সুনানে আবু দাউদ > গনীমাতের মালে সেনাপতির অংশ
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯১
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن مطرف، عن عامر الشعبي، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم سهم يدعى الصفي إن شاء عبدا وإن شاء أمة وإن شاء فرسا يختاره قبل الخمس .
আমির আশ-শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্য (গনীমাতে) বিশেষ অংশ ছিল। যা সাফী নামে আখ্যায়িত। তিনি ইচ্ছা করলে তা কৃতদাস, বাঁদী, ঘোড়া যাই হোক, গনীমাত থেকে এক-পঞ্চমাংশ পৃথক করার পূর্বেই নিতেন।
আমির আশ-শা’বী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জন্য (গনীমাতে) বিশেষ অংশ ছিল। যা সাফী নামে আখ্যায়িত। তিনি ইচ্ছা করলে তা কৃতদাস, বাঁদী, ঘোড়া যাই হোক, গনীমাত থেকে এক-পঞ্চমাংশ পৃথক করার পূর্বেই নিতেন।
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن مطرف، عن عامر الشعبي، قال كان للنبي صلى الله عليه وسلم سهم يدعى الصفي إن شاء عبدا وإن شاء أمة وإن شاء فرسا يختاره قبل الخمس .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯২
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، وأزهر، قالا حدثنا ابن عون، قال سألت محمدا عن سهم النبي، صلى الله عليه وسلم والصفي قال كان يضرب له بسهم مع المسلمين وإن لم يشهد والصفي يؤخذ له رأس من الخمس قبل كل شىء .
ইবনে ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাধারণ অংশ ও বিশেষ অংশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিনি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করলেও মুসলিমদের সাথে তাঁকেও একটি অংশ দেয়া হতো। তাঁর বিশেষ অংশ খুমুস বের করার পূর্বেই পৃথক করে রাখা হতো।
ইবনে ‘আওন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাধারণ অংশ ও বিশেষ অংশ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, তিনি যুদ্ধে অংশ গ্রহণ না করলেও মুসলিমদের সাথে তাঁকেও একটি অংশ দেয়া হতো। তাঁর বিশেষ অংশ খুমুস বের করার পূর্বেই পৃথক করে রাখা হতো।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، وأزهر، قالا حدثنا ابن عون، قال سألت محمدا عن سهم النبي، صلى الله عليه وسلم والصفي قال كان يضرب له بسهم مع المسلمين وإن لم يشهد والصفي يؤخذ له رأس من الخمس قبل كل شىء .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯৪
حدثنا نصر بن علي، حدثنا أبو أحمد، أخبرنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت كانت صفية من الصفي .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাফিয়্যাহ (রাঃ) সাফীর (বিশেষ অংশের) অন্তর্ভুক্ত।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাফিয়্যাহ (রাঃ) সাফীর (বিশেষ অংশের) অন্তর্ভুক্ত।
حدثنا نصر بن علي، حدثنا أبو أحمد، أخبرنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، قالت كانت صفية من الصفي .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯৫
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن الزهري، عن عمرو بن أبي عمرو، عن أنس بن مالك، قال قدمنا خيبر فلما فتح الله تعالى الحصن ذكر له جمال صفية بنت حيى وقد قتل زوجها وكانت عروسا فاصطفاها رسول الله صلى الله عليه وسلم لنفسه فخرج بها حتى بلغنا سد الصهباء حلت فبنى بها .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা খায়বারে আক্রমন করি। মহান আল্লাহ যখন এ দুর্গ জয় করালেন তখন হুয়াইয়ের কন্যা সাফিয়্যাহর (রাঃ) সৌন্দর্যের কথা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে বর্ণনা করা হয়। তিনি সদ্য বিবাহিতা ছিলেন এবং তার স্বামী এ যুদ্ধে নিহত হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নিজের জন্য পছন্দ করলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে সেখান থেকে ‘রওয়ানা হলেন। আমরা সাদ্দুস-সাহবা নামক জায়গাতে পৌঁছলে তিনি মাসিক ঋতু থেকে পবিত্র হন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নির্জনবাস করেন।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা খায়বারে আক্রমন করি। মহান আল্লাহ যখন এ দুর্গ জয় করালেন তখন হুয়াইয়ের কন্যা সাফিয়্যাহর (রাঃ) সৌন্দর্যের কথা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে বর্ণনা করা হয়। তিনি সদ্য বিবাহিতা ছিলেন এবং তার স্বামী এ যুদ্ধে নিহত হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নিজের জন্য পছন্দ করলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে সেখান থেকে ‘রওয়ানা হলেন। আমরা সাদ্দুস-সাহবা নামক জায়গাতে পৌঁছলে তিনি মাসিক ঋতু থেকে পবিত্র হন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নির্জনবাস করেন।
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا يعقوب بن عبد الرحمن الزهري، عن عمرو بن أبي عمرو، عن أنس بن مالك، قال قدمنا خيبر فلما فتح الله تعالى الحصن ذكر له جمال صفية بنت حيى وقد قتل زوجها وكانت عروسا فاصطفاها رسول الله صلى الله عليه وسلم لنفسه فخرج بها حتى بلغنا سد الصهباء حلت فبنى بها .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯৬
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس بن مالك، قال صارت صفية لدحية الكلبي ثم صارت لرسول الله صلى الله عليه وسلم .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাফিয়্যাহ (রাঃ) প্রথমে দিহ্য়া আল-কালবীর (রাঃ) অংশে ছিলেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অধীনে আসেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৯৫৭)।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সাফিয়্যাহ (রাঃ) প্রথমে দিহ্য়া আল-কালবীর (রাঃ) অংশে ছিলেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অধীনে আসেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৯৫৭)।
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس بن مالك، قال صارت صفية لدحية الكلبي ثم صارت لرسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯৩
حدثنا محمود بن خالد السلمي، حدثنا عمر، - يعني ابن عبد الواحد - عن سعيد، - يعني ابن بشير - عن قتادة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا غزا كان له سهم صاف يأخذه من حيث شاءه فكانت صفية من ذلك السهم وكان إذا لم يغز بنفسه ضرب له بسهمه ولم يخير .
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করলে তাঁর জন্য বিশেষ অংশ নির্ধারিত থাকতো। তিনি যেখান থেকে ইচ্ছা করতেন, সেখান থেকে পছন্দমত গ্রহণ করতেন। সাফিয়্যাহ (রাঃ) এরূপ অংশেই ছিলেন। আর তিনি সশরীরে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলে তাঁর জন্য সাধারণ একটি অংশ থাকতো কিন্ত সেটা তাঁর পছন্দ নির্ভর অংশ ছিলো না।
ক্বাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করলে তাঁর জন্য বিশেষ অংশ নির্ধারিত থাকতো। তিনি যেখান থেকে ইচ্ছা করতেন, সেখান থেকে পছন্দমত গ্রহণ করতেন। সাফিয়্যাহ (রাঃ) এরূপ অংশেই ছিলেন। আর তিনি সশরীরে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলে তাঁর জন্য সাধারণ একটি অংশ থাকতো কিন্ত সেটা তাঁর পছন্দ নির্ভর অংশ ছিলো না।
حدثنا محمود بن خالد السلمي، حدثنا عمر، - يعني ابن عبد الواحد - عن سعيد، - يعني ابن بشير - عن قتادة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا غزا كان له سهم صاف يأخذه من حيث شاءه فكانت صفية من ذلك السهم وكان إذا لم يغز بنفسه ضرب له بسهمه ولم يخير .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯৭
حدثنا محمد بن خلاد الباهلي، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، قال وقع في سهم دحية جارية جميلة فاشتراها رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبعة أرؤس ثم دفعها إلى أم سليم تصنعها وتهيئها قال حماد وأحسبه قال وتعتد في بيتها صفية بنت حيى .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দিহ্য়া আল-কালবীর (রাঃ) অংশে একটি সুন্দরী দাসী পড়ে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সাতটি গোলামের বিনিময়ে ক্রয় করেন। তিনি তাকে বধূবেশে সাজানোর জন্য উম্মু সুলাইমের (রাঃ) নিকট সোপর্দ করলেন। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয়, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই উম্মু সুলাইমের ঘরে অবস্থান করে ইদ্দাত পূর্ণ করবে। সহীহ : কিন্তু তার কথা : “আমার মনে হয়,... ” এতে প্রশ্ন রয়েছে। কেননা ইতিপূর্বে গত হয়েছে যে, সাদ্দুস সাহবা নামক জায়গাতে পৌছলে তিনি পবিত্র হন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নির্জনবাস করেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দিহ্য়া আল-কালবীর (রাঃ) অংশে একটি সুন্দরী দাসী পড়ে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সাতটি গোলামের বিনিময়ে ক্রয় করেন। তিনি তাকে বধূবেশে সাজানোর জন্য উম্মু সুলাইমের (রাঃ) নিকট সোপর্দ করলেন। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয়, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াই উম্মু সুলাইমের ঘরে অবস্থান করে ইদ্দাত পূর্ণ করবে। সহীহ : কিন্তু তার কথা : “আমার মনে হয়,... ” এতে প্রশ্ন রয়েছে। কেননা ইতিপূর্বে গত হয়েছে যে, সাদ্দুস সাহবা নামক জায়গাতে পৌছলে তিনি পবিত্র হন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাথে নির্জনবাস করেন।
حدثنا محمد بن خلاد الباهلي، حدثنا بهز بن أسد، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت، عن أنس، قال وقع في سهم دحية جارية جميلة فاشتراها رسول الله صلى الله عليه وسلم بسبعة أرؤس ثم دفعها إلى أم سليم تصنعها وتهيئها قال حماد وأحسبه قال وتعتد في بيتها صفية بنت حيى .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯৮
حدثنا داود بن معاذ، حدثنا عبد الوارث، ح وحدثنا يعقوب بن إبراهيم، - المعنى - قال حدثنا ابن علية، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، قال جمع السبى - يعني بخيبر - فجاء دحية فقال يا رسول الله أعطني جارية من السبى . قال " اذهب فخذ جارية " . فأخذ صفية بنت حيى فجاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أعطيت دحية - قال يعقوب - صفية بنت حيى سيدة قريظة والنضير - ثم اتفقا - ما تصلح إلا لك . قال " ادعوه بها " . فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال له " خذ جارية من السبى غيرها " . وإن النبي صلى الله عليه وسلم أعتقها وتزوجها .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধ শেষে বন্দীদেরকে একত্র করা হলে দিহ্য়া আল-কালবী (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাকে যুদ্ধ বন্দীদের মধ্য হতে একটি বন্দিনী দিন। তিনি বললেনঃ যাও, একটি দাসী নিয়ে যাও। তিনি সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াইকে বেছে নিলেন। অপর এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এসে বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াইকে দিহ্য়াকে দিলেন। অথচ তিনি কেবল আপনারই উপযুক্ত। কেননা হুয়াই কন্যা বনু কুরাইযাহ ও বনু নাযীর গোত্রের নেতার কন্যা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাফিয়্যাহ সহ দিহ্য়াকে ডেকে আনো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যার দিকে তাকিয়ে দিহ্য়াকে বললেনঃ এর বদলে তুমি বন্দীদের মধ্য হতে অন্য কোন দাসী নাও। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আযাদ করে বিয়ে করেন।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, খায়বার যুদ্ধ শেষে বন্দীদেরকে একত্র করা হলে দিহ্য়া আল-কালবী (রাঃ) এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাকে যুদ্ধ বন্দীদের মধ্য হতে একটি বন্দিনী দিন। তিনি বললেনঃ যাও, একটি দাসী নিয়ে যাও। তিনি সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াইকে বেছে নিলেন। অপর এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে এসে বললো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি সাফিয়্যাহ বিনতু হুয়াইকে দিহ্য়াকে দিলেন। অথচ তিনি কেবল আপনারই উপযুক্ত। কেননা হুয়াই কন্যা বনু কুরাইযাহ ও বনু নাযীর গোত্রের নেতার কন্যা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সাফিয়্যাহ সহ দিহ্য়াকে ডেকে আনো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাফিয়্যার দিকে তাকিয়ে দিহ্য়াকে বললেনঃ এর বদলে তুমি বন্দীদের মধ্য হতে অন্য কোন দাসী নাও। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে আযাদ করে বিয়ে করেন।
حدثنا داود بن معاذ، حدثنا عبد الوارث، ح وحدثنا يعقوب بن إبراهيم، - المعنى - قال حدثنا ابن علية، عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس، قال جمع السبى - يعني بخيبر - فجاء دحية فقال يا رسول الله أعطني جارية من السبى . قال " اذهب فخذ جارية " . فأخذ صفية بنت حيى فجاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله أعطيت دحية - قال يعقوب - صفية بنت حيى سيدة قريظة والنضير - ثم اتفقا - ما تصلح إلا لك . قال " ادعوه بها " . فلما نظر إليها النبي صلى الله عليه وسلم قال له " خذ جارية من السبى غيرها " . وإن النبي صلى الله عليه وسلم أعتقها وتزوجها .
