حاتم، وغيره، قال العباس حدثنا الحسين بن محمد، أخبرنا أبو أويس، حدثنا كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف المزني، عن أبيه، عن جده، أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطع بلال بن الحارث المزني معادن القبلية جلسيها وغوريها - وقال غير العباس جلسها وغورها - وحيث يصلح الزرع من قدس ولم يعطه حق مسلم وكتب له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بسم الله الرحمن الرحيم هذا ما أعطى محمد رسول الله بلال بن الحارث المزني أعطاه معادن القبلية جلسيها وغوريها ‏"‏ ‏.‏ وقال غير العباس ‏"‏ جلسها وغورها ‏"‏ ‏.‏ ‏"‏ وحيث يصلح الزرع من قدس ولم يعطه حق مسلم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو أويس وحدثني ثور بن زيد مولى بني الديل بن بكر بن كنانة عن عكرمة عن ابن عباس مثله ‏.‏

কাসীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আওফ আল-মুযানী (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাইনাহ গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ দান করেন। তিনি তাকে কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমিও জায়গীর হিসেবে দান করেন। ‘আব্বাস ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারী ‘জালসিয়া’ ও ‘গাওরিয়া’ শব্দের স্থলে পর্যায়ক্রমে ‘জালসা’ ও ‘গাওরা’ শব্দের উল্লেখ করেছেন। তিনি কোন মুসলিমের মালিকানাধীন জমি তাকে দান করেননি অথবা এ জমির উপর কোন মুসলিমের মালিকানা ছিলো না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে একটি ফরমানও লিখে দিয়েছিলেন : বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আল্লাহ্‌র রাসূল মুহাম্মাদ মুযাইনা গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্নভূমির খনিসমূহ এবং কুদস পাহাড় সংলগ্ন কৃষিভূমি দান করেছেন। তিনি কোন মুসলিমের হক তাকে দান করেননি। অন্যান্য বর্ণনাকারী জালসিয়া ও গাওরিয়ার পরিবর্তে জালসা ও গাওরা শব্দ বর্ণনা করেছেন। হাসান : ইরওয়া (৩/৩১৩)।

কাসীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনু ‘আওফ আল-মুযানী (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুযাইনাহ গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্ন ভূমির খনিসমূহ দান করেন। তিনি তাকে কুদস পাহাড়ের কৃষিভূমিও জায়গীর হিসেবে দান করেন। ‘আব্বাস ছাড়া অন্যান্য বর্ণনাকারী ‘জালসিয়া’ ও ‘গাওরিয়া’ শব্দের স্থলে পর্যায়ক্রমে ‘জালসা’ ও ‘গাওরা’ শব্দের উল্লেখ করেছেন। তিনি কোন মুসলিমের মালিকানাধীন জমি তাকে দান করেননি অথবা এ জমির উপর কোন মুসলিমের মালিকানা ছিলো না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে একটি ফরমানও লিখে দিয়েছিলেন : বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আল্লাহ্‌র রাসূল মুহাম্মাদ মুযাইনা গোত্রের বিলাল ইবনুল হারিসকে ক্বাবালিয়ার উচ্চ ও নিম্নভূমির খনিসমূহ এবং কুদস পাহাড় সংলগ্ন কৃষিভূমি দান করেছেন। তিনি কোন মুসলিমের হক তাকে দান করেননি। অন্যান্য বর্ণনাকারী জালসিয়া ও গাওরিয়ার পরিবর্তে জালসা ও গাওরা শব্দ বর্ণনা করেছেন। হাসান : ইরওয়া (৩/৩১৩)।

حدثنا العباس بن محمد بن حاتم، وغيره، قال العباس حدثنا الحسين بن محمد، أخبرنا أبو أويس، حدثنا كثير بن عبد الله بن عمرو بن عوف المزني، عن أبيه، عن جده، أن النبي صلى الله عليه وسلم أقطع بلال بن الحارث المزني معادن القبلية جلسيها وغوريها - وقال غير العباس جلسها وغورها - وحيث يصلح الزرع من قدس ولم يعطه حق مسلم وكتب له النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ بسم الله الرحمن الرحيم هذا ما أعطى محمد رسول الله بلال بن الحارث المزني أعطاه معادن القبلية جلسيها وغوريها ‏"‏ ‏.‏ وقال غير العباس ‏"‏ جلسها وغورها ‏"‏ ‏.‏ ‏"‏ وحيث يصلح الزرع من قدس ولم يعطه حق مسلم ‏"‏ ‏.‏ قال أبو أويس وحدثني ثور بن زيد مولى بني الديل بن بكر بن كنانة عن عكرمة عن ابن عباس مثله ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৭

حدثنا عمر بن الخطاب أبو حفص، حدثنا الفريابي، حدثنا أبان، قال عمر - وهو ابن عبد الله بن أبي حازم - قال حدثني عثمان بن أبي حازم، عن أبيه، عن جده، صخر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا ثقيفا فلما أن سمع ذلك صخر ركب في خيل يمد النبي صلى الله عليه وسلم فوجد نبي الله صلى الله عليه وسلم قد انصرف ولم يفتح فجعل صخر يومئذ عهد الله وذمته أن لا يفارق هذا القصر حتى ينزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يفارقهم حتى نزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكتب إليه صخر أما بعد فإن ثقيفا قد نزلت على حكمك يا رسول الله وأنا مقبل إليهم وهم في خيل ‏.‏ فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالصلاة جامعة فدعا لأحمس عشر دعوات ‏"‏ اللهم بارك لأحمس في خيلها ورجالها ‏"‏ ‏.‏ وأتاه القوم فتكلم المغيرة بن شعبة فقال يا نبي الله إن صخرا أخذ عمتي ودخلت فيما دخل فيه المسلمون ‏.‏ فدعاه فقال ‏"‏ يا صخر إن القوم إذا أسلموا أحرزوا دماءهم وأموالهم فادفع إلى المغيرة عمته ‏"‏ ‏.‏ فدفعها إليه وسأل نبي الله صلى الله عليه وسلم ماء لبني سليم قد هربوا عن الإسلام وتركوا ذلك الماء ‏.‏ فقال يا نبي الله أنزلنيه أنا وقومي ‏.‏ قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فأنزله وأسلم - يعني السلميين - فأتوا صخرا فسألوه أن يدفع إليهم الماء فأبى فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا نبي الله أسلمنا وأتينا صخرا ليدفع إلينا ماءنا فأبى علينا ‏.‏ فأتاه فقال ‏"‏ يا صخر إن القوم إذا أسلموا أحرزوا أموالهم ودماءهم فادفع إلى القوم ماءهم ‏"‏ ‏.‏ قال نعم يا نبي الله ‏.‏ فرأيت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم يتغير عند ذلك حمرة حياء من أخذه الجارية وأخذه الماء ‏.‏

