সুনানে আবু দাউদ > ওয়ালাআ বিক্রয় করা সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২৯১৯

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، رضى الله عنهما قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء وعن هبته ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ালাআ বিক্রয় এবং হেবা করতে নিষেধ করেছেন।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়ালাআ বিক্রয় এবং হেবা করতে নিষেধ করেছেন।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، رضى الله عنهما قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء وعن هبته ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > সদ্য প্রসূত শিশু কান্নার পর মারা গেলে সে সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২৯২০

حدثنا حسين بن معاذ، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا محمد، - يعني ابن إسحاق - عن يزيد بن عبد الله بن قسيط، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا استهل المولود ورث ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ শিশু ভূমিষ্ঠ হয়ে কান্নার শব্দ করে মারা গেলে তাকে ওয়ারিস গণ্য করবে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ শিশু ভূমিষ্ঠ হয়ে কান্নার শব্দ করে মারা গেলে তাকে ওয়ারিস গণ্য করবে।

حدثنا حسين بن معاذ، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا محمد، - يعني ابن إسحاق - عن يزيد بن عبد الله بن قسيط، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ إذا استهل المولود ورث ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > আত্মীয়তার মীরাস মৌখিক স্বীকৃতির মীরাসকে রহিত করে

সুনানে আবু দাউদ ২৯২৪

حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، والذين، آمنوا وهاجروا والذين آمنوا ولم يهاجروا فكان الأعرابي لا يرث المهاجر ولا يرثه المهاجر فنسختها فقال ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আল্লাহ্‌র বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে এবং নিজেদের জান-মাল দিয়ে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে- তারা পরস্পরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি, তাদের সাথে তোমাদের বন্ধুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার সম্পর্ক নেই-যতক্ষণ তারা হিজরাত না করে” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭২)। বেদুঈনরা মুহাজিরদের ওয়ারিস হতো না এবং মুহাজিরগণও তাদের ওয়ারিস হতেন না। উপরের আয়াত রহিত হয় এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র কিতাবে রক্তের আত্মীয়গণ পরস্পরের মাঝে অধিক হকদার। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ সবকিছু অবহিত” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭৬)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আল্লাহ্‌র বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে এবং নিজেদের জান-মাল দিয়ে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে- তারা পরস্পরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি, তাদের সাথে তোমাদের বন্ধুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার সম্পর্ক নেই-যতক্ষণ তারা হিজরাত না করে” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭২)। বেদুঈনরা মুহাজিরদের ওয়ারিস হতো না এবং মুহাজিরগণও তাদের ওয়ারিস হতেন না। উপরের আয়াত রহিত হয় এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র কিতাবে রক্তের আত্মীয়গণ পরস্পরের মাঝে অধিক হকদার। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ সবকিছু অবহিত” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭৬)।

حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، والذين، آمنوا وهاجروا والذين آمنوا ولم يهاجروا فكان الأعرابي لا يرث المهاجر ولا يرثه المهاجر فنسختها فقال ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২৪

حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، والذين، آمنوا وهاجروا والذين آمنوا ولم يهاجروا فكان الأعرابي لا يرث المهاجر ولا يرثه المهاجر فنسختها فقال ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আল্লাহ্‌র বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে এবং নিজেদের জান-মাল দিয়ে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে- তারা পরস্পরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি, তাদের সাথে তোমাদের বন্ধুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার সম্পর্ক নেই-যতক্ষণ তারা হিজরাত না করে” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭২)। বেদুঈনরা মুহাজিরদের ওয়ারিস হতো না এবং মুহাজিরগণও তাদের ওয়ারিস হতেন না। উপরের আয়াত রহিত হয় এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র কিতাবে রক্তের আত্মীয়গণ পরস্পরের মাঝে অধিক হকদার। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ সবকিছু অবহিত” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭৬)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আল্লাহ্‌র বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে এবং নিজেদের জান-মাল দিয়ে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে- তারা পরস্পরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি, তাদের সাথে তোমাদের বন্ধুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার সম্পর্ক নেই-যতক্ষণ তারা হিজরাত না করে” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭২)। বেদুঈনরা মুহাজিরদের ওয়ারিস হতো না এবং মুহাজিরগণও তাদের ওয়ারিস হতেন না। উপরের আয়াত রহিত হয় এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র কিতাবে রক্তের আত্মীয়গণ পরস্পরের মাঝে অধিক হকদার। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ সবকিছু অবহিত” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭৬)।

حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، والذين، آمنوا وهاجروا والذين آمنوا ولم يهاجروا فكان الأعرابي لا يرث المهاجر ولا يرثه المهاجر فنسختها فقال ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২৪

حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، والذين، آمنوا وهاجروا والذين آمنوا ولم يهاجروا فكان الأعرابي لا يرث المهاجر ولا يرثه المهاجر فنسختها فقال ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আল্লাহ্‌র বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে এবং নিজেদের জান-মাল দিয়ে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে- তারা পরস্পরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি, তাদের সাথে তোমাদের বন্ধুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার সম্পর্ক নেই-যতক্ষণ তারা হিজরাত না করে” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭২)। বেদুঈনরা মুহাজিরদের ওয়ারিস হতো না এবং মুহাজিরগণও তাদের ওয়ারিস হতেন না। উপরের আয়াত রহিত হয় এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র কিতাবে রক্তের আত্মীয়গণ পরস্পরের মাঝে অধিক হকদার। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ সবকিছু অবহিত” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭৬)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(আল্লাহ্‌র বাণী) : “যারা ঈমান এনেছে, হিজরাত করেছে এবং নিজেদের জান-মাল দিয়ে আল্লাহ্‌র পথে জিহাদ করেছে, এবং যারা তাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে এবং সাহায্য করেছে- তারা পরস্পরের বন্ধু। আর যারা ঈমান এনেছে কিন্তু হিজরাত করেনি, তাদের সাথে তোমাদের বন্ধুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতার সম্পর্ক নেই-যতক্ষণ তারা হিজরাত না করে” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭২)। বেদুঈনরা মুহাজিরদের ওয়ারিস হতো না এবং মুহাজিরগণও তাদের ওয়ারিস হতেন না। উপরের আয়াত রহিত হয় এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র কিতাবে রক্তের আত্মীয়গণ পরস্পরের মাঝে অধিক হকদার। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ সবকিছু অবহিত” (সূরাহ আল-আনফাল : ৭৬)।

حدثنا أحمد بن محمد، حدثنا علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، والذين، آمنوا وهاجروا والذين آمنوا ولم يهاجروا فكان الأعرابي لا يرث المهاجر ولا يرثه المهاجر فنسختها فقال ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২৩

حدثنا أحمد بن حنبل، وعبد العزيز بن يحيى المعنى، - قال أحمد - حدثنا محمد بن سلمة، عن ابن إسحاق، عن داود بن الحصين، قال كنت أقرأ على أم سعد بنت الربيع وكانت يتيمة في حجر أبي بكر فقرأت ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم ‏}‏ فقالت لا تقرأ ‏{‏ والذين عاقدت أيمانكم ‏}‏ ولكن ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم ‏}‏ إنما نزلت في أبي بكر وابنه عبد الرحمن حين أبى الإسلام فحلف أبو بكر ألا يورثه فلما أسلم أمر الله تعالى نبيه عليه السلام أن يؤتيه نصيبه ‏.‏ زاد عبد العزيز فما أسلم حتى حمل على الإسلام بالسيف ‏.‏ قال أبو داود من قال ‏{‏ عقدت ‏}‏ جعله حلفا ومن قال ‏{‏ عاقدت ‏}‏ جعله حالفا والصواب حديث طلحة ‏{‏ عاقدت ‏}‏ ‏.‏