সুনানে আবু দাউদ ২৯৯৯
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا قرة، قال سمعت يزيد بن عبد الله، قال كنا بالمربد فجاء رجل أشعث الرأس بيده قطعة أديم أحمر فقلنا كأنك من أهل البادية . فقال أجل . قلنا ناولنا هذه القطعة الأديم التي في يدك فناولناها فقرأناها فإذا فيها " من محمد رسول الله إلى بني زهير بن أقيش إنكم إن شهدتم أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله وأقمتم الصلاة وآتيتم الزكاة وأديتم الخمس من المغنم وسهم النبي صلى الله عليه وسلم وسهم الصفي أنتم آمنون بأمان الله ورسوله " . فقلنا من كتب لك هذا الكتاب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم .
ইয়াযীদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আল-মিরবাদ নামক জায়গায় ছিলাম। তখন এলোমেলো চুলবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এলো, তার হাতে এক টুকরা লাল রংয়ের চামড়া ছিল। আমরা বললাম, তুমি সম্ভবত জংঙ্গলের বাসিন্দা। লোকটি বললো, হাঁ। আমরা বললাম, তোমার হাতের লাল চামড়ার টুকরাটি আমাদেরকে দাও। সে আমাদের তা দিলে আমরা সেটির উপরের লেখাগুলো পাঠ করি। তাতে লেখা ছিল : “মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পক্ষ হতে বনু যুহাইর ইবনু ‘উক্বাইস গোত্রের লোকদের প্রতি। তোমরা যদি এ সাক্ষ্য প্রদান করো, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নাই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্র রাসূল, সলাত ক্বায়িম করো, যাকাত দাও এবং গনীমাতের সম্পদ হতে এক-পঞ্চমাংশ দান করো, তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অংশ এবং নেতার অংশ (সাফী) আদায় করো, তাহলে তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে নিরাপত্তা পাবে।” আমরা জিজ্ঞেস করি, এ ফরমান তোমার কাছে কে লিখে পাঠিয়েছে? সে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
ইয়াযীদ ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা আল-মিরবাদ নামক জায়গায় ছিলাম। তখন এলোমেলো চুলবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এলো, তার হাতে এক টুকরা লাল রংয়ের চামড়া ছিল। আমরা বললাম, তুমি সম্ভবত জংঙ্গলের বাসিন্দা। লোকটি বললো, হাঁ। আমরা বললাম, তোমার হাতের লাল চামড়ার টুকরাটি আমাদেরকে দাও। সে আমাদের তা দিলে আমরা সেটির উপরের লেখাগুলো পাঠ করি। তাতে লেখা ছিল : “মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পক্ষ হতে বনু যুহাইর ইবনু ‘উক্বাইস গোত্রের লোকদের প্রতি। তোমরা যদি এ সাক্ষ্য প্রদান করো, আল্লাহ্ ছাড়া কোন ইলাহ নাই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্র রাসূল, সলাত ক্বায়িম করো, যাকাত দাও এবং গনীমাতের সম্পদ হতে এক-পঞ্চমাংশ দান করো, তা থেকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অংশ এবং নেতার অংশ (সাফী) আদায় করো, তাহলে তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হতে নিরাপত্তা পাবে।” আমরা জিজ্ঞেস করি, এ ফরমান তোমার কাছে কে লিখে পাঠিয়েছে? সে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا قرة، قال سمعت يزيد بن عبد الله، قال كنا بالمربد فجاء رجل أشعث الرأس بيده قطعة أديم أحمر فقلنا كأنك من أهل البادية . فقال أجل . قلنا ناولنا هذه القطعة الأديم التي في يدك فناولناها فقرأناها فإذا فيها " من محمد رسول الله إلى بني زهير بن أقيش إنكم إن شهدتم أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله وأقمتم الصلاة وآتيتم الزكاة وأديتم الخمس من المغنم وسهم النبي صلى الله عليه وسلم وسهم الصفي أنتم آمنون بأمان الله ورسوله " . فقلنا من كتب لك هذا الكتاب قال رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ > মাদীনাহ্ থেকে ইয়াহুদীদের কিভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে
সুনানে আবু দাউদ ৩০০২
حدثنا مصرف بن عمرو، حدثنا يونس، قال ابن إسحاق حدثني مولى، لزيد بن ثابت حدثتني ابنة محيصة، عن أبيها، محيصة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ظفرتم به من رجال يهود فاقتلوه " . فوثب محيصة على شبيبة رجل من تجار يهود كان يلابسهم فقتله وكان حويصة إذ ذاك لم يسلم وكان أسن من محيصة فلما قتله جعل حويصة يضربه ويقول يا عدو الله أما والله لرب شحم في بطنك من ماله .
মুহাইয়্যাসাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা কোন ইয়াহুদী পুরুষকে নাগালের মধ্যে পেলেই হত্যা করবে। মুহাইয়্যাসাহ (রাঃ) ইয়াহুদী ব্যবসায়ী শুবাইবার উপর ঝাপিয়ে পড়ে তাকে হত্যা করেন। এ সময় মুহাইয়্যাসাহ (রাঃ) ইয়াহুদীদের সাথে একই এলাকায় বসবাস করতেন। তার বড় ভাই হুয়াইআসাহ তখনো মুসলিম হয়নি। তিনি শুবাইবাকে হত্যা করায় হুয়াইআসাহ তাকে প্রহার করতেন আর বলতেন, হে আল্লাহ্র দুশমন, আল্লাহ্র শপথ! তোর পেটের চর্বিতো আমার সম্পদে তৈরি হয়েছে।
মুহাইয়্যাসাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমরা কোন ইয়াহুদী পুরুষকে নাগালের মধ্যে পেলেই হত্যা করবে। মুহাইয়্যাসাহ (রাঃ) ইয়াহুদী ব্যবসায়ী শুবাইবার উপর ঝাপিয়ে পড়ে তাকে হত্যা করেন। এ সময় মুহাইয়্যাসাহ (রাঃ) ইয়াহুদীদের সাথে একই এলাকায় বসবাস করতেন। তার বড় ভাই হুয়াইআসাহ তখনো মুসলিম হয়নি। তিনি শুবাইবাকে হত্যা করায় হুয়াইআসাহ তাকে প্রহার করতেন আর বলতেন, হে আল্লাহ্র দুশমন, আল্লাহ্র শপথ! তোর পেটের চর্বিতো আমার সম্পদে তৈরি হয়েছে।
حدثنا مصرف بن عمرو، حدثنا يونس، قال ابن إسحاق حدثني مولى، لزيد بن ثابت حدثتني ابنة محيصة، عن أبيها، محيصة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من ظفرتم به من رجال يهود فاقتلوه " . فوثب محيصة على شبيبة رجل من تجار يهود كان يلابسهم فقتله وكان حويصة إذ ذاك لم يسلم وكان أسن من محيصة فلما قتله جعل حويصة يضربه ويقول يا عدو الله أما والله لرب شحم في بطنك من ماله .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০১
حدثنا مصرف بن عمرو الأيامي، حدثنا يونس، - يعني ابن بكير - قال حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني محمد بن أبي محمد، مولى زيد بن ثابت عن سعيد بن جبير، وعكرمة، عن ابن عباس، قال لما أصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشا يوم بدر وقدم المدينة جمع اليهود في سوق بني قينقاع فقال " يا معشر يهود أسلموا قبل أن يصيبكم مثل ما أصاب قريشا " . قالوا يا محمد لا يغرنك من نفسك أنك قتلت نفرا من قريش كانوا أغمارا لا يعرفون القتال إنك لو قاتلتنا لعرفت أنا نحن الناس وأنك لم تلق مثلنا . فأنزل الله عز وجل في ذلك { قل للذين كفروا ستغلبون } قرأ مصرف إلى قوله { فئة تقاتل في سبيل الله } ببدر { وأخرى كافرة } .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধে কুরাইশদের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়ে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করে বনূ কাইনুকা গোত্রের বাজারে ইয়াহুদীদের একত্র করে বললেনঃ হে ইয়াহুদীরা! কুরাইশদের অনুরূপ পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার আগেই ইসলাম কবুল করো। তারা বললো, হে মুহাম্মাদ! আপনি নিজেই ধোঁকায় পড়বেন না। কারণ আপনি কুরাইশদের এমন এক দলের সাথে যুদ্ধ করেছেন যারা যুদ্ধ ও যুদ্ধকৌশল জানে না। আপনি আমাদের সাথে যুদ্ধ করলে টের পেতেন আমরা কেমন যুদ্ধবাজ! আপনি তো আমাদের মতো লোকের মোকাবিলা করেননি। তখন মহান আল্লাহ্ এই আয়াত অবতীর্ণ করেন : “(হে মুহাম্মাদ)! যারা আপনার দাওয়াত কবুল করতে অস্বীকার করেছে তাদেরকে বলে দিন, অচিরেই তোমরা পরাজিত হবে এবং জাহান্নামে একত্রিত হবে।” (সূরাহ আলে ‘ইমরান : ১২-১৩)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদর যুদ্ধে কুরাইশদের বিরুদ্ধে বিজয়ী হয়ে মদিনায় প্রত্যাবর্তন করে বনূ কাইনুকা গোত্রের বাজারে ইয়াহুদীদের একত্র করে বললেনঃ হে ইয়াহুদীরা! কুরাইশদের অনুরূপ পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার আগেই ইসলাম কবুল করো। তারা বললো, হে মুহাম্মাদ! আপনি নিজেই ধোঁকায় পড়বেন না। কারণ আপনি কুরাইশদের এমন এক দলের সাথে যুদ্ধ করেছেন যারা যুদ্ধ ও যুদ্ধকৌশল জানে না। আপনি আমাদের সাথে যুদ্ধ করলে টের পেতেন আমরা কেমন যুদ্ধবাজ! আপনি তো আমাদের মতো লোকের মোকাবিলা করেননি। তখন মহান আল্লাহ্ এই আয়াত অবতীর্ণ করেন : “(হে মুহাম্মাদ)! যারা আপনার দাওয়াত কবুল করতে অস্বীকার করেছে তাদেরকে বলে দিন, অচিরেই তোমরা পরাজিত হবে এবং জাহান্নামে একত্রিত হবে।” (সূরাহ আলে ‘ইমরান : ১২-১৩)।