‘উসমান ইবনু আবূ হাযিম (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদা সাখরের (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনূ সাক্বীফের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলেন। সাখর (রাঃ) এটা জানতে পেরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহায্যের জন্য কয়েকজন ঘোড়সওয়ার নিয়ে রওয়ানা হলেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিনা বিজয়ে ফিরে আসতে দেখলেন। তখন সাখর (রাঃ) আল্লাহর নামে শপথ করে নিজে দায়িত্ব নিলেন যে, তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশের সামনে মাথা নত করে দুর্গ থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা অবরোধ করে রাখবেন। ব্যাপার তাই হলো। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ মেনে দুর্গ থেকে বেরিয়ে এলো। তখন সাখর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ মর্মে চিঠি লিখলেনঃ আল্লাহর প্রশংসা ও গুনগান করার পর, হে আল্লাহর রাসূল! বনূ সাক্বীফ আপনার নির্দেশ অনুযায়ী আত্নসমর্পণ করেছে। আমি তাদের কাছে যাচ্ছি। তারা ঘোড়সওয়ার অবস্থায় বের হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সংবাদ জানতে পেরে জামা’আতে সলাত আদায়ের জন্য তৈরী হতে নির্দেশ দিলেন। তিনি আহ্মাস গোত্রের জন্য দশবার দু’আ করলেন। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি আহ্মাস গোত্রের ঘোড়া ও জনশক্তিতে বরকত দান করুন’। অতঃপর লোকেরা তাঁর কাছে আসলো। তাদের পক্ষ হতে মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) তাঁর সাথে কথা বললেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! সাখর (রাঃ) আমার ফুফুকে ধরে এনেছে। অথচ তিনি ইসলাম কবুল করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে বললেনঃ হে সাখর! কোন গোত্রের লোক ইসলাম কবুল করলে তারা তাদের জীবনে ও সম্পদের নিরাপত্তা লাভ করে। মুগীরাহ্র ফুফুকে তার নিকট ফিরিয়ে দাও। তিনি (সাখর) তাকে মুগীরাহ্র নিকট ফিরিয়ে দিলেন। সাথর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বনূ সুলাইমের পানির কূপটি চাইলেন। তারা ইসলাম গ্রহণ করার ভয়ে এই কূপ ছেড়ে পালিয়েছিল। সাখর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আমাকে ও আমার গোত্রকে এ কূপের নিকটে বসবাসের অনুমতি দিন। তিনি বললেনঃ ঠিক আছে। তিনি তাদেরকে সেখানে বসবাসের অনুমতি দিলেন। ইতিমধ্যে বনূ সুলাইমের লোকেরা ইসলাম কবুল করলো। তারা সাখরের নিকট এসে তাদের কূপ ফেরত চাইলে তিনি তা ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করলেন। অবশেষে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর নবী! আমরা ইসলাম কবুলের পর সাখরের কাছে এসে আমাদের কূপটি ফেরত চাইলে তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে এনে বললেনঃ হে সাখর! কোন সম্প্রদায় ইসলাম গ্রহণ করলে তারা নিজেদের জান-মালের নিরাপত্তা পায়। সুতরাং তাদের পানির কূপটি তাদেরকে ফিরিয়ে দাও। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ঠিক আছে। এ সময় আমি লক্ষ্য করলাম, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চেহারা মুবারক লজ্জায় লাল হয়ে গেল। কেননা সাখরের কাছ থেকে বাঁদী ও কূপ ফেরত নেয়া হয়েছিল। সানাদ দূর্বল।

