সুনানে আবু দাউদ > ইয়ামানের ভূমি সম্পর্কিত হুকুম

সুনানে আবু দাউদ ৩০২৭

حدثنا هناد بن السري، عن أبي أسامة، عن مجالد، عن الشعبي، عن عامر بن شهر، قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت لي همدان هل أنت آت هذا الرجل ومرتاد لنا فإن رضيت لنا شيئا قبلناه وإن كرهت شيئا كرهناه قلت نعم ‏.‏ فجئت حتى قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فرضيت أمره وأسلم قومي وكتب رسول الله صلى الله عليه وسلم هذا الكتاب إلى عمير ذي مران قال وبعث مالك بن مرارة الرهاوي إلى اليمن جميعا فأسلم عك ذو خيوان ‏.‏ قال فقيل لعك انطلق إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فخذ منه الأمان على قريتك ومالك فقدم وكتب له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بسم الله الرحمن الرحيم من محمد رسول الله لعك ذي خيوان إن كان صادقا في أرضه وماله ورقيقه فله الأمان وذمة الله وذمة محمد رسول الله ‏"‏ ‏.‏ وكتب خالد بن سعيد بن العاص ‏.‏

আমির ইবনু শাহর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রওয়ানা হলেন। তখন হামদান গোত্রের লোকেরা আমাকে বললো, তুমি এ ব্যক্তির (রাসূলের) কাছে আমাদের প্রতিনিধি হয়ে যাবে কি? তুমি তাঁর সাথে যেসব বিষয়ে সমঝোতায় আসবে আমরা তাতে রাজি হবো। আর তুমি যা অপছন্দ করবে আমরাও তা অপছন্দ করবো। আমি বললাম, হ্যাঁ যাবো। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর ফায়সালা মেনে নেই এবং আমার গোত্রের লোকেরা ইসলাম কবুল করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমাইর যি-মাররানের (রাঃ) নিকট একটি পত্র লিখালেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মালিক ইবনু মুরারাহ আর-রাহাবীকে সমগ্র ইয়ামানবাসীর কাছে (দ্বীনের দাওয়াতের উদ্দেশ্যে) পাঠালেন। অতঃপর আককু যু-খাইওয়ান ইসলাম কবুল করে। বর্ণনাকারী বলেন, আক্‌কু-কে বলা হলো, তুমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট গিয়ে তাঁর কাছ থেকে তোমার গ্রাম ও সম্পদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করো। সুতরাং সে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলে তিনি তাঁর জন্য নিরাপত্তা লিখালেন। পত্রটি এরূপ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে ‘আককু যি-খাইওয়ানের প্রতি। যদি সে (মুসলিম হওয়ার ব্যাপারে) সত্যবাদী হলে তার গ্রাম, সম্পদ ও তার দাস-দাসীর যিম্মাদারীর দায়িত্ব আল্লাহ ও মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর। খালিদ ইবনু সাঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) এ চিঠির ফরমান লিখেছিলেন।

আমির ইবনু শাহর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রওয়ানা হলেন। তখন হামদান গোত্রের লোকেরা আমাকে বললো, তুমি এ ব্যক্তির (রাসূলের) কাছে আমাদের প্রতিনিধি হয়ে যাবে কি? তুমি তাঁর সাথে যেসব বিষয়ে সমঝোতায় আসবে আমরা তাতে রাজি হবো। আর তুমি যা অপছন্দ করবে আমরাও তা অপছন্দ করবো। আমি বললাম, হ্যাঁ যাবো। অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে উপস্থিত হয়ে তাঁর ফায়সালা মেনে নেই এবং আমার গোত্রের লোকেরা ইসলাম কবুল করলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘উমাইর যি-মাররানের (রাঃ) নিকট একটি পত্র লিখালেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি মালিক ইবনু মুরারাহ আর-রাহাবীকে সমগ্র ইয়ামানবাসীর কাছে (দ্বীনের দাওয়াতের উদ্দেশ্যে) পাঠালেন। অতঃপর আককু যু-খাইওয়ান ইসলাম কবুল করে। বর্ণনাকারী বলেন, আক্‌কু-কে বলা হলো, তুমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট গিয়ে তাঁর কাছ থেকে তোমার গ্রাম ও সম্পদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করো। সুতরাং সে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এলে তিনি তাঁর জন্য নিরাপত্তা লিখালেন। পত্রটি এরূপ: বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পক্ষ হতে ‘আককু যি-খাইওয়ানের প্রতি। যদি সে (মুসলিম হওয়ার ব্যাপারে) সত্যবাদী হলে তার গ্রাম, সম্পদ ও তার দাস-দাসীর যিম্মাদারীর দায়িত্ব আল্লাহ ও মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর। খালিদ ইবনু সাঈদ ইবনুল ‘আস (রাঃ) এ চিঠির ফরমান লিখেছিলেন।