حدثنا مصرف بن عمرو الأيامي، حدثنا يونس، - يعني ابن بكير - قال حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني محمد بن أبي محمد، مولى زيد بن ثابت عن سعيد بن جبير، وعكرمة، عن ابن عباس، قال لما أصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشا يوم بدر وقدم المدينة جمع اليهود في سوق بني قينقاع فقال " يا معشر يهود أسلموا قبل أن يصيبكم مثل ما أصاب قريشا " . قالوا يا محمد لا يغرنك من نفسك أنك قتلت نفرا من قريش كانوا أغمارا لا يعرفون القتال إنك لو قاتلتنا لعرفت أنا نحن الناس وأنك لم تلق مثلنا . فأنزل الله عز وجل في ذلك { قل للذين كفروا ستغلبون } قرأ مصرف إلى قوله { فئة تقاتل في سبيل الله } ببدر { وأخرى كافرة } .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، أخبرنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه قال بينا نحن في المسجد إذ خرج إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " انطلقوا إلى يهود " . فخرجنا معه حتى جئناهم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فناداهم فقال يا معشر يهود أسلموا تسلموا " . فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم . فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " أسلموا تسلموا " . فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم . فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " ذلك أريد " . ثم قالها الثالثة " اعلموا أنما الأرض لله ورسوله وإني أريد أن أجليكم من هذه الأرض فمن وجد منكم بماله شيئا فليبعه وإلا فاعلموا أنما الأرض لله ورسوله صلى الله عليه وسلم " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মাসজিদে উপস্থিত ছিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বেরিয়ে এসে বললেনঃ ইয়াহুদীদের এলাকায় চলো। আমরা তাঁর সাথে বের হয়ে সেখানে গিয়ে পৌছলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে তাদেরকে ডেকে বললেনঃ হে ইয়াহুদী সম্প্রদায়! তোমরা ইসলাম কবুল করো শান্তিতে থাকবে। তারা বললো, হে আবুল ক্বাসিম! আপনি পৌছে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ এ দাওয়াত পৌছে দেয়াই আমার উদ্দেশ্য ছিল। তৃতীয় বারও তিনি একই কথার পুনরাবৃত্তি করে বললেনঃ জেনে রাখো! এ ভূখণ্ডের মালিকানা আল্লাহ্ ও তার রাসূলের। আমি তোমাদের এ ভূখণ্ড হতে বিতাড়িত করতে চাই। সুতরাং তোমরা কোন জিনিস বিক্রি করতে সক্ষম হলে বিক্রি করো। অন্যথায় জেনে রাখো! এ ভূখণ্ডের মালিক আল্লাহ্ ও তার রাসূল।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা মাসজিদে উপস্থিত ছিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে বেরিয়ে এসে বললেনঃ ইয়াহুদীদের এলাকায় চলো। আমরা তাঁর সাথে বের হয়ে সেখানে গিয়ে পৌছলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়িয়ে তাদেরকে ডেকে বললেনঃ হে ইয়াহুদী সম্প্রদায়! তোমরা ইসলাম কবুল করো শান্তিতে থাকবে। তারা বললো, হে আবুল ক্বাসিম! আপনি পৌছে দিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে বললেনঃ এ দাওয়াত পৌছে দেয়াই আমার উদ্দেশ্য ছিল। তৃতীয় বারও তিনি একই কথার পুনরাবৃত্তি করে বললেনঃ জেনে রাখো! এ ভূখণ্ডের মালিকানা আল্লাহ্ ও তার রাসূলের। আমি তোমাদের এ ভূখণ্ড হতে বিতাড়িত করতে চাই। সুতরাং তোমরা কোন জিনিস বিক্রি করতে সক্ষম হলে বিক্রি করো। অন্যথায় জেনে রাখো! এ ভূখণ্ডের মালিক আল্লাহ্ ও তার রাসূল।
حدثنا قتيبة بن سعيد، أخبرنا الليث، عن سعيد بن أبي سعيد، عن أبيه، عن أبي هريرة، أنه قال بينا نحن في المسجد إذ خرج إلينا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " انطلقوا إلى يهود " . فخرجنا معه حتى جئناهم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فناداهم فقال يا معشر يهود أسلموا تسلموا " . فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم . فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " أسلموا تسلموا " . فقالوا قد بلغت يا أبا القاسم . فقال لهم رسول الله صلى الله عليه وسلم " ذلك أريد " . ثم قالها الثالثة " اعلموا أنما الأرض لله ورسوله وإني أريد أن أجليكم من هذه الأرض فمن وجد منكم بماله شيئا فليبعه وإلا فاعلموا أنما الأرض لله ورسوله صلى الله عليه وسلم " .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০০
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، أن الحكم بن نافع، حدثهم قال أخبرنا شعيب، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، عن أبيه، - وكان أحد الثلاثة الذين تيب عليهم - وكان كعب بن الأشرف يهجو النبي صلى الله عليه وسلم ويحرض عليه كفار قريش وكان النبي صلى الله عليه وسلم حين قدم المدينة وأهلها أخلاط منهم المسلمون والمشركون يعبدون الأوثان واليهود وكانوا يؤذون النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأمر الله عز وجل نبيه بالصبر والعفو ففيهم أنزل الله { ولتسمعن من الذين أوتوا الكتاب من قبلكم } الآية فلما أبى كعب بن الأشرف أن ينزع عن أذى النبي صلى الله عليه وسلم أمر النبي صلى الله عليه وسلم سعد بن معاذ أن يبعث رهطا يقتلونه فبعث محمد بن مسلمة وذكر قصة قتله فلما قتلوه فزعت اليهود والمشركون فغدوا على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا طرق صاحبنا فقتل . فذكر لهم النبي صلى الله عليه وسلم الذي كان يقول ودعاهم النبي صلى الله عليه وسلم إلى أن يكتب بينه وبينهم كتابا ينتهون إلى ما فيه فكتب النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبينهم وبين المسلمين عامة صحيفة .
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) ছিলেন ঐ তিনজনের অন্যতম যাদের তওবাহ কবুল হয়। কা’ব ইবনু আশরাফ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরুদ্ধে কুরাইশ কাফিরদের উত্তেজিত করতো এবং উসকানি দিতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর পরিবার যখন হিজরাত করে মদিনায় আসেন, তখন সেখানে সব ধরনের লোকেরা বসবাস করতো। তাদের মধ্যে কিছু ছিল মুসলিম, কিছু মূর্তিপূজারী মুশরিক এবং কিছু ইয়াহুদী সম্প্রদায়ভুক্ত। ইয়াহুদীরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীদের কষ্ট দিতো। মহান আল্লাহ্ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে ধৈর্য ধারণ ও উদারতা প্রদর্শনের নির্দেশ দেন। তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ্ আয়াত অবতীর্ণ করেন : “তোমরা আহলে কিতাব ও মুশরিকদের কাছে থেকে বহু কষ্টদায়ক কথা শুনতে পাবে” (সূরাহ আলে ‘ইমরান : ১৮৬)। কা’ব ইবনু আশরাফ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হত্যা করতে সা’দ ইবনু মু’য়ায (রাঃ) কে একটি দল প্রেরণের নির্দেশ দেন। অতঃপর বর্ণনাকারী তার হত্যার ঘটনা বর্ণনা করেন : কা’ব ইবনু আশরাফকে হত্যা করা হলে ইয়াহুদী ও মুশরিকরা ভীত হয়ে পড়লো। সকালবেলা তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, রাতের বেলা কিছু লোক আমাদের সাথীর কাছে এসে তাকে হত্যা করেছে। কা’ব ইবনু আশরাফ যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতো তিনি তাদেরকে তা জানান। তারপর ইয়াহুদী ও মুশরিকদেরকে তাদের বিরোধী আচরণ বর্জনের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মধ্যে ও তাদের মধ্যে একটি চুক্তি করতে আহবান জানালেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের, তাদের ও সকল মুসলিমের পক্ষ হতে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদন করেন। সানাদ সহীহ।
‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) ছিলেন ঐ তিনজনের অন্যতম যাদের তওবাহ কবুল হয়। কা’ব ইবনু আশরাফ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরুদ্ধে কুরাইশ কাফিরদের উত্তেজিত করতো এবং উসকানি দিতো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর পরিবার যখন হিজরাত করে মদিনায় আসেন, তখন সেখানে সব ধরনের লোকেরা বসবাস করতো। তাদের মধ্যে কিছু ছিল মুসলিম, কিছু মূর্তিপূজারী মুশরিক এবং কিছু ইয়াহুদী সম্প্রদায়ভুক্ত। ইয়াহুদীরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাহাবীদের কষ্ট দিতো। মহান আল্লাহ্ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - কে ধৈর্য ধারণ ও উদারতা প্রদর্শনের নির্দেশ দেন। তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ্ আয়াত অবতীর্ণ করেন : “তোমরা আহলে কিতাব ও মুশরিকদের কাছে থেকে বহু কষ্টদায়ক কথা শুনতে পাবে” (সূরাহ আলে ‘ইমরান : ১৮৬)। কা’ব ইবনু আশরাফ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কষ্ট দেয়া থেকে বিরত থাকতে অস্বীকার করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে হত্যা করতে সা’দ ইবনু মু’য়ায (রাঃ) কে একটি দল প্রেরণের নির্দেশ দেন। অতঃপর বর্ণনাকারী তার হত্যার ঘটনা বর্ণনা করেন : কা’ব ইবনু আশরাফকে হত্যা করা হলে ইয়াহুদী ও মুশরিকরা ভীত হয়ে পড়লো। সকালবেলা তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললো, রাতের বেলা কিছু লোক আমাদের সাথীর কাছে এসে তাকে হত্যা করেছে। কা’ব ইবনু আশরাফ যে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতো তিনি তাদেরকে তা জানান। তারপর ইয়াহুদী ও মুশরিকদেরকে তাদের বিরোধী আচরণ বর্জনের জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর মধ্যে ও তাদের মধ্যে একটি চুক্তি করতে আহবান জানালেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের, তাদের ও সকল মুসলিমের পক্ষ হতে একটি চুক্তিপত্র সম্পাদন করেন। সানাদ সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، أن الحكم بن نافع، حدثهم قال أخبرنا شعيب، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، عن أبيه، - وكان أحد الثلاثة الذين تيب عليهم - وكان كعب بن الأشرف يهجو النبي صلى الله عليه وسلم ويحرض عليه كفار قريش وكان النبي صلى الله عليه وسلم حين قدم المدينة وأهلها أخلاط منهم المسلمون والمشركون يعبدون الأوثان واليهود وكانوا يؤذون النبي صلى الله عليه وسلم وأصحابه فأمر الله عز وجل نبيه بالصبر والعفو ففيهم أنزل الله { ولتسمعن من الذين أوتوا الكتاب من قبلكم } الآية فلما أبى كعب بن الأشرف أن ينزع عن أذى النبي صلى الله عليه وسلم أمر النبي صلى الله عليه وسلم سعد بن معاذ أن يبعث رهطا يقتلونه فبعث محمد بن مسلمة وذكر قصة قتله فلما قتلوه فزعت اليهود والمشركون فغدوا على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا طرق صاحبنا فقتل . فذكر لهم النبي صلى الله عليه وسلم الذي كان يقول ودعاهم النبي صلى الله عليه وسلم إلى أن يكتب بينه وبينهم كتابا ينتهون إلى ما فيه فكتب النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبينهم وبين المسلمين عامة صحيفة .
