সুনানে আবু দাউদ > আগুন-পূজারীদের কাছ থেকে জিয্য়া আদায়
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪২
حدثنا أحمد بن سنان الواسطي، حدثنا محمد بن بلال، عن عمران القطان، عن أبي جمرة، عن ابن عباس، قال إن أهل فارس لما مات نبيهم كتب لهم إبليس المجوسية .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন পারস্যের অধিবাসীদের নবী মারা যান তখন ইবলিস তাদেরকে অগ্নিপূজায় লিপ্ত করে।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন পারস্যের অধিবাসীদের নবী মারা যান তখন ইবলিস তাদেরকে অগ্নিপূজায় লিপ্ত করে।
حدثنا أحمد بن سنان الواسطي، حدثنا محمد بن بلال، عن عمران القطان، عن أبي جمرة، عن ابن عباس، قال إن أهل فارس لما مات نبيهم كتب لهم إبليس المجوسية .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪২
حدثنا أحمد بن سنان الواسطي، حدثنا محمد بن بلال، عن عمران القطان، عن أبي جمرة، عن ابن عباس، قال إن أهل فارس لما مات نبيهم كتب لهم إبليس المجوسية .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন পারস্যের অধিবাসীদের নবী মারা যান তখন ইবলিস তাদেরকে অগ্নিপূজায় লিপ্ত করে।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন পারস্যের অধিবাসীদের নবী মারা যান তখন ইবলিস তাদেরকে অগ্নিপূজায় লিপ্ত করে।
حدثنا أحمد بن سنان الواسطي، حدثنا محمد بن بلال، عن عمران القطان، عن أبي جمرة، عن ابن عباس، قال إن أهل فارس لما مات نبيهم كتب لهم إبليس المجوسية .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪৩
حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، سمع بجالة، يحدث عمرو بن أوس وأبا الشعثاء قال كنت كاتبا لجزء بن معاوية عم الأحنف بن قيس إذ جاءنا كتاب عمر قبل موته بسنة اقتلوا كل ساحر وفرقوا بين كل ذي محرم من المجوس وانهوهم عن الزمزمة فقتلنا في يوم ثلاثة سواحر وفرقنا بين كل رجل من المجوس وحريمه في كتاب الله وصنع طعاما كثيرا فدعاهم فعرض السيف على فخذه فأكلوا ولم يزمزموا وألقوا وقر بغل أو بغلين من الورق ولم يكن عمر أخذ الجزية من المجوس حتى شهد عبد الرحمن بن عوف أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخذها من مجوس هجر .
বাজালা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম আহনাফ ইবনু ক্বায়িসের চাচা জাযই ইবনু মু’আবিয়াহর সচিব। ‘উমারের (রাঃ) মৃত্যুর এক বছর পূর্বে তার লেখা একটি পত্র আমাদের কাছে আসে। পত্রের বিষয়বস্তু এরূপঃ ‘‘প্রত্যেক যাদুকরকে হত্যা করবে, প্রত্যেক মুহরিম অগ্নিপূজারী স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ ছিন্ন করবে এবং তাদেরকে যামযামা থেকে বিরত রাখবে।’’ অতঃপর আমরা একদিনে তিনজন জাদুকর হত্যা করি এবং আল্লাহর কিতাবে বিধিবদ্ধ প্রতিটি অগ্নিপূজারী পুরুষ ও তার মুহরিম স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (জাযই) অনেক খাবার তৈরি করে অগ্নিপূজারীদের ডাকলেন। তিনি তার রানের উপর তরবারি রাখলেন। তারা খাবার খেলো কিন্তু গুনগুন শব্দ করল না। তারা একটি কিংবা দুটি খচ্চর বোঝাই রূপা দিলো। কিন্তু ‘উমার (রাঃ) কখনো অগ্নিপূজারীদের কাছ থেকে জিয্য়া নেননি। অতঃপর ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) যখন সাক্ষী দেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘হাজার’ এলাকার অগ্নিপূজারীদের কাছ থেকে জিয্য়া গ্রহণ করেছেন তখন তিনি তা গ্রহণ করলেন।