‘উসমান ইবনু আবূ হাযিম (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদা সাখরের (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনূ সাক্বীফের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলেন। সাখর (রাঃ) এটা জানতে পেরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহায্যের জন্য কয়েকজন ঘোড়সওয়ার নিয়ে রওয়ানা হলেন। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিনা বিজয়ে ফিরে আসতে দেখলেন। তখন সাখর (রাঃ) আল্লাহর নামে শপথ করে নিজে দায়িত্ব নিলেন যে, তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশের সামনে মাথা নত করে দুর্গ থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা অবরোধ করে রাখবেন। ব্যাপার তাই হলো। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ মেনে দুর্গ থেকে বেরিয়ে এলো। তখন সাখর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ মর্মে চিঠি লিখলেনঃ আল্লাহর প্রশংসা ও গুনগান করার পর, হে আল্লাহর রাসূল! বনূ সাক্বীফ আপনার নির্দেশ অনুযায়ী আত্নসমর্পণ করেছে। আমি তাদের কাছে যাচ্ছি। তারা ঘোড়সওয়ার অবস্থায় বের হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সংবাদ জানতে পেরে জামা’আতে সলাত আদায়ের জন্য তৈরী হতে নির্দেশ দিলেন। তিনি আহ্মাস গোত্রের জন্য দশবার দু’আ করলেন। তিনি বললেন, ‘হে আল্লাহ! আপনি আহ্মাস গোত্রের ঘোড়া ও জনশক্তিতে বরকত দান করুন’। অতঃপর লোকেরা তাঁর কাছে আসলো। তাদের পক্ষ হতে মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) তাঁর সাথে কথা বললেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নবী! সাখর (রাঃ) আমার ফুফুকে ধরে এনেছে। অথচ তিনি ইসলাম কবুল করেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে বললেনঃ হে সাখর! কোন গোত্রের লোক ইসলাম কবুল করলে তারা তাদের জীবনে ও সম্পদের নিরাপত্তা লাভ করে। মুগীরাহ্র ফুফুকে তার নিকট ফিরিয়ে দাও। তিনি (সাখর) তাকে মুগীরাহ্র নিকট ফিরিয়ে দিলেন। সাথর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে বনূ সুলাইমের পানির কূপটি চাইলেন। তারা ইসলাম গ্রহণ করার ভয়ে এই কূপ ছেড়ে পালিয়েছিল। সাখর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আমাকে ও আমার গোত্রকে এ কূপের নিকটে বসবাসের অনুমতি দিন। তিনি বললেনঃ ঠিক আছে। তিনি তাদেরকে সেখানে বসবাসের অনুমতি দিলেন। ইতিমধ্যে বনূ সুলাইমের লোকেরা ইসলাম কবুল করলো। তারা সাখরের নিকট এসে তাদের কূপ ফেরত চাইলে তিনি তা ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করলেন। অবশেষে তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর নবী! আমরা ইসলাম কবুলের পর সাখরের কাছে এসে আমাদের কূপটি ফেরত চাইলে তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকার করেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ডেকে এনে বললেনঃ হে সাখর! কোন সম্প্রদায় ইসলাম গ্রহণ করলে তারা নিজেদের জান-মালের নিরাপত্তা পায়। সুতরাং তাদের পানির কূপটি তাদেরকে ফিরিয়ে দাও। তিনি বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ঠিক আছে। এ সময় আমি লক্ষ্য করলাম, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চেহারা মুবারক লজ্জায় লাল হয়ে গেল। কেননা সাখরের কাছ থেকে বাঁদী ও কূপ ফেরত নেয়া হয়েছিল। সানাদ দূর্বল।

حدثنا عمر بن الخطاب أبو حفص، حدثنا الفريابي، حدثنا أبان، قال عمر - وهو ابن عبد الله بن أبي حازم - قال حدثني عثمان بن أبي حازم، عن أبيه، عن جده، صخر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا ثقيفا فلما أن سمع ذلك صخر ركب في خيل يمد النبي صلى الله عليه وسلم فوجد نبي الله صلى الله عليه وسلم قد انصرف ولم يفتح فجعل صخر يومئذ عهد الله وذمته أن لا يفارق هذا القصر حتى ينزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يفارقهم حتى نزلوا على حكم رسول الله صلى الله عليه وسلم فكتب إليه صخر أما بعد فإن ثقيفا قد نزلت على حكمك يا رسول الله وأنا مقبل إليهم وهم في خيل ‏.‏ فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالصلاة جامعة فدعا لأحمس عشر دعوات ‏"‏ اللهم بارك لأحمس في خيلها ورجالها ‏"‏ ‏.‏ وأتاه القوم فتكلم المغيرة بن شعبة فقال يا نبي الله إن صخرا أخذ عمتي ودخلت فيما دخل فيه المسلمون ‏.‏ فدعاه فقال ‏"‏ يا صخر إن القوم إذا أسلموا أحرزوا دماءهم وأموالهم فادفع إلى المغيرة عمته ‏"‏ ‏.‏ فدفعها إليه وسأل نبي الله صلى الله عليه وسلم ماء لبني سليم قد هربوا عن الإسلام وتركوا ذلك الماء ‏.‏ فقال يا نبي الله أنزلنيه أنا وقومي ‏.‏ قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فأنزله وأسلم - يعني السلميين - فأتوا صخرا فسألوه أن يدفع إليهم الماء فأبى فأتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا نبي الله أسلمنا وأتينا صخرا ليدفع إلينا ماءنا فأبى علينا ‏.‏ فأتاه فقال ‏"‏ يا صخر إن القوم إذا أسلموا أحرزوا أموالهم ودماءهم فادفع إلى القوم ماءهم ‏"‏ ‏.‏ قال نعم يا نبي الله ‏.‏ فرأيت وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم يتغير عند ذلك حمرة حياء من أخذه الجارية وأخذه الماء ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭০

حدثنا حفص بن عمر، وموسى بن إسماعيل، - المعنى واحد - قالا حدثنا عبد الله بن حسان العنبري، حدثتني جدتاى، صفية ودحيبة ابنتا عليبة وكانتا ربيبتى قيلة بنت مخرمة وكانت جدة أبيهما أنها أخبرتهما قالت، قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت تقدم صاحبي - تعني حريث بن حسان وافد بكر بن وائل - فبايعه على الإسلام عليه وعلى قومه ثم قال يا رسول الله اكتب بيننا وبين بني تميم بالدهناء أن لا يجاوزها إلينا منهم أحد إلا مسافر أو مجاور ‏.‏ فقال ‏"‏ اكتب له يا غلام بالدهناء ‏"‏ ‏.‏ فلما رأيته قد أمر له بها شخص بي وهي وطني وداري فقلت يا رسول الله إنه لم يسألك السوية من الأرض إذ سألك إنما هي هذه الدهناء عندك مقيد الجمل ومرعى الغنم ونساء بني تميم وأبناؤها وراء ذلك فقال ‏"‏ أمسك يا غلام صدقت المسكينة المسلم أخو المسلم يسعهما الماء والشجر ويتعاونان على الفتان ‏"‏ ‏.‏