সুনানে আবু দাউদ > বনূ নাযীরের ঘটনা প্রসঙ্গে
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৫
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، أن يهود بني النضير، وقريظة، حاربوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بني النضير وأقر قريظة ومن عليهم حتى حاربت قريظة بعد ذلك فقتل رجالهم وقسم نساءهم وأولادهم وأموالهم بين المسلمين إلا بعضهم لحقوا برسول الله صلى الله عليه وسلم فأمنهم وأسلموا وأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يهود المدينة كلهم بني قينقاع وهم قوم عبد الله بن سلام ويهود بني حارثة وكل يهودي كان بالمدينة .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীর ইয়াহুদী গোত্রদ্বয় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনূ নাযীরকে উচ্ছেদ করলেন এবং বনূ কুরাইযার প্রতি অনুগ্রহ করে তাদেরকে উচ্ছেদ করেননি। অতঃপর বনূ কুরাইযা সংঘর্ষে অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হত্যা করলেন এবং তাদের স্ত্রীলোক, সন্তানাদি ও সম্পদ মুসলিমদের মাঝে বন্টন করলেন। কিন্তু তাদের কিছু লোক রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে মিলিত হলে তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দিলেন এবং তারা ইসলাম কবুল করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনায় বসবাসকারী সমস্ত ইয়াহুদী গোত্রকে উচ্ছেদ করলেন। যেমন মদিনায় বসবাসকারী অন্যান্য ইয়াহুদীদেরকে তিনি মাদীনাহ্ থেকে বিতাড়িত করেন।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বনূ কুরাইযা ও বনূ নাযীর ইয়াহুদী গোত্রদ্বয় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনূ নাযীরকে উচ্ছেদ করলেন এবং বনূ কুরাইযার প্রতি অনুগ্রহ করে তাদেরকে উচ্ছেদ করেননি। অতঃপর বনূ কুরাইযা সংঘর্ষে অবতীর্ণ হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে হত্যা করলেন এবং তাদের স্ত্রীলোক, সন্তানাদি ও সম্পদ মুসলিমদের মাঝে বন্টন করলেন। কিন্তু তাদের কিছু লোক রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে মিলিত হলে তিনি তাদেরকে নিরাপত্তা দিলেন এবং তারা ইসলাম কবুল করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদিনায় বসবাসকারী সমস্ত ইয়াহুদী গোত্রকে উচ্ছেদ করলেন। যেমন মদিনায় বসবাসকারী অন্যান্য ইয়াহুদীদেরকে তিনি মাদীনাহ্ থেকে বিতাড়িত করেন।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، أن يهود بني النضير، وقريظة، حاربوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بني النضير وأقر قريظة ومن عليهم حتى حاربت قريظة بعد ذلك فقتل رجالهم وقسم نساءهم وأولادهم وأموالهم بين المسلمين إلا بعضهم لحقوا برسول الله صلى الله عليه وسلم فأمنهم وأسلموا وأجلى رسول الله صلى الله عليه وسلم يهود المدينة كلهم بني قينقاع وهم قوم عبد الله بن سلام ويهود بني حارثة وكل يهودي كان بالمدينة .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৪
حدثنا محمد بن داود بن سفيان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن كفار قريش كتبوا إلى ابن أبى ومن كان يعبد معه الأوثان من الأوس والخزرج ورسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ بالمدينة قبل وقعة بدر إنكم آويتم صاحبنا وإنا نقسم بالله لتقاتلنه أو لتخرجنه أو لنسيرن إليكم بأجمعنا حتى نقتل مقاتلتكم ونستبيح نساءكم . فلما بلغ ذلك عبد الله بن أبى ومن كان معه من عبدة الأوثان اجتمعوا لقتال النبي صلى الله عليه وسلم فلما بلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم لقيهم فقال " لقد بلغ وعيد قريش منكم المبالغ ما كانت تكيدكم بأكثر مما تريدون أن تكيدوا به أنفسكم تريدون أن تقاتلوا أبناءكم وإخوانكم " . فلما سمعوا ذلك من النبي صلى الله عليه وسلم تفرقوا فبلغ ذلك كفار قريش فكتبت كفار قريش بعد وقعة بدر إلى اليهود إنكم أهل الحلقة والحصون وإنكم لتقاتلن صاحبنا أو لنفعلن كذا وكذا ولا يحول بيننا وبين خدم نسائكم شىء - وهي الخلاخيل - فلما بلغ كتابهم النبي صلى الله عليه وسلم أجمعت بنو النضير بالغدر فأرسلوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم اخرج إلينا في ثلاثين رجلا من أصحابك وليخرج منا ثلاثون حبرا حتى نلتقي بمكان المنصف فيسمعوا منك . فإن صدقوك وآمنوا بك آمنا بك فقص خبرهم فلما كان الغد غدا عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بالكتائب فحصرهم فقال لهم " إنكم والله لا تأمنون عندي إلا بعهد تعاهدوني عليه " . فأبوا أن يعطوه عهدا فقاتلهم يومهم ذلك ثم غدا الغد على بني قريظة بالكتائب وترك بني النضير ودعاهم إلى أن يعاهدوه فعاهدوه فانصرف عنهم وغدا على بني النضير بالكتائب فقاتلهم حتى نزلوا على الجلاء فجلت بنو النضير واحتملوا ما أقلت الإبل من أمتعتهم وأبواب بيوتهم وخشبها فكان نخل بني النضير لرسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة أعطاه الله إياها وخصه بها فقال { وما أفاء الله على رسوله منهم فما أوجفتم عليه من خيل ولا ركاب } يقول بغير قتال فأعطى النبي صلى الله عليه وسلم أكثرها للمهاجرين وقسمها بينهم وقسم منها لرجلين من الأنصار وكانا ذوي حاجة لم يقسم لأحد من الأنصار غيرهما وبقي منها صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم التي في أيدي بني فاطمة رضي الله عنها .
‘আবদুর রহমান ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রহঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জনৈক সাহাবীর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
কুরাইশ কাফিররা ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এবং তার মূর্তিপূজক সহযোগী আওস ও খাযরাজ গোত্রের লোকদের প্রতি পত্র প্রেরণ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মদিনায় ছিলেন। এটি বদর যুদ্ধের পূর্বের ঘটনা। (চিঠিতে লিখা ছিল) : “আমাদের এক ব্যক্তিকে (নাবী) তোমরা আশ্রয় দিয়েছ। আমরা আল্লাহ্র শপথ করে বলছি, তোমরা অবশ্যই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরো বা বহিষ্কার করো। অন্যথায় আমরা সম্মিলিতভাবে তোমাদেরকে আক্রমণ করবো, তোমাদের যুদ্ধবাজ লোকদের হত্যা করবো এবং তোমাদের নারীদেরকে বন্দী করবো।” চিঠিটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ও তার মূর্তিপূজক সঙ্গীদের নিকট পৌছলে তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ হলো। এ সংবাদ পেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে সাক্ষাত করে বললেনঃ তোমাদের কাছে কুরাইশদের চরমপত্র এসেছে। আসলে তারা তোমাদের ততটা ক্ষতি করতে পারবে না - যতটা ক্ষতি তোমরা নিজেরা নিজেদের জন্য ডেকে আনবে। কেননা তোমরা নিজেদের ভাই-বন্ধু ও সন্তানদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাইছো। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ কথা শুনে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লো। এ কথা কুরাইশ কাফিরদের নিকট পৌছলে বদর যুদ্ধের পর কুরাইশ কাফিররা ইয়াহুদীদের প্রতি লিখলো : তোমরা অস্ত্রে সুসজ্জিত ও দুর্গের অধিকারী ব্যক্তি। তোমরা আমাদের সাথীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, নতুবা আমরা এই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। তখন আমাদের ও তোমাদের নারীদের দাসী বানানোর মাঝে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। ইয়াহুদীদেরকে লেখা এ পত্রের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত হলেন। বনূ নাযীর গোত্রের লোকেরা বিশ্বাসঘাতকতা করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লোক পাঠিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললো, আপনি আপনার তিরিশজন সাহাবীকে সাথে নিয়ে বের হন এবং আমরাও আমাদের তিরিশজন আলিম সাথে নিয়ে বের হই। আমরা উভয়ের মধ্যবর্তী স্থানে মিলিত হবো। তারা আপনার (ধর্মের) কথা শুনবে। তারা আপনার কথা শুনে আপনার প্রতি ঈমান আনলে আমরাও আপনার প্রতি ঈমান আনবো। তিনি সাহাবীদেরকে তাদের এ প্রস্তাবের কথা জানালেন। পরের দিন সকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল সৈন্যসহ তাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে অবরোধ করে বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ! তোমরা আমার সাথে চুক্তিবদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি তোমাদের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হবো না। কিন্তু তারা চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি না হওয়ায় সেদিনই তিনি তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন। পরের দিন তিনি সৈন্যবাহিনী নিয়ে বনূ নাযীরকে ছেড়ে বনূ কুরাইয়াকে অবরোধ করে তাদেরকে সন্ধির জন্য আহবান করেন। তারা তাঁর সাথে চুক্তিবদ্ধ হলো। অতঃপর সেখান থেকে ফিরে পরের দিন তিনি সৈন্যবাহিনী নিয়ে বনূ নাযীরের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলেন। তারা দেশত্যাগ করতে সম্মত হয়ে দেশত্যাগ করে। তাদের উটের পিঠে ঘরের দরজা, চৌকাঠ ইত্যাদি যতটা মালামাল নেয়া সম্ভব নিলো। বনূ নাযীরের বাগান রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মালিকানায় এলো। আল্লাহ্ তাঁকে বিশেষভাবে এ বাগানটি দান করলেন এবং শুধু তাঁর জন্যই নির্দিষ্ট করলেন। মহান আল্লাহ্ তা’আলা : “আল্লাহ্ যে সম্পদ তাদের দখল থেকে বের করে তাঁর রাসূলকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, তার জন্য তোমরা ঘোড়া বা উট হাঁকাওনি” (সূরাহ আল-হাশর : ৬) এ সম্পদ বিনা যুদ্ধে অর্জিত হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সম্পদের অধিকাংশই মুহাজিরদের মধ্যে বন্টন করে দিলেন। দু’জন অভাবী আনসারকেও তিনি এর অংশ দিলেন, তবে অন্য আনসারদের এর অংশ দেননি। সম্পত্তির বাকী অংশ রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সদাক্বাহর খাতে অন্তর্ভুক্ত করেন। এ অংশ ফাত্বিমাহ্র (রাঃ) বংশধরদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। সানাদ সহীহ।
‘আবদুর রহমান ইবনু কা’ব ইবনু মালিক (রহঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জনৈক সাহাবীর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