বাজালা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ছিলাম আহনাফ ইবনু ক্বায়িসের চাচা জাযই ইবনু মু’আবিয়াহর সচিব। ‘উমারের (রাঃ) মৃত্যুর এক বছর পূর্বে তার লেখা একটি পত্র আমাদের কাছে আসে। পত্রের বিষয়বস্তু এরূপঃ ‘‘প্রত্যেক যাদুকরকে হত্যা করবে, প্রত্যেক মুহরিম অগ্নিপূজারী স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ ছিন্ন করবে এবং তাদেরকে যামযামা থেকে বিরত রাখবে।’’ অতঃপর আমরা একদিনে তিনজন জাদুকর হত্যা করি এবং আল্লাহর কিতাবে বিধিবদ্ধ প্রতিটি অগ্নিপূজারী পুরুষ ও তার মুহরিম স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করি। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (জাযই) অনেক খাবার তৈরি করে অগ্নিপূজারীদের ডাকলেন। তিনি তার রানের উপর তরবারি রাখলেন। তারা খাবার খেলো কিন্তু গুনগুন শব্দ করল না। তারা একটি কিংবা দুটি খচ্চর বোঝাই রূপা দিলো। কিন্তু ‘উমার (রাঃ) কখনো অগ্নিপূজারীদের কাছ থেকে জিয্য়া নেননি। অতঃপর ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) যখন সাক্ষী দেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘হাজার’ এলাকার অগ্নিপূজারীদের কাছ থেকে জিয্য়া গ্রহণ করেছেন তখন তিনি তা গ্রহণ করলেন।
حدثنا مسدد بن مسرهد، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، سمع بجالة، يحدث عمرو بن أوس وأبا الشعثاء قال كنت كاتبا لجزء بن معاوية عم الأحنف بن قيس إذ جاءنا كتاب عمر قبل موته بسنة اقتلوا كل ساحر وفرقوا بين كل ذي محرم من المجوس وانهوهم عن الزمزمة فقتلنا في يوم ثلاثة سواحر وفرقنا بين كل رجل من المجوس وحريمه في كتاب الله وصنع طعاما كثيرا فدعاهم فعرض السيف على فخذه فأكلوا ولم يزمزموا وألقوا وقر بغل أو بغلين من الورق ولم يكن عمر أخذ الجزية من المجوس حتى شهد عبد الرحمن بن عوف أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أخذها من مجوس هجر .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪৪
حدثنا محمد بن مسكين اليمامي، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا هشيم، أخبرنا داود بن أبي هند، عن قشير بن عمرو، عن بجالة بن عبدة، عن ابن عباس، قال جاء رجل من الأسبذيين من أهل البحرين - وهم مجوس أهل هجر - إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فمكث عنده ثم خرج فسألته ما قضى الله ورسوله فيكم قال شر . قلت مه قال الإسلام أو القتل . قال وقال عبد الرحمن بن عوف قبل منهم الجزية . قال ابن عباس فأخذ الناس بقول عبد الرحمن بن عوف وتركوا ما سمعت أنا من الأسبذي .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে যখন বাহরাইনের অধিবাসীদের পক্ষ হতে রাজবংশের একটি লোক আসলো। যারা ছিলো হাজার এলাকার অগ্নিপূজারী সম্প্রদায়। সে কিছুক্ষণ তাঁর নিকট অবস্থান করে বেড়িয়ে গেলো। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল তোমাদের জন্য কি ফায়সালা দিলেন? তখন সে বললো, মন্দ ফায়সালা দিয়েছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছ থেকে জিয্য়া গ্রহণ করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, লোকেরা ‘আবদুর রহমানের (রাঃ) বক্তব্যকে গ্রহণ করলো এবং আসবাযীর কাছে আমি যা শুনেছিলাম তা বর্জন করলো।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে যখন বাহরাইনের অধিবাসীদের পক্ষ হতে রাজবংশের একটি লোক আসলো। যারা ছিলো হাজার এলাকার অগ্নিপূজারী সম্প্রদায়। সে কিছুক্ষণ তাঁর নিকট অবস্থান করে বেড়িয়ে গেলো। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল তোমাদের জন্য কি ফায়সালা দিলেন? তখন সে বললো, মন্দ ফায়সালা দিয়েছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের কাছ থেকে জিয্য়া গ্রহণ করেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, লোকেরা ‘আবদুর রহমানের (রাঃ) বক্তব্যকে গ্রহণ করলো এবং আসবাযীর কাছে আমি যা শুনেছিলাম তা বর্জন করলো।
حدثنا محمد بن مسكين اليمامي، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا هشيم، أخبرنا داود بن أبي هند، عن قشير بن عمرو، عن بجالة بن عبدة، عن ابن عباس، قال جاء رجل من الأسبذيين من أهل البحرين - وهم مجوس أهل هجر - إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فمكث عنده ثم خرج فسألته ما قضى الله ورسوله فيكم قال شر . قلت مه قال الإسلام أو القتل . قال وقال عبد الرحمن بن عوف قبل منهم الجزية . قال ابن عباس فأخذ الناس بقول عبد الرحمن بن عوف وتركوا ما سمعت أنا من الأسبذي .