উলাইবার দুই কন্যা সফিয়্যাহ ও দুহাইবাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে মাখরামাহ্র কন্যা ক্বাইলাহ (রাঃ) এর তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত হন। তিনি তাদের পিতার দাদী ছিলেন। তিনি তাদের উভয়কে এ হাদীস সম্পর্কে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গেলাম। আমার সঙ্গী বাক্র ইবনু ওয়াইল গোত্রের প্রতিনিধি হুরাইস ইবনু হাসসান অগ্রসর হয়ে নিজের ও তার গোষ্ঠীর পক্ষ হতে তাঁর নিকট ইসলাম কবুলের বাই'আত গ্রহণ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ও বনূ তামীম গোত্রের মধ্যে আদ-দাহনাকে সীমান্ত হিসাবে চিহ্নিত করে দিন। তাদের কেউ এ স্থানটি অতিক্রম করে আমাদের এদিকে আসবে, তবে মুসাফিরের কথা ভিন্ন। তিনি বললেনঃ হে যুবক! তাকে আদ-দাহনা সম্পর্কে লিখে দাও। ক্বাইলাহ (রাঃ) বলেন, আমি যখন দেখলাম যে, তিনি তাকে ঐ স্থানটি লিখে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, তখন আমার চিন্তা হলো। কেননা আদ-দাহনা আমার জন্মভূমি। এখানেই আমার ঘরবাড়ী। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে আপনার কাছে সঠিক সীমানা ইনসাফ সহকারে বলেনি। এই আদ-দাহনা হচ্ছে উট বাঁধার এবং বকরী চরাবার চরণভূমি। বনূ তামীম গোত্রের নারী ও শিশুরা এর পিছনেই বসবাস করে। একথা শুনে তিনি বললেনঃ হে যুবক! (লিখা) থামাও। এ মহিলা সত্যিই বলেছে। মুসলিম পরস্পর ভাই ভাই। একজনের পানি এবং গাছের দ্বারা অন্যজন উপকৃত হবে এবং বিপদে পরস্পরের সাহায্য করবে। সানাদ দূর্বল।

উলাইবার দুই কন্যা সফিয়্যাহ ও দুহাইবাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে মাখরামাহ্র কন্যা ক্বাইলাহ (রাঃ) এর তত্ত্বাবধানে প্রতিপালিত হন। তিনি তাদের পিতার দাদী ছিলেন। তিনি তাদের উভয়কে এ হাদীস সম্পর্কে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গেলাম। আমার সঙ্গী বাক্র ইবনু ওয়াইল গোত্রের প্রতিনিধি হুরাইস ইবনু হাসসান অগ্রসর হয়ে নিজের ও তার গোষ্ঠীর পক্ষ হতে তাঁর নিকট ইসলাম কবুলের বাই'আত গ্রহণ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ও বনূ তামীম গোত্রের মধ্যে আদ-দাহনাকে সীমান্ত হিসাবে চিহ্নিত করে দিন। তাদের কেউ এ স্থানটি অতিক্রম করে আমাদের এদিকে আসবে, তবে মুসাফিরের কথা ভিন্ন। তিনি বললেনঃ হে যুবক! তাকে আদ-দাহনা সম্পর্কে লিখে দাও। ক্বাইলাহ (রাঃ) বলেন, আমি যখন দেখলাম যে, তিনি তাকে ঐ স্থানটি লিখে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, তখন আমার চিন্তা হলো। কেননা আদ-দাহনা আমার জন্মভূমি। এখানেই আমার ঘরবাড়ী। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে আপনার কাছে সঠিক সীমানা ইনসাফ সহকারে বলেনি। এই আদ-দাহনা হচ্ছে উট বাঁধার এবং বকরী চরাবার চরণভূমি। বনূ তামীম গোত্রের নারী ও শিশুরা এর পিছনেই বসবাস করে। একথা শুনে তিনি বললেনঃ হে যুবক! (লিখা) থামাও। এ মহিলা সত্যিই বলেছে। মুসলিম পরস্পর ভাই ভাই। একজনের পানি এবং গাছের দ্বারা অন্যজন উপকৃত হবে এবং বিপদে পরস্পরের সাহায্য করবে। সানাদ দূর্বল।

حدثنا حفص بن عمر، وموسى بن إسماعيل، - المعنى واحد - قالا حدثنا عبد الله بن حسان العنبري، حدثتني جدتاى، صفية ودحيبة ابنتا عليبة وكانتا ربيبتى قيلة بنت مخرمة وكانت جدة أبيهما أنها أخبرتهما قالت، قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم قالت تقدم صاحبي - تعني حريث بن حسان وافد بكر بن وائل - فبايعه على الإسلام عليه وعلى قومه ثم قال يا رسول الله اكتب بيننا وبين بني تميم بالدهناء أن لا يجاوزها إلينا منهم أحد إلا مسافر أو مجاور ‏.‏ فقال ‏"‏ اكتب له يا غلام بالدهناء ‏"‏ ‏.‏ فلما رأيته قد أمر له بها شخص بي وهي وطني وداري فقلت يا رسول الله إنه لم يسألك السوية من الأرض إذ سألك إنما هي هذه الدهناء عندك مقيد الجمل ومرعى الغنم ونساء بني تميم وأبناؤها وراء ذلك فقال ‏"‏ أمسك يا غلام صدقت المسكينة المسلم أخو المسلم يسعهما الماء والشجر ويتعاونان على الفتان ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৬৫

حدثنا هارون بن عبد الله، قال قال محمد بن الحسن المخزومي ‏ "‏ ما لم تنله أخفاف الإبل ‏"‏ يعني أن الإبل تأكل منتهى رءوسها ويحمى ما فوقه ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-মাখযূমী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উটের পদচারণা হবে না’ অর্থাৎ উট গাছের উপরিভাগ খেয়ে থাকে। সুতরাং তা রক্ষার জন্য উপরেই বেড়া দিতে হবে। খুবই দূর্বল মাক্বতু’ : মিশকাত (৩০০০)।

মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আল-মাখযূমী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘উটের পদচারণা হবে না’ অর্থাৎ উট গাছের উপরিভাগ খেয়ে থাকে। সুতরাং তা রক্ষার জন্য উপরেই বেড়া দিতে হবে। খুবই দূর্বল মাক্বতু’ : মিশকাত (৩০০০)।