দাঊদ ইবনুল হুসাইন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রবী’র কন্যা এবং সা’দের মায়ের নিকট কুরআন পড়তাম। সা’দের মা ছিলেন ইয়াতীম। তিনি আবূ বাক্‌রের (রাঃ) তত্ত্বাবধানে লালিত হন। যখন আমি এ আয়াত পড়ি : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো”। তিনি বললেন, “যাদের সাথে তোমাদের চুক্তি রয়েছে...” এ আয়াত পাঠ করো না। কেননা এ আয়াত আবূ বকর (রাঃ) ও তার ছেলে ‘আবদুর রহমানের প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে। সে ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় আবূ বকর (রাঃ) শপথ করে বলেন, সে তার উত্তরাধিকারী হবে না। অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানকে মীরাসের অংশ দেয়ার জন্য আবূ বকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুল ‘আযীয বর্ণনা করেন, তরবারি তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করার পূর্বে সে ইসলাম গ্রহণ করেনি।

দাঊদ ইবনুল হুসাইন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রবী’র কন্যা এবং সা’দের মায়ের নিকট কুরআন পড়তাম। সা’দের মা ছিলেন ইয়াতীম। তিনি আবূ বাক্‌রের (রাঃ) তত্ত্বাবধানে লালিত হন। যখন আমি এ আয়াত পড়ি : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো”। তিনি বললেন, “যাদের সাথে তোমাদের চুক্তি রয়েছে...” এ আয়াত পাঠ করো না। কেননা এ আয়াত আবূ বকর (রাঃ) ও তার ছেলে ‘আবদুর রহমানের প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছে। সে ইসলাম গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় আবূ বকর (রাঃ) শপথ করে বলেন, সে তার উত্তরাধিকারী হবে না। অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানকে মীরাসের অংশ দেয়ার জন্য আবূ বকর (রাঃ)-কে নির্দেশ দেন। বর্ণনাকারী ‘আবদুল ‘আযীয বর্ণনা করেন, তরবারি তাকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করার পূর্বে সে ইসলাম গ্রহণ করেনি।

حدثنا أحمد بن حنبل، وعبد العزيز بن يحيى المعنى، - قال أحمد - حدثنا محمد بن سلمة، عن ابن إسحاق، عن داود بن الحصين، قال كنت أقرأ على أم سعد بنت الربيع وكانت يتيمة في حجر أبي بكر فقرأت ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم ‏}‏ فقالت لا تقرأ ‏{‏ والذين عاقدت أيمانكم ‏}‏ ولكن ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم ‏}‏ إنما نزلت في أبي بكر وابنه عبد الرحمن حين أبى الإسلام فحلف أبو بكر ألا يورثه فلما أسلم أمر الله تعالى نبيه عليه السلام أن يؤتيه نصيبه ‏.‏ زاد عبد العزيز فما أسلم حتى حمل على الإسلام بالسيف ‏.‏ قال أبو داود من قال ‏{‏ عقدت ‏}‏ جعله حلفا ومن قال ‏{‏ عاقدت ‏}‏ جعله حالفا والصواب حديث طلحة ‏{‏ عاقدت ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২১

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ كان الرجل يحالف الرجل ليس بينهما نسب فيرث أحدهما الآخر فنسخ ذلك الأنفال فقال تعالى ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহ্‌র বাণী) : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। পূর্ব যুগের লোকেরা পারস্পরিক চুক্তি বা শপথের মাধ্যমে একে অপরের ওয়ারিস হতো, অথচ তাদের মধ্যে বংশীয় বা আত্মীয়তার কোন সম্পর্ক থাকতো না। এ সুযোগ রহিত হয় সূরাহ আল-আনফালের এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র বিধানে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রা একে অন্যের চেয়ে অধিক হকদার”।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহ্‌র বাণী) : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। পূর্ব যুগের লোকেরা পারস্পরিক চুক্তি বা শপথের মাধ্যমে একে অপরের ওয়ারিস হতো, অথচ তাদের মধ্যে বংশীয় বা আত্মীয়তার কোন সম্পর্ক থাকতো না। এ সুযোগ রহিত হয় সূরাহ আল-আনফালের এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র বিধানে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রা একে অন্যের চেয়ে অধিক হকদার”।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ كان الرجل يحالف الرجل ليس بينهما نسب فيرث أحدهما الآخر فنسخ ذلك الأنفال فقال تعالى ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২১

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ كان الرجل يحالف الرجل ليس بينهما نسب فيرث أحدهما الآخر فنسخ ذلك الأنفال فقال تعالى ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহ্‌র বাণী) : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। পূর্ব যুগের লোকেরা পারস্পরিক চুক্তি বা শপথের মাধ্যমে একে অপরের ওয়ারিস হতো, অথচ তাদের মধ্যে বংশীয় বা আত্মীয়তার কোন সম্পর্ক থাকতো না। এ সুযোগ রহিত হয় সূরাহ আল-আনফালের এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র বিধানে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রা একে অন্যের চেয়ে অধিক হকদার”।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহ্‌র বাণী) : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। পূর্ব যুগের লোকেরা পারস্পরিক চুক্তি বা শপথের মাধ্যমে একে অপরের ওয়ারিস হতো, অথচ তাদের মধ্যে বংশীয় বা আত্মীয়তার কোন সম্পর্ক থাকতো না। এ সুযোগ রহিত হয় সূরাহ আল-আনফালের এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র বিধানে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রা একে অন্যের চেয়ে অধিক হকদার”।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ كان الرجل يحالف الرجل ليس بينهما نسب فيرث أحدهما الآخر فنسخ ذلك الأنفال فقال تعالى ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২১

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ كان الرجل يحالف الرجل ليس بينهما نسب فيرث أحدهما الآخر فنسخ ذلك الأنفال فقال تعالى ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহ্‌র বাণী) : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। পূর্ব যুগের লোকেরা পারস্পরিক চুক্তি বা শপথের মাধ্যমে একে অপরের ওয়ারিস হতো, অথচ তাদের মধ্যে বংশীয় বা আত্মীয়তার কোন সম্পর্ক থাকতো না। এ সুযোগ রহিত হয় সূরাহ আল-আনফালের এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র বিধানে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রা একে অন্যের চেয়ে অধিক হকদার”।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহ্‌র বাণী) : “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। পূর্ব যুগের লোকেরা পারস্পরিক চুক্তি বা শপথের মাধ্যমে একে অপরের ওয়ারিস হতো, অথচ তাদের মধ্যে বংশীয় বা আত্মীয়তার কোন সম্পর্ক থাকতো না। এ সুযোগ রহিত হয় সূরাহ আল-আনফালের এ আয়াত দ্বারা : “আল্লাহ্‌র বিধানে রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রা একে অন্যের চেয়ে অধিক হকদার”।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ كان الرجل يحالف الرجل ليس بينهما نسب فيرث أحدهما الآخر فنسخ ذلك الأنفال فقال تعالى ‏{‏ وأولو الأرحام بعضهم أولى ببعض ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২২

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا أبو أسامة، حدثني إدريس بن يزيد، حدثنا طلحة بن مصرف، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قوله ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ قال كان المهاجرون حين قدموا المدينة تورث الأنصار دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت هذه الآية ‏{‏ ولكل جعلنا موالي مما ترك ‏}‏ قال نسختها ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ من النصرة والنصيحة والرفادة ويوصي له وقد ذهب الميراث ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে মহান আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে বর্ণিত : যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। তিনি বলেন, মুহাজিরগণ হিজরাত করে মদিনায় আসার পর, আত্মীয়তার বন্ধন ছাড়াই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক তাদের মাঝে প্রতিষ্ঠিত ভ্রাতৃ-বন্ধনের ভিত্তিতে আনসারদের মীরাস পান। যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় : “পিতা-মাতা ও আত্মীয়রা যে সম্পদ রেখে যাবে, আমরা এর প্রত্যেকটির হকদার নির্দিষ্ট করে দিয়েছি... (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩), তিনি বলেন, “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” উপরের আয়াত দ্বারা রহিত। কিন্তু সাহায্য, উপদেশ, ওসিয়াত ইত্যাদি করার নির্দেশ বহাল আছে, কিন্তু ওয়ারিস হওয়ার প্রথা বাতিল।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে মহান আল্লাহর এ বাণী সম্পর্কে বর্ণিত : যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩)। তিনি বলেন, মুহাজিরগণ হিজরাত করে মদিনায় আসার পর, আত্মীয়তার বন্ধন ছাড়াই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক তাদের মাঝে প্রতিষ্ঠিত ভ্রাতৃ-বন্ধনের ভিত্তিতে আনসারদের মীরাস পান। যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয় : “পিতা-মাতা ও আত্মীয়রা যে সম্পদ রেখে যাবে, আমরা এর প্রত্যেকটির হকদার নির্দিষ্ট করে দিয়েছি... (সূরাহ আন-নিসা : ৩৩), তিনি বলেন, “যাদের সাথে তোমরা ওয়াদাবদ্ধ তাদের প্রাপ্য তাদেরকে প্রদান করো” উপরের আয়াত দ্বারা রহিত। কিন্তু সাহায্য, উপদেশ, ওসিয়াত ইত্যাদি করার নির্দেশ বহাল আছে, কিন্তু ওয়ারিস হওয়ার প্রথা বাতিল।

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا أبو أسامة، حدثني إدريس بن يزيد، حدثنا طلحة بن مصرف، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، في قوله ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ قال كان المهاجرون حين قدموا المدينة تورث الأنصار دون ذوي رحمه للأخوة التي آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم فلما نزلت هذه الآية ‏{‏ ولكل جعلنا موالي مما ترك ‏}‏ قال نسختها ‏{‏ والذين عقدت أيمانكم فآتوهم نصيبهم ‏}‏ من النصرة والنصيحة والرفادة ويوصي له وقد ذهب الميراث ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > শপথ বা চুক্তি সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২৯২৫

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، وابن، نمير وأبو أسامة عن زكريا، عن سعد بن إبراهيم، عن أبيه، عن جبير بن مطعم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حلف في الإسلام وأيما حلف كان في الجاهلية لم يزده الإسلام إلا شدة ‏"‏ ‏.‏

জুবাইর ইবনু মুত্ব’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (অন্যায় কাজে) চুক্তিবদ্ধ হওয়া ইসলামে জায়িয নয়। ইসলাম জাহিলী যুগের এ জাতীয় চুক্তির উপর কঠোরতা আরোপ করেছে।

জুবাইর ইবনু মুত্ব’ইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (অন্যায় কাজে) চুক্তিবদ্ধ হওয়া ইসলামে জায়িয নয়। ইসলাম জাহিলী যুগের এ জাতীয় চুক্তির উপর কঠোরতা আরোপ করেছে।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا محمد بن بشر، وابن، نمير وأبو أسامة عن زكريا، عن سعد بن إبراهيم، عن أبيه، عن جبير بن مطعم، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حلف في الإسلام وأيما حلف كان في الجاهلية لم يزده الإسلام إلا شدة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৯২৬

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن عاصم الأحول، قال سمعت أنس بن مالك، يقول حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين المهاجرين والأنصار في دارنا ‏.‏ فقيل له أليس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حلف في الإسلام ‏"‏ ‏.‏ فقال حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين المهاجرين والأنصار في دارنا ‏.‏ مرتين أو ثلاثا

আসিম আল-আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস্ ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘরে বসে মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক গড়েন। তাকে বলা হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি : ইসলামে কোন ওয়াদা নাই? উত্তরে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাড়িতে আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব গড়েছেন। আনাস এ কথাটা দুই-তিনবার বললেন।

আসিম আল-আহওয়াল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আনাস্ ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঘরে বসে মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক গড়েন। তাকে বলা হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি বলেননি : ইসলামে কোন ওয়াদা নাই? উত্তরে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বাড়িতে আনসার ও মুহাজিরদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব গড়েছেন। আনাস এ কথাটা দুই-তিনবার বললেন।

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن عاصم الأحول، قال سمعت أنس بن مالك، يقول حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين المهاجرين والأنصار في دارنا ‏.‏ فقيل له أليس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا حلف في الإسلام ‏"‏ ‏.‏ فقال حالف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين المهاجرين والأنصار في دارنا ‏.‏ مرتين أو ثلاثا


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00