সুনানে আবু দাউদ > জিয্য়া আদায়ে কঠোরতা অবলম্বন সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪৫
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن هشام بن حكيم بن حزام، وجد رجلا وهو على حمص يشمس ناسا من النبط في أداء الجزية فقال ما هذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الله يعذب الذين يعذبون الناس في الدنيا " .
উরওয়াহ ইবনুয যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) দেখেন, হিমসের শাসক কতিপয় কিবতীর কাছ থেকে জিয্য়া আদায় করতে তাদেরকে রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। তিনি বললেন, এ কী ব্যাপার? আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যারা দুনিয়াতে মানুষকে অহেতুক শাস্তি দিবে, ক্বিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ্ তাদেরকে শাস্তি দিবেন।
উরওয়াহ ইবনুয যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা হিশাম ইবনু হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) দেখেন, হিমসের শাসক কতিপয় কিবতীর কাছ থেকে জিয্য়া আদায় করতে তাদেরকে রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রেখেছে। তিনি বললেন, এ কী ব্যাপার? আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যারা দুনিয়াতে মানুষকে অহেতুক শাস্তি দিবে, ক্বিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ্ তাদেরকে শাস্তি দিবেন।
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، أن هشام بن حكيم بن حزام، وجد رجلا وهو على حمص يشمس ناسا من النبط في أداء الجزية فقال ما هذا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " إن الله يعذب الذين يعذبون الناس في الدنيا " .
সুনানে আবু দাউদ > যিম্মীদের ব্যবসায়ের লাভ থেকে এক-দশমাংশ (‘উশর) আদায় সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪৯
حدثنا محمد بن إبراهيم البزاز، حدثنا أبو نعيم، حدثنا عبد السلام، عن عطاء بن السائب، عن حرب بن عبيد الله بن عمير الثقفي، عن جده، - رجل من بني تغلب - قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأسلمت وعلمني الإسلام وعلمني كيف آخذ الصدقة من قومي ممن أسلم ثم رجعت إليه فقلت يا رسول الله كل ما علمتني قد حفظته إلا الصدقة أفأعشرهم قال " لا إنما العشور على النصارى واليهود " .