حدثنا هارون بن عبد الله، قال قال محمد بن الحسن المخزومي ‏ "‏ ما لم تنله أخفاف الإبل ‏"‏ يعني أن الإبل تأكل منتهى رءوسها ويحمى ما فوقه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > অনাবাদী জমি আবাদ করা সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৩০৭৩

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن سعيد بن زيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أحيا أرضا ميتة فهي له وليس لعرق ظالم حق ‏"‏ ‏.‏

সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কেউ কোন পতিত জমি আবাদ করলে সেটা তারই। অন্যায়ভাবে দখলকারীর পরিশ্রমের কোন মূল্য নাই। সহীহঃ তিরমিযী (১৪০৭)।

সাঈদ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কেউ কোন পতিত জমি আবাদ করলে সেটা তারই। অন্যায়ভাবে দখলকারীর পরিশ্রমের কোন মূল্য নাই। সহীহঃ তিরমিযী (১৪০৭)।

حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا أيوب، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن سعيد بن زيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أحيا أرضا ميتة فهي له وليس لعرق ظالم حق ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭৬

حدثنا أحمد بن عبدة الآملي، حدثنا عبد الله بن عثمان، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا نافع بن عمر، عن ابن أبي مليكة، عن عروة، قال أشهد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى أن الأرض أرض الله والعباد عباد الله ومن أحيا مواتا فهو أحق به جاءنا بهذا عن النبي صلى الله عليه وسلم الذين جاءوا بالصلوات عنه ‏.‏

'উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা করেছেনঃ জমিন আল্লাহর, বান্দাও আল্লাহর। যে ব্যক্তি পতিত জমি আবাদ করবে সে-ই এর অগ্রাধিকারী প্রাপক। এ হাদীস আমাদের কাছে তারা বর্ণনা করেছেন যারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ থেকে আমাদের জন্য সলাতের হাদীস বর্ণনা করেছেন।

'উরওয়াহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফয়সালা করেছেনঃ জমিন আল্লাহর, বান্দাও আল্লাহর। যে ব্যক্তি পতিত জমি আবাদ করবে সে-ই এর অগ্রাধিকারী প্রাপক। এ হাদীস আমাদের কাছে তারা বর্ণনা করেছেন যারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ থেকে আমাদের জন্য সলাতের হাদীস বর্ণনা করেছেন।

حدثنا أحمد بن عبدة الآملي، حدثنا عبد الله بن عثمان، حدثنا عبد الله بن المبارك، أخبرنا نافع بن عمر، عن ابن أبي مليكة، عن عروة، قال أشهد أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى أن الأرض أرض الله والعباد عباد الله ومن أحيا مواتا فهو أحق به جاءنا بهذا عن النبي صلى الله عليه وسلم الذين جاءوا بالصلوات عنه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭৭

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أحاط حائطا على أرض فهي له ‏"‏ ‏.‏

সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ (মালিকানাহীন) জমির চারপাশে দেয়াল বাঁধলে সেটা তারই প্রাপ্য। দুর্বলঃ ইরওয়া (৫/৩৫৫, ১৫২০), মিশকাত (২৯৯৬)।

সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ (মালিকানাহীন) জমির চারপাশে দেয়াল বাঁধলে সেটা তারই প্রাপ্য। দুর্বলঃ ইরওয়া (৫/৩৫৫, ১৫২০), মিশকাত (২৯৯৬)।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا محمد بن بشر، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أحاط حائطا على أرض فهي له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭৮

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني مالك، قال هشام العرق الظالم أن يغرس الرجل في أرض غيره فيستحقها بذلك ‏.‏ قال مالك والعرق الظالم كل ما أخذ واحتفر وغرس بغير حق ‏.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রহঃ) বলেন, ঐ ব্যক্তি অন্যায়ভাবে দখলকারী যে নিজের অবৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যের জমিতে গাছ লাগায়। মালিক (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে পতিত জমি থেকে কিছু নিবে, তাতে গর্ত খনন করবে কিংবা রোপণ করবে সে অত্যাচারী।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

হিশাম (রহঃ) বলেন, ঐ ব্যক্তি অন্যায়ভাবে দখলকারী যে নিজের অবৈধ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যের জমিতে গাছ লাগায়। মালিক (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে পতিত জমি থেকে কিছু নিবে, তাতে গর্ত খনন করবে কিংবা রোপণ করবে সে অত্যাচারী।

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني مالك، قال هشام العرق الظالم أن يغرس الرجل في أرض غيره فيستحقها بذلك ‏.‏ قال مالك والعرق الظالم كل ما أخذ واحتفر وغرس بغير حق ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭৪

حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبدة، عن محمد، - يعني ابن إسحاق - عن يحيى بن عروة، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أحيا أرضا ميتة فهي له ‏"‏ ‏.‏ وذكر مثله قال فلقد خبرني الذي حدثني هذا الحديث أن رجلين اختصما إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم غرس أحدهما نخلا في أرض الآخر فقضى لصاحب الأرض بأرضه وأمر صاحب النخل أن يخرج نخله منها ‏.‏ قال فلقد رأيتها وإنها لتضرب أصولها بالفئوس وإنها لنخل عم حتى أخرجت منها ‏.‏

ইয়াহইয়া ইবনু 'উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন অনাবাদী জমি আবাদকারীই হবে ঐ জমির মালিক। এটি উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। অতঃপর 'উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, যিনি আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাকে আরো জানিয়েছেন যে, দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে তাদের বিবাদের মীমাংসার জন্য আসলো। তাদের একজন অপরজনের জমিতে একটি খেজুর গাছ লাগিয়েছিল। তিনি জমির মালিকের পক্ষে জমি তারই বলে রায় দিলেন এবং খেজুর গাছের মালিককে জমি থেকে গাছ তুলে নেয়ার নির্দেশ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখলাম, গাছটির গোড়ায় অবিরত কোদাল পড়ছে। গাছটি খুব লম্বা ছিল। অতঃপর গাছটি সেখান থেকে তুলে ফেলা হয়। হাসানঃ ইরওয়া (৫/৩৫৫)।