কুরাইশ কাফিররা ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এবং তার মূর্তিপূজক সহযোগী আওস ও খাযরাজ গোত্রের লোকদের প্রতি পত্র প্রেরণ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তখন মদিনায় ছিলেন। এটি বদর যুদ্ধের পূর্বের ঘটনা। (চিঠিতে লিখা ছিল) : “আমাদের এক ব্যক্তিকে (নাবী) তোমরা আশ্রয় দিয়েছ। আমরা আল্লাহ্র শপথ করে বলছি, তোমরা অবশ্যই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরো বা বহিষ্কার করো। অন্যথায় আমরা সম্মিলিতভাবে তোমাদেরকে আক্রমণ করবো, তোমাদের যুদ্ধবাজ লোকদের হত্যা করবো এবং তোমাদের নারীদেরকে বন্দী করবো।” চিঠিটি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ও তার মূর্তিপূজক সঙ্গীদের নিকট পৌছলে তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ হলো। এ সংবাদ পেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে সাক্ষাত করে বললেনঃ তোমাদের কাছে কুরাইশদের চরমপত্র এসেছে। আসলে তারা তোমাদের ততটা ক্ষতি করতে পারবে না - যতটা ক্ষতি তোমরা নিজেরা নিজেদের জন্য ডেকে আনবে। কেননা তোমরা নিজেদের ভাই-বন্ধু ও সন্তানদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে চাইছো। তারা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ কথা শুনে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লো। এ কথা কুরাইশ কাফিরদের নিকট পৌছলে বদর যুদ্ধের পর কুরাইশ কাফিররা ইয়াহুদীদের প্রতি লিখলো : তোমরা অস্ত্রে সুসজ্জিত ও দুর্গের অধিকারী ব্যক্তি। তোমরা আমাদের সাথীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো, নতুবা আমরা এই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। তখন আমাদের ও তোমাদের নারীদের দাসী বানানোর মাঝে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। ইয়াহুদীদেরকে লেখা এ পত্রের কথা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবহিত হলেন। বনূ নাযীর গোত্রের লোকেরা বিশ্বাসঘাতকতা করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে লোক পাঠিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললো, আপনি আপনার তিরিশজন সাহাবীকে সাথে নিয়ে বের হন এবং আমরাও আমাদের তিরিশজন আলিম সাথে নিয়ে বের হই। আমরা উভয়ের মধ্যবর্তী স্থানে মিলিত হবো। তারা আপনার (ধর্মের) কথা শুনবে। তারা আপনার কথা শুনে আপনার প্রতি ঈমান আনলে আমরাও আপনার প্রতি ঈমান আনবো। তিনি সাহাবীদেরকে তাদের এ প্রস্তাবের কথা জানালেন। পরের দিন সকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদল সৈন্যসহ তাদের নিকট গিয়ে তাদেরকে অবরোধ করে বললেনঃ আল্লাহ্র শপথ! তোমরা আমার সাথে চুক্তিবদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত আমি তোমাদের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হবো না। কিন্তু তারা চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি না হওয়ায় সেদিনই তিনি তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন। পরের দিন তিনি সৈন্যবাহিনী নিয়ে বনূ নাযীরকে ছেড়ে বনূ কুরাইয়াকে অবরোধ করে তাদেরকে সন্ধির জন্য আহবান করেন। তারা তাঁর সাথে চুক্তিবদ্ধ হলো। অতঃপর সেখান থেকে ফিরে পরের দিন তিনি সৈন্যবাহিনী নিয়ে বনূ নাযীরের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরলেন। তারা দেশত্যাগ করতে সম্মত হয়ে দেশত্যাগ করে। তাদের উটের পিঠে ঘরের দরজা, চৌকাঠ ইত্যাদি যতটা মালামাল নেয়া সম্ভব নিলো। বনূ নাযীরের বাগান রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মালিকানায় এলো। আল্লাহ্ তাঁকে বিশেষভাবে এ বাগানটি দান করলেন এবং শুধু তাঁর জন্যই নির্দিষ্ট করলেন। মহান আল্লাহ্ তা’আলা : “আল্লাহ্ যে সম্পদ তাদের দখল থেকে বের করে তাঁর রাসূলকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, তার জন্য তোমরা ঘোড়া বা উট হাঁকাওনি” (সূরাহ আল-হাশর : ৬) এ সম্পদ বিনা যুদ্ধে অর্জিত হয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সম্পদের অধিকাংশই মুহাজিরদের মধ্যে বন্টন করে দিলেন। দু’জন অভাবী আনসারকেও তিনি এর অংশ দিলেন, তবে অন্য আনসারদের এর অংশ দেননি। সম্পত্তির বাকী অংশ রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সদাক্বাহর খাতে অন্তর্ভুক্ত করেন। এ অংশ ফাত্বিমাহ্র (রাঃ) বংশধরদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। সানাদ সহীহ।
حدثنا محمد بن داود بن سفيان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن كفار قريش كتبوا إلى ابن أبى ومن كان يعبد معه الأوثان من الأوس والخزرج ورسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ بالمدينة قبل وقعة بدر إنكم آويتم صاحبنا وإنا نقسم بالله لتقاتلنه أو لتخرجنه أو لنسيرن إليكم بأجمعنا حتى نقتل مقاتلتكم ونستبيح نساءكم . فلما بلغ ذلك عبد الله بن أبى ومن كان معه من عبدة الأوثان اجتمعوا لقتال النبي صلى الله عليه وسلم فلما بلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم لقيهم فقال " لقد بلغ وعيد قريش منكم المبالغ ما كانت تكيدكم بأكثر مما تريدون أن تكيدوا به أنفسكم تريدون أن تقاتلوا أبناءكم وإخوانكم " . فلما سمعوا ذلك من النبي صلى الله عليه وسلم تفرقوا فبلغ ذلك كفار قريش فكتبت كفار قريش بعد وقعة بدر إلى اليهود إنكم أهل الحلقة والحصون وإنكم لتقاتلن صاحبنا أو لنفعلن كذا وكذا ولا يحول بيننا وبين خدم نسائكم شىء - وهي الخلاخيل - فلما بلغ كتابهم النبي صلى الله عليه وسلم أجمعت بنو النضير بالغدر فأرسلوا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم اخرج إلينا في ثلاثين رجلا من أصحابك وليخرج منا ثلاثون حبرا حتى نلتقي بمكان المنصف فيسمعوا منك . فإن صدقوك وآمنوا بك آمنا بك فقص خبرهم فلما كان الغد غدا عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بالكتائب فحصرهم فقال لهم " إنكم والله لا تأمنون عندي إلا بعهد تعاهدوني عليه " . فأبوا أن يعطوه عهدا فقاتلهم يومهم ذلك ثم غدا الغد على بني قريظة بالكتائب وترك بني النضير ودعاهم إلى أن يعاهدوه فعاهدوه فانصرف عنهم وغدا على بني النضير بالكتائب فقاتلهم حتى نزلوا على الجلاء فجلت بنو النضير واحتملوا ما أقلت الإبل من أمتعتهم وأبواب بيوتهم وخشبها فكان نخل بني النضير لرسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة أعطاه الله إياها وخصه بها فقال { وما أفاء الله على رسوله منهم فما أوجفتم عليه من خيل ولا ركاب } يقول بغير قتال فأعطى النبي صلى الله عليه وسلم أكثرها للمهاجرين وقسمها بينهم وقسم منها لرجلين من الأنصار وكانا ذوي حاجة لم يقسم لأحد من الأنصار غيرهما وبقي منها صدقة رسول الله صلى الله عليه وسلم التي في أيدي بني فاطمة رضي الله عنها .
সুনানে আবু দাউদ > খায়বারের ভূমি সংক্রান্ত হুকুম
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني نافع، مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أن عمر، قال أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أنا نخرجهم إذا شئنا فمن كان له مال فليلحق به فإني مخرج يهود . فأخرجهم .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বলেন, হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহুদীদের এ শর্তে সেখানকার কৃষি জমিতে নিয়োগ দেন যে, “আমার যখন ইচ্ছা হবে তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করবো।” সুতরাং সেখানের ইয়াহুদীদের যার কাছে যে সম্পদ আছে সে যেন তা হস্তগত করে। কারণ ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করবো। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিতাড়িত করলেন।
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বলেন, হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহুদীদের এ শর্তে সেখানকার কৃষি জমিতে নিয়োগ দেন যে, “আমার যখন ইচ্ছা হবে তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করবো।” সুতরাং সেখানের ইয়াহুদীদের যার কাছে যে সম্পদ আছে সে যেন তা হস্তগত করে। কারণ ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করবো। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিতাড়িত করলেন।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني نافع، مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أن عمر، قال أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أنا نخرجهم إذا شئنا فمن كان له مال فليلحق به فإني مخرج يهود . فأخرجهم .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني نافع، مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أن عمر، قال أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أنا نخرجهم إذا شئنا فمن كان له مال فليلحق به فإني مخرج يهود . فأخرجهم .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বলেন, হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহুদীদের এ শর্তে সেখানকার কৃষি জমিতে নিয়োগ দেন যে, “আমার যখন ইচ্ছা হবে তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করবো।” সুতরাং সেখানের ইয়াহুদীদের যার কাছে যে সম্পদ আছে সে যেন তা হস্তগত করে। কারণ ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করবো। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিতাড়িত করলেন।
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বলেন, হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহুদীদের এ শর্তে সেখানকার কৃষি জমিতে নিয়োগ দেন যে, “আমার যখন ইচ্ছা হবে তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করবো।” সুতরাং সেখানের ইয়াহুদীদের যার কাছে যে সম্পদ আছে সে যেন তা হস্তগত করে। কারণ ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করবো। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিতাড়িত করলেন।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني نافع، مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أن عمر، قال أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أنا نخرجهم إذا شئنا فمن كان له مال فليلحق به فإني مخرج يهود . فأخرجهم .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني نافع، مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أن عمر، قال أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أنا نخرجهم إذا شئنا فمن كان له مال فليلحق به فإني مخرج يهود . فأخرجهم .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বলেন, হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহুদীদের এ শর্তে সেখানকার কৃষি জমিতে নিয়োগ দেন যে, “আমার যখন ইচ্ছা হবে তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করবো।” সুতরাং সেখানের ইয়াহুদীদের যার কাছে যে সম্পদ আছে সে যেন তা হস্তগত করে। কারণ ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করবো। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিতাড়িত করলেন।
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘উমার (রাঃ) বলেন, হে লোক সকল! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ইয়াহুদীদের এ শর্তে সেখানকার কৃষি জমিতে নিয়োগ দেন যে, “আমার যখন ইচ্ছা হবে তাদেরকে সেখান থেকে বিতাড়িত করবো।” সুতরাং সেখানের ইয়াহুদীদের যার কাছে যে সম্পদ আছে সে যেন তা হস্তগত করে। কারণ ইয়াহুদীদের বিতাড়িত করবো। অতঃপর তিনি তাদেরকে বিতাড়িত করলেন।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يعقوب بن إبراهيم، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني نافع، مولى عبد الله بن عمر عن عبد الله بن عمر، أن عمر، قال أيها الناس إن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عامل يهود خيبر على أنا نخرجهم إذا شئنا فمن كان له مال فليلحق به فإني مخرج يهود . فأخرجهم .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৯
حدثنا داود بن معاذ، حدثنا عبد الوارث، ح وحدثنا يعقوب بن إبراهيم، وزياد بن أيوب، أن إسماعيل بن إبراهيم، حدثهم عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر فأصبناها عنوة فجمع السبى .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার যুদ্ধ করলেন। আমরা শক্তিবলে তা দখল করার পর বন্দীদের একত্র করা হয়।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার যুদ্ধ করলেন। আমরা শক্তিবলে তা দখল করার পর বন্দীদের একত্র করা হয়।
حدثنا داود بن معاذ، حدثنا عبد الوارث، ح وحدثنا يعقوب بن إبراهيم، وزياد بن أيوب، أن إسماعيل بن إبراهيم، حدثهم عن عبد العزيز بن صهيب، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم غزا خيبر فأصبناها عنوة فجمع السبى .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৬