বনূ সাক্বীফের হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমাইর (রহঃ) হতে তার নানার থেকে বর্নিতঃ
তিনি (নানা) বনূ তাগলিবের লোক ছিলেন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে ইসলাম কবুল করি এবং তিনি আমাকে ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দিলেন। আমার গোত্রের যারা ইসলাম গ্রহণ করবে তাদের কাছ থেকে কিভাবে যাকাত আদায় করবো তাও তিনি আমাকে শিখালেন। আমি তাঁর কাছে পুনরায় এসে বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি আমাকে যা কিছু শিক্ষা দিয়েছেন তার সবই মনে রেখেছি। তবে আমি সদাক্বাহর বিধান মনে রাখতে পারিনি। আমি কি তাদের কাছ থেকে উশর নিবো? তিনি বললেনঃ না, উশর ধার্য হবে ইয়াহুদী-খৃস্টানদের উপর।
বনূ সাক্বীফের হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমাইর (রহঃ) হতে তার নানার থেকে বর্নিতঃ
তিনি (নানা) বনূ তাগলিবের লোক ছিলেন। তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে ইসলাম কবুল করি এবং তিনি আমাকে ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দিলেন। আমার গোত্রের যারা ইসলাম গ্রহণ করবে তাদের কাছ থেকে কিভাবে যাকাত আদায় করবো তাও তিনি আমাকে শিখালেন। আমি তাঁর কাছে পুনরায় এসে বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি আমাকে যা কিছু শিক্ষা দিয়েছেন তার সবই মনে রেখেছি। তবে আমি সদাক্বাহর বিধান মনে রাখতে পারিনি। আমি কি তাদের কাছ থেকে উশর নিবো? তিনি বললেনঃ না, উশর ধার্য হবে ইয়াহুদী-খৃস্টানদের উপর।
حدثنا محمد بن إبراهيم البزاز، حدثنا أبو نعيم، حدثنا عبد السلام، عن عطاء بن السائب، عن حرب بن عبيد الله بن عمير الثقفي، عن جده، - رجل من بني تغلب - قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأسلمت وعلمني الإسلام وعلمني كيف آخذ الصدقة من قومي ممن أسلم ثم رجعت إليه فقلت يا رسول الله كل ما علمتني قد حفظته إلا الصدقة أفأعشرهم قال " لا إنما العشور على النصارى واليهود " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪৮
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن عطاء، عن رجل، من بكر بن وائل عن خاله، قال قلت يا رسول الله أعشر قومي قال " إنما العشور على اليهود والنصارى " .
আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বাক্র ইবনু ওয়াইল গোত্রের জনৈক ব্যক্তি হতে শুনেছেন যিনি তার মামা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি কি আমার গোত্রের লোকদের নিকট থেকে উশর আদায় করবো? তিনি বললেনঃ উশর ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের উপর ধার্য করা হবে।
আত্বা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বাক্র ইবনু ওয়াইল গোত্রের জনৈক ব্যক্তি হতে শুনেছেন যিনি তার মামা থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি কি আমার গোত্রের লোকদের নিকট থেকে উশর আদায় করবো? তিনি বললেনঃ উশর ইয়াহুদী ও খৃস্টানদের উপর ধার্য করা হবে।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن عطاء، عن رجل، من بكر بن وائل عن خاله، قال قلت يا رسول الله أعشر قومي قال " إنما العشور على اليهود والنصارى " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৫১
حدثنا مسدد، وسعيد بن منصور، قالا حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن هلال، عن رجل، من ثقيف عن رجل، من جهينة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لعلكم تقاتلون قوما فتظهرون عليهم فيتقونكم بأموالهم دون أنفسهم وأبنائهم " . قال سعيد في حديثه " فيصالحونكم على صلح " . ثم اتفقا " فلا تصيبوا منهم شيئا فوق ذلك فإنه لا يصلح لكم " .