ইয়াহইয়া ইবনু 'উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন অনাবাদী জমি আবাদকারীই হবে ঐ জমির মালিক। এটি উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। অতঃপর 'উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, যিনি আমাকে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি আমাকে আরো জানিয়েছেন যে, দুই ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে তাদের বিবাদের মীমাংসার জন্য আসলো। তাদের একজন অপরজনের জমিতে একটি খেজুর গাছ লাগিয়েছিল। তিনি জমির মালিকের পক্ষে জমি তারই বলে রায় দিলেন এবং খেজুর গাছের মালিককে জমি থেকে গাছ তুলে নেয়ার নির্দেশ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি দেখলাম, গাছটির গোড়ায় অবিরত কোদাল পড়ছে। গাছটি খুব লম্বা ছিল। অতঃপর গাছটি সেখান থেকে তুলে ফেলা হয়। হাসানঃ ইরওয়া (৫/৩৫৫)।

حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبدة، عن محمد، - يعني ابن إسحاق - عن يحيى بن عروة، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من أحيا أرضا ميتة فهي له ‏"‏ ‏.‏ وذكر مثله قال فلقد خبرني الذي حدثني هذا الحديث أن رجلين اختصما إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم غرس أحدهما نخلا في أرض الآخر فقضى لصاحب الأرض بأرضه وأمر صاحب النخل أن يخرج نخله منها ‏.‏ قال فلقد رأيتها وإنها لتضرب أصولها بالفئوس وإنها لنخل عم حتى أخرجت منها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭৯

حدثنا سهل بن بكار، حدثنا وهيب بن خالد، عن عمرو بن يحيى، عن العباس الساعدي، - يعني ابن سهل بن سعد - عن أبي حميد الساعدي، قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم تبوك فلما أتى وادي القرى إذا امرأة في حديقة لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه ‏"‏ اخرصوا ‏"‏ ‏.‏ فخرص رسول الله صلى الله عليه وسلم عشرة أوسق فقال للمرأة ‏"‏ أحصي ما يخرج منها ‏"‏ ‏.‏ فأتينا تبوك فأهدى ملك أيلة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بغلة بيضاء وكساه بردة وكتب له - يعني - ببحره ‏.‏ قال فلما أتينا وادي القرى قال للمرأة ‏"‏ كم كان في حديقتك ‏"‏ ‏.‏ قالت عشرة أوسق خرص رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني متعجل إلى المدينة فمن أراد منكم أن يتعجل معي فليتعجل ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুমাইদ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে তাবূকের যুদ্ধে যোগদান করেছি। তিনি ওয়াদিল কুরায় পৌঁছলে এক মহিলাকে তার বাগানের মধ্যে দেখতে পান। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদের বললেনঃ এ বাগানের ফলের পরিমাণ কতটুকু? অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই দশ ওয়াসাক অনুমান করলেন। তিনি মহিলাটিকে বললেনঃ তোমার বাগানের ফলের পরিমাণ ওজন করে দেখবে। অতঃপর আমরা তাবূকে পৌঁছলাম। তখন 'ঈলা' নামক স্থানের রাজা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি সাদা খচ্চর উপহার পাঠালেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাজাকে একটি চাঁদর দিলেন এবং জিয্‌য়ার বিনিময়ে তার এলাকায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে ফরমান লিখে পাঠালেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা ওয়াদিল কুরায় প্রত্যাবর্তন করলে তিনি মহিলাটিকে বললেনঃ তোমার বাগানে কি পরিমাণ ফল এসেছে? সে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে দশ ওয়াসাক অনুমান করেছেন তাই। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি খুব দ্রুত মদিনায় পৌঁছতে চাই। তোমাদের মধ্যে যে আমার সাথে দ্রুত যেতে চায় সে যেন তাড়াতাড়ি করে।

আবূ হুমাইদ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে তাবূকের যুদ্ধে যোগদান করেছি। তিনি ওয়াদিল কুরায় পৌঁছলে এক মহিলাকে তার বাগানের মধ্যে দেখতে পান। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদের বললেনঃ এ বাগানের ফলের পরিমাণ কতটুকু? অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই দশ ওয়াসাক অনুমান করলেন। তিনি মহিলাটিকে বললেনঃ তোমার বাগানের ফলের পরিমাণ ওজন করে দেখবে। অতঃপর আমরা তাবূকে পৌঁছলাম। তখন 'ঈলা' নামক স্থানের রাজা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে একটি সাদা খচ্চর উপহার পাঠালেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাজাকে একটি চাঁদর দিলেন এবং জিয্‌য়ার বিনিময়ে তার এলাকায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিয়ে ফরমান লিখে পাঠালেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা ওয়াদিল কুরায় প্রত্যাবর্তন করলে তিনি মহিলাটিকে বললেনঃ তোমার বাগানে কি পরিমাণ ফল এসেছে? সে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে দশ ওয়াসাক অনুমান করেছেন তাই। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি খুব দ্রুত মদিনায় পৌঁছতে চাই। তোমাদের মধ্যে যে আমার সাথে দ্রুত যেতে চায় সে যেন তাড়াতাড়ি করে।

حدثنا سهل بن بكار، حدثنا وهيب بن خالد، عن عمرو بن يحيى، عن العباس الساعدي، - يعني ابن سهل بن سعد - عن أبي حميد الساعدي، قال غزوت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم تبوك فلما أتى وادي القرى إذا امرأة في حديقة لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه ‏"‏ اخرصوا ‏"‏ ‏.‏ فخرص رسول الله صلى الله عليه وسلم عشرة أوسق فقال للمرأة ‏"‏ أحصي ما يخرج منها ‏"‏ ‏.‏ فأتينا تبوك فأهدى ملك أيلة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بغلة بيضاء وكساه بردة وكتب له - يعني - ببحره ‏.‏ قال فلما أتينا وادي القرى قال للمرأة ‏"‏ كم كان في حديقتك ‏"‏ ‏.‏ قالت عشرة أوسق خرص رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إني متعجل إلى المدينة فمن أراد منكم أن يتعجل معي فليتعجل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৮০