حدثنا هناد بن السري، عن أبي أسامة، عن مجالد، عن الشعبي، عن عامر بن شهر، قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت لي همدان هل أنت آت هذا الرجل ومرتاد لنا فإن رضيت لنا شيئا قبلناه وإن كرهت شيئا كرهناه قلت نعم ‏.‏ فجئت حتى قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فرضيت أمره وأسلم قومي وكتب رسول الله صلى الله عليه وسلم هذا الكتاب إلى عمير ذي مران قال وبعث مالك بن مرارة الرهاوي إلى اليمن جميعا فأسلم عك ذو خيوان ‏.‏ قال فقيل لعك انطلق إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فخذ منه الأمان على قريتك ومالك فقدم وكتب له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بسم الله الرحمن الرحيم من محمد رسول الله لعك ذي خيوان إن كان صادقا في أرضه وماله ورقيقه فله الأمان وذمة الله وذمة محمد رسول الله ‏"‏ ‏.‏ وكتب خالد بن سعيد بن العاص ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০২৮

حدثنا محمد بن أحمد القرشي، وهارون بن عبد الله، أن عبد الله بن الزبير، حدثهم حدثنا فرج بن سعيد، حدثني عمي، ثابت بن سعيد عن أبيه، سعيد - يعني ابن أبيض - عن جده، أبيض بن حمال أنه كلم رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصدقة حين وفد عليه فقال ‏ "‏ يا أخا سبإ لا بد من صدقة ‏"‏ ‏.‏ فقال إنما زرعنا القطن يا رسول الله وقد تبددت سبأ ولم يبق منهم إلا قليل بمأرب ‏.‏ فصالح نبي الله صلى الله عليه وسلم على سبعين حلة بز من قيمة وفاء بز المعافر كل سنة عمن بقي من سبإ بمأرب فلم يزالوا يؤدونها حتى قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم وإن العمال انتقضوا عليهم بعد قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما صالح أبيض بن حمال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحلل السبعين فرد ذلك أبو بكر على ما وضعه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى مات أبو بكر فلما مات أبو بكر رضى الله عنه انتقض ذلك وصارت على الصدقة ‏.‏

আবইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে তাঁর সঙ্গে যাকাত সম্পর্কে আলাপ করেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে সাবার অধিবাসীগণ! যাকাত অবশ্যই দিতে হবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তুলা আমাদের কৃষি উৎপাদন। আর ‘সাবার’ অধিবাসীরা তো উজাড় হয়ে গেছে। তাদের কেউ অবশিষ্ট নেই, শুধু মা’রিব শহরে মুষ্টিমেয় লোক রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্তর জোড়া মু’আফিরী কাপড়ের মূল্যের বিনিময়ে তাদের সাথে সন্ধি করলেন। যা বাজ্জিল মা’আফিরের লোকেরা প্রতি বছর নিয়মিত আদায় করবে। সাবায় অবশিষ্ট এ লোকেরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যু পর্যন্ত এ কর প্রদান করে আসছিল। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তেকালের পর কর্মচারীরা তাঁর সাথে আবইয়াদ ইবনু হাম্মালের সত্তর জোড়া কাপড় প্রদানের চুক্তি ভঙ্গ করে। আবূ বাকর (রাঃ) এটা জানতে পেরে পূর্বের চুক্তিই পুনর্বহাল রাখার হুকুম দেন। বাকরের (রাঃ) মৃত্যুর পর শেষ পর্যন্ত সন্ধিচুক্তি বাতিল হয়ে যায় এবং তারা অপরাপর মুসলিমের মত সদাক্বাহ আদায় চালু রাখে।

আবইয়াদ ইবনু হাম্মাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি প্রতিনিধি দলের সাথে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে তাঁর সঙ্গে যাকাত সম্পর্কে আলাপ করেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে সাবার অধিবাসীগণ! যাকাত অবশ্যই দিতে হবে। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তুলা আমাদের কৃষি উৎপাদন। আর ‘সাবার’ অধিবাসীরা তো উজাড় হয়ে গেছে। তাদের কেউ অবশিষ্ট নেই, শুধু মা’রিব শহরে মুষ্টিমেয় লোক রয়েছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সত্তর জোড়া মু’আফিরী কাপড়ের মূল্যের বিনিময়ে তাদের সাথে সন্ধি করলেন। যা বাজ্জিল মা’আফিরের লোকেরা প্রতি বছর নিয়মিত আদায় করবে। সাবায় অবশিষ্ট এ লোকেরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মৃত্যু পর্যন্ত এ কর প্রদান করে আসছিল। রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তেকালের পর কর্মচারীরা তাঁর সাথে আবইয়াদ ইবনু হাম্মালের সত্তর জোড়া কাপড় প্রদানের চুক্তি ভঙ্গ করে। আবূ বাকর (রাঃ) এটা জানতে পেরে পূর্বের চুক্তিই পুনর্বহাল রাখার হুকুম দেন। বাকরের (রাঃ) মৃত্যুর পর শেষ পর্যন্ত সন্ধিচুক্তি বাতিল হয়ে যায় এবং তারা অপরাপর মুসলিমের মত সদাক্বাহ আদায় চালু রাখে।

حدثنا محمد بن أحمد القرشي، وهارون بن عبد الله، أن عبد الله بن الزبير، حدثهم حدثنا فرج بن سعيد، حدثني عمي، ثابت بن سعيد عن أبيه، سعيد - يعني ابن أبيض - عن جده، أبيض بن حمال أنه كلم رسول الله صلى الله عليه وسلم في الصدقة حين وفد عليه فقال ‏ "‏ يا أخا سبإ لا بد من صدقة ‏"‏ ‏.‏ فقال إنما زرعنا القطن يا رسول الله وقد تبددت سبأ ولم يبق منهم إلا قليل بمأرب ‏.‏ فصالح نبي الله صلى الله عليه وسلم على سبعين حلة بز من قيمة وفاء بز المعافر كل سنة عمن بقي من سبإ بمأرب فلم يزالوا يؤدونها حتى قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم وإن العمال انتقضوا عليهم بعد قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما صالح أبيض بن حمال رسول الله صلى الله عليه وسلم في الحلل السبعين فرد ذلك أبو بكر على ما وضعه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى مات أبو بكر فلما مات أبو بكر رضى الله عنه انتقض ذلك وصارت على الصدقة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > আরব উপদ্বীপ থেকে ইয়াহুদীদের উচ্ছেদের বর্ণনা

সুনানে আবু দাউদ ৩০২৯

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سليمان الأحول، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أوصى بثلاثة فقال ‏ "‏ أخرجوا المشركين من جزيرة العرب وأجيزوا الوفد بنحو مما كنت أجيزهم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عباس وسكت عن الثالثة أو قال فأنسيتها ‏.‏ وقال الحميدي عن سفيان قال سليمان لا أدري أذكر سعيد الثالثة فنسيتها أو سكت عنها

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনটি বিষয়ে উপদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ আরব উপদ্বীপ থেকে মুশরিকদের বিতাড়িত করবে। আমি যেভাবে রাষ্ট্রদূতদেরর সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার করেছি তোমরাও অনুরূপ করবে। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তৃতীয় বিষয়টি সম্পর্কে নীরব থাকেন। অথবা তিনি বলেছেন, আমি তা ভুলে গেছি। সহীহঃ সহীহাহ (১১৩৩)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনটি বিষয়ে উপদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেনঃ আরব উপদ্বীপ থেকে মুশরিকদের বিতাড়িত করবে। আমি যেভাবে রাষ্ট্রদূতদেরর সাথে সৌজন্যমূলক ব্যবহার করেছি তোমরাও অনুরূপ করবে। বর্ণনাকারী বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তৃতীয় বিষয়টি সম্পর্কে নীরব থাকেন। অথবা তিনি বলেছেন, আমি তা ভুলে গেছি। সহীহঃ সহীহাহ (১১৩৩)।

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا سفيان بن عيينة، عن سليمان الأحول، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أوصى بثلاثة فقال ‏ "‏ أخرجوا المشركين من جزيرة العرب وأجيزوا الوفد بنحو مما كنت أجيزهم ‏"‏ ‏.‏ قال ابن عباس وسكت عن الثالثة أو قال فأنسيتها ‏.‏ وقال الحميدي عن سفيان قال سليمان لا أدري أذكر سعيد الثالثة فنسيتها أو سكت عنها


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩২

حدثنا سليمان بن داود العتكي، حدثنا جرير، عن قابوس بن أبي ظبيان، عن أبيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تكون قبلتان في بلد واحد ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একই রাষ্ট্রে দু’টি ক্বিবলাহ থাকতে পারে না। দুর্বলঃ তিরমীযি (৩৩৬)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ একই রাষ্ট্রে দু’টি ক্বিবলাহ থাকতে পারে না। দুর্বলঃ তিরমীযি (৩৩৬)।

حدثنا سليمان بن داود العتكي، حدثنا جرير، عن قابوس بن أبي ظبيان، عن أبيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تكون قبلتان في بلد واحد ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩৩

حدثنا محمود بن خالد، حدثنا عمر، - يعني ابن عبد الواحد - قال قال سعيد - يعني ابن عبد العزيز - جزيرة العرب ما بين الوادي إلى أقصى اليمن إلى تخوم العراق إلى البحر ‏.‏ قال أبو داود قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبرك أشهب بن عبد العزيز قال قال مالك عمر أجلى أهل نجران ولم يجلوا من تيماء لأنها ليست من بلاد العرب فأما الوادي فإني أرى إنما لم يجل من فيها من اليهود أنهم لم يروها من أرض العرب ‏.‏

উমার ইবনু ‘আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাইদ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেছেন, আরব উপদ্বীপের সীমা হচ্ছেঃ একদিকে ওয়াদিল কুরা হতে ইয়ামানের সীমান্ত পর্যন্ত এবং অপরদিকে ইরাকের সীমান্ত হতে আরব সাগরের তীর পর্যন্ত।

উমার ইবনু ‘আবদুল ওয়াহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাইদ ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) বলেছেন, আরব উপদ্বীপের সীমা হচ্ছেঃ একদিকে ওয়াদিল কুরা হতে ইয়ামানের সীমান্ত পর্যন্ত এবং অপরদিকে ইরাকের সীমান্ত হতে আরব সাগরের তীর পর্যন্ত।

حدثنا محمود بن خالد، حدثنا عمر، - يعني ابن عبد الواحد - قال قال سعيد - يعني ابن عبد العزيز - جزيرة العرب ما بين الوادي إلى أقصى اليمن إلى تخوم العراق إلى البحر ‏.‏ قال أبو داود قرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبرك أشهب بن عبد العزيز قال قال مالك عمر أجلى أهل نجران ولم يجلوا من تيماء لأنها ليست من بلاد العرب فأما الوادي فإني أرى إنما لم يجل من فيها من اليهود أنهم لم يروها من أرض العرب ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩০

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا أبو عاصم، وعبد الرزاق، قالا أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرني عمر بن الخطاب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لأخرجن اليهود والنصارى من جزيرة العرب فلا أترك فيها إلا مسلما ‏"‏ ‏.‏

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ আমি অবশ্যই আরব উপদ্বীপ থেকে ইয়াহুদী-খৃস্টানদের বিতাড়িত করবো। এখানে মুসলিমদের ছাড়া আর কাউকে আমি থাকতে দিবো না। সহীহঃ সহীহাহ (১৩৩৪)।

উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ আমি অবশ্যই আরব উপদ্বীপ থেকে ইয়াহুদী-খৃস্টানদের বিতাড়িত করবো। এখানে মুসলিমদের ছাড়া আর কাউকে আমি থাকতে দিবো না। সহীহঃ সহীহাহ (১৩৩৪)।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا أبو عاصم، وعبد الرزاق، قالا أخبرنا ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول أخبرني عمر بن الخطاب، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لأخرجن اليهود والنصارى من جزيرة العرب فلا أترك فيها إلا مسلما ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩১

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو أحمد، محمد بن عبد الله حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، عن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمعناه والأول أتم ‏.‏

‘উমার (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন ... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে পূর্বের হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

‘উমার (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন ... উপরের হাদীসের অনুরূপ। তবে পূর্বের হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ। আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو أحمد، محمد بن عبد الله حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، عن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمعناه والأول أتم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩৪

حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، قال قال مالك قد أجلى عمر رحمه الله يهود نجران وفدك ‏.

আবূ দাউদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা হারিস ইবনু মিসকীনের সম্মুখে হাদিস পাঠ করা হয়। তখন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আশহাব ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, মালিক বলেছেন, 'উমার (রাঃ) নাজরানবাসীদের বহিষ্কার করেছেন কিন্তু তাইমার অধিবাসীদের বহিষ্কার করেননি। কারণ এটি আরব উপদ্বীপের অংশ নয়। আমার জানা মতে, ওয়াদিল কুরার ইয়াহুদীদের নির্বাসন দেয়া হয়নি। কারণ তাদের এ এলাকাটিকে আরব উপদ্বীপের অংশ মনে করা হয়নি। সহীহ মাক্বতু'। মালিক (রহঃ) বলেন, 'উমার (রাঃ) নাজরান ও ফাদাক এলাকার ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করেছিলেন। দুর্বল মাওকুফ।

আবূ দাউদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা হারিস ইবনু মিসকীনের সম্মুখে হাদিস পাঠ করা হয়। তখন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আশহাব ইবনু ‘আবদুল ‘আযীয বলেন, মালিক বলেছেন, 'উমার (রাঃ) নাজরানবাসীদের বহিষ্কার করেছেন কিন্তু তাইমার অধিবাসীদের বহিষ্কার করেননি। কারণ এটি আরব উপদ্বীপের অংশ নয়। আমার জানা মতে, ওয়াদিল কুরার ইয়াহুদীদের নির্বাসন দেয়া হয়নি। কারণ তাদের এ এলাকাটিকে আরব উপদ্বীপের অংশ মনে করা হয়নি। সহীহ মাক্বতু'। মালিক (রহঃ) বলেন, 'উমার (রাঃ) নাজরান ও ফাদাক এলাকার ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করেছিলেন। দুর্বল মাওকুফ।

حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، قال قال مالك قد أجلى عمر رحمه الله يهود نجران وفدك ‏.


সুনানে আবু দাউদ > সন্ধির মাধ্যমে এবং জবর দখলকৃত জমি সৈনিকদের মাঝে বণ্টন স্থগিত রাখা

সুনানে আবু দাউদ ৩০৩৫

حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ منعت العراق قفيزها ودرهمها ومنعت الشام مديها ودينارها ومنعت مصر إردبها ودينارها ثم عدتم من حيث بدأتم ‏"‏ ‏.‏ قالها زهير ثلاث مرات شهد على ذلك لحم أبي هريرة ودمه ‏.‏

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (অচিরেই) ইরাকবাসীরা নিজেদের পরিমাপ পদ্ধতি ও দিরহাম ব্যবহার করা হতে বিরত হবে। সিরিয়ার অধিবাসীরাও তাদের পরিমাপ পদ্ধতি ও দীনার ব্যবহার করা হতে বিরত হবে। মিসরবাসীরাও তাদের পরিমাপ পদ্ধতি ও দীনার ব্যবহার করা হতে বিরত হবে। অতঃপর তোমরা যেখানে থেকে শুরু করেছো সেখানেই প্রত্যাবর্তন করবে। অধস্তন বর্ণনাকারী যুহাইর এ কথা তিনবার উচ্চারণ করেন যে, এ হাদীসের উপর আবু হুরায়রার রক্ত-মাংস সাক্ষী।

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (অচিরেই) ইরাকবাসীরা নিজেদের পরিমাপ পদ্ধতি ও দিরহাম ব্যবহার করা হতে বিরত হবে। সিরিয়ার অধিবাসীরাও তাদের পরিমাপ পদ্ধতি ও দীনার ব্যবহার করা হতে বিরত হবে। মিসরবাসীরাও তাদের পরিমাপ পদ্ধতি ও দীনার ব্যবহার করা হতে বিরত হবে। অতঃপর তোমরা যেখানে থেকে শুরু করেছো সেখানেই প্রত্যাবর্তন করবে। অধস্তন বর্ণনাকারী যুহাইর এ কথা তিনবার উচ্চারণ করেন যে, এ হাদীসের উপর আবু হুরায়রার রক্ত-মাংস সাক্ষী।

حدثنا أحمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ منعت العراق قفيزها ودرهمها ومنعت الشام مديها ودينارها ومنعت مصر إردبها ودينارها ثم عدتم من حيث بدأتم ‏"‏ ‏.‏ قالها زهير ثلاث مرات شهد على ذلك لحم أبي هريرة ودمه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩৬

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا به أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أيما قرية أتيتموها وأقمتم فيها فسهمكم فيها وأيما قرية عصت الله ورسوله فإن خمسها لله وللرسول ثم هي لكم ‏"‏ ‏.

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কোন জনবসতিতে উপস্থিত হয়ে সেখানে অবস্থান করলে তার অংশ তোমরা পাবে। কোন জনপদের লোকেরা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করলে (তা তোমাদের দখলে এলে) সেখান থেকে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের জন্য এক-পঞ্চমাংশ পৃথক করার পর অবশিষ্ট সম্পদ তোমাদের থাকবে।

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কোন জনবসতিতে উপস্থিত হয়ে সেখানে অবস্থান করলে তার অংশ তোমরা পাবে। কোন জনপদের লোকেরা আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করলে (তা তোমাদের দখলে এলে) সেখান থেকে আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের জন্য এক-পঞ্চমাংশ পৃথক করার পর অবশিষ্ট সম্পদ তোমাদের থাকবে।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا به أبو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أيما قرية أتيتموها وأقمتم فيها فسهمكم فيها وأيما قرية عصت الله ورسوله فإن خمسها لله وللرسول ثم هي لكم ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ > জিয্‌য়া আদায় সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ৩০৩৮

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن معاذ، أن النبي صلى الله عليه وسلم لما وجهه إلى اليمن أمره أن يأخذ من كل حالم - يعني محتلما - دينارا أو عدله من المعافري ثياب تكون باليمن ‏.

মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইয়ামানে প্রেরণের সময় নির্দেশ দেনঃ প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার করে জিয্‌য়া নিবে কিংবা সমমূল্যের ইয়ামানে উৎপাদিত মু’আফিরী কাপড় গ্রহণ করবে। সহীহ। এটি যাকাত অধ্যায়ের প্রথম দিকে গত হয়েছে।

মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে ইয়ামানে প্রেরণের সময় নির্দেশ দেনঃ প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি থেকে এক দীনার করে জিয্‌য়া নিবে কিংবা সমমূল্যের ইয়ামানে উৎপাদিত মু’আফিরী কাপড় গ্রহণ করবে। সহীহ। এটি যাকাত অধ্যায়ের প্রথম দিকে গত হয়েছে।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن معاذ، أن النبي صلى الله عليه وسلم لما وجهه إلى اليمن أمره أن يأخذ من كل حالم - يعني محتلما - دينارا أو عدله من المعافري ثياب تكون باليمن ‏.


সুনানে আবু দাউদ ৩০৪০

حدثنا العباس بن عبد العظيم، حدثنا عبد الرحمن بن هانئ أبو نعيم النخعي، أخبرنا شريك، عن إبراهيم بن مهاجر، عن زياد بن حدير، قال قال علي لئن بقيت لنصارى بني تغلب لأقتلن المقاتلة ولأسبين الذرية فإني كتبت الكتاب بينهم وبين النبي صلى الله عليه وسلم على أن لا ينصروا أبناءهم ‏.‏ قال أبو داود هذا حديث منكر بلغني عن أحمد أنه كان ينكر هذا الحديث إنكارا شديدا وهو عند بعض الناس شبه المتروك وأنكروا هذا الحديث على عبد الرحمن بن هانئ قال أبو علي ولم يقرأه أبو داود في العرضة الثانية ‏.‏

যিয়াদ ইবনু হুদাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি বেঁচে থাকলে খৃস্টান বনূ তাগলিবের যুদ্ধবাজ লোকদের অবশ্যই হত্যা করবো এবং তাদের সন্তানদের বন্দী করবো। কারণ আমি তাদের ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে এ মর্মে চুক্তিপত্র লিখেছিলাম যেঃ “তারা তাদের সন্তানদের খৃস্টান বানাবে না।” আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি মুনকার (প্রত্যাখ্যাত)। আমি জানতে পেরেছি, ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) হাদীসটি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যাত করেছেন। কারো মতে এটা মাতরূক হাদীসের পর্যায়ে। অধস্তন বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান ইবনু হানীর কারণে লোকেরা একে মুনকার হাদীস মনে করতেন। আবূ ‘আলী বলেন, আবূ দাউদ (রহঃ) যখন সংকলন দ্বিতীয়বার শুনান, তখন তিনি এতে উল্লেখিত হাদীসটি পাঠ করেননি।

যিয়াদ ইবনু হুদাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, আমি বেঁচে থাকলে খৃস্টান বনূ তাগলিবের যুদ্ধবাজ লোকদের অবশ্যই হত্যা করবো এবং তাদের সন্তানদের বন্দী করবো। কারণ আমি তাদের ও নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মধ্যে এ মর্মে চুক্তিপত্র লিখেছিলাম যেঃ “তারা তাদের সন্তানদের খৃস্টান বানাবে না।” আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি মুনকার (প্রত্যাখ্যাত)। আমি জানতে পেরেছি, ইমাম আহমদ ইবনু হাম্বল (রহঃ) হাদীসটি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যাত করেছেন। কারো মতে এটা মাতরূক হাদীসের পর্যায়ে। অধস্তন বর্ণনাকারী ‘আবদুর রহমান ইবনু হানীর কারণে লোকেরা একে মুনকার হাদীস মনে করতেন। আবূ ‘আলী বলেন, আবূ দাউদ (রহঃ) যখন সংকলন দ্বিতীয়বার শুনান, তখন তিনি এতে উল্লেখিত হাদীসটি পাঠ করেননি।

حدثنا العباس بن عبد العظيم، حدثنا عبد الرحمن بن هانئ أبو نعيم النخعي، أخبرنا شريك، عن إبراهيم بن مهاجر، عن زياد بن حدير، قال قال علي لئن بقيت لنصارى بني تغلب لأقتلن المقاتلة ولأسبين الذرية فإني كتبت الكتاب بينهم وبين النبي صلى الله عليه وسلم على أن لا ينصروا أبناءهم ‏.‏ قال أبو داود هذا حديث منكر بلغني عن أحمد أنه كان ينكر هذا الحديث إنكارا شديدا وهو عند بعض الناس شبه المتروك وأنكروا هذا الحديث على عبد الرحمن بن هانئ قال أبو علي ولم يقرأه أبو داود في العرضة الثانية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৪১

حدثنا مصرف بن عمرو اليامي، حدثنا يونس، - يعني ابن بكير - حدثنا أسباط بن نصر الهمداني، عن إسماعيل بن عبد الرحمن القرشي، عن ابن عباس، قال صالح رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل نجران على ألفى حلة النصف في صفر والبقية في رجب يؤدونها إلى المسلمين وعارية ثلاثين درعا وثلاثين فرسا وثلاثين بعيرا وثلاثين من كل صنف من أصناف السلاح يغزون بها والمسلمون ضامنون لها حتى يردوها عليهم إن كان باليمن كيد أو غدرة على أن لا تهدم لهم بيعة ولا يخرج لهم قس ولا يفتنوا عن دينهم ما لم يحدثوا حدثا أو يأكلوا الربا ‏.‏ قال إسماعيل فقد أكلوا الربا ‏.‏ قال أبو داود إذا نقضوا بعض ما اشترط عليهم فقد أحدثوا ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজরানের খৃস্টানদের সাথে বছরে দুই হাজার জোড়া কাপড় দেয়ার শর্তে সন্ধি করেন। তারা অর্ধেক কাপড় সফর মাসে এবং অবশিষ্ট অর্ধেক রজব মাসে মুসলিমদের নিকট পরিশোধ করবে এবং তারা তিরিশটি লৌহবর্ম, তিরিশটি ঘোড়া, তিরিশটি উট এবং প্রত্যেক প্রকারের তিরিশটি করে যুদ্ধাস্ত্র তাদেরকে জিহাদের জন্য ধার হিসেবে প্রদান করবে। কেউ যদি ইয়ামানে বিশ্বাসঘাতকা করে কিংবা বিদ্রোহ করে তাহলে তা দমনের জন্য এ অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। যুদ্ধের পর মুসলিমরা এগুলো তাদেরকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে। এ ধার দেয়ার বিনিময়ে তাদের গীর্জাসমূহ ধ্বংস করা হবে না, তাদের পুরোহিতদের বিতাড়িত করা হবে না এবং তাদের ধর্মের উপর হস্তক্ষেপ করা হবে না। চুক্তির এ শর্তগুলো ততক্ষণই বলবৎ থাকবে যতক্ষণ তারা বিরূপ পরিস্থিত সৃষ্টি না করবে এবং সুদের ব্যবসায় না জড়াবে। বর্ণনাকারী ইসমাঈল বলেন, নাজরানবাসীরা সুদের ব্যবসায় জড়িয়ে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজরানের খৃস্টানদের সাথে বছরে দুই হাজার জোড়া কাপড় দেয়ার শর্তে সন্ধি করেন। তারা অর্ধেক কাপড় সফর মাসে এবং অবশিষ্ট অর্ধেক রজব মাসে মুসলিমদের নিকট পরিশোধ করবে এবং তারা তিরিশটি লৌহবর্ম, তিরিশটি ঘোড়া, তিরিশটি উট এবং প্রত্যেক প্রকারের তিরিশটি করে যুদ্ধাস্ত্র তাদেরকে জিহাদের জন্য ধার হিসেবে প্রদান করবে। কেউ যদি ইয়ামানে বিশ্বাসঘাতকা করে কিংবা বিদ্রোহ করে তাহলে তা দমনের জন্য এ অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। যুদ্ধের পর মুসলিমরা এগুলো তাদেরকে ফেরত দিতে বাধ্য থাকবে। এ ধার দেয়ার বিনিময়ে তাদের গীর্জাসমূহ ধ্বংস করা হবে না, তাদের পুরোহিতদের বিতাড়িত করা হবে না এবং তাদের ধর্মের উপর হস্তক্ষেপ করা হবে না। চুক্তির এ শর্তগুলো ততক্ষণই বলবৎ থাকবে যতক্ষণ তারা বিরূপ পরিস্থিত সৃষ্টি না করবে এবং সুদের ব্যবসায় না জড়াবে। বর্ণনাকারী ইসমাঈল বলেন, নাজরানবাসীরা সুদের ব্যবসায় জড়িয়ে চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে।

حدثنا مصرف بن عمرو اليامي، حدثنا يونس، - يعني ابن بكير - حدثنا أسباط بن نصر الهمداني، عن إسماعيل بن عبد الرحمن القرشي، عن ابن عباس، قال صالح رسول الله صلى الله عليه وسلم أهل نجران على ألفى حلة النصف في صفر والبقية في رجب يؤدونها إلى المسلمين وعارية ثلاثين درعا وثلاثين فرسا وثلاثين بعيرا وثلاثين من كل صنف من أصناف السلاح يغزون بها والمسلمون ضامنون لها حتى يردوها عليهم إن كان باليمن كيد أو غدرة على أن لا تهدم لهم بيعة ولا يخرج لهم قس ولا يفتنوا عن دينهم ما لم يحدثوا حدثا أو يأكلوا الربا ‏.‏ قال إسماعيل فقد أكلوا الربا ‏.‏ قال أبو داود إذا نقضوا بعض ما اشترط عليهم فقد أحدثوا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩৭

حدثنا العباس بن عبد العظيم، حدثنا سهل بن محمد، حدثنا يحيى بن أبي زائدة، عن محمد بن إسحاق، عن عاصم بن عمر، عن أنس بن مالك، وعن عثمان بن أبي سليمان، أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث خالد بن الوليد إلى أكيدر دومة فأخذ فأتوه به فحقن له دمه وصالحه على الجزية ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক ও ‘উসমান ইবনু আবূ সুলাইমান (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খালিদ ইবনুল ওয়ালীদকে দূমাতুল জান্দালের শাসক উকাইদির ইবনু ‘আবদুল মালিকের বিরুদ্ধে অভিযানে পাঠালেন। সাহাবীরা তাকে গ্রেফতার করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসেন। তিনি তাঁর মৃত্যুদন্ড মওকুফ করলেন এবং জিয্য়া দেয়ার শর্তে তার সাথে সন্ধিতে আবদ্ধ হলেন।

আনাস ইবনু মালিক ও ‘উসমান ইবনু আবূ সুলাইমান (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খালিদ ইবনুল ওয়ালীদকে দূমাতুল জান্দালের শাসক উকাইদির ইবনু ‘আবদুল মালিকের বিরুদ্ধে অভিযানে পাঠালেন। সাহাবীরা তাকে গ্রেফতার করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসেন। তিনি তাঁর মৃত্যুদন্ড মওকুফ করলেন এবং জিয্য়া দেয়ার শর্তে তার সাথে সন্ধিতে আবদ্ধ হলেন।

حدثنا العباس بن عبد العظيم، حدثنا سهل بن محمد، حدثنا يحيى بن أبي زائدة، عن محمد بن إسحاق، عن عاصم بن عمر، عن أنس بن مالك، وعن عثمان بن أبي سليمان، أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث خالد بن الوليد إلى أكيدر دومة فأخذ فأتوه به فحقن له دمه وصالحه على الجزية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ৩০৩৯

حدثنا النفيلي، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن مسروق، عن معاذ، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.‏

মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু’আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ থেকে এ সানাদেও উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি এটি সহীহ এবং যইফেও পাইনি।

মু’আয (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মু’আয (রাঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছ থেকে এ সানাদেও উপরের হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি এটি সহীহ এবং যইফেও পাইনি।

حدثنا النفيلي، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن إبراهيم، عن مسروق، عن معاذ، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00