জুহাইনাহ গোত্রের এক ব্যক্তির থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সম্ভবত তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের উপর বিজয়ী হবে যারা নিজেদের জীবন ও সন্তান রক্ষার্থে তোমাদেরকে তাদের সম্পদ দিয়ে দিবে। সাঈদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, তারা তোমাদের সাথে সন্ধি করবে। তোমরা তাদের কাছ থেকে ধার্যকৃত মালের অধিক গ্রহণ করবে না। কারণ তোমাদের জন্য এরূপ সমীচীন নয়। দূর্বল : যঈফাহ্ (২৯৪৭), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৪৬৮০)।
জুহাইনাহ গোত্রের এক ব্যক্তির থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সম্ভবত তোমরা এমন এক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের উপর বিজয়ী হবে যারা নিজেদের জীবন ও সন্তান রক্ষার্থে তোমাদেরকে তাদের সম্পদ দিয়ে দিবে। সাঈদ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসে রয়েছে, তারা তোমাদের সাথে সন্ধি করবে। তোমরা তাদের কাছ থেকে ধার্যকৃত মালের অধিক গ্রহণ করবে না। কারণ তোমাদের জন্য এরূপ সমীচীন নয়। দূর্বল : যঈফাহ্ (২৯৪৭), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৪৬৮০)।
حدثنا مسدد، وسعيد بن منصور، قالا حدثنا أبو عوانة، عن منصور، عن هلال، عن رجل، من ثقيف عن رجل، من جهينة قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لعلكم تقاتلون قوما فتظهرون عليهم فيتقونكم بأموالهم دون أنفسهم وأبنائهم " . قال سعيد في حديثه " فيصالحونكم على صلح " . ثم اتفقا " فلا تصيبوا منهم شيئا فوق ذلك فإنه لا يصلح لكم " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৫০
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا أشعث بن شعبة، حدثنا أرطاة بن المنذر، قال سمعت حكيم بن عمير أبا الأحوص، يحدث عن العرباض بن سارية السلمي، قال نزلنا مع النبي صلى الله عليه وسلم خيبر ومعه من معه من أصحابه وكان صاحب خيبر رجلا ماردا منكرا فأقبل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد ألكم أن تذبحوا حمرنا وتأكلوا ثمرنا وتضربوا نساءنا فغضب يعني النبي صلى الله عليه وسلم وقال " يا ابن عوف اركب فرسك ثم ناد ألا إن الجنة لا تحل إلا لمؤمن وأن اجتمعوا للصلاة " . قال فاجتمعوا ثم صلى بهم النبي صلى الله عليه وسلم ثم قام فقال " أيحسب أحدكم متكئا على أريكته قد يظن أن الله لم يحرم شيئا إلا ما في هذا القرآن ألا وإني والله قد وعظت وأمرت ونهيت عن أشياء إنها لمثل القرآن أو أكثر وأن الله عز وجل لم يحل لكم أن تدخلوا بيوت أهل الكتاب إلا بإذن ولا ضرب نسائهم ولا أكل ثمارهم إذا أعطوكم الذي عليهم " .
বনূ সুলাইমের ইবনু সারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে খায়বারে অবতরণ করলাম। তখন তাঁর সাথে সাহাবীও ছিলেন। খায়বার অঞ্চলের নেতা ছিলো দুষ্টস্বভাবের বিদ্রোহী ব্যক্তি। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে এসে বললো, হে মুহাম্মাদ! আমাদের গাধাগুলোকে যাবাহ করা, আমাদের ফল খাওয়া এবং আমাদের নারীদের নির্যাতন করা কি তোমাদের জন্য বৈধ? একথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। তিনি ইবনু ‘আওফকে বললেনঃ তুমি ঘোড়ায় চড়ে ঘোষণা করো : “মুমিন ব্যক্তি ছাড়া কারো জন্য জান্নাত হালাল নয়; তোমরা সলাতের জন্য একত্র হও।” বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবীগণ একত্র হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে নিয়ে সলাত আদায় করলেন; তারপর দাঁড়িয়ে বললেনঃ তোমাদের কেউ কি তার আসনে হেলান দিয়ে বসে এরূপ মত ব্যক্ত করবে যে, আল্লাহ্র এই কুরআনে যা আছে তা ব্যতীত আর কিছুই হারাম করেননি। সাবধান! আল্লাহ্র শপথ! নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কোন কোন বিষয়ে উপদেশ দিয়েছি। আমি তোমাদেরকে যা করার নির্দেশ দিয়েছি এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছি তা কুরআনেরই অনুরূপ বা তার অতিরিক্ত। আল্লাহ্ তোমাদের জন্য আহলে কিতাবদের ঘরে তাদের অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা, তাদের নারীদের নির্যাতন করা এবং তাদের উপর ধার্যকৃত জিয্য়া তোমাদের প্রদান করলে তাদের ফল খাওয়া হালাল করেননি। দূর্বল : মিশকাত (১৬৪)