حدثنا عبد الواحد بن غياث، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا الأعمش، عن جامع بن شداد، عن كلثوم، عن زينب، أنها كانت تفلي رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده امرأة عثمان بن عفان ونساء من المهاجرات وهن يشتكين منازلهن أنها تضيق عليهن ويخرجن منها فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تورث دور المهاجرين النساء فمات عبد الله بن مسعود فورثته امرأته دارا بالمدينة ‏.‏

যাইনাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তিনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথার উঁকুন তারাশ করছিলেন। এ সময় তাঁর কাছে 'উসমান ইবনু 'আফফানের (রাঃ) স্ত্রী এবং কতিপয় মুহাজির মহিলা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কাছে তারা তাদের বাসস্থানের সংকীর্ণতার অভিযোগ পেশ করেন। তাদেরকে ঘর থেকে বহিস্কার করা হতো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলেনঃ মুহাজিরদের (মৃত্যুর পর) তাদের স্ত্রীরা তাদের বাসস্থানের উত্তরাধিকারী হবে। সুতরাং ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) মারা গেলে তার স্ত্রী তার মাদীনাহ্‌র বাসস্থানের ওয়ারিস হন।

যাইনাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা তিনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাথার উঁকুন তারাশ করছিলেন। এ সময় তাঁর কাছে 'উসমান ইবনু 'আফফানের (রাঃ) স্ত্রী এবং কতিপয় মুহাজির মহিলা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কাছে তারা তাদের বাসস্থানের সংকীর্ণতার অভিযোগ পেশ করেন। তাদেরকে ঘর থেকে বহিস্কার করা হতো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ দিলেনঃ মুহাজিরদের (মৃত্যুর পর) তাদের স্ত্রীরা তাদের বাসস্থানের উত্তরাধিকারী হবে। সুতরাং ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) মারা গেলে তার স্ত্রী তার মাদীনাহ্‌র বাসস্থানের ওয়ারিস হন।

حدثنا عبد الواحد بن غياث، حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا الأعمش، عن جامع بن شداد، عن كلثوم، عن زينب، أنها كانت تفلي رأس رسول الله صلى الله عليه وسلم وعنده امرأة عثمان بن عفان ونساء من المهاجرات وهن يشتكين منازلهن أنها تضيق عليهن ويخرجن منها فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تورث دور المهاجرين النساء فمات عبد الله بن مسعود فورثته امرأته دارا بالمدينة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৭৫

حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا وهب، عن أبيه، عن ابن إسحاق، بإسناده ومعناه إلا أنه قال عند قوله مكان الذي حدثني هذا فقال رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وأكثر ظني أنه أبو سعيد الخدري فأنا رأيت الرجل يضرب في أصول النخل ‏.‏

ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) তার নিজস্ব সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তাতে রয়েছেঃ 'উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বলেছেন। আমার ধারণা সম্ভবত তিনি হলেন আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)। তিনি বলেছেন, আমি দেখলাম, লোকটি খেজুর গাছের গোড়া কেটে ফেলছে।

ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) তার নিজস্ব সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তাতে রয়েছেঃ 'উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের মধ্যকার এক ব্যক্তি বলেছেন। আমার ধারণা সম্ভবত তিনি হলেন আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ)। তিনি বলেছেন, আমি দেখলাম, লোকটি খেজুর গাছের গোড়া কেটে ফেলছে।

حدثنا أحمد بن سعيد الدارمي، حدثنا وهب، عن أبيه، عن ابن إسحاق، بإسناده ومعناه إلا أنه قال عند قوله مكان الذي حدثني هذا فقال رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وأكثر ظني أنه أبو سعيد الخدري فأنا رأيت الرجل يضرب في أصول النخل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > খাজনা ধার্যকৃত (খারাজী) জমি কেনা

সুনানে আবু দাউদ ৩০৮১

حدثنا هارون بن محمد بن بكار بن بلال، أخبرنا محمد بن عيسى، - يعني ابن سميع - حدثنا زيد بن واقد، حدثني أبو عبد الله، عن معاذ، أنه قال من عقد الجزية في عنقه فقد برئ مما عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জিয্য়ার জমি ক্রয় করেছে, সে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুসৃত পথ থেকে দূরে সরে গেলো।

মু‘আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে ব্যক্তি জিয্য়ার জমি ক্রয় করেছে, সে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অনুসৃত পথ থেকে দূরে সরে গেলো।

حدثنا هارون بن محمد بن بكار بن بلال، أخبرنا محمد بن عيسى، - يعني ابن سميع - حدثنا زيد بن واقد، حدثني أبو عبد الله، عن معاذ، أنه قال من عقد الجزية في عنقه فقد برئ مما عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৮২

حدثنا حيوة بن شريح الحضرمي، حدثنا بقية، حدثني عمارة بن أبي الشعثاء، حدثني سنان بن قيس، حدثني شبيب بن نعيم، حدثني يزيد بن خمير، حدثني أبو الدرداء، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أخذ أرضا بجزيتها فقد استقال هجرته ومن نزع صغار كافر من عنقه فجعله في عنقه فقد ولى الإسلام ظهره ‏"‏ ‏.‏ قال فسمع مني خالد بن معدان هذا الحديث فقال لي أشبيب حدثك قلت نعم ‏.‏ قال فإذا قدمت فسله فليكتب إلى بالحديث ‏.‏ قال فكتبه له فلما قدمت سألني خالد بن معدان القرطاس فأعطيته فلما قرأه ترك ما في يديه من الأرضين حين سمع ذلك ‏.‏ قال أبو داود هذا يزيد بن خمير اليزني ليس هو صاحب شعبة ‏.‏

আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জিয্‌য়া দেয়ার শর্তে জমি ক্রয় করলো সে নিজের হিজরাতের শর্ত বাতিল করলো। আর যে ব্যক্তি কোন কাফিরের অমর্যাদা করে তার গরদান থেকে নিজ গরদানে তুলে নিলো, সে যেন ইসলাম থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করলো। অধস্তন বর্ননাকারী সিনান (রহঃ) বলেন, এ হাদীস খালিদ ইবনু মা‘দান আমার কাছ থেকে শুনে আমাকে জিজ্ঞেস করেন, শাবীব কি তোমার কাছে এ হাদীস বর্ণনা করেছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি পুনরায় তার কাছে গেলে তাকে বলবে, তিনি যেন আমাকে এ হাদীসটি লিখে দেন। সিনান বলেন, শাবীব তাকে এ হাদীসটি লিখে দেন। অতঃপর আমি খালিদের কাছে এলে তিনি আমার কাছে লিখিত কাগজটি চান। আমি তাকে তা দিলাম। তিনি তা পড়ে নিজ মালিকানাধীন সমস্ত জিয্য়ার জমি ছেড়ে দেন, এ হাদীস শুনার পর। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ ইয়াযীদ ইবনু খুমাইর আল-ইয়াযান্নী শু‘বাহর ছাত্র নন। সানাদ দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি'উস সাগীর (৫৩৬৩), মিশকাত (৩৫৪৬)।

আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জিয্‌য়া দেয়ার শর্তে জমি ক্রয় করলো সে নিজের হিজরাতের শর্ত বাতিল করলো। আর যে ব্যক্তি কোন কাফিরের অমর্যাদা করে তার গরদান থেকে নিজ গরদানে তুলে নিলো, সে যেন ইসলাম থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করলো। অধস্তন বর্ননাকারী সিনান (রহঃ) বলেন, এ হাদীস খালিদ ইবনু মা‘দান আমার কাছ থেকে শুনে আমাকে জিজ্ঞেস করেন, শাবীব কি তোমার কাছে এ হাদীস বর্ণনা করেছে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি পুনরায় তার কাছে গেলে তাকে বলবে, তিনি যেন আমাকে এ হাদীসটি লিখে দেন। সিনান বলেন, শাবীব তাকে এ হাদীসটি লিখে দেন। অতঃপর আমি খালিদের কাছে এলে তিনি আমার কাছে লিখিত কাগজটি চান। আমি তাকে তা দিলাম। তিনি তা পড়ে নিজ মালিকানাধীন সমস্ত জিয্য়ার জমি ছেড়ে দেন, এ হাদীস শুনার পর। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ ইয়াযীদ ইবনু খুমাইর আল-ইয়াযান্নী শু‘বাহর ছাত্র নন। সানাদ দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি'উস সাগীর (৫৩৬৩), মিশকাত (৩৫৪৬)।

حدثنا حيوة بن شريح الحضرمي، حدثنا بقية، حدثني عمارة بن أبي الشعثاء، حدثني سنان بن قيس، حدثني شبيب بن نعيم، حدثني يزيد بن خمير، حدثني أبو الدرداء، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أخذ أرضا بجزيتها فقد استقال هجرته ومن نزع صغار كافر من عنقه فجعله في عنقه فقد ولى الإسلام ظهره ‏"‏ ‏.‏ قال فسمع مني خالد بن معدان هذا الحديث فقال لي أشبيب حدثك قلت نعم ‏.‏ قال فإذا قدمت فسله فليكتب إلى بالحديث ‏.‏ قال فكتبه له فلما قدمت سألني خالد بن معدان القرطاس فأعطيته فلما قرأه ترك ما في يديه من الأرضين حين سمع ذلك ‏.‏ قال أبو داود هذا يزيد بن خمير اليزني ليس هو صاحب شعبة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > ইমাম অথবা কোন ব্যক্তি কর্তৃক চারণভূমি সংরক্ষন করা

সুনানে আবু দাউদ ৩০৮৩

حدثنا ابن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن الصعب بن جثامة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا حمى إلا لله ولرسوله ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب وبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حمى النقيع ‏.‏

আস-সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ছাড়া চারণভূমি সংরক্ষণ করার অধিকার অন্য কারো নাই। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আমি জানতে পারলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আন-নাকী' নামক স্থানের চারণভূমি সংরক্ষণ করেছেন। সহীহঃ আত-তা‘লীকু 'আলা রাওযাতিন নাদিয়্যাহ (২/১৪০)।

আস-সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ছাড়া চারণভূমি সংরক্ষণ করার অধিকার অন্য কারো নাই। ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, আমি জানতে পারলাম, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আন-নাকী' নামক স্থানের চারণভূমি সংরক্ষণ করেছেন। সহীহঃ আত-তা‘লীকু 'আলা রাওযাতিন নাদিয়্যাহ (২/১৪০)।

حدثنا ابن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن الصعب بن جثامة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا حمى إلا لله ولرسوله ‏"‏ ‏.‏ قال ابن شهاب وبلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حمى النقيع ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৮৪

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عبد الرحمن بن الحارث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن عبد الله بن عباس، عن الصعب بن جثامة، أن النبي صلى الله عليه وسلم حمى النقيع وقال ‏ "‏ لا حمى إلا لله عز وجل ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে আস-সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আন-নাকী‘ নামক চারণভূমি সংরক্ষণ করেছিলেন। তিনি বলেছেনঃ চারণভূমি সংরক্ষণ করার অধিকার মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নাই।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে আস-সা‘ব ইবনু জাসসামাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আন-নাকী‘ নামক চারণভূমি সংরক্ষণ করেছিলেন। তিনি বলেছেনঃ চারণভূমি সংরক্ষণ করার অধিকার মহান আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নাই।

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عبد الرحمن بن الحارث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله، عن عبد الله بن عباس، عن الصعب بن جثامة، أن النبي صلى الله عليه وسلم حمى النقيع وقال ‏ "‏ لا حمى إلا لله عز وجل ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00