حدثنا هارون بن زيد بن أبي الزرقاء، حدثنا أبي، حدثنا حماد بن سلمة، عن عبيد الله بن عمر، قال - أحسبه - عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قاتل أهل خيبر فغلب على النخل والأرض وألجأهم إلى قصرهم فصالحوه على أن لرسول الله صلى الله عليه وسلم الصفراء والبيضاء والحلقة ولهم ما حملت ركابهم على أن لا يكتموا ولا يغيبوا شيئا فإن فعلوا فلا ذمة لهم ولا عهد فغيبوا مسكا لحيى بن أخطب وقد كان قتل قبل خيبر كان احتمله معه يوم بني النضير حين أجليت النضير فيه حليهم قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم لسعية " أين مسك حيى بن أخطب " . قال أذهبته الحروب والنفقات . فوجدوا المسك فقتل ابن أبي الحقيق وسبى نساءهم وذراريهم وأراد أن يجليهم فقالوا يا محمد دعنا نعمل في هذه الأرض ولنا الشطر ما بدا لك ولكم الشطر . وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعطي كل امرأة من نسائه ثمانين وسقا من تمر وعشرين وسقا من شعير .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের জমি ও খেজুর বাগান দখল করেন এবং তাদেরকে তাদের ঘরে অবরোধ করেন। তারা তাঁর সাথে এ শর্তে সন্ধি করলো যে, সোনা, রূপা ও যুদ্ধের সরঞ্জামাদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাবেন। অপরদিকে তাদের প্রত্যেকের উট যতটা সম্পদ বহনে সক্ষম তারা তা নিতে পারবে, কোন কিছু লুকাবে না এবং সরিয়ে রাখবে না। তারা এরূপ করলে তাদের জন্য কোন নিরাপত্তা থাকবে না এবং কোন চুক্তিও কার্যকর হবে না। তারা হুয়াই ইবনু আখতাবের স্বর্ণমুদ্রা বোঝাই করা চামড়ার থলে গোপন রাখলো। সে খায়বার যুদ্ধের আগে নিহত হয়েছিল। যখন বনূ নাযীরকে উচ্ছেদ করা হয় তখন সে এ থলেটিতে তাদের স্বর্ণমুদ্রা ভরে সাথে করে নিয়ে এসেছিল। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাই’আহকে জিজ্ঞেস করলেন : হুয়াই ইবনু আখতাবের স্বর্ণমুদ্রার থলেটা কোথায়? সে বললো, যুদ্ধের সময় তা নষ্ট হয়ে যায় এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে খরচ হয়ে যায়। সাহাবীগণ তা খোঁজ করে পেয়ে গেলেন। তিনি ইবনু আবুল হাকীককে হত্যা করার নির্দেশ দিলেন এবং তাদের নারী ও সন্তানদের বন্দী করলেন। তিনি তাদেরকে উচ্ছেদের ইচ্ছা করলেন। তারা বললো, হে মুহাম্মাদ! আমাদেরকে ছেড়ে দিন, আমরা এখানকার জমি চাষাবাদ করবো। উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক আমাদের এবং অর্ধেক আপনাদের থাকবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের প্রত্যেককে আশি ওয়াসাক খেজুর এবং বিশ ওয়াসাক বার্লি দিতেন।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের জমি ও খেজুর বাগান দখল করেন এবং তাদেরকে তাদের ঘরে অবরোধ করেন। তারা তাঁর সাথে এ শর্তে সন্ধি করলো যে, সোনা, রূপা ও যুদ্ধের সরঞ্জামাদি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পাবেন। অপরদিকে তাদের প্রত্যেকের উট যতটা সম্পদ বহনে সক্ষম তারা তা নিতে পারবে, কোন কিছু লুকাবে না এবং সরিয়ে রাখবে না। তারা এরূপ করলে তাদের জন্য কোন নিরাপত্তা থাকবে না এবং কোন চুক্তিও কার্যকর হবে না। তারা হুয়াই ইবনু আখতাবের স্বর্ণমুদ্রা বোঝাই করা চামড়ার থলে গোপন রাখলো। সে খায়বার যুদ্ধের আগে নিহত হয়েছিল। যখন বনূ নাযীরকে উচ্ছেদ করা হয় তখন সে এ থলেটিতে তাদের স্বর্ণমুদ্রা ভরে সাথে করে নিয়ে এসেছিল। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাই’আহকে জিজ্ঞেস করলেন : হুয়াই ইবনু আখতাবের স্বর্ণমুদ্রার থলেটা কোথায়? সে বললো, যুদ্ধের সময় তা নষ্ট হয়ে যায় এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে খরচ হয়ে যায়। সাহাবীগণ তা খোঁজ করে পেয়ে গেলেন। তিনি ইবনু আবুল হাকীককে হত্যা করার নির্দেশ দিলেন এবং তাদের নারী ও সন্তানদের বন্দী করলেন। তিনি তাদেরকে উচ্ছেদের ইচ্ছা করলেন। তারা বললো, হে মুহাম্মাদ! আমাদেরকে ছেড়ে দিন, আমরা এখানকার জমি চাষাবাদ করবো। উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক আমাদের এবং অর্ধেক আপনাদের থাকবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর স্ত্রীদের প্রত্যেককে আশি ওয়াসাক খেজুর এবং বিশ ওয়াসাক বার্লি দিতেন।
حدثنا هارون بن زيد بن أبي الزرقاء، حدثنا أبي، حدثنا حماد بن سلمة، عن عبيد الله بن عمر، قال - أحسبه - عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم قاتل أهل خيبر فغلب على النخل والأرض وألجأهم إلى قصرهم فصالحوه على أن لرسول الله صلى الله عليه وسلم الصفراء والبيضاء والحلقة ولهم ما حملت ركابهم على أن لا يكتموا ولا يغيبوا شيئا فإن فعلوا فلا ذمة لهم ولا عهد فغيبوا مسكا لحيى بن أخطب وقد كان قتل قبل خيبر كان احتمله معه يوم بني النضير حين أجليت النضير فيه حليهم قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم لسعية " أين مسك حيى بن أخطب " . قال أذهبته الحروب والنفقات . فوجدوا المسك فقتل ابن أبي الحقيق وسبى نساءهم وذراريهم وأراد أن يجليهم فقالوا يا محمد دعنا نعمل في هذه الأرض ولنا الشطر ما بدا لك ولكم الشطر . وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعطي كل امرأة من نسائه ثمانين وسقا من تمر وعشرين وسقا من شعير .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১১
حدثنا حسين بن علي بن الأسود، أن يحيى بن آدم، حدثهم عن أبي شهاب، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أنه سمع نفرا، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قالوا فذكر هذا الحديث قال فكان النصف سهام المسلمين وسهم رسول الله صلى الله عليه وسلم وعزل النصف للمسلمين لما ينوبه من الأمور والنوائب .
বাশীর ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বার অঞ্চল ফাই হিসেবে প্রদান করলে তিনি তা ছত্রিশ ভাগে বিভক্ত করেন। এর প্রতিটি অংশ আবার একশো ভাগে বিভক্ত ছিল। এর অর্ধেকটা তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাখলেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি আল-ওয়াতীহ্, আল-কুতাইবাহ এবং এতদুভয়ের সংলগ্ন এলাকাগুলো রেখে দেন। অবশিষ্ট অর্ধেক তিনি মুসলিম সৈন্যদের মাঝে বণ্টন করেন। এ ভাগে ছিল আশ-শাক্ক, আন-নাতা‘আহ এবং উভয়ের সংলগ্ন অঞ্চল। এ দুই অর্ধাংশের পার্শ্ববর্তী অংশ ছিল রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
বাশীর ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খায়বার অঞ্চল ফাই হিসেবে প্রদান করলে তিনি তা ছত্রিশ ভাগে বিভক্ত করেন। এর প্রতিটি অংশ আবার একশো ভাগে বিভক্ত ছিল। এর অর্ধেকটা তিনি উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাখলেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি আল-ওয়াতীহ্, আল-কুতাইবাহ এবং এতদুভয়ের সংলগ্ন এলাকাগুলো রেখে দেন। অবশিষ্ট অর্ধেক তিনি মুসলিম সৈন্যদের মাঝে বণ্টন করেন। এ ভাগে ছিল আশ-শাক্ক, আন-নাতা‘আহ এবং উভয়ের সংলগ্ন অঞ্চল। এ দুই অর্ধাংশের পার্শ্ববর্তী অংশ ছিল রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)।
حدثنا حسين بن علي بن الأسود، أن يحيى بن آدم، حدثهم عن أبي شهاب، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أنه سمع نفرا، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قالوا فذكر هذا الحديث قال فكان النصف سهام المسلمين وسهم رسول الله صلى الله عليه وسلم وعزل النصف للمسلمين لما ينوبه من الأمور والنوائب .
সুনানে আবু দাউদ ৩০০৮
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرني ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد الليثي، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، قال لما افتتحت خيبر سألت يهود رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقرهم على أن يعملوا على النصف مما خرج منها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أقركم فيها على ذلك ما شئنا " . فكانوا على ذلك وكان التمر يقسم على السهمان من نصف خيبر ويأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم الخمس وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم أطعم كل امرأة من أزواجه من الخمس مائة وسق تمرا وعشرين وسقا شعيرا فلما أراد عمر إخراج اليهود أرسل إلى أزواج النبي صلى الله عليه وسلم فقال لهن من أحب منكن أن أقسم لها نخلا بخرصها مائة وسق فيكون لها أصلها وأرضها وماؤها ومن الزرع مزرعة خرص عشرين وسقا فعلنا ومن أحب أن نعزل الذي لها في الخمس كما هو فعلنا .
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলনে, খায়বার এলাকা বিজিত হলে ইয়াহুদীরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আবেদন করে যে, তাদেরকে যেন সেখানে বসবাস করতে দেয়া হয়। তারা জমিতে কাজ করে উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক তারা গ্রহণ করবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ শর্তে আমি তোমাদেরকে যতদিন ইচ্ছা বসবাসের অনুমতি দিলাম। তারা এ শর্তে সেখানে বসবাস করলো। খায়বারে উৎপন্ন খেজুরের অর্ধেক কয়েক ভাগে ভাগ করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক-পঞ্চমাংশ নিতেন এবং স্বীয় স্ত্রীদের প্রত্যেককে এক-পঞ্চমাংশ থেকে একশ ওয়াসাক খেজুর এবং বিশ ওয়াসাক বার্লি দিতেন। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) তাঁর খিলাফতকালে ইয়াহুদীদের বহিষ্কারের ইচ্ছা করলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের বলে পাঠালেন: “আপনাদের মধ্যে যিনি চাইবেন আমি অনুমানের ভিত্তিতে একশো ওয়াসাক খেজুর হওয়ার পরিমাণ গাছ তাকে ছেড়ে দিবো। এ অবস্থায় বাগানের ও গাছের তত্ত্বাবধান এবং পানি সেচের ব্যবস্থা তাকেই করতে হবে। অনুরূপভাবে কৃষি উৎপাদনের জমি ছেড়ে দিতে পারি। এ ক্ষেত্রেও জমির তত্ত্বাবধান ও সেচের ব্যবস্থা তাকেই করতে হবে। তাদের কেউ ইচ্ছা করলে, পূর্ব থেকে যেভাবে এক-পঞ্চমাংশ হতে আমরা বণ্টন করে আসছি, সেভাবেও নিতে পারেন।
আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলনে, খায়বার এলাকা বিজিত হলে ইয়াহুদীরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট আবেদন করে যে, তাদেরকে যেন সেখানে বসবাস করতে দেয়া হয়। তারা জমিতে কাজ করে উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক তারা গ্রহণ করবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, এ শর্তে আমি তোমাদেরকে যতদিন ইচ্ছা বসবাসের অনুমতি দিলাম। তারা এ শর্তে সেখানে বসবাস করলো। খায়বারে উৎপন্ন খেজুরের অর্ধেক কয়েক ভাগে ভাগ করতো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক-পঞ্চমাংশ নিতেন এবং স্বীয় স্ত্রীদের প্রত্যেককে এক-পঞ্চমাংশ থেকে একশ ওয়াসাক খেজুর এবং বিশ ওয়াসাক বার্লি দিতেন। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) তাঁর খিলাফতকালে ইয়াহুদীদের বহিষ্কারের ইচ্ছা করলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের বলে পাঠালেন: “আপনাদের মধ্যে যিনি চাইবেন আমি অনুমানের ভিত্তিতে একশো ওয়াসাক খেজুর হওয়ার পরিমাণ গাছ তাকে ছেড়ে দিবো। এ অবস্থায় বাগানের ও গাছের তত্ত্বাবধান এবং পানি সেচের ব্যবস্থা তাকেই করতে হবে। অনুরূপভাবে কৃষি উৎপাদনের জমি ছেড়ে দিতে পারি। এ ক্ষেত্রেও জমির তত্ত্বাবধান ও সেচের ব্যবস্থা তাকেই করতে হবে। তাদের কেউ ইচ্ছা করলে, পূর্ব থেকে যেভাবে এক-পঞ্চমাংশ হতে আমরা বণ্টন করে আসছি, সেভাবেও নিতে পারেন।
حدثنا سليمان بن داود المهري، أخبرني ابن وهب، أخبرني أسامة بن زيد الليثي، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، قال لما افتتحت خيبر سألت يهود رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يقرهم على أن يعملوا على النصف مما خرج منها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أقركم فيها على ذلك ما شئنا " . فكانوا على ذلك وكان التمر يقسم على السهمان من نصف خيبر ويأخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم الخمس وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم أطعم كل امرأة من أزواجه من الخمس مائة وسق تمرا وعشرين وسقا شعيرا فلما أراد عمر إخراج اليهود أرسل إلى أزواج النبي صلى الله عليه وسلم فقال لهن من أحب منكن أن أقسم لها نخلا بخرصها مائة وسق فيكون لها أصلها وأرضها وماؤها ومن الزرع مزرعة خرص عشرين وسقا فعلنا ومن أحب أن نعزل الذي لها في الخمس كما هو فعلنا .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১৩
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثنا أبو خالد، - يعني سليمان - عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، قال لما أفاء الله على نبيه صلى الله عليه وسلم خيبر قسمها على ستة وثلاثين سهما جمع كل سهم مائة سهم فعزل نصفها لنوائبه وما ينزل به الوطيحة والكتيبة وما أحيز معهما وعزل النصف الآخر فقسمه بين المسلمين الشق والنطاة وما أحيز معهما وكان سهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما أحيز معهما .
আনসার সম্প্রদায়ের মুক্তদাস বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কতিপয় সাহাবী হতে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার বিজয়ের পর সেখানে প্রাপ্ত সম্পদ ছত্রিশটি ভাগে বিভক্ত করেন। এর প্রত্যেক ভাগকে আবার একশো ভাগে বিভক্ত করেন। মোট সম্পদের অর্ধাংশ ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুসলিমদের জন্য। অবশিষ্ট অর্ধাংশ তিনি প্রতিনিধিদের আপ্যায়ন, বিভিন্ন কাজের ব্যবস্থাপনা ও জনসাধারণের প্রয়োজন পূরণের জন্য পৃথক করে রাখেন। সহীহ : পূর্বেরটি দ্বারা।
আনসার সম্প্রদায়ের মুক্তদাস বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কতিপয় সাহাবী হতে বর্ণনা করেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার বিজয়ের পর সেখানে প্রাপ্ত সম্পদ ছত্রিশটি ভাগে বিভক্ত করেন। এর প্রত্যেক ভাগকে আবার একশো ভাগে বিভক্ত করেন। মোট সম্পদের অর্ধাংশ ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুসলিমদের জন্য। অবশিষ্ট অর্ধাংশ তিনি প্রতিনিধিদের আপ্যায়ন, বিভিন্ন কাজের ব্যবস্থাপনা ও জনসাধারণের প্রয়োজন পূরণের জন্য পৃথক করে রাখেন। সহীহ : পূর্বেরটি দ্বারা।
حدثنا عبد الله بن سعيد الكندي، حدثنا أبو خالد، - يعني سليمان - عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، قال لما أفاء الله على نبيه صلى الله عليه وسلم خيبر قسمها على ستة وثلاثين سهما جمع كل سهم مائة سهم فعزل نصفها لنوائبه وما ينزل به الوطيحة والكتيبة وما أحيز معهما وعزل النصف الآخر فقسمه بين المسلمين الشق والنطاة وما أحيز معهما وكان سهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما أحيز معهما .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১২
حدثنا حسين بن علي، حدثنا محمد بن فضيل، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، مولى الأنصار عن رجال، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما ظهر على خيبر قسمها على ستة وثلاثين سهما جمع كل سهم مائة سهم فكان لرسول الله صلى الله عليه وسلم وللمسلمين النصف من ذلك وعزل النصف الباقي لمن نزل به من الوفود والأمور ونوائب الناس .
বাশীর ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একদল সাহাবীকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেন। তিনি বলেন, মুসলিমদের এবং রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য ছিল (খায়বার সম্পত্তির) অর্ধাংশ। অবশিষ্ট অর্ধেক তিনি মুসলিমদের বিভিন্ন প্রয়োজন পূরণের জন্য পৃথক করে রাখেন।
বাশীর ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একদল সাহাবীকে এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেন। তিনি বলেন, মুসলিমদের এবং রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য ছিল (খায়বার সম্পত্তির) অর্ধাংশ। অবশিষ্ট অর্ধেক তিনি মুসলিমদের বিভিন্ন প্রয়োজন পূরণের জন্য পৃথক করে রাখেন।
حدثنا حسين بن علي، حدثنا محمد بن فضيل، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، مولى الأنصار عن رجال، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما ظهر على خيبر قسمها على ستة وثلاثين سهما جمع كل سهم مائة سهم فكان لرسول الله صلى الله عليه وسلم وللمسلمين النصف من ذلك وعزل النصف الباقي لمن نزل به من الوفود والأمور ونوائب الناس .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১৪
حدثنا محمد بن مسكين اليمامي، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أفاء الله عليه خيبر قسمها ستة وثلاثين سهما جمعا فعزل للمسلمين الشطر ثمانية عشر سهما يجمع كل سهم مائة النبي صلى الله عليه وسلم معهم له سهم كسهم أحدهم وعزل رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانية عشر سهما وهو الشطر لنوائبه وما ينزل به من أمر المسلمين فكان ذلك الوطيح والكتيبة والسلالم وتوابعها فلما صارت الأموال بيد النبي صلى الله عليه وسلم والمسلمين لم يكن لهم عمال يكفونهم عملها فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم اليهود فعاملهم .
বাশীর ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খায়বার অঞ্চলের সম্পদ ফাই হিসেবে দান করলেন, তিনি ঐ সম্পদকে ছত্রিশ অংশে ভাগ করলেন। এর প্রতিটি ভাগ আবার একশো ভাগে বিভক্ত ছিল। সাহাবীদের সাথে তাঁদের প্রত্যেকের ভাগের সমান একটি ভাগ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও পান। অবশিষ্ট আঠারো ভাগ তিনি নিজের প্রয়োজন পূরণ ও মুসলিমদের বিপদ মোকাবিলার জন্য আলাদা করে রাখেন। এ অংশে ছিল আল-ওয়াতীহ্, আল-কুতাইবাহ, আস- সালালিম ও এসবের সংলগ্ন এলাকা। এ সম্পদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুসলিমদের হস্তগত হওয়ার সময় তাঁদের এমন কোন কাজের লোক ছিলো না যারা এসব জমি চাষাবাদ করতে সক্ষম। সুতরাং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থানীয় ইয়াহুদীদের ডেকে এনে তাদেরকে (ভাগচাষে) জমির কাজে নিয়োগ দিলেন।
বাশীর ইবনু ইয়াসার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহ যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে খায়বার অঞ্চলের সম্পদ ফাই হিসেবে দান করলেন, তিনি ঐ সম্পদকে ছত্রিশ অংশে ভাগ করলেন। এর প্রতিটি ভাগ আবার একশো ভাগে বিভক্ত ছিল। সাহাবীদের সাথে তাঁদের প্রত্যেকের ভাগের সমান একটি ভাগ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও পান। অবশিষ্ট আঠারো ভাগ তিনি নিজের প্রয়োজন পূরণ ও মুসলিমদের বিপদ মোকাবিলার জন্য আলাদা করে রাখেন। এ অংশে ছিল আল-ওয়াতীহ্, আল-কুতাইবাহ, আস- সালালিম ও এসবের সংলগ্ন এলাকা। এ সম্পদ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও মুসলিমদের হস্তগত হওয়ার সময় তাঁদের এমন কোন কাজের লোক ছিলো না যারা এসব জমি চাষাবাদ করতে সক্ষম। সুতরাং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থানীয় ইয়াহুদীদের ডেকে এনে তাদেরকে (ভাগচাষে) জমির কাজে নিয়োগ দিলেন।
حدثنا محمد بن مسكين اليمامي، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أفاء الله عليه خيبر قسمها ستة وثلاثين سهما جمعا فعزل للمسلمين الشطر ثمانية عشر سهما يجمع كل سهم مائة النبي صلى الله عليه وسلم معهم له سهم كسهم أحدهم وعزل رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانية عشر سهما وهو الشطر لنوائبه وما ينزل به من أمر المسلمين فكان ذلك الوطيح والكتيبة والسلالم وتوابعها فلما صارت الأموال بيد النبي صلى الله عليه وسلم والمسلمين لم يكن لهم عمال يكفونهم عملها فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم اليهود فعاملهم .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১০
حدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، حدثنا أسد بن موسى، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثني سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر نصفين نصفا لنوائبه وحاجته ونصفا بين المسلمين قسمها بينهم على ثمانية عشر سهما .
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা দু’ভাগ করলেন। তিনি অর্ধেকটা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নিজ প্রয়োজন পূরণে রাখলেন এবং বাকি অর্ধেক মুসলিমদের মধ্যে বণ্টন করলেন। তিনি তাঁদের মধ্যে এটা আঠারোটি অংশে ভাগ করলেন।
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা দু’ভাগ করলেন। তিনি অর্ধেকটা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নিজ প্রয়োজন পূরণে রাখলেন এবং বাকি অর্ধেক মুসলিমদের মধ্যে বণ্টন করলেন। তিনি তাঁদের মধ্যে এটা আঠারোটি অংশে ভাগ করলেন।
حدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، حدثنا أسد بن موسى، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثني سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر نصفين نصفا لنوائبه وحاجته ونصفا بين المسلمين قسمها بينهم على ثمانية عشر سهما .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১০
حدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، حدثنا أسد بن موسى، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثني سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر نصفين نصفا لنوائبه وحاجته ونصفا بين المسلمين قسمها بينهم على ثمانية عشر سهما .
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা দু’ভাগ করলেন। তিনি অর্ধেকটা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নিজ প্রয়োজন পূরণে রাখলেন এবং বাকি অর্ধেক মুসলিমদের মধ্যে বণ্টন করলেন। তিনি তাঁদের মধ্যে এটা আঠারোটি অংশে ভাগ করলেন।
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা দু’ভাগ করলেন। তিনি অর্ধেকটা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নিজ প্রয়োজন পূরণে রাখলেন এবং বাকি অর্ধেক মুসলিমদের মধ্যে বণ্টন করলেন। তিনি তাঁদের মধ্যে এটা আঠারোটি অংশে ভাগ করলেন।
حدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، حدثنا أسد بن موسى، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثني سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر نصفين نصفا لنوائبه وحاجته ونصفا بين المسلمين قسمها بينهم على ثمانية عشر سهما .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১০
حدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، حدثنا أسد بن موسى، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثني سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر نصفين نصفا لنوائبه وحاجته ونصفا بين المسلمين قسمها بينهم على ثمانية عشر سهما .
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা দু’ভাগ করলেন। তিনি অর্ধেকটা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নিজ প্রয়োজন পূরণে রাখলেন এবং বাকি অর্ধেক মুসলিমদের মধ্যে বণ্টন করলেন। তিনি তাঁদের মধ্যে এটা আঠারোটি অংশে ভাগ করলেন।
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকা দু’ভাগ করলেন। তিনি অর্ধেকটা পরিস্থিতি মোকাবিলা ও নিজ প্রয়োজন পূরণে রাখলেন এবং বাকি অর্ধেক মুসলিমদের মধ্যে বণ্টন করলেন। তিনি তাঁদের মধ্যে এটা আঠারোটি অংশে ভাগ করলেন।
حدثنا الربيع بن سليمان المؤذن، حدثنا أسد بن موسى، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثني سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، عن سهل بن أبي حثمة، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر نصفين نصفا لنوائبه وحاجته ونصفا بين المسلمين قسمها بينهم على ثمانية عشر سهما .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১৫
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا مجمع بن يعقوب بن مجمع بن يزيد الأنصاري، قال سمعت أبي يعقوب بن مجمع، يذكر لي عن عمه عبد الرحمن بن يزيد الأنصاري، عن عمه، مجمع بن جارية الأنصاري - وكان أحد القراء الذين قرءوا القرآن - قال قسمت خيبر على أهل الحديبية فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم على ثمانية عشر سهما وكان الجيش ألفا وخمسمائة فيهم ثلاثمائة فارس فأعطى الفارس سهمين وأعطى الراجل سهما .
মুজাম্মি’ ইবনু জারিয়াহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি কুরআনের ক্বারীদের অন্যতম ছিলেন। তিনি বলেন, খায়বারে প্রাপ্ত গনীমাত হুদায়বিয়ার সন্ধিতে উপস্থিত মুসলিমদের মাঝে বণ্টন করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাপ্ত সম্পদের অর্ধাংশ আঠার অংশে বিভক্ত করেন। সৈন্যসংখ্যা ছিল পনেরশো’, এর মধ্যে অশ্বারোহী তিনশো। তিনি অশ্বারোহীদের প্রত্যেককে দুই ভাগ এবং পদাতিকদের প্রত্যেককে এক ভাগ করে গনীমতের মাল প্রদান করেন।
মুজাম্মি’ ইবনু জারিয়াহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি কুরআনের ক্বারীদের অন্যতম ছিলেন। তিনি বলেন, খায়বারে প্রাপ্ত গনীমাত হুদায়বিয়ার সন্ধিতে উপস্থিত মুসলিমদের মাঝে বণ্টন করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাপ্ত সম্পদের অর্ধাংশ আঠার অংশে বিভক্ত করেন। সৈন্যসংখ্যা ছিল পনেরশো’, এর মধ্যে অশ্বারোহী তিনশো। তিনি অশ্বারোহীদের প্রত্যেককে দুই ভাগ এবং পদাতিকদের প্রত্যেককে এক ভাগ করে গনীমতের মাল প্রদান করেন।
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا مجمع بن يعقوب بن مجمع بن يزيد الأنصاري، قال سمعت أبي يعقوب بن مجمع، يذكر لي عن عمه عبد الرحمن بن يزيد الأنصاري، عن عمه، مجمع بن جارية الأنصاري - وكان أحد القراء الذين قرءوا القرآن - قال قسمت خيبر على أهل الحديبية فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم على ثمانية عشر سهما وكان الجيش ألفا وخمسمائة فيهم ثلاثمائة فارس فأعطى الفارس سهمين وأعطى الراجل سهما .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১৭
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الله بن محمد، عن جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم افتتح بعض خيبر عنوة . قال أبو داود وقرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبركم ابن وهب قال حدثني مالك عن ابن شهاب أن خيبر كان بعضها عنوة وبعضها صلحا والكتيبة أكثرها عنوة وفيها صلح . قلت لمالك وما الكتيبة قال أرض خيبر وهي أربعون ألف عذق .
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের কোন অঞ্চল যুদ্ধের মাধ্যমে আর কোনো এলাকা সন্ধির মাধ্যমে দখল করেন। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আল-হারিস ইবনু মিসকীনের সামনে (কিছু) পাঠ করা হয়। তখন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ইবনু ওয়াহ্ব তোমাদেরকে অবহিত করেছেন যে, ইবনু শিহাব হতে মালিক আমাকে বলেছেন, খায়বারের কিছু এলাকা শক্তি প্রয়োগে এবং কিছু এলাকা সন্ধির মাধ্যমে দখল করা হয়। আমি (ইবনু ওয়াহব) মালিককে জিজ্ঞেস করি, ‘আল-কুতাইবাহ’ বলতে কি বুঝায়? তিনি বললেন, খায়বারের জমি। এখানে চল্লিশ হাজার খেজুর গাছ ছিল।
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের কোন অঞ্চল যুদ্ধের মাধ্যমে আর কোনো এলাকা সন্ধির মাধ্যমে দখল করেন। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আল-হারিস ইবনু মিসকীনের সামনে (কিছু) পাঠ করা হয়। তখন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ইবনু ওয়াহ্ব তোমাদেরকে অবহিত করেছেন যে, ইবনু শিহাব হতে মালিক আমাকে বলেছেন, খায়বারের কিছু এলাকা শক্তি প্রয়োগে এবং কিছু এলাকা সন্ধির মাধ্যমে দখল করা হয়। আমি (ইবনু ওয়াহব) মালিককে জিজ্ঞেস করি, ‘আল-কুতাইবাহ’ বলতে কি বুঝায়? তিনি বললেন, খায়বারের জমি। এখানে চল্লিশ হাজার খেজুর গাছ ছিল।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الله بن محمد، عن جويرية، عن مالك، عن الزهري، أن سعيد بن المسيب، أخبره أن رسول الله صلى الله عليه وسلم افتتح بعض خيبر عنوة . قال أبو داود وقرئ على الحارث بن مسكين وأنا شاهد أخبركم ابن وهب قال حدثني مالك عن ابن شهاب أن خيبر كان بعضها عنوة وبعضها صلحا والكتيبة أكثرها عنوة وفيها صلح . قلت لمالك وما الكتيبة قال أرض خيبر وهي أربعون ألف عذق .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১৮
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم افتتح خيبر عنوة بعد القتال ونزل من نزل من أهلها على الجلاء بعد القتال .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জানতে পেরেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের পর শক্তি প্রয়োগে খায়বার অঞ্চল জয় করেন এবং যুদ্ধ শেষে সেখানকার অধিবাসীদের অবরুদ্ধ দুর্গ থেকে এ শর্তে বের হতে দেয়া হয় যে, তারা এখান থেকে বিতাড়িত হয়ে অন্যত্র চলে যাবে।
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জানতে পেরেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধের পর শক্তি প্রয়োগে খায়বার অঞ্চল জয় করেন এবং যুদ্ধ শেষে সেখানকার অধিবাসীদের অবরুদ্ধ দুর্গ থেকে এ শর্তে বের হতে দেয়া হয় যে, তারা এখান থেকে বিতাড়িত হয়ে অন্যত্র চলে যাবে।
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم افتتح خيبر عنوة بعد القتال ونزل من نزل من أهلها على الجلاء بعد القتال .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১৯
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، قال خمس رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر ثم قسم سائرها على من شهدها ومن غاب عنها من أهل الحديبية .
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ধন-সম্পদ থেকে এক-পঞ্চমাংশ পৃথক করেন। অত:পর অবশিষ্ট মালামাল সেখানে উপস্থিত যোদ্ধাদের মাঝে এবং হুদায়বিয়ার ঐ সব লোকদের মধ্যে বণ্টন করলেন যারা (খায়বারে) অনুপস্থিত ছিলেন।
ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বারের ধন-সম্পদ থেকে এক-পঞ্চমাংশ পৃথক করেন। অত:পর অবশিষ্ট মালামাল সেখানে উপস্থিত যোদ্ধাদের মাঝে এবং হুদায়বিয়ার ঐ সব লোকদের মধ্যে বণ্টন করলেন যারা (খায়বারে) অনুপস্থিত ছিলেন।
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس بن يزيد، عن ابن شهاب، قال خمس رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر ثم قسم سائرها على من شهدها ومن غاب عنها من أهل الحديبية .
সুনানে আবু দাউদ ৩০২০
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرحمن، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر، قال لولا آخر المسلمين ما فتحت قرية إلا قسمتها كما قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر .
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যদি পরবর্তীকালের মুসলিমদের বিষয় খেয়াল না করতাম তাহলে আমি যে কোন জনপদই জয় করতাম, আর তা ঐভাবে বণ্টন করতাম যেভাবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকায় বণ্টন করেছেন।
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যদি পরবর্তীকালের মুসলিমদের বিষয় খেয়াল না করতাম তাহলে আমি যে কোন জনপদই জয় করতাম, আর তা ঐভাবে বণ্টন করতাম যেভাবে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) খায়বার এলাকায় বণ্টন করেছেন।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرحمن، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن عمر، قال لولا آخر المسلمين ما فتحت قرية إلا قسمتها كما قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم خيبر .
সুনানে আবু দাউদ ৩০১৬
حدثنا حسين بن علي العجلي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا ابن أبي زائدة، عن محمد بن إسحاق، عن الزهري، وعبد الله بن أبي بكر، وبعض، ولد محمد بن مسلمة قالوا بقيت بقية من أهل خيبر تحصنوا فسألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يحقن دماءهم ويسيرهم ففعل فسمع بذلك أهل فدك فنزلوا على مثل ذلك فكانت لرسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة لأنه لم يوجف عليها بخيل ولا ركاب .
আয-যুহরী, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) ও মুহাম্মদ ইবনু মাসালামাহর কতিপয় সন্তান সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা বলেন, খায়বার বিজিত হলে কিছু লোক দুর্গে অবরুদ্ধ থাকে। তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে নিরাপত্তা ও অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলো। তিনি তাঁদের আবেদন গ্রহণ করলেন। ফাদাকের লোকেরা এটা জানতে পেরে তারাও অনুরূপ প্রস্তাব করলো। এ এলাকাটি বিশেষ করে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য নির্দিষ্ট ছিল। কেননা এ এলাকা জয় করতে ঘোড়া দৌড়াতে হয়নি এবং উটও হ্যাঁকাতে হয় নি। সানাদ দুর্বল।
আয-যুহরী, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) ও মুহাম্মদ ইবনু মাসালামাহর কতিপয় সন্তান সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা বলেন, খায়বার বিজিত হলে কিছু লোক দুর্গে অবরুদ্ধ থাকে। তারা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে নিরাপত্তা ও অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলো। তিনি তাঁদের আবেদন গ্রহণ করলেন। ফাদাকের লোকেরা এটা জানতে পেরে তারাও অনুরূপ প্রস্তাব করলো। এ এলাকাটি বিশেষ করে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য নির্দিষ্ট ছিল। কেননা এ এলাকা জয় করতে ঘোড়া দৌড়াতে হয়নি এবং উটও হ্যাঁকাতে হয় নি। সানাদ দুর্বল।
حدثنا حسين بن علي العجلي، حدثنا يحيى، - يعني ابن آدم - حدثنا ابن أبي زائدة، عن محمد بن إسحاق، عن الزهري، وعبد الله بن أبي بكر، وبعض، ولد محمد بن مسلمة قالوا بقيت بقية من أهل خيبر تحصنوا فسألوا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يحقن دماءهم ويسيرهم ففعل فسمع بذلك أهل فدك فنزلوا على مثل ذلك فكانت لرسول الله صلى الله عليه وسلم خاصة لأنه لم يوجف عليها بخيل ولا ركاب .