বনূ সুলাইমের ইবনু সারিয়াহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে খায়বারে অবতরণ করলাম। তখন তাঁর সাথে সাহাবীও ছিলেন। খায়বার অঞ্চলের নেতা ছিলো দুষ্টস্বভাবের বিদ্রোহী ব্যক্তি। সে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে এসে বললো, হে মুহাম্মাদ! আমাদের গাধাগুলোকে যাবাহ করা, আমাদের ফল খাওয়া এবং আমাদের নারীদের নির্যাতন করা কি তোমাদের জন্য বৈধ? একথা শুনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাগান্বিত হলেন। তিনি ইবনু ‘আওফকে বললেনঃ তুমি ঘোড়ায় চড়ে ঘোষণা করো : “মুমিন ব্যক্তি ছাড়া কারো জন্য জান্নাত হালাল নয়; তোমরা সলাতের জন্য একত্র হও।” বর্ণনাকারী বলেন, সাহাবীগণ একত্র হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে নিয়ে সলাত আদায় করলেন; তারপর দাঁড়িয়ে বললেনঃ তোমাদের কেউ কি তার আসনে হেলান দিয়ে বসে এরূপ মত ব্যক্ত করবে যে, আল্লাহ্র এই কুরআনে যা আছে তা ব্যতীত আর কিছুই হারাম করেননি। সাবধান! আল্লাহ্র শপথ! নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে কোন কোন বিষয়ে উপদেশ দিয়েছি। আমি তোমাদেরকে যা করার নির্দেশ দিয়েছি এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছি তা কুরআনেরই অনুরূপ বা তার অতিরিক্ত। আল্লাহ্ তোমাদের জন্য আহলে কিতাবদের ঘরে তাদের অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা, তাদের নারীদের নির্যাতন করা এবং তাদের উপর ধার্যকৃত জিয্য়া তোমাদের প্রদান করলে তাদের ফল খাওয়া হালাল করেননি। দূর্বল : মিশকাত (১৬৪)
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا أشعث بن شعبة، حدثنا أرطاة بن المنذر، قال سمعت حكيم بن عمير أبا الأحوص، يحدث عن العرباض بن سارية السلمي، قال نزلنا مع النبي صلى الله عليه وسلم خيبر ومعه من معه من أصحابه وكان صاحب خيبر رجلا ماردا منكرا فأقبل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد ألكم أن تذبحوا حمرنا وتأكلوا ثمرنا وتضربوا نساءنا فغضب يعني النبي صلى الله عليه وسلم وقال " يا ابن عوف اركب فرسك ثم ناد ألا إن الجنة لا تحل إلا لمؤمن وأن اجتمعوا للصلاة " . قال فاجتمعوا ثم صلى بهم النبي صلى الله عليه وسلم ثم قام فقال " أيحسب أحدكم متكئا على أريكته قد يظن أن الله لم يحرم شيئا إلا ما في هذا القرآن ألا وإني والله قد وعظت وأمرت ونهيت عن أشياء إنها لمثل القرآن أو أكثر وأن الله عز وجل لم يحل لكم أن تدخلوا بيوت أهل الكتاب إلا بإذن ولا ضرب نسائهم ولا أكل ثمارهم إذا أعطوكم الذي عليهم " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪৬
حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا عطاء بن السائب، عن حرب بن عبيد الله، عن جده أبي أمه، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما العشور على اليهود والنصارى وليس على المسلمين عشور " .
হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার নানার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (নানা) তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ উশর ধার্য হবে ইয়াহুদী ও নাসারাদের (ব্যবসায়িক পণ্যের) উপর। মুসলিমের উপর হবে না। দুর্বলঃ মিশকাত (৪০৩৯)।
হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) হতে তার নানার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (নানা) তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ উশর ধার্য হবে ইয়াহুদী ও নাসারাদের (ব্যবসায়িক পণ্যের) উপর। মুসলিমের উপর হবে না। দুর্বলঃ মিশকাত (৪০৩৯)।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا عطاء بن السائب، عن حرب بن عبيد الله، عن جده أبي أمه، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما العشور على اليهود والنصارى وليس على المسلمين عشور " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৪৭
حدثنا محمد بن عبيد المحاربي، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عطاء بن السائب، عن حرب بن عبيد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال " خراج " . مكان " العشور " .
হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) তার সানাদ পরম্পরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তাতে উশরের স্থলে খারাজ শব্দ উল্লেখ আছে।
হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
হারব ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) তার সানাদ পরম্পরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এ হাদীসটি বর্ণনা করেন। তবে তাতে উশরের স্থলে খারাজ শব্দ উল্লেখ আছে।
حدثنا محمد بن عبيد المحاربي، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عطاء بن السائب، عن حرب بن عبيد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه قال " خراج " . مكان " العشور " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৫২
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، حدثني أبو صخر المديني، أن صفوان بن سليم، أخبره عن عدة، من أبناء أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن آبائهم دنية عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ألا من ظلم معاهدا أو انتقصه أو كلفه فوق طاقته أو أخذ منه شيئا بغير طيب نفس فأنا حجيجه يوم القيامة " .
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের কিছু সন্তান তাদের পিতা সূত্র থেকে বর্নিতঃ
যারা ছিলেন পরস্পর ঘনিষ্ঠ। তিনি বলেনঃ সাবধান! যে ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তির উপর যুলুম করবে বা তার প্রাপ্য কম দিবে কিংবা তাকে তার সামর্থ্যের বাইরে কিছু করতে বাধ্য করবে অথবা তার সন্তুষ্টিমূলক সম্মতি ছাড়া তার কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করবে, ক্বিয়ামাতের দিন আমি তার বিপক্ষে বাদী হব। সহীহ : গায়াতুল মারাম (৪৭১)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহাবীদের কিছু সন্তান তাদের পিতা সূত্র থেকে বর্নিতঃ
যারা ছিলেন পরস্পর ঘনিষ্ঠ। তিনি বলেনঃ সাবধান! যে ব্যক্তি চুক্তিবদ্ধ সম্প্রদায়ের কোন ব্যক্তির উপর যুলুম করবে বা তার প্রাপ্য কম দিবে কিংবা তাকে তার সামর্থ্যের বাইরে কিছু করতে বাধ্য করবে অথবা তার সন্তুষ্টিমূলক সম্মতি ছাড়া তার কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করবে, ক্বিয়ামাতের দিন আমি তার বিপক্ষে বাদী হব। সহীহ : গায়াতুল মারাম (৪৭১)
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرنا ابن وهب، حدثني أبو صخر المديني، أن صفوان بن سليم، أخبره عن عدة، من أبناء أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن آبائهم دنية عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ألا من ظلم معاهدا أو انتقصه أو كلفه فوق طاقته أو أخذ منه شيئا بغير طيب نفس فأنا حجيجه يوم القيامة " .
সুনানে আবু দাউদ > যদি বছরের কোন সময়ে যিম্মী ইসলাম গ্রহন করে তাহলে সে কি জিয্য়া দিবে?
সুনানে আবু দাউদ ৩০৫৩
حدثنا عبد الله بن الجراح، عن جرير، عن قابوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على المسلم جزية " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলিমের উপর জিয্য়া ধার্য হবে না। দূর্বল : ইরওয়া (১২৫৭), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৪৮৯৯)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মুসলিমের উপর জিয্য়া ধার্য হবে না। দূর্বল : ইরওয়া (১২৫৭), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৪৮৯৯)।
حدثنا عبد الله بن الجراح، عن جرير، عن قابوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على المسلم جزية " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০৫৪
حدثنا محمد بن كثير، قال سئل سفيان عن تفسير، هذا فقال إذا أسلم فلا جزية عليه .
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ)- থেকে বর্নিতঃ
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ)-কে উপরোক্ত কথার ব্যাখ্যা জিঞ্জেস করা হলে তিনি বলেন, সে ইসলাম কবুল করলে তার উপর জিয্য়া ধার্য হবে না।
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ)- থেকে বর্নিতঃ
সুফিয়ান সাওরী (রহঃ)-কে উপরোক্ত কথার ব্যাখ্যা জিঞ্জেস করা হলে তিনি বলেন, সে ইসলাম কবুল করলে তার উপর জিয্য়া ধার্য হবে না।
حدثنا محمد بن كثير، قال سئل سفيان عن تفسير، هذا فقال إذا أسلم فلا جزية